| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
ওরা এখনও ৭১-এর চেতনা ফেরি করে পার পেতে চায়
ষোলো বছর ধরে যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় ছিল, তারা দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজের প্রতিটি স্তরকে কলুষিত করেছে। গুম-খুনের রাজনীতি, দমন-পীড়নের শাসন, এবং দুর্নীতির জালে তারা গোটা জাতিকে বন্দি করে রেখেছিল। হাজারো পরিবার আজও তাদের প্রিয়জনের হদিস জানে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যে তরুণদের একসময় স্বপ্ন দেখার কথা ছিল, তাদের অনেকেই গুলিতে ঝরে গেছে।
এখন, সেই একই গোষ্ঠী আবার মুখে এনেছে ৭১-এর চেতনার বুলি। বের করেছে সেই পুরনো, মলিন পতাকা, যেটির রঙে লেগে আছে লুটের কালি, গুমের ছায়া আর বিদেশে পাচার করা টাকার দাগ। তারা চেঁচাচ্ছে, “রাজাকাররা জিতে গেছে!” বলে।
কিন্তু তাদের ছেলেমানুষি দেখে মানুষ হাসছে। কারণ, রাজাকাররা ১৯৭১ সালে হেরেছিল এদেশের মাটি ও মানুষের কাছে। আর ২০২৪ সালে হেরেছে তাদের প্রকৃত পৃষ্ঠপোষকরা, যারা “জয় বাংলা” বলতে বলতে স্বাধীনতার বিরোধীদের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছিল; যারা ভুয়া ভোটের আড়ালে নিজেদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করে আনন্দে বিভোর হয়েছিল; যারা মুক্তিযোদ্ধার কোটার নামে বাণিজ্য করেছে, যারা জঙ্গি নাটক সাজিয়ে নিরীহ নির্দোষ মানুষদের খুন করেছে, আর যারা তরুণ প্রজন্মের রক্তে রাজপথ ভিজিয়েছে।
আজ তাদের মিথ্যের পতাকা ছিঁড়ে গেছে, অবৈধভাবে আকড়ে থাকা মসনদ হারিয়েছে, আর মুখে আর্তনাদ ছাড়া কিছুই নেই। তাদের পতন ধ্বনি বাজিয়ে দেওয়া নতুন প্রজন্ম জেগে উঠেছে, যাদের হাতে পুরনো পতাকা নেই, রয়েছে আগুন। তারা রক্ত দিয়ে লিখেছে নতুন ইতিহাস, “যারা ৫৩ বছর ধরে ৭১-এর চেতনা বিক্রি করেছে, তাদের পরিণতি লেখা আছে ৫ আগস্টের রাস্তায়।”
আজ আর কেউ তাদের মিথ্যা চেতনা কিনবে না। ৭১-এর চেতনা এখন কোনো দলের সম্পত্তি নয়, এটি শহীদের রক্তে জ্বলন্ত আগুন, যা অন্যায় ও প্রতারণার গলা চেপে ধরেছে।
এখন তাদের জন্য একটাই বার্তা, বাগাড়ম্বর ছেড়ে দাও, মুখ ঢেকে নাও, লজ্জায় মাথা অবনত করে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাও। মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে শেখো, এই বাংলাদেশ আর কারো বাপের জমিদারি নয়। এই আকাশ, এই মাটি, সবই জনগণের। কোন ফ্যাসিবাদী দানবের পৈত্রিক দান দক্ষিণা নয়।
জয় হোক সেই ছাত্র-জনতার, যারা প্রমাণ করেছে, স্বাধীনতা কোনো দলের নয়, স্বাধীনতা রক্তে লেখা এক চিরন্তন সত্য।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:২৬
নতুন নকিব বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ইহা পৃষ্ঠপোষকেরা আর চেতনা ব্যবসায়ীরা ভালো বলতে পারবেন, তারা স্বাধীনতা বিরোধী কার কার সাথে আঁতাত করেছেন!
২|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:১০
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
১৯৭১ সাল হলো বাংলাদেশের জন্মের সাল, ইহা বাংগালীেদের গৌরব; ইহাতে হেরেছে পাকীরা ও তাদের বাংগালী দোসর রাজাকার, জামাত-শিবির।
আপনি কোন পক্ষের হয়ে ইহাকে নিয়ে গৌরব অনুভব করেন? রাজাকর জামাতের হয়ে?
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:১৪
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি কি রাজাকারের দলের?
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:১৭
নতুন নকিব বলেছেন:
আমার পরিচয় নতুন করে দেওয়ার কিছু নেই, আমি বাংলাদেশের সন্তান, এই মাটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:১৮
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনার পরিচয় নিজে ঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারছেন? না কি, এটাতেও দুই নম্বরি আছে?
৩|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:১৯
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
না, আমি রাজাকার দলের নই; আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের।
আপনি দাবী করুণ যে, আপনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের!!! ব্লগার সবাই হাসবে: ভুয়া, মেঠোপথ, সবাই হাসবে।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২৪
নতুন নকিব বলেছেন:
আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের- এটা নতুন করে বলার বিষয় নহে। এতে ব্লগারদের কেউ হাসবেন বলেও মনে করার কিছু নেই। আপনি নিজের মনের দুর্বলতা ব্লগারদের উপরে চাপিয়ে দিচ্ছেন।
তবে আমি সবসময়ই আপনাদের মিথ্যা চেতনা ব্যবসায়ের বিপক্ষে ছিলাম এবং আছি। মিথ্যা চেতনাজীবিদের চেয়ে রাজাকার ঢের উত্তম।
৪|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২০
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
সবাই বাংলাদেশের সন্তান, আপনিও তাতে আছেন; একাত্তরের বেলায় আপনি পাকিদের পক্ষের বাংগালী সন্তান,
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২৫
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি "পাকি বীর্যের উৎপন্ন ভয়ঙ্কর গড়ল মাল"- সরল স্বীকারোক্তিটা করলেই পারেন। ধন্যবাদ।
৫|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২৩
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
আমার ব্যাপারে ২ নম্বরী নেই; আমার মনে সারাক্ষণ আছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধার সনদ।
আপনার আছে "রাজাকার সনদ, ২০২৪ সালের ক্যু'এর সনদ"।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:২৭
নতুন নকিব বলেছেন:
ভুয়া সনদ বিতরনের উৎসব করেছে মিথ্যা চেতনাবাজগণ। আপনার সনদ সঠিক তার প্রমান কী?
৬|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৩২
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
এই পোষ্ট আপনার রাজাকারী সনদ; আমার কমেন্টগুলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধাদের সনদ।
ক্যু করেছে ইউনুস, পাকী আইএসআই, আমেরিকান দুতাবাস ও জামাত-শিবির; আপনি উহাতে নিজকে জড়িয়েছেন।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৪৬
নতুন নকিব বলেছেন:
কিসের বালের ক্যু? এদেশের জনগণ খুনি ফ্যাসিবাদীদের হটিয়েছে, এটাই বাস্তব। লুটপাটকারী ভারতের সেবাদাস পা-চাটা গোলামদের ঝেটিয়ে বিদায় করেছে। এরপরে পাচারকারীরা সব পালিয়েছে।
আপনাদের মতো অপপ্রচারকারী মিথ্যাবাদী ফ্যাসিবাদের দোসরদের মাথায়ই এখন রাজাকারি সনদ ঘুরেফিরে আসে। রাজাকারি সনদ শুধু আপনার একার নহে, হয়তো আপনার চৌদ্দ গোষ্ঠীরই দরকার। ![]()
৭|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৫৪
জেনারেশন একাত্তর বলেছেন:
রাজাকারী সনদ রাজাকারদের, মোল্লা শফির, আপনার, ইউনুসের, জামাত-শিবির ও পাকীদের; বাংগালীদের আছে ১৯৭১, আপনার আছএ ২০২৪ সালের রাজাকারী সনদ।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:০০
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি যেহেতু রাজাকারের আচরণ করেই যাচ্ছেন। সুতরাং, রাজাকারি সনদ আপনারই প্রাপ্য। ইহাতে অন্য কারও অধিকার নেই।
![]()
৮|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:১০
বাজ ৩ বলেছেন: আজ থেকে জেনারেশন একাত্তরের নাম রাখছি জেনারেশন ট্রাক্টর।যিনি ব্লগের মধ্যে হাল চাষ করেন।
একাত্তরের চেতনা ধারীদের চেতনা ব্যবসা ছাড়া আর কোনো ব্যবসা নেই,ভাগ্যিস একাত্তর ঘটেছিলো!না ঘটলে বেচারারা বড় অসহায় হয়ে পড়ত।আর পাকিরা যদি যুদ্ধ ছাড়াই দেশ স্বাধীন করে দিত,তাহলে বেচারাদের কোনো ব্যবসা থাকতনা,পাকিদের ও একটা লাভ হতো,সুনাম হতো।পাকিরা সেটা না করে বদনাম কুড়িয়েছে,এর পেছনে দায়ী ছিলো পাকিদের অতি লোভ।
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৭
নতুন নকিব বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। কিন্তু উহা স্রেফ সাইকো। উহাকে কিছু বলে কোন লাভ নেই। হাজার বার বললেও লাভ নেই।
৯|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৭
মেঘনা বলেছেন: একজন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক সগর্বে স্পষ্টভাবে বলতে পারে - আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের।
কিন্তু,
একজন রাজাকার ( জামাত শিবির ) পক্ষের লোক স্পষ্টভাবে বলতে পারেনা আমি রাজাকারের পক্ষের। তাই তাদের মুখে কনডম পরে থাকতে হয়।
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১৪
নতুন নকিব বলেছেন:
কনডম তাইলে মুখেও যে পরা যায় এটা আপনার অভিজ্ঞতার কল্যানে আমাদের সকলের জানার সুযোগ হলো!
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
১০|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪৫
নতুন বলেছেন: কিন্তু তাদের ছেলেমানুষি দেখে মানুষ হাসছে। কারণ, রাজাকাররা ১৯৭১ সালে হেরেছিল এদেশের মাটি ও মানুষের কাছে। আর ২০২৪ সালে হেরেছে তাদের প্রকৃত পৃষ্ঠপোষকরা, যারা “জয় বাংলা” বলতে বলতে স্বাধীনতার বিরোধীদের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছিল; যারা ভুয়া ভোটের আড়ালে নিজেদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করে আনন্দে বিভোর হয়েছিল; যারা মুক্তিযোদ্ধার কোটার নামে বাণিজ্য করেছে, যারা জঙ্গি নাটক সাজিয়ে নিরীহ নির্দোষ মানুষদের খুন করেছে, আর যারা তরুণ প্রজন্মের রক্তে রাজপথ ভিজিয়েছে।
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে কোন কথা বলার অবকাশ নাই।
আয়ামীলীগ ক্ষমতায় ছিলো, দুনিতি করেছে, সন্ত্রাস করেছে তার জন্য জনগন তাদের ঘৃনা করবে।
তাই বলে ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কে ছোট করার চেস্টার কোন কারন নাই।
১৯৭১ এ মানুষ বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে জয়বাংলা বলেই যুদ্ধে গিয়েছিলো। সেটা অস্বিকার করার কিছুই নাই। আয়মালীগের ভুল ছিলো, বঙ্গবন্ধুর ভুল ছিলো। কিন্তু তার দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে সন্দেহ করার কিছু নাই।
শুধুই জামাতের নেতারাই বাংলাদেশ চায়নি। তারা মানুষ হত্যায় সাহাজ্য করেছে। তাদের আদর্শের মানুষেরাই মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ছোট করার চেস্টা করবে। জয় বাংলা শুনলে তাদের এলার্জ শুরু হবে।
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:৩৮
নতুন নকিব বলেছেন:
“রাজাকাররা ১৯৭১ সালে হেরেছিল, ২০২৪ সালে তাদের পৃষ্ঠপোষকরা হেরেছে।”
-ইতিহাসে কেউ চিরজয়ী নয়; জনগণেরও কিছু করার থাকে। কখনও কখনও পীঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যায়। ২০২৪-এ যারা পরাজিত হয়েছে, সেটা হয়েছে জনগণের রায়ে। জনমতকে অস্বীকার করে সব হেরেছে বললে বাস্তব বিকৃতি হয়। ধন্যবাদ।
“জয়বাংলা বলতে বলতে স্বাধীনতার বিরোধীদের সঙ্গে আঁতাত করেছিল।”
-ঠিক, সুযোগসন্ধানী রাজনীতি বাংলাদেশের বড় ক্ষতি করেছে। কিন্তু আঁতাতের দায় শুধু একদলের নয়; সব ক্ষমতালোভীরই আছে।
“ভুয়া ভোট, কোটা বাণিজ্য, জঙ্গি নাটক, দমন-নিপীড়ন।”
-জনগণ এসব দেখেছে এবং উপযুক্ত জবাবও দিয়েছে। আরও দিবে। সত্যিকার গণতন্ত্রে এসব অন্যায় টিকতে পারে না।
“১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই।”
-একদম ঠিক। মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নাতীত। তবে সেটার নাম নিয়ে রাজনীতি করে ফায়দা লোটাই আসল সমস্যা।
“আওয়ামী লীগ দুর্নীতি করেছে, তাই ঘৃণা পাবে।”
-একদম যৌক্তিক। মুক্তিযুদ্ধের দল হলেও অন্যায়ের দায় থেকে কেউ মুক্ত নয়।
“বঙ্গবন্ধুর ভুল ছিল, কিন্তু তাঁর দেশপ্রেম অস্বীকার করা যায় না।”
-ভালো বলেছেন। ভুল করা মানুষেরই স্বভাব, কিন্তু তাঁর দেশপ্রেম ছিল।
“শুধু জামাতই বাংলাদেশ চায়নি, তারাই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী।”
-এটা সত্য। জামায়াতের ভিন্ন চিন্তা ছিল। তারা অখন্ড পাকিস্তানের পকে্।
“জয় বাংলা শুনলে ওদের অ্যালার্জি।”
-জয় বাংলা শুধু স্লোগান নয়, এটা একসময় ঠিকই স্বাধীনতার চেতনা ছিল। কিন্তু স্বার্থবাদীরা এই স্লোগানটিকেও পচিয়ে ফেলেছে। এখন জয় বাংলা বললেই পরাজিত খুনী, ধর্ষনকারী, লুন্ঠনকারী, পাচারকারী, ফ্যাসিবাদের মুখচ্ছবি ভেসে ওঠে মানুষের চোখের সামনে।
আবারও ধন্যবাদ।
১১|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪৮
বাজ ৩ বলেছেন: @মেঘনা। ভাই রাজাকারের দল থেকে মুক্তিযোদ্ধের পক্ষের দলে যেতে চাই,এখন কি কি করা লাগবে? রাজাকারি ট্যাগ আর ভালো লাগেনা।শুনতেও খারাপ লাগে।তওবার কোনো পথ আছে কিনা ভাই? ![]()
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:০৬
নতুন নকিব বলেছেন:
উপযুক্ত লোকের কাছেই ফতোয়াটা চেয়েছেন। উনি আবার এই ট্যাগিং লাইনে পারফেক্ট লোক কি না, তাই আপনার সিলেকশনটা যথার্থ হয়েছে! অসংখ্য ধন্যবাদ।
১২|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:০৩
মেঘনা বলেছেন: @ বাজ ৩। একাত্তরের সংখ্যালঘু হত্যা, গণহত্যা, মা-বোনদের সম্ভ্রমহাত্যার জন্য,- যদি কিন্তু বাদ দিয়ে, জামাতকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলুন।
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:১৮
নতুন নকিব বলেছেন:
চেয়েছে তো। আপনি দেখেননি? অবশ্য, দেখেও অনেকেই না দেখার ভান করবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ, এটাই হচ্ছে চেতনার রাজনীতি। চোখে চেতনার চশমা পড়া থাকলে স্বাভাবিকভাবে দৃশ্যমান অনেক কিছুই দেখা যায় না। যাক, আপনার জন্য প্রথম আলো এবং এখন টিভির লিঙ্ক দিচ্ছি-
বিনা শর্তে ক্ষমা চাইলেন জামায়াতের আমির
আবারও জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন জামায়াতের আমির
EkhonTV
১৩|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:১৬
মাথা পাগলা বলেছেন: জামাত একমাত্র ইসলামিক দল যারা ৭১ এ বিশ্ব ইতিহাসে সর্বাধিক মুসলিম হত্যায় জড়িত। এসব ভুচুং-ভাচুং না করে ৭১ সালে কি আকাম-কুকাম করেছেন তার জন্য ক্ষমা চান। ৩০ লক্ষ হত্যা আর ২ লাখ ধর্ষণের জন্য মাফ চাইতে শরম লাগে? মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক দাবি করেন সাথে ২৫ কে ৭১ থেকে বড় করে দেখাতে চান। ইতিহাস বিকৃত করে গো আযমের বাংলা বলে স্লোগানও দেন আবার ৭১ এ মৃতের সংখ্যাও কমাইতে চান।
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:২২
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। ইতোমধ্যেই জামায়াতের আমীর ক্ষমা চেয়েছেন। তারপরেও যদি আপনার কাছে আরও পারফেক্ট কোন পদ্ধতি থাকে, সে বিষয়ে আপনি দলটিকে পরামর্শ দিতে পারেন।
১৪|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:১২
সৈকত৭১ বলেছেন: কেউ ধর্মের চেতনা ফেরি করে, কেউ রাজাকারের চেতনা ফেরি করে আর কেউ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফেরি। দিকে দিকে চেতনার ফেরিওয়ালা।
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:২৪
নতুন নকিব বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। প্রত্যেকেই কোন না কোন কিছুর ফেরিওয়ালা। এটাই পৃথিবীর নিয়ম।
১৫|
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:১৭
রাজীব নুর বলেছেন: আপনি দিন দিন বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছেন।
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৪৫
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। আমাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করতে ইচ্ছে হয়? করে দেন।
১৬|
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:১৮
নতুন বলেছেন: “শুধু জামাতই বাংলাদেশ চায়নি, তারাই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী।”
-এটা সত্য। জামায়াতের ভিন্ন চিন্তা ছিল। তারা অখন্ড পাকিস্তানের পকে্।
অখন্ড পাকিস্তান একটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো।
আমরা এখন স্বাধীন দেশের নাগরিক, বুক ফুলিয়ে বিদেশের মাটিতে চলি। আমাদের দেশের মানুষেরা পাকিস্তান/ ভারতের চেয়ে হাজার গুন শান্তিতে আছে।
তাই জামাতের আদর্শগত ভুল এবং সেই ভুল বিশ্বাসের সাথে তারা মানুষ হত্যা, নারী ধর্ষনের মতন কাজে পাকি আর্মিদের সাহাজ্য করেছে।
তাই এই জামাতীজাতীরা ঘৃন্যার পাত্র। তাদের মতবাদ বর্জন করতে হবে।
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:১৫
নতুন নকিব বলেছেন:
অখন্ড পাকিস্তানের পক্ষে থাকা ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো, সেটা বুঝতে পেরেছে বলেই তো তারা ক্ষমা চেয়েছে, চাচ্ছে। জামায়াতের আমীর প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তারা যে ক্ষমা প্রার্থনা করছে, তার জবাবে আপনি কি তাদেরকে ক্ষমা করবেন? না কি, চিরস্থায়ী মারামারি, কাটাকাটি জিইয়ে রেখে দেশকে অশান্ত করে রাখবেন, সেই সিদ্ধান্ত আপনার। আপনাকে এই সিদ্ধান্তটা অবশ্যই সুচিন্তিতভাবে বুঝে শুনে নিতে হবে, কারণ, তারাও এই দেশেরই নাগরিক। এদেশেই বসবাস করে। তাদেরকে তো দেশ থেকে বহিষ্কার করতে পারবেন না। না কি, পারবেন? যদি পারেন, বহিষ্কার করার কোন সুযোগ যদি থেকে থাকে, তাহলে দেশকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে সেটাও করতে পারেন। তাহলে জামায়াত মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হবে। কিন্তু আপনি যেটা বলেছেন, তারা ঘৃনার পাত্র, তাদেরকে ঘৃনা করতে হবে, সেটা হলে ঘৃনা বিদ্বেষ নিয়ে একই সমাজে বসবাস করে শান্তির আশা করা সুদূরপরাহত।
১৭|
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৪৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করত, তারা তো গেছে গা, কিন্তু এখন যারা আছে, তারা মুক্তিযুদ্ধকে ভারতীয় ষড়যন্ত্রের বাইরে কিছু কইতে চায় না। মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ভাঙা, চিহ্নিত রাজাকারদের পক্ষালম্বন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের দাবী সহ বহুকিছুই ঘটতেছে এখন। সেইগুলা নিয়ে কিছু কন!
১৪ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:১৬
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি বলেন। আপনার আলোচনা ভালো লাগে। ধন্যবাদ।
১৮|
১১ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:০৭
নতুন বলেছেন: অখন্ড পাকিস্তানের পক্ষে থাকা ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো, সেটা বুঝতে পেরেছে বলেই তো তারা ক্ষমা চেয়েছে, চাচ্ছে। জামায়াতের আমীর প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তারা যে ক্ষমা প্রার্থনা করছে, তার জবাবে আপনি কি তাদেরকে ক্ষমা করবেন? না কি, চিরস্থায়ী মারামারি, কাটাকাটি জিইয়ে রেখে দেশকে অশান্ত করে রাখবেন, সেই সিদ্ধান্ত আপনার। আপনাকে এই সিদ্ধান্তটা অবশ্যই সুচিন্তিতভাবে বুঝে শুনে নিতে হবে, কারণ, তারাও এই দেশেরই নাগরিক। এদেশেই বসবাস করে। তাদেরকে তো দেশ থেকে বহিষ্কার করতে পারবেন না। না কি, পারবেন? যদি পারেন, বহিষ্কার করার কোন সুযোগ যদি থেকে থাকে, তাহলে দেশকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে সেটাও করতে পারেন। তাহলে জামায়াত মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হবে। কিন্তু আপনি যেটা বলেছেন, তারা ঘৃনার পাত্র, তাদেরকে ঘৃনা করতে হবে, সেটা হলে ঘৃনা বিদ্বেষ নিয়ে একই সমাজে বসবাস করে শান্তির আশা করা সুদূরপরাহত।
তারা ভুল বুঝেছে এটা ভালো। তবে তাদের লজ্জা করা উচিত। যেই সন্তান তারা চায়নাই, মেরে ফেলতে চেয়েছে তার বাবা হতে চাওয়া বড়ই ছোটলোকি।
আর আপনার কি মনে হয় সেই সন্তানই কি চাইবে যে তার মা কে মেরে ফেলতে তাকে পিতা হিসেবে মেনে নিয়ে মাতামাতি করতে।
জামাতী ফিলোসোফির প্রতি ঘৃন্যা বাংলাদেশীর থাকবেই। যারা ভালো মানুষ তারা জামাতী ফিলোসফি বাদ দিয়ে অন্য তরিকায় ইসলামী শাসন ব্যবস্থার আন্দলোন করুক।
১৪ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:১৭
নতুন নকিব বলেছেন:
ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।
১৯|
১২ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:৫০
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম।
কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
১৪ ই নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:১৭
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:২২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রাজাকাররা ১৯৭১ সালে হেরেছিল দেশের মাটি ও মানুষের কাছে। আর ২০২৪ সালে হেরেছে তাদের প্রকৃত পৃষ্ঠপোষকেরা, যারা ‘জয় বাংলা’ বলতে বলতে স্বাধীনতার বিরোধীদের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করেছিল;

স্বাধীনতার বিরোধী কারা ?