| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের দেশের মানুষ অসভ্য হিসেবেই পরিচিত।জোর করে যতই মিথ্যাচার করে নিজের দেশের মানুষকে সভ্য বলতে চান না কেনো তাতে বার বার ফুটে উঠবে নির্মম সত্যটি।
বাঙ্গালী এমন এক জাতি যারা প্রেমিকার সাথে চলাফেরার আগেই বিছানায় শোয়ানোর প্রস্তুতি নিয়ে রাখে।যৌনতা প্রতিটা মানুষের স্বভাবের একটি অংশ।যৌন প্রবৃত্তি আমরা সুন্দর ও মানবিক ভাবে দেখি না দেখি অসুন্দর ও নোংরামির ছলে।
সেদিন এক বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম পর্ণোগ্রাফি নিয়ে।সে বললো "দোস্ত এসব না,জোরাজুরি ভাবে সেক্স করে মানে রেপ টাইপ কিছু না হলে ভালোই লাগে না।এ টাইপ কিছু নেই?
বিশ্বাস করে যে বন্ধু এ কথা বলছিলো সে নিজে একজন ইমানদার দাবী করে।যার কাছে দুই লিঙ্গের সম্মতির যৌনতার চেয়ে জোরপূর্বক যৌনতাই বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।
আমাদের দেশে এখন প্রকাশ্যেই নারী লাঞ্চিত হচ্ছে।নারী গাড়িতে ধর্ষিত হচ্ছে আবার জনসম্মুখে প্রকাশ্যে উদাল করে নিচ্ছে নারীকে।নারী এখন নিরাপদে নেই।ঘরে নিরাপদ নেই,বাইরে নিরাপদ নেই নারীদের।অচেনা অজানা পুরুষের কাছে যেমন নারী নিরাপদ না তেমনি চেনামানুষগুলোর কাছেও নারী নিরাপদে না।
ফেইসবুক সাইটে নারী নিরাপদ মনে করছে না নিজেকে।আবার অনেক সময় নারী নিজেকেই বিপদগামী করে তুলছে।নারী যেমন নিরাপদ নয় তেমনি নারীর কাছেও পুরুষ নিরাপদ নয়।যৌনতার ছলনা দিয়ে এখন নারী পুরুষদের বিপদে ফেলে দেয়।কেরিয়ার আর অর্থের লোভে তারা যৌনতার ফাঁদ পাতে।
সাম্প্রতিক যৌনতায় নতুন এক মাত্রা নিয়ে তোলপাড় চলছে।সমকামীতা নিয়ে আমরা বাঙ্গালীরা ছিঃছিঃ করে যাচ্ছি।কিন্তু এই সমকামীতা আমাদের এই বাংলায় বহু আগে থেকেই।অনেকেই পুরুষ আছে যারা কিশোরদের সাথে যৌনতা করে সুখ নিতে চায়;বহু নারীও তেমন।
অসংখ্য পুরুষ ও নারী আছে যারা স্বকামী কিন্তু ফেইসবুক সহ অফলাইনে ঘৃণায় বলে উঠে ছিঃ ছিঃ সমকামিতা খারাপ।প্রশ্ন করি ধর্ম মতে স্বকামীতা কি নিষিদ্ধ না?
বাঙ্গালী ছিঃছিঃ করতে পারে খুব সহজেই কিন্তু নিজেই যৌন তৃপ্তি নিতে চায় অন্যকে জোড় করে,নারীর দু'রানের মাঝখানে ফেড়ে ফেলতে চায় লালসার বেগে।সেদিক তবে সুন্দর তারা দুই স্ব-ইচ্ছায় সমকামীর বেশে।
০১ লা জুলাই, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৬
নিরীহ বালক০০৮ বলেছেন: আমি বলছি যে সকল ধর্মেই সমকামীতা নিষিদ্ধ তেমনি স্বকামীতা ও ধর্ষণ নিষিদ্ধ।আজ দেশে যে পরিমাণ ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি দেখছি তা খুবই লজ্বা জনক সে দিক থেকে সমকামী তুলনা মুলক অনেক ভালো।কারণ দুই জনের সম্মতিতে এটা হচ্ছে আর বিপরীতে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানিগুলো হচ্ছে জোর জবরদস্তির মাধ্যমে যাতে মন ও দেহের উপর চলছে অত্যাচার্।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে জুন, ২০১৫ সকাল ১০:৫৩
নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: ইসলাম কেবল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অর্থাৎ বৈধভাবে নারী এবং পুরুষের মধ্যে যৌনসঙ্গম অনুমোদন করে। একারণে সমকামী যৌনাচার ইসলামে নিষিদ্ধ। ইসলামের দৃষ্টিতে এটি একটি বিকৃত ও অত্যন্ত নিকৃষ্ট যৌনাচার যা নারী-পুরুষ যৌনতার স্বাভাবিকতাবিবর্জিত এবং যৌনতার মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে প্রজননের পরিপন্থী,যা সৃষ্টিগতভবে যৌনতার মৌলিক ও কেন্দ্রীয় উদ্দেশ্য। ইসলামের দৃষ্টিতে এটি ব্যভিচার ও পরকীয়া থেকেও খারাপ একটি কাজ।সমকামীযৌনাচারের কারণে অতীতে নবী লূত(আঃ)এর সম্প্রদায়কে আল্লাহ ধ্বংস করে দেয়ার সাবধানকারী ঘটনা কুরআনের একাধিক সূরা ও একাধিক হাদীসে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া নবী মুহাম্মদ(সাঃ) সমকামীদের অভিসম্পাত করেছেন,সমাজকে সমকামিতার প্রভাব থেকে মুক্ত করতে এদের হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন;এছাড়া চারখলিফাও এ ব্যাপারে একমত প্রকাশ করেছেন। সমকামিতা রোধ করার জন্য ইসলামে নারী পুরুষকে লিঙ্গ অনুযায়ী পোশাকীয় ও আচরণিক স্বকীয়তা বজায় রাখতে বলা হয়েছে এবং নারীকে পুরূষের বেশভুষা ও আচরণ এবং পুরুষকে নারীর বেশভুষা ও আচরণ অণুকরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।