| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মনির হাসান
মাঝসাগরে হারিয়ে যাওয়ার মজা হছে, যে কোন একদিকে গন্তব্য ধরে নেয়া যায় ।
লক্ষ্য’টা এখনও এত দূরে যে পেছন ফিরে কতটা পথ পাড়ি দিলাম তার হিসেব কষা’টা বাল্যখিল্যতাই বটে। তাহলে এই অকাল হিসেব নিকেশের প্রয়োজন কেন? উত্তর- নিরুপায় হয়ে।।
ব্লগে বা ফেসবুকে অনেক মোমিন আস্তিক ... নাস্তিক’দের একটা প্রশ্ন করে প্রায়ই বিপদে ফেলে। “ব্লগ পড়ে কেউ নাস্তিক হয়না, কারও বিশ্বাস টলে না ... এত যে নাস্তিকতা মারাও কি বাল’টা ছিড়তে পারলা??”
ব্লগে আগে অনেকবার শুনলেও সর্বশেষ ব্লগার দেশী পোলা ভাই আমারব্লগ.কমেও এরকমই একটা পোস্ট দেন (এখন নাই)। তাছাড়া অনেক মোমিন মুসলমান ভাই’ব্রাদারই এই “বালের হিসেব” প্রায়ই নেয়। তাদের হিসেব দিতে এই আলোচনার শুরু।
মোমিন ভাইদের অবগতির জন্য জানানো দরকার, নাস্তিক রিক্রুট করার জন্য আমরা ব্লগ নাস্তিক’রা মূলত তৎপর নই। ... আমাদের দাবী’টা খুবই সিম্পল – ধর্ম ভুতের অমূলক ভয় থেকে বের হয়ে আসুন। সে আপনি আস্তিকই হোন আর নাস্তিকই হোন। চিন্তা করতে শিখুন। শিখুন সংস্কার’কে বিচারের কাঠগরায় নিতে।
ঈমান খুইয়ে নাস্তিক হয়ে বসা, যুক্তির সততা, চিন্তার সাহসীকতা আর মস্তিক্যের যোগ্যতার ব্যাপার। স্বাভাবিকভাবেই সবার পক্ষে তা সম্ভব নয়। আর এটাও মনে রাখি যে, পৃথিবীর সবথেকে প্রতিক্রিয়াশীল সংখ্যাগরিষ্ঠদের সামাজিক বাধা এমন কি মৃত্যু আশংকাকে ঠেলে বেড়িয়ে আসা বেশিরভাগের পক্ষেই সম্ভব নয়।
তাই আমরা ব্লগ নাস্তিকরা কোন বৈপ্লবিক পার্থক্য আশা করি না। অন্তত সে পর্যায়ে যেতে এখনও অনেক দেরী।
আপাতত আলোচনার বিষয় হতে পারেঃ ... নাস্তিক’দের পোস্ট পড়ে আপনার বিশ্বাসে কোন পরিবর্তন হলো কিনা; অথবা ... ধর্ম’সমালোচনায় বিশ্বাসের দেয়ালে হালকা-পাতলা চিড় ধরলো কিনা; অথবা ... কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের (কু)সংস্কার বা (অপ)বিশ্বাস থেকে আপনাকে নতুন ভাবে ভাবাতে পারলো কিনা; অথবা ... উল্টো’টাও হতে পারে।
বিশ্বাস অবিশ্বাস নির্বিশেষে সবাই’কে স্বাগতম।
দ্রঃ যে পোস্ট থেকে অনুপ্রেরণা পেলাম।
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৩৭
মনির হাসান বলেছেন: ... না মনে হয়। সংগ্রাম চলছে, চলবে।
২|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:২৯
কর্ন বলেছেন: লিঙ্ক টা ঠিক করে দেন।
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৩৬
মনির হাসান বলেছেন: ঠিক করে দিলাম।
৩|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৩৭
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: দারুন লাগলো! নিরপেক্ষ দৃষ্টিভগিং
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৩৮
মনির হাসান বলেছেন: তোমার হিসাবটা কিন্তু বুইঝা পাইলাম না?
৪|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৩৮
ইবনে 'উমার বলেছেন: ব্লগে আপনাদের নিরর্থক লাফালাফি দেখে করুনা হয় আর কিছুই নয়। দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য আপনারা এত নীচে নামেন যে আপনাদের দ্বারা আর যাই হোক কাউকে মুক্তমনা করা সম্ভব নয়। অবশ্য আমি আপনি পারভেজ আলম এদের এই কাতারে রাখি না তবে এটাও সত্য সবাক,আসিফ,আরিফুর এদের কারনে ব্লগে এসে বিশ্বাষীরা আরো বেশী ধার্মিক হয়ে উঠছে। টেকনিক বদলান না হলে এখন তো দুরের কথা আরো ৫০ বছর পরও ব্লগে এসে এই কথাটিই বলতে হবে
লক্ষ্য’টা এখনও এত দূরে যে পেছন ফিরে কতটা পথ পাড়ি দিলাম তার হিসেব কষা’টা বাল্যখিল্যতাই বটে।
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৪৫
মনির হাসান বলেছেন: ভাগ্যিশ সবাক, আসিফ, আরিফুর ছিল। ভেবে দেখুন এদের উছিলায় কতজন বিশ্বাসীই না জান্নাতে প্রায়রিটি পাবেন।
৫|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৪১
কর্ন বলেছেন: যেকোনো ধরনের ভালো লেখা থেকে নতুন ভাবে চিন্তা করা যায় । সেটা নাস্তিক দের হউক অথবা আস্তিকদের হউক । কিন্তু আমি যদি বলি এই ব্লগে ধর্মের গুনগান নিয়ে কিছু লেখা যাবে না , তাহলে সবই মুদ্রার এক পিঠ দেখবে । তেমনি নাস্তিকরা যদি লেখা বন্ধ করে তবে সবই মুদ্রার অন্য পিঠ খালি দেখেবে । কাউকে তো এখানে জোর করে আস্তিক বা নাস্তিক বানানো হচ্ছে না । একজন পাঠক বেছে নেবে সে কোন পথে যাবে ।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:২৩
মনির হাসান বলেছেন: যেকোনো ধরনের ভালো লেখা থেকে নতুন ভাবে চিন্তা করা যায় । সেটা নাস্তিক দের হউক অথবা আস্তিকদের হউক । - নিঃসন্দেহে। তবে আপাতত ... উল্লেখ্যিত কার্যকারণে পোস্টের বিষয়বস্তু নাস্তিকতা (বা আস্তিকতায় )সংক্ষিপ্ত রাখতে চাচ্ছি।
বাকি অংশেও সহমত এবং প্রশংসা(অ্যাপ্রেসিয়েশনের বাংলা মনে পড়তেছেনা)।
৬|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৪৩
মশিউর মামা বলেছেন: মনির হাসান সাহেব , ব্লগ পড়ে প্রথমে যে ধাক্কা একজন আস্তিক খায় সেটা হচ্ছে তার পরিচিত জগতকে হটাথ করে অচেনা মনে হয় | এর পর ঘটনা ঘটে তিন ধরনের -
১. তারা তাদের জীবন যাত্রা আগের মতই রাখে , ব্লগের ধর্মীয় পোস্ট পড়া কমিয়ে দেয় |
২. কেউ কেউ নতুন করে পড়াশোনা শুরু করে , এর পর নাস্তিকদের কথার জবাব যুক্তি দিয়ে দেবার চেষ্টা করে | কিন্তু এই চির অমিমাংসিত প্রশ্নের উত্তর কোনো পক্ষই নিজ নিজ বিশ্বাস এর বাইরে মেনে নেয়না | তখন এই পক্ষ ১ নং পক্ষের পথ অবলম্বন করে |
৩. খুব সল্প সংখ্যক যারা আগে থেকে সংশয় বাদী ছিল তাদের করা কিছু প্রশ্নের জবাব তারা নাস্তিকদের থেকে পায় | এরা নাস্তিকতার দিকে ঝুকে পড়ে |
আমি শক্তভাবে আস্তিক | আমার দেয়া উত্তরগুলি আমি নিরপেক্ষভাবে দেবার চেষ্টা করেছি |
তবে একটা ব্যাপার বলতেই হয় , গালাগালি আর ট্যাগিং এর ক্ষেত্রে আলহামদুলিল্লাহ কেউ কম না | আস্তিক-নাস্তিক নিয়ে কোনো আলোচনা হইছে আর সেইটা গালাগালি আর ট্যাগিং এ পৌছে নাই এইটা একটা বিরল ঘটনা |
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:৩৯
মনির হাসান বলেছেন: নিরপেক্ষ উত্তরের জন্য ধন্যবাদ মশিউর। জেনারেল হিসেবটা আমিও এরকমই মনে করি।
সুশীলতা বা গালিগালাজ নিয়ে আমার নিজস্ব একটা দৃষ্টিভঙ্গি আছে। সুশীলতা কোন জাতির বা সভ্যতার প্রথম এক হাজারটা নিয়ামকের মধ্যে পড়ে না বলেই মনে করি। একাডেমিক্যালি বাঙ্গালীর থেকে সুশীল জাতি এই পৃথিবীতে ২য়টা দেখি নাই। অথচ তারা এখনও বাংলাদেশী না বাঙ্গালী এই প্রশ্নেই দ্বিধাভক্ত। তাদের সার্বিক দুর্দশার কথা আর নাই বলি। কাহিনি হল, মগজ। মগজ থাকলে সুশীল'তা টুশীলতা' কোন হিসেবের মধ্যেই আসেনা। মগজ থাকলে গালি'গালাজের মধ্যেই প্রয়োজনীয় তথ্যের আদান প্রদান সম্ভব। সমস্যা হচ্ছে বক্তব্যের মধ্যে অ'সুশীল শব্দ পেলে আমরা তথ্যের গুরুত্ব হারিয়ে ঐ শব্দটাকে নিয়ে নাচতে থাকি। দিন শেষে আমরা বাঙ্গালীই (কিম্বা বাংলাদেশী) যে ...
৭|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৪৭
অক্টোপাস বলেছেন: নাস্তিকরা এত কুঁড়ে যে নিজের ওই জিনিসগুলা পরিষ্কার করতেও আলসেমি.. তাই ব্লগে আসে এই আশায় কেউ যদি সেগুলো ছিঁড়ে দিয়ে উদ্ধার করে !!
৮|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৪৮
ওঙ্কার বলেছেন: আমি পুলাপাইব বেলায় শয়তান আছিলাম। মিচকা টাইপ। মাইনষে বলতো আল্লায় উপ্রে থাকে, হুজুরগুলারে দেক্তাম আলখাল্লা পড়তে... মনে মনে টেনশন হইতো শালায় যদি সত্যি উপ্রে থাকে তাইলে আমরা থাকি তলে, আন্ডি না পড়লে তো শালার হোল/বিচি সব দেখা যাইবো... এই পদের আস্তিক ছিলাম। মসজিদে যাইতাম ১৩/১৪ বছর পর্যন্ত.. কিন্তু কোথাও একটা গন্ডগোল আছে, ডা্ইলমে কুছ কালা চোখে পড়তো।
তার্পরে কেমন কেমনে জানি বই পড়ায় ডুবে গেলাম, সেই শুরু... বিজ্ঞানের সিম্পল জিনিশ গুলা মাথার নিউরনে এলাইনমেন্ট ঠিক কৈরা দিলো, বাস্তব পৃথিবী দেখতে ও আসলে যেমন, তেমনই বুঝতে শিখলাম।
হুমায়ুন আজাদের কাছ থেকে সাহসের সাথে এইসব বুলশিটে লাত্থি দেয়ার সাহস সংগ্রহ করলাম। নাস্তিকের ধর্মকথা'র মোলায়েম পিটনা পড়তাম আর ভাবতাম, শালার ধর্ম... ধান্দাবাজিতে ভরা।
বাকিটা ইতিহাস..
বাকিটা ইতিহাস।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:৫৮
মনির হাসান বলেছেন: আমি আস্তিক'তা ঘেষা সংশয়বাদী ছিলাম। নিজের মত করে আল্লা জিনিষ্টারে কাস্টমাইজ করে ভাবতাম। ফেস বুকের এক গ্রুপে কিছু হিজুর সাথে তর্ক করতে যেয়ে ইসলামের বাজে ব্যাপার গুলা স্পষ্টভাবে চোখে পরে। ইসলামে, কোরানে, মুহম্মদের জীবনের বর্বর দিকগুলো জানলেও ধারনা ছিল না একটা মুসলিম রাষ্ট্রে ঐ সমস্ত বর্বরতা আইন করে পালন করা হবে। ঐ তর্কে আরেক জনের কিছু লিঙ্ক ইংরেজি কিছু ব্লগ, কিছুদিন পরেই সামু ... এরপর নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টগুলো, সাথে সেই সময়ের সামুর অন্যান্য নাস্তিক'দের রসবোধ, কমেন্ট তীব্রযুক্তিপূর্ণ ঝাঝালো ভাষা ... ব্যাস স্বীদ্ধান্ত নিলাম খোলসা পাল্টানোর ... ছুপা থেকে প্রকাশ্যে ... এবং অবশ্যই সংশয়বাদী থেকে পুরাই কাফের ... তবে এখনও আমি সংশয়টাকে প্রাধান্য দেই শেখার পথ'টা খোলা রাখতে চাই বলে।
৯|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৪৯
ওঙ্কার বলেছেন: অক্টোপাস জাতীয় উষ্কানী এড়িয়ে যাবার আহ্বান রইলো।
১০|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৫৬
সূর্য্য ব্যানার্জী বলেছেন: নাস্তিক যে সবাই বুঝে শুনে হয়েছে তা বলা যায় না হলফ করে... অনেকে না বুঝে নাস্তিক হয়েছে- এই না বুঝে নাস্তিক হওয়ার পিছনে বলা যায় পরিবার প্রতিষ্ঠানটিতে ধর্ম পালনে অনাগ্রহ কিংবা অতিরিক্ত কোন চাপ না আসা...। নিজের কথা বলতে পারি আমার পরিবারের কেউ ধর্ম পালনে আগ্রহী নয়। উল্টো আমাকে সবসময় চলতে হয়েছে মুসলমানদে ধর্মীয় আচার বিধির মধ্যে থেকে। প্রতি সপ্তাহে চারদিন থাকতে হতো ক্লাসের বাইরে একঘন্টা করে স্কুল চলাকালীন সময়ে- সেই স্কুল জীবনের কথা বলছি। মুসলমানদের ধর্ম ক্লাসে কোন হিন্দু থাকতে পারবে না এমন একটা অলিখিত সংবিধান প্রিন্সিপালের অনুমোদনে পাস করিয়ে নিয়েছিলো আমাদের স্কুলের হুজুর।
আমি একটা লেখা লিখছিলাম আমার 'জারজ ধর্ম' নিয়ে- হিন্দু+মুসলমানের সংকরায়নে বিকৃত একটা ফর্ম। ব্লগ পড়ে নাস্তিক হওয়া নিয়ে আমার বেশ কয়েকটা কথা আছে.... মন্তব্য আসুক। কিছু চেখে দেখে এক ফাঁকে বলে যাবো।
তবে কি ভাই, লেখক যারা তাদের প্রতি একটা শ্রদ্ধাবোধ থাকে দুরত্বের জন্য। আর যারা ব্লগার তাদের সাথে নিজের চেয়ে তেমন আলাদা করে দেখতে পাই না। লেখকদের চেয়ে ব্লগারদের শ্রদ্ধা কিছুটা কম করি- সত্যি বলতে গেলে। কোন ব্লগারের লেখায় আলোচনার সুযোগ থাকে- বাদানুবাদের সুযোগ থাকে। প্রতিবাদের সুযোগ থাকে। কিন্তু লেখকদের লেখাতে তেমন থাকে না। আমাদের দেশে নাস্তিক হয়েছে অধিকাংশ ধর্ম পালন না করে, পড়ে খুব কম লোকই নাস্তিক হয়েছে বলে আমার ধারনা। স্ট্যাটিস্টিকস দেখলেও হয়তো এর স্বপক্ষেই প্রমাণ মিলবে। লেখকরা তাদের লেখায় পরিশ্রম করেন বেশী, কিন্তু ব্লগাররা অনেক গবেষনা ধর্মী লেখা লিখলেও তাতে প্রতিমন্তব্যে বিপক্ষ যুক্তিটা চোখের সামনে এসে পড়ে বলে তাতে আস্থা রাখা যায় না। কিন্তু লেখকদের ক্ষেত্রে তা আমরা রেখে দিতে পারি অবলীলায়। যত জন তত মত, এক লোক এক বই আর দশটা বই থেকে ধার করে এনে লিখলে আর তাতে কোন বিপক্ষ যুক্তি সম্মেলন না থাকলে তাতে আস্থা এসে পড়ে অল্পতেই।
ধর্মহীন পরিবেশে বেড়ে উঠে খোলা চোখে সব ধর্মকে একসাথে এক ল্যাম্পের নিচে এনে যাচাই বাছাই করলেই নাস্তিক হওয়া যায়। যারা ব্লগ পড়ে নাস্তিক হয়েছেন, খোঁজ নিয়ে খুব সম্ভবত দেখা যাবে তাদের পরিবারে বা যে পরিবেশে তারা বেড়ে উঠেছেন সেখানে ধর্মচর্চা খুব কম হয়।
তবে ব্লগ একটা বড় ক্ষেত্র- এখানে নাস্তিকদের বদৌলতে অনেক সোর্স পাওয়া যায়, অনেক অজানার ভান্ডার মিলে। যা বেমালুম চুপ করে গিলে ফেলা হয় অন্য সব জায়গায়। আর সবচেয়ে যে জিনিসটা বিরক্তিকর- আমরা আমাদের ব্যক্তিজীবনে যে কথাগুলো পরিবারের সামনে, বন্ধুদের সামনে, লোকজনের সামনে বলতে পারি না- তা অবলীলায় বলে ফেলি ব্লগে- গালাগালি করি, মারামারি করি, কাটাকাটি করি।
ঠিক ধর্ম নিয়ে এমন অনেক কথা যা, চেপে যাওয়া হয় বই পত্তরে, আমাদের ধর্মের আলোচনায়, হুজুরের মাইকের সামনে - তা এসে পড়তে পারি ব্লগে। সেদিক থেকে ব্লগের নাস্তিকদের ভূমিকাই তো বিশাল....
তাড়াহুরো করে একটানে লিখলাম। ভালোমতো চিন্তুা করে পরে এসে মন্তব্য করে যাবো....
আর পোস্ট প্রিয়তে নিয়ে রাখছি-
[বানান ভুল থাকতে পারে]
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১:২৬
মনির হাসান বলেছেন: বোধশক্তি হবার আগে নব্য কৈশোরের উচাটনে অনেকেই নিজেকে নাস্তিকভাবতে শুরু করে। আমার দেখা এসব নাবুঝ নাস্তিক'রা ৯৯ভাগই দিনশেষে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে গেছে। জাকির নায়েকের একটা লেকচার খেয়েই সারাজীবনের জন্য মনের জানালা বন্ধ করে ঘরে ফিরে যায় যারা, তাদের আমি কখনই হিসেবের মধ্যে নিয়ে আসছিনা।
হিজবুত্তি'দের সেমিনার হয়। নতুন রিক্রুট'দের প্রথমে সংশয়বাদের একটা হালকা ওয়াস দেয়া হয় যাতে করে তাদের ব্রেনে পার্মানেন্ট ব্ল্যাক মার্কার দিয়ে "Islam is the complete code of life" লেখা যায়। এ পদার্থগুলো'কে নিয়ে ভাবাভাবি কম করাই ভালো। করলে অন্যভাবে অন্য জায়গায় আরো জোরালো এবং এফেক্টিভ ভাবে।
আপনার মত শিক্ষা জীবনে দূর্ভোগের শিকার মোটামুটি শতভাগ অমুসলিম শিক্ষার্থী। তবে আশার ব্যাপার'টাও আপনার কমেন্ট থেকেই উঠে এসেছে। অতি ধর্মে ধর্ম নাশ। একই কারণে হয়তো আমার সহপাঠি বেশিরভাগ অমুসলিম বন্ধুই নাস্তিক।
আরেকটু সময় নিয়ে গুছিয়ে মন্তব্য করবেন এই আশায় থাকলাম। আলোচনা করা যাবে।
১১|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৫৮
ওঙ্কার বলেছেন: সূর্য ব্যনার্জীকে জাঝা!
১২|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৫৯
হা...হা...হা... বলেছেন: জ্বি......... আপনার পোষ্ট পড়ে বিসমিল্লাহ বলে নাস্তিক হয়ে গেলাম। এই মুহূর্ত থেকে সকল পাপ, ঘৃণা, কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা থেকে উর্দ্ধে উঠে গেলাম।
এখন থেকে আমি পরিপূর্ণ ভাবে মানবতাবাদী, আধুনিক, বিজ্ঞানমনষ্ক!!!
মানবতাবাদী, আধুনিক, বিজ্ঞানমনষ্ক হতে চাইলে নাস্তিক হওয়া ছাড়া কোন উপায় নাই এটা সবাইকে বুঝতে হবে।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১:৩০
মনির হাসান বলেছেন: খুল ডাউন ভ্রাতা। বেশী উত্তেজিত হয়া গেছেন।
১৩|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:০১
হা...হা...হা... বলেছেন: আরিফ ভাইয়াকে নবরূপে দেখছি মনে হয়?
১৪|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:০২
হা...হা...হা... বলেছেন: আরিফ ভাইয়াকে নবরূপে দেখছি মনে হয়?
১৫|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:০৪
পারভেজ আলম বলেছেন: নাস্তিকতা ছড়ানো আসলে কখনো নাস্তিকদের প্রকল্প কিনা আমার জানা নাই। এইভাবে কেউ ভেবেছে কি? নাস্তিকতা কোন ধর্ম না। একজন নাস্তিক অথবা অজ্ঞেয়বাদীর বিভিন্ন রাজনৈতিক অথবা আদর্শিক মতবাদের প্রতি আস্থা থাকতে পারে। লড়াইটা আসলে ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার, মৌলবাদ এইসবের বিরুদ্ধে, যেইটা আপনি বলেছেন। ব্লগের বাইরে এই লড়াইয়ের একটা পদ্ধতি মোটাদাগে দাঁড়িয়েছে দীর্ঘদিন হয়, তা বেশ চুপচাপ কাজ করে যায়। তবে ব্লগে নাস্তিকতার সরব উপস্থিতি নিঃসন্দেহে চোখে পড়ার মতো। এতে আমার মনে হয় এই লাভ হয়েছে যে এমন কিছু বিষয়ে আলোচনার অভ্যাস তৈরি হয়েছে যেইসব বিষয়ে এককালে খোলাখুলি আলোচনা হইতো না। তবে সমস্যা হলো যে লোকজন যদি নাস্তিকদের শত্রু গণ্য করে তাইলে তাদের কথা কেন শুনবে?
একটা উদাহরণ সহকারে আলোচনা করি। এই ব্লগেই একজন বিখ্যাত নাস্তিক ব্লগার আছেন যার পোস্টে তারে গালাগালি করেছেন অনেকে। অনেক আস্তিকই তাকে দেখতে পারেন না। আবার তারই অন্য এক নিক এই আস্তিকদের মাঝেই ব্যাপক জনপ্রিয়, কারণ ঐ নিকে তিনি জনগণের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক পোস্ট দেন, নাস্তিকতা ঐ নিকে আলোচনার বিষয় না। এইটা এই কারণে বললাম যে একজন ব্লগার যখন শ্রেফ 'আস্তিক' অথবা 'নাস্তিক' পরিচয়ে আবদ্ধ হয়ে যান তখন বিপরীত মতাদর্শীর পক্ষে তার বক্তব্য সহজ ভাবে এবং বন্ধুত্বপূর্ণভাবে গ্রহণ করা কঠিন হয়ে পরে। ব্লগের একজন নাস্তিক নিজের পুরো পরিচয় খুইয়ে শ্রেফ একজন নাস্তিক হয়ে যাচ্ছেন কিনা এইটা খেয়াল করার বিষয়, এতে তিনি নিজের দেশের মানুষের সাথেই সম্পর্কছিন্ন হবেন। আস্তিক নাস্তিক নির্বিশেষে বাংলাদেশের মানুষ হওয়ায় সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ আর ধর্মান্ধতার সমস্যাগুলা আমাদের সবারই সমস্যা, সবারই এইসব সমস্যার মোকাবিলা করতে হয় এবং হবে। আস্তিক আর নাস্তিক পরিচয়ে নিজেদের একেবারে আবদ্ধ করে ফেললে এই মোকাবিলা যুগপত ভাবে করা সম্ভব হবেনা। এখন কেউ যদি এই মনে করে যে দেশের সবাইকে নাস্তিক বানিয়ে ফেলে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং এইছাড়া কোন উপায় নাই তাইলে সে বোকার স্বর্গে বসবাস করে।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:১২
মনির হাসান বলেছেন: চমৎকার পারভেজ। আমি নিজেকে এবং অপরকে আগে মানুষ তারপর অনেক পরে নাস্তিক (বা আস্তিক) হতে পরামর্শ দেই। নাস্তিকতা কোন আইডেন্টিটি না। রাদার দ্যান ইটস এ ডিফল্ট স্টেট। শুধুমাত্র নাস্তিক্যবাদ নিয়ে পরে থাকা কখনই কাম্য নয়। বলার বা শেখার অথবা প্রতিবাদ করার আছে অনেক কিছু। তবে ব্লগে বা আড্ডার তর্কে আস্তিক-নাস্তিক তর্ক আলাদা একটা ঈমানী জোশ এনে দেয় বলে এটা গরম থাকে সব সময়। এবং আমি নির্দ্বিধায় নিজেরও এই ক্ষুদ্রতা স্বিকার করছি।
আপনার বক্তব্যের বেশিরভাগ জায়গায় একমত থাকলেও একটা খটকা আছেঃ
তথ্য তথ্য। বক্তব্য বক্তব্যই। আলোচনা আলোচনাই। সেটাকে প্রেজেন্ট করার সময় বন্ধুভাবাপন্নভাবে করতে হবে কিনা সেটা অনেক তর্কের ব্যাপার।
বক্তব্য বন্ধুভাবাপন্ন রাখতেই হবে এ চিন্তা নিয়ে লিখতে বসলে বক্তব্যের চেয়ে বন্ধুতাই মাথায় বেশি থাকল কি? তবে কি বক্তব্যের গুরুত্ব কমে না??
যারা শত্রু হবার তারা তো আগে থেকে শত্রু হয়েই আছে। কর্পোরেট মার্কেটিং ডিসিশানের মতো যদি ধরি ... তবে "ছুড়ি চালানো শত্রুর চেয়ে মিঠে কথার শত্রু ভালো" থিউরি মাথায় রেখে প্রডাক্ট'টা সেল করে দিয়ে আসতে পারলেই হল, তাহলে কিন্তু সত্যিকার গ্রোথ হবে না। ওয়ান টাইম বিজনেস। পরিস্থিতি, প্রতিযোগীতা, প্রতিবন্ধকতা ডিল করতে হবে; রিসার্চ করে জানতে হবে পোটেনশিয়াল কাস্টমার কে, সেই কাস্টমারের আসলে কি প্রয়োজন ... তবেই না ব্যাবসা।
সবাইকে কাস্টোমার ভেবে থাকলে কিন্তু সময়, ব্যাবসা দুটাই নষ্ট।
জানিনা বোঝাতে পারলাম কিনা।
১৬|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:০৪
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: আমি তো আজন্ম নাস্তিক বলা যায়। একদা যখন শিশুকালে মনে করতাম উপরে কেউ আছেন তখনো তেনার চামচামি করার কোনো আগ্রহ ছিল না। থাকলে থাক, আমার কি? এই জাতীয় চিন্তা ছিল। ঈশ্বর এর কাহিনী গুলো আর দুষ্টুমি আটকাতে ভূত, জ্বীন, পানিমুড়া ইত্যাদির গপ্পো একই ছিল আমার কাছে। যেইদিন পানিমুড়া ভূতের ভয় গেছে সেইদিন থেকে ঈশ্বর নামক জুজুকেও ডরাই না।
তবে ব্লগে এসে একটা বিরাট উপকার হয়েছে। নিরপেক্ষতার দোহাই দিয়েই এতদিন ভাবতাম বুদ্ধিমান আস্তিকদেরও তো কিছু বলার থাকতে পারে! তাদের কথাটা না শুনেই একেবারে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক না। এখানে এসে আস্তিকদের যুক্তির যা নমুনা দেখেছি তাতে আর কোনো সন্দেহই নাই।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:২৮
মনির হাসান বলেছেন: হা হা হা হা ... শুধু আমি বা আপনি না ... দুনিয়া তাবৎ নাস্তিককুল আস্তিক'দের আস্তিকিয় যুক্তিতে হতাশ। ইউটিউবে অনেক ভিডিও আছে ... যেখানে দেখা যায় প্রচন্ড যুক্তিবাদী নাস্তিক শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়ে আস্তিক'দের আস্তিকিয় যুক্তি সম্বল করে টিটকারী'তে মেতে উঠছে। অনেক বাধ্য হয়েই, এবং তর্কযোগ্য উপাদানের অভাবে।
১৭|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:০৪
সেতু আশরাফুল হক বলেছেন: উষ্কানী এড়িয়ে যাবার আহ্বান রইলো।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:২৯
মনির হাসান বলেছেন: খালি আপনেরা কইতেছেন বইলা ছাইড়া দিলাম ...
১৮|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:১১
রাজসোহান বলেছেন: ধর্ম ছাড়া আমি খুব শান্তিতে আছি।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:৩৭
মনির হাসান বলেছেন: তোমার হিসাব কিন্তু বুইঝা পাইলাম না।
আজম খানের একটা গান আছে "ফাকি দিয়া থাকবি কত কাল। অ মনরে" ... শুনছ গানটা??
১৯|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:১১
রাতমজুর বলেছেন: সিট বুকিং, রিভিউ পরে দিমু।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:৩৭
মনির হাসান বলেছেন: এখন না কেন? সময় নিয়া দিয়েন।
ব্লগে ফিরছেন দেইখা পুলকিত অনুভুতাইতেছি।
২০|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:১১
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমি মনে করি এভারেজ চিন্তা চেতনার মানুষদের জন্যই আসলে ধর্মটা বেশী দরকার। না হলে সমাজে অনেক রকম সমস্যা হতো। কিন্তু যিনি যুক্তি বুঝেন, ন্যায় আর অন্যায়ের পার্থক্য করতে পারেন তার জন্য হয়তো ধর্মের অনুশাসন দরকার নেই। একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই ...
সেদিন বিবিসি বাংলায় খবর দিল যে ভারতে উদ্বেগজনক হারে পূরুষের তুলনায় মহিলাদের সংখ্যা কমে গেছে। ভারতের অনেক রাজ্যেই আলট্রা সনোগ্রামের বদৌলতে গর্ভস্থ সন্তান মেয়ে হলে এবরশন করে ফেলা হচ্ছে। ফলে প্রতি ১০০০ পূরুষের বিপরীতে মহিলার সংখ্যা ৯৩০ এর মতো। মজার ব্যাপার হলো ভারতের মুসলিমদের মধ্যে মহিলা-পূরুষদের আনুপাতিক হার কিন্তু ঠিক ই আছে। তাদের বক্তব্য ভ্রুণ হত্যা মহাপাপ, তাই পশ্চাপদ জনগোষ্ঠী হয়েও তাদের মধ্যে এই মেয়ে ভ্রুণ হত্যার ট্রেন্ডটা কাজ করে নাই। এই উপমহাদেশের লোকজন এমনিতেই ধার্মিক কিম্বা ধর্মান্ধ যেটাই বলেন। অথচ এক ধর্মে এবরশন নিয়ে কিছু বলা নেই বলে তারা দেদারসে ভ্রুণ হত্যা করে একধরণের ইমব্যালান্স তৈরী করেছে। আবার আরেক ধর্মে এটাকে মহাপাপ বলায় শত সমস্যার মধ্যেও তারা তা করছে না। সুতরাং গড়পড়তা মানুষদের জন্য ধর্মের দরকার আঠে।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:০৬
মনির হাসান বলেছেন: রঞ্জু ভাই ... আলোচনা'টা ছিল ব্লগ নাস্তিক্যবাদ দিয়ে নাস্তিকায়ন বিষয়ক।
যাই হোক ... এভারেজ চিন্তার মানুষজনের উপরে ধর্মের থেকে অনেক অনেক গুন বেশি প্রভাব ফেলে সামাজিক চর্চা, আর্থ সামাজিক অবস্থা-অবস্থান ইত্যাদি। আপনার উল্লেখ্যিত ভ্রুনহত্যা সমস্যাটাও। ভারতের মুসলিমরা বেছে বেছে "মেয়ে" ভ্রুন হত্যা না করলেও আশা করি সচ্ছল মধ্যবিত্ত মুসলিম জীবন আমাদের দেশের মতো এবোরশ্নে অভ্যস্থ। তাদেরকে বা আমাদের'কে কি ধর্ম বাধা দিতে পারছে?
দারিদ্র্য, অনিশ্চয়তার সামাজিক ব্যাবস্থায় ভারতের হিন্দু'রা হয়তো ভ্রুন হত্যা'কে সমাজে প্রতিষ্ঠিত চর্চায় নিয়ে গেছে যেটা মুসলিম'দের সমাজ চর্চায় অভুতপূর্ব। ইনফ্যাক্ট ভ্রুনহত্যা ব্যাপারটাই অভুতপূর্ব (অন্তত সামাজিক ব্যারামের ক্ষেত্রে'তো বটেই)।
ভারত কিম্বা বাংলাদেশে ... হিন্দু কিম্বা মুসলিম নির্বিশেষে সামাজিক ভাবে চর্চিত ঘুষ-চর্চা, দূর্নীতিচর্চা, খাদ্যেভেজাল-চর্চা, নারীনির্যাতন-চর্চা ইত্যাকার এক লক্ষটা অপরাধের নাম বলে দেয়া যাবে যেখানে এই অপরাধ গুলো শুধু সামাজিকভাবে চর্চিত বলেই দুই দেশের দুই ধর্মের লোকেরাই সমান উৎসাহ উদ্দীপনায় চর্চা করে অথচ তাদের ধর্ম হয়তো সেগুলোকে মানা করা হয়েছে।
মোদ্দাকথা যেটা বলতে চাই ধর্মের থেকে সামাজিক চর্চাটা হাজারগুন বেশি শক্তিশালী প্রভাবক।
২১|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:১২
হা...হা...হা... বলেছেন: পারভেজ আলম@ ধন্যবাদ। আপনার সাথে আমি একমত। (১৬ নং কমেন্ট এর বিশেষ করে শেষ অংশ)
ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার ইত্যাদির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে নাস্তিক্যবাদী হতে হয় না।
২২|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:১৫
চারু_চারবাক বলেছেন: নাস্তিকতার রজতজয়ন্তি পালন করছি
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:১২
মনির হাসান বলেছেন: আপনি যদি বলতে চাইতেন-"আমরা কি নাস্তিকতার রজতজয়ন্তি পালন করছি নাকি"? ... তাহলে উত্তর দিতে খবরই ছিল।।
২৩|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:২২
ওঙ্কার বলেছেন: @ক্যামেরাম্যান..
ডেমোগ্রাফি একটা ঝামেলার বিষয়। অপ্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে, তবে জরায়ু'র তোষণ মুসলিমদের একটা গুরুত্বপূর্ণ আসপেক্ট। আল্লার মাল আল্লায় খাওয়াইবো, অথবা গাদ্দাফীর বর্নিত উম্ব-ব্ম্ব এসবেরই বিভিন্ন দিক।
মুসলমানেরা সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে পৃথিবীর ডেমোগ্রাফি বদলে দেবার কথা ভাবে, কাজও করে সেরকম। এদের মাঝে যারা গোঁড়া, তারা যেকোনো প্রকার জন্মনিয়ন্ত্রনের ঘোর বিরোধী।
নারী' ভ্রুণ হত্যার পেছনে ধর্মোৎসারিত নারী-প্রতি-ঘৃনাই কিন্তু মূখ্য। সামাজিক মানসিকতায় নারীকে বিয়ে দিতে পিতার খরচ, যৌতুক দিতে হয়, পুরুষের সমান আয় করে না বলে নারী শিশু অনাকাঙ্খিত।
ইউরোপে পরিস্থিতি আরো উদ্বেগজনক। বিয়ে ও সন্তানোৎপাদন নামক কষ্টকর প্রকল্পে ককেশান জনগোষ্ঠী নিরুৎসাহী হওয়ায়, ইমিগ্রান্ট মুসলিম জরায়ু প্রবল প্রকোপে বংশবিস্তার করে ইউরেবিয়া সৃষ্টি করছে। অবশ্য এটা আশংকা মাত্র। ভবিষ্যৎই বলবে কি হয়।
২৪|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:৩০
হোরাস্ বলেছেন: যারা বলে ব্লগে লিখে কি হয় তাদের কোন ধারণাই নাই ব্লগ কত পাওয়ারফুল হইতে পারে। বসনিয়া কিংবা হালের মিশর, তিউনেশিয়ার আন্দোলনের উদাহরণতো (ফেসবুক) চোখের সামনেই আছে।
ব্লগ সবচে বেশী যেটা করে সেটা হলো মানসিক শক্তি বা সাহসের জোগান দেয়। কারও যদি অনুসন্ধিৎসয় মন থাকে তবে যে প্রশ্নগুলো আগে পরিবার বা আসে পাশের কাউকে করা যেত না সেগুলাও অনায়াসে ব্লগে করা যায় আবার উত্তরও পাওয়া যায়। এখানে সূর্য্য ব্যানার্জীর কথার প্রতিধ্বণি করতে হয়। " ধর্ম নিয়ে এমন অনেক কথা যা, চেপে যাওয়া হয় বই পত্তরে, আমাদের ধর্মের আলোচনায়, হুজুরের মাইকের সামনে - তা এসে পড়তে পারি ব্লগে। সেদিক থেকে ব্লগের নাস্তিকদের ভূমিকাই তো বিশাল...."
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৪৮
মনির হাসান বলেছেন: মানসিক শক্তির বিশাল একটা যোগান এই ব্লগে এসে আমি নিজেই পেয়েছি। নাহলে ছুপা হয়ে থাকতাম সারা জীবন।
এবং আশা করি সেই শক্তির যোগান চলছে, চলবে এবং গুনিতক হারে ব্যাপকতা পাবে।
২৫|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:৩১
শয়তান বলেছেন: আমারেও কি কিছু বলতে হইব ?
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:৪২
মনির হাসান বলেছেন: হিসাব ঠিকমত না দিলে আপনের খবরই আছে । পুরা ডিটেইলে বলবেন।
প্লিজ।।
২৬|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:৩২
ওঙ্কার বলেছেন: এখন কেউ যদি এই মনে করে যে দেশের সবাইকে নাস্তিক বানিয়ে ফেলে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং এইছাড়া কোন উপায় নাই তাইলে সে বোকার স্বর্গে বসবাস করে।
@পারভেজ, কথা তো সত্য অবশ্যই। তবে সেরকম বোকা লোকের দেখা এখনো আমি পাইনি।
মৌলবাদ, ধর্মীয় কুসংস্কার ইত্যাকার বালছালের প্রকোপের বিরূদ্ধেই লড়াইটা।
ক্যামেরাম্যান বর্নিত 'এভারেজ চিন্তা চেতনার মানুষ' সবসময়ই থাকবে।
তাদের মগজ ধোলাইকারী মোল্লা/পুরোহিত পেশাজীবিরা যাতে পেটের দায় নিয়ে ব্যস্ত থাকে, সেটাই দেখা উচিত। অথবা এদের প্রয়োজন যাতে কমে যায়। আর এভারেজ মানুষেরা যাতে তাদের রূপকথা নিজের মনের ভেতরে রাখে, বড়জোড় মসজিদ/মন্দির'/গীর্জা বানিয়ে সেখানেই চর্চা করে, সেটা দেখা উচিত।
এগুলি সবই শিক্ষা, প্রযুক্তিমানসিকতা, বিজ্ঞানের প্রসারের উপর নির্ভরশীল। নাস্তিকতা নামের আন্দোলন আসলে ওটারই একটা ফ্রন্ট এন্ড।
২৭|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:৪২
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আমি মনে করি এভারেজ চিন্তা চেতনার মানুষদের জন্যই আসলে ধর্মটা বেশী দরকার। না হলে সমাজে অনেক রকম সমস্যা হতো। কিন্তু যিনি যুক্তি বুঝেন, ন্যায় আর অন্যায়ের পার্থক্য করতে পারেন তার জন্য হয়তো ধর্মের অনুশাসন দরকার নেই। একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই ...
সেদিন বিবিসি বাংলায় খবর দিল যে ভারতে উদ্বেগজনক হারে পূরুষের তুলনায় মহিলাদের সংখ্যা কমে গেছে। ভারতের অনেক রাজ্যেই আলট্রা সনোগ্রামের বদৌলতে গর্ভস্থ সন্তান মেয়ে হলে এবরশন করে ফেলা হচ্ছে। ফলে প্রতি ১০০০ পূরুষের বিপরীতে মহিলার সংখ্যা ৯৩০ এর মতো। মজার ব্যাপার হলো ভারতের মুসলিমদের মধ্যে মহিলা-পূরুষদের আনুপাতিক হার কিন্তু ঠিক ই আছে। তাদের বক্তব্য ভ্রুণ হত্যা মহাপাপ, তাই পশ্চাপদ জনগোষ্ঠী হয়েও তাদের মধ্যে এই মেয়ে ভ্রুণ হত্যার ট্রেন্ডটা কাজ করে নাই। এই উপমহাদেশের লোকজন এমনিতেই ধার্মিক কিম্বা ধর্মান্ধ যেটাই বলেন। অথচ এক ধর্মে এবরশন নিয়ে কিছু বলা নেই বলে তারা দেদারসে ভ্রুণ হত্যা করে একধরণের ইমব্যালান্স তৈরী করেছে। আবার আরেক ধর্মে এটাকে মহাপাপ বলায় শত সমস্যার মধ্যেও তারা তা করছে না। সুতরাং গড়পড়তা মানুষদের জন্য ধর্মের দরকার আঠে।
==========
ক্যামেরাম্যান@ ভারতীয়দের মধ্যে কন্যাভ্রূণ হত্যার পিছনে বিবাহকালীন পণ প্রথার বিরাট ভূমিকা আছে। একটা মেয়ের বিয়ে দিতে গিয়ে লোকে ভিখারী হয়ে যায় এমন উদাহরণ হাজার হাজার। তার উপর একাধিক সন্তান খরচবহূল, দুই এর বেশি হলে আইনি সমস্যা আছে। এইসব কারণে এগুলো হয়ে থাকে। এটা একটা সামাজিক অপসংস্কৃতির ফল, এর সাথে ধর্মের সম্পর্ক একেবারেই ঘোড়ার ডিম। যারা এগুলো করে তারাও বেশ ভালরকম ধর্মবিশ্বাসী। আর তাদের ধর্মেও কোনোকালেই ভ্রূণহত্যা সমর্থিত নয়।
২৮|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১২:৪৪
লুকার বলেছেন:
এসব আলোচনা অনেককেই চিন্তা করতে শেখাচ্ছে, নিষিদ্ধ বিষয়ে প্রশ্ন করার সাহস দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত যে জায়গায় আটকায়, তা হলো 'তাই বইলা বাপ দাদার ধর্ম ছাইড়া দিমু? লোকে কি কইব?' সংস্কারের উর্ধে উঠুক মানুষ, মানবিক বোধে উদ্দীপ্ত হয়ে সারা দুনিয়ার মানুষ একত্রে এগিয়ে নিয়ে যাকে সভ্যতাকে, যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে সর্বক্ষেত্রে চিন্তা করতে শিখুক, এটাই চাওয়া।
০৩ রা জুন, ২০১১ দুপুর ২:৫৩
মনির হাসান বলেছেন: চমৎকার মন্তব্য লুকার ভাই।
২৯|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১:৫৩
সবাক বলেছেন: মনির ভাই, আপনার লিংকে দেয়া পোস্টে ব্লগার দাঁড়িপাল্লা একটি কমেন্টে বলেছেন "নাস্তিকরাও কিন্তু স্বার্থপর কম হয় না। নিজেরা সব বুঝেশুনে উদ্ধার পেয়ে গিয়ে আর কারো দিকে নজর দেয় না।" এ ধরনের একটি কথা বেশ কিছুদিন ধরে পারভেজ আলম এবং আমার মাঝে আলোচিত হচ্ছে।
ব্লগে এসে কেউ সংশয়বাদী হবে কিংবা সংশয়বাদী কেউ অজ্ঞেয়বাদী হবে - এমন সম্ভাবনা সৃষ্টির অন্তরায় কিন্তু তথাকথিত আস্তিকদের কিছু মৌলিক বিশ্বাসের প্রতি আঘাত হানা। এটা সত্য যে, তাদের ওইসব বিশ্বাস অমূলক এবং অহেতুক। এ সিদ্ধান্ত কিন্তু আমাদের অবিশ্বাসী অবস্থান থেকে। ওদের অবস্থান থেকে এটা 'পরম' বিশ্বাস। এটাতে সরাসরি সাম্রাজ্যবাদী স্টাইলে দখলদারি ভাব নিয়ে আক্রমন করলে সে আরো প্রতিক্রিয়াশীল হবে, এটাই স্বাভাবিক।
একটা সময় আমার অবস্থান ছিলো সৃষ্টিকর্তা থাকলেও আমি তাকে মানার প্রশ্ন আসে না। এরকম নির্দয় এবং অবিবেচক ধূর্ত কোন সত্ত্বাকে মানবো কেন? এ অবস্থানে আমি বেশ কিছুদিন যাবত ছিলাম। এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই, তখন বেশিরভাগ সময়ই কাটতো প্রচুর প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধানে।
অতপর ব্লগ তথা অন্তর্জালের বাংলা দুনিয়ায় এসে এসব প্রশ্নের জবাব পেতে শুরু করি। এর জন্য আমিও আন্তরিক ছিলাম। নানান কৌশলে আলোচনা জমিয়ে ব্লগের মুক্তমনাদের থেকেই এসব প্রশ্নের জবাব বের করে নিতাম। আর উনাদের নিয়মিত লেখাগুলো থেকেও বেশ সাহায্য পেতাম।
এখন ব্লগে প্রশ্ন সৃষ্টিকারী লেখার চেয়ে আস্তিকদের গাধা প্রমান করার উপপাদ্যের সংখ্যায়ই বেশি। এ কারণে দৃশ্যত একটি নোংরা বিভাজন সৃষ্টি হয়। যার ফলে কথিত মানবধর্মকে স্পষ্টতই অস্বীকার করা হয়। আর এ অস্বীকার আমরা যারা অবিশ্বাসী, তাদের পক্ষ থেকে। এর সমাপ্তি অতীব জরুরী। আর যদি জরুরী না হয়, তবে সভ্যতার শত্রু হিসেবে বিজ্ঞানমনস্ক বর্বরদের উত্থান হবে খুব ভয়ানকভাবে। যার সুড়ংগ সৃষ্টি হয়েছে ইতোমধ্যে।
একজন সবুজপত্রের পোস্ট নয়, আমরা এরকম আরো আরো সবুজপত্রের পোস্ট চাই। এর জন্য প্রয়োজন ইতোমধ্যে যারা শৃংখল ভেঙেছি, তাদের সহায়তা। অন্তত একজন মানুষকে মুক্তমনা হতে সহায়তা করলে, বাকিটা সে নিজেই ব্যবস্থা করে নেবে। পুরো বিষয়টা বন্ধুসুলভ না হলে সৃষ্টি হবে না।
অনেকদিন পর এতো বড় কমেন্ট করেছি। এর জন্য দায়ী আপনার পোস্টটি। ![]()
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৪০
মনির হাসান বলেছেন: সবাক ... ধন্যবাদ তোমার হিসাব বুঝে পেলাম।
এবার তোমার আলোচনার দ্বিতীয় অংশে আসি।
ধর্মের ব্যাপারে সবথেকে প্রতিক্রিয়াশীল কারা?
উত্তর মুসলিম'রা।
আমাদের দেশের আস্তিকরা মানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম'রা ব্লগে ঢূকেই যে হোচট খায় সেটা হচ্ছে নাস্তিক'দের অস্তিত্ব। খুব খেয়াল করে দেখো কোন নাস্তিক্যবাদী পোস্ট পড়ার আগেই সে দেখে একটা "নাস্তিক"। তার তৎক্ষনাৎ রিয়াকশন'টা সহজেই কল্পনা করে নেয়া যায় "খানকীর পোলা নাস্তিক আমার ধর্ম'রে কি কইছে দেখিতো!!"
"আব্বু বলেতে নাসটিক্রা কালাপ"- ললিপপ হাতের বুড়ো বাচ্চা'টা আরো জানে "হুজুর নাসটিকদের মালতে বলচে"।
কোনরকম প্ররোচনা ছাড়াই নাস্তিকের ধর্মকথা, ফারহানা আহমেদের নিরীহ পোস্টে আমি দেখেছি এই ললিপপ মুসলমানদের গালির বন্যা বয়ে যায়। ঐ যে মাথায় ঢূকে আছে "আব্বু বলেতে নাসটিক্রা কালাপ"। তুমি কোনভাবেই এদের স্যাটিসফাই করতে পারবেনা। ২০১১ সালের অযুহাতে তোমার আমার কল্লা রক্ষা পাবে এটা অবশ্য সান্তনার।
আমার কথার সত্যতার প্রমানের দরকার নেই। তুমি নিজেও জানো ব্লগের সিনারিও তাই।
তবে আমাদের পন্থা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হতে পারে যা আসলে আরেকটি পোস্টে হওয়া উচিত এবং খুব সিরিয়াসলি হওয়া উচিত।
৩০|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১:৫৪
কর্ন বলেছেন: যে শিশু প্রশ্ন করতে শিখে সে ধর্ম নিয়ে বড় হয়ে সংশয় করতে শিখে । এই শিশু হয়তো নাস্তিক কিম্বা অগ্গেয়বাদী হয় ।আমাদের সময় অনেক পরিবার দেখিছি শিশুদের বই পড়তে , কার্টুন দেখতে এমনকি কমিক বই পড়তে দিত না , পড়ালেখার ক্ষতি হবে দেখে । এইসব শিশুরা যখন বড় হয় ইমান হয় তাদের একমাত্র পাথেয় । তারা প্রশ্ন করে না , যাচাই করে না ।
ব্লগের নাস্তিক লেখা গুলো হয়তো কাউকে নাস্তিক বানাবে না , কিন্তু যেকোনো মানুষের মধ্যে সংশয়ের বীজ রোপন করবে । বংশ পরস্পরায় এই বীজ একদিন মহিরুহে পরিনত হবে ।সংস্কার কোনদিন একদিনে দূর হয় না ।
আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের শিক্ষার অভাব তাই এত প্রবল ভাবে সারাবাংলাদেশে আম জনতার মাঝে নাস্তিক ধ্যন ধারনা প্রকাশ সম্ভব নয় । কিন্তু ব্লগ চিন্তাশীল মানুষের প্ল্য্ত্ফর্ম এইখানে প্রবল ভাবে লেখা যায় ।
একজন আস্তিক যদি আস্তিক হিসাবে গর্ববোধ করে নিজেকে প্রকাশ করে তবে একজন নাস্তিক কেন পারবে না ?
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:৫৮
মনির হাসান বলেছেন: নাস্তিকতা, অবিশ্বাস, সংশয়বাদ শব্দ গুলোর একটা নিজস্ব দ্যুতি আছে। যেখানে সাধারণ মিডীয়া গুলোও এই শব্দগুলো থেকে যত'টা পারে দূরে থাকে ... বাংলা ব্লগে এই শব্দগুলো এখন ডাল ভাত। এটাই বা কি কম পাওয়া ... আমাদের মত একটা সমাজে।
আর ব্লগের পাড় আস্তিক এন্টিনাস্তিক চরম সাম্প্রদায়ীক ছাগুটাও যে এক সেকেন্ডের জন্য হলেও নিজেকে মুক্তচিন্তার আয়নায় দেখেনা সেটারই বা কি গ্যারান্টি আছে।
৩১|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:১৩
কর্ন বলেছেন: মাহফুজ শান্ত , রায়হান ধর্ম নিয়ে বিরাট পোষ্ট লিখতে পারবে । ব্লগে হিন্দুদের ধর্ম নিয়ে লেখা যাবে , আদিবাসীদের ধর্ম নিয়ে লেখা যাবে , ধীবর ছাগু বিরাট সাম্প্রদায়িক পোষ্ট দিবে , আহমাদি নেজাদ কোথায় পাদ দিলো টা নিয়ে লেখা যাবে , এমনকি চাইলে বঙ্গবন্ধু নিয়ে দাস্ব্ত্বর মত দুই একটা পোষ্ট দেয়া যাবে , কিন্তু তাতে কোনো বিভাজন হবে না । বিভাজন হবে মুহাম্মদ কে নিয়ে লিখলে । ইসলাম নিয়ে লিখলে ।
গুরুদেবজি, চঞ্চল বালি , ধীবর, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ , যতই পোষ্ট দিক, যাই দিক কোনো বিভাজন হবে না ।
এখন আপনি বলতে পারেন আস্তিকদের মধ্যে অনেকে ছাগু ফাইটার, নাস্তিকদের কারনে তারা ক্রমশ দুরে সরে যাচ্ছে অথবা চূড়ান্ত প্রন্থা কোনো ফলাফল বয়ে আনে না । অথবা আসিফ সোজা কথায় একজন নাস্তিক মৌলবাদী । তার অপসারন চাই ইত্যাদি ইত্যাদি ।
কিন্তু যেই বীজ সামুর পুরাতন নাস্তিকর বপন করেছে , তার থেকেই জন্ম আজকের সামুর নতুন নাস্তিক এবং অগ্গেয়্ বাদীদের । আজকের নাস্তিকরা অনেক বেশি ধারালো ভাবে কথা বলে । আগে একটু নাস্তিকতা দেখানোর জন্যে সত্থানেশী , বৃত্তাবান্দিরা জেনারেল হত । ব্লগে সারাদিন হইচই হত ব্যান চাই ব্যান চাই বলে । আজকে সেই অবস্থা পরিবর্তন হয়েছে । এইটাই কি বড় পাওয়া নয় ?
হয়তো কেউ কেউ বলবেন আস্তিক দের মধ্যে অনেক ভালো লোক আছে , যারা প্রগতির পক্ষে । কিন্তু প্রগতি এবং আস্তিকতা এক সাথে চলতে পারে না আগে পরে সংঘাত হবেই । দুই দিন আগেই না হয় হলো ।
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১২:১৭
মনির হাসান বলেছেন: গুনগত পরিবর্তনটা একটু চোখ খুললেই চোখে পরে। তবে এটা ঠিক আগে ধরে ধরে বিজ্ঞানের সাহায্যে ধর্ম'কে ধোলাই দেয়া হত। সে চেষ্টা এখন খুব কম হয়। বেশির ভাগই দার্শনিক আলোচনা।
৩২|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:১৪
সবাক বলেছেন: @ আসিফ মহিউদ্দিন
ধর্মগাধারা এবং ছাগুরা বিভিন্ন ট্যাগ দিতে ওস্তাদ - আপনার ৩৪ নাম্বার মন্তব্যের শেষ অংশের এ লাইনটির পেছনের কারণ/সমস্যা আপনার জানা আছে। তবুও তাদের প্রতি সহমর্মিতা না জন্মে আক্রমন স্পৃহা কেন জন্মালো?
যারা চরম ধার্মিক অবস্থান থেকে নিধার্মিক হয়, তাদের মাঝে পূর্ব প্রতিক্রিয়াশীলতার একটু চর্চা থেকে যায়। কিন্তু আপনিতো এসব সংস্কার অনেক আগেই সেরে ফেলেছেন, তবে কেন এখনো এতো ক্ষোভ কিংবা প্রতিপক্ষসুলভ আচরণ?
আমার আপনার "আলোকিত" অবস্থান থেকে যদি "ধর্মগাধা" টাইপের আক্রমন হতে পারে, তবে ওদের অন্ধকার অবস্থান থেকে ট্যাগিংতো নস্যি, কল্লা ফেলে দেয়ার হুমকিও মামুলি।
ধর্মকে ঝেড়ে ফেলার এতোদিন পরে নিশ্চয় ধর্মের প্রতি আমাদের শত্রুপক্ষ টাইপের আচরণ কেটে যাবার কথা। কিন্তু আমরা পারছি না কেন? আপনার কি মনে হয় বাংলাদেশে নাস্তিকরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার পর আস্তিকদের মাথায় হাত বুলিয়ে করুণা করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া ছাড়া ওদেরকে "টেনে তোলা"র কোন পথ খোলা নেই? আমি তথাকথিত গোষ্ঠীবদ্ধ শক্তির ফলে সৃষ্ট ফ্যাসিবাদী অভিভাবকের ভূমিকার কথা বলছি আরকি।
৩৩|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:২৩
সবাক বলেছেন: @ কর্ণ
আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি।
যে আনন্দে আপনি আনন্দিত, এটা কেবলমাত্রই দখদারিত্বের অভিলাষপ্রসূত পল্লীগীতি। আগে বৃত্তবন্দীরা ব্যান হতো, এখন পারভেজ আলমরা ব্যান হয় না- এটা হচ্ছে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা। ধার্মিক ব্লগারদের প্রতিবাদ কিন্তু কমেনি। এখন কিন্তু ২০১৪ সালের ঘোষনা দিয়ে কল্লা ফেলার হুমকীও আসে।
পূর্ব নাস্তিকদের থেকে অনুপ্রেরণাপ্রাপ্ত বর্তমান নাস্তিকরা যদি ব্লগে অন্য কারো মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে নিজেদেরকে মডারেশনের কোপ থেকে বাঁচানোর প্রয়াসে যায়, তবে সেটা একেবারেই কলংকজনক সংখ্যাগরিষ্ঠতার হম্বিতম্বি ছাড়া আর কিছুই না। যেতে যেতে ক্রমশ ১৪০০ বছর আগের অবস্থানে। এবার আমরা ১৪'শ বছর জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা হতে পারি।
নাকি অন্য কিছু?
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১২:২৪
মনির হাসান বলেছেন: কর্ণের বক্তব্যে দখলদারীত্বর থেকে আস্তিকদের অভ্যস্ত'তার ব্যাপারটাই বোধ করি বেশি ফোকাস ছিল।
আস্তিক'রা এখন দরুদ ছাড়া মুহম্মদের নাম শুনে মাইন্ড খায় না বরঞ্চ অনেকে বলেও ফেলে।
৩৪|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:৪৬
কর্ন বলেছেন: ঘটনা দাড়াইলো সামুর বিবেকের কাছে প্রশ্ন ।
আজকের নাস্তিকরা কি গান্ধীবাদি হবে নাকি চে গুয়ে ভাড়া হবে ?
তারা এক গালে চর খেয়ে কি আরেক গাল বাড়িয়ে দেবে নাকি কষে পাল্টা চর মারবে ?
৩৫|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:৫১
সবাক বলেছেন: @ আসিফ মহিউদ্দিন
আমার একটা ভুল ধারণা ছিলো। আমি ভেবেছিলাম মুক্তবুদ্ধি ভিত্তিক লড়াইয়ে একজন আসিফ মহিউদ্দিনের প্রতিপক্ষ হবে পারভেজ আলম কিংবা মনির হাসান। কিন্তু এখন দেখি আসিফ মহিউদ্দিনের প্রতিপক্ষ এখনো হাজার হাজার বছর আগের ধ্যান ধারণার ধার্মিকরা। প্রতিপক্ষ হিসেবে ধর্মও একেবারে মন্দ ছিলো না। বিবেচনা করে দেখতে পারেন।
৩৬|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ২:৫৬
সবাক বলেছেন: @ কর্ণ
গান্ধীবাদী কিংবা চে গুয়েভারাবাদী হওয়ার কোন সুযোগ নেই। মুহম্মদের মতো লোকও মরার আগে তার যুদ্ধবাজ আদর্শের অনেক কাটাছেঁড়া করে রেখে যাওয়ার মতো বুদ্ধি রাখে। আমরা হয়তো কোন ভয় কিংবা সামর্থের ঘাটতি থেকে নূন্যতম এ বুদ্ধিও রাখি না।
৩৭|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:২২
সবাক বলেছেন: @ আসিফ মহিউদ্দিন
আমি মোটেও মনে করি না আপনার মুক্তবুদ্ধির উপর কেউ শুয়েবসে চেপে ধরে রেখেছে। কিছুলোক তখনই আপনার উপর উপবিষ্ট হবে, যখন সে ধার্মিক থেকে পশু হয়ে উঠবে। আর একজন ধার্মিককে হায়েনা বানানোর যথেষ্ট সামর্থ আপনার আছে।
বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের জন্য মুক্তবুদ্ধি আন্দোলনের যে বক্তব্য, এটাতে পিছলামি আছে। কারণ বুদ্ধির লড়াইয়ের প্লাটফর্ম বুদ্ধি দিয়েই গড়ে নিতে হয়। প্রতিক্রিয়াশীলতা দিয়ে নয়।
একটা আরেকটার সাথে সাংঘর্ষিক। দ্বিমূখিতাও বটে। এবং অবশ্যই যেমন কুকুর তেমন মুগুর নামক সস্তা ধারনার সমর্থন। ঠিক যেভাবে একজন উগ্র ধার্মিককে মৌলবাদী হিসেবে চিহ্নিত করবেন, সেভাবে আপনিও মৌলবাদী হিসেবে চিহ্নিত হবেন।
আরজ আলী মাতুব্বর এবং তসলিমা নাসরিনের মাঝে পার্থক্য দৃষ্টব্য। আরজ আলী মাতুব্বরের বই অনেক সাধারণ ধার্মিকদের বইয়ের তাকে শোভা পায়। আর তসলিমার বই মৌলবাদীদের বইয়ের তাকে থাকে আক্রমনের রসদ খোঁজার জন্য।
এভাবে করে একদিন সমস্ত মৌলবাদীদেরকে আমরা ক্ষেপিয়ে তুলে যুদ্ধে নামবো। আর যেহেতু প্রত্যেক ধার্মিকই শেষপর্যন্ত একেকজন মৌলবাদী, সেহেতু সবাইকে মেরে সাফ করে নাস্তিকতার রাজত্ব কায়েম করে সুখে শান্তিতে বসবাস করবো।
আমার আর কিছু বলার নেই।
৩৮|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:২৮
মোঃ আরিফ রায়হান মাহি বলেছেন: বাহ এই পোস্টে দেখি নাস্তিকদের এক মহা মিলনমেলা বসেছে।যাক এই অন্তত এক বিষয়ে কিছু সিনিয়র ব্লগার একটিভ হচ্ছেন। ভালই লাগছে। পোস্টের এই বাইপ্রোডাক্টটা কিন্তু বেশ প্রশংসার দাবি রাখে।
অনেকেই ধর্মের অনুশা্সনের প্রয়োজন নেই বলে গলা ফাটিয়ে ফেলছে্ন, আমি হলফ করে বলতে পারি যারা এইসব কথা বলছেন তারা ধর্মের অনুশাসন সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান রাখেন না।
নাস্তিকদের বা নাস্তিক্যবাদ নিয়ে কাউকে হেদায়েত দান করা আমার স্বভাববিরুদ্ধ, তার একটা কারন হল বেশিরভাগ নাস্তিকই আমার চেয়ে বেশি জ্ঞান রাখেন এ বিষয়ে, আর তাই কিছু কিছু নাস্তিককে প্রায়ই আমার শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছা করে।
আজকে কিছু বলি { কেউ মাইন্ড খাইলে খাইতে পারেন}
ক্যামেরাম্যান আঙ্কেল খুব সুন্দর করে একটা উদাহরন দিলেন। মূলত ধর্মের অনুশাসনের একটার ছায়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু ধর্মের প্রয়োজন নাই, এটাই বুঝলাম উনার কথা থেকে।
ধর্মের প্রয়োজন আছে কি নাই সেটা অনেক পরের কথা। নাস্তিক ব্লগাররা সবাই হয়ত "মনা" শব্দটির সাথে পরিচিত। সুপ্রাচীনকাল থেকেই ধর্মের বিকাশ ঘটেছে আস্তে আস্তে যুগের সাথে মানুষের পরিবর্তনের সাথে বা সমাজের পরিবর্তনের সাথে এবং এক সময় এসে ধর্মের সাথে সাথে মানুষ এর পরিবর্তন হতে লাগল, সমাজ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সব খানেই ধর্মের আধিপত্য বিস্তার লাভ করল। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে যে সভ্যতার গোড়াপত্তনে ধর্মের একটা বিশাল প্রভাব ছিল বা আছে। এখন সভ্যতা পরিবর্তন হয় ধর্মও পরিবর্তন হয়। ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ইতিহাস ঘাটলেই সত্যটা বেরিয়ে আসবে। তার মানে সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ হল ধর্ম। ধর্মকে বাদ দিয়ে সভ্যতার গোড়াপত্তন হয় কি করে? তাহলে অন্তত সভ্য থাকার জন্যে হলেও ধর্মের প্রয়োজন আছে। অবশ্য সবাই যুক্তিবাদী এবং বিচক্ষন হলে ধর্মের প্রয়োজন হবে না এমনটা নাস্তিকদের দাবি। তার মানে কি পৃথিবী এতদিন সব বেকুব মানুষের জন্য দিয়েছে? ( এ লাইনটা কিছুটা আপেক্ষিক কথা, তার জন্যে দুখিত)
উচ্চমার্গীয় চিন্তাচেতনাসম্পন্ন মানুষের জন্য ধর্ম লাগে না, একজন বললেন, এখন উচ্চমার্গীয় চিন্তা-চেতনার মাপকাঠিক তাহলে কি হবে। আপনি যদি নিজেই নিজেকে উচ্চ মার্গীয় চিন্তা চেতনার লোক বলে ঘোষনা দিয়ে দেন তাহলে অন্য হয়ত অনেকেই (যারা একই পন্থায় স্ব-ঘোষিত উচ্চমার্গীয় চিন্তাক্ষম লোক) আপনাকে গন্ড মূর্খ ছাড়া কিছু বলবে না। ধরে নিলাম আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় যেসব অন্যায় আছে তা নিরূপনকারী লোকই উচ্চমার্গীয় চিন্তাক্ষম লোক। তার জন্য ধর্মের প্রয়োজন নাই। মেনে নিলাম। কিন্তু যে লোকটি এ জিনিসটি নিরুপন করতে পারে এবং এর বিরুদ্ধাচরন করতে চায় তার জন্য অবশ্যই ধর্মের প্রয়োজন আছে।
রনকৌশল বলে একটা শাস্ত্র আছে। সেটা একটা জ্ঞান, একটা বিদ্যা। যুদ্ধে জিততে হলে আপনার ভাল-মন্দ অন্তর বা এভারেজ থটের মানুষের প্রতি অবজ্ঞাময় উচ্চমার্গীয় চিন্তাক্ষম মস্তিষ্ক কোনই কাজে আসবে না। আপনাকে সেই রনকৌশলে পারদর্শি হতে হবে এবং এ জন্য আপনাকে এ শাস্ত্রের নিয়মিত চর্চা করতে হবে। ঠিক একইভাবে আপনি যদি ন্যায়-অন্যায়ের যুদ্ধে অবতীর্ন হতে চান তাহলে আপনাকেও ধর্ম নামক রনকৌশল এ পারদর্শি হতে হবে। কারন প্রায় প্রতিটা ধর্মই যুগের পর যুগ পরিশোধিত হয়েছে এই ন্যায়-অন্যায়ের যুদ্ধে একটা নির্দিষ্ট মানদন্ড তৈরির জন্য { তাতে যে বাড়াবাড়ি হয়নি কোন কোন ক্ষেত্রে সেটা বলার অবকাশ নেই, তবে বাড়াবাড়িটি কিছু মৌ-লোভী টাইপ মানুষের জন্য হয়েছে, যারা যেকোন ধর্ম বা সমাজের জন্য কীটস্বরূপ} ( আর আপনি যদি আপনার উচ্চমার্গীয় চিন্তাক্ষম মস্তিষ্ক নিয়ে সিংহাসনে বসে এর ঐ ভুল, অমুক করা ঠিক হয় নাই এ ধরনের বিশ্লেষন করে দিন পার করতে চান সেটা আলাদা হিসাব)।
সকালবেলা দ্রুত ঘুম থেকে উঠলে আপনার প্রাত্যহিক জীবন আনন্দের ও সাফল্যময় হবে। সাধারন একটা কথা। কিন্তু এ সাধারন কথাটাই একসময় মানুষ চিন্তা করে বের করেছে এবং এক সময় তা কিছু ধর্মের চর্চার অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। আর সে চর্চার ফলেই আপনার উর্বর মস্তিষ্ক এ বিষয়টিকে এখন প্রগতিশীল চেতনা বলে ধরে নেয়। তাহলে কি দাঁড়াল, সভ্যতা একটা ধর্ম এবং সার্বজনীন এই ধর্মের অনুসারী আমরা সবাই। পালনরীতির দৃষ্টিকোনে আমরা আস্তিকরা বিভিন্ন ধর্মালম্বী আর বিশ্বাসের দৃষ্টিকোন থেকে নাস্তিকরা আলাদা স্থানে।
একজন বললেন, ধর্মের বাহিরে থেকে শান্তিতে আছেন। ভাল কথা। তার ব্যক্তিগত জীবনে সে শান্তিতে থাকলেই তো ভাল। তার জন্য কেন কষ্টকর ধর্মের বেড়ী পরানো? কিন্তু আমি যদি বলি, তার ধর্ম পালনের যোগ্যতা নেই বলে সে শান্তিতে আছে। গরুকে দিয়ে তো আপনি ঘোড়ার কাজ করাতে পারবেন না। গরুর ঘোড়ার ধর্ম পালনের যোগ্যতা নাই তাই সে গরু। দুটো আলাদা প্রানীতে তুলনা করা তো ঠিক হল না। সব মানুষের তো সমান যোগ্যতা থাকে না। যেমন ধরেন অনেকি সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারে না। এটা কি? একটা অযোগ্যতা, অথচ সে ভাল করেই জানে সকালে ঘুম থেকে উঠলে তার দিনের কাজে একটা ভাল অগ্রগতি বা লাভ হবে, কিন্তু অযোগ্যতার(অযোগ্যতাটাই পরে অভ্যাস হয়) কারনে সে দেরি করে ঘুম থেকে উঠে আর বলে সকালের দারুন ঘুমটা লোকে কেন যে মিস করে বুঝি না।
যাই হোক, নাস্তিকরা আস্তিক হবার জন্যে নাস্তিক হয় না। তাই এত কথা বলে কোন লাভ নাই।{ যদি নাস্তিকরা এওমন বলত যে আমরা সত্য সন্ধান করছি, আমাকে সত্যটা জানান, নিজের বিশ্বাসে গোঁ ধরে বসে না থাকত, তখন পুরো পরিবেশটাই দারুন হত, গালির তো প্রশ্নই আসত না, নাস্তিকদের শুভাকাঙ্খীর অভাব হত না}
সামুর প্রসঙ্গে আসি। সামহোয়্যারইন...ব্লগ একটি উদার মাধ্যম এবং একটি বিশাল প্লাটফর্ম।এখানে সবার মুক্তভাবে কথা বলার অধিকার আছে। কিন্তু আমার মনে হয় কোন কিছু চর্চার জন্যে এ স্থান নয়। যদি তাই হয় তাহলে ছাগুরা ছাগ চর্চা করার অধিকার রাখে। আর যদি তা না হয় তাহলে এখানে যেমন ধর্ম চর্চা চলা উচিত না তেমনি নাস্তিক্যবাদ চর্চাও চলা উচিত না। ধর্ম ভীরুরা একটু মাইন্ড করলেন বোধহয়, যে কেন ধর্ম চর্চার বিরুদ্ধে বললাম। ধর্ম চর্চা একটা ব্যক্তিগত বিষয়। ইসলামের দৃষ্টিকোন থেকে দেখলে এর প্রচার করা অনেক ভাল। হ্যা প্রচার করবেন সেই জায়গায় যেখানে মানুষ অন্ধকারে আছে, মানুষ আলোর পথা পাচ্ছে না সে জায়গায় প্রচার হতে পারে। তাহলে কথা হল, এখানে তাহলে কি হবে। এখানে অনেক কিছু হবে তবে সারবস্তু যা হবে তা হল অসঙ্গতিগুলো নিয়ে আলোচনা। কি অসঙ্গতি? সমাজে কি অসঙ্গতির অভাব আছে রে ভাই? সেটা যেমন জঙ্গিবাদ নিয়ে হতে পারে ঠিক তেমনি হিন্দুশাস্ত্রের সতীদাহ প্রথা নিয়েও হতে পারে আবার চোর-বাটপার নিয়েও আলোচনা বা সমালোচনা হতে পারে, তাই বলে গোটা মুসলমান সমাজ তুলে গালি দেয়া, নবীজীকে নিয়ে বাজে কথা বলা বা হিন্দুদেরকে ডান্ডি বলা বা কোন এক চোরের জন্য গোটা সমাজকে গালি দেয়া কোনভাবেই উচিত নয়।
দয়া করে এই অসুস্থ চর্চা বন্ধ করুন। কারন, কোন এক বাঙালি ব্লগারকে যদি এখন হঠাত করে বলি "আপনি ভাত খান কেন?" সে রীতিমত ভ্যাবাচ্যাকা খাবে।১৮+ পোস্টের গন্ধে সামুতে এখন বাচ্চা ব্লগারের অভাব নাই, তারা হঠাত করে এখানে এসব দেখলে কি হতে পারে একবার ভেবে দেখুন। নাস্তিকরাও যখন বড় হয়েছে, তখন একটা ধর্মের(এই ধর্ম সেই ধর্ম না) মধ্য দিয়েই বড় হয়েছে, তারাও আমার আপনার মত করেই ন্যায় অন্যায় শিখেছে, কারন সমাজ তো একটাই, তারা তো আর অন্তরীক্ষে গিয়ে সমাজটাকে দেখে আসে নি। তাই এখন যদি একটা বাচ্চার বিবেক আর মনুষ্যত্ব নিয়ে বেড়ে উঠার সময় তার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর নামে তার গোটা বিবেকটাই ভেঙ্গে দেয় তাহলে সে দায় কে নিবে? এমনিতেই আমদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষ ধর্মের ট্যাগটা কোনরকমে গায়ে ঝুলিয়ে রাখে (ইদানিং বলতেও শুরু করেছে " এগুলো নিয়ে মাথাব্যাথা নেই"), তার পর যদি তাদেরকে এই মাথাব্যাথা নাই টাইপ কথা বলতে বা নাস্তিক ( এক অর্থে নাস্তিকই তো!) এ রুপান্তরিত করার জন্য এরকম প্রয়াস চলে তবে সমাজব্যবস্থায় দুর্যোগ নেমে আসবে।
আর সামহোয়্যারইন...ব্লগ সবার ব্লগ (ছাগু বাদে, কারন তারা তো বাংলাই চায় না, বাংলা ব্লগ চাবে কেন? তাই তারা বাদ)। এখানে সবকিছুর একটা সুস্থ চর্চা থাকবে এটাই সবার কামনা। আর ব্লগ টিমেরও এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট মতামত থাকবে, নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে তবে সেটা মনে মনে না প্রকাশ্যে যাতে সবাই এ প্লাটফর্মের বেইজটা বুঝতে পারে।
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১২:৫৭
মনির হাসান বলেছেন: বস্ ... পড়ছেন একটা, বুঝছেন আরেকটা, আর লিখছেন যে কি আল্লামালুম। আপনেদের প্রধান সমস্যা ধর্ম/নাস্তিকতা শব্দগুলা দেখলেই ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতন ফাল পাইড়া ঢুইকা পকপক কইরা বিশাল কমেন্ট কইরা ভাবেন কিনা কি ছিড়া ফেললাম।
এগুলারে এখন "বালের আলাপ" হিসেবে কাউন্ড করি। মাইন্ড খায়েন্না।
ক্যামেরাম্যান আসলে কইতে চাইছে - আপনাদের মত সংখ্যাগরিষ্ঠ তিন নম্বর বাচ্চাদের জন্য ধর্মের বিকল্প কিছু নাই। ঠিক মত পইড়েন বস্।
আর বাদ বাকি আলাপ বহুত পুরান কাসুন্দি। একটু নেট টেট ঘাইটা যথাযথ উত্তর খুইজা নেন। গতর খাটান। পরিশ্রমের বিকল্প নাই।
৩৯|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৩৬
সবাক বলেছেন:
দাসত্ত্বের লেখার প্রতিবাদ করলে, ধীবরের লেখার প্রতিবাদ করলে আমি আমার অবস্থান হারাবো?
এটা অনেক সরলীকরণ হয়ে গেছে। একেবারেই সরলীকরণ। ধীবর কিংবা দাসত্ব কোন বিষয়ই আপনার অবস্থান সৃষ্টি কিংবা ধ্বংসের ক্ষমতা রাখে না। কারণ তাদের অবস্থানই পাকাপোক্ত নয়। আপনি কোনভাবেই তাদের সাথে কাঁধ সমান রেখে লড়াই করতে পারেন না। আপনার লড়াই হবে আরো বিস্তৃত এবং সমৃদ্ধ। আপনার লড়াইয়ে মূখ্য থাকবে ওদের সিস্টেম আর ওরা সবাই থাকবে সিস্টেমের ভেতরে।
এ বিষয় নিয়ে সামনা সামনি একদিন আলাপ হবে। এখন ঘুমোতে গেলাম।
৪০|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৪১
সবাক বলেছেন: @ মাহি
.............. এখন সভ্যতা পরিবর্তন হয় ধর্মও পরিবর্তন হয়। ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ইতিহাস ঘাটলেই সত্যটা বেরিয়ে আসবে। তার মানে সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ হল ধর্ম।
খুব দ্রুত, অতিখুব শক্তিশালী সিদ্ধান্ত।
বিষয়টা অনেকটা এরকম। ............ গোলাম আজম, নিজামী এরা বয়স্ক। এবং এরা নামাজ পড়ে। সুন্নতী লেবাসে চলে। মানে এরা মুসলমান। অর্থাৎ এদের ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। আর ইসলাম কখনোই হত্যা ধর্ষন ব্যভিচার সমর্থন করে না। সুতরাং একাত্তরে এদের কেউই অপরাধ করেনি!
৪১|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৪৫
কর্ন বলেছেন: আলুচনা কথা থেকে কোথায় চইলা গেলো । প্রশ্ন ছিলো নাস্তিকরা বাল ছিড়তে পারছে কিনা । এখন আলুচনা চলতেছে আসিফ সহ অন্যরা তাদের আক্রমন কমাবে কিনা ।
কমাতে হলে কি করতে হবে ?
নবীজিকে সবসময় না মাঝে মাঝে গালি দিতে হবে
ইসলাম কে সব সময় না মাঝে মাঝে গালি দিতে হবে
ভণ্ড দের মুখোশ খুলো কিন্ত ধর্মকে আঘাত হানা যাবে না ।
তাহলেই সব্বাই খুশি ।
সবাক কিন্তু নিজেই স্বীকার করলো আস্তিকদের মধ্যে হায়নার বীজ থাকে , তারা মানুষ থেকে হয়েনা তে রুপান্তরিত হইতে পারে । কিন্তু একজন আস্তিক কি পারবে একজন নাস্তিক কে হায়েনা বানাতে ?
ধর্ম কে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করলে সেই ঢাল কে আঘাত হানতে হবে , সেই ঢাল কে আঘাত না করে শুধু ব্যবহার কারীকে আঘাত করতে যাওয়া যুদ্ধ বিদ্যায় চরম বোকামি ।
৪২|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৪৭
কর্ন বলেছেন: আলুচনা কথা থেকে কোথায় চইলা গেলো । প্রশ্ন ছিলো নাস্তিকরা বাল ছিড়তে পারছে কিনা । এখন আলুচনা চলতেছে আসিফ সহ অন্যরা তাদের আক্রমন কমাবে কিনা ।
কমাতে হলে কি করতে হবে ?
নবীজিকে সবসময় না মাঝে মাঝে গালি দিতে হবে
ইসলাম কে সব সময় না মাঝে মাঝে গালি দিতে হবে
ভণ্ড দের মুখোশ খুলো কিন্ত ধর্মকে আঘাত হানা যাবে না ।
তাহলেই সব্বাই খুশি ।
সবাক কিন্তু নিজেই স্বীকার করলো আস্তিকদের মধ্যে হায়নার বীজ থাকে , তারা মানুষ থেকে হয়েনা তে রুপান্তরিত হইতে পারে । কিন্তু একজন আস্তিক কি পারবে একজন নাস্তিক কে হায়েনা বানাতে ?
ধর্ম কে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করলে সেই ঢাল কে আঘাত হানতে হবে , সেই ঢাল কে আঘাত না করে শুধু ব্যবহার কারীকে আঘাত করতে যাওয়া যুদ্ধ বিদ্যায় চরম বোকামি ।
৪৩|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৪৯
কর্ন বলেছেন: আমার মতে ব্লগের নাস্তিকরা যা যা বাল ছিড়ল।
১. আস্তিকদের মনে সংশয়ের বীজ ঢুকানো । উদাহরন আমার একবন্ধু যে এখন লুকিয়ে কুলিয়ে ব্লগ পড়ে ।
২. আগের মত ব্যান চাই ব্যান চাই করে না ।
৩. সুন্দর যুক্তি তর্ক পড়া যায় ।
৪। নতুন ধরনের আস্তিক যেমন কর্নেল কে পাওয়া যে অন্ত্ত রায়হান এবং মাহফুজ থেকে ভালো যুক্তি দেয়।
৫. একদল নতুন সাহসী নাস্তিক পাওয়া যাদের কথা পূর্বের নাস্তিকদের চেয়ে অনেক স্পষ্ট এবং সাধারন মানুষের বোধগম্য ।
না পাওয়া অনেক কিছু আছে
১. কোনো নাস্তিক চরম পন্থী হয়ে মানবতা হারিয়ে ফেলার ভয়।
২, নাস্তিক সাম্প্রদায়িক হবার ভয় ।
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১:০১
মনির হাসান বলেছেন: হা হা হা ... কম না কিন্তু । ফাইভ বালস্ আর এনাফ টু বি আ রিকগনাইজেবল ফিগার। মেজর পোরশন এখনও বাকি অবশ্য।
৪৪|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৪৯
শিপু ভাই বলেছেন: মোটামুটি ভদ্রস্থ আলোচনা হচ্ছে। তবে কেউ কেউ " আমি কি হনুরে" টাইপের ভাব নিয়া মন্তব্য করছে। কিন্তু আলোচক ঘুরাইয়া ফিরাইয়া সেই কয়জনই। আর কথা বার্তাও পুরানা।
এই পোস্টের একটা মন্তব্য পড়ে হাস্তে হাস্তে নাই!!
আসিফ বলেছেঃ "কিন্তু আল্লা মিয়ায় মনে হয় তখন অন্য কামে বিজি আছিল। হে কি আর জানতো এই আসিফে একদিন হেরে দৌড়ের উপরে রাখবো!"
হায়!! আল্লাহ কি মুসিবতেই না আছে!! আসিফের কারনে তিনি আতংকিত!!!
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১:০৬
মনির হাসান বলেছেন: ভদ্রতাই জীবনের চরম জ্ঞান হইলে সারাদিন রবীন্দ্র সঙ্গিত শুনেন গা। ব্লগে ঘুরাঘুরি কইরেন না।
৪৫|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৫০
মোঃ আরিফ রায়হান মাহি বলেছেন: খুব দ্রুত, অতিখুব শক্তিশালী সিদ্ধান্ত।[/sb
হ্যাঁ অতিদ্রুত সিদ্ধান্ত দিয়েছি, কারন আমি বিষয়গুলোর গভীরে আমি যেতে চাই নি, এই পোস্টের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় সকলেই এই বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত চর্চা করেন, তাই আমার ধারনা ছিল বিষয়গুলো টাচ করলেই সকলে বুঝে নিবে। আর বিষয়গুলো ডিটেইল আলোচনার জন্য পুরো সামুর সার্ভারও অপ্রতুল হয়ে যাবে।
====================
বিষয়টা অনেকটা এরকম। ............ গোলাম আজম, নিজামী এরা বয়স্ক। এবং এরা নামাজ পড়ে। সুন্নতী লেবাসে চলে। মানে এরা মুসলমান। অর্থাৎ এদের ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। আর ইসলাম কখনোই হত্যা ধর্ষন ব্যভিচার সমর্থন করে না। সুতরাং একাত্তরে এদের কেউই অপরাধ করেনি!
=====================
বিষয়টা মোটেই এরকম না। কেউ নামায পড়লেই তার অপরাধ মাফ হয়ে যাবে এমন কোন কথা নাই। চোর জুতা চুরি করতে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে যেতেই পারে। তাই বলে সে ধার্মিক বা নামাজি কোনটাই নয়। সে চোর এবং সে চোর বলেই বিবেচ্য।
আমি আমার কমেন্টটি কোন নির্দিষ্ট ধর্মকে কেন্দ্র করে করিনি। তাই এখানে ইসলামকে টেনে আনা অহেতুক হবে।
৪৬|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৫৫
প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: কর্ন বলেছেন: আলুচনা কথা থেকে কোথায় চইলা গেলো । প্রশ্ন ছিলো নাস্তিকরা বাল ছিড়তে পারছে কিনা । এখন আলুচনা চলতেছে আসিফ সহ অন্যরা তাদের আক্রমন কমাবে কিনা ।
না কর্ণ আপনি ভুল বুজেছেন। আমার মনে হয় নাস্তিকরা কিভাবে আরও ..ছিড়তে পারে আলোচনা সেদিকেই যাচ্ছে ।আর আপনি কিন্তু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সবাকের বক্তব্যকেই সমর্থন করছেন।
৪৭|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৩:৫৮
মোঃ আরিফ রায়হান মাহি বলেছেন: কর্ন বলেছনঃসবাক কিন্তু নিজেই স্বীকার করলো আস্তিকদের মধ্যে হায়নার বীজ থাকে , তারা মানুষ থেকে হয়েনা তে রুপান্তরিত হইতে পারে । কিন্তু একজন আস্তিক কি পারবে একজন নাস্তিক কে হায়েনা বানাতে ?
নাস্তিককে হায়েনা কিভাবে বানাবে? হায়েনাকে নতুন করে হায়েনা কিভাবে বানানো যায় বলুন? তাদের মধ্যে তো হায়েনার বীজ থাকে না, তাদের মধ্যে হায়েনার মহীরুহু বপন করা থাকে। প্রমান চাইলে স্ক্রলবারটা উপরের দিকে নিয়ে যান, দেখুন এক বিশিষ্ট ব্লগার কেমন উস্কানি ছাড়াই পাগলের মত বলছে!!
==============
সবাক বলেছেনঃসুন্নতী লেবাসে চলে। মানে এরা মুসলমান। অর্থাৎ এদের ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। আর ইসলাম কখনোই হত্যা ধর্ষন ব্যভিচার সমর্থন করে না। সুতরাং একাত্তরে এদের কেউই অপরাধ করেনি!
====================
সুন্নতি লেবাসে চলে? বহু ইন্ডিয়ান এ রকম পোশাকে চলে, তার কি মুসলমান। আর সুন্নতি লেবাস বলে আসলে কিছু নেইও। এটা নিতান্তই গোঁড়াদের সৃষ্টি। সতর ঢাকাটাই সুন্নত।
অতএব, আমার কমেন্ট থেকে ইসলাম টেনে আনাটা যুক্তিযুক্ত হবে না।
৪৮|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:০০
পেঁচালি বলেছেন: চিন্তা করতে শিখুন। শিখুন সংস্কার’কে বিচারের কাঠগরায় নিতে।
এসব করতে আস্তিক বা নাস্তিক হতে হবে সেটা আপনাকে কে বলল?? আস্তিক বা নাস্তিক না হয়ে অথবা পুরাপুরি আস্তিক হয়ে বা পুরাপুরি নাস্তিক হয়ে কি এসব করন যায় না??
ব্লগে নাস্তিকদের এমন কোন পোস্ট চোখে পড়েনি , কমেন্ট চোখে পড়েনি যেটা পড়ে নাস্তিকতার প্রতি পজেটিব চিন্তা আসতে পারে - বরং উল্ঠোটা হয়েছে - যেমন আপনার এই পোস্ট
সত্যিকার নাস্তিকদের ( যারা জন্মসুত্রে নাস্তিক ) সাথে দৈনিক ৮/৯ ঘন্টা সময় কাটাতে হয় - তাদের মন মনিসিকতা আর আমাদের ব্লগ নাস্তিকদের মন মানিসিকতা ডে নাইট ডিফরেনটস
সত্যিকার মুক্তমনাদের প্রতি সব সময় শ্রদ্ধা
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১:০৪
মনির হাসান বলেছেন: বস্ আপনেই রাইট। আপনের উপরে কথা থাকতেই পারেনা।
৪৯|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:০৪
কর্ন বলেছেন: সবাকের সাথে আমার পার্থক্য এইখানেই যে আমি যেই ভয়টা করছি সবাকের মতে সেইটা হয়ে গেছে অথবা সবাক আমার থেকে অনেক বেশি কিছু জানে @প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার
পূর্ব নাস্তিকদের থেকে অনুপ্রেরণাপ্রাপ্ত বর্তমান নাস্তিকরা যদি ব্লগে অন্য কারো মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে নিজেদেরকে মডারেশনের কোপ থেকে বাঁচানোর প্রয়াসে যায়, তবে সেটা একেবারেই কলংকজনক সংখ্যাগরিষ্ঠতার হম্বিতম্বি ছাড়া আর কিছুই না। যেতে যেতে ক্রমশ ১৪০০ বছর আগের অবস্থানে। এবার আমরা ১৪'শ বছর জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা হতে পারি।
এইখান থেকে মনে হইলো তিনি কিছু বলতে চান যা আমি বুজতে পারি নাই
একজন যুক্তিবাদী মানুষ অবশ্যই সব কয়টা সম্ভাবনা নিয়ে নাড়াচারা করবে!
তবে অনেক কিছুরই সম্ভাবনা আছে
৫০|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:০৪
ওঙ্কার বলেছেন: আমার মেজাজটা খুব খারাপ হয় যখন দেখি একই লক্ষ্যে কর্মরত টীমের বিভিন্ন সেক্টরের লোকজন একে অপরের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আঙুল তোলে।
সবাক সম্পর্কে তার নিজের মুখে যতটুকু শুনেছি, সে পজিটিভ কাজ করছে। আলো ছড়ানোর কাজ।
গ্রেট!.. দুই হাতের বুড়ো আঙুল তুইলা শাবাস দেই। কখনো কি বলেছি যে, ধুর মিয়া আসেন, হাত লাগান মৌলবাদের দাঁত-নখ ভাইঙ্গা দেই। ধর্ম-শার্দুলকে দুর্বল না করলে আপনার 'আলো বিতড়ন' কোনো কাজেই আসবে না।
কই.. মনে তো পড়ে না!!
কিন্তু সবাক এসব কি রাইচাস কথা শুরু করসে??
হু আর য়্যু টু পয়েন্ট ফিঙার? ওয়াট গিভস য়্যু দ্য রাইট? হা!
ধর্মকে ঝেড়ে ফেলার এতোদিন পরে নিশ্চয় ধর্মের প্রতি আমাদের শত্রুপক্ষ টাইপের আচরণ কেটে যাবার কথা।
রিয়েলি! সবাক? এতোদিনে এই বুঝলেন?
৫১|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:০৫
তির্যক রহমান বলেছেন: অতকিছু বুঝি না।বিধাতাকে আপনি আমি কেউই দেখে নাই।থাকতেও পারে নাও থাকতে।
যদি থাকে(যদি যদি) ধরা খাইলে নাস্তিকেরাই খাবে।
আমি অন্য ধর্মের লোকদের অন্য ধর্মনিয়ে কটাক্ক করতে দিখিনি।কিন্তু নাস্তিক নামে অনেককেই ধর্মনিয়ে গালাগালি দিতে দেখেছি।আপনি অন্যকে,ধর্মকে গালি দেয়ার কোন অধিকার নেই যদি আপনি মানবতা বাদি হয়েই থাকেন।
ধর্ম ভয়ই মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে না।আর পৃথবী যদি নাস্তিকে ভরে যায় কি অবস্তা হবে ভেবে পাই না।কারন সবাই যদি বিশ্বাস করে যে পরকাল বলে কিছু নেই তো অন্যা করতে দোশ কি?
এগুলো বুললাম বাস্তবতা বিবেচনা করে।ভেবে দেখার আহবান।যে যার মত থাকাতে বিশ্বাসী।
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১:০৮
মনির হাসান বলেছেন: হা হা হা হা ... কথা কিন্তু ফাইনাল ... নাস্তিকরা খুব খ্রাপ ... ওক্কে?
৫২|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:১৩
কর্ন বলেছেন: মোঃ আরিফ রায়হান মাহ@ হা ভাই নাস্তিকরা মানুষের কল্লা ফেলে , মন্দির ভাঙ্গে , মসজিদ ভাঙ্গে।
৫৩|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:২৪
প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: কর্ণ..
ধর্ম কে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করলে সেই ঢাল কে আঘাত হানতে হবে , সেই ঢাল কে আঘাত না করে শুধু ব্যবহার কারীকে আঘাত করতে যাওয়া যুদ্ধ বিদ্যায় চরম বোকামি ।
কথা কিন্তু সেটাই..ধর্মের অসারতা কিংবা মুক্তবুদ্ধির প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক করে তোলার ক্ষেত্রে আপনাদের অবদান অনুসরণীয় করতে ধর্মের কুৎসিত দিক গুলো তুলে ধরায় বেষ্ট পন্থা আর এজন্য আস্তিক এর মত আসিফ মহিউদ্দন এর ধ্যান ধারণা অথবা যুক্তির অসারতা না প্রমান করে আসিফ মহিউদ্দিন তথা নাস্তিকদের ব্যক্তিগত আক্রমণ করার মতই আস্তিকদেরকে ব্যক্তিআক্রমণমুলক প্রতিক্রিয়াশীল আচরণের বিরোধীতা করার কথাই বলেছে সবাক....
আমার তাই মনে হয়েছে...
৫৪|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:৩২
ওঙ্কার বলেছেন: //আস্তিকদেরকে // ব্যক্তিআক্রমণমুলক // প্রতিক্রিয়াশীল
খাইচে আমারে...
৫৫|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:৩৫
তির্যক রহমান বলেছেন: আসিব সাহেব@ধর্ম কি আপনার গায়ে এসে পরে?কেন সে শত্রু?
ধর্ম কি মানবতার কথা না বলে নাকি ব্যাক্তির কথা বলেছে?আপনার পোস্ট গুলো দেখলাম।আপনার সব অধিকাংশ লিখাই ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে।আপনি মানবতা বাদি কিন্তু আপনি কি ব্যালেঞ্চ করে লিখেছেন?তাহলে আপনার মানবতা কোথায়?
আপনার ভাবনা নিয়ে আপনি থাকবেন এতে বলার কিছু নেই।কিন্তু কোন এক ধর্ম নিয়ে খোচা খুচি করা আপনার কোন মানতার মধ্যে পরে?
আপনি হয়তো তালেবানের উদাহর দিতে পারেন।তারা ভ্রান্ত।প্রতিটা যুগেই ভ্রান্ত ,খলনায়ক জন্ম নিয়েছে পৃথিবীতে এটা অশ্বিকার করার কোন উপায় নেই।
৫৬|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:৩৬
ওঙ্কার বলেছেন: আমার তো মনে হয় বরঞ্চ প্রতিক্রিয়াশীলদের একটা ছোট্ট উপদল আছে। তারা সুশীল ছাল পড়ে ঘুরে বেড়ায়, ভেতরে অন্য জিনিস।
তারা মাঝে মাঝে এনার্কিস্টদের কাছে এসে ভাব ধরে বলে.. আরে ভায়া, এইযে এস্টাব্লিশ্ড সিস্টেমে আঘাত করছো, এটা কি ঠিক হচ্ছে?
তুমি যদি সিস্টেমে আঘাত করো, সেটাও তো একটা সিস্টেম হয়ে যাচ্ছে, তাই না!!
বোঝেন অবস্থা.. কোন প্রজাতির জিনিস এই সুশীল গুলা।
৫৭|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:৩৮
তির্যক রহমান বলেছেন: মানুষ মনস্তাতিক দিকে ফিক্স পযিশনে চলে গেলে তা থেকে বের করা আনা মুশকিল।উদাহর আত্মঘাতি তালেবান।@আসিব, আপনাকেও কোন যুক্তি দিয়ে সে ফিক্স পজিশন থেকে বের করে আনা আমার সম্ভব না।
৫৮|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:৪৭
তির্যক রহমান বলেছেন: আপনি যার বিরুদ্ধে কথা বলবেন তার সম্পর্কে জেনে,বুঝে নেয়া উচিত। আপনি মনস্তাতিক বিষয় উদাহন হিসেবে টানলে সেটা কোন যুক্তি না।কুরান আপনাকে চ্যালেঞ্চ করেছে ভুল বাহির করার জন্য (কুরানেই উল্লেখ আছে)।আপনি কি কুরান থেকে ভুল বাহির করে দিতে পারবেন?(যারা নাস্তিক তাদের বলছি)।
মুহাম্মদেকে আপনারা দার্শনিক বলতে পারেন।কিন্তু একজন দার্শিনিক কেন গোমর ফাস করেন নাই?যে ধর্ম বলে কিছু নাই।আর যদি দার্শনিক না হয় কুরানে যা লিখা আছে তা মিলে যাচ্ছে কি ভাবে?মানব দেহে মানব শিশু কিভাবে জন্ম নেয় ,অনু -পরমানু, পৃথিবী ঘোরে এসব তো কুরানে আছে।উনি জানলেন কি করে?উনি ত ঘবেশনা করেছেন বলেন কেউ বলে না।
কুরানে উল্লেখ আছে ফেরাউন পৃথিবী ধংসের আগ পর্যন্ত থাকবে।এখনো আছে কিনা সেটা দেখেন।
৫৯|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:৫১
তির্যক রহমান বলেছেন: উদাহরন আরো চাইলে দিতে পারবো।কিন্তু লাভ কি বলেন।আপনারা ফিক্স পজিশনে।
আপনারা পারলে আমাকে উদহরন দেন ধর্ম এই ক্ষতি করছে।ভ্রান্ত তাদের বাদে।
৬০|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:৫৪
মুক্ত সাইমন বলেছেন: নাস্তিকদের অসংখ লেখা পরছি, তেমন লজিক্যাল কিছু পাইনি যে ধর্ম ছেরে দেবো,যদিও আমার খোদাভীতি তেমন জোড়ালো নয়। ব্লগে নাস্তিক আস্তিক কারোরই ধর্মজ্ঞ্যান পাস মার্ক পাবার মত নয়।নাস্তিকরা ধর্ম নিয়ে তেমন না জেনেই কমেন্ট করে,আর আস্তিকদের জবাব হয় গোজামিলের মত।আসলে সত্যিকারের ধার্মিক লোক বাংলাদেশে কমই আছে। সাধারণ ব্লগাররা ধর্ম সম্পর্কিত জটিল প্রশ্নের জবাব দেবে,এমনটা আশা করা বোকামি।তাই আস্তিক নাস্তিক পোষ্ট ইগনোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
যাই হোক,আপনারা যারা নাস্তিক হয়েছেন তাদের সাধুবাদ জানাই।আপনাদের নাস্তিকতা বেশী ভালো লাগে ,নাস্তিক হবার অধিকারও সবার আছে,একান্তই আপনাদের নিজস্য ব্যপার।কিন্তু আমি আস্তিকতায় বিশ্বাশী।আস্তিকতায় খুজে পাই সমাধান।
তির্যক রহমান বলেছেন:অতকিছু বুঝি না।বিধাতাকে আপনি আমি কেউই দেখে নাই।থাকতেও পারে নাও থাকতে।
যদি থাকে(যদি যদি) ধরা খাইলে নাস্তিকেরাই খাবে।
ধর্ম ভয়ই মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে না।আর পৃথবী যদি নাস্তিকে ভরে যায় কি অবস্তা হবে ভেবে পাই না।কারন সবাই যদি বিশ্বাস করে যে পরকাল বলে কিছু নেই তো অন্যা করতে দোশ কি?
এগুলো বুললাম বাস্তবতা বিবেচনা করে।ভেবে দেখার আহবান।যে যার মত থাকাতে বিশ্বাসী।
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১:১৮
মনির হাসান বলেছেন: আপনার পাস মার্ক না পাওয়ায় ব্লগের আস্তিক বা নাস্তিকেরা "যার পর নাই" মর্মাহত।
তবে বস্ ... আপনার যে লেবেঞ্চুস ফেলে পেনসিল/কলম ধরার বয়স হয়েছে তার সার্টিফিকেট ঠিক ঠাক আছেতো?
৬১|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৪:৫৪
তির্যক রহমান বলেছেন: জোকার নায়েক, আমিনী, ওসামা বিন লাদেন আমি এদের বিরোধী।আপনার এফবিতে স্টাটাস গুলোতে ধর্মকে যেভাবে গালা গালি,আসি ঠাট্টার পর্যায় নিয়ে গেছেন তাতে কি অস্বাভাবিক?@আসিব
৬২|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৫:০৫
প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: @ আসিফ ভাই...
একজন ধার্মিক যখন আপনার পোস্ট বা অন্য কোন নাস্তিকের পোস্ট পড়ে নিজের মধ্যে ধর্মের কুদিকগুলো নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন না করে ( যদিও এটা তার সীমাবদ্ধতা হতে পারে) মৌলবাদী আচরণ করতেছে অথবা নাস্তিকের কাল্লা কাটার ইচ্ছাপোষণ করতেছে অর্থ্যাৎ তার ভিতরের হায়েনা জাগ্রত হচ্ছে ( এটার পিছনের কারণ কিন্তু সে নিজের প্রতি নাস্তিকদের প্রতিক্রিয়াশীল আচরণের ফলাফল হিসাবে নিচ্ছে)...একজন ভীতু আস্তিক মৌলবাদীতে পরিণত হচ্ছে এবং সেটার বহি:প্রকাশ ব্লগেই দেখা যাচ্ছে (যদিও ব্যক্তিজীবনে ধার্মিক না হয়েও)......এমন কেন হচ্ছে??
এখন এ ধরণের সমস্যাগুলো নিয়ে আপনাদেরই চিন্তা করতে হবে...যে ভীতু আস্তিকের মৌলবাদীতে রুপান্তরের কারণ নিয়ে( প্রতিক্রিয়াশীল আচরণের ফলস্বরুপ সৃষ্ট যদিও এদের ভাবনায় ) ...কারণ পরবর্তীতে এরাই আপনাদের মুক্তচিন্তার পথে কাটা হয়ে দাড়াবে........
৬৩|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৫:০৮
প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: শেষ কথার শেষ কথা ..মুক্তচিন্তার জয় হোক , অবিশ্বাস দীর্ঘজীবি হোক...
ভালো থাকবেন..
৬৪|
০৩ রা জুন, ২০১১ ভোর ৫:১৯
সূর্য্য ব্যানার্জী বলেছেন: @দাঁড়িপাল্লা,
ধন্যবাদ- কথাটা ঠিক না আসলেও, নিজেকে দিয়ে বুঝতে চাইছিলাম বলেই হয়তো বলেছি।
আর আপনার কথা শুনেই আশে পাশে তাকালাম কাউকে পাওয়া যায় কিনা উদাহরণের জন্য- মনে পড়ল ব্রাত্য সাজের কথা।
পোস্টের বিষয়বস্তু লাইনচ্যুত বোধহয় কিছুটা।
৬৫|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ৭:২৩
কামাল পারভেজ বলেছেন: আমার অফিসের এক কলিগের সাথে আলোচনা হচ্ছিল। আমি বলে ছিলাম "fear is the best motivator" আমার বন্ধু বরাবরের মত তার বিরোধিতা করছিল। আমার কাছে সবসময় মনে হয়েছে যে motivation এর শুরু টা ভয় থেকে সে motivation টা "মেনে নেয়া যায়" কিন্তু "মনে নেয়া যায় না"
some people show their loyality to God or religion out of fear.I dont know how they feel about it but I feel sorry for them , they live their whole life in fear.
religion আমাদের উপর একটা control impose করে, আমাদের ভাবে দেখতে হবে এই control আমাদের সমাজ বা দেশে থাকার দরকার আছে কিনা, যদি থাকে তবে থাকুক না আর যদ্দি না থাকে তহলে control কে পুরোপুরি উঠিয়ে দেয়াই ভাল।
মজা টা হচ্ছে নাস্তিক আর আস্তিক দুই পক্ষই কিন্তু দল ভারী করার তালে, দুই গ্রুপ ই প্রচারনা চালাচ্ছে। অনেকে বলেন নাস্তিকেরা তো সংখায়্য কম এত মানুষ ধর্মে বিশ্বাস করছে সবই কি ভুল। যে ধর্মই যখন এসেছে তাদের সংখ্যা তো শুরুতে কমই ছিল।
আমি এসব আলোচনায় মজা পাই, অন্য কিছু নয়। ভাল কথা দুই ধর্মের বিশ্বাসীদের মধ্যে যুদ্ধকে যদি ক্রুসেড বলে নাস্তিক আর আস্তিকের যুদ্ধকে কি বলা যায়......
আসলে সবার লক্ষই এক দল ভারী করা..... ইদানিং আমার ওজন বেশ বেড়ে গেছে, আমায় দলে নিলে বেশ ভারী হবে কিন্তু দল ... হি হি হি
০৫ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৩১
মনির হাসান বলেছেন: শুনলাম বুঝলাম ... ।
এসব আলোচনায় খালি মজাই পাস্ নাকি একটাকটু উপকারেও আসে, মানে ভাবনা ভাবায় সেটাই জানতে চাচ্ছিলাম।
৬৬|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ৯:৩০
ডাইনোসর বলেছেন: ওঙ্কার @ আপনার প্রোফাইল পিকচার আগে অারিফুর রহমান ব্যবহার করতো। আপনিও একই ছবি বেছে নিলেন। এর পেছনে কোন কারন আছে কি??
৬৭|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ৯:৫৪
দেশী পোলা বলেছেন: ব্লগে ব্লগে এত এত মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধ নিয়া প্রচার প্রচারণা কি বিফলে গেল?
এত ছাগু পুন্দানো হইলো, এরপরেও এগুলার খাসলত বদলায় না, পিডানী খাইয়াও পেয়ারা পাকিস্তানের লাইগা পতাকা নিয়া ঝাপায় পরে, তাইলে এইরকম ব্লগীয় প্রচারণা কইরা কার কার মনে দেশপ্রেম জাগাইলাম??
এখন নাস্তিকীয় খোচা দেই একটা। ছাগুদের এত গাইলাইয়াও দেশে পাকিস্তানপ্রীতি কমে নাই। অভিজিৎ রয় এর বাতচিত কপিপেস্ট কইরা ইসলামরে ব্লগে ব্লগে গাইলাইয়া ইসলামের প্রতি ভালবাসা কি আসলেই কমবে? এইসব ব্লগীয় গুপ্তকেশফালাইয়া নাস্তিকরা আর কত সময় নষ্ট করিবে??
০৫ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৪৩
মনির হাসান বলেছেন: বস্ ... অ্যাজ ফার অ্যাজ ইউ অ্যাডমিটেড ... আপনি ব্লগ'টাকে এখন ফান হিসেবেই দেখেন ... সো ... এই বিষয়ে আপনের কাছ থেকে "সিরিয়াস আলোচনা"র দাবী ছাইড়া দিলাম।
৬৮|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১০:০৬
সবাক বলেছেন: @ ওঙ্কার
আপনার মেজাজ খারাপ হওয়াটা একান্তই আপনার ব্যাপার। এটা হতেই পারে। আসিফ মহিউদ্দিনকে নিয়ে ব্লগে কিছু জিনিস ক্লিয়ার হওয়া প্রয়োজন ছিলো, সেটা ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। আপনার মন্তব্য নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন নেই। আপনি চাইলে আরেকটু মেজাজ গরম করতে পারেন। তারপরও বিপ্লব হয়ে যাক। ![]()
৬৯|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১০:২৯
অশুভ বলেছেন: বাল লেখো। খাইয়া কোন কাম নাই। আস্তিক-নাস্তিক তর্কাতর্কি। নাস্তিক হইয়া কোন বালটা ছিড়ছো। আর যারা আস্তিক তারাই বা কি করছে।
এইসব জিনিষ বাদ দিতে পার না। কি হবে, এইগুলা কইরা?
তোমাগো মত আস্তিক, নাস্তিক ছাড়ও দেশে অনেক মানুষ আছে। যারা শান্তি চায়। ব্লগে ঢুকি একটু বিনোদন নিতে, নতুন কিছু জানতে। প্রতিদিন সকালে ব্লগে ঢুইকাই প্রথম পেইজে দেখি আস্তিক-নাস্তিক বাল টানাটানি।
এইসব আর ভাল-লাগেনা।
ভাই প্লিজ এইবার ক্ষান্ত দেও তোমরা।
৭০|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১০:৫৬
রাজসোহান বলেছেন: ব্লগে গত বছর কে যেনো বলেছিলো এক বছরের ভেতর রাজসোহান নাস্তিকে পরিনত হবে, কথাটা ফলেই গেছে..
আমি এখন যেভাবে চিন্তা করি, ভাবি তাতে নাস্তিক বলাই যায়, কারণ আমার চিন্তা চেতনায় কোথাও ধর্মের কোন স্থান নাই, নেই কোনো কিছুর বিনিময়ে কিছু করার প্রবনতাও, আমি এখন যে কাজটাই করি তাতে স্বার্থের কোন স্থান থাকে না, আর আমি এটাও মনে করি না যে আমার দ্বারা কোন খারাপ কাজ হবে, কারণ আমার খুব সুন্দর একটা মাথা আছে যেখানে মগজটা খুবই ভালো চিন্তা করে পারে, সুতরাং আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি আমার কাছ থেকে জগতের সবাই নিরাপদ, কারণ ধর্মের কোন বাধা আমার নাই...
০৫ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৪৪
মনির হাসান বলেছেন: থ্যাঙ্কজ ... তোমার হিসাব বুইঝা পাইলাম।
৭১|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১১:১১
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: ক্লাস সেভেন-এইটে থাকাকালিন প্রচন্ড ধার্মিক হয়ে উঠেছিলাম। সিনেমা দেখা বাদ, পেন্ট ভাঁজ করা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ..। নাস্তিক শব্দটা নিগেটিভ/গালি জানতাম। হঠাৎ দেখি জীবন বিষিয়ে উঠতে শুরু করেছে। প্রচন্ড বিরক্ত লাগত যখন দেখতাম আশেপাশের কেউই ঠিকভাবে ধর্ম পালন করছে না। মন কেঁদে উঠত, হায়! এদের কি হবে। নিশ্চিত জাহান্নামে যাবে সবাই।
ইমান দূর্বল হয়ে উঠেছিলম ধর্মীয় বইগুলো পড়ে। এগুলার মধ্যে শুধুই হুমকি-ধামকি আর রূপকথা। কিন্তু ভয়ে এসব কথা কাউকেই বলতাম না। মনে অজাগা অসংখ্য প্রশ্ন ডাইরিতে লিখে রাখতাম। আমার পুরো শৈশব-কৈশোর ছিল অবাধ-স্বাধীন। স্বাধীনতা আমার রক্তের মধ্যে ঢুকে গিয়েছিল। ছিলাম বইয়ের পোকা। বিজ্ঞানে আগ্রহ ছিল বেশি। সারক্ষন খুঁজতাম এটা হয় কেন, ওইটা হয় কেন। বইগুলোই আমাকে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিত।
ব্লগে যখন প্রথম আসি মোহাম্মদকে গালাগালি করার প্রতিবাদ করতাম। আমি জানতাম মোহাম্মদ পৃথিবীর সবচেয়ে ভাল মানুষ। তার কোন পাপ নাই। এটাই শিখিয়ে দেয়া হয়েছিল, প্রত্যেকটা মুসলিম পরিবারের শিশুর মনে এ ধরণাটাই ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
নাস্তিকতার শুরু হয়েছিল হয়ত আগেই। ব্লগে এসে মনে হয়েছিল আমি একা নই। সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলতে দোষ কি। বিশ্বাস রাখতেই হবে কেন? দোযখের ভয়ে? কল্পিত অনন্ত সুখের জীবন, ঝর্ণা-ফোয়ারা, বিকৃত আনন্দ,মদ-হুরপরী হারাবার ভয়ে?
মনির হাসানের (এই পোস্টের লেখক) অনেক লেখা আমাকে দারুণভাবে স্পর্শ করেছিল। উনার লেখা পড়ে আমি শ্রেফ অভিভূত হয়েছিলাম। ভুলে গিয়েছিলাম আমি আস্তিক। মনে হয়েছিল **ল, জ্বীন বইলা কিসু নাইক্যা। খালাকতুল জিন্না-ইনসা.. ভুয়া। এভাবে অনেক মুক্তচিন্তকের দেখা পেলাম। একে একে অনেক কিছু পরিষ্কার হল। মানুষের আবির্ভাব, প্রচলিত-অপ্রচলিত ধর্মগুলোর আবির্ভাব, ধর্মের সু প্রভাব-কু প্রভাব, ধর্ম প্রবক্তাদের মানষিকতা, তাদের জীবন.. সব.. সব। এভাবে নিজের চিন্তা ব্লগে প্রকাশ শুরু করে দিলাম। স্বীকার করি সেটা খুব উন্নত কিছু ছিল না। তবে আমি অনেক প্রশ্নের উত্তর পেতে শুরু শুরু করলাম। চোখ থেকে রঙিন চশমা খসে পড়ল। মনে অসংখ্য নতুন প্রশ্ন দেখা দিল। তবে সেটা আর ধর্মকে বগলদাবা করে নয়। আড্ডার মাঝেও নিজের চিন্তা শেয়ার করতে লাগলাম। গভীর রাত চলত পর্যন্ত তর্ক-বিতর্ক। কেবল মুক্ত চিন্তা.. ব্লগে আসা নতুন লেখাগুলোর বিশ্লেষণ। এভাবে আমার বয়সী অনেকেই কুসংস্কারমুক্ত হয়। কষ্টও যে হয়নি তা নয়, আস্তিকদের শিশুসুলভ প্রশ্নের পুনঃ পুনঃ উত্তর দেয়া, মুরব্বিদের চোখ রাংগানো, এমনকি হুমকি পর্যন্ত পেয়েছি।
মুক্ত চিন্তার যে কি আনন্দ! এক বার যে স্বাদ পেয়েছে, সে হয়ত কখনোই কল্পিত কারো কাছে আত্মসমর্পণ করে মুক্তি(!) পেতে চাইবে না। পৃথিবীতে অর্জিত সব ভালো জিনিসই স্বাধীন চিন্তার ফসল।
নাস্তিকতা কোন বিশ্বাস নয়। বরং প্রচলিত-অপ্রচলিত ধর্মগুলোর অন্তঃসারশূণ্যতাটুকু উপলব্ধি করা, উত্তারিধাকার সূত্রে প্রাপ্ত 'বিশ্বাস'টুকু ঝেড়ে ফেলা।
অনেকে নরকের ভয়ে,কল্পিত অনন্ত সুখের জীবন,ঝর্ণা-ফোয়ারা,বিকৃত আনন্দ,মদ-হুরপরী হারাবার ভয়ে আবার অনেকে সমাজের ভয়ে, জনপ্রিয়তা হারানোর ভয়ে, নিজের অজ্ঞানতার দোহাই দিয়ে, স্বাধীন চিন্তা প্রকাশ করতে ভয় পান। এটা ঠিক না ভুল জানিনা, তবে এই পরিস্থিতির উত্তোরণ প্রয়োজন।
আজ থেকে ৫ বছর আগে এটা আমার বক্তব্য ছিল না, ৫ বছর পরেও হয়ত এই মনোভাব থাকবে না। আমি পজেটিভ পরিবর্তন চাই, সত্যের কাছাকাছি পৌছাতে চাই। সেজন্যই তো 'নাস্তিকতা'। আমি মানুষকে ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি, পৃথিবীর ভাল চাই। আমি সাতরে পার হতে চাই, চোখ বুঁজে 'খঁড়কুটো' ধরে ভেসে থাকতে চাই না, যেমনটা করেন ভীরু/লোভী আস্তিকেরা।
একজন আস্তিক উত্তরাধিকার সূত্রে আস্তিক, একজন নাস্তিক বহু চেষ্টায় তবেই নাস্তিক।
*মন্তব্যটা বেশ এলোমেলো, ভাষাগত ত্রুটি, ভুল শব্দচয়ন চোখে পড়বে। বানান ভুলও থাকবে। সো..
*বিতর্ক-সমালোচনা স্বাগতম, বিতর্কের মাধ্যমেই সত্যের আরো কাছে পৌছানো সম্ভব। ধর্ম এবং নাস্তিক্যবাদ নিয়ে আলোচনাগুলা উপভোগ করি। যদি কয়েকজন আস্তিক একসাথে ধর্মালোচনায় বসে, তবে কোন কল্পিত প্রভুর তোষণ গাইবে, তাকে মহান প্রমাণ করার চেষ্টা করবে, একে অপরের প্রতিটি ভুল-শুদ্ধ প্রতিটি কথায় সহমত প্রকাশ করবে, সবার শেষে আমিন বলে তৃপ্তি নিয়ে উঠে যাবে। নাস্তিকদের মধ্যে মত-পার্থক্য থাকবেই। কারণ তার জন্মই তো দ্বিমত পোষণ/প্রশ্নের মাধ্যমে। নাহলে সে কিসের নাস্তিক!
০৫ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৪৯
মনির হাসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পিয়েল ... দারুন ... "ঠিক যে রকম চাচ্ছিলাম" বা " যেরকম কমেন্টের জন্য এই পোস্ট"- সেরকম কমেন্ট। আমি কল্পনা করতে ভালোবাসি ব্লগ অনেক আস্তিক'দেরই নতুন ভাবে ভাবতে একটু হলেও সাহায্য করছে ... অন্তত নাস্তিক্যবাদ" অবিশ্বাস শব্দগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে।
শেষ প্যারার জন্য ডাবল ধন্যবাদ।
৭২|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১১:২৩
ওঙ্কার বলেছেন: বোঝাই যাচ্ছে, সুশীল বামেরা একজোট হয়েছে পেয়ারা ছাগুদের পোঁদ রক্ষার্থে।
আম্রিক পোন্দানী অতীব জরুরী কাজ। সেটা ছাগু সাথে নিয়ে হলেও...
৭৩|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১১:৩৮
সিলেটী ফগা বলেছেন: দাঁড়িপাল্লা বলেছেন: @তির্যক রহমান বলেছেন: আপনি হয়তো তালেবানের উদাহর দিতে পারেন।তারা ভ্রান্ত।প্রতিটা যুগেই ভ্রান্ত ,খলনায়ক জন্ম নিয়েছে পৃথিবীতে এটা অশ্বিকার করার কোন উপায় নেই।
এই ভ্রান্তদের নিয়ে সুশীল সমাজ নিশ্চুপ কেন? তাদের প্রতিবাদ কোথায়? এদের প্রতিহত করার জন্য সুশীলরা কি করেছে?
তো আপনারা কি করতেছেন,ধর্মের সমালোচনা বাদ দিয়ে আগে ধর্মান্ধতার সমালোচনা করুন।
ওঙ্কার বলেছেন: বোঝাই যাচ্ছে, সুশীল বামেরা একজোট হয়েছে পেয়ারা ছাগুদের পোঁদ রক্ষার্থে।
আম্রিক পোন্দানী অতীব জরুরী কাজ। সেটা ছাগু সাথে নিয়ে হলেও..
যে এই ভাষায় কথা বলে,সে যে কিরকম কুটিল মনের মানুষ।
ভাই, আপনারা আস্তিক & নাস্তিকরা ব্লগে ফালতু প্যাচাল বন্ধ করুন,মানুষ শান্তিতে ব্লগ পরতে চায়।প্রতিদিনই প্যাচাল চলে,এরকম হলে ব্লগ পরা বন্ধ করে দিতে হবে।
৭৪|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১১:৪৮
কনফ্লিক্ট বলেছেন: দারুন পোস্টে অনেক কিছু জানলাম। নাস্তিকদের কারো কারো মাঝে দেখি পরিবর্তনের ছোঁয়াও লেগেছে। কিন্তু শেষে এসে ওঙ্কারের পুরুষাংগ নিয়ে টেমশমে পড়ে গেলুম। নাস্তিক ভাইয়েরা প্লিজ তাড়াতাড়ি উনার পুরুষাং্গের বীমা করিয়ে নিন। যেহারে পোন্দাইতাছেন, শেষে না পুরুষাংগ হারিয়ে তসবীহ হাতে আল্লাহ বিল্লাহ শুরু করে দেন।
যাই, জুম্মাটা পড়ে আসি।
৭৫|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১১:৪৮
কালা কাশেম বলেছেন: ওনেকই আছে .............আল্লামা (...) আছে.. রামু আবার আসছে..........ভাই এর লেখা ও ভালো হইসে.....................যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে........তবে মৌলবাদীদের (নাস্তিক ও আস্তিক) অপছন্দ করি ।ওদের থেকে সবাই সাবধান............
৭৬|
০৩ রা জুন, ২০১১ সকাল ১১:৫২
শেষাদ্রী শেখর বাগচী বলেছেন: বেদ কী বলছে? " সা বিদ্যা যা বিমুক্তয়" অর্থাৎ সেটাই জ্ঞান যা মানুষকে মুক্তো কোড়ে
৭৭|
০৩ রা জুন, ২০১১ দুপুর ১২:২৭
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: শেষাদ্রী শেখর বাগচী বলেছেন: বেদ কী বলছে? " সা বিদ্যা যা বিমুক্তয়" অর্থাৎ সেটাই জ্ঞান যা মানুষকে মুক্তো কোড়ে
==========
অতো কিছুর দরকার কি? আপনি কোমর অবধি মাটিতে পোঁতা অবস্থাতেও বিশ্বাস করতে পারেন যে আপনি স্বাধীন, মুক্ত। প্রতিবাদ করতে গেলে কিম্বা প্রমাণ দেখাতে গেলে তো আপনার বিশ্বাসে আঘাত লেগে যাবে তাই না?
৭৮|
০৩ রা জুন, ২০১১ দুপুর ২:১০
নিশ্চুপ পথিক বলেছেন: @ রাজোসোহান
তোমার যে একটা সুন্দর মাথা আছে, এইটা কি তুমি নিজে কইলা? নিজে যদি কও তাইলে কি আর কমু। আমি তো জানতাম তোমার মাথায় গু-গোবর ছাড়া কিছু নাই।
আর তোমার কাছ থেইকা সবাই নিরাপদ, কিন্তু তুমি কাউরে নিরাপত্তা দিতে অক্ষম। কারন তুমি নিজেই তো নিরাপদ না। আর এক জনরে নিরাপত্তা কেমনে দিবা? আর কারো ক্ষতি করার জন্যে যেমন যোগ্যতা লাগে তেমন কাউরে নিরাপত্তা দিতেও যোগ্যতা লাগে। তুমার সেইটা নাই।
তোমার মাথায় গন্ডগোল আছে। মানসিক চিকিতসা করাও, যেই ব্যক্তি নিজে কয় তার নিজের সুন্দর একটা মাথা আছে তার জন্যে এর চেয়ে বেশি ভাল সাজেশন দিতে পারলাম না।
০৩ রা জুন, ২০১১ বিকাল ৩:১১
মনির হাসান বলেছেন: আপনে যদি কইতে চান যে আপনের হাটূ'টা সুন্দর তাইলে কিন্তু আমার মতো অনেকেই মাইনা নিব। টেনশনের কিছু দেখিনা।
৭৯|
০৩ রা জুন, ২০১১ বিকাল ৩:১২
অশুভ বলেছেন: আলবার্ট_আইনস্টাইন বলেছেন: @সবাকঃ নাস্তিক হয়েছি বলে ধার্মিকদের হাতে পায়ে ধরে, তাদের সহানুভুতি আদায় করে থাকতে হবে কেন? সত্য সবসময়ই সত্য, তা যদি পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষের প্রত্যেকটা মানুষের মনে তীব্র কষ্টের কারণও হয়, তবুও তা সত্য। আজকে যে সত্যের মোকাবেলা করতে ভয় পাচ্ছেন, তা প্রজন্ম হতে প্রজন্মান্তরে মানুষকে ভোগাচ্ছে এবং ভোগাবে। কারণ মিথ্যা প্রাকৃতিক নিয়মেই প্রতিশোধ নেয়
৮৬ নং মন্তব্য।
ভাই আলবার্ট_আইনস্টাইন নিজের কথার প্যাঁচে নিজেই পড়ে গেলেন। প্রাকৃতিক নিয়ম বলতে কি বোঝাচ্ছেন??
আপনি প্রাকৃতিক নিয়ম বলতে যা বোঝাচ্ছেন আস্তিকরা তাকে আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ম বলে।
ঘুরেফিরে তো একই কথা হলো। আপনি প্রকৃতি বিশ্বাস করেন, আর আস্তিকরা আল্লাহ বিশ্বাস করে। খুব একটা পার্থক্য কি আছে?
কাজেই তর্কাতর্কি বাদ দিয়ে যার যার বিশ্বাস নিয়ে থাকুন প্লিজ।
৮০|
০৩ রা জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৫০
তির্যক রহমান বলেছেন: অসুভ@দেখেন ওনারা আমার কোন কথার জবাব দেন নাই।কারন যুক্তি খন্ডা্তে পারছেন না।
আমি নিজস্ব চিন্তা ধারা চলার স্বাধীনতায় বিশ্বাস।আপনি ঘরে বসে মদ খান, ব্লুফ্লিম দেখেন আপত্তি নেই।কিন্তু আপনি সাধারন একটা কিছু করতে গিয়ে যদি অন্য মানুষ প্রবাভিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এটা মেনে নিতে পারছি না।এখানের যে কয়জন নাস্তিক আছে তাদের ব্যাকিং-এ টাকা আসার অনেক সোর্স আছে।অনেকের বাবার টাই প্রচুর।আর যেদের প্রচুর টাকা পয়সা তারা অনেকেই ধর্মে ধার ধারে না।ধর্ম আজ গরিব দের জন্য।
ধর্ম বলে কিছু নাও থেকে যদি সেটাকে পুজি করে দুচারটা মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে তাতে আপনাদের ক্ষতি কি?
ওনারা প্রকৃতির নিয়ম বলেন-আমি কিছু উদাহরন দিছি কোন জবাব দেয় নাই
৮১|
০৩ রা জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৩৪
"বৃষ্টির কান্না" বলেছেন: ব্লগার ভাই,
আমি নিম্ন লিখিত পোস্ট দেয়ার চার মিনিটের মধ্যেই মডারেটর আমার পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে নেয়।আপনারাই বিচার করুন-এই পোস্টে আমি কাউকে ব্যাক্তিগত আক্রম করেছিকিনা, ব্লগের নীতি পরিপন্থী কিছু করেছি কিনা? কি অপরাধে আমার পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে নেয়া হলো-বুঝতে পারলামনা।আপনাদের অবগত করা যাচ্ছে-আমি একজন “জেনারেল” মর্যাদার ব্লগার।
একটি সাশ্রয়ী রান্নার রেসিপিঃ- "খানায়ে মউয়াত"
আমি কুদ্দুচিয়া কবীর এই দুর্মুল্যের বাজারে আজ আপনাদের একটি সাশ্রয়ী রান্নার রেসিপি দিচ্ছি। রান্নাটির নাম "খানায়ে মউয়াত"।আমার সাথে আমার সহকারী থাকবেন মিস ফরমালিন।
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ ফরমালিন, তুমি আমাকে প্রমান সাইজের একটা ওভেন প্রুফ কাঁচের বাটি দাও।
মিস ফরমালিনঃ আফা এই যে আমি আগেই রেডি করে রেখেছি।
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ ঠিকাচে, এবার............
মিস ফরমালিনঃ আফা, আগে রান্না উপাদান গুলো একটু বলে নিলে ভালো হয়না?
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ ঠিকাচে, আমি দর্শক-শ্রোতাদের (পাঠক)বলে দিচ্চি- আমি আগেই বলেচি-এটা একটা সাশ্রয়ী রান্না তাই আপনারা কাওরান বাজার পাইকারী স্বব্জী মার্কেট থেকে কেজি পরিমান বিভিন্ন প্রকার স্বব্জীর ঝুটা কুড়িয়ে আনবেন।ইমামগঞ্জ থেকে আধা লিটার পরিমান জাহাজ মার্কা আলকাতরা, যে কোন ক্যামিকেলের দোকান থেকে এক বোতল সালফিউরিক এসিড, এক বোতল এন্ড্রিন এবং এক লিটার পরিমান কেরোসিন কিনে আনবেন। পাঠকবৃন্ধ, সব জিনিষের দাম বাড়লেও ফাহিনা-ফাউক সরকার আপনাদের ক্রয় ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে এই সব জি্নিষের দাম বাড়ায়নি।
মিস ফরমালিনঃ জী আফা, আমাদের সামনেই সব উপাদানগুলো রেডি আছে।
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ প্রথমে স্বব্জীর ঝুটাগুলো ওভেন প্রুফ কাঁচের বাটিতে নাও।
মিস ফরমালিনঃ আফা, স্বব্জীর ঝুটাগুলো একটু পানিতে ধুয়ে নেবো?
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ না, না, ওগুলো পানিতে মেশানো যাবেনা!বুঝেছো?
মিস ফরমালিনঃ হ্যা আফা বুজ্জী!
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ এবার ঐ ময়লা স্ববজীর সাথে এক এক করে কেরোসিন তেল, জাহাজমার্কা আলকাতরা ভালো করে মিশিয়ে নাও।এবার সালফিউরিক এসিড পুরোটাই ঢেলে দাও। সব শেষে এন্ড্রিনটা মিশিয়ে নাও। একটু সাবধানে করবে-যেনো তোমার হাতে না লাগে। ব্যাস হয়ে গেলো ন"খানায়ে মউয়াত" রান্না।
মিস ফরমালিনঃ আফা, এন্ড্রিন দেবো কেনো-ওটাতো মারাত্মক কীট নাশক।
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ এন্ড্রীনটা দিলে খাবারের ভিতরে যত রোগ জীবানু আছে-সব মরে যাবে।
ফরমালিনঃ আফা, ফ্লেভারটা কেমন জেনো উৎকট লাগছে!
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ ও আচ্ছা! ঠিকাচে- ফরমালিন, তুমি কোন পাব্লিক টয়লেটের ইউরেনাল থেকে কিছু ন্যাপ্তালিন তুলে নিয়ে এসো।এই ফাঁকে আমরা ছোট্ট একটা বিজ্ঞাপন বিরতি নিচ্ছি...... আপনারা আমাদের সাথেই থাকুন...
মিস ফরমালিনঃ আফা, এই যে প্রশাবের ভিতর থেকে ন্যাপ্তালিন তুলে নিয়ে এসেছি......
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ ঠিকাচে-এবার ন্যাপ্তালিনগুলো ভালো করে মিশিয়ে নাও......
মিস ফফরমালিনঃ আইচ্ছা!
কুদ্দুচিয়া কবীরঃ দেখেছো ফরমালিন, ন্যাপথালিন মিশানোর পর কি সুন্দর ফ্লেভার বের হছে.........! দর্শক শ্রোতা (পাঠক)আমাদের তৈরী হয়ে গেলো মজাদার “খানায়ে মউয়াত”। আমি এবার খাবার পরিবেশন প্রনালী বলে দিচ্ছি......
প্রথমে দেশের আনাচে কানাচে ঘাপ্টি মেরে লুকিয়ে থাকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌম বিরোধী, দেশের ভিতরে বর্ণচোরা বিদেশী দালাল, স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের ঐরসে জন্মনেয়া কুলাংগার যারা এখন সামুতে ছাগু /ভাদা তাড়ানোর নামে নিজেদের পুর্ব অপকর্ম ঢেকে রাখার ব্যার্থ প্রয়াসী চিনহিত গালিবাজ, ধর্ম বিদ্বেস্বী, কোরআন অবমাননাকারী এবং সামুতে ক্যাচাল্কারীদের ধরে নিয়ে যান মহম্মদপুর বেড়ী বাঁধের উপড়।এবার এক একটাকে ধরে পিছ মোড়া করে হাত বাধুন, ঠ্যাং বাধুন। এবার চীত করে মাটিতে ফেলে পা দিয়ে ঠাইস্যা পারায়ে ধরে মুখের ভিতরে রান্না করা খাবার জোর পুর্বক এক চামুচ করে খাইয়ে দিন............ ব্যাস কেল্লা ফতে!
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ এই খাবার রান্না এবং পরিবেশন সম্পুর্নরুপে নিজ দ্বায়ীত্বে করিবেন।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:১৯
মনির হাসান বলেছেন: বস্ ... রসবোধ বাড়ানোর জন্য রসময় গুপ্তের বই ধোয়া পানি খাবেন প্রতি সকালে, খালি পেটে। আপনার রান্নায় ঈমানের চিনি খুব কম হইছে।
৮২|
০৩ রা জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৮
জেমসবন্ড বলেছেন:
..........মূল লেখাটা..আর.আপনার প্রতিবাদী লেখা আর সব কমেন্ট পড়লাম । এবার আসল কথায় আসি ।
..............যিনি মূল লেখা লিখেছেন যে নাস্তিকরা কি ্লটা ছিড়ছে তাকেও নিন্দা জানাই । তিনি না বুঝেই লিখেছেন । এই সামু ব্লগের লেখা পড়ে অনেক অবুঝ স্বল্পজ্ঞানী লোক যে ঈমান হারা হয়েছে এটা অনেকের কমন্টে পড়লেই বুঝা যায় । সুতরাং নাস্তিকদের লেখার ফলে যে ক্ষতিটা হয়েছে বা হচ্ছে এটা যারা বুঝে না তারা ই এরকম বোকামী মার্কা লেখা লিখে ।
তবে যিনি এরূপ লেখা লিখেছেন তার এরকম ধৈর্য্যচ্যুতির কারণও আছে....বরাবরই দেখা গেছে অনেক নাস্তিক আমাদের নবী (সা.) কে গালি দিয়েছে , যার ফলে অনেকেই সহ্য করতে না পেরে অনেকেই এরকম খারাপ লেখা লিখে ফেলে । যদিও আল্লাহ পাক কুরআনে বলেছেন..তুমি গালি দিওনা তাদের দেবদেবীকে তারা গালি দিবে আল্লাহকে না বুঝে ।
তো আগে ব্লগে মোটামুটি আলোচনা সুন্দর থাকতো ..আর এখন চলে গালাগালি । এখন এ প্রশ্ন করে লাভ নাই কে শুরু করেছে বরং প্রশ্ন করার দরকার কে এটা বন্ধ করবে ?
এটা নিয়ে এখানে কোন আলোচনা নাই । নাস্তিকরা ধর্মের প্রতি এত বিদ্বেষ যে তারা মানুষকে গালাগালি শিখাচ্ছে । যে আস্তিক আগে ভদ্র থাকতো পারতো এখন নাস্তিকদের উস্কানীতে...প্রিয় নবীর অসম্মান দেখে সহ্য করতে না পেরে মুখ খারাপ করছে । তখন নাস্তিকরাই উল্টো বলে এটাই তো তোমাদের ধর্ম শেখায়...এভাবেই সহজ সরল মানুষ গুলো শয়তানের শয়তানী না বুঝে ফাদে পা দেয় ।
নাস্তিকতা হলো মুক্ত স্বাধীনতা সুতরাং মানুষকে স্বাধীন করো ...যত পার গালি দেও গালি দেয়া শিখাও ...কোন ভয় নাই । তারপরের স্টেপ হলো...কোন কিছু মানা দরকার নাই ...এর পরিণতি যে কি ভয়াবহ তা স্বল্প অদূরদর্শী সম্পন্ন নাস্তিকদের ধারণাতেও নাই । আইয়ামে জাহেলিয়াতকেই তারা ডেকে আনছে ।
...এ বিষয়ে বিস্তারিত একটা পোষ্ট দেবার ইচ্ছা রাখি ।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:০৬
মনির হাসান বলেছেন: বহুদিন পর দেখলাম বস্
কিরাম আছেন?
পোস্টের টাইটেল দেইখা অ্যাজ ইউজুয়াল ঈমানী জোশে ঢুইকা যে ইয়া বড় সুশীল কমেন্ট করলেন ... সেটা'কে অপ্রাসঙ্গিক"বালের কমেন্ট" না বলে থাকতে পারলাম না।
৮৩|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৮:০২
হা...হা...হা... বলেছেন: এই পোষ্ট পড়ে কার কয়টা ছিঁড়ল অথবা ঝরে পড়ল জাতী জানতে চায়।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:০০
মনির হাসান বলেছেন: কার কি ঝরল ছিড়ল তার থেকে বড় কথা আপনে যে কয়বার হাজিরা দিলেন তাতে মনে হইতেছে সোগার আগুনে আপনের নিজেরই কয়েকটা পুইরা গেছে। গুইনা দেইখেন তো ...
৮৪|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৮:১২
কর্ন বলেছেন:
তো আগে ব্লগে মোটামুটি আলোচনা সুন্দর থাকতো
@জেমসবন্ড ...হাসাইলেন । বল্গে এখন আগের থেকে কম গালিগালাজ হয়
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১০:৫৮
মনির হাসান বলেছেন: খুইজা খুইজা গালি খাইলে তখন আসলে কিছু করার থাকেনা। বক্তব্যের চেয়ে গালিটাই যাদের চোখে বেশি পরে তাদের বোকাচোদা'দের দলে ফেলি।
৮৫|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৯:৩৩
দুরের পাখি বলেছেন: আমি মেলা আগে থাইকাই জাহান্নামগামী । তয় আমার চিনাজানার মধ্যে দুইজন আছে ব্লগে ঢুকার পর থাইকা ধীরে ধীরে নাস্তিক হইয়া গেছে । তারা সেইটা ব্লগে কইতে চায় না । শরম পায় ।
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১০:৫৫
মনির হাসান বলেছেন: হ ... আমিও এরকম কয়েকজন’রে ধারনা করি যারা মোমিন থেকে সরাসরি কাফের হয়া গেছে। শরম পাইলে তখন আর কিছু বলার থাকে না।
৮৬|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১০:৪৭
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: কিয়ের হিসাবের কথা কন?
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১০:৫৩
মনির হাসান বলেছেন: বলতেছিলাম তোমার কি কোন ধরনের চেঞ্জ হইছে নাকি সেইটা বলতে।
৮৭|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১০:৫৭
রাতমজুর বলেছেন:
আমি একটা ছড়া বব্বো ![]()
সেকুলার টাইপ পরিবারের সুবিধে হলো, শিশু নিজের ভালোমন্দ নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শ না প্রথার অন্ধ অনুকরন করে না। সে প্রশ্ন করতে শেখে, আসলে বলা ভালো, সেকুলার পরিবার তাকে প্রশ্ন করতে শেখায়। এমন একটা পরিবেশ যে পায় যেখানে চাইলে সে ধর্মের জয়গান গাইতে পারে, চাইলে অদেখা ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকারও করতে পারে। তবে কোন পথটা তার পছন্দ সেটা সে বেছে নিতে পারে নিজের মত মতন। আর মজার কথা হলো, এ বিশ্বাস বদলায়, কারন পরিনত মানুষ অনেক যৌক্তিক হয় যদিনা তার শিশুবেলাতেই কিছু বিশেষ ট্যাবু আর ভয় পেরেকের মতন ঠুকে দেওয়া হয় মস্তিষ্কে।
তবে তার এচিভমেন্ট হলো, সেই প্রশ্ন করতে শেখাটা, এমনকি ধর্ম আর ইশ্বরের ক্ষেত্রেও, যেটা সাধারনই যেকোনো ধর্মভীরু (মুসলিম/হিন্দু/খ্রীষ্টান যাই হোক না কেনো) পরিবারে সম্ভব না। সেসব পরিবারে শিখিয়ে দেওয়া হয় ঈশ্বর নিয়ে সকল নেতিবাচক প্রশ্নই ট্যাবু। আর ছেলেবেলার শিক্ষা মগজে বসে থাকে সিন্দাবাদের ভুতের মতন।
আমার সুবিধেটা ছিলো, যে বয়সে শিশুরা বানান করে আকাশ ফাঁটিয়ে পড়ার চেষ্টা করে, সেই সময় আমি নিজে চোখ বুলিয়ে পড়তে পারতাম। বাবার কারনেই এটা হয়েছিলো, ব্যাস্ত বাবা মা, তবে বাবা খুব কেয়ারিং, আর বই পড়তে দিতেন অনেক। একলা মানুষ তাই বই পড়ে সময় কাটতো, আদর্শলীপির সাথে সমান উৎসাহে রূপকথা আর লোকোকথা।
আর ছিলো ন্যাটজিওর অনেক পুরাতন সেই চামড়ায় বাঁধানো এডিশন গুলো, ইংরেজি বুঝি না তখন, তাই বসে বসে মোটা বই টেনে ছবি দেখতাম আর প্রশ্ন করতাম। জবাবও পেতাম, বাবা না জানলে বলে দিতেন, উনি জানেন না, মোল্লাদের মতন, সব "আল্লার কুদরত" বলে এড়াতেন না। এসবের কল্যানে ছোটোবেলা থেকেই জানতাম ঈশ্বর দাবি নিয়ে বেশ ভেজাল আছে, এদিকে আল্লাহ, ওদিকে ভবগান, সেদিকে গড, কোথাওবা জিউস, গায়া আর আদিবাসিদের খটোমটো নামের ঈশ্বর। সবাই দাবীটা করে কিন্তু একই, সেই স্রষ্টা, বাকি সবসৃষ্টি। আরো জানতাম সাইন্সের মতের পৃথিবীতে প্রানের সৃষ্টিটার মতবাদও। তাই কোনো একতরফা সৃষ্টিতত্ব মাথায় চেপে বসেনি কখনো।
পরে হাতের কাছে পাওয়া ধর্মীয় বই গুলার বাংলা এডিশন পড়ে দেখছি, সবই এক ধরনের প্যাথেটিক অলৌকিকতায় ভরা, আর কিছু না। খুব একটা পাত্তা দেই নি, কারন বাস্তবাতা বলে আমার প্রাত্যাহিক জীবনে কোনো ঈশ্বরের প্রয়োজন নেই। কোনো ঈশ্বর খুশি হলে আমার কোলের ওপর কোনো ভেট পাঠাবেন না, আবার কোনো ঈশ্বর রুষ্ঠ হলে আমার কিছু করতে পরেবেন ও না। চাকরীর ইন্টারভিউ খারাপ হলে চাকরী পাবেন না এটা যেমন কনফার্ম, ইন্টার ভিউ ভালো হলে চাকরী পাবেন এটাও কনফার্ম, খালিখালি কোনো এক ঈশ্বরের নাম ধরে টানাহেঁচড়ার প্রয়োজন আমি দেখি না। তবে তখনো পর্যন্ত ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা অস্তিত্ত্বহীনতা নিয়ে মাথা ঘামাই নাই, আস্তিকের বা নাস্তিকের সাথে আমার কোনো গোলযোগ নেই। এবং ঈশ্বর থাকতেও পারেন আবার নাও থাকতে পারেন এমন ধরনাতেই ছিলাম, ঈশ্বরের থাকা না থাকাতে কিছু আসে যায় না আমার। আর বিরক্তিকর ব্লগ-আস্তিকদের আর রাস্তার তাবলীগ জামাতের মতন আগে মুছলমান পরে মানুষ, অথবা গোঁড়া হিন্দু পুরুত ঠাকুর আর অনুসারীদের আগে হিন্দু পরে মানুষ এই থিয়োরী আমার পছন্দ না। সোজা কথা, আগে মানুষ হোন, পরে ধর্ম বেছে নিয়েন। ধর্ম জিনিষটা আমাদের অনেকেরই জন্য একেবারেই ফোর্থ সাবজেক্ট, কারন নৈতিকতা আর জীবন সম্পর্কে সুস্থ ধারনা পেতে হাজার বছরের পুরোনো বই খুলে সেই ভিনদেশী সমাজ, তৎকালিন রীতিনীতি এসবের সাথে বর্তমান যোগ-বিয়োগ করে নৈতিকতার চর্চা করতে বসাটা নিতান্তই সময়ের এবং মনুষত্বের অপচয়। "মানুষের উপর অন্যায় এবং অবিচার করিও না, সুবিচারী হইও" এটা নিজের মাথায়ই থাকে, খালিখালি বইয়ের পাতা উল্টে স্লোক খুঁজতে সময়নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। নিজের মস্তিষ্ক বলে কিছু না থাকলে তবেই সেটার প্রয়োজন।
ব্লগ এসে কিছু কিছু ধারনার পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে এই জানুয়ারী টু মে ২০১১। তার মধ্যে এই এথিজমটা অন্যতম। লজিক্যাল আর প্রাকটিক্যাল দিক থেকে ঈশ্বর = শূন্য এই ধারনাতে আছি। কারনটা কিছু মৌলিক লেখা, নাস্তিকতা নিয়ে। তবে সামু ব্লগের সেইসব লেখা আসলে আমার মনের প্রশ্ন গুলোকে আরো বেশী বুস্ট আপ করেছে, জবাব খুঁজতে একটু খাটাখাটনি করতে হয়েছে, এবং নিজের কাছে জবাব পেয়েছি কিছু অনলাইন ফোরামে এবং সাইটে।
সামহ্যোয়ারের নাস্তিক্যবাদী পোষ্টের সংখা কম না, তবে চিন্তার খোরাক যোগানো পোষ্ট খুব কম, বেশির ভাগই বিরক্তিকর কিছু নিকের জ্বালাতনে উদ্দেশ্য থেকে সরে যায় শেষ পর্যন্ত। এ ব্যাপারে কিছু করা যায় কি?
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:১৫
মনির হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ রামু। শেষদিকে এসে যে বিষয়ে বললেন সেটার জন্য নাস্তিকদের সতর্ক হতে হবে যেন আলোচনা কোন প্ররোচনায় দিকভ্রান্ত না হয়।
কিন্তু ব্যাপার হচ্ছে নাস্তিক বলুন আর প্রগতিশীল বলুন বেলাইনে চলে যাওয়াটা মনে হয় আমাদের বাঙ্গালীদের জেনেটিকাল। গ্রামের বাড়ি কথা জিগাইলে হাসিনা খালেদা এমন কি সাম্প্রতিক বাস ভাড়া বাড়ানোর বিষয় এসে যায় ... প্রসঙ্গর আগা মালীবাগ চৌরাস্তা দিয়া শুরু হয়ে কোন ফাকে যে গফর গায়ে পাছা ঠেকিয়ে বসে যেয়ে হুশ নাই ... হঠাৎ হুশ ফিরলে মনে হায় হায় কই আইলাম। আপনি আমিও ব্যাতিক্রম না। এই পোস্টেই ভালো উদাহরন দেখতে পাবেন।
৮৮|
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১০:৫৮
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: বিশ্বাসগত? না অন্যকিছু?
০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:০২
মনির হাসান বলেছেন: আপাতত বিশ্বাসগত ...
৮৯|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১:৩১
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: যা জেনে এসেছেন, যা বুঝে এসেছেন, আমি সেটাই আছি। বদলাইনি।
৯০|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ১:৪৬
রিজুয়ান বলেছেন:
৯১|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ২:৪৪
সজীব আকিব বলেছেন:
১৮ বছর বয়স থেকে নাস্তিক। ব্লগে আসার আগে যদিও নাস্তিক হয়েছি তবে আমার কিছু বন্ধু আছে যারা ব্লগ পড়েই নাস্তিক হয়েছে। নিঃসন্দেহে ব্লগ মানুষের বিকাশের জন্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
'ব্লগ লিখে কি করলেন?'- এ ধরণের প্রশ্ন নিতান্ত আবালীয়। অনেকে পরামর্শও দেন ব্লগ না লেখে বা নাস্তিকতা নিয়ে না লেখে দেশের বা মানুষের সেবা করার জন্য। তারা নিজেরা দেশের বা মানুষের কী সেবা করছেন সে প্রশ্ন রেখে বলতে পারি আমরা ব্লগের বাইরে এমনকি ভেতরেও কী করছি তা কি পুরোপুরি তারা জানেন?
আর ধর্মের সমালোচনা করা মানবতার সেবা করাই। ধর্ম সোজাসাপ্টা প্রতারণা। আমরা সেই প্রতারণার বিরুদ্ধে কাজ করছি।
০৫ ই জুন, ২০১১ রাত ১:৫৯
মনির হাসান বলেছেন: সেটাই ... যারা এ ধরনের প্রশ্ন করেন তারা মনে হয় নিজেদের এক ধরনের প্রবোধ দেন।
৯২|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ২:৫৩
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: আমার নাস্তিকতার সূত্রপাত সেই ক্লাস এইট থেকে। ততদিনে বেদ, বাইবেল, কোরান, মহাভারত, রামায়ন কোরান তেলাওয়াত করে পুরস্কার পাওয়া বোখারী শরীফের ১৬ খন্ড আর অসংখ্য নবীর জিবনী পড়া শেষ। ব্লগে এসে শুধু সেটা পোক্ত হয়েছে, জ্ঞানের পরিধি বেড়েছে।
৯৩|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ২:৫৫
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন: সেজন্য অবশ্য আমার বাবা মার তৈরী ৫০০০ বই এর পারিবারিক লাইব্রেরী দায়ী!
০৫ ই জুন, ২০১১ রাত ২:৪৭
মনির হাসান বলেছেন: ওহ .... তুমি তাইলে পুরান পাপী। এতখন হুদাই তোমারে কষ্ট দিলাম।
তোমার জ্ঞানের পরিধী সম্পর্কে ধারণা হইছিল, সেই ভাষা আন্দোলনের সাথে ইস্লামের সংশ্লিষ্ঠ'তার পোস্টে। পড়ার অভ্যাস'টা সারাজীবন ধইরা রাইখো।
৯৪|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ দুপুর ১২:১৩
জয়কৃষ্ণ বলেছেন: আমি পড়ালেখা করেই ঈশ্বর তত্ত্ব সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দর্শন সম্পর্কিত বই ছিল আমাদের পারিবারিক পাঠাগারের সবচেয়ে আকর্শনীয় সংগ্রহ। সেখান থেকে স্কুল জীবনেই আমি নিৎস, স্পিনোজা এবং মার্কসের বইগুলো পড়েছি। এমন কি ইমাম গাজ্জালী এবং মওদুদীর বইও আমি আমাদের বাড়িতেই পড়তে পেরেছি। এক সময় মওদুদীর বইগুলো পড়ে মুগ্ধ হতাম বিশেষ করে তাঁর 'ইসলামী রেনেসার ধারণা আমাকে আকৃষ্ট করেছিল এক সময়ে। যদিও এর সাথে আমার স্কুলের মৌলভি স্যারের অনুপ্রেরনা অনেকাংশে দায়ী ছিল।
ছোটবেলায় মহাভারত আমাকে ভিষণ আলোড়িত করে, এটা ধর্মীয় অনুভূতির চেয়ে রূপকথার গল্প হিসেবেই আমি বেশি দেখতাম। সেই সাথে কিশোর বয়সে 'এরিক ফন দানিকেন', রাহুল সাংকৃতায়ন আমাকে যে কোন পাঠের জন্য যে নির্মোহ দৃষ্টি তা তৈরী করে দিয়েছিল। হ্যাঁ, আরও একটা বই ছিল আমার খুব প্রিয়, সেটা সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রগতি প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ''পৃথিবীর ইতিহাস: প্রাচীন যুগ''।
আমাদের পারিবারিক পাঠাগারটা ছিল আমার দেখা যে কোন পরিবারের তুলনায় বিশাল। দর্শন ও পদার্থ বিদ্যা ছাড়াও হিন্দু-খৃষ্টান-ইসলাম সকল ধর্মের বই সেখানে ছিল। সেটা হয়তো এজন্যে যে আমাদের পরিবারের প্রত্যেকেই উচ্চ শিক্ষিত ছিল বলে এবং সেই সাথে পরিবারের আভিজাত্য বাড়ানোর একটা বিশেষ তাড়নাও থাকতে পারে বলে আমার ধারণা।
স্কুলে হিন্দু শিক্ষক ছিলনা বলে ''ইসলাম শিক্ষা'' নিয়ে পড়তে হয়েছে। আমার স্কুলের মৌলভি স্যার এতে সবচেয়ে বেশি উৎসাহী ছিলেন। সম্ভবত তাঁর ধারণা হয়েছিল আমি মুসলমান হয়ে যাবো। এর কারন ছিল, ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় কাহিনীগুলি আমি প্রশ্ন করে করে শুনতে চাইতাম। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করতেন। বাসায় নিয়ে গিয়ে এটা ওটা খাওয়াতেন। ঈদের বাজার থেকে আমার জন্য উপহার আনতেন।
ছোট বেলায় আমাদের বাড়িতে আসতো এক বৃদ্ধ, কাঁচা পাকা চুল। সবাই তাঁকে খুব সম্মান দিত। তিনি সবাইকে উপনিশদের জ্ঞান দিতো এবং তার ধারণা ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছাড়া পৃথিবীতে আর কোন জ্ঞানী নাই। সেই সন্যাসীও একদিন ছোট কাকীর ঘরের আলমারি ভেঙ্গে দশ ভরি সোনার গহনা নিয়ে পালিয়ে গেল। আমি কিন্তু ব্যপারটায় অবাক হইনি, কিন্তু সবাই এতো অবাক হয়েছিল যে, তারা শেষ পর্যন্ত ধারণা করেছিল তিনি আবার ফিরে আসবেন।
আমার একটা প্রশ্ন ছিল সব সময়, সেটা ঈশ্বরের সৃষ্টি সম্পর্কিত। আমি বুঝেছিলাম এই প্রশ্নটিই ফয়সালা করার জন্য যথেষ্ট যে আমি তাঁকে বিশ্বাস করবো কি করবো না। কারণ ঈশ্বর যদি একা একাই সৃষ্টি হয় তবে সে নির্গুণ হতে বাধ্য; আর যদি আমার উপাসনা সে চায় তবে তাকে অসীম বলি কি করে?
৯৫|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ দুপুর ১:০৭
জয়কৃষ্ণ বলেছেন:
ইন্টারমিডিয়েট পড়বার সময় 'আরজ আলী মাতুব্বর' আমাকে পরিণত করে তোলে। এ সময়ে খৃষ্টান মিশনারীদের সাথে চিঠিপত্র এবং তাদের প্রকাশিত বই পুস্তক আমি পড়তে থাকি। তারাও আমাকে অতি উৎসাহের সাথে বিনামূল্যে বই পুস্তক পাঠাতে থাকে। এভাবে প্রায় বছর খানেক চলার পর তারা খান্ত দেয়। সে সময়ে শেয়ার করার জন্য আমি আমার এক বড় ভাইয়ের (এলাকার) নিকট যেতে থাকি এবং বিতর্ক করি। তিনি আমাকে সংশোধন করতে যেয়ে নিজেই অজ্ঞেয়বাদী হয়ে পড়ে।
সবচেয়ে বড় ব্যপার বলে আমার কাছে মনে হয়, কুসংস্কার আর মিথ্যে বিশ্বাসকে প্রশ্ন করার জন্যই নাস্তিক জ্ঞান ধারণ করা একজন আধুনিক মানুষের জন্য প্রয়োজন। আজন্ম লালিত বিশ্বাস ও সামাজিক অটোসাজেশন গুলো আমাদের সমাজের নিস্পেষণের জন্য দায়ী। ব্যপারটা অনেকটা বন্দুকধারী সন্ত্রাসী আর সাধারণ নিরস্ত্র মানুষের মধ্যে পার্থক্য পর্যায়ের।
সবাইকে ধন্যবাদ। মুক্তচিন্তার পথ আরও প্রসারিত হোক। এই কামনা করি।
৯৬|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ বিকাল ৫:১০
জেমসবন্ড বলেছেন:
..........আমার কমেন্টে আপনার প্রতিউত্তরই বলে দেয় নাস্তিকতা কি শিক্ষা দেয় । আমার পূর্বের ব্লগগুলোতে আপনার কোন মন্তব্যে আমাকে এরূপ বিচ্ছিরি প্রতিউত্তর দেখাতে পারবেন ?
............... সেই বাংলাদেশ ছেড়ে এখন বিদেশে ঠিকানা গেড়েছি মহান স্রষ্টার কৃপায় অনেক উত্তান পতনের পরও এখনও টিকে আছি । সিডনী শহরেই দেখছি নাস্তিকতা ও ধর্মহীনতার কূফল । মদ খেয়ে মাতাল হওয়া, পতিতাবৃত্তির ছড়াছড়ি, নারীর উলঙ্গপনা ও অল্প বয়সে পোলাপানের বখে যাওয়া ।
....মিডিয়া যদি ইসলামের পিছনে না লাগত তবে ইসলাম থেকে পাশ্চাত্যের মানুষ দূরে থাকত না । উর্চ্ছৃংখলতা ও বস্তুবাদী জীবন থেকে ইসলামী জীবনেই যে শান্তি তা পাশ্চাত্য বিশ্ব তা ধীরে ধীরে টের পাচ্ছে ।
৯৭|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ৮:২০
সেতু আশরাফুল হক বলেছেন: মাফ করবেন। আমার কমেন্ট দিয়েই একটা পোষ্ট দিলাম
এখানে ক্লিক করুন
৯৮|
০৪ ঠা জুন, ২০১১ রাত ৮:২৯
সেতু আশরাফুল হক বলেছেন: আমি অত্যান্ত দুঃখিত। আমি ভুল করে জয়কৃষ্ণ-এর লিন্ক দিয়ে ফেলেছি। লিন্ক হবে এটাএখানে ক্লিক করুন
৯৯|
০৫ ই জুন, ২০১১ সকাল ১১:৪৫
মোঃ আরিফ রায়হান মাহি বলেছেন: তুমি যা বুঝাইতে চাইছ, তাই বুঝছি, ক্যামেরাম্যানের কথা বুঝছি কিনা সেটা সে বুঝবে।
ঘটে বুদ্ধি থাকলে আমার কমেন্টটা বুঝতে পার কিনা চেস্টা কইরা দেখ।
@রামুদা
ব্লগে অনেকদিন পর দেখে ভাল লাগল। অনেকেই ধর্মের কপচানি পড়া একসময় বন্ধ করে দেয়, কারন সেখানে খালি আপনাকে বেধে রাখার সিস্টের সুবিশাল বর্ননা আছে, তাই অবিশ্বাসীরা মুক্ত হতে চায়, মুক্ত কিছু চায়, তাই তারা নাস্তিক্যবাদের দিকে ধাবিত হয়, এবং নিজের সংশয়ের প্রশ্নগুলো খুঁজে পেয়ে সেগুলোর সপক্ষে যুক্তি খোজে। আর স্বপক্ষে যুক্তি দেবার মত লোকের অভাব হয় না। তাই হয়ত আপনার অবিশ্বাসটা তরান্বিত হয়েছে। এটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। এটা নিয়ে কিছু বলার নাই। তবে বহু মানুষ আছে যারা উলটা কাজটা করে। একবার উলটা পথে হেঁটে দেখার আমন্ত্রন রইল।
ধন্যবাদ।
১০০|
০৬ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:৫৯
সূর্য্য ব্যানার্জী বলেছেন: কয়েকজন শেয়ার করে গেল তাদের কথা। কিন্তু তারপরও ঠিক যেমন আশা করেছিলাম ঠিক সেভাবে এগুলো না। ভেবেছিলাম ব্লগের আরো অনেকে ব্লগ নাস্তিকতা, তাদের কর্মকান্ড কে কিভাবে দেখছে কিছু শেয়ার করে যাবে।
তবে যা এসেছে তাও খারাপ না- কিন্তু প্রত্যাশার চেয়ে নিঃসন্দেহে কম
।
১০১|
২৫ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:০১
ভারসাম্য বলেছেন: শিরোণাম দেখে এটাকেও একটা ছেঁড়াছেঁড়ি মার্কা পোষ্ট ভেবেছিলাম। ভেতরে এসে ছেঁড়াছেঁড়ির মাত্রাটা কমই মনে হল।
বেশিরভাগই লেজ কাটা পড়া শেয়ালের "লেজহীন থাকার মজাই আলাদা" ধরনের হুক্কাহুয়া কোরাস। অবশ্য জনাচারেক আস্ত-ছাগলের ম্যা ম্যা শুনে নষ্ট-কুকুরের ঘেউ ঘেউ করে ওঠা এখানেও ছিল তবে মাত্রায় খুবই কমই। ঘেউঘেউ এর শব্দ হুক্কাহুয়ার কোরাসের নিচে চাপা পড়ে গেছে।
অনেকদুরের লক্ষ্যে অগ্রগতির (ছেঁড়াছিঁড়ির) অ্যাচিভমেন্টের এই নাজুক অবস্থায় ঘেউঘেউ করার চেয়ে হুক্কাহুয়াই নিরাপদ।
১০২|
০৩ রা জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:১৯
দেশী পোলা বলেছেন: কি অবস্হা? কি কি হাতি ঘোড়া ছেড়া হইলো এখন পর্যন্ত??
১০৩|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৫২
দুষ্ট কবি বলেছেন: বন্ধু,
শ্রাবণমন-http://www.somewhereinblog.net/blog/Shrabonmon/ এর ব্লগে, অক্টোবর ২০০৯ থেকে ডিসেম্বর ২০০৯ এর মধ্যে প্রকাশিত নিম্নলিখিত তালিকার কবিতা, আসলে আমার লেখা। আমার অনেকগুলি কবিতা উনি ওই ব্লগে নিজের নামে চালাবার চেষ্টা করেছেন।
আপনাকে এই বিষয়ে জানাচ্ছি কারণ আপনি আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে, না জেনে এই নকলবাজ লোকটির ব্লগে আপনার মন্তব্য করে এসেছিলেন।
এতদিন পরে কেন এলাম ? কারণ এতদিন আমার অন্যের ব্লগে মন্তব্য লেখার অনুমতি ছিল না।
ওই কবিতাগুলি, "দুষ্ট কবির ধৃষ্ট কবিতা" শিরোনামে আমি http://www.milansagar.com এর সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের কবিতার (সূচি) পাতায় -http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita_suchi.html , "দুষ্ট কবি"র ভণিতায়, প্রকাশিত করে আসছি পশ্চিমবঙ্গের "সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের আন্দোলনের" সময় থেকে (২০০৬ - ২০১১)। আমার বেশ কিছু কবিতা দেবাশিষ রায়ের সুরে সেই আন্দোলনের জনপ্রিয় গান হয়ে উঠে এসেছে। ভণিতা "দুষ্ট" কে "নষ্ট"-এ বদলে, শ্রাবণমন ওই কবিতাগুলি নিজের বলে চালাচ্ছে। কয়েকটি কবিতায় শ্রাবণমন, বেশ কিছু শব্দ বদলে নিজের বলে চালাচ্ছে। আপনারা তাঁকে বাহবা না দিয়ে, এই চৌর্যবৃত্তির প্রতিবাদ করুন, আপনাদের কাছে এই আমার আবেদন।
ইন্টারনেটে বাংলায় লেখা এমনিই খুব কম বেরোয়। এরকম খোলাখুলিভাবে চুরি চলতে থাকলে বাধ্য হয়ে আমাদের text-এ না প্রাকাশিত করে pictures এ প্রকাশিত করতে হবে। সেটা কি বাংলা ভাষার পক্ষে যাবে ?
আমি এই ব্লগের কর্মকর্তাদের কাছেও এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তাঁরা এর কোনো বিহিত করেন নি এবং আমার চিঠির কোনো উত্তরও দেন নি। তাই বাধ্য হয়ে নিজেই আপনাদের জানাতে এলাম।
নিচের তালিকায় শ্রাবণমনের ব্লগে দেওয়া, চুরি করা কবিতার পাশে আমার আসল কবিতার লিঙ্ক দিলাম। গিয়ে দেখে আসতে পারেন। এর মধ্যে ১১, ১২, ১৩, ১৪ নং কবিতাগুলি "বাংলা জ্বলছে"- http://www.milansagar.com/Ads/BanglaJolchhe/banglajolchheCD.html এবং "ভাঙো বাস্তিল"- http://www.milansagar.com/Ads/BhangoBastil/BhangoBastilCD.html এলবামের গান, যা পশ্চিম বাংলায় সেই সময়ে জনপ্রিয় গান হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল|---
১| মোরা পারি-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita10.html#185
২| শাসক মহাত্রাস-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita9.html#152
৩| প্রেমের কবিতা-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita6.html#85
৪| বাঙালী বুদ্ধিজীবি-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita3.html#28
৫| হে নারী! বাঙ্গালী পুরুষকে খানিকটা পৌরুষ ধার দাও-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita4.html#61
৬| হাসিনা তুই মিথ্যেবাদী খল!-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita9.html#144
৭| দিচ্ছি না গ্যাস-কয়লা-বন্দর-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita9.html#156
৮| স্বাধীন দেশে স্বাধীন জীবন!-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita9.html#148
৯| পুলিশ তুমি কার ?-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita6.html#76
১০| সজোরে মার চড়-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita10.html#184
১১| বিদ্রোহ কর ("বাংলা জ্বলছে"-এর গান) -- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita4.html#62
১২| খবর ছড়াই ("ভাঙো বাস্তিল"-এর গান)-- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita10.html#177
১৩| এই বাঙালী শোন! ("ভাঙো বাস্তিল"-এর গান। অক্টোবর ২০০৯ তে প্রকাশিত কিন্তু এখানে শ্রাবণমন দুষ্টকবি ভণিতাটিকে পালটাতে ভুলে গিয়েছে ! তাই এই কবিতায় দুষ্টকবি শব্দটি অক্ষতই আছে !) -- আসল কবিতার লিঙ্ক-http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita9.html#147
১৪| গণরোষ ("বাংলা জ্বলছে"-এর গান)-- আসল কবিতার লিঙ্ক - http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita8.html#121
১৫। ফুলবাড়ি - আসল কবিতার লিঙ্ক - http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita9.html#148
১৬। সুখী গৃহকোণে - আসল কবিতার লিঙ্ক - http://www.milansagar.com/kobi-milan_kobita6.html#88
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জুন, ২০১১ রাত ১১:২৮
নুভান বলেছেন: ভাই, এইসব নিয়ে আর কত! একটু থামা যায় না?