নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের চেয়ে বড় কিছু নেই।

মুজিব রহমান

মুক্তচিন্তা ও বিজ্ঞানমনষ্ক মানুষ

মুজিব রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

তসলিমার বেপরোয়া ব্যক্তিত্ব ছিল

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:১৯


আমাদের লেখকগণ অধিকাংশই ইউরোপের লেখার ধরন অনুসরণ করেই কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প বা নাটক লিখেন। কিন্তু একজন ইংরেজি ভাষার লেখকের তুলনায় বাংলাদেশের লেখকদের লেখা কেন চলে না। কেন আমাদের শ্রেষ্ঠ কবিদের কাব্যগ্রন্থ এক হাজার কপিও চলে না। আমার কাছে মনে হয়- সাহিত্য রচনার মানের সাথে লেখকদের ব্যক্তিত্বও ভূমিকা রেখেছে। আমরা মোটের উপর অনতজানু ব্যক্তিত্বের মাত্র কয়েকজন লেখকই দেখেছি প্রভাব বিস্তার করতে। হুমায়ূন আহমেদের ব্যক্তিত্বে সংকট থাকলেও মাঝেমধ্যে শক্তিও দেখেছি। তিনি প্রথম দিকে ধর্ম অবিশ্বাসের কথা এবং পরবর্তীতে সন্দেহবাদিতার কথা প্রকাশ্যেই বলতেন। কন্যার প্রতিদ্বন্দ্বীকে বিয়ে করা এমনকি প্রথম বিয়ের ক্ষেত্রেও অল্প বয়সী নারীকে বিয়ে করে তার নেতিবাচক মনোভাবের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। তিনি ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকে বাকের চরিত্রকে ফাঁসির হাত থেকে বাঁচাতে সকল চাপই অগ্রাহ্য করেছেন। সাহিত্যকদের মধ্যে হুমায়ুন আজাদ ও আহমদ ছফাকেও দেখেছি সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলতে। হুমায়ুন আজাদের তীব্র কটাক্ষ ও সাহসী উচ্চারণ তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছিল। এক্ষেত্রে একমাত্র তসলিমা নাসরিনই ছিলেন বেপরোয়া। তিনি সাদার ভিতরে থাকা কোন লুক্কায়িত রঙের কথাও বলতেন। বিশেষ করে নারী নিপীড়নের বহু মাত্রিক ধরন ও নিজের অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ্যে এনেছেন প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে। তাতেই বহুজনকে ভেঙ্গে পড়ার ভয়ে তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখেছি। এখনো তাদের কেউ কেউ ইনিয়ে বিনিয়ে তসলিমার বিরুদ্ধে কথা বলতে চায়।

সাম্প্রতিক সময়ে ৪২ জন নাগরিক নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে পত্র দিয়েছেন রাষ্ট্রপতিকে। তাদের মধ্যে কোন কবি বা উপন্যাসিক কি আছেন? বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাগরিকদের তালিকায় কোন কবি-সাহিত্যিক কি পড়েন না? অথচ এসব ক্ষেত্রে তাদেরই এগিয়ে থাকার কথা। প্রাবন্ধিক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এসব ক্ষেত্রে সবসময়ই অগ্রগণ্য। দেশের শ্রেষ্ঠ কবিকে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিতে হয় পুরস্কার পাওয়ার হাহাকার নিয়ে। কেউ অর্থের জন্য, কেউ অনুদানের জন্য, কেউ পুরস্কারের জন্য লাইন দিয়ে থাকেন- তাদের গ্রন্থ তিনশ কপিও বিক্রি না হলেও। আবার এই নতজানু ব্যক্তিত্বের কারণেই মানুষও এদের লেখা পড়ে দেখতেও চায় না। যার দিকে মানুষ তাকিয়ে থাকে না- কোন জাতীয় সমস্যায় তার বক্তব্য শুনতে, তার বই কেনার জন্য মানুষ লাইন দিবেই বা কেন?

আমার স্ত্রীর বড় ভাই তসলিমার সিনিয়র ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে। তিনিই একসময় আমাদের তসলিমার কথা বলেছিলেন। তিনি খুবই আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন- এক সময় তসলিমা নাসরিনের নাম সবাই শুনবে, তাঁর লেখা পড়বে। এটা তিনি তসলিমার লেখা ও ব্যক্তিত্ব দেখেই উপলব্ধি করেছিলেন। তাঁর মতো বিদ্রোহী নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গির আর কোন নারীকে আমরা দেখিনি। নজরুলের বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গি ও বৃটিশদের হাতে নিপীড়িত হওয়ায় মানুষ তাঁর ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়েছিল। তসলিমা মৌলবাদীদের হুমকিতে এবং রাষ্ট্রযন্ত্র বাধ্য করায় দেশ ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু সেখানেও মৌলবাদীরা সোচ্চার হয়ে উঠে। মৌলবাদীরাই সত্যকে সবচেয়ে বেশি ভয় পায়। বিজ্ঞান সত্যকে প্রকাশ করে বলেই তারা বিজ্ঞানবিরোধী। তসলিমার প্রতিষ্ঠান বিরোধী লেখা যেমন প্রতিষ্ঠিত কিন্তু নতজানু লেখকরা মেনে নিতে পারেননি আবার মৌলবাদী শক্তিও সোচ্চার হয়ে উঠে। আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে তিনি বহুমাত্রিক বিপদে পড়েন। যেনো ডাঙায় বাঘ আর জলে কুমির অবস্থা। কিন্তু তিনি তারপরেও নতজানু হননি, নির্বাসিত হয়েছেন। লেখকগণ নিপীড়নের মুখেও সত্য কথা বলবে এটাই বিশ্বব্যাপী সাধারণ বিষয়। তসলিমার ব্যক্তিত্বেও আমরা তেমনটাই দেখেছি। পশ্চিমবঙ্গে গিয়েও তিনি প্রখ্যাত লেখক সুনীল গাঙুলি ও সবচেয়ে শক্তিশালী পত্রিকা আনন্দ বাজারের বিরুদ্ধে কথা বলতে পিছপা হননি। এমনকি বামদের বিরুদ্ধেও কথা বলেছেন। এগুলো সম্ভব হয়েছে তাঁর ব্যক্তিত্বের কারণেই। ব্যক্তিত্বের প্রশ্নে বাংলাদেশের দুজন মানুষের পরিচিতি বিশ্বব্যাপী রয়েছে তারা হলেন- তসলিমা নাসরিন আর ড. ইউনুস।

বাংলাদেশে সম্ভবত তসলিমাই প্রথম নারীদের পাতার বাইরে পুরুষদের সমান তালে কলাম লেখা শুরু করেন। নারীমুক্তি ও নারী স্বাধীনতার জয়গান গাইতে থাকেন। এমন সব অচিন্তনীয় কথা প্রকাশ করতে থাকেন যা আগে কেউ কখনো বলেন নি। কেউ কখনো কোন নারীর মুখে শুনেনি। অচিরেই তাঁর কলামের জনপ্রিয়তা প্রতিষ্ঠিত কলামিস্টদের ছাড়িয়ে যায়। তসলিমার উত্থানের সময়ে দেশে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার উত্থান ঘটে। তবে তারা উঠে আসেন মৃত পিতা ও মৃত স্বামীর হাত ধরেই। কিন্তু তসলিমার উত্থান ঘটে ব্যক্তিগতভাবে। তাঁর পরিবারের কাউকে এখনো কেউ চিনে না। হাসিনা খালেদা তখন প্রধান দুটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রধান। সাথে তসলিমার কলাম, উপন্যাস, কবিতা মিলে এক নারী জাগরণের মহাকাল শুরু হয়। বিস্ময়কর যে সে নারী নেতৃত্ব যখন ক্ষমতায় তখনই তসলিমাকে বিদায় নিতে হয় দেশ থেকে। তাঁর প্রখর ব্যক্তিত্বে ম্লান হয়ে যান প্রখ্যাত কলামিস্টরা আর তাতেই ক্ষেপে উঠেন অনেকে। তাকে গালিগালাজ করতে থাকেন কেউ কেউ। তাকে বেশ্যা বানাতে লেগে যান। কেউ কেউ মনে করেন- তসলিমা যেমন প্রকাশ্যে কথা বলেন হয়তো চাইলেই ভোগ করা যাবে। সেই ভুলই করে বসেন একজন শীর্ষস্থানীয় লেখকও। এসময় তিনি বিভিন্ন ধর্মে যে নারী নিপীড়নের ফর্ম রয়েছে তাও বলা শুরু করেন। আর ধর্মান্ধ শ্রেণি তা সহ্য করতে চায়নি বলেই তাঁকে খেদাতে আন্দোলন শুরু করে। যদি তসলিমা তখন টিকে যেতেন তবে ভয়াবহ পতন ঘটতো ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের। তসলিমার চলে যাওয়ার পরে মৌলবাদীদের চাপাতির কোপে খুন হন হুমায়ুন আজাদও। আর তাতেই দেশে থমকে যায় প্রগতিশীলতা ও নারীর উত্থানের মহাযাত্রা।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: তসলিমা নাসরিককে আমি পছন্দ করি। এরকম সাহসী নারী বাংলার ঘরে ঘরে দরকার।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪৪

মুজিব রহমান বলেছেন: একটি ধারা তৈরি হওয়া দরকার।

২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:২৮

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: তসলিমা নাসরিনের সাথে একজন সুদখোর প্রতারকের নাম যুক্ত করা ঠিক না।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪৬

মুজিব রহমান বলেছেন: মহাজনী সুদের তুলনায় গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ অনেক কম। এছাড়া ব্যাংকি সিস্টেমের সুদের বিকল্প নেই।

৩| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১:০১

সন্ধ্যা রাতের ঝিঁঝিঁ বলেছেন: তসলিমার কিছু কবিতা নিঃসন্দেহে খুবই ভালো। একজন নারী তার পুরো জীবনে যা কখনো বলতে পারে না তার কিছু তীব্র তেতো সত্য তিনি লিখেছেন। কিন্তু আমি মনে করিনা প্রতিবাদের ভাষা অশ্লীল, রুচিহীন হতে হবে। রুচিসম্মত ভাষায় ও প্রতিবাদ করা যায়। অগ্রাধিকার আর সমানাধিকার এর মাঝের ছোট্ট ফারাকটাই নারীবাদ নামে আজকাল ব্যবহৃত হলেও কোথায়, কখন কোন শব্দটা প্রয়োগ করতে হবে তা তসলিমা অথবা আমাদের তথাকথিত নারীবাদীরা জানে না। তসলিমার হাত ধরে নারীদের যে জাগরণের কথা আপনি বলছেন দুঃখজনক ভাবে সেটার সাথে পুরোপুরি দ্বিমত পোষণ করছি। আমাদের নারীবাদের যে চেইন এটা আমাদের পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নই। গড গিফটেড মেধা থেকে তসলিমা পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ঠিক কোন কাজটা করেছে একটু বলবেন কি? অথচ করার মত কত কিছুই ওনার ছিল। দুইটা পুরস্কার পেলেই কেউ উঁচু মানের সাহিত্যিক হয়ে যায় না। সিনিয়র ব্লগার হিসেবে হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে আপনার বলা কথাটা কেমন যুক্তিহীন আর হাস্যকর। পুরো লেখায় ব্যক্তিত্ব শব্দটার বহুল ব্যবহার ও শব্দটাকে ব্যক্তিত্বের সংকটে ফেলে দিয়েছে। আপনাকে অবশ্যই পজিটিভ নেগেটিভ দুই সাইড নিয়েই লিখতে হবে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০০

মুজিব রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ।
একজন লেখকের লেখা থেকে সব শ্রেণি/পেশার মানুষেরই উপকৃত হওয়ার সুযোগ থাকে। পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য তসলিমা এনজিও খুলে বসেননি আবার ড্‌ ইউনুস সাহেব এ কাজটি করার কারণেই তাকে সুদখোর বলছি।

৪| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৫৩

বিডি আইডল বলেছেন: ব্লগে এইসব লিখে এখন আর ইউরোপে এসাইলাম পাওয়া যায় না: ইউরোপিয়ান কমিশন

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০১

মুজিব রহমান বলেছেন: সে চেষ্টা করলে অনেক আগেই এসব না লেখেই চলে যেতে পারতাম। দেশে থেকেই দেশের মানুষের ভাবাদর্শ পরিবর্তনে ক্ষুদ্র ভূমিকা রাখতে চেয়েছি এবং সেটাই করছি।

৫| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৩৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: তসলিমা একটা নোংরা নষ্ট দেশদ্রোহী জীব। সে পরিকল্পিতভাবে বিদেশী মদদে বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বলে প্রমাণের জন্য লজ্জা নামের আবর্জনা লিখেছিলো, যার পরিণামে সেই দেশে প্রথমবারের মতো সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী দল ক্ষমতায় এসেছিলো।
সে সেইদলের নেতাকে বিয়েও করেছে এবং সন্তানও হয়েছে। সে এই ঘটনা অস্বীকারও করেনি।বিজেপি সাংসদ-তসলিমা ‘অবৈধ’ সম্পর্ক ফাঁস করল মেয়ে
সুতরাং সবকিছু পরিস্কার হয়ে যায়।
যে নিজে নিয়মিত নতুন নতুন পুরুষ ছাড়া থাকতে পারতো না, সেই বিরাট পুরুষ বিরোধী লেখা লিখে সবার সাথে প্রতারণা করেছে, যার নিজের জীবন আচরণ বা কর্মকান্ডে নীতি-নৈতিকতার লেশমাত্র ছিলো না।
আপনার মতো বিচক্ষণ এবং বিজ্ঞ ব্যাক্তির কাছে তসলিমা ভক্তি আশা করিনি।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০৬

মুজিব রহমান বলেছেন: আপনি তসলিমার বিরুদ্ধে গরল ঢেলে দিলেন যার কিছুই সত্য নয়। দেশে সাম্প্রতিক সংকট তীব্র ছিল, আছে। বাংলাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক হিন্দু ভারতে এমনিতেই চলে যায় নি। উগ্রতা বন্ধর জন্য তসলিমার বিরোধীনা না করে সহনশীল হোন।

৬| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:০৪

রানার ব্লগ বলেছেন: আনল সাহেব আপনি যে লিংক খানা শেয়ার করেছেন এই রকম লিংক বাংলার আকাশে বাতাসে উড়ে বেড়ায়। এত বড় একটা নিউজের লিংক আপনি কলকাতার কোন জাতীয় পত্রিকায় পেলন না ভাবা যায়? কমছে কম আনন্দবাজার পত্রিকায় আসা উচিত ছিলো।

তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আপনার উক্তি সেই সব মোল্লাদের প্রেতাত্মা দের কথা মনে করিয়ে দেয় যারা বর্তমান পায়ু সৈনিকদের পিতা ছিলো।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০৮

মুজিব রহমান বলেছেন: মৌলবাদী শক্তির মূল ভরসাই হল মিথ্যাচার। ভুয়া লিংক ও মিথ্যা কথা বলাই যেন তাদের অভ্যাস।

৭| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:৫৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: যার লেখায় মন্তব্য তার উত্তর দেয়াই ভদ্রতা, এটুকুও যারা জানে না, তারা এখানে কি করে?
ব্লগে ফেসবুকের মতো কাউকে স্থায়ীভাবে ব্লক করার পদ্ধতি থাকা দরকার যেনো নোংরা লোকদের নোংরা মন্তব্যও না দেখা যায়।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০৯

মুজিব রহমান বলেছেন: পরে হলেও দেই।
যে কারোই যে কারো মন্তব্যের বিপক্ষে মত প্রদান করতে পারেন। এ বিষয়ে আরো ফ্রেন্ডলি সুযোগ থাকা দরকার ছিল।

৮| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৫০

এমেরিকা বলেছেন: লজ্জা উপন্যাসে হিন্দু যুবকের মুখ দিয়ে 'শালা শুয়োরের বাচ্চা বাংলাদেশ' উচ্চারণ করেছিল যে জাহান্নামের নিকৃষ্ট কীট, তাকে মহান করার নির্লজ্জ প্রচেষ্টায় এই ব্লগ আপনি পয়দা করেছেন। এই নারী কোনদিনও এদেশের বুকে ঠাই পাবেনা। সে দুনিয়াতেই জাহান্নামের আযাবে জ্বলে পুড়ে মরবে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১০

মুজিব রহমান বলেছেন: নিপীড়িত মানুষের গালিটাই দেখলেন। তারা যে কতোটা নিপীড়নের শিকার হয়ে দেশ ছাড়েন তাতো ভাবেন না।

৯| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:০৪

আরইউ বলেছেন: তসলিমার লেখা আমার ভালো লাগেনি কখনো। তার অধিকাংস লেখা মনে হয়েছে প্রভোকেটিভ, অগোছালো, খোঁড়া যুক্তিতে ভরপুর, অপ্রয়োজনীয় কারণে ভালগার... ... তার ব্যক্তিজীবন নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাইনা, তবে জীবন তার সাথে অন্যায় করেছে বলে হয়েছে - সি ডিডন'ট ডিসার্ভ ি*ট!

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৩

মুজিব রহমান বলেছেন: তার সাথে রাষ্ট্র ও দেশের মৌলবাদী-মূর্খ মানুষেরাই অন্যায় করেছে। আপনার ভাল না লাগলে, ভিন্ন মত থাকলে তা বলুন। বিতর্কেই সত্যটা উঠে আসবে।

১০| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০৪

রানার ব্লগ বলেছেন: তাসলিমা লেখক হিসেবে মধ্যম মানের তিনি তার লেখায় তার নিজের অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্ট আকারে তুলে ধরেছেন, তাকে জনপ্রীয় বানিয়েছে মোল্লারা সেই সাথে যারা তার লেখার মাধ্যমে জনসম্মুখে বাবা আদম হয়ে গেছেন তারাও তাকে জনপ্রিয় বানানোর তালিকায় আছেন। লজ্জা নিয়ে যাদের এত লজ্জা তারা মনে হয় না পড়েই লজ্জিত ও উত্তেজিত !!! যারা পড়েন নাই তাদের একখান লিঙ্ক দিলাম পড়ার জ্জন্য । আশা করি নিজেদের লজ্জা কেটে যাবে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৫

মুজিব রহমান বলেছেন: লেখক হিসেবে তিনি কতোটা ভূমিকা রাখছেন, কতটা প্রভাব রাখছেন তারও গুরুত্ব রয়েছে। সেক্ষেত্রে তিনি দেশের সেরাদের একজন।

১১| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:০৫

রানার ব্লগ বলেছেন: লজ্জা-তাসলিমা নাসরিন

১২| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৪৪

spanked বলেছেন: তসলিমা প্রসংগ যাওয়ার আগে একটা ছবির কথা বলি। খুব সম্ভবত নাম হবে " কুইলস " কেট উইন্সলেটের। সে ছবিতে দেখানো হয় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি সমাজ কে অশ্লীলতা থেকে বাঁচাতে এক অশ্লীল গল্প লেখক কে বন্দী করে রাখে যাতে সমাজে অশ্লীলতা না ছড়াতে পারে। সে লেখক কাগজ পায় না তাই জামায় লেখা শুরু করে কেট উইন্সলেট সে ধোপার কাজ করার সুবাধে সেগুলু সংগ্রহ করে লিখে গোপনে বাজারে ছাড়তে থাকে। এমন কি প্রভাবশালী ব্যক্তি সেই লেখকের জামা কাপড় ও কেড়ে নেয়। এদিকে প্রভাবশালী ব্যক্তিটি সুন্দরী কচি মেয়েকে বিয়ে করে সোজা কথায় উঠিয়ে নিয়ে আসে প্রতিরাতে তার অমতে খায়! প্রভাবশালী ব্যক্তির পক্ষে চার্চের পাদ্রী কথা বলে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে। সাজা দিতে থাকে মানুষ দের। ছবির শেষে কেট উইন্সলেট মারা যায় পাদ্রী কেট উইন্সলেটের শরীর দেখে কন্ট্রোল হারাইয়া চার্চেই জিসাস এর সামনে কাম চালায়। পরে পাদ্রী কে ও এরেস্ট করা হয় সে তখন প্রতিবাদ স্বরুপ আগের ঐ বন্দী লেখকের ভুমিকায় নিজেকে নেয়ার প্রচেষ্টায় থাকে। বহু আগে দেখেছি তাই ভাসাভাসা লিখলাম অত মনে নাই। এখন প্রশ্ন খারাপ কে? ঐ লেখক? যে চটি লিখে? ঐ প্রভাবশালী ব্যক্তি যে একজন নারীর অমতে ভোগ করে? না, পাদ্রী যে চার্চেই সেক্স করে? যাক লম্বা করে ফেললাম দুঃখিত। এখন তসলিমার সমস্যা হলো রাজনৈতিক! তসলিমা ধর্মের কিছু প্রথার বিরুদ্ধে লিখেছে। অশ্লীলতা প্রকাশ করেছে। এইতো অভিযোগ তাই না। এর চেয়ে বেশি ভয়ংকর কথা দেওয়ানবাগী লিখেছে। কই তারেতো কেউ দেশ ছাড়া করে নাই! কেন? এখন তসলিমার ফলোয়ার যদি লাখ পাঁচেক হতো তাইলে এটা হতো না, কারণ ভোটের একটা ব্যাপার আছে না! এখন তো কিছুই লাগে না নির্বাচনে জিততে! বর্তমান সময়ের ক্রেজ " মারজুক রাসেল " একজন কবি, গীতিকার, নাটকের ব্যক্তিত্ব। তিনি ইদানীং কি লিখছেন? তার নতুন বই বেরোবে এবার এর বই মেলায় যার নাম " হাওয়া দেখি, বাতাস খাই " সেটার এক জায়গায় লিখছে, " ভাবিয়া চুদিও, চুদিয়া ভাবিও না "যা তার ফেসবুক পেইজে শেয়ার করছে। এখন আমারে খিস্তি দিয়েন না! যে লিখছে তারে দেন। এইটা কি অশ্লীলতা? না কবিতা? এখন দেওয়ানভাগীর কিছু হয় না? মারজুক রাসেলের ও না! কেন তাইলে তসলিমা দেশ ছাড়া? বলছি না তসলিমা ধোঁয়া তুলসি পাতা! আমরা কেউ ই না। কেউ কি? দুঃখিত মেলা বড় হয়ে গেল। ভালো থাকবেন সকলে ❤️

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫২

মুজিব রহমান বলেছেন: ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাদের আক্রোশকে তাজা রাখার জন্য সবসময়ই ইস্যুর মধ্যে থাকে। সর্বশেষ যেমন তারা ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ালো্ তবে তারা সবসময়ই প্রগতির বিরুদ্ধে, বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে, তসলিমার বিরুদ্< েহুমায়ুন আজাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে।

১৩| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৬

মুজিব রহমান বলেছেন: ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাদের আক্রোশকে তাজা রাখার জন্য সবসময়ই ইস্যুর মধ্যে থাকে। সর্বশেষ যেমন তারা ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ালো্ তবে তারা সবসময়ই প্রগতির বিরুদ্ধে, বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে, তসলিমার বিরুদ্< েহুমায়ুন আজাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে।

১৪| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:০৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তসলিমা !!!
..............................................................
আমাদের লজ্জা, ঘৃনা আর ক্ষোভের কারন বটে !
তিনি অসময়চিত এমন সব কান্ড আর বির্তক সৃষ্টি
করেছেন, যে কারনে বাংলাদেশের ৯৫% মেয়েরা তার
নাম শুনতে চায় না ।

........................................................................
দুষ্ট লোকেরা বলে ঐতিহাসিক ভাবে তার রক্তে দুষিত কণা
আছে, যে সব পুরুষ তার অতি নিকটে গিয়েছেন,
সুবিধা আদায়ের পর, তীব্র দংশন করতে ছাড়েন নি ।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫৪

মুজিব রহমান বলেছেন: মৌলবাদী ও পশ্চাৎপদ মেয়েরা তার নাম শুনতে চায় না বটে। তবে আপনার হিসাব মতো বাকি ৫০ লক্ষ অনুসারী তৈরি করা চারটিখানি কথা নয়। আর কারো ৫০ লক্ষ অনুসারী কি আছে? তবে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ আরো বেশি নারীই তার অনুরাগী।

১৫| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:১৯

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: ঐ লেখিকার সাথে আমার একটা ব্যাপার ঘটেছিল। আমার লিখা প্রথম পাতায় আসে না, তাই অনেকেই লিখাটা পড়েননি। যেহেতু আপনি তসলিমার বিষয়ে লিখলেন, তাই আপনাকে invite করছি লিখাটা পড়ার। ধন্যবাদ।

https://www.somewhereinblog.net/blog/OnekKothaBolteChai/30251927

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫৫

মুজিব রহমান বলেছেন: লিংকটা সরাসরি দিন।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:০৪

মুজিব রহমান বলেছেন: পড়লাম! আপনার হাসির কারণ দেখি না।

হলি আর্টিজানে হামলাকারীরাও কিশোরই ছিল। দেশে কিশোর জঙ্গি কম নয়। ওই সময় তসলিমার কাছে যে কোন বাংলাদেশিই আতঙ্কের নাম। তিনি মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে খুবই ভয়ঙ্করভাবে আতঙ্কের সাথে কটা দিন দেশে ছিলেন। ওই সময় আপনাকে দেখে আতঙ্কিত হওয়াই স্বাভাবিক ছিল।

১৬| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৫১

অনল চৌধুরী বলেছেন: তসলিমার বিজেপির লোককে বিয়ের বলার কথা মিথ্যা হলে সে এটা নিয়ে বিবৃতি দেয়ানি বা মানহানি মামলা করেনি কেনো?
এর মাধ্যমে সে এটা স্বীকার করে নিয়েছে।
তসলিমার সব বিরোধী যদি আপনার ভাষায় মৌলবাদী হয়, তাহলে ছফাসহ দেশের সব প্রগতিশলি জ্ঞানী-গুণীই তাই।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫৬

মুজিব রহমান বলেছেন: তিনি বলছেন- তিনি একাই একটি বিড়াল নিয়ে থাকেন। আপনি যখন দাবি করছেন তবে প্রমাণের দায়িত্বতো আপনারই।

১৭| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩৫

এমেরিকা বলেছেন: লজ্জা উপন্যাসের সুরঞ্জন চরিত্রটি নির্যাতিত? নির্যাতিত চরিত্র আবার ধর্ষন করে নাকি? হিন্দু যুবক হয়ে মুসলামান মেয়ে ধর্ষণের আনন্দ? ভাষা কি! "হোক না পতিতা, তবুও তো মুসলমান! আজ মুসলমান জানবে, হিন্দুরাও ধর্ষন করতে জানে, তাদেরও হাত পা নখর আছে।"

এই মহিলা কি আসলে লেখিকা নাকি ধর্শকামী এক পার্ভার্ট? একে যে প্রমোট করে, সে কেমন মানুষ?

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫৮

মুজিব রহমান বলেছেন: লক্ষ লক্ষ হিন্দু এমনিতেই দেশ ছাড়েনি। বহু নারী সম্ভ্রম হারিয়েছে। একাত্তরে আমাদের গ্রামে শিখা ও মালতী নামের দুটি মেয়ে গণধর্ষিতা হয়। এ কথা বলাতে কয়েক বছর আগে আমার বিরুদ্ধে দুটি জিডি হয়েছে।

১৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:৪৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: শিবু সাহা নামে এক হিন্দু দিনে দুপুরে ঢাকায় আমার বাড়ির জায়গা দখল করে নিয়েছে।
ব্লগার কাল এসে পরিদর্শন করতে পারেন।
এখন আমি কি লজ্জা : হিন্দু জঙ্গী নামে বই লিখবো??????

১০ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:২৩

মুজিব রহমান বলেছেন: ধর্মীয় আগ্রাসন করে? না আইনি লড়াইয়ে জিতে? শিবু সাহা কি সাধারণ হিন্দু নাকি কোন শক্তিশালী নেতার ক্যাডার? এর উত্তর পেলেই মন্তব্য করা সম্ভব।

১৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:২৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: শিবু সাদেক হোসেন খোকার পিএস পরিচয় দেয়া ক্যাশিয়ায়ার নজরুল ইসলাম কিরণ নামে এক লোকের বন্ধু।
এরা যারা দুইজন একইসাথে শান্তিনগরে অবৈধ বাড়ি বানিয়েছে। আমার বাড়ির দেয়াল ভেঙ্গেছে এই শিবু। তারা তারা সরকারী রাস্তাও দখল করে রেখেছে। দুদক-রাজউক যৌথবাহিনী ২০১৮ সালের ২৫শে মার্চ এই্ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সব অপরাধের প্রমাণ পেলেও আজ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, যা দেশের অনেক জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে।
গত ৪ বছর ধরে আদালতের কাঠগড়ায় দাড়াচ্ছে, তারপরও এই দুই অপরাধী সোজা হয়নি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.