| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মিরাজ
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার এর বিপক্ষে কার্যকরী ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টায় কাজ করছি কিংস কলেজ লন্ডন এ নিজের গবেষণাগারে।
আলোচনা করছিলাম বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রসঙ্গে। এর আগের পর্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রস্তাবিত বিষয়গুলি ছিল শিক্ষক রাজনীতির ব্যাপ্তি সীমিতকরন এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের সংশোধন। এই পর্বে আরো দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি।
#১০ । বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সাথে ইন্ডাষ্ট্রীর যোগসূত্র স্থাপন
----------------------------------------------------------
বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইন্ডাষ্ট্রিগুলির সহযোগীতার সম্পর্ক নেই বললেই চলে। অথচ উন্নত বিশ্বে শিক্ষা গবেষণার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়-ইন্ডাষ্ট্রি পারস্পরিক সহযোগীতা একটি বড় ভূমিকা পালন করে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসকগণকে এই বিষয়ে অনতিবিলম্বে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে উদ্যোগী হয়ে সংশ্লিষ্ট ইন্ডাষ্ট্রিগুলি থেকে তাদের চাহিদা ও সহযোগীতার ক্ষেত্রকে সনাক্ত করতে হবে এবং প্রাথমিকভাবে ছোট আকারে হলেও বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়ে তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে। একবার সহযোগীতার ক্ষেত্র প্রস্তত হলে ইন্ডাষ্ট্রিগুলো তাদের ব্যবসায়িক প্রয়োজনেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গবেষণা চালাতে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা প্রদান করবে।
প্রাথমিকভাবে গবেষণা উপযোগী ল্যাবরেটরী নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট ইন্ডাষ্ট্রিগুলিকে স্পন্সর করার জন্য আহবান করা যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েট এর একটি গবেষনাগার তাদের নিজ নামে স্পন্সরের জন্য অনেক ইন্ডাষ্ট্রিই আগ্রহী হবে। এই প্রক্রিয়া একবার শুরু করা গেলে ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও একইভাবে কয়েকটি উন্নত গবেষনাগার গড়ে তোলা যাবে। উন্নত বিশ্বে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার এভাবে ইন্ডাষ্ট্রিগুলি স্পন্সর করে থাকে।
# ১১। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলির জন্য সমন্বিতভাবে কেন্দ্রীয় সেন্টার অব এক্সেলেন্স গঠন।
------------------------------------------------
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বিজ্ঞান ভিত্তিক গবেষণা ও বিজ্ঞান শিক্ষার মান উন্নয়নে কেন্দ্রীয় Center of Excellence গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। যেহেতু দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিষয়ে আধুনিক মানের গবেষণাগার তৈরীর সামর্থ্য নেই তাই ইউজিসি কর্তৃক উদ্যোগী হয়ে প্রধান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কেন্দ্রীয়ভাবে আধুনিক গবেষণা উপযোগী Center of Excellence স্থাপন করতে হবে। এই সেন্টার এর ফ্যাসিলিটি সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও ছাত্রদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
উদাহরণস্বরূপ, বুয়েটে কম্পিউটার এবং ইলেকট্রনিক্স বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের গবেষনাগার গড়ে তুলতে হবে যার access দেশের সকল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের থাকবে এবং তারা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষনার সুযোগ পাবে। একই ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে Chemistry বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের গবেষনাগার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে Physics এর একটি আন্তর্জাতিক মানের গবেষনাগার, রাজশাহীতে Mathematics এর উপর গবেষনাগার স্থাপন করা যেতে পারে।
এর ফলে সীমিত ফান্ডের অনেক কার্যকরী ব্যবহার হবে এবং উন্নত গবেষনার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগীতাও বাড়বে।
(চলবে)
২|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৫৮
বীর বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
৫
৩|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:২৮
নাজিম উদদীন বলেছেন: ফার্মাসিস্টদের বড় বড় ফার্মেসী বা ঔষধের দোকানে ইন্টার্নশীপের ব্যবস্হা করতে হবে।
ঔষধের দোকানে ফার্মাসিস্ট ছাড়া অন্য কেউ ঔষধ ডিসপেন্স করতে পারবে না এ ধরণের আইন করতে হবে।
৪|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৭
সনটে বলেছেন: আমাদের দেশে শিল্পপতিরা গবেষনার জন্য টাকা না দিয়ে, টাকা ঢালে রাজনীতিবিদদের পিছনে, এখন ঢালছে সামরিক বাহিনী ও বর্তমান সরকারের পিছনে, যদিও আমাদের অজানা সরকার ঐ টাকা কোথায় খরচ করছে। যাহোক ভাল লিখেছেন, গবেষনার জন্য ফান্ড অতি জরুরী। এজন্য আমাদের সরকার, শিল্পপতি ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
৫|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৯
রাজীব বলেছেন: সায়েন্স ল্যাবের কাজটা কি.. কেউ কি একটু বলবেন?
ভাল প্রস্তাবনা। ধন্যবাদ।
৬|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
ম স রানা বলেছেন: আপনার এই লেখা ব্লগের ব্যাপ্তি পেরয়ে আরও বড় পরিসরে যাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।তাহলে আরো বেশি মানুষ জানতে পারবে।সংশ্লিষ্টদের চোখে পড়বে।আপনি এটা কোনো daily (দইনিক,সঠিকভাবে কিভাবে টাইপ করে কেউ বলবেন কি?)newspaper এ ছাপানোর ব্যাবস্থা করেন।এ ধরনের লেখার খুব দরকার।ব্লগে তো বাশীবভাগই হাবিজাবি লেখা আসে।
৭|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:১১
নীল জোছোনা বলেছেন: ৫
৮|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে মন্তব্যের জন্য।
@ হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ
ঠিক এভাবেই ইন্ডাষ্ট্রির সাথে সম্পর্কের সূচনা করতে হবে।
@ বীর
ধন্যবাদ।
@নাজিম উদ্দীন
দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য আপনার প্রস্তাব প্রাসঙ্গিক এবং প্রয়োজনীয়। কিন্ত তা কিভাবে এই পোষ্ট এর সাথে সম্পৃক্ত ঠিক বুঝতে পারছিনা।
@ সনটে
ধন্যবাদ। আসলে অস্বচ্ছ সমাজ ব্যবস্থায় আমরা কখনোই জানবোনা কোথাকার ঠাকা কোথায় খরচ হচ্ছে। এজন্য দরকার সুশাসন।
@ রাজীব
সায়েন্স ল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পর্কহীন মাথাভারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। যার ফলে এর গবেষনায় একাডেমিক উত্কর্ষ নেই। প্রাথমিকভাবে সায়েন্স ল্যাবগুলির সাথে বিশ্ববিদ্যালয় গুলির যোগসূত্র স্থাপন করা যেতে পারে।
@ ম স রানা
ধন্যবাদ আপনার প্রস্তাবের জন্য। চেষ্টা করব কোন জাতীয় দৈনিকে লেখাটি ছাপাবার।
৯|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৪
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ
নীল জোছোনা
১০|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৫
মিরাজ বলেছেন: @ সনটে
আপনাকে একটা কথা বলতে ভুলে গেছি। আমাদের কোন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিন্তু শিল্পপতিদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক পুজি বিনেয়োগের প্রস্তাব নিয়ে যান নি। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগী না হলে পুজিপতিরা উদ্যোগ নেবার কোন কারন নেই।
১১|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৫
রাগিব বলেছেন: একটা সমস্যা হলো, বুয়েটে যদি সরকারী খরচে কম্পিউটার বিজ্ঞানের উচ্চতর গবেষণাকেন্দ্রের কথা তোলা হয়, তাহলে চুয়েট, কুয়েট, রুয়েট, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই বাঁধা আসবে সবার আগে।
১২|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫০
মিরাজ বলেছেন: @ রাগিব ভাই
বাধা আসতে পারে কিন্তু যদি গবেষণাকেন্দ্রটি যদি বুয়েটের নিজস্ব সম্পত্তি না হয়ে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণের জন্য উন্মুক্ত হয় তাহলে কিন্ত বাধা আসবে না।
উচ্চতর গবেষণাকেন্দ্র স্থাপনের মুল উদ্দেশ্য সবাইকে বোঝানো সম্ভব হলে এইসকল উদ্যোগ সফল হবে।
এছাড়া চুয়েট, কুয়েট এ সিভিল বা মেকানিক্যাল এর উচ্চতর গবেষণাকেন্দ্র গড়ে তোলা যেতে পারে। আমি আসলে স্বল্প ফান্ডের যথোপযুক্ত ব্যবহারের জন্য প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি উন্নত গবেষণাগার স্থাপনের কথা বলছি যেটির এ্যকসেস অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালযেও থাকবে। অপর্যাপ্ত ১০ টি গবেষণাগারের চাইতে পূর্ণাঙ্গ ১ টি গবেষণাগার শিক্ষার মান উন্নয়নে অনেক বেশী সহায়ক হবে।
১৩|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: এইসবের জন্য প্রয়োজন ফান্ড। সেটাই সমস্যা।
১৪|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০৫
বিহঙ্গ বলেছেন: মিরাজ ভাই,
আসসালামু আলাইকুম। ভালো আছেন।
১৫|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৯
মিরাজ বলেছেন: @ উম্মু আব্দুল্লাহ
সীমিত ফান্ড যেন সটিকভাবে কাজে লাগানো যায় সেজন্যই এই প্রস্তাব।
@ বিহংগ
ওয়ালাইকুম সালাম। জ্বি ভালো আছি। প্রবাসে যতটা থাকা যায়।
১৬|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২০
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: আমি নিজের ছাত্র অবস্থায় গবেষনার জন্য ফান্ডের প্রয়োজনীয়তাটি অনুভব করেছি। আপনার প্রস্তাব দেখে ভাল লাগল। কিন্তু মিরাজ ভাই, বাস্তব সত্য হচ্ছে এগুলো নিকট ভবিষ্যতে হবে না। কারন আমরা যারা এসব নিয়ে চিন্তা করি, তাদের ক্ষমতা নেই, আর যাদের ক্ষমতা আছে, তাদের মাথায় এসব চিন্তা নেই। এটাই কষ্ট!!!!
তারপরও স্বপ্ন দেখি একদিন হবে। সেন্টার অব এক্সসিলেন্স এর কথা বললেন - আপনি নিজে হয়ত জানেন ই ইউ এর সেন্টার অব এক্সসিলেন্স এর কথা।
আরেকটি কথা,রাগিব ভাইয়ের কথাটি দুঃখজনক হলেও সম্ভবত সত্য। কোন জায়গায় কেন যে আমরা এক হতে পারি না। অথচ বাইরের অনেক ভাল ইউনি'র ল্যাব অন্য সবাই ব্যবহার করে। উদাহরণ, সুইস ফেডারেল ইন্সটিউট অব টেকনোলজী, জুরিখ বা টিইউ ডেল্ফ্ট এর ন্যানোটেকের ল্যাব সবাই ইউজ করে কারন ন্যানোটেকের ল্যাব করতে এত পয়সা লাগে যে আলাদা ভাবে সবার করা সম্ভব না।
একটি সত্যিকার অর্থে যদি আমাদের দেশে ল্যাব থাকত, যেখানে সবাই এক্সেস পেত!!! আশা করতে তো দোষ নেই।
১৭|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫
মিরাজ বলেছেন: @ মোসতফা মনির সৌরভ
ভাই অবশ্যই পরিবর্তন আসবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নতুন প্রজন্ম অবশ্যই পরিবর্তন আনবে। আমিও আশা করে আছি।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
১৮|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:২৯
ম স রানা বলেছেন: মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৯:২০:২৫
আমরা যারা এসব নিয়ে চিন্তা করি, তাদের ক্ষমতা নেই, আর যাদের ক্ষমতা আছে, তাদের মাথায় এসব চিন্তা নেই। এটাই কষ্ট!!!
**************************************
হ্যা যাদের ক্ষমতা আছে তারা আরো বড় ক্ষমতার লোভে প্রভূদের পা চাটে।
@রাগিব~~~আপনি ঠিকই বলেছেন।বুয়েটে কিছু করতে চাইলে অন্যদের কাছ থেকে বাধা আসবে।কারন আমাদের স্বভাব হলো ভাত কুকুর খাবে তবু তুই পাবিনা।অনেক সুযোগ এভাবে আমাদের দেশে আসার পরেও হাত ছাড়া হয়ে যায় নিজেদের অনৈক্যের কারনে।কথা হলো আমি যেহেতু পাবনা তা তুইও ভোগ করতে পারবি না।
১৯|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:১৭
মিরাজ বলেছেন: @ ম স রানা
পরিবর্তন আনতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্বেও পরিবর্তন আনতে হবে। শিক্ষক রাজনীতির মাধ্যমে নির্বাচিত ভিসি প্রো-ভিসি রাজনীতির স্বার্থর অনেক সাজসী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।
গবেষণামুখী এবং একাডেমিক প্রফেসরগন নেতৃত্বে আসলে এগুলি বাধা হবে না।
২০|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:৩৬
ম স রানা বলেছেন: আমার একটা জিনিস খুবই খারাপ লাগে যখন দেখি,আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকেরা যারা সমাজের মেরুন্ড বলে বিবেচিত তারা রাজনৈতিক দলের দালালি করে। আচ্ছা সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্র ও শিক্ষক রাজনিতী উঠিয়ে দায়া যায়না?
তাহলেই তো গবেষণামুখী এবং একাডেমিক প্রফেসরগন নেতৃত্বে আসতে পারবে।
আর তা হলে এই সব পাচাটা শিক্ষকদের জন্য পরো শিক্ষক সমাজের নাক কাটা যাবে যেমনটি আমরা কিছুদিন আগে ঢাবিতে দেখাছি।
২১|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:২৬
মিরাজ বলেছেন: @ ম স রানা
বেড়ালের গলায় ঘন্টা কে বাধবে?
রাজনৈতিক সরকার তাদের নিজ স্বার্থে এ পদক্ষেপ নেবে না।
তবে শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসলে শিক্ষা ব্যবস্থায়ও সংস্কার হবে।
২২|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১:৩০
এ জেড এম রাহমাতুল্লাহ বলেছেন: মিরাজ সাব, আপনি থাকেন বাইরের দেশে আমোদ ফুর্তি করে, তাহলে ঢাবি থেকে মাসে মাসে বেতন তুলছেন কেন? গরীবদেশের এ দুটো টাকা না নিলেই কি নয়?
২৩|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৪২
মিরাজ বলেছেন: রাহমাতুল্লাহ সাহেব আপনি কি জ্যোতিষী নাকি?
আপনি কি করে জানলেন যে আমি বিদেশে আমোদ ফুর্তি করে থাকি বা ঢাবি থেকে মাসে মাসে বেতন তুলছি? কথাবার্তায় আরেকটু শোভন হওয়া যায় না!!
পোষ্টের সাথে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করুন আর না হলে আমার ব্লগে আসার প্রয়োজন নাই।
২৪|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৩
ম স রানা বলেছেন: মিরাজ ভাই,এই ফাউল লোক তো আপনি যা লিখছেন কিছুই বুঝে নাই।মন্তব্য একটা করার দরকার করছে। এরে ক্ষমা করে দেন।
আশা করি শাষন ব্যবস্থায় এখন থেকে একটা পরিবর্তন হবে।আর শিক্ষকদের ইথিকস্ জিনিসটা থাকা উচিত,না হলে তারা কি ইথিকস্ শিখাবে।তবে আমার মাঝে মধ্যে মনে হয় ,তাদের ইথিকস বলতে কিছু আছে কিনা।স্কুল কলেজ সব জায়গায় ক্লাসের পড়া যথেস্ট নয়, স্যারে বাসায় প্রাইভেট পড়তে যেতে হয়।ইউনি তে দেখা যায়,আপনার চেয়ে কম মেধাবি ছাত্রটি ১ম বিভাকে ১ম হয়ে গেল, শুধুমাত্র তার টিচার কানেকশনের কারনে।আমি বলছি না এটা সব জায়গায় হয় কিন্তু কোথাও কোথও হয়।
২৫|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩৯
মিরাজ বলেছেন: @ ম স রানা
টিচার কানেকশনের কারনে ১ম শ্রেণীতে ১ম হবার কথা কলাভবন এলাকাতে হবার কথা শুনেছি কিন্তু সুনির্দিষ্ট করে জানি না। তবে কার্জন হল এলাকাতে (সায়েন্স, বায়োসায়েন্স বা ফার্মেসী অনুষদে) এরকম ব্যাপার প্রচলিত নেই।
তবে এ ধরনের ব্যাপার ঘটে থাকলে তা দু:খজনক। তবে আশংকার ব্যাপার হচ্ছে ইদানীং শিক্ষক নিয়োগের নামে ভোটার নিয়োগের প্রবণতা। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের আনুগত্য মেধার আগে মূল্যায়িত হচ্ছে। এবং এটি চলছে সব অনুষদেই।
২৬|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৪১
শিলা বলেছেন: আপনি বরাবরই ক্রিয়েটিভ লিখেন। আপনাকে পেলেই তাই পাঁচাই।
২৭|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:৪০
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ শিলা।
২৮|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৩১
জুবুথুবু বলেছেন: কেন্দ্রিয় সেন্টার অব এক্সেলেন্সের ধারনাটা আসলেই বাংলাদেশের জন্য একটা সময়োপযোগি ধারনা। বৃহত একাডেমিক পরিসরে এটা শুরু করে (যেমন শুধু সিএসই নিয়ে বুয়েটে একটা) পরে আস্তে আস্তে অন্যান্ন ক্যাম্পাসে একই ফিল্ডের আরো স্পেশালাইজড বিষয়ের উপর নতুন সেন্টার অব এক্সেলেন্স খুলা যায়। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে যেহেতু এগুলিতে অর্থায়ন অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত তাই কেন্দ্রীয় ভাবে একটা একটা করে এই সেন্টারগুলি খুলে পরে সেগুলির স্পেশালাইজড ফিল্ডের বিকেন্দ্রিকরন আরো যুক্তিযুক্ত।
তবে আমার অবজার্ভেশন যেটা, এই সব কিছুর আগে গবেষনা আর উন্নয়নের পেছনে টাকা খরচ করার মত একটা মানসিকতা সরকারের তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবগুলিতে এখনো যে সুযোগ সুবিধা আছে পর্যাপ্ত প্রকল্প অর্থায়নের সহায়তা পেলে এখানেও হয়তো কিছু করা সম্ভব।
কাজের একটা গতি আর সংস্কৃতি তৈরি না করে এরকম কেন্দ্রীয় সেন্টার অব এক্সেলেন্স সৃষ্টির পথে এগুলে শুরুতেই একটা এলোমেলো অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।
২৯|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৪৪
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: আমার যতদুর মনে পড়ে, ঢাবির সাইন্স ফ্যাকাল্টিতে COE এর কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৩ এর দিকে সাইন্স লাইব্রেরি এলাকায়। বিল্ডিং তৈরীর কাজ ও মনে হ্য় চলছিল। এরপরে বাইরে চলে আসায় আমি আর কিছু জানি না। ঐটাকি বাতিল হয়ে গিয়েছে?
৩০|
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:১৩
মিরাজ বলেছেন: @ জবুথুবু
ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য। কাজের গতি আর সংস্কৃতির জন্য সুযোগ সুবিধা বাড়াবার দরকার। কেন্দ্রীয় সেন্টার অব এক্সেলেন্স হতে পারে এ ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ্। তবে শিক্ষকদের জন্য পৃথক বেতন স্কেল প্রণয়ন করাও প্রয়োজন যাতে তাদের জীবন ধারনের জন্য অন্য কিছু চিন্তা না করে গবেষণা কাজে মনোনিবেশ করতে পারেন। এ ব্যাপারে আগের পর্বগুলিতে বলেছি।
@ মাহমুদউল্লাহ
আমি চলে আসার আগে (২০০৫ অক্টোবর) সীমিত পরিসরে COE এর কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো কোন ল্যাবই পূর্ণাঙ্গ নয়।
৩১|
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৭
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: খুবই দরকারী পোস্ট। ইন্ডাস্ট্রিগুলার সাথে ইউনিভার্সিটির ইনটারাকশন দরকার। আমার মনে আছে, একবার বাংলাদেশ ফিজিকাল সোসাইটির একটা কনফারেন্সে একজন ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টকে সেশন কো-চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। আমার মতে এটা খুবই ভাল উদ্যোগ, তাদেরকেতো জানাতে হবে যে ইউনিভার্সিটি তাদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম। এজন্য বেশি করে সেমিনার/একজিবিশন এর ব্যবস্থা করা দরকার, যেখানে ইউনিভার্সিটি এবং কোম্পানি উভয়েই পার্টিসিপেট করবে। এর একটা ভাল উদাহরন ডিইউ এর রিনিউএবল এনার্জি রিসার্চ সেন্টার। এরা প্রতিবছর সোলার এনার্জি সোসাইটির সাথে এরকম সেমিনার এবং একসিবিশন করে। তবে এর পিছনে একজন ব্যক্তির আবদানই ৯৯%। উনি প্রফেসর মুহতাশাম হুসেন। আমার দেখা সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক। কাজেই শিক্ষকরা নিজেরাও ছোটোখাট উদ্যোগ নিয়ে অনেক কিছু করতে পারেন।
৩২|
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০৯
মিরাজ বলেছেন: @ মাহমুদউল্লাহ
ধন্যবাদ মন্তব্য এবং রিনিউয়েবল এনার্জি সেন্টার এর উদাহরণ এর জন্য। শিক্ষকদের বিচ্ছিন্নভাবে নেয়া ব্যক্তি উদ্যোগ যেখানে এরকম সফলতা আনছে, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্গানাইজড ভাবে উদ্যোগ নেয়া হলে তা অবশ্যউ আরো অনেক বেশী সফলতা আনবে।
৩৩|
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:২০
চতুরভূজ বলেছেন: মিরাজ,
ভালো লিখেছেন বরাবরের মত।
৫
৩৪|
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:২৯
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ চতুরভূজ।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৫৪
হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ বলেছেন: ইন্ডাষ্ট্রির সাথে যোগসুত্র বাড়ানোর ব্যাপারটাকে কেন্দ্র করে বুয়েট ছাত্রদের সাথে কতৃপক্ষের বেশ কিছু আলোচনা হলেও এ ব্যাপারটা এখনো বাস্তবে রুপ দেওয়া সম্ভব হয়নি। .... তবে আমরা যারা এ ব্যাপারটি নিয়ে স্যারদের সাথে কথা-বার্তা বলেছি, আমাদের প্রস্তাব ছিলো যে, বুয়েটে ৩য় বা ৪র্থ বর্ষে পড়ুয়া ছাত্রদেরকে একটা গ্রুপ তৈরী করার মাধ্যমে এই ধরনের কোন কাজ করতে হবে তাদের প্রজেক্ট হিসেবে । প্রজেক্টটা আনা হকে ইন্ডাষ্ট্রি থেকে আর সেজন্য ইন্টাষ্ট্রিকে একটা নির্দিষ্ট চার্জ দিতে হবে। আর তাদের দেয়া চার্জের একটা অংশ পাবে কাজ করা গ্রুপটি। আমাদের হিসেবে দেখা গিয়েছিলো যে বুয়েট তাদের বার্ষিক বাজেটের একটা বড় অংশ আয় করতে পারে এখান থেকে এবং একইসাথে যারা কাজ করবে তারা তাদের টিউশনির চাইতে বেশি টাকা কামাতে পারবে এইরকম কোন প্রজেক্টে কাজ করে।