| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রহর
মহসিন কবির
কোন এক বসন্তের দিনে
রোদ্রময় তপ্ত-ক্লান্ত দুপুরে,
রুক্ষ চিরের নির্লিপ্ত প্রানে
কি যে অপূর্ণ হাহাকার,
চেয়ে থাকে শুন্য দিগন্তের পানে-কারো অপেক্ষায়
একাগ্র চিত্তে-
ব্যাকুল প্রাণটা এতই উচ্ছ্বাসিত
যেন তার আসার কথা এখনই
এ যেন এক কঠিন বাস্তবতা
তারপরও তার পানে চেয়ে থাকি একান্ত স্বকীয়তায়।
অংশুমালি হেলিয়ে পড়ায়
চপল চক্ষু পাতার মিলন যেন ইতি টানে,
নাকের ডগায় বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে
নিস্তব্ধ,নীরবতায় ভয়-উৎকন্ঠা
যেন গ্রাস করেছে মোর কণ্ঠধ্বনি
ডাকবার শক্তিও যেন হারাতে বসেছি।
হটাৎ দক্ষিণা সমিরন,
প্রানটা জুরিয়ে দেয়,
এই বুঝি এলো সে,কিন্তু না
ভুল থেকেই গেল।
এলোকেশ গুলো হাতের মুঠোয়
পলক শুধু একাগ্র চিত্তে
অপেক্ষার প্রহর তখনো শেষ হয় নি।
রক্তিম দিবাকর যেন
হারিয়ে গেল মেঘের আড়ালে
পাখিসব নীড়ের খোঁজে ফিরে,
দূর মসজিদে আযানের ধ্বনি কানে ভাসে
অসিত আধিয়ার চাদর ঢেকে নিচ্ছে চার দিগন্ত;
এই বুঝি সব হারিয়ে গেল!
আমার আর ফেরা হল না-
প্রহর গুনব অন্তিম অভিলাষে
ভোরের জানালায় হয়তো দেখা যাবে
হয়তো তপ্ত দুপুরে
নয়তো চন্দ্রিমা নিশিতে,
শূন্য দিগন্তের পানে আমার প্রহর শেষ হবেনা-
আমার বিশ্বাস;
তার অস্তিত্বের ছায়া পাশে আসবেই।।
©somewhere in net ltd.