নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

...............

শ্রাবণধারা

" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

শ্রাবণধারা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মানুষ হিসেবে জন্মের সার্থকতা এবং তোমাদের ক্লাউড আমাদের নদীগুলো শুকিয়ে দিচ্ছে বিষয়ে

০২ রা জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫


কিছুদিন আগে আমার সিটি স্ক্যানের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল পাশের শহরের এক হাসপাতালে। গুরুতর কোন অসুখ নয়। ভলিবল খেলতে গিয়ে হাতের জয়েন্টে ব্যথা পেয়েছিলাম স্ম্যাশ করার সময় (আমার ছেলের ভাষায় স্পাইক)। অনেকদিন পরেও সে ব্যথা না কমায় ডাক্তারের শরণাপন্ন হই। তিনি সিটি স্ক্যানের নির্দেশনা দিলেন। যে শহরে থাকি, সেখানে টেস্টের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় বলে, তিনি আমাকে পাশের শহরের হাসপাতালে পাঠালেন যাতে দ্রুত পরীক্ষা করানো যায়।

সেই হাসপাতাল বাসা থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে। সকালে অ্যাপয়েন্টমেন্ট। হীম ঠান্ডা শীতের সকালে, হাতে সময় নিয়ে বের হলাম। উইকেন্ডের সকাল; রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা। দুপাশে বিস্তীর্ণ খোলা মাঠ জমাট তুষারে ঢাকা পড়ে আছে। শীতকালে আকাশ সাধারণত মেঘাচ্ছন্ন থাকে, সারাদিনেও সূর্যের দেখা মেলে না। কিন্তু সেদিন সূর্য উঠেছে; তুষারাবৃত প্রান্তরের ওপর আলো পড়ে চারদিকে শুভ্র, অলস এক নিস্তব্ধতা ছড়িয়ে পড়েছে।

বরফে ঢাকা মাঠগুলো ফসলের মাঠ। ভুট্টা, সয়াবিন, গম আর ক্যানোলা তেলের চাষ হয় এখানে। ক্যানোলা গাছ আর ফুল দেখতে আমাদের সরিষার মত। গ্রীষ্মে যখন হলুদ ফুলে মাঠ ছেয়ে যায়, তখন তা দেখে শৈশবের ফেলে আসা সরিষা ক্ষেতের কথা মনে পড়ে। এখানে যেটা অভিনব সেটা হলো, শীতকালে জমে থাকা তুষারই গলে গলে মাটির গভীরে গিয়ে পানির যোগান দেয় এবং আর্দ্রতা তৈরি করে, যেটা কৃষিকাজের উপযোগী মাটি তৈরি করে।

হাইওয়ে ধরে গাড়ি চালিয়ে তাড়াতাড়িই হাসপাতালে পৌঁছে গেলাম।

ছোট এই শহরের জনসংখ্যা মোটে ১০ হাজার। নিজ শহরের রোগীদের দেখাশোনা করে হাসপাতালটি আবার পাশের শহরের মানুষের সেবা দান করে। হাসপাতালে ঢুকলে বোঝা যায় না এখানে গুরুতর অসুস্থ রোগীরাও ভর্তি আছেন। ঢুকতেই একটা কফি শপ, অনেকটা জায়গা জুড়ে বসার জায়গা, তারপর রেজিস্ট্রেশন ডেস্ক। নাম লেখানো হয়ে গেলে যেখানে বসলাম, তার সামনে দেয়ালজুড়ে বড় কতগুলো পেইন্টিং। পাশাপাশি কয়েকটি ছবিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আমার জানা ছিল না যে এই শহরের প্রায় অর্ধেক অধিবাসী আদিবাসী গোষ্ঠির।

হাসপাতালে লোকসমাগম বেশি নয়, তবে যেখানে যেমন প্রয়োজন তেমন লোকবল রয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে আমার ডাক পড়লো। পোশাক পরিবর্তন করে টেস্টের ঘরে ঢুকলাম। কিছু নির্দেশাবলী দিয়ে তারা আমাকে একটা বড় রিংয়ের মতো যন্ত্রের ভেতর মাথা ঢুকিয়ে শুয়ে পড়তে বললেন। তারপর টেবিল ঠেলে সিলিন্ডার-আকৃতির স্ক্যানারের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলেন। যন্ত্রে কিছু গোলযোগ ছিল, স্ক্যানটি শেষ হতে সময় লাগল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

সিটি স্ক্যানের গুহায় শুয়ে মনে হলো, আমার অসুস্থতার চেয়েও বড় যে বিষয়টি তা হলো, আমাকে সেবা দেওয়ার জন্য অনেক মানুষ এখানে আছেন। তারা কেউ আমার আত্মীয়-বন্ধু নয়, আমার স্বজাতিরও কেউ নয়। আমরা একই পৃথিবীর মানুষ, এই সম্পর্কের সূত্রেই তারা তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, প্রযুক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শক্তি নিয়ে রোগের কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। আমার শরীরের কোথায় কী সমস্যা তার অনুসন্ধান করছে। হাসপাতাল, যন্ত্র, টেকনিশিয়ান, নার্স ও ডাক্তার যেন বলছে, আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দিয়ে তোমার কী অসুখ আমরা খুঁজে বের করব। তারপর সেবা দিয়ে তোমাকে সুস্থ করে তুলবো। তুমি একা নও। তোমার অসুস্থতায়, তোমার অসহায় মুহূর্তে আমরা পাশে আছি।

মানুষের জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সাথে মানবিকতার যে সমন্বয়, এই হাসপাতাল তার শ্রেষ্ঠ প্রকাশগুলোর একটি। হাজার বছরের জ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তির সঞ্চয় এখানে একত্রিত হয়েছে মানুষের ব্যথা লাঘব ও রোগ নিরাময়ের জন্য। পৃথিবীর কত দেশে, কত যুগে, কত লক্ষ মানুষের অসংখ্য জ্ঞান, শ্রম ও মেধা এই প্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতাকর্মী, টেকনিশিয়ান, নার্স ও চিকিৎসকদের কাজের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত প্রকাশ হয়ে চলেছে। মানুষ হিসেবে জন্ম নেওয়া যে কত বড় সৌভাগ্যের বিষয়, তা তখন অনুভব করলাম।

এটা সত্য যে তথাকথিত উন্নত দেশের বাসিন্দা হিসেবে স্বাস্থ্যসেবার সুবিধাগুলো স্বার্থপরের মতো ভোগ করার সময়ই বিষয়টি গভীরভাবে অনুভূত হলো। আমি যেখানে জন্মেছি, সেখানে অসুস্থতার কারণে মানুষকে নিজের সঞ্চয়, জমিজমা, এমনকি শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে যেতে দেখেছি। অনেকেই জীবনের সবকিছু ব্যয় করেও যথাযথ চিকিৎসা পাননি; বরং হাসপাতাল, ডাক্তার ও নার্সদের অবহেলার শিকার হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিও দেখেছি, যেখানে পরিবারকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে - চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসবে, নাকি বাধ্য হয়ে প্রিয়জনের চিকিৎসা বন্ধ করে দেবে।

স্বাস্থ্যসেবার সুবিধাগুলো নির্দিষ্ট কিছু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ। এক দেশের নাগরিক যে সেবা পান, অন্য দেশের মানুষ তা পান না। এসব সুবিধা রাষ্ট্রের সীমানার ভেতরে আবদ্ধ থাকে। বিশ্বের সকল মানুষের জন্য তা নিশ্চিত করা তো দূরের কথা, এমন আলোচনা পর্যন্ত শুনেছি বলে মনে পড়েনা। এমনকি একই দেশের ভেতরেও এই সুবিধা সবার জন্য সমান নয়। অন্য দেশ থেকে আসা স্বল্পমেয়াদি কর্মী, অতিথি আগন্তুক বা নতুন অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এসব সুবিধা থাকে না।

কানাডাতেও বিদেশি শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা পাওয়া কঠিন ও ব্যয়বহুল। যে শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যবীমা নেই, তার জন্য হাসপাতালের দরজা বন্ধ থাকে। কিছুদিন আগে এই শহরেই মাত্র ২১-২২ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্যবীমা না থাকায় গুরুতর অসুস্থ অবস্থাতেও সেই শিক্ষার্থী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেননি। একটা রিপোর্টে দেখেছিলাম, আমেরিকার সামরিক বাজেটের ১% খরচ করলেও আফ্রিকা এবং এশিয়ার দরিদ্র দেশগুলোর শিশু মৃত্যুহার, বিশেষ করে যেগুলো প্রতিরোধযোগ্য, সেগুলো বন্ধ করা যায়।

ইমার্সন লিখেছেন, আমরা যাকে সাধারণত "মানুষ" বলে ভাবি - যে খায়, পান করে, হিসাব করে এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যস্ত থাকে - এসব বাহ্যিক কর্মকাণ্ড মানুষকে সত্যিকার অর্থে উপস্থাপন করে না, বরং অনেক সময় ভুলভাবে উপস্থাপন করে। এসব কাজের জন্য আমরা কাউকে শ্রদ্ধা করি না। আমরা শ্রদ্ধা করি সেই আত্মাকে, যার বাহন বা যন্ত্র সেই মানুষটি। মানুষ যখন তার কর্মের মাধ্যমে আত্মার প্রকাশ ঘটায়, তখনই সে আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে ওঠে, তার সামনে আমরা বিনত হই।

ইমার্সনের মতে, আত্মা আমাদের ভিতরের এক অভিন্ন চেতনা ও সৌন্দর্য, যার মধ্যে আমরা অস্তিত্বশীল এবং যার আনন্দ সকলের জন্য উন্মুক্ত। তিনি লিখেছেন, "বুদ্ধির অন্ধত্ব শুরু হয় তখনই, যখন বুদ্ধি আত্মার পরিবর্তে শুধু নিজেকে বা নিজের অহংকারকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। ইচ্ছাশক্তির দুর্বলতাও তখন শুরু হয়, যখন ব্যক্তি সবাইকে বাদ দিয়ে শুধু নিজেই কিছু হতে চায়।"

প্রযুক্তির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখন যে বড় বিপর্যয় তৈরি হয়েছে, তার মূলে আছে বুদ্ধির এই অন্ধত্ব। রবীন্দ্রনাথ একে বলেছেন, "শক্তিপূজা"। তিনি লিখেছেন, "অন্যায় অসত্য সে পূজায় লজ্জিত নয়, লোভ তার লক্ষ্য এবং হিংসা তার পূজোপচার। এই লোভ মন্দ নয়, ভালোই, হিংস্রশক্তি মনুষ্যত্বের পক্ষে অত্যাবশ্যক-- এমন সকল তর্ক শক্তিপূজক য়ুরোপে স্পর্ধার সঙ্গে চলছে...।" অন্যত্র শক্তিপূজা সম্পর্কে তিনি আরও লিখেছেন। "...এরা অন্যের অর্থ, অন্যের প্রাণ, অন্যের অধিকারকে বলি দেয়। শক্তিপূজার প্রধান অঙ্গ বলিদান। সেই বলির রক্তে পৃথিবী ভেসে যাচ্ছে।"

এ কারণেই পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ও উগ্র ডানপন্থী ধনতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে একটি ধারণা গড়ে উঠেছে যে, জ্ঞান-বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তির একচ্ছত্র অধিপত্যের দাবিদার শুধু তারাই, প্রয়োজনে তা অন্যের কাছ থেকে আত্মসাৎ করে হলেও।

মহৎপ্রাণ কোন বিজ্ঞানী যদি আজ ক্যান্সারের প্রতিষেধক আবিষ্কার করে ঘোষণা দেন যে, এই ওষুধ সবার, এই আবিষ্কারের পেছনে তার পরিবার, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, দোকানদার, কৃষক, দিনমজুর, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, পুরো সমাজের অবদান আছে। আর তাই পৃথিবীর সব মানুষ এই ওষুধ বিনামূল্যে পাবে, তাহলে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো তাকে উন্মাদ আখ্যায়িত করে পাগলা গারদে পুরে রাখবে।

আমরা যে বিশ্বব্যবস্থায় বাস করি সেখানে জ্ঞানকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে দেখা হয়, সামাজিক সম্পদ হিসেবে নয়।

মানুষের হাজার বছরের জ্ঞান-বিজ্ঞানের ওপর দাঁড়িয়ে যে প্রযুক্তি গড়ে উঠেছে, তার মালিকানা কার হবে এবং এর সুফল কীভাবে বণ্টিত হবে? এআই গড়ে উঠেছে কোটি কোটি মানুষের জ্ঞান, ভাষা, সাহিত্য, দর্শন, শিল্পকলা ও সংস্কৃতি থেকে, যা ইন্টারনেটে বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে আছে। প্রযুক্তির এই "কাঁচামাল" এসেছে সমগ্র মানবসমাজের কাছ থেকে। তাহলে এর মালিকানা ও মুনাফা কেন কেবল কয়েকটি করপোরেশন ও কিছু টেক-এলিটের হাতে কেন্দ্রীভূত হবে?

কিছুদিন আগে আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে টেক কোম্পানির নির্বাহীরা বক্তৃতা দিতে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের দুয়ো ধ্বনি দেয় এবং কিছু ক্ষেত্রে তাদের মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেয়। প্রযুক্তির অপব্যবহার ও অটোমেশনের ফলে নতুন স্নাতকদের চাকরির বাজার ভয়াবহভাবে সংকুচিত হয়েছে। কর্মসংস্থানের অনেক প্রবেশদ্বার তাদের জন্য ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষের সৃষ্টিশীলতাকে পুঁজি করে যে প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে, সেটাকেই কেন আবার মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে? মানুষের তৈরি প্রযুক্তিই কেন তাদের কর্মক্ষেত্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হবে?

এআই শুধু মানুষের জীবিকার জন্যই হুমকি নয়, এটি আমাদের প্রকৃতি-পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্যের জন্যও বড় হুমকি। বিশাল ডাটা সেন্টার চালাতে যে বিপুল পরিমাণ পানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ লাগে, তা জলবায়ু সংকটকে আরও তীব্র করবে। এআই যে ডিজিটাল ভবিষ্যতের কথা বলে, তার জন্য এত বেশি শক্তি ও সম্পদের প্রয়োজন যে পরিবেশের ক্ষতি না করে তা সম্ভব নয়। সাবেক গুগল নির্বাহী এরিক শ্মিট কংগ্রেসে বলেছেন যে আগামী কয়েক বছরে এআইয়ের বিদ্যুৎ চাহিদা কয়েকগুন বাড়বে, যার বড় অংশ জীবাশ্ম জ্বালানি থেকেই আসতে হবে।

বিষয়টি এখানে শুধু প্রযুক্তি নয়। চরম লোভী ও প্রভাবশালী টেক-এলিটদের পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ড, ধ্বংসাত্মক অর্থনীতি এবং ক্রমাগত বেশি মুনাফার লোভ প্রকৃতি-পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্যেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। পরিবেশ ধ্বংসের অন্যতম যমদূত পিটার থিয়েল যখন পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গকে "এন্টি-ক্রাইস্ট" বলে অভিহিত করে, তখন সেটা দুই বিপরীত বিশ্বদৃষ্টির সংঘাতকে স্পষ্ট করে তুলে ধরে।

জীবাশ্ম জ্বালানি, মারণাস্ত্র এবং এআই - এই খাতগুলো একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। এদের পেছনে রয়েছে বৈশ্বিক পুঁজিবাদী ও জায়নবাদী ক্ষমতার কেন্দ্র, যা জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি এবং ভূরাজনৈতিক সংঘাতের দিকে সারা পৃথিবীকে ঠেলে দিয়ে প্রযুক্তি ও সম্পদের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

(জলবায়ু পরিবর্তনের চাপে থাকা স্পেনে নতুন ডাটা সেন্টার নির্মাণের ওপর স্থগিতাদেশ দাবি করা চাওয়া একটি আন্দোলনের নাম স্প্যানিশ ভাষায়: "টু নিউব সিকা মি রিও"। যার অর্থ, "তোমাদের ক্লাউড আমাদের নদীগুলো শুকিয়ে দিচ্ছে"।)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.