নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Que sera, sera

আমি , আমার ভাবনা এবং আমার দেশ *আমার সোনার বাংলাদেশ ****** Life is not about counting the breaths you take it is measured by the moment that take your breath away***** ইমেইল: [email protected]

নতুন

ইমেইল [email protected] স্বপ্ন দেখি নতুন বাংলাদেশের, সোনার বাংলা।শখ ফটোগ্রফি, স্বাধ আছে বিশ্বদেখার। অবসর সঙ্গী আমার কম্পিউটার আর বই। ভালবাসি-আমার জানটুপুটুস কে, নিজেকে, আমার মা, মাটি আর দেশকে

নতুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

সরকার যদি ৩% হারে লোন দেয় দেশের প্রতিটি বাড়ীর ছাতে সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা করলে বিদ্যুের কস্টের অনেকটাই কিছুটা সমাধান হইতে পারে।

২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:০৬


দেশে বর্তমানে Net Metering Guideline–2025 অনুযায়ী অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া যায় এবং তা বিলের সঙ্গে সমন্বয় হয়। এটা খুবই ভালো একটা ব্যবস্থা, সরকারের উচিত এটাকে আরো উতসাহিত করা।

বর্তমানের ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের ফলে গ্যাস/তেলের ঝামেলা আগামী কয়েক মাসে কমার সম্ভবনা নাই।

কিন্তু সরকারী সাহাজ্য করলে প্রতিটি ছাদে বিদ্যুৎকেন্দ্র বানিয়ে অনেক পরিবার, দোকান, ব্যবসাপ্রতিস্ঠান, কারখানায় বিদ্যুত ঘাড়তি কমাতে পারে।

যদি সরকার ৩–৪% সুদে Solar Loan দেয়, তবে কয়েক মাসের মধ্যেই অনেক কম্পানি বাংলাদেশ কয়েক লাখ ভবনে সোলার প্যানেল+মিটার লাগিয়ে বিদ্যুতসের কস্ট কমাতে পারে।

বাংলাদেশে ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী প্রায় **৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার** রয়েছে।

এই বিশাল সংখ্যক পরিবারের একটি অংশের ছাদে যদি ২–৩ কিলোওয়াটের solar system বসানো যায়, তাহলে একটি নতুন ধরনের **distributed power generation network** তৈরি হতে পারে।

আমাদের দেশে যেমন ভারতীয় গরু আশা বন্ধ হয়ে যাবার ফলে দেশেই এখন অনেক খামারী উতপাদন শুরু করেছে তেমনি সরকার ৩%-৪% সুদে লোন দিলে সাধারণ মানুষও নিজের ছাদে বিদ্যুৎ উৎপাদক হবে।

সমস্যাটা কোথায়? : Solar panel-এর দাম গত কয়েক বছরে অনেক কমেছে। কিন্তু একটি সাধারণ পরিবারের জন্য একসঙ্গে ১.৫–২.৫ লাখ টাকা খরচ করা এখনও বড় সিদ্ধান্ত।

তাই আমার প্রস্তাব: Government-backed Solar Loan

সরকার সরাসরি সবার হাতে টাকা না দিয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে একটি বিশেষ **Solar Financing Scheme** চালু করতে পারে।

প্রস্তাবিত কাঠামো:

* সুদ: ৩–৪%
* ঋণের মেয়াদ: ৭–১০ বছর
* সরকার interest subsidy/guarantee দেবে
* ৮০–৯০% পর্যন্ত financing
* কম down payment
* approved solar company থেকে installation
* smart/net meter বাধ্যতামূলক
* system-এর warranty ও performance monitoring বাধ্যতামূলক

বর্তমানে IDCOL-এর renewable-energy financing-এ concessionary financing-এর মাধ্যমে ৬% হারে লোন দিচ্ছে এটাকে আমি ৩% – ৪% নামিয়ে এনে সবাইকে উদ্ভুধ্য করতে চাচ্ছি। তাই এটা নতুন কিছু না বরং বর্তমানের প্রয়োজনে সবাইকে উতসাহিত করতে কিছু নিতিগত পরিবর্তন মাত্র।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ: Net Metering

বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই Net Metering Guideline–2025 চালু করেছে। তাই সম্পূর্ণ নতুন ব্যবস্থা তৈরি করার প্রয়োজন নেই—বর্তমান ব্যবস্থাকে সাধারণ পরিবারের জন্য আরও সহজ ও বড় আকারে ব্যবহার করা দরকার।

ব্যবস্থাটি খুব সহজ:

দিনে
Solar panel বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
পরিবার প্রথমে নিজের প্রয়োজন মেটাবে।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ থাকলে:
Solar → Grid
অর্থাৎ সেই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় grid-এ চলে যাবে।
রাতে
Solar উৎপাদন না করলে পরিবার grid থেকে বিদ্যুৎ নেবে
Grid → House
Bi-directional/net meter দুই দিকের বিদ্যুতের হিসাব রাখবে।

বর্তমান net-metering ব্যবস্থায় grid-এ দেওয়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাসিক বিলের সঙ্গে সমন্বয় করা হয় এবং অতিরিক্ত credit পরবর্তী সময়েও carry করা যায়; বছর শেষে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অবশিষ্ট surplus-এর মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থাও রয়েছে।

এই প্রকৃয়াটা জনগনের জন্য লাভবান করতে হবে। যাতে সবার বিদ্যুতের খরচ কমে।

এবার আসল প্রশ্ন: কতটা বিদ্যুৎ তৈরি হতে পারে?
যদি সরকার একটি national programe চালু করল: প্রতি পরিবার = ৩ kW rooftop solar

একটি ৩ kW system থেকে বাংলাদেশে অবস্থান, roof orientation, weather এবং system efficiency অনুযায়ী বছরে আনুমানিক কয়েক হাজার kWh উৎপাদন হতে পারে।

আমাদের planning model-এ যদি প্রতিদিন গড়ে ১০–১২ kWh ধরা হয়, তাহলে: প্রতি পরিবার ≈ ৩,৬৫০–৪,৩৮০ kWh/year


| Solar নেওয়া পরিবার | মোট Solar Capacity | আনুমানিক বার্ষিক উৎপাদন | বাংলাদেশের মোট বিদ্যুতের আনুমানিক অংশ |
১০ লাখ | ৩ GW | ৩.৭–৪.৪ TWh | ~৩–৪% |
২০ লাখ | ৬ GW | ৭.৩–৮.৮ TWh | ~৭–৮% |
৫০ লাখ | ১৫ GW | ১৮–২২ TWh | ~১৭–২০% |
১ কোটি | ৩০ GW | ৩৬.৫–৪৩.৮ TWh | ~৩৪–৪১% |

জানি কাগজ কলমে অনেক লাভ দেখা যায় তবুও যদি ২০- ৫০ লাখ পরিবার কয়েক বছরে এই প্রকল্পের আওতায় এনে সোলার এনার্জীর ব্যবস্থা করা যায় তবে দেশের বিদ্যুত সমস্যার অনেক বড় একটা সমাধান হতে পারে, এবং মানুষের খরচাও কমে আসবে।

এখানে দুইটা জিনিস গুরুত্বপর্ন। সরকারের স্বইচ্ছা যে জনগনের পকেট থেকে বিদূতের খরচা কমানোর ইচ্ছা থাকতে হবে। আর সরকারী লোনের ব্যবস্থা করতে হবে নতুবা জনগনের পকেটে এতো টাকা নাই যে তারা এটা করতে পারবে।

কেন ৩% Solar Loan গুরুত্বপূর্ণ? যদিও বাঙ্গালী ফাউ পাইলে আলকার্তাও খায়। কিন্তু ফাও তো আর দেওয়া যায় না। B-) আর ৩% মোটামুটি ফাউই বলা চলে।

যদি একটা সোলার প্রজেক্টে ২-৩ লক্ষ টাকা খরচা হয় তবে ৩% লোনে টাকা যদি তারা ৬-৭ বছরে শোধ দেয় তবে মানুষ উতপাদিত বিদ্যুতে যে টাকা বেচে যাবে সেটার মাধ্যমেই প্রকল্পের অর্ধেক টাকা শোধ করতে পারবে। আর বর্তমানের সোলার প‌্যানেলের স্থায়ীত্ব অনেক লম্বা তাই ভবিষ্যতে সবার লাভই হবে।

দেশের সকল শহরের ড্রোন ভিডিও দেখলেই বুঝতে পারবেন কি পরিমান বাড়ী আছে যেখানে সোলার প্যানেল বসানো সম্ভব।

এই বাড়ীগুলির সব ছাদগুলোকে ছোট ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব যদি সরকার ৩–৪% সুদে দীর্ঘমেয়াদি লোনের ব্যবস্থা করে দেয়,এর সাথে net-metering system কে আরও সহজ জনগনের লাভ হয় সেই ভাবে পরিবর্তন করা হয়একজন সাধারণ মানুষ শুধু বিদ্যুৎ ভোক্তা থাকবে না সে নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, দরকার হলে সরকারী বিদ্যুত কিনে নেবে।


:- ছবি ইন্টারনেট। আইডিয়া আইছিলো সকালে কামাল ভাইয়ের ফেবু পোস্ট পইড়া। আর তথ্য দিছে: চ্যাটজিপিটি

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০২

সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: উত্তম পরামর্শ। আমি একমত।

২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

নতুন বলেছেন: এক কালিন ২-৪ লক্ষটাকা বেশির ভাগমানুষই বিনিয়োগ করবেনা।

কিন্তু যখন দেখবে সরকারী লোন নিলে বছরে ৬০০০ টাকা বেশি দিতে হবে, মাসে বিদ্যুত বিল কমে যাচ্ছে তখন কিস্তিও কস্ট লাগবেনা।

২| ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১২

শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: ভালো পরামর্শ। অনেক গার্মেন্টস ফ্যাক্টোরীতে এখন ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এরমাধ্যমে বিদ্যুৎ খরচ অনেকাংশে কমে আসে। তবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যবহারের জন্য যেসকল প্যানেল ব্যবহার করা হয় সেগুলো আকারে বড় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেশি, এগুলোর দামও বেশি। বাসা-বাড়িতে এগুলো স্থাপন করা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হবে।

২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১

নতুন বলেছেন: এটাকে সরকারী সাহাজ্যে সবার বাড়ী বাড়ী পৌছে দিতে হবে। সকল কারখানাতে লোন দিয়েও বাধ্যতামুলক করতে হবে।

আমাদের দেশে এখন গরুর খামারের অভাব নাই, ভারতের উপরে নির্ভর না। তেমনি আমাদের দেশেও সরকার নীতি পালটালে দেশেও সকল ভবনেই সোলার থাকবে।

৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: আপনাদের এইসব কথাবার্তা আমি বুঝি না।

২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩২

নতুন বলেছেন: আপনার আপা আজ দুপুরে কি দিয়ে লান্চ করেছে জানেন?

তিনি সম্ভবত আজ: -

আমুজ বুশ (Amuse-Bouche)
ঝালমুড়ি শট গ্লাসে — মুড়ি, চানাচুর, ধনেপাতা আর তেঁতুল জলের ছোট্ট স্বাদ, খাবার শুরুর আগে জিভে জল আনার জন্য

২. স্টার্টার
ফুচকা প্লেটার — ৫টা ফুচকা, তিন রকম পানি (তেঁতুল, পুদিনা, ঝাল) এবং আলু-ছোলার পুর সহ

৩. স্যুপ / প্রি-মেইন
মাছের ঝোল শট — হালকা ঝোল, ছোট কাপে সার্ভ, গরম গরম, পরের কোর্সের জন্য প্রস্তুত করার মতো

৪. মেইন কোর্স
কষা মাংস আর লুচি — ঝাল-মশলাদার মাটন কারি, গরম ফোলা লুচির সাথে; পাশে থাকবে আলুর দম এবং এক চিমটি সরষে ইলিশ (মাছপ্রেমীদের জন্য)

৫. ডেজার্ট
রসগোল্লা ডুয়ো — একটা ক্লাসিক রসগোল্লা, একটা সন্দেশ, সাথে সামান্য মিষ্টি দই — তিন রকম বাংলা মিষ্টির স্বাদ একসাথে

এই ৫ কোর্স মিল দিয়ে লান্চ করে এখন ঘুম দিচ্ছেন।

৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সরকার এত বড়ো স্কেলে না পারলেও যদি সোলার চার্জিং স্টেশন এবং ব্যাটারি বেকআপ/সোয়াপিং বাড়াতে পারে তাহলে অটো রিকশা চার্জের জন্য সুবিধা হবে ।

২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২৮

নতুন বলেছেন: ইচ্ছা করলে সরকার অবশ্যই পারে। সুরুটা সরকারকে তারপরে বেসরকারী ব্যবসায়ীরাই এটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

লাভ যেখানে থাকবে সেখানে গতি আসবেই।

এটা শুরু করতে হবে সরকারকে।

* ব্যাংকে বিনা সুদে এই প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সকল ব্যাংকে রিফাইনান্স করতে পারে এবং তাদের উপরে নির্দেশ থাকবে তারা ৩% চার্জ করবে।

* তখন ব্যবসায়ীরাই জনগনকে এই প্রকল্পে লোন পাইয়ে দিয়ে তাদের বাড়ী সোলার সিসটেম্স ইনিস্টল করে দেবে।

এখন নীতি নিদ্ধারকদের দেখতে হবে কিভাবে এই ০% টের লোনের অপব্যবহার যেন না হয়।

আমরা তো দূনিতিতে ১ নং তাই আগে সেটা নিয়ে ভাবতে হবে । B-))

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.