নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মামুন ইসলাম

মামুন ইসলাম

মামুন ইসলাম

হ্যাপী নিউইয়ার

মামুন ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

গাঁজা দিয়ে কি ঔষধ হয় ?

২৮ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:০৩


গাঁজা, মারিজুয়ানা,গঞ্জিকা, গাঞ্জা, সিদ্ধি ইত্যাদি নামে পরিচিত। মূলত গাঁজা উদ্ভিদের এক ধরণের প্রস্তুতি যা সাইকোঅ্যাক্টিভ ড্রাগ এবং ঔষধ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়। ফার্মাকোলজিক্যালি, গাঁজার প্রধান সাইকোঅ্যাক্টিভ উপাদান হল টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল টিএইচসি এটি উদ্ভিদের ৪৮৩টি পরিচিত যৌগের ১টি, তাছাড়াও ৮৪ টি অন্যান্য ক্যানাবিনোয়েড্স রয়েছে, যেমন ক্যানাবিডিওল (সিবিডি), ক্যানাবিনল (সিবিএন), টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিভারিন (টিএইচসিভি), এবং ক্যানাবিগেরো (সিবিজি)।
গাঁজা প্রায়ই এর সাইকোঅ্যাক্টিভ এবং শারীরবৃত্তীয় প্রভাবের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা অতিরিক্ত বা রমরমা মেজাজ, শিথিলায়ন, এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি করে থাকে। সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে স্বল্পমেয়াদী স্মৃতি হ্রাস, মুখগহ্বরে শুষ্কতা, অনভিজ্ঞের মতো আচরণ করা, চোখ লাল হওয়া, এবং প্যারানয়া বা উদ্বেগ অনুভূতি হওয়া।

আধুনিককালে গাঁজা বিনোদনমূলক বা চিকিৎসার ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হত এবং প্রাথমিককালে বা খ্রিষ্টপূর্ব ৩ হাজার বছর পূর্বে ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসাবেও গাঁজা ব্যবহার হত।২০ শতাব্দীর প্রথমদিকে গাঁজা আইনি সীমাবদ্ধতার বিষয় হয়ে উঠে, ফলে এর ব্যবহার এবং সাইকোঅ্যাক্টিভ ক্যানাবিনয়েডস ধারণকারী গাঁজা প্রস্তুতি এবং বিক্রয় বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে অবৈধ। জাতিসংঘ একে বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত অবৈধ ড্রাগ হিসেবে বিবেচনা করে। ২০০৪ সালে, জাতিসংঘের অনুমানে, বিশ্বব্যাপী বার্ষিক গাঁজার ব্যবহারে বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৪% ১৬২ লক্ষ জন গাঁজা বাবদ ব্যয় করে, এবং প্রায় ০.৬% ,২২.৫ লক্ষ লোক দৈনিক গাঁজা ব্যবহার করে থাকে।চিকিৎসাবিজ্ঞানে মারিজুয়ানা বা গাঁজা মূলত চিকিৎসক প্রস্তাবিত ভেষজ থেরাপি হিসাবে গাঁজা উদ্ভিদের ব্যবহার বোঝায়, যা ইতোমধ্যে কানাডা, বেলজিয়াম, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ড, স্পেন, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২টি রাজ্যে স্থান করে নিয়েছে।

গাঁজার সেবনের সাইকোঅ্যাক্টিভ এবং শারীরবৃত্তীয় নানান প্রভাব
গাঁজার সেবনের সাইকোঅ্যাক্টিভ এবং শারীরবৃত্তীয় নানান প্রভাব রয়েছে। গাঁজার তাৎক্ষণিক গ্রাসকারী প্রভাবের মধ্যে শিথিলায়ন এবং হালকা রমরমা মেজাজ অন্তর্ভুক্ত,উচ্চ বা স্টোন্ড অনুভূতি, কিছু তাৎক্ষণিক অবাঞ্ছিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে স্বল্পমেয়াদী স্মৃতি হ্রাস, মুখগহ্বর শুষ্কতা, অনভিজ্ঞ করে তোলা, চোখ লাল হওয়া প্রভৃতি। পাশাপাশি বোধ এবং মেজাজ বা মানসিক অবস্থার বিষয়ী পরিবর্তন, সর্বাধিক সাধারণ স্বল্পমেয়াদী শারীরিক এবং স্নায়বিক প্রভাবের মধ্যে হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, ক্ষুধা বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ, নিম্ম রক্তচাপ, স্বল্পমেয়াদী এবং কর্ম স্তৃতির অবনতি, মানসিক সমন্বয় এবং একাগ্রতা অর্ন্তভূক্ত।

গাঁজার শুকনো ফুল
মারিজুয়ানা বলতে শুকনো ফুল এবং স্ত্রী গাঁজা উদ্ভিদের কচি পাতা ও ডালপালাকে বুঝায়। এটি গাঁজার সর্বাধিক প্রচলিত ধরন যার মাঝে টিএইচসি এর পরিমাণ থাকে ৩%-২০% তাছাড়াও সর্বোচ্চ ৩৩% টিএইচসি ও অনেক ধরনের মাঝে পাওয়া যায়।তাছাড়াও, বিভিন জাতের মিশ্রণ ঘটিয়ে গাঁজার শিল্প উৎপাদন করা হয় যেখানে টিএইচসি এর পরিমাণ থাকে ১% এবং এ কারনে এটি বিনোদনমূলক ব্যবহারের অনুপযোগী।

কিফ
কিফ ট্রিকহোম সমৃদ্ধ একধরণের গুঁড়া,যা গাঁজা গাছের ফুল এবং পাতা থেকে সংগ্রহ করা যায় এবং একে গুঁড়া অবস্থায় সেবন বা হ্যাশিশ কেক উৎপাদনের জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হয়।কিফ শব্দটি চলিত আরবি كيف kēf/kīf থেকে এসেছে, যার অর্থ পরিতোষ বা সন্তুষ্টি বোঝায়।

হাশিশ
হাশীশ, হাশিশা যা কেবল হ্যাশ নামে পরিচিত। একধরণের ঘনীভূত রজন কেক বা বল বিশেষ যা, গাঁজার ফুল এবং পাতা থেকে নিঃসৃত ট্রিকহোম এবং উত্তম উপাদানসমন্বিত কিফ থেকে চিপে উৎপাদন করা হয়। এটি খাওয়া কিংবা ধোঁয়া হিসেবে পান করা হয়।
টিঙ্কচার

হ্যাশ তেল
হ্যাশ তেল গাঁজা উদ্ভিদ থেকে দ্রাবক নিষ্কাশনের মাধমে পাওয়া যায়।

আধান
অনুদ্বায়ী দ্রাবক ব্যবহৃত গাঁজার আধান আরোপের বিভিন্ন ধরন রয়েছে।

পরিমাণ মতো গাঁজা সেবনের যে উপকারিতা
গাঁজায় আসক্তি হলে বা সে আসক্তি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে গেলে জীবনে বিপদ ডেকে আনতে পারে। তবে গবেষকরা বলছে পরিমাণমতো গাঁজা ওষুধ হিসেবে সেবন করলে অনেক উপকারও পাওয়া যায়।
মৃগীরোগ কমায়
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ২০১৩ সালেই জানিয়েছেন, মারিজুয়ানা বা গাঁজা একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় নিলে মৃগী বা এই ধরণের কিছু স্নায়ুরোগ থেকে দূরে থাকা যায়। বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী জার্নাল অফ ফার্মাকোলজি অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল থেরাপিউটিক্স এ ছাপাও হয়েছে তাদের এই গবেষণালব্ধ তত্ত্ব।
গ্লুকোমা দূরে রাখতে সহায়তা করে
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল আই ইন্সটিটিউট জানিয়েছে, মারিজুয়ানা গ্লুকোমার ঝুঁকিও কমায়। গ্লুকোমা চোখের এমন এক রোগ যা চির অন্ধত্ব ডেকে আনে।
আলৎসহাইমার শত্রু
দ্য জার্নাল অফ আলৎসহাইমার’স ডিজিজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মারিজুয়ানা মস্তিষ্কের দ্রুত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়াও রোধ করে। আর এভাবে আলৎসহাইমার ঝুঁকিও কমাতে পারে মারিজুয়ানা। তবে মারিজুয়ানা ‘ওষুধ’ হলেই রোগ সারাবে, কারো নিয়ন্ত্রণহীন আসক্তির পণ্য হলে নয়।
ক্যানসার প্রতিরোধ
এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র সরকারিভাবেই স্বীকার করেছে। ২০১৫ সালে সে দেশের ক্যানসার বিষয়ক ওযেবসাইট ক্যানসার অর্গ এ জানানো হয় মারিজুয়ানা অনেক ক্ষেত্রে টিউমারের ঝুঁকি কমিয়ে ক্যানসার প্রতিরোধকেরও ভূমিকা পালন করে থাকে।
কেমোথেরাপির ক্ষতি কম
ইউএস এজেন্সি ফর ড্রাগ জানিয়েছেন মারিজুয়ানা ক্যানসার রোগীর রোগযন্ত্রণা অন্যভাবেও কমায়। ক্যানসার রোগীকে এক পর্যায়ে কেমোথেরাপি নিতে হয়। কেমোথেরাপির অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। মারিজুয়ানা কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত অনেক ক্ষতি লাঘব করে।
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়
এটি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অফ নটিংহ্যামের গবেষকদের উদ্ভাবন। তারা গবেষণা করে দেখেছেন মারিজুয়ানা মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতেও সহায়তা করে। ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।
মাল্টিপল সক্লেরোসিসবিরোধী
মানুষের স্নায়ুতন্ত্রে একটি বিশেষ স্তর ক্ষতিগ্রস্থ হলে মাল্টিপল সক্লেরোসিস বা এমএস নামের এক ধরণের স্নায়ুরোগ হয়। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মারিজুয়ানা সেবন করলে এই রোগের ঝুঁকিও কমে।
ব্যথা নিরোধ
ডায়াবেটিস চরম রূপ নিলে রোগীদের অনেক সময় হাত,পা এবং শরীরের নানা অংশে জ্বালা,যন্ত্রণা হয়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা বলছেন, ক্যানাবিস সেই যন্ত্রণা লাঘব করতে সক্ষম।
হেপাটাইটিস সি-র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমায়
হেপাটাইটিস সি-র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কমায় মারিজুয়ানা। নির্দিষ্ট মাত্রায় ওষুধের মতো গাঁজা সেবন করিয়ে দেখা গেছে এই রোগে আক্রান্তদের শতকরা ৮৬ ভাগেরই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অনেক কমেছে।
তথ্যসূত্রঃ ডয়েচে ভ্যালে
গাঁজার খারাপ দিকগুলো
গাঁজার খারাপ দিক বা গাঁজা সেবনে যে খারাপ দিকগুলো আছে। গাঁজা ইনস্ট্যান্ট কিছু প্রবলেম ক্রিয়েট করে। যেমনঃ সংজ্ঞাহীনতা, গলা শুকিয়ে আসা, মানসিক অসুস্থতা ও ইনস্ট্যাবিলিটি, মাথা ঘুরানো এবং হার্টবিট প্রচণ্ড বাড়িয়ে দেওয়া ইত্যাদি। কিন্তু এর দীর্ঘস্থায়ী কুফলটুকু আরও মারাত্মক। টানা পাঁচটা সিগারেট খেলে যে ক্ষতি হবে এক পুরিয়া গাঁজা খেলে ঠিক ততটুকুই ক্ষতি হবে। গাঁজা সেবন করলে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার, হৃদরোগ, হাইপ্রেশার ইত্যাদি অবশ্যম্ভাবী। গাঁজার ক্ষতিকর কেমিক্যালটি মানবদেহে সাত থেকে দশদিন থাকে এবং এই নেশাটি আপনাকে অল্পদিনেই আসক্ত করে ফেলতে পারে।



মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:২২

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: গাজা সম্পরাকে অনেক কিছু জানতে পারলাম। ভালো লাগলো।

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১০:২৬

মামুন ইসলাম বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

২| ২৮ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:২৬

তপোবণ বলেছেন: একেবারে নতুন শুনলাম। এর মানে উপকারী একটি উদ্ভিদ মানুষ নেশা হিসেবে নিয়েছে।

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১০:২৮

মামুন ইসলাম বলেছেন: জী তাই মনে হচ্ছে আবার কিছুতা খারাপ দিকও রয়েছে ।

৩| ২৮ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:৩১

শূন্যনীড় বলেছেন: ভালোই হল গাজা সম্পর্কে জেনে।

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১০:২৯

মামুন ইসলাম বলেছেন: জানার জন্য ধন্যবাদ ।

৪| ২৮ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঔষধ হিসেবে সব বড় বড় রোগে কাজ করে; কিন্তু নিয়ন্ত্রণ খুবই কঠিন

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১০:২৯

মামুন ইসলাম বলেছেন: তাইত দেখছি ।

৫| ২৮ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৬

দিকভ্রান্ত এক পথিক বলেছেন: আচ্ছা গাজা খাইতে কেমন? টক? নাকি মিষ্টি! B-))

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১০:৪৬

মামুন ইসলাম বলেছেন: গাঁজা খায় রাজা । !:#P

৬| ২৮ শে জুন, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২১

তারেক ফাহিম বলেছেন: তথ্যের প্রাচুর্যে ভরা এই পোষ্ট, তবে ৫% আসক্তিকে ২০% নিয়ে আসবে।

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:০০

মামুন ইসলাম বলেছেন: ভুল হয়ে গেছে ।পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

৭| ২৮ শে জুন, ২০১৭ রাত ৮:১৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: গাঁজা খাইয়া দেখতে চাই। কই পামু?

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:০১

মামুন ইসলাম বলেছেন: :P

৮| ২৮ শে জুন, ২০১৭ রাত ১০:০০

ব্লগ সার্চম্যান বলেছেন: গাঁজা খামু ।

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:০২

মামুন ইসলাম বলেছেন: :P

৯| ২৮ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:০৮

রায়হানুল এফ রাজ বলেছেন: জয় গুরু।

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:০৩

মামুন ইসলাম বলেছেন: পরাজয় হোক এমন গুরুর ।

১০| ২৯ শে জুন, ২০১৭ রাত ১২:০৪

স্বতু সাঁই বলেছেন: পড়লাম। তবে এখানে নুতন নাকিবের মন্তব্য আশা করছি।

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১১:০৪

মামুন ইসলাম বলেছেন: ভালো থাকুন ।

১১| ২৯ শে জুন, ২০১৭ রাত ১:০৮

কানিজ রিনা বলেছেন: কোকেন মিশানো গাজার পুরিয়া এখন চা
দোকানেও বিক্রি হয়। ঔষুধের দোকানে তো
কথাই নাই। আমাদের যুব সমাজ ধ্বংশের
মুল কারন সেই সাথে ফেন্ছিডিল ইয়াবা
মদ যুবকরা ধ্বংসের শেষ সীমায় পৌছে
গেছে। ইস্কুল কলেজ ভার্সীটি হোটেল রেস্টুরেন্ট ওপেন সিক্রেট কোনও লাগাম নাই।
বেশীর ভাগ পরিবারের মা বাবারা এসব
নেশাখোর সন্তান নিয়ে নরক বাস করছেন।
যার ঘরে একটি নেশাখের ছেলে আছে
তাদের জীবনের শান্তি শেষ।
ভাল করার জন্য ভাল একটি মেয়ে দেখে
বিয়ে দেয়। আসলে মেয়েটার জীবনটাই নষ্ঠ
হয়।
তবে এপোষ্টটা কিছুটা বিজ্ঞাপন হয়েছে বৈকি।
যারা গাজা খায় পোষ্টটা তাদের আরও ইন্ধোন
যোগাবে।

১২| ২৯ শে জুন, ২০১৭ সকাল ১০:১৫

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: গাঁজা কোথায় হয় ।

১৩| ২৯ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৬

ভিটামিন সি বলেছেন: গাঁজা পেতে ইউটিউবে গাঁজাপু লিখে সার্চ দেন। পাবেন।

১৪| ২৯ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৬

স্বপ্নের_ফেরিওয়ালা বলেছেন: তাইলে এখন থেকে গান্জিকা সেবন বেশি বেশি করে করতে হবে।B-)

১৫| ৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১০:৫৪

চানাচুর বলেছেন: অনেককিছু জানলাম। ধন্যবাদ

৩০ শে জুন, ২০১৭ রাত ১০:৫৯

মামুন ইসলাম বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.