![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ল্যাপটপ তোমায় দিলাম ছুটি পড়ালেখার রাজ্যে পৃথিবী বাঁশময় বইগুলো যেন আস্ত গজব
*লিফটে কখনও অপরচিত ব্যক্তির সাথে একাকী উঠানামা করতে হলে আপনার করণীয় কি যখন আপনি যৌন হয়রানির আশঙ্কা করছেন?
আপনার গন্তব্য পর্যন্ত সব তলার লিফটের বোতাম চেপে দিন। নিশ্চিত থাকুন প্রতিটি তলায় থামবে এমন কোন লিফটে কোন ব্যক্তি আপনার সাথে নোংরা আচরণ করার সাহস করবে না।
*রাতে কোন ট্যাক্সি অথবা ভাড়ায় চালিত যানের সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন কিভাবে?
ট্যাক্সিতে চাপার পূর্বে তার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার টুকে নিন। কাউকে ফোন করে জানিয়ে দিন বা জানিয়ে দেয়ার ভানিতা করুন। আপনার উপর সম্ভাব্য হামলাকারী এবার নিজেই আপনার রক্ষকের ভূমিকা পালন করবে।
*রাতে কোন নির্জন রাস্তায় কেউ আপনার পিছু করছে বলে মনে করলে আপনার করণীয়।
আশেপাশে কোন দোকান বা ঘরে ঢুকে পড়ে তাদের সাহায্য কামনা করুন। সম্ভব না হলে কোন এটিএম বুথে বা মসজিদে ঢুকে পড়ুন। এটিএম বুথে সর্বদা নিরাপত্তাকর্মী, বিশেষ করে মসজিদে সবসময় কেউ না কেউ থাকেই।
#কর্মস্থলে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিনিয়র, সহকর্মী বা শিক্ষক কর্তৃক অনাকাঙ্খিত প্রস্তাব পেলে।
চাকরীচ্যুত করার বা পরীক্ষায় ফেইল করিয়ে দেয়ার হুমকি কিংবা প্রমোশন বা ভাল গ্রেড পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে এমনটা করলে প্রথমেই নিকটস্থ থানায় শ্লীলতাহানির বা যৌন হয়রানির আশঙ্কা করে একটি জিডি করুন। পরবর্তীতে আপনাদের পুনরায় একই প্রসঙ্গের কথোপকথন রেকর্ড করুন। সেই ব্যক্তির নামে মামলা করে দিন বা লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। অতঃপর কোন পত্রিকার নারী পাতায় একটি রিপোর্ট করে দিন।
প্রসঙ্গক্রমে বলছি, যদি পরিমল ঘটনার শিকার বোনটি যদি এমন কিছু করতে পারত তাহলে সে তার সম্ভ্রমও বাঁচাতে পারত, পরিমলকেও শাস্তির মুখোমুখি করতে পারত।
#জনবহুল এলাকা বা যানবাহনে বা অত্যধিক ভিড়ের মধ্যে চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্কতা স্বরূপ আপনার সম্ভাব্য গৃহীত পদক্ষেপ
ভিড় এলাকায় চলাচলের সময় সাথে কোন ছেলে থাকলে তাকে আপনার পিছনে থাকতে বলুন। একাকী হলে সাহসী হোন। বাসের হেল্পার, যাত্রী বা পথচারী যেই হোক না কেন এমন কোন নোংরা স্পর্শ অনুভব করার সাথে সাথে নিশ্চিত হয়ে হাত উঠান। ঘুরিয়ে সজোরে চড় লাগান। এদের শাস্তি দিন। নিশ্চিত থাকুন উপস্থিতি আপনাকেই সমর্থন দিবে। তবে অবশ্যই নিশ্চিত না হয়ে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করবেন না।
#মোবাইলে অনাকাঙ্ক্ষিত কল, ফেসবুকে অপ্রত্যাশিত ট্যাগ ইত্যাদি ঝামেলা এড়াতে করণীয়
মোবাইলে রেগে না গিয়ে অনুরোধ করে নিষেধ করুন। তারপরেও কল করতে থাকলে রিসিভ করে রেখে দিন। নিজে অসুবিধার সম্মুখীন হলে ব্লক লিস্ট বা ব্ল্যাক লিস্ট সুবিধা ব্যবহার করুন। এতেও কাজ না হলে সংশ্লিষ্ট অপারেটর গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ জানান। এই ব্যবস্থা বাংলাদেশে খুব কার্যকর।
একাউন্ট সেটিংস অপশন থেকে টাইমলাইন রিভিউ অপশন চালু করে দিন। যেকোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত ছবি, নোট (যেমন ধরুন, হতে পারে এই নোটটিও) বা স্ট্যাটাস আপনাকে বিব্রত করার পূর্বে আপনার অনুমতি চাইবে।
#ঘরে আপনার একাকিত্বের সুযোগ নিয়ে কোন দুর্বৃত্ত হামলা করে বসলে কি করবেন?
রান্নাঘরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করুন। অত্যধিক শব্দ উৎপাদনকারী থালা বাসন ছুড়ে দিন তার দিকে। এরা ধরা পড়ে যাওয়াটাকে খুব ভয় পায়। অতএব শব্দ উৎপাদন করুন। প্রয়োজন হলে হলুদ-মরিচের গুড়োর সাহায্য নিন।
রান্না ঘরে চলে যেতে না পারলে শোয়ার ঘরে বা ড্রেসিং রুমে চলে যান। ঝাঁঝালো স্প্রে যেমন, ডিওড্রেন্ট স্প্রে, পারফিউম বা ইন্সেক্ট কিলার স্প্রে হামলাকারীর চোখে মুখে স্প্রে করে দিন।
#ট্যাক্সি চালক যদি নির্জন কোন রাস্তায় প্রবেশ করে বা এমন কোন রাস্তায় প্রবেশ করে যে রাস্তা আপনার গন্তব্য নয়?
তৎক্ষণাৎ তার গলায় আপনার হাত ব্যাগের ফিতেগুলো বা ওড়না দিয়ে পিছন থেকে পেঁচিয়ে ধরুন। যদি আপনার কাছে হাত ব্যাগ বা ওড়না না থাকে সেক্ষেত্রে তার কলার পিছন থেকে টেনে ধরুন, তার শার্টের বোতামগুলোও একই কাজ করবে। প্রয়োজনে আপনার বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীর সাহায্যে তার টুটি চেপে ধরুন। তাকে রাস্তা বদলাতে বাধ্য করুন।
#হঠাৎ হামলার শিকার হলে আত্মরক্ষার কতিপয় কৌশল।
কেউ ঝাপিয়ে পড়লে বা গলা টিপে ধরলে – দু আঙ্গুলে টুটি চেপে ধরুন বা পেটের ঠিক উপরে যেখানে ডায়াফ্রাম থাকে সেখানে লাথি হাঁকান।
গ্রিপ করলে – শুধুমাত্র দু আঙ্গুলে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি যেদিকে বল প্রয়োগ করছে তার বিপরীত দিকে বল প্রয়োগ করুন।
আসলে নোটটির প্রসঙ্গ স্পষ্টত যৌন হয়রানি বা শ্লীলতাহানি বিষয়ক। কিন্তু শিরোনামে অনেক আপুরা হঠাৎ এমন একটি ‘শব্দ’ এ হয়ত অস্বস্তি বোধ করবেন সেটা ভেবে এমন শব্দ চয়ন করতে হয়েছে। আমাদের সমাজে আমাদেরই মা, বোন বা কন্যারাই অহরহ এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে এটা আমাদের সমাজের জন্য সত্যিই লজ্জাজনক। আপুদের বলব দায়বদ্ধতাটি কিছুটা হলেও আপনাদেরই বেশি। আপনার সন্তানকে, ছোট ভাইকে বা অন্যদের সামাজিক ও ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষা দিন। মেয়েদের শ্রদ্ধা করতে ও সম্মানের চোখে দেখতে শিখান। আপনি নিজেও ছেলেদের নিজের প্রতিপক্ষ নয় বরং পরিপূরক ভাবুন। বিপদে বা প্রয়োজনে তাদের সাহায্য নিন। গুটি কয়েকজনের জন্য সবাইকে ছোট করে দেখবেন না। সতর্ক থাকুন, ভাল থাকুন।
(* চিহ্নিত পয়েন্টগুলো ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত)
২| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১৪
লজিক মানুষ বলেছেন: *** সকলের জন্যে:
*** লিফটে কখনও অপরচিত ব্যক্তির সাথে একাকী উঠানামা করতে হলে:
>> যথা সম্ভব লিফ্টের পিছনে-মাঝামাঝি অথবা একদম দরজার কাছে, দরজার দিকে পিঠ দিয়ে দাড়ান। ভুলেও একদম কোনায় বা কারো সামনে দাড়াবেন না যদি আপনার উপর আক্রমনের সম্ভবনা থাকে।
*** রাতে কোন ট্যাক্সি অথবা ভাড়ায় চালিত যানের সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন কিভাবে?
>> ট্যাক্সিতে চাপার পূর্বে তার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার টুকে নিন। কাউকে ফোন করে জানিয়ে দিন বা জানিয়ে দেয়ার ভানিতা করুন। আপনার উপর সম্ভাব্য হামলাকারী এবার নিজেই আপনার রক্ষকের ভূমিকা পালন করবে।
+ ফোনে বেশি কথা বলবেন না। চোখ-কান খোলা রাখুন, কোথায় যাচ্ছেন সেটা খেয়াল রাখুন বিশেষ করে যদি আপনার কাছে মুল্যবান কিছু থাকে।
***রাতে কোন নির্জন রাস্তায় কেউ আপনার পিছু করছে বলে মনে করলে আপনার করণীয়।
>> আশেপাশে কোন দোকান বা ঘরে ঢুকে পড়ে তাদের সাহায্য কামনা করুন। সম্ভব না হলে কোন এটিএম বুথে বা মসজিদে ঢুকে পড়ুন। এটিএম বুথে সর্বদা নিরাপত্তাকর্মী, বিশেষ করে মসজিদে সবসময় কেউ না কেউ থাকেই। >>>>> আশপাশে দোকান-ঘর,মসজিদ কিছু নাও থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে একদম বরাবর না হেটে একটু সাপের মতো হাটতে থাকুন। এবং সুযগ বুঝে যে আপনার পিছু নিয়েছে তার পিছু নিন। এবার দেখেন খেলা। শালার উদ্দ্বেশ্য খারাপ হলে ভাগতে বাদ্ধ্য।
***জনবহুল এলাকা বা যানবাহনে বা অত্যধিক ভিড়ের মধ্যে চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্কতা স্বরূপ আপনার সম্ভাব্য গৃহীত পদক্ষেপ
>> আপুদের জন্যে:
ভিড় এলাকায় চলাচলের সময় সাথে কোন ছেলে থাকলে তাকে আপনার পিছনে থাকতে বলুন। একাকী হলে সাহসী হোন। বাসের হেল্পার, যাত্রী বা পথচারী যেই হোক না কেন এমন কোন নোংরা স্পর্শ অনুভব করার সাথে সাথে নিশ্চিত হয়ে হাত উঠান। ঘুরিয়ে সজোরে চড় লাগান। এদের শাস্তি দিন। নিশ্চিত থাকুন উপস্থিতি আপনাকেই সমর্থন দিবে। তবে অবশ্যই নিশ্চিত না হয়ে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করবেন না।
>> অন্যান্য:
ভিড়ে পকেট সাবধান। মোবাইল, মানিব্যাগ সাবধানে রাখেন। আপনি যদি ডান পকেটে মোবাইল ও ডান(পিছে) মানিব্যাগ রাখেন তাহলে আপনার ডান হাত সবসময় সামনের ও পিছনের পকেটের মাঝখানে রাখুন। মাথা চুলকাইলেও বাম হাত দিয়ে চুলকান।
***মোবাইলে অনাকাঙ্ক্ষিত কল এড়াতে করণীয়
>>> মোবাইলে রেগে না গিয়ে অনুরোধ করে নিষেধ করুন। তারপরেও কল করতে থাকলে রিসিভ করে রেখে দিন। নিজে অসুবিধার সম্মুখীন হলে ব্লক লিস্ট বা ব্ল্যাক লিস্ট সুবিধা ব্যবহার করুন। এতেও কাজ না হলে সংশ্লিষ্ট অপারেটর গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ জানান। এই ব্যবস্থা বাংলাদেশে খুব কার্যকর।
+ স্রেফ ফোনটা রিসিভ করে ভদ্রভাবে বলুন বিরক্ত না করার জন্যে। এর পরও বিরক্ত করলে রিসিভ করে ফালাই রাখেন।
***ট্যাক্সি চালক যদি নির্জন কোন রাস্তায় প্রবেশ করে বা এমন কোন রাস্তায় প্রবেশ করে যে রাস্তা আপনার গন্তব্য নয়?
>>> আপুদের জন্যে: তৎক্ষণাৎ তার গলায় আপনার হাত ব্যাগের ফিতেগুলো বা ওড়না দিয়ে পিছন থেকে পেঁচিয়ে ধরুন। যদি আপনার কাছে হাত ব্যাগ বা ওড়না না থাকে সেক্ষেত্রে তার কলার পিছন থেকে টেনে ধরুন, তার শার্টের বোতামগুলোও একই কাজ করবে। প্রয়োজনে আপনার বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনীর সাহায্যে তার টুটি চেপে ধরুন। তাকে রাস্তা বদলাতে বাধ্য করুন।
>>> অন্যান্য:
ছেলেদের কাছে সাধারনত চাবি থাকে। হউম্যান ডিজাইনের একটা দূর্বল দিক আছে। সেটা হলো কানের নিচে যেখানে মাথার খুলি বেশ নরম। স্রেফ একটা চাবি নিয়ে সেটা কানের নিচে চেপে ধরুন। আর অন্য হাতদিয়ে চুল টেনে ধরুন। এবার আপনি যা বলবেন চালক তা করতে বাদ্ধ্য।
আর যদি মনে করেন আরও বড় কিছু করতে চান। তাহলে ডান হাত দিয়ে চালকের পিছন থেকে নিয়ে সামনে গলা জড়িয়ে বাম হাত দিয়ে ডান হাত লক করে মাথাটা সামনের দিকে চেপে ধরুন। ২মিনিট পরেই একটা নিথর দেহ ছাড়া চালকের ছিটে আর কেউ থাকবে না।
***হঠাৎ হামলার শিকার হলে আত্মরক্ষার কতিপয় কৌশল।
>> কেউ ঝাপিয়ে পড়লে বা গলা টিপে ধরলে – দু আঙ্গুলে টুটি চেপে ধরুন বা পেটের ঠিক উপরে যেখানে ডায়াফ্রাম থাকে সেখানে লাথি হাঁকান।
নোট: এটা একটা ভুল পদ্ধ্যতি।
>>>>>> আগে দেখুন কোন দিকথেকে গলা চেপে ধরেছে।
সামনের দিক থেকে হলে সোজা বিচি বরাবর লাথি। অবশ্যই লাথিটা জোরালো হতে হবে। একটা না একাধিক। বিশেষ করে ভিতরের থাই এ। আক্রমনকারি শুয়ে পড়তে বাদ্ধ্য।
পিছনের দিক থেকে হলে কনুই দিয়ে তার বুকে গুতা দিন। এক্ষেত্রে আক্রমনকারি একটু পিছনে সরে দাড়াবে কিন্তু গলা ছাড়বে না। আপনি যদি বেশি নড়াচড়া করেন আপনার গলায় ভিশন চাপ পড়বে। তাই তার হাতটাকে চেপে ধরুন। এবং এ অবস্তায় পিছনের দিকে ঠেলুন। দেখুন তার হাতটা সরে গেছে।
*** গ্রিপ করলে – শুধুমাত্র দু আঙ্গুলে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি যেদিকে বল প্রয়োগ করছে তার বিপরীত দিকে বল প্রয়োগ করুন।
৩| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৪২
লজিক মানুষ বলেছেন: ভুলে গেছিলাম...। সরি।
*** ছিনতাই কারির কবলে পড়লে কি করবেন?
>>> ছিনতাই কারি অনেক রকমের হয়ে থাকে। যখন ছিনতাইকারির কবলে পড়েন তখন আপনি ঠিক বুঝে উঠতে পরেন না কি করবেন। মানে আপনি হতভম্ভ হয়ে পড়েন। আর সেটাই ছিনতাইকারির উদ্দেশ্য। কিছু বুঝে উঠার আগেই ফুস!
প্রথমত করনিয় হলো বিচলিত হবেন না। হলেও সেটা তাকে বুঝতে দিবেন না। একটু সময় নিন। দেখুন সে কি করে/বলে। দেখুন তার কাছে কনো অস্ত্র আছে কি না। এবং সেটা ফেক না রিয়েল। যেমন ছুরি-কাচি-চাপাতি এসব থাকতেই পারে। পিস্তলও থাকতে পারে। ছুরি-কাচি-চাপাতি এসব ফেক হলে সে এটা একবার দেখিয়েই সরিয়ে ফেলবে অথবা আপনার পিছনে নিয়ে যাবে। আর রিয়েল হলে সত্যই কোপ দিতে পারে।
পিস্তল হলে পিস্তলের অগ্রভাগ দেখুন। ছিদ্রটা খেয়াল করুন। খেলনা হলে খুব ছোট ফুটা থাকবে। আর রিয়েল হলে মোটামুটি ৭-১৫মিলি মিটারের ফুটা থাকবে। আর তার থেকেও বড় হলো সে পিস্তলটা কিভাবে ধরেছে সেটা খেয়াল রাখুন। খেলনা হলে সে ঘন ঘন নাড়াতে থাকবে এবং গ্রিপ লুজ থাকবে। আর রিয়েল হলে সেটা স্থির রাখবে এবং শক্ত করে ধরে রাখবে।
এবার আশি কি করবেন...।
প্রথমত চিন্তা করুন আপনার কাছে কি পরিমান সম্পদ আছে। সেটা দিয়ে দিলে খুব বেশি ক্ষতি হবে কি না। যদি না হয় তাহলে এত ঝামেলা করার কোন দরকার নেই। দিয়ে দেন।
আর যদি আমার মতো নাছোড়বান্দা হন তাহলে উপরের মতো আগে দেখুন, বুঝুন তার পর সিদ্ধান্ত নিন কি করবেন।
অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ছিনতাইকারি কোমরে কিছু একটা গুজে রেখে আপনার কাছে এসেই আপনার একটা হাত নিয়ে সেটা দেখাবে। এবং বুঝাবে যে সে পিস্তল নিয়ে এসেছে। এ ক্ষেত্রে সাথে সাথে ঐ তথাকথিত পিস্তলটা ধরুন ও বের করে নিয়ে আসুন। এবার ও নিজেই ভয়ে পালাবে।
যাই হোক, পুরা বিষয় গুলো আমার দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষনের উপর ভিত্তি করে দিলাম। আপনাদের কারও কাজে লাগলে লেখা সার্থক হবে। তবে বেশি ঝুকি নিবেন না। মনে রাখবেন জিবন একটাই।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:২৩
ওস্তাদ মাসুম বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ
ভাই মনে হচ্ছে মার্শাল আর্টিস্ট
৪| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৫৯
নতুন বলেছেন: খুবই ভাল জিনিস.... সবার উচিত এই পোস্টটা সেয়ার করা.... বার বার পড়লে কিছু না কিছু মানুষের মনে থাকবে এবং হয়তো বিপদে পড়লে কাজে লাগবে...
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:২২
ওস্তাদ মাসুম বলেছেন: ধন্যবাদ
৫| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৪৫
অতল গহবর বলেছেন: ভালো
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:২২
ওস্তাদ মাসুম বলেছেন: ধন্যবাদ
৬| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:২৪
বাকরুদ্ধ আমি বলেছেন: + দিয়েছি
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:২২
ওস্তাদ মাসুম বলেছেন: ধন্যবাদ
৭| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:২৪
সাদা রং- বলেছেন: সব গুলো ঠিক আছে কিন্তু বিপদের সময় মনে রাখা যাবে কিনা সেটা হলো কথা।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৪:২১
ওস্তাদ মাসুম বলেছেন: মাথা ঠাণ্ডা রাখলেই থাকবে
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:৪৫
লজিক মানুষ বলেছেন: এগুলো শুদু আপুদের জন্যে না। সকলের জন্যেই উপকারি। যৌন হয়রানি নয়, যে কোন রকমের বিপদ থেকে বাচঁতে হলে এসব জ্ঞান থাকা ভালো। তবে বুকে সাহস থাকতে হবে। না হলে কিছুই করতে পারবেন না। সেটা দীর্ঘদিন কারাতে প্রশিক্ষনের পরও।