| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
মওসুমের প্রথম কুয়াশাভেজা প্রভাত
ছবি আমার তোলা
আজকের সকালটা অন্যরকম। মওসুমের প্রথম কুয়াশাভেজা স্নিগ্ধতায় মুগ্ধ প্রভাত। অসাধারণ সুন্দর। চারদিকে সাজানো গোছানো। ঠিক যেন কোনো পুরনো ছবির মতো। শীতের ছোঁয়া এসে পড়েছে প্রকৃতির শরীরে, আমাদের মন ও মননেও।
প্রভাতে জানালা খুলতেই যেন সরে গেল স্বপ্নের সাদা পর্দা। লাজুক কুয়াশা, নরম হাতে প্রকৃতির গালে এঁকে দিল আলতো চুম্বন। ঘন দুধের মতো কুয়াশা ঝরে পড়ছে সাদা তুলোর মতো, ল্যাম্পপোস্টের আলোয় জ্বলে উঠছে একেকটা হলুদ তারা, যেন ভুলে যাওয়া শৈশবের রূপকথার দীপশিখা।
গাছের পাতায় কুয়াশার মুক্তো ঝরছে, শিশিরের ফোঁটা চাঁদের আয়না হয়ে চুপিচুপি হাসছে। দূরের মাঠ অদৃশ্য, কেবল শোনা যাচ্ছে কুলুকুলু রবে বয়ে যাওয়া নদীর বিরহী গান, যেন প্রেমিকার চোখের জলে ভাসছে শীতের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
হে প্রকৃতি, তোমার এই সাদা শাড়িতে আমার হৃদয়ও সেজেছে নির্জনতায়। কুয়াশা মিলিয়ে যাক, কিন্তু এই অনুভূতি, এই মিশে যাওয়ার ইচ্ছে, যেন চিরকালই থেকে যায় ধমনিতে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:২৯
নতুন নকিব বলেছেন:
লেখাটা আপনার কাছে ভালো মনে হওয়ায় অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
২|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:৪৪
রাজীব নুর বলেছেন: কুয়াশা নিয়ে কোনো হাদিস নেই?
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:৩৫
নতুন নকিব বলেছেন:
হ্যাঁ, কুয়াশা নিয়ে সরাসরি কোনো হাদিস নেই, তবে “কুয়াশা-ঝড়” বা “ঘন কুয়াশার মতো অবস্থা” নিয়ে একটি খুবই বিখ্যাত ও সহিহ হাদিস আছে। হযরত নাওয়াস ইবনে সাম‘আন (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«يُوشِكُ أَنْ تَكُونَ فِتْنَةٌ كَقِطَعِ اللَّيْلِ الْمُظْلِمِ، أَوْ كَالدُّجَى الْمُظْلِمِ، يُصْبِحُ الرَّجُلُ مُؤْمِنًا وَيُمْسِي كَافِرًا، وَيُمْسِي مُؤْمِنًا وَيُصْبِحُ كَافِرًا، يَبِيعُ دِينَهُ بِعَرَضٍ مِنَ الدُّنْيَا»
অর্থাৎ: “খুব শীঘ্রই এমন এক ফিতনা আসবে যা হবে রাতের ঘন অন্ধকারের টুকরার মতো, অথবা ঘন কুয়াশার মতো অন্ধকারময়। সকালে মানুষ মুমিন থাকবে, সন্ধ্যায় কাফির হয়ে যাবে; সন্ধ্যায় মুমিন থাকবে, সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামান্য স্বার্থের বিনিময়ে সে তার দ্বীন বিক্রি করে দেবে।” -সহিহ মুসলিম: ১১৮, আবু দাউদ: ৪২৫৯, তিরমিযী: ২১৯৫
এই হাদিসে কুয়াশাকে “دُّجَى” (দুজা) বলা হয়েছে, যার অর্থ ঘন কুয়াশা বা ঘোর অন্ধকার। এই কুয়াশার উপমা দিয়ে বোঝানো হয়েছে, ফিতনা এতটাই ঘন ও বিভ্রান্তিকর হবে যে মানুষ ঠিক বুঝতে পারবে না কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা, ঠিক যেমন ঘন কুয়াশায় পথ হারিয়ে ফেলে।
তাই যখন আমরা সকালের কুয়াশা দেখে মুগ্ধ হচ্ছি, তখন এই হাদিসটাও একটু স্মরণ করতে পারি, আর মনে মনে প্রতীজ্ঞা করতে পারি, “এই সুন্দর কুয়াশা একদিন যদি আমাদের ঈমানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে যেন আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে হেদায়েতের সঠিক পথটা চিনে নিতে পারি।”
আল্লাহ তাআ'লা আমাদের সবাইকে ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
ধন্যবাদ আপনাকে হাদিসের কথাটা জিজ্ঞেস করার জন্য।
৩|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৪৩
আরোগ্য বলেছেন: আমাদের এখানে পরিবেশ বেশ রৌদ্রজ্বল। ভোরেই সূর্যের দেখা মিলে যদি উত্তাপ তেমন প্রখর নয়।
লেখায় সাহিত্যিক ব্যঞ্জনা ভালো লাগলো।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:০৮
নতুন নকিব বলেছেন:
সাত সকালে হঠাৎ কুয়াশার সাক্ষাতে আজ মনটা ভরে গিয়েছিল। ছবিটা তখন তুলে রেখেছিলাম। এই ক্ষুদ্র লেখা আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।
"আমাদের এখানে", বলতে কি ঢাকা বুঝিয়েছেন?
৪|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২৭
মেঘনা বলেছেন: প্রভাত, আলতো চুম্বন, বিরহী গান, প্রেমিকার চোখ --- লেখায় এত অনৈকস্লামিক ভাবা বেগের আধিক্য কেন ?
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৩০
নতুন নকিব বলেছেন:
ইসলাম তো প্রেম, ভালোবাসা, দয়ামায়া আর বিশ্ব মানবতাকে হৃদ্যতায় জড়িয়ে রাখারই ধর্ম বিশ্বাস। ইসলাম বৈধ প্রেম নিষেধ করে না, হারাম সাব্যস্ত করেছে শুধুমাত্র অনৈতিক এবং নিষিদ্ধ সব সম্পর্ককে।
প্রাক ইসলামী যুগের আরবি প্রেমের কবিতা সাবআয়ে মুয়াল্লাকা পড়েছেন?
৫|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ছবিটা দেখে কেন জানি, সরু চালের গরম ভাত সাথে হাল্কা গরম ঘি আর নতুন আলু দিয়ে দেশি মুরগির পাতলা ঝোল খেতে ইচ্ছে করছে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৫৬
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনার রুচি গ্রাম বাংলার চিরন্তন প্রতিচ্ছবিকেই তুলে ধরে। আয়োজন করে জানালে অবশ্যই ধন্যবাদের সাথে গৃহীত হবে। ![]()
৬|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:০৮
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, জুল ভার্ণের গার্বেজ পোষ্টে আপনি নীচের কমেন্ট করেছেন,
"৭ নভেম্বরের সৈনিক-জনতার অমর সংহতি আজও আমাদের রক্তে আগুন ধরায়। ফ্যাসিবাদ রুখতে এই অমর চেতনা জাগ্রত রাখতে হবে। ধন্যবাদ। '
আপনার ডোডো মগজের অবগতির জন্য বলছি, ৭ই নভেম্বর "কর্ণেল তাহের ২য় পাল্টা ক্যু করে, মুক্তিযোদ্ধা জেনারেল খালেদ মোশাররফ হত্যা করে। ১ জন মুক্তিযোদ্ধা জেনারেলকে হত্যা করা বিপ্লব ছিলো? আপনি রাজাকার ছাড়া অন্য কিছু নন।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:১৮
নতুন নকিব বলেছেন:
The wise traveler smiles at the barking dog and urges the camels onward.
গার্বেজ -এর বুঝতে সমস্যা হতে পারে বিধায় বাংলা ভাবার্থটা দিয়ে দিচ্ছি - "জ্ঞানী পথিক হেসে ওঠে ঘেউঘেউ করা কুকুরের দিকে, আর উটগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যায়।"
৭|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:০৩
আফলাতুন হায়দার চৌধুরী বলেছেন: আপনার সুন্দর পোষ্ট, দারুন ভাষার লেখনী দেখে কমেন্ট করতে এলাম।
দেখি এই সারমেয়, নুনুগাজী না চনুগাজী, খবিসের-পুত-খবিস আইসা গীবত কমেন্ট বসায়া দিলো।
রুচি নষ্ট হইয়া গেলো।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:২২
নতুন নকিব বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য। কিছু দ্বিপদী অমানুষ আছে যেগুলো পশুরও অধম। এগুলোর জন্য উপদেশ নহে।
৮|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৩৯
জুল ভার্ন বলেছেন: চমৎকার ছবির সাথে অসাধারণ অনুভূতির বর্ণনা!
আপনার লেখায় সকালের কুয়াশা যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে- প্রকৃতি, আলো, শিশির আর আবেগ একে অন্যের সঙ্গে মিশে গিয়ে এক স্বপ্নিল দৃশ্য এঁকেছে। যেন কোনো কবির তুলিতে আঁকা রূপকথার প্রভাত!
এই শব্দগুলো পড়তে পড়তে মনে হলো- শীতের আগমনী কুয়াশা নয়, বরং এক নরম নিঃশব্দ ভালোবাসা ধীরে ধীরে মনের জানালায় এসে বসেছে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:১৬
নতুন নকিব বলেছেন:
আহা, কী অসাধারণ মন্তব্য!
আপনার এই মন্তব্যটা পড়ে আমার বুকের ভিতরটা যেন সেই কুয়াশার মতোই ভিজে গেল অদ্ভুত এক আনন্দে।
আমি তো মাত্র কয়েকটা শব্দ সাজিয়েছিলাম, কিন্তু আপনি সেগুলোকে রূপকথার ক্যানভাসে তুলে দিলেন, প্রকৃতি, আলো, শিশির, আবেগ সবকিছুকে একসঙ্গে জড়িয়ে এমন একটা ছবি এঁকে দিলেন যে আমি নিজেই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি।
“নরম নিঃশব্দ ভালোবাসা ধীরে ধীরে মনের জানালায় এসে বসেছে” -এই একটা লাইনেই যেন আমার পুরো লেখাটা নতুন জীবন পেয়ে গেল।
অশেষ ধন্যবাদ, আপনাকে।
৯|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:০০
বাজ ৩ বলেছেন: চমৎকার লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো,পড়েছিলাম অনেক আগেই, কিন্তু কমেন্ট করতে দেড়ি হয়ে গেলো।জুলভার্ন ভায়ের কমেন্ট ভালো লেগেছে,আর বালবাকনা জেনারেশনের কমেন্ট খারাপ লেগেছে।বাজে কমেন্ট করে মনটাই নষ্ট করে দিয়েছে।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:১৯
নতুন নকিব বলেছেন:
অসাধারণ হৃদ্যতার ছোঁয়ায় বিমুগ্ধতা ঝরে পড়া কমেন্টের জন্য কৃতজ্ঞতা অনিঃশেষ। সামান্য এই লেখা আপনার কাছে চমৎকার মনে হয়েছে জেনে আনন্দিত।
অনেক অনেক শুভকামনা।
১০|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৩১
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
সব রাজাকার, সব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা যেকোন মুক্তিযোদ্ধা হত্যায় উৎসাহিত হয়েছিলো; জেনারেল খালেদ মোশার্ফ ২ নং সেক্টরের কামন্ডার ছিলেন; আপনিও জঘন্য ইসলামিক স্কলার, যিনি এই মুক্তিযোদ্ধার হত্যা দিবসে পায়খানার বিপ্লব বলছেন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্নের সাথে মিলে! এজন্য শেখ হাসিনা নিজামী, মুজাহিদ ও মীর কাশিম আলীকে ঝুলায়েছিলো।
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৫৯
নতুন নকিব বলেছেন:
জেনারেশন একাত্তর,
আপনার মতো কীট আর জোকার যখন মুক্তিযুদ্ধের নামে হাগে, তখন বোঝা যায় ৭১-এর রাজাকাররাও আপনার থেকে অনেক সভ্য ছিল। আপনার লাগাতার অসংলগ্ন আচরণে অনেকেই বিশ্বাস করতে বাধ্য হচ্ছে, আপনি তো দূরের কথা, আপনার বাপ-দাদারাও যুদ্ধের মাঠে ছিল না। অন্যকে খোচা দেওয়ার আগে আয়নায় নিজের চেহারাটা একবার দেখে নিতে হয়, পাগল!
যা হোক, ছাগলরে যে উপদেশ দিয়ে লাভ নেই এটা আমার ভালো করেই জানা আছে। ভুয়া, ভন্ড, কপটরা অন্যদেরও একইরকম ভেজাল মাল ভাববে, এটাই স্বাভাবিক।
১১|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ১২:০৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এই মাসের শেষের দিকে আমরা কয়েকজন মিলে এক বন্ধুর পরিত্যক্ত গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পিকনিক করবো।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৫০
নতুন নকিব বলেছেন:
চমৎকার পরিকল্পনা। তবে বন্ধুর গ্রামের পরিত্যক্ত বাড়িতে পিকনিক করতে গেলে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করবেন। কারণ, কোনো বাড়ি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকলে সেখানে ফাঙ্গাস, পোকামাকড়সহ নানা ক্ষতিকর প্রাণী থাকা অস্বাভাবিক নয়। এমনকি সাপ বা বিচ্ছু ইত্যাদিও সেখানে বাসা বাঁধতে পারে।
ধন্যবাদ।
১২|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ ভোর ৬:৪৬
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: অসাধারন,ছবির জায়গাটা চেনা চেনা লাগে তবু যেনো অচেনা।চিরচেনা গ্রামবাংলার ই কোনো এক ভুখন্ড।আমাদের সামু ব্লগের একজন ব্লগার কোন পোস্টে কি মন্তব্য করতে হয় তাও জানেনা,অথচ তিনি মুরুব্বী! ![]()
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৫৬
নতুন নকিব বলেছেন:
আন্তরিক ধন্যবাদ চমৎকার হৃদ্যতাপূর্ণ মন্তব্যের জন্য। আপনার সুন্দর মন্তব্যটি খুবই ভালো লাগলো। সত্যিই, ছবিটা আমাদের চিরচেনা গ্রামবাংলারই এক টুকরো সৌন্দর্য, চেনা অথচ বারবার নতুন লাগে।
হাসিনার পলায়ন পর থেকে তিনি পুরোই বেশামাল। বিরক্তিকরভাবে বাজে মন্তব্য করার পুরনো বদ স্বভাব তো আছেই।
১৩|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ ভোর ৬:৫৪
আরোগ্য বলেছেন: 
আমাদের পুরান ঢাকার ভোরবেলা শেয়ার করার জন্য গতকাল আপনার প্রশ্নের উত্তর দেইনি। এই ছবিটি কিছুক্ষণ আগে সূর্যোদয়ের পর তোলা। আজকে খুব বাতাস ছিলো শেষ রাতে ভেবেছিলাম সূর্যের দেখা সহজে পাবো না।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৬
নতুন নকিব বলেছেন:
তাৎক্ষণিক উত্তর না দিয়ে অপেক্ষায় রাখা যে বুদ্ধিমত্তার পরিচয়, তা আপনার দক্ষ হাতে তোলা চমৎকার ছবিটির মাধ্যমে সুন্দরভাবেই প্রকাশ করেছেন। অসাধারণ ছবিটির জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।
ঢাকায় হালকা বাতাস বইতে দেখা, আমার কাছে সত্যিই ভাগ্যের মতো মনে হয়। এক সময়ের সবুজে ঘেরা এই নগরী ক্রমে কংক্রিটের জঙ্গলে পরিণত হচ্ছে। গাছপালা, পত্র-পল্লব, প্রকৃতির ছোঁয়া যেন হারিয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন।
এখানে টিকে থাকা মানে এখন সত্যিই যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা। পরিবেশের দিক থেকে ঢাকার বায়ুর মান বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ শহরগুলোর অন্যতম, যা আমাদের জীবনের জটিলতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আবারও ধন্যবাদ।
১৪|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ ভোর ৬:৫৬
আরোগ্য বলেছেন: দুঃখিত এভাবে উল্টো হয়ে ছবি পোস্ট হওয়ার রহস্য বুঝলাম না, আমার মোবাইলে তো ঠিকই আছে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:১৮
নতুন নকিব বলেছেন:
চিন্তার কিছু নেই। আপনার চমৎকার ছবিটি আমি সোজা করে এখানে আপলোড করছি-
ধন্যবাদ।
১৫|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:২৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন। সেটা জানতে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:২৭
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ।
১৬|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৩০
সৈকত৭১ বলেছেন: কোন গ্রামের ছবি।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৫৮
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে। এটি ঢাকার পার্শ্ববর্তী একটি জেলার একটি গ্রামের দৃশ্য।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লেখা ভালো হয়েছে ।