| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
দেশের ইতিহাসে এই প্রথম সত্যিকারের ইলেকশন হতে চলেছে। আপনারা সবাই নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যান; যাকে পছন্দ তাকে ভোট দিন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন যিনি সৎ ও যোগ্য তাকেই ভোট দিবেন বিবেকের কাছে দায়বব্ধ থেকে। চাঁদাবাজ ও লুটেরাদেরকে ভোট দিলে যে লাউ সেই কদুই থেকে যাবে। দেশের চাবি আপনার হাতে। হ্যাঁ-তে ভোট দিন রাজনৈতিকদগুলোর স্বেচ্ছাচারিতা থেকে দেশকে রক্ষা করুন। হ্যাঁ তে ভোট দিলে আপনি কি কি সুবিধা পাবেন।
গণভোট সচেতনতা কার্ডে বলা হয়েছে, আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে—
১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।
২. সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
৩. সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
৪. বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
৫. যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৬. সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
৭. ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
৮. দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
৯. আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন : ইন্টারনেট সেবা কখনো বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে।
১০. দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
১১. রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে ওপরের সবকিছু পাবেন। ‘না’ ভোট দিলে কিছুই পাবেন না।
মনে রাখবেন, পরিবর্তনের চাবি এবার আপনারই হাতে।
৫ টা হোন্ডা ১০ টা গুন্ডা ইলেকশন ঠান্ডা (!) হাসিনার সেই সময় আর নেই তাই নির্দ্বিধায় হ্যাঁ -কে জয়যুক্ত করুন।
২|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আপনি কয়দিন কোথায় ছিলেন? আপনার পোষ্ট ব্যাতিত ব্লগে নির্বাচনে জমজমাট আমেজ গরম হচ্ছে না। শর্ত সাপেক্ষে ব্লগার চাঁদগাজীকে ও কয়দিনের জন্যে মুক্ত করা হোক।
এখন কথা হচ্ছে, এই প্রথম সত্যিকারের ইলেকশন কোন যুক্তিতে? ৯১, ৯৬, ০১ তো ভালো প্রতিদ্বন্ধিতামুলক নির্বাচন হয়েছে। তবে এবার জামাতকে বড় করে দেখানো হচ্ছে, ক্ষমতায় যাওয়ার সুঘ্রাণ পাচ্ছে এটাই কি সত্যি কারের কারন নাকি? :p
৩|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩
রাজীব নুর বলেছেন: জনাব, আপনি ভুলের মধ্যে আছেন। আপনার মতো অনেকেই এমন ভুলের মধ্যে আছে।
৪|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দেখেন যা ভালো মনে করেন ।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩০
নিমো বলেছেন: চাঁদাবাজ ও লুটেরাদেরকে ভোট দিলে যে লাউ সেই কদুই থেকে যাবে
আর রাজাকার, আল বদর, আল শামস, দেশবিরোধি, রগ কাটাদের ভোট দিলে কি লাউ কি অন্য কিছুতে পরিণত হবে?