নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃশব্দ আর্তনাদ

আমি অন্য কিছু কোরবো বলে তোমার কাছে এসে,আমি সবাই কেবল সবাই হয়ে যাই...।।

নিঃশব্দআর্তনাদ

নিঃশব্দআর্তনাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিভ্রান্ত !!

৩০ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:১৯

সেই মেলা দিন আগের কথা, SSC পাশ করে ঢাকায় এসেছি পড়া শুনা করতে।। এক বড় ভাই বার্থডে গিফট হিসেবে একখানা সিম দিয়েছিলো।ঐ মুহুর্তে উহা পকেটে নিয়া ঘুরা ছাড়া আর তেমন কোন কাজে লাগানোর ব্যবস্থা ছিলো না ।মাঝে মাঝে এর, তার মোবাইলে ২-৪ মিনিটের জন্য সিম লাগিয়ে দেখতাম,

ফোন আসার যদিও কোন সম্ভবনা ছিলো না ।।তার পরেও খুব হেপিনেস কাজ করত নিজের মধ্যে, এই ভেবে যে আমিও এক খানা গর্বিত সিমের মালিক। অবশেষে অপেক্ষার প্রহর কাটলো সিম খানা ব্যবহারের জন্য মোবাইল ও পাইলাম তাও আবার সেকেন্ড হেন্ড।

তার বেশকিছু দিন পর আননোন নাম্বার থেকে ১টা SMS আসলো উহা যথেষ্ট রোমান্টিক ছিলো বটে। আর ঠেকায় কে সাথে সাথে কল দিলাম।মনের সুপ্ত বাসনা ছিলো ১টা নারী কন্ঠের হেলো শুনা, ঈশ্বর সে যাত্রায় আমাকে নিরাস করেন নাই।কিন্তু সেই ললনার কথা শুনিয়া খুব বেশি নিরাস হয়েছিলাম।কারন SMS টা নাকি ভুল ক্রমে চলে এসেছিলো।কিছুদিন পর আবার সেই নাম্বার থেকে আবার ১টা এসএমএস আসলো।আবার দিলাম ফোন এবার ও দুঃখ প্রকাশ কইরলো আপু।এরপর মাঝে মাঝে টুক টাক টেক্স করতাম ঊভয়েই উভয়কে খোজ খবর নেয়ার বেশি আর কিছু বলা হয়ে উঠতোনা।এক সময় জানতে পারলাম উনি লক্ষিবাজারের কাছা কাছি থাকেন।এই ভাবে বেশ কিছুদিন যাওয়ার পর একদিন দুপুরে টেক্স আসলো সেই নাম্বার থেকেঃ

কি করেন ?

বাসায় সুইয়া আছি,

আমি তো লক্ষিবাজারে আছি , আসতে পারবেন ??

কোন কিছু চিন্তা না করেই বলে দিলাম ২০ মিনিট ওয়েট করেন আসতেছি ।।

এর পর টেক্স পেলাম আহমেদ বার্গারে আসেন।

ব্যাস সারছে , পকেটে তো টাকা নাই কি করমু না গেলেও তো খারাপ দেখা যায়।

মানি ব্যগের চিপা চাপা খুইজ বহুত কস্টে কিছু টাকার ব্যবস্থা করেছিলাম,

জীবনে প্রথমবার কোন ললনার সাথে দেখা করতে গেলাম,

পকেটে মাত্র ১২৬ টাকা লইয়া ।।

যদিও সেই দিন বিল খানা সেই আপু ও তার বান্ধবিগন পরিশোধ করিয়া ছিলেন।

এই বার আসি মূল প্রসঙ্গে

সেই ললনার ১টা মামাত ভাই ছিলেন যিনি কিনা কানাডা থাকতেন ,

সেখানে ডাক্তারি করতেন।সম্ভবত তিনি সার্জিক্যাল ডাক্তার ছিলেন। দেশে আসার পর একদিন সেই ভাই আপুটার সব বন্ধুদের ইনভাইট করেন দুর্ভাগ্য ক্রমে আমিও বাদ যাই নাই । KFC তে খাওয়ার ফাকে কথা উঠলো তার ক্যরিয়ার এর কিছু অভিগ্যতা নিয়ে , হঠাত তিনি বললেন যখন কোন মানুষের অপারেশন করা হয় তখন তার শরীরের ভিতরের অঙ্গপ্রতঙ্গ গুলো কত নিখুত ভাবে কাজ করে , হৃদপিন্ড কত সুন্দর করে তার কাজ করতে থাকে, রক্ত কনিকার চলাচল দেখলে তুমি বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে কেও একজন আছেন জিনি এই সকল কিছু নিয়ন্ত্রন করেন, তা না হলে এতো সুন্দর ভাবে কিছুই নিয়ত্রিত হতো না।

কিন্তু দুর্ভাগ্য ডাক্তার হওয়ার পরও অভিজিতরা সেটা বুঝে নাই ।।

অভিজিতদের বিয়োগে দেশ মেধা শুন্য হচ্ছে এই ধারনা যারা পোষন করেন

তাদের নিয়া কিছু বলার মত, রুচি আমার নাই ।।

যেই মেধা তার সৃস্টকর্তাকে চিনতে পারেনা, মুতে দেই সেই মেধায়।।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.