নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃশব্দ আর্তনাদ

আমি অন্য কিছু কোরবো বলে তোমার কাছে এসে,আমি সবাই কেবল সবাই হয়ে যাই...।।

নিঃশব্দআর্তনাদ

নিঃশব্দআর্তনাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেয়াল

২৮ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:২১

(অবশেষে সময় হল মধু মিয়া শেষ করার )

হিহি হিহিহিহি হিহি হাসির শব্দে ঘুম ভাংলো মধু মিয়ার ।

আশে পাশে হাসে কে ?

ভাবতে ভাবতে মনে পড়লো গত কাল ১টা মোবাইল কেনা হয়েছিলো। শখ করেই এই রিং টোন টা দেওয়া হয়েছিলো।

কাজ টা তো যথেস্ট আগ্রহ নিয়ে করা হয়েছিলো, তাহলে হাসির শব্দ টা অপরিচিত লাগলো কেন ?

এই বয়সেই কি তাহলে মেমরি লোপ পেতে শুরু করেছে নাকি?

আচ্ছা এই ভাবে যদি ঘটনা ঘটতে থাকে,

তাহলে ঠিক কত দিন পর এই মধু মিয়া আর কোন কিছুই মনে রাখতে পারবে না তার ১টা সরল সমীকরন দার করাতে হবে।

তাতে অবস্য সুবিধা হবে।

পূরোপুরি আউট অব মেমরী হোওয়ার আগেই সব গুরুত্ত পুর্ন কাজ গুলো সেরে ফেলা যেতে পারে।

যদিও কোন মানুষ সব গুরুত্ত পুর্ন কাজ কখনোই শেষ করতে পারে না।

তার পরেও বেসির ভাগ সেরে ফেলা জেতে পারে, এটা নিয়া ১টা গবেসনা হোওয়া উচিত।

মেমরী লসের বেপার টা জানার পর ও কোন ধরনের মানুষ তার ব্যক্তি গত কাজ কত টুকু শেষ করতে পারেন মেমরী হারানোর আগ পর্যন্ত।

সেক্ষেত্রে মহিলাদের ও পুরুষের রেজাল্ট যে আকাশ পাতাল তফাত হয়ে দারেবে সেটা গবেসনা না করেই বলে দেওয়া যায়।

মহিলারা এটা জানার পর গুরুত্ত পুর্ন কাজ করার চেয়ে সেটাকে প্রচার করে বেরানোটা বেসি জরুরী মনে করবে।

যেমন ফোন করে বলবে এই জানিস অমুক দিনে না আমি পুরোপুরি আউট অব মেমরী হয়ে যাবোরে ,

তোদের মিস কোরবো অনেক (ঢপের কির্তন)।

আচ্ছা এই কি ভাবছি মাথা চারা দিয়ে উঠে বসে পরে মধু মিয়া।

আচ্ছা কে ফোন করলো তাকে, নতুন নাম্বার ইমরান ছারা কেও তো জানেনা।

কাল ই নেওয়া হল এই ভেবে ফোন হাতে নিতেই আবার হিহি হিহি করে হাসি দিয়ে বেজে উঠলো ফোন টা।

সবুজ বাটনে বল প্রয়োগের সাথে সাথেই (ণারী কন্ঠ) হেলো শুনেছো,

কিছুটা বিস্মিত হয়ে! নাগো, না বললে কি ভাবে শুনবো। ফোনের ওপাশ থেকে আচ্ছা ১ কাজ কর।

ফোনে এতো কথা বলা যাবে না, তারা তারী কেম্পাসে চলে আসো।মধু মিয়াও হ্যা শুচুক শব্দ করার সাথে সাথেই লাইন টা কেটে গেলো।

কেটে গেলো বলা যাবে না কেটে দিলো।ফোন টা রাখতে রাখতে মধু মিয়া ভাবলো (আচ্ছা এই নারী আমার নাম্বার জানলো কিভাবে)? আমি কার সাথেই বা কথা বললাম?

আর কোন কেম্পাসে ই বা যেতে বলল।

নারী কন্ঠের মাঝে এক শৈল্পিক ধরনের জাদু আছে,

যা শুনলে প্রাসঙ্গিক অনেক কিছুই আর বলা হয়ে উঠে না, শুধু শুনতেই ইচ্ছে করে।

আচ্ছা সব পুরুষের ক্ষেত্রেই কি এই রকম হয় নাকি মধুমিয়াই শুধু এমন ?

এটা নিয়েও ১টা গবেশোনা হওয়া উচিত, নারী কন্ঠ শুনলে পুরুষ জাতী কোথায় হারিয়ে যায়।

এইবার মোবাইল হাতে নিয়ে সময় দেখে তো মধু মিয়ার আক্কেল গুরুম ভার্সিটিতে যেতে হবে অযথা ভেবে শুধু শুধু সময়ের অপচয়।

আচ্ছা এই রকম অপ্রয়জনীয় ভাবনা গুলোই তার কাছেই আসে কেন আর মানুষ নাই ?

যাই হোক কেম্পাসের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে হাটা শুরু করলো মধু মিয়া।

অর্ধেক পথ হেটে আসার পর মনে পড়লো আজতো ক্লাস হবেনা, সাড়া দেশে হরতাল।

দেশের রাজ নৈতিক অবস্থা যা, এখন আর কিছুই আশা করা যায়না।

বর্তমান কিছু রাজনীতিবিদের সভাব অনেক টা বাড়ির আঙ্গিনায় বসবাস করা পোষা বিশেষ প্রাণীর মতই কামড়াকামড়ি।

পায়ের নিছে ছারা উপরে কামড়ানোর মত মুরোদ এদের নাই।

রাজনীতি নিয়ে ভেবে কাজ নেই, সেটা নিয়ে ভাবার মত অনেক লোক আছে,

আজ যেহেতু ক্লাশ হবেনা কি করা যায় সেটা নিয়ে ভাবতে হবে?

বাসা থেকে বের হয়ে গেছি, এখোন আর ফেরা সম্ভবনা, বিশেষ কোন কাজও তো নাই।

আগের বাসায় থাকতে এক বোউদির সাথে পরিচয় ছিলো, বঊদিটা খুব ভালো ।।

খুব আদর করতো মধুকে। বাসায় ভালো ভালো রান্না হলে প্রায় ই মধু কে ইনভাইট করে খাওয়াতো,

খুব ভাল ও বাসতো, ছোট ভাইয়ের মত।

বাসতোনা শুধু ওই এক জনই, বোউদির ছোট বোন টা। বাসার কোন কারন ও নেই।

এই সময় বঊদির বাসা প্রায় সময় খালি থাকে,

সময় কাটানোর জন্য বউদির বাসা থেকে ভালো জায়গা আর হতে পারেই না।

হাটছে মধুমিয়া বউদির বাসার উদ্যেশ্য, বাসাও খালি ।।

কলিং বেল টিপ দিতেই দরজা খুলার শব্দ হল ।।

বেপার কি একবার বাজাতেই দরজা খুলছে ,বাসায় কি তাহলে কেও আছে ?

সাধারনত এই সময় বউদি রান্না ঘরে থাকে।

সুতরাং দরজা খুলতে দেরি হওয়াটা সাভাবিক।।

সকল জল্পনা কল্পনা শেষ হল দরজা খুলতেই ।

দরজা খুলল বউদির ছোট বোন শিখা রানী।

মধু মিয়া নিজেকেই এক বার ধন্যবাদ দিলো, আজ বউদির বাসায় আসার জন্য।

না আসলে তো এই আগুনের দেখা পেতো না।।

আগুন বলার পেছনে ১টা কারন আছে, পৃথিবীতে অনেক রকমের সুন্দর আছে,

কিন্তু জীবন্ত আগ্নেও গীরির গলিত লাভার সুন্দর্যই আলাদা,

দূর থেকে উপভোগ করা যায়, কিন্তু কাছে যাওয়া জায় না। গেলেই জীবন নাশ।

সীখাও ঠিক সেই রকম। কাছকাছি যাওয়ার চেস্টা করলেই ঝলসে আঙ্গার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাটাই বেসি।

সীখার সাথে শেষ দেখা হয়েছিলো ২ বছর আগে, তখন সবে নবম শ্রেনীর ছাত্রী ছিলো।

সেই হিসেব করলে এখন সীখা একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী। আচ্ছা এই কয়েক দিনে কি ওর আচরনের কোন পরিবর্তন হয়েছে ?

নাকি আগের মতই আছে ।

দরজা খোলার সাথে সাথেই কেমন আছো সীখা ?

মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে বলল হুম, ভালো। আর কোন কথা বলার প্রয়োজন ই মনে করলোনা।

ঢুকার কিছুক্ষনের মধ্যেই বৌদি আসলো, ওমা একি মধু তুমি এতোদিন পর, কেমন আছো ভাই।

তোমার তো কোন খোজ খবর নাই।

জি ভালো আছি আপনি কেমন আছেন ??

আমরা সবাই ভালো আছি। ভাই বোস আমি রান্না বান্না শেষ করে আসতেছি অনেক কথা আছে তোমার সাথে।

সীখাকে আজ দেখতে আসবে, আমি বাসায় একা কি থেকে কি করি ।

তুমি এসেছো ভালো হল ।

বোস আমি আসতেছি । কথাটা শুনার পর থেকে খুব ১টা ভালো লাগলো না ।।

সোফায় বসার কিছুক্ষন পর সীখা আসলো হাতে সরবতের গ্লাস নিয়ে, এই ঠান্ডার মধ্যে সরবত ?

কি বেপার এত আপ্যায়ন ?

কথাটা শুনে জ্বলে উঠলো সিখা রাণী,

এই জ্বলে উঠাটা অনেকটা গ্যাসের চুলা অন করে দেয়াশলাইয়ের কাঠি দেওয়ার মত করেই, যেটাকে মধুদের গ্রামের ভাসায় বলে ছেত করে জ্বলে উঠা।

ভাববেন না আমি করেছি, দিদির কাজ এই সব, রান্না রেখে আসতে পারে নাই বলে আমাকে পাঠালো ।

হুম, কবে এসেছো ঢাকায় , শুনে কেমন করে যেন তাকালো, কবে এসেছি মানে।

আমি তো এখানেই থাকি, কবি নজরুলে ভর্তি হয়েছি ইন্টারে।

আমি কয়েক দিন আগেও তো এসেছিলাম তখন তো তোমাকে দেখি নাই।

বৌদি ও তো কিছু বলে নাই।

আপনি এমন কি ইম্পর্টেন্ট ব্যক্তি যে আমাদের ঘরের বিষয় ও আপনাকে জানাতে হবে?

খোচা মারার প্রবনতা একটুও কমেনাই। বুজতে বাকি রইলোনা, চারিত্রিক বৈশিস্টের দিক থেকে শিখা আগের মতই আছে, কোন পরিবর্তনে আসেনাই আর আসবেওনা হয়তো,সায়েন্সের ভাসায় যাকে বলে কনস্ট্যান্ট।

তাও ঠিক,

তো পড়াশুনা কেমন চলতেছে?

মুখ টা বাকা করে খুব শুন্দর করে বলল জানিনে?

মেয়েদের এই ১টা বৈশিস্ট, ভালো কথার বেসির ভাগ উত্তর ই তারা মুখ বাকা করে দেয় ।

সীমা ও তার ব্যতিক্রম না, এই বৈশিস্টটা সৃস্টি কর্তা প্রত্যেক টা মেয়ের মধ্যেই দিয়েছে ।

পৈত্রিক সম্পত্তির ব্যবহার মানুষ যেমন খুব ভালো ভাবে করে মেয়েরা ও মুখ বাকা করাটা ঠিক সেই ভাবে করে।

কেও কেও খুব বেসি ব্যবহার করে ,

কেও কেও খুব কম করে ,

কেও কেও করে হয়তো তবে সেটা চোখে পরে না।

কিন্তু না করে কেওই থাকতে পারে না।

সীমার এই ব্যাবহারটা টা খুব বেশি ই চোখে পরে।

শুনলাম বাসায় অতিথি আসবে আজ,

আপনার কি ?

না আমার কিছু না তোমার দিদি বলল শুনলাম।

তাহলে তো শুনেছেন ই আবার আমার কাছে জানতে চাচ্ছেন কেন?

কোন টপিক পাচ্ছিলাম না তো তাই ...!!!

টপিক নাই তো চুপ করে থাকেন ???

মেয়ে মানুষ এর সাথে কথা বলার জন্য মন এত ইশ পিশ করে কেন ?

আচ্ছা ইশ পিশ শব্দটার মানে কি?

জানিনে ।।

এই মেয়েটা এমন কেন , সুন্দর কথার উত্তর গুলো কেমন করে যেন দেয়,

এই ক্ষেত্রে প্রশ্ন কর্তার নিজের কাছে নিজেকে অসহায় মনে হয়।

নিজেকে খুব বেশি অসহায় লাগতেছে মধুর কাছে।



ণারীর সুন্দর্য হচ্ছে শালীনতা ও নিরবতায়। এর মানে এই নয় যে পুরুষ জাতী অশালীন থাকবে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে আদম জাতীকে অশালীন হতেই হয়। এটাই জগতের নিয়ম।

তবে সে অশালীনতার ও একটা সুন্দর্য আছে, তবে তার চেয়ে প্রয়োজনিয়তাটাই ঢের বেশি।

তা না হলে বাশর রাত তো দুরের কথা সারা জীবনেও বিড়াল মারাটা যে আর হয়ে উঠবে না।

এক্ষেত্রে অবশ্য এই যুগের ছেলেদের অভিজ্ঞতার ঝুলি মাশাল্লাহ, প্রশংসনীয়।

বিড়াল মারার জন্য তারা বাশর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে না।

পার্কের ছোট্ট কোন চিপা চাপা, অথবা একটু ঝোপঝার পেলেই এনাফ, বিড়াল মারতে তাদের কোন হাতিয়ারের ও প্রয়োজনই হয় না।

বজ্র কন্ঠের সেই ভাসনের মত, যার যা কিছু আছে(God Gifted) তাই নিয়েই ঝাপিয়ে পড়ে।



কিন্তু সেই শালীনতা ও নিরবতার পুরোই উলটো আমাদের সিখা রানী।

আমাদের বলা ঠিক হবে না , বৌদিদের শিখা রানী।

সকল নিরবতা ভেঙ্গে সিখা বলল কি করেন এখন ?

কিছুনা। মানে শুধু পড়াশুনা নিয়েই তো আছি। এর বাইরে তো আর কিছু করার সময় পাইনে।

বাহ তাহলে তো আপনাকে সেলাম করা উচিত।

কেন ?

এই যে চব্বিশ ঘন্টাই পড়েন।

কে বলল তোমারে আমি চব্বিশ ঘন্টাই পড়ি ?

আপনি তো বললেন পড়াশুনার জন্য সময় পাচ্ছেন না। চব্বিশ ঘন্টা না পড়লে তো সময় থাকার কথা।

তোমাকে হয়তো আমার কথা গুলো বুঝাতে পারি নাই।

আমি ঠিক এটাই বুঝাতে চাই নাই, যা তুমি বুজেছো ।।

আপনার জীবনে আপনি কোন কথাটা মানূষকে বুঝাতে পেরেছেন ?

সব কথাই সবাইকে বুঝাতে পেরেছি, শুধু তোমার বেলায় এসেই ব্যর্থ বলতে পারো।

ব্যর্থ বলা যাবেনা খানিকটা সঙ্কিত থাকি তো, তাই ভাবের বিশ্লেষন টা ঠিক হয়ে উঠেনা।

কেনো? সঙ্কিত কেনো ?

আবার যদি স্কুলের পানির ফ্লাস্ক দিয়ে তালুর মধ্যে বাড়ি দেও তাই সাজিয়ে গুছিয়ে বলতে গিয়েও এলোমেলো হয়ে যায় সব।

জসিমুদ্দিনের সেই কবিতার মত “গনিয়া গনিয়া ভুল করে, গনি সারা দিন রাত জাগি”।

আমার তো ভুল হয়েগেলে তা আবার পুনরায় সারাদিন রাত ধরে সংশোধনের সুযোগ নেই।

তোমার ও সেই সময় নেই।

আচ্ছা আমার বেলাই কেন এমন হয় বলতে পারেন ?



আচ্ছা তোমার কলেজের বিষয়ে তো কিছু বললে না, কেমন কাটছে কলেজ় লাইফ ??

সবার যেমন কাটে ???

হুম।

আর কোন কথা বলল না মধু, চুপ চাপ বসে রইলো ।।

কি বলবে ভেবে পাচ্ছিলো না , কি বলা উচিত সেটাও জানা নাই ??

আমি চললাম ,

ওমা, কেন ...!!

দিদি তো বলেছে যে আপনার সাথে কথা আছে। কথা শেষ না করেই চলে যাবেন?

সব কথা শেষ হতে নেই, কিছু কথা জমে থাকা উচিত।

আমি চাই তোমার মত তোমার দিদির কথা গুলো জমে থাক হাজার বছর ধরে ।

আপনার লাভ ?

সব কিছুতেই লাভ ক্ষতি হিসেব করলে জীবন চলতে পারে না,

এতে এই জীবন ব্যবস্থাটা থমকে যায়।

জীবনের কিছু কিছু অধ্যায়, ঘটনা, সম্পর্ক লাভ ক্ষতির বাহিরেই রাখতে হয়।

বাহ, আপনি তো অনেক বড় ধর্শনিক হয়ে গেছেন (দার্শনিক শব্দটার ক্রিটিছিজম)।

এই সল্প সুযুগটাও কাজে লাগাতে ভুল করলোনা মেয়েটা। খোচাটা মেরে দিলোই।

মুখ বাকা এক গাল হাসি দিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসলো মধু মিয়া। পেছন থেকে শীমা বৌদিকে ডাকতে থাকলো, দিদি দিদি ও দিদি।

এইবার উপলব্ধি করতে পারলো মধু মুখ বাকাটা শুধু মেয়েরাই করে তা না।

মাঝে মাঝে পুরুষ জাতী ও এটার খুব ভালো ব্যবহার করতে পারে।



বৌদি আর সিখার মতই মধুর মনেও কিছু কথা জমানো আছে যা জমানোই থাকবে আরো হাজার হাজার বছর ধরে।

শিখার সামনে দারিয়ে আর কখোনো বলা হবেনা।

এমনকি বলা উচিত ও না ।

কেননা ধর্মতত্তের এক বিশাল দেয়াল দারিয়ে আছে মাঝখানে।

যা একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের, এক জাতীর সাথে অন্য জাতীর পার্থক্য করে দেয়।

এই তত্তকেই সামনে রেখেই এক জন অন্য জনের সাথে,

এক জাতী অন্য জাতীর সাথে বিবেধ ও যুধ্যে লিপ্ত হয়।

যে যুধ্যে এই সময়ে কেওই জয়লাভ করতে পারে না। কেও বেশি খতিগ্রস্থ হয় কেও কম।

দুই পক্ষই ক্ষতির সম্মুখিন হয়। তৃতীয় পক্ষ নামে আরো ১টা পক্ষ থাকে যারা এর ধারেও নাই আবার পাছেও নেই। তাদের ক্ষতিটা, ক্ষতির মান্দন্ডে দুই পক্ষর থেকে বেশিই হয়ে থাকে।

নির্বোধের মত তারপরেও তারা যুধ্যে লিপ্তো হয়।



এটাও কি সৃস্টির কোন রহস্য কিনা কে যানে?



গবেশনা হওয়া উচিত।

গনগ

হিহি হিহিহিহি হিহি হাসির শব্দে ঘুম ভাংলো মধু মিয়ার ।

আশে পাশে হাসে কে ?

ভাবতে ভাবতে মনে পড়লো গত কাল ১টা মোবাইল কেনা হয়েছিলো। শখ করেই এই রিং টোন টা দেওয়া হয়েছিলো।

কাজ টা তো যথেস্ট আগ্রহ নিয়ে করা হয়েছিলো, তাহলে হাসির শব্দ টা অপরিচিত লাগলো কেন ?

এই বয়সেই কি তাহলে মেমরি লোপ পেতে শুরু করেছে নাকি?

আচ্ছা এই ভাবে যদি ঘটনা ঘটতে থাকে,

তাহলে ঠিক কত দিন পর এই মধু মিয়া আর কোন কিছুই মনে রাখতে পারবে না তার ১টা সরল সমীকরন দার করাতে হবে।

তাতে অবস্য সুবিধা হবে।

পূরোপুরি আউট অব মেমরী হোওয়ার আগেই সব গুরুত্ত পুর্ন কাজ গুলো সেরে ফেলা যেতে পারে।

যদিও কোন মানুষ সব গুরুত্ত পুর্ন কাজ কখনোই শেষ করতে পারে না।

তার পরেও বেসির ভাগ সেরে ফেলা জেতে পারে, এটা নিয়া ১টা গবেসনা হোওয়া উচিত।

মেমরী লসের বেপার টা জানার পর ও কোন ধরনের মানুষ তার ব্যক্তি গত কাজ কত টুকু শেষ করতে পারেন মেমরী হারানোর আগ পর্যন্ত।

সেক্ষেত্রে মহিলাদের ও পুরুষের রেজাল্ট যে আকাশ পাতাল তফাত হয়ে দারেবে সেটা গবেসনা না করেই বলে দেওয়া যায়।

মহিলারা এটা জানার পর গুরুত্ত পুর্ন কাজ করার চেয়ে সেটাকে প্রচার করে বেরানোটা বেসি জরুরী মনে করবে।

যেমন ফোন করে বলবে এই জানিস অমুক দিনে না আমি পুরোপুরি আউট অব মেমরী হয়ে যাবোরে ,

তোদের মিস কোরবো অনেক (ঢপের কির্তন)।

আচ্ছা এই কি ভাবছি মাথা চারা দিয়ে উঠে বসে পরে মধু মিয়া।

আচ্ছা কে ফোন করলো তাকে, নতুন নাম্বার ইমরান ছারা কেও তো জানেনা।

কাল ই নেওয়া হল এই ভেবে ফোন হাতে নিতেই আবার হিহি হিহি করে হাসি দিয়ে বেজে উঠলো ফোন টা।

সবুজ বাটনে বল প্রয়োগের সাথে সাথেই (ণারী কন্ঠ) হেলো শুনেছো,

কিছুটা বিস্মিত হয়ে! নাগো, না বললে কি ভাবে শুনবো। ফোনের ওপাশ থেকে আচ্ছা ১ কাজ কর।

ফোনে এতো কথা বলা যাবে না, তারা তারী কেম্পাসে চলে আসো।মধু মিয়াও হ্যা শুচুক শব্দ করার সাথে সাথেই লাইন টা কেটে গেলো।

কেটে গেলো বলা যাবে না কেটে দিলো।ফোন টা রাখতে রাখতে মধু মিয়া ভাবলো (আচ্ছা এই নারী আমার নাম্বার জানলো কিভাবে)? আমি কার সাথেই বা কথা বললাম?

আর কোন কেম্পাসে ই বা যেতে বলল।

নারী কন্ঠের মাঝে এক শৈল্পিক ধরনের জাদু আছে,

যা শুনলে প্রাসঙ্গিক অনেক কিছুই আর বলা হয়ে উঠে না, শুধু শুনতেই ইচ্ছে করে।

আচ্ছা সব পুরুষের ক্ষেত্রেই কি এই রকম হয় নাকি মধুমিয়াই শুধু এমন ?

এটা নিয়েও ১টা গবেশোনা হওয়া উচিত, নারী কন্ঠ শুনলে পুরুষ জাতী কোথায় হারিয়ে যায়।

এইবার মোবাইল হাতে নিয়ে সময় দেখে তো মধু মিয়ার আক্কেল গুরুম ভার্সিটিতে যেতে হবে অযথা ভেবে শুধু শুধু সময়ের অপচয়।

আচ্ছা এই রকম অপ্রয়জনীয় ভাবনা গুলোই তার কাছেই আসে কেন আর মানুষ নাই ?

যাই হোক কেম্পাসের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে হাটা শুরু করলো মধু মিয়া।

অর্ধেক পথ হেটে আসার পর মনে পড়লো আজতো ক্লাস হবেনা, সাড়া দেশে হরতাল।

দেশের রাজ নৈতিক অবস্থা যা, এখন আর কিছুই আশা করা যায়না।

বর্তমান কিছু রাজনীতিবিদের সভাব অনেক টা বাড়ির আঙ্গিনায় বসবাস করা পোষা বিশেষ প্রাণীর মতই কামড়াকামড়ি।

পায়ের নিছে ছারা উপরে কামড়ানোর মত মুরোদ এদের নাই।

রাজনীতি নিয়ে ভেবে কাজ নেই, সেটা নিয়ে ভাবার মত অনেক লোক আছে,

আজ যেহেতু ক্লাশ হবেনা কি করা যায় সেটা নিয়ে ভাবতে হবে?

বাসা থেকে বের হয়ে গেছি, এখোন আর ফেরা সম্ভবনা, বিশেষ কোন কাজও তো নাই।

আগের বাসায় থাকতে এক বোউদির সাথে পরিচয় ছিলো, বঊদিটা খুব ভালো ।।

খুব আদর করতো মধুকে। বাসায় ভালো ভালো রান্না হলে প্রায় ই মধু কে ইনভাইট করে খাওয়াতো,

খুব ভাল ও বাসতো, ছোট ভাইয়ের মত।

বাসতোনা শুধু ওই এক জনই, বোউদির ছোট বোন টা। বাসার কোন কারন ও নেই।

এই সময় বঊদির বাসা প্রায় সময় খালি থাকে,

সময় কাটানোর জন্য বউদির বাসা থেকে ভালো জায়গা আর হতে পারেই না।

হাটছে মধুমিয়া বউদির বাসার উদ্যেশ্য, বাসাও খালি ।।

কলিং বেল টিপ দিতেই দরজা খুলার শব্দ হল ।।

বেপার কি একবার বাজাতেই দরজা খুলছে ,বাসায় কি তাহলে কেও আছে ?

সাধারনত এই সময় বউদি রান্না ঘরে থাকে।

সুতরাং দরজা খুলতে দেরি হওয়াটা সাভাবিক।।

সকল জল্পনা কল্পনা শেষ হল দরজা খুলতেই ।

দরজা খুলল বউদির ছোট বোন শিখা রানী।

মধু মিয়া নিজেকেই এক বার ধন্যবাদ দিলো, আজ বউদির বাসায় আসার জন্য।

না আসলে তো এই আগুনের দেখা পেতো না।।

আগুন বলার পেছনে ১টা কারন আছে, পৃথিবীতে অনেক রকমের সুন্দর আছে,

কিন্তু জীবন্ত আগ্নেও গীরির গলিত লাভার সুন্দর্যই আলাদা,

দূর থেকে উপভোগ করা যায়, কিন্তু কাছে যাওয়া জায় না। গেলেই জীবন নাশ।

সীখাও ঠিক সেই রকম। কাছকাছি যাওয়ার চেস্টা করলেই ঝলসে আঙ্গার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাটাই বেসি।

সীখার সাথে শেষ দেখা হয়েছিলো ২ বছর আগে, তখন সবে নবম শ্রেনীর ছাত্রী ছিলো।

সেই হিসেব করলে এখন সীখা একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী। আচ্ছা এই কয়েক দিনে কি ওর আচরনের কোন পরিবর্তন হয়েছে ?

নাকি আগের মতই আছে ।

দরজা খোলার সাথে সাথেই কেমন আছো সীখা ?

মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে বলল হুম, ভালো। আর কোন কথা বলার প্রয়োজন ই মনে করলোনা।

ঢুকার কিছুক্ষনের মধ্যেই বৌদি আসলো, ওমা একি মধু তুমি এতোদিন পর, কেমন আছো ভাই।

তোমার তো কোন খোজ খবর নাই।

জি ভালো আছি আপনি কেমন আছেন ??

আমরা সবাই ভালো আছি। ভাই বোস আমি রান্না বান্না শেষ করে আসতেছি অনেক কথা আছে তোমার সাথে।

সীখাকে আজ দেখতে আসবে, আমি বাসায় একা কি থেকে কি করি ।

তুমি এসেছো ভালো হল ।

বোস আমি আসতেছি । কথাটা শুনার পর থেকে খুব ১টা ভালো লাগলো না ।।

সোফায় বসার কিছুক্ষন পর সীখা আসলো হাতে সরবতের গ্লাস নিয়ে, এই ঠান্ডার মধ্যে সরবত ?

কি বেপার এত আপ্যায়ন ?

কথাটা শুনে জ্বলে উঠলো সিখা রাণী,

এই জ্বলে উঠাটা অনেকটা গ্যাসের চুলা অন করে দেয়াশলাইয়ের কাঠি দেওয়ার মত করেই, যেটাকে মধুদের গ্রামের ভাসায় বলে ছেত করে জ্বলে উঠা।

ভাববেন না আমি করেছি, দিদির কাজ এই সব, রান্না রেখে আসতে পারে নাই বলে আমাকে পাঠালো ।

হুম, কবে এসেছো ঢাকায় , শুনে কেমন করে যেন তাকালো, কবে এসেছি মানে।

আমি তো এখানেই থাকি, কবি নজরুলে ভর্তি হয়েছি ইন্টারে।

আমি কয়েক দিন আগেও তো এসেছিলাম তখন তো তোমাকে দেখি নাই।

বৌদি ও তো কিছু বলে নাই।

আপনি এমন কি ইম্পর্টেন্ট ব্যক্তি যে আমাদের ঘরের বিষয় ও আপনাকে জানাতে হবে?

খোচা মারার প্রবনতা একটুও কমেনাই। বুজতে বাকি রইলোনা, চারিত্রিক বৈশিস্টের দিক থেকে শিখা আগের মতই আছে, কোন পরিবর্তনে আসেনাই আর আসবেওনা হয়তো,সায়েন্সের ভাসায় যাকে বলে কনস্ট্যান্ট।

তাও ঠিক,

তো পড়াশুনা কেমন চলতেছে?

মুখ টা বাকা করে খুব শুন্দর করে বলল জানিনে?

মেয়েদের এই ১টা বৈশিস্ট, ভালো কথার বেসির ভাগ উত্তর ই তারা মুখ বাকা করে দেয় ।

সীমা ও তার ব্যতিক্রম না, এই বৈশিস্টটা সৃস্টি কর্তা প্রত্যেক টা মেয়ের মধ্যেই দিয়েছে ।

পৈত্রিক সম্পত্তির ব্যবহার মানুষ যেমন খুব ভালো ভাবে করে মেয়েরা ও মুখ বাকা করাটা ঠিক সেই ভাবে করে।

কেও কেও খুব বেসি ব্যবহার করে ,

কেও কেও খুব কম করে ,

কেও কেও করে হয়তো তবে সেটা চোখে পরে না।

কিন্তু না করে কেওই থাকতে পারে না।

সীমার এই ব্যাবহারটা টা খুব বেশি ই চোখে পরে।

শুনলাম বাসায় অতিথি আসবে আজ,

আপনার কি ?

না আমার কিছু না তোমার দিদি বলল শুনলাম।

তাহলে তো শুনেছেন ই আবার আমার কাছে জানতে চাচ্ছেন কেন?

কোন টপিক পাচ্ছিলাম না তো তাই ...!!!

টপিক নাই তো চুপ করে থাকেন ???

মেয়ে মানুষ এর সাথে কথা বলার জন্য মন এত ইশ পিশ করে কেন ?

আচ্ছা ইশ পিশ শব্দটার মানে কি?

জানিনে ।।

এই মেয়েটা এমন কেন , সুন্দর কথার উত্তর গুলো কেমন করে যেন দেয়,

এই ক্ষেত্রে প্রশ্ন কর্তার নিজের কাছে নিজেকে অসহায় মনে হয়।

নিজেকে খুব বেশি অসহায় লাগতেছে মধুর কাছে।



ণারীর সুন্দর্য হচ্ছে শালীনতা ও নিরবতায়। এর মানে এই নয় যে পুরুষ জাতী অশালীন থাকবে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে আদম জাতীকে অশালীন হতেই হয়। এটাই জগতের নিয়ম।

তবে সে অশালীনতার ও একটা সুন্দর্য আছে, তবে তার চেয়ে প্রয়োজনিয়তাটাই ঢের বেশি।

তা না হলে বাশর রাত তো দুরের কথা সারা জীবনেও বিড়াল মারাটা যে আর হয়ে উঠবে না।

এক্ষেত্রে অবশ্য এই যুগের ছেলেদের অভিজ্ঞতার ঝুলি মাশাল্লাহ, প্রশংসনীয়।

বিড়াল মারার জন্য তারা বাশর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে না।

পার্কের ছোট্ট কোন চিপা চাপা, অথবা একটু ঝোপঝার পেলেই এনাফ, বিড়াল মারতে তাদের কোন হাতিয়ারের ও প্রয়োজনই হয় না।

বজ্র কন্ঠের সেই ভাসনের মত, যার যা কিছু আছে(God Gifted) তাই নিয়েই ঝাপিয়ে পড়ে।



কিন্তু সেই শালীনতা ও নিরবতার পুরোই উলটো আমাদের সিখা রানী।

আমাদের বলা ঠিক হবে না , বৌদিদের শিখা রানী।

সকল নিরবতা ভেঙ্গে সিখা বলল কি করেন এখন ?

কিছুনা। মানে শুধু পড়াশুনা নিয়েই তো আছি। এর বাইরে তো আর কিছু করার সময় পাইনে।

বাহ তাহলে তো আপনাকে সেলাম করা উচিত।

কেন ?

এই যে চব্বিশ ঘন্টাই পড়েন।

কে বলল তোমারে আমি চব্বিশ ঘন্টাই পড়ি ?

আপনি তো বললেন পড়াশুনার জন্য সময় পাচ্ছেন না। চব্বিশ ঘন্টা না পড়লে তো সময় থাকার কথা।

তোমাকে হয়তো আমার কথা গুলো বুঝাতে পারি নাই।

আমি ঠিক এটাই বুঝাতে চাই নাই, যা তুমি বুজেছো ।।

আপনার জীবনে আপনি কোন কথাটা মানূষকে বুঝাতে পেরেছেন ?

সব কথাই সবাইকে বুঝাতে পেরেছি, শুধু তোমার বেলায় এসেই ব্যর্থ বলতে পারো।

ব্যর্থ বলা যাবেনা খানিকটা সঙ্কিত থাকি তো, তাই ভাবের বিশ্লেষন টা ঠিক হয়ে উঠেনা।

কেনো? সঙ্কিত কেনো ?

আবার যদি স্কুলের পানির ফ্লাস্ক দিয়ে তালুর মধ্যে বাড়ি দেও তাই সাজিয়ে গুছিয়ে বলতে গিয়েও এলোমেলো হয়ে যায় সব।

জসিমুদ্দিনের সেই কবিতার মত “গনিয়া গনিয়া ভুল করে, গনি সারা দিন রাত জাগি”।

আমার তো ভুল হয়েগেলে তা আবার পুনরায় সারাদিন রাত ধরে সংশোধনের সুযোগ নেই।

তোমার ও সেই সময় নেই।

আচ্ছা আমার বেলাই কেন এমন হয় বলতে পারেন ?

প্রশ্নটা শুনে মনে হল খুব কস্টিত (হটাত কস্ট পেলে মানুষের মনের অবস্থাযা হয় আরকি) হয়ে কথাটা বলল।

আচ্ছা তোমার কলেজের বিষয়ে তো কিছু বললে না, কেমন কাটছে কলেজ় লাইফ ??

সবার যেমন কাটে ???

হুম।

আর কোন কথা বলল না মধু, চুপ চাপ বসে রইলো ।।

কি বলবে ভেবে পাচ্ছিলো না , কি বলা উচিত সেটাও জানা নাই ??

আমি চললাম ,

ওমা, কেন ...!!

দিদি তো বলেছে যে আপনার সাথে কথা আছে। কথা শেষ না করেই চলে যাবেন?

সব কথা শেষ হতে নেই, কিছু কথা জমে থাকা উচিত।

আমি চাই তোমার মত তোমার দিদির কথা গুলো জমে থাক হাজার বছর ধরে ।

আপনার লাভ ?

সব কিছুতেই লাভ ক্ষতি হিসেব করলে জীবন চলতে পারে না,

এতে এই জীবন ব্যবস্থাটা থমকে যায়।

জীবনের কিছু কিছু অধ্যায়, ঘটনা, সম্পর্ক লাভ ক্ষতির বাহিরেই রাখতে হয়।

বাহ, আপনি তো অনেক বড় ধর্শনিক হয়ে গেছেন (দার্শনিক শব্দটার ক্রিটিছিজম)।

এই সল্প সুযুগটাও কাজে লাগাতে ভুল করলোনা মেয়েটা। খোচাটা মেরে দিলোই।

মুখ বাকা এক গাল হাসি দিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসলো মধু মিয়া। পেছন থেকে শীমা বৌদিকে ডাকতে থাকলো, দিদি দিদি ও দিদি।

এইবার উপলব্ধি করতে পারলো মধু মুখ বাকাটা শুধু মেয়েরাই করে তা না।

মাঝে মাঝে পুরুষ জাতী ও এটার খুব ভালো ব্যবহার করতে পারে।



বৌদি আর সিখার মতই মধুর মনেও কিছু কথা জমানো আছে যা জমানোই থাকবে আরো হাজার হাজার বছর ধরে।

শিখার সামনে দারিয়ে আর কখোনো বলা হবেনা।

এমনকি বলা উচিত ও না ।

কেননা ধর্মতত্তের এক বিশাল দেয়াল দারিয়ে আছে মাঝখানে।

যা একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের, এক জাতীর সাথে অন্য জাতীর পার্থক্য করে দেয়।

এই তত্তকেই সামনে রেখেই এক জন অন্য জনের সাথে,

এক জাতী অন্য জাতীর সাথে বিবেধ ও যুধ্যে লিপ্ত হয়।

যে যুধ্যে এই সময়ে কেওই জয়লাভ করতে পারে না। কেও বেশি খতিগ্রস্থ হয় কেও কম।

দুই পক্ষই ক্ষতির সম্মুখিন হয়। তৃতীয় পক্ষ নামে আরো ১টা পক্ষ থাকে যারা এর ধারেও নাই আবার পাছেও নেই। তাদের ক্ষতিটা, ক্ষতির মান্দন্ডে দুই পক্ষর থেকে বেশিই হয়ে থাকে।

নির্বোধের মত তারপরেও তারা যুধ্যে লিপ্তো হয়।



এটাও কি সৃস্টির কোন রহস্য কিনা কে যানে?



গবেশনা হওয়া উচিত।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.