নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবন কেবলই ফুরিয়ে যায়।

মোঃ মাইদুল সরকার

একদিন জীবন শেষ হয়ে যাবে তবুও অনেক কিছু করার সাধ জাগে..............

মোঃ মাইদুল সরকার › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি ট্রান্সলেশন ও বেত ভাঙ্গার আওয়াজ

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:২৯




ক্লাশ নাইনে ক্লাশ চলছে। ইংরেজীর শিক্ষক টেনস পড়াচ্ছেন। ভাল করে বুঝাচ্ছেন। মাঝে মাঝে একে-ওকে প্রশ্ন করছেন। অনেকেই পারছে আবার কেউ কেউ পারছেনা। স্যার বকা দিচ্ছেন এত সহজ একটা বিষয় বুঝিয়ে দেওয়ার পরও কেন পারছেনা।

এক থেকে দশের মধ্যে যাদের রোল নম্বর তাদের মেধাবী হিসেবে ধরা হয় ক্লাশে। মজিবল এর রোল নম্বরও দশের মধ্যেই আছে। লম্বা, চিকনা-চাকনা মজিবল বেশ কদিন ধরে স্যারকে একটা প্রশ্ন করবো করবো করেও করতে পারছেনা। আসলে সাহসে কুলিয়ে উঠতে পারছেনা।

এর মধ্যে সে টেনস ভালই রপ্ত করে ফেলে। তাকে বাংলা বাক্য বলার পর সে ভালই টেন্সলেট করে। তো একদিন সে সাহস করে স্যারকে বলেই ফেলল- স্যার আমার একটি প্রশ্ন ছিল ?

স্যার-বলে ফেল ?

মজিবল-স্যার কিছু মনে করবেন নাতো ?

স্যার - মানে ?

মজিবল-স্যার, আমি বেশ কদিন ধরে চেষ্টা করেও একটা বাক্যের ট্রান্সলেশন করতে পারছিনা।

স্যার-বাক্যটা বল।

মজিবল- আমি যাকে ভালবাসি তার নাম পূজা।

স্যার-চোখ ছোট করে মজিবলের দিকে তাকিয়ে বলল-‘আবার বল’।

মজিবল-গলা শুকিয়ে কাট। ডোক গিলে বলল-আমি যাকে ভালবাসি তার নাম পূজা।

স্যার- ক্লাশে পূজা নামের কোন মেয়ে আছ কি ?


ক্লাশে গুঞ্জন শুরু হয়। না পূজা নামের কোন মেয়েকে পাওয়া যায়নি। স্যার লক্ষ করেছেন মজিবলের সাথে যারা বসে আছে তারা মজিবলের প্রশ্ন শুনেই মিট মিট করে হাসছে এবং ওদের চোখে মুখে দুষ্টমির ছলা-কলা। বেত হাতে ধীরে ধীরে মজিবলের দিকে এগিয়ে যায় স্যার। পায়চারী থামিয়ে রক্ত চক্ষুর দৃষ্টি হেনে বেত হাতে ঝাপিয়ে পড়েন মজিবলের উপর।

ফলালফ মারাত্মক পিটুনি খেয়ে মজিবল পরের তিন দিন আর স্কুলে আসেনি। বেত ভাঙ্গার আওয়াজে কেউ আর এ ধরনের ট্রান্সলশন স্যার কে জিজ্ঞেস করেনি।

আজও মনে পড়ে সেই ঘটনা। কি দিন গিয়েছে আমাদের কৌশরে যৌবনের প্রারম্ভে।

মন্তব্য ৬৮ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৬৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: আমি যখন অস্টম শ্রেণীতে স্যার আমাকে বললো, "আমার শরীর কেমন কেমন করে" এটার ইংরেজি কি?
আমিও উত্তরে বললাম "My Body How How Do" B-)

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ধন্যবাদ ফাহিম।

আপনার কড়া ইংরেজী শুনে স্যার মনে হয় হাসতে হাসতে খুন।

হা হা হা.............................

২| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৪৪

ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: পূজার পুজারীর জীবন বেত্রাঘাতে্ই শেষ হইল।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
পূজার পূজারীর জীবনে প্রেম থেমে ছিলনা। তাকে সবসময় ফ্যাশেনেবল দেখতাম আজও তাই দেখি।

ধন্যবাদ।

৩| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৪৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: াহাহাহাহাহা কত দুষ্টু এমন প্রশ্নও স্যারকে জিজ্ঞেস করে

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
কিছু কিছু পোলাপান দুষ্টের শিরোমনি। ধন্যবাদ।

৪| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫৮

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: কি আবাগকান্ড সেকি ভুলা যায় মনে রাখার জন্য স্যালুট জানাই কবি দা

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
জীবনের পরতে পরতে ঘটে যাওয়া এমন ঘটনা কভু ভুলা যায়না। ধন্যবাদ।

৫| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০৬

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ,মাইদুল ভাই ।নবম-দশম শ্রেনীতে স্যারের পিটুনি সাথে সাথে এ জাতীয় কৌতুহলের কারনে অনেকেরই কপালে জোটে। এ রকম ছোট একটা অভিজ্ঞতা আমারও আছে।

আমাদের দশম শ্রেনীতে বাংলা ২য় পত্র পড়াতেন প্রধান শিক্ষক মহোদয়। স্যার এমনিতে খুব কড়া-বদমেজাজী এবং মুখে মুখে নীতির কথা যদিও সব সময় বলতেন তবে ব্যক্তি জীবনে তিনি খুব একটা ভাল মানুষ বা আচরনের অধিকারী ছিলেন না।স্যারের কথা-কাজের অমিল আমাদের কিশোর মনে বড় ব্যাথার হয়ে বাজত। আর তাই আমরা নিজেদের ভিতর আলোচনা করে একদিন স্যারের ক্লাস চলাকালে স্যারকে প্রশ্ন করছিলাম " সংগ দোষে লোহা ভাসে " এটার মানে কি?

স্যার,আমাদের দিকে খুব রাগী ভাবে অনেক সময় তাকিয়ে ছিলেন এবং কয়েকবার আমাদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন ,কার মাথায় এ প্রশ্ন এসেছে এবং এ দিয়ে আমরা কি বুঝাতে চাচছি। সে দিন ক্লাসে স্যার আমাদের আর কিছু পড়াননি এবং চুপচাপ বাকী সময় বসে ছিলেন এবং যাওয়ার সময় বলেছিলেন এ ব্যাপারে আমাদের পরবর্তী ক্লাসে বলবেন ।কিন্তু এর পর আর স্যার আমাদের ক্লাসে আসেন নি,কোন ক্লাস নেননি এবং বাকী কয়েক মাস অন্য স্যার আমাদের বাংলা ২য় পত্র ক্লাস নেননি।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ধন্যবাদ অভিজ্ঞতা বা ঘটনা শেয়ার করার জন্য।

আপনাদের এহেন প্রশ্ন হয়তো স্যারের বিবেক কে জাগ্রত করতে পেরেছে তাই উনি আর ক্লাশে আসেননি।

৬| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০৬

মিরোরডডল বলেছেন:




আরও ফানি কিছু এক্সপেক্ট করেছিলাম :(






০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:২৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: দুঃখিত। ফানি কিছু মনে এলে পোস্ট দিব তখন হয়তো আপনার প্রত্যাশা পূরণ হবে।

ধন্যবাদ।

৭| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১১

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: ঘটনা কি পুজা জানতো?

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:২৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ক্লাশের কোন মেয়ের সাথে তার সরাসরি প্রেম ছিল কিনা জানিনা। যদি থেকে থাকে তবে জানতো।

ধন্যবাদ।

৮| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৭

কবীর হুমায়ূন বলেছেন: আগের শিক্ষকেরা বেত মারতেন এবং আদরও করতেন। কিন্তু বর্তমানের শিক্ষকেরা বেত মারেন না; তাই, মনে হয় আদরও তেমন করেন না। তাঁরা এখন প্রাইভেট পড়ানোর ফাঁকফোকর খোঁজেন। বয়োসন্ধিকালকে কেউই কখনো বুঝতে চায় না। এ বৈজ্ঞানিক সত্যটি আপনার লেখায় ফুটে উঠেছে। ভালো লিখেছন। শুভ কামনা।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৩১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। সোহাস করে যে শাষন করা তারই সাজে।

নৈতিকা সবখানেই কমে েএসেছে।

আমাদের দেশে বয়ঃসন্ধিকালকে কখনই বুঝতে চাওয়া হয়নি।

প্রশসংসার জন্য ধন্যবাদ।

৯| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৮

মাসুদুর রহমান (শাওন) বলেছেন: সেই মজিবল আজ কোথায়...???

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৩২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সে আজ ইঞ্জিনিয়ার। ঢাকায় থাকে।

ধন্যবাদ।

১০| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৫১

অপু তানভীর বলেছেন: ইংরেজি ট্রান্সলেশনের কথায় একটা কথা মনে পড়লো । স্যার আমাদের টেন্স শেখাচ্ছেন । একদিন এক ছাত্রকে ইংরেজিতে লিখতে দিলেন, আমার বাবার একটা গরু আছে । বেচারা হ্যাভ ভার্ব বদলে বি ভার্ব বসিয়ে দিল । অর্থ হয়ে গেল, আমার বাবা হয় গরু । তারপর থেকে এই বাক্যের ট্রান্সলেশন আর কেউ করতে সাহস করতো না পাছে নিজের বাবা গরু হয়ে যায় !

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৪৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দারুন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন অপু ভাই।

আসলেই এমন যদি হয় অর্থ তবে কে করতে চায় ট্রান্সলেশন।

আমার একটি ছাগল ছিল- ট্রান্সলেট করতে গিয়ে আমি ছাগল হয়ে গেলাম দশা। ধন্যবাদ।

১১| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:০৭

করুণাধারা বলেছেন: এতদিন ধরে এই স্মৃতি মনে রেখেছেন- মনে হয় ভালো শিক্ষা হয়ে গেছিল সবার।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
হা তাই হয়েছে। কেউ আর ভয়ে উল্টা পাল্টা কিছু বলেনি।

ধন্যবাদ।

১২| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: মজার।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৫৭

এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো বলেছেন: এমন মার দিয়েছে, যে তিনদিন স্কুলে আসে নি। বেত ভেঙেছে। আহা, কী বীরত্বসূচক কাজ! আমাদের সময়ে ছাত্র পিটানো একটা কালচার ছিলো। খুব বাজে কালচার। উন্নত দেশে এভাবে কোন শিক্ষক পিটায় না।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
যে যুগটাই ছিল এমন। দিন পাল্টেছে। সবই বদলাচ্ছে।

ধন্যবাদ।

১৪| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৫৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: সব ট্রান্সলেশন লিখিত বা মৌখিক হয় না, প্রাকটিক্যাল দরকার পড়ে।
স্যারের মেয়ের নাম পূজা নয় তো ?

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ওরে বাবা স্যারের মেয়ে হলেতো ক্লাস ও স্কুল থেকে বেড় করে দিতো।

ধন্যবাদ।

১৫| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৩৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: মজিবল এরকম জটিল বাক্য খুঁজে পেলো ক্যাম্নে ওই সময়ে.... :||

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: হয়তো প্রেমে টেমে পড়া শুরু করেছিল।

ধন্যবাদ।

১৬| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:০১

এম ডি মুসা বলেছেন: দারুন পোস্ট

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ধন্যবাদ।

১৭| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫৭

রামিসা রোজা বলেছেন:

মজার স্মৃতি স্মরণ করে লিখেছেন পড়তে ভালো লাগলো।
ওই ছেলেটি কি একটু বোকা ছিলো ?

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:২৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
মোটেই না। চালক চতুর ছিল।

ধন্যবাদ।

১৮| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:১৪

ফয়সাল রকি বলেছেন: আহারে বেচারা!

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:২৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
হুম কষ্ট। ধন্যবাদ।

১৯| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০৬

বলেছেন: বেত ভাঙ্গার আওয়া—হাহা

এখন তো বেত নাই আছে চেতনা !!

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
চেতনার হাওয়ায় ভাসছি আমরা।

ধন্যবাদ।

২০| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:



স্কুলটা বাংলাদেশের কোন এলাকায়?

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: কুমিল্লায়। ধন্যবাদ।

২১| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:১৬

ওমেরা বলেছেন: বেতের বারি খেয়ে কি মজিবলের জ্বর হয়েছিল , তিনদিন যে স্কুলে আসেনি ?

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
হ্যা। ভীষণ জ্বর ছিল।

ধন্যবাদ।

২২| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনিও ভাল থাকুন।

২৩| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার,





হুমমমমম.... স্কুলের সেই সব দিনগুলো চিলো আশ্চর্য্য রকমের সুন্দর।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আসলেই অন্যরকম ভাললাগা ছিল দিনগুলো। আর ফিরে পাবনা। ধন্যবাদ।

২৪| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:১৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: দুষ্টের শিরমনি লংকার রাজা । চুপে খাও তুমি চানাচুর ভাজা

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ওয়াও দারুন মন্তব্য। ঠিক যেন তাই।ধন্যবাদ।

২৫| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০২

ইসিয়াক বলেছেন: হা হা হা ...বেচারা।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ধন্যবাদ। বেচারা এখন ভাল অবস্থানে আছে।

২৬| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৫৬

কালো যাদুকর বলেছেন: টেন্স কখনো বুঝতাম না। মারও খেয়েছি অনেক। ভিশন মজার কাহিনী। বয়সন্ধির সময়টা এমনিই ভীষন মিস্টি।
আপনাদের কোএডুকেশন ছিল?

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:০৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: জ্বী কোএডুকেশন ছিল।

আমি মোটামোটি ভালই বুঝতাম টেন্স।

পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ।

২৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:০৬

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল।
তখনকার শিক্ষকরা কঠোর শাস্তি দিলেও ছাত্র ছাত্রীদের মানুষ বানানোর কাজ ভালোভাবেই করতেন। এতটা এখনকার মতো বানিজ্যিক ছিলেন না।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
রাইট। তখন বাণিজ্য ছিলনা এখন বাণিজ্যের সাথে ধান্ধা আছে।

ধন্যবাদ।

২৮| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ভোর ৫:৪৪

সোহানী বলেছেন: হায় হায় কি থেইকা কই গেল!!!!!!!!

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
হ্যা আপু। মাঝে মাঝে এমন হয়।

কি থেকে কি হয় বুঝা বড় দায়।

ধন্যবাদ।

২৯| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

জুল ভার্ন বলেছেন: চমৎকার!

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ধন্যবাদ।

৩০| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:১৩

কল্পদ্রুম বলেছেন: পূজা কি স্যারের মেয়ের নাম ছিলো? উনি রেগে গেলেন কেন? শিক্ষকদের বেত মারামারির অভ্যাস আমার কখনোই পছব্দ হয়নি৷

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: না স্যারের মেয়ে ছিলনা। তখনকার স্যারেরা েএমনই ছিল। মেরে মানুষ করা যাকে বলে।
ধন্যবাদ।

৩১| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৪২

শায়মা বলেছেন: পূজার প্রশ্নটা এমন বেশি খারাপ না স্যারের মারা উচিৎই হয়নি।

:(


কিন্তু তারেকভাইয়া এটা কি বললো !!!!!!!!!!!

১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩৭১

তারেক ফাহিম বলেছেন: আমি যখন অস্টম শ্রেণীতে স্যার আমাকে বললো, "আমার শরীর কেমন কেমন করে" এটার ইংরেজি কি?
আমিও উত্তরে বললাম "My Body How How Do" B-)


হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা :P

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ধন্যবাদ।

আজকালকার স্যার হলে মারতেন না।

তারেক ভাইয়ের ইংরেজী পড়ে আমিও হাসতে হাসতে শেষ।

৩২| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:০৯

মপোতোস বলেছেন: মজাই লাগলো, যদিও ঘটনাটা দুঃখজনক। এই ট্রান্সলেশনকে আজরাইলের মতো ভয় পেতাম, ছোট্ট বেলায়। আমার এক জ্যাঠা ছিলেন, দেখলেই ট্রান্সলেশন ধরতেন। তাঁকে দেখলেই পালিয়ে যেত ছেলে-মেয়েরা।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আসলেই ট্রান্সলেশন এক আতংকের নাম। ছোট ঘটনা শেয়ারে ধন্যবাদ।

৩৩| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:১৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
জিঞ্জার ওয়াটার খেয়ে লেগে থাকলেও
টেন্সের দেবী ধরা দিতো না!!
সে জন্য তার উপর এখনো
ক্ষুব্ধ আমি!!

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আহা বড়ই কষ্টের। যাক সেসব দিন শেষ হয়েছে। কিন্তু স্মৃতিতে অম্লান।

ধন্যবাদ।

৩৪| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:০০

আখেনাটেন বলেছেন: কত মজিবল যে বেতের বাড়িতে পূজিত হয়েছে তার হিসাব মেলা মুশকিল। হা হা হা।

মজা পেলুম গপ্পে। :D

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৩৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ধন্যবাদ।

অনেক মজিবলরা এভাবে বেতের বাড়ি খেয়ে মানুষ হয়েছে আবার কেউ কেউ ঝড়ে গেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.