নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপ্‌সরা

যেখানে ঘর বাঁধবো আমি, আসে আসুক বান, তুমি যদি ভাসাও মোরে, চাইনে পরিত্রাণ!!

অপ্‌সরা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডে কেয়ার সেন্টার কি নিরাপদ?- নিজের চোখকেও অবিশ্বাস হয় আজকাল .....

২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭


বহু বছর ধরে বাচ্চাদের সাথে কাজ করছি। নানা রকম শিশু কিশোর দেখে দেখে চোখ, কান, মাথা, প্রায় অভ্যস্থ হয়ে গেছে। বাচ্চারা বাড়িতে এক, বাড়ির বাইরে খেলার মাঠে বা স্কুলে বা লোকচক্ষুর অন্তরালে যে আরেক তাহা অনেক বাবা, মা, নানু, দাদুরা বিশ্বাসই করতে পারেন না। সত্যিই পারেন না কারণ বাচ্চারা বড়ই বুদ্ধিমান কোন কোন টিচার বা কোন কোন বাবা মা তাদের ভুল আচরণের জন্য একশনে যাবেন তারা খুবই ভালো বুঝে আর তাই তাদেরকে খুশি রাখতে ঘাটায় না তেমন। যা কিছু করেন তাদের চক্ষুর অন্তরালেই করেন। আর তাই কিছুতেই আমাদের বিশ্বাস হয় না আমার বাচ্চা এটা করেছে বা করতে পারে!!!

সে যাইহোক আমার এত বছরের শিশু কিশোর নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকেও আমি কখনও এতটুকুন একটা বাচ্চাকে এইভাবে দীর্ঘক্ষন যাবৎ আরেকটা বাচ্চাকে এমন নির্দয়ভাবে নানা স্টাইলে নানা ভঙ্গিমায় মাইরপিট করতে দেখিনি। সত্যিই দেখিনি। মারামারির যত রকম আইটেম আছে, কিল, চড়, ঘুষি, খামচি, কামড়, এটা সেটা টেনে নিয়ে, ভেঙ্গে নিয়ে সেসব দিয়ে বাড়ি মারা, দেওয়ালে দরজার মাথা, কাঁধ ঠুকে ঠুকে ঘায়েল করা, তুলে আছাড় দেওয়া স্টাইলে ধাক্কা মেরে বুকে পিঠে চেপে বসা, শুধুমাত্র লাথিটা মনে হয় সে ইউজ করেনি তাছাড়া সব কিছুই একজন অভিজ্ঞ রেসলারের মত সে ইউজ করেছে। এমন জিঘাংসামূলক আচরণে দেখে আজ বিশ্ববাসী হতবাক! নানা রকম কমেন্ট শেয়ারে ভরে গেছে নিউজফিড।

যাইহোক সবার আগে বলবো, বাবামায়েরা সচেতন হউন। বাচ্চাকে সঠিক আচরন শেখাতে স্কুলে আসার আগেই বাড়িতেই অভ্যস্থ করে তুলুন। সঠিক আচরনের শিক্ষা দিন। ও শিশু তাই মারতেই পারে, ও শিশু তাই যা খুশি তাই করতেই পারে, ও শিশু তাই বোঝে না, বড় হলে বুঝবে এসব বলে বেঠিক আচরনকেও সঠিক বলে আল্লাদ দিয়েন না। বাচ্চারা কেউ ক্রিমিনাল হয়ে জন্মায় না। বড় হতে হতে পরিবেশ ও শিক্ষার কারণেই সে ক্রিমিনাল হয়।

যাইহোক আমার শিক্ষাজীবনে তখন আমার অনার্স চলছে। একটা থিসিসের কাজে আমি টঙ্গীর বাংলাদেশ শিশু কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। সেখানে সর্বকনিষ্ঠ শিশুটি যার সংশোধনের প্রয়োজনে সে সেখানে অবস্থান করছিলো তার বয়স ছিলো ৭। মানে সে অনেক কিছুই তখন বুঝতো। তার বিধবা মায়ের সাথে চাচার অত্যাচার সে মেনে নিতে না পেরে চাচাকে কিভাবে যেন খুন করে ফেলেছিলো। সেই বাচ্চাটা খুব গম্ভীর হয়ে বসেছিলো। আমাদের নিষেধ ছিলো তার সাথে কোনো কথা বলার। সে যাইহোক সেই বাচ্চাটার জন্য আমার অনেক মায়া লেগেছিলো। খুনের মত অপরাধ করার পরেও আমি তাকে দোষী মনে করতে পারিনি। কারণ সে যেই নেতিবাচক পরিবেশের শিকার তাতে মনে হয় আর তার এছাড়া কিছু করার ছিলো না।

কিন্তু কাল যখন ঐ পুচকে ৩/৪ বছরের বাচ্চাটার ননস্টপ মাইরপিট দেখলাম তখন অবাক হলাম! একজন মদ্যপ রেসলার ঠিক যেভাবে আচরণ করে তেমনিভাবে তখন আমার মাথায় প্রথমে বিস্ময় ছাড়া কিছুই আসেনি। পরে আরও ভালোভাবে বুঝবার জন্য আবার দেখলাম। যে বাচ্চাটাকে মারা হচ্ছিলো তার জন্য কলিজা ছিড়ে যাচ্ছিলো। তবুও আরেকটা বাচ্চাও কেনো এমন করলো সেই গবেষনায় রত হলাম যা আজকালকার ফেসবুকবাসীরা আমরা করি তেমনি ভাবে।

১। বাচ্চাটা ভীষন ডিসটার্বড তাই সে এটাক করেছিলো।
২। অন্যের কান্না বা চিৎকার সে সহ্য করতে পারে না বা বাড়িতে কাঁদলে তাকে ওভাবেই মেরে থামানো হয় তাই হয়ত সে ঐ কাজ করেই চলেছিলো কারণ বাচ্চাটা কান্না থামাচ্ছিলো না।
৩। তার মাইরপিটের স্টাইল একজন টিভি রেসলারের মত আর আমার ধারনা সে অনেক রেসলিং দেখে হয় পরিবারের মানুষের সাথে নয়ত তাকে এমন টাইপ গেম দিয়ে দেওয়া হয় হাতে।

নয়ত কোনোভাবেই এমন স্টাইলে কোনো বাচ্চা কখনও মারামারি করতে পারবেই না ।
সে যাইহোক সবার আগে তদন্ত করে এই বাবা মায়ের পারিবারিক বিষয়টি দেখতে হবে। গুড প্যারেন্টিং এখন শুধু তাদের জন্য না সকলের জন্যই অবশ্য কর্তব্য। আমাদের আমলে বা আমাদের বাচ্চাদের আমলেও যত না দরকার ছিলো এখন এটা অবশ্য কর্তব্য হয়ে পড়েছে। প্রেগনেনসিতে শুধু বাচ্চাকে বড় করে তোলাই না স্কুলে যাবার আগ পর্যন্ত এমনকি পাবলিক প্লেস বা অন্য যে কোনো স্থানে কি করে গুড ম্যানার মেইনটেইন করতে হবে, সহমর্মিতা সহযোগীতা শিখতে হবে তা শুধু বড় হবার অপেক্ষায় না থেকে খুব ছোট বয়স থেকেই পরিবার থেকেই শেখাতে হবে। অনেকে বলে একটা মাইর খেলে আরেকটা দিয়ে আসবি। এই মেন্টালিটির বাবামায়ের বাচ্চারা ছোট থেকে বুঝে যায় তাকে বড় হয়ে ক্রিমিনাল টাইপ কিছু হতে হবে।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (সংশোধন কেন্দ্রে) পাঠানোর জন্য শিশুর বয়স ১৮ বছরের কম হতে হবে। 'শিশু আইন, ২০১৩' (Children Act, 2013) অনুযায়ী, যেকোনো ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অপরাধে জড়িত ১৮ বছরের কম বয়সীদের সাধারণ কারাগারে না রেখে সংশোধনের জন্য কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়।

আমার দেখা সেই শিশু অপরাধির বয়স ছিলো ৭ । আর আমার চোখে এই ভিডিওতে দেখা শিশু অপরাধীর বয়স ৩ কিংবা ৪। আর অনেকেই হয়ত আমার উপরে রাগ করবেন, বলবে আহা সেও শিশু কিছু বুঝে না। তবুও বলছি এই শিশু নামের অপরাধীকে অবশ্যই এখুনি শিশু কিশোর সংশোধনি কেন্দ্রে পাঠানো হোক। এর মা বাবা এই শিশুকে মানুষ করার যোগ্য না। অনেকেই হয়ত বলবে ছোট বাচ্চা কিছু বুঝে না। কিন্তু এই টাইপের বাচ্চা কিছু না বুঝেই এমন আচরণ করা মানে অবশ্যই তাকে সংশোধনের বিশাল প্রয়োজন রয়েছে। নয়ত তার দ্বারা অন্যের যেমন ক্ষতি হবে তার নিজেরও ক্ষতি হবে। তার ভালোর জন্যই তাকে কঠোর আওতায় এনে যোগ্য শিক্ষা দেওয়া উচিৎ।

আবারও বলছি অবশ্যই শিশুরা অবুঝ এবং তারা যা দেখে তাই শেখে। সে কারণে অনেকেই বলছে ও এসব ফ্যামিলী থেকে শিখেছে। মনে হয় বাবা মাকে মারামারি করতে দেখে শিখেছে, এই বাচ্চার সাথে নিশ্চয় কঠোর আচরণ করা হয়। কথা সত্য, কঠোর আচরণে বাচ্চারাও অন্যের সাথে কঠোর আচরণ শেখে সে কথা সত্য আর কেউ কেউ হয় ভীতু আর কেউ কেউ মেনে নেয়। এই বাচ্চা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। একটু একটু শব্দে মনে হচ্ছিলো বাচ্চাটা ঠিক মত কথা বলতে পারেনা হয়ত। আর এ কারণেই সে বেশি বিরক্ত। তবে এটাও খুব অবাক করা সে ননস্টপ মেরেই চললো বাচ্চাটাকে। এমনটা হবার কথা না। এতটা সময় ধরে তার রাগ পড়ছেই না এটা কেমন কথা! এঙ্গার ম্যানেজমেন্ট প্রবলেম নাকি অকারণ আনন্দে মারছে? এটা খুব এবনরমাল লেগেছে। তার সংশোধন প্রয়োজন। যে কোনো মূল্যে। বাবা মার উচিৎ অবিলম্বে শিশু মনোবিজ্ঞানী দেখানো এবং আমার ধারণা ধৈর্য্য নিয়ে তাদের নিজেদেরকেও সংশোধন হতে হবে। একটা বাচ্চাকে জন্ম দেওয়াই সব না। তার শাররিক মানসিক নিরাপত্তা ও সঠিক শিক্ষা দানও অবশ্য কর্তব্য!

এরপর আসি সেই ডে কেয়ার সেন্টারের কথায়। ঐ বাচ্চার মারামারির স্টাইল এতটাই ভয়ানক ছিলো যে সবাই মিলে আরেক অপরাধীকে ছেড়ে ঐ বাচ্চা আর বাবা মায়ের শিক্ষার পিছে লাগলো। আর ঐ আসল অপরাধী ডে কেয়ার সেন্টার। যে বাচ্চার দায়িত্ব টাকা দিয়ে নিয়েছিলো অথচ এক বাচ্চাকে অমানুষিক কষ্ট পেতে হলো ১১/১২ মিনিট যাবৎ! পশুর মত কামড় আচড় মাইর পিট তো সাপের ছোবলের থেকেও, ভালুকের আক্রমন থেকেও ভয়ংকর লেগেছে আমার। সেসব করতে দিলো যারা এই ডে কেয়ার সেন্টার তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ জেইলে পোরা হোক।


এই প্রিস্কুল অথবা ডে কেয়ারে বেবি রেসলার এর কান্ড ভিডিও

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যখন আমার কোচিং সেন্টার ছিল, তখন মাঝবয়সী এক দম্পতি এলেন। তাদের সন্তান দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। আমাদের কাছে পরামর্শ চাইলেন—বাচ্চার মোবাইল আসক্তি কীভাবে দূর করা যায়? আমি সরাসরিই বললাম, "আঙ্কেল, দু-একটা থাপ্পড় লাগান, সব ঠিক হয়ে যাবে! এত ছোট বয়সে কিসের এত আসক্তি?" শুনে তারা বললেন, বাচ্চার মুখটা একটু মলিন দেখলেই নাকি তাদের বুক কেঁপে ওঠে! তখনই বুঝলাম, এই বাচ্চার পড়াশোনার বারোটা বাজতে আর বাকি নেই। আরেকটি ঘটনা—দশম শ্রেণির এক ছাত্র, যে তার পুরো জীবনে কোনোদিন কোনো শাকসবজি বা মাছ ছূঁয়েও দেখেনি। শুধু মাংস আর আলু তার পছন্দ। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল যে, বাসায় মাংস রান্না না হলে সে মায়ের ব্যাগ থেকে জোর করে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যেত। অথচ মা তাকে কিছুই বলতে পারতেন না! আমি যখন বললাম, "আচ্ছা মতো ধোলাই দিন", তখন মা বললেন, "ছেলের মুখটা অন্ধকার দেখলে আমার বড্ড মন খারাপ হয়।" যে ছেলে ক্লাস টেনে পড়ে, সে নাকি এখনো মাংস ছাড়া ভাতই মুখে তোলে না! এমনও অনেক বাবা-মায়ের অভিযোগ পেয়েছি যে, সন্তানকে একটু ধমক দিলেই সে আত্মহত্যার ভয় দেখায়। আজকাল পরিবারে সন্তান সংখ্যা কম; একটি বা দুটি সন্তানকে মানুষ করতেই বাবা-মা তাদের সবটুকু উজাড় করে দেন। কিন্তু এই 'অন্ধ ভালোবাসা' বা অন্ধ স্নেহ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

২৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

অপ্‌সরা বলেছেন: এই বাচ্চার ক্ষেত্রে অন্ধ স্নেহ তার বখে যাবার কারণ নাকি সে নিজেই মানসিকভাবে অসুস্থ নাকি তার উপরে ঠিক এমনই অত্যাচার চলে কে জানে!

তবে তার রেসলিং স্টাইলে মারার দৃশ্য দেখে মনে হয়েছে তাকে এসব দেখানো হয় বা শেখানো হয়। এই বাবামাকে সন্তান পালন শিক্ষা দেবার পাশাপাশি অযোগ্যতার জন্য জরিমানা করা দরকার।

এই শিশুকে অতি অবশ্য শিশুমনোবিজ্ঞানীর কাছে নেওয়া উচিৎ

আর ঐ ডে কেয়ারের চৌদ্দ গুষ্ঠি উপড়ে ফেলা দরকার।

২| ২৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: যেসব বাবা মা ব্যস্ত। বাচ্চাদের সময় দিতে পারে না। তারা বাচ্চা নেয় কেন?

২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১৯

অপ্‌সরা বলেছেন: হ্যাঁ বাচ্চা জন্ম দেওয়াই সব না! সঠিক শিক্ষা খুব বেশি দরকার! নয়ত মানুষ আর পশুর পার্থক্য থাকবে না।

আমাদের দেশে গুড প্যারেন্টিং যেমন দরকার তেমনই দরকার সঠিক শিক্ষা শিশুদের জন্য। আর ডে কেয়ার সেন্টারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে লাইসেন্স দেওয়া উচিৎ।

৩| ২৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

হুমায়রা হারুন বলেছেন: শিশুরা অবুঝ। কিন্তু একটা সোশিওপ্যাথের soul যখন reincarnate করে body তে আসে, তখন বাচ্চার এ ধরণের আচরণে অবাকই হতে হয়।
আবার কিছু বাচ্চা বড়দের মত আঙ্গুলের সঞ্চালনে পিয়ানো বাজায়। দেখে অবাক হয়ে যাই। খুশী হই। কারণ তার এই গুণ, মনকে আনন্দিত করে। কিন্তু যে পরিবারে সোশিপ্যাথের আগমন ঘটে, সে পরিবার কোন না কোন পর্যায়ে এই সন্তানটির জন্য suffer করে। পরবর্তীতে সমাজও suffer করে। ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিতে পারদর্শী ছেলেমেয়ে - আমার দেখা - সেই ক্লাশ ফোর থেকে । তারা আমার সহপাঠীই ছিল। তারা কি আজ ভেতরে ভেতরে বদলে গেছে? তখন্ তাদের বাবা -মা কি তাদের স্বরূপ জানতো? এখন বুদ্ধি হয়ে বড় হয়ে হয়তো মুখোশের আড়ালে রাখে নিজেকে। কিন্তু সুযোগ পেলে যে তারা তাদের নখ বের করে না, কে জানে?

২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৫

অপ্‌সরা বলেছেন: ঠিক বলেছো আপুনি!

শুধু বাড়িতে দেখে নেগেটিভ আচরণ শেখা ছাড়াও কিছু বাচ্চা নিজের ভেতরেই এই রকম কিছু স্বভাব নিয়ে আসে যা বড় হবার সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়। সব শিশু যদি এক রকম হত তো দুনিয়া পাল্টে যেত। ছোট থেকেই ডিফারেন্ট বাচ্চাদের ডিফারেন্ট মেন্টালিটি বুঝা যায় তবুও আমরা সকল শিশুকেই একই ক্যাটাগরীতে ফেলে ফেরেস্তা বানিয়ে বসে থাকি।

সকল শিশুকেই খুব ছোট থেকে গভীর পর্যবেক্ষনে কিভাবে সঠিক শিক্ষা দিতে হয় তা বাবা মায়েদের ট্রেনিং দেবার বা সচেতন হবার সময় এসেছে।

৪| ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৭

আলামিন১০৪ বলেছেন: innate behaviour

২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৩

অপ্‌সরা বলেছেন: ভাইয়া কেমন আছো?

ঠিকই বলেছো। তবে এমন বিহেভ কিন্তু শিশুদের সহজাত বিহেভে চোখে পড়ে না। আমি আমার জীবনে অনেক লড়াকু বদরাগী বাচ্চা দেখেছি কিন্তু এমনটা কখনও দেখিনি। আমার ধারনা কেউ এমন দেখেনি আমার জানা মতে।

৫| ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১২:১৩

সন্ধ্যা রাতের ঝিঁঝিঁ বলেছেন: গতকাল ভিডিওটা দেখার সময় আমি অপেক্ষা করছিলাম বাচ্চাটা কখন ক্লান্ত হয়, বাচ্চাটা ক্লান্তই হচ্ছে না। ইভেন ওই বাচ্চাটা যে কাঁদছিল সে সেটা বন্ধ করার জন্য কালার পেপার ছিড়ে মুখে চেপে ধরছিল। মুভিতে যেমন দেখায় মুখে ট্যপ লাগিয়ে দেয়। একটা বাচ্চা কতটা ভালনারেবল পরিবেশে বড় হলে এরকম আচরণ করতে পারে! মাইর খাওয়া বাচ্চাটা কি ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাবে সৃষ্টিকর্তা ভাল জানে। একটা জায়গায় পড়েছিলাম, একটা বাচ্চা ছিল যে আশেপাশে যত কুকুর, বিড়াল বাচ্চা দেখত এদেরকে মেরে ড্রেনে ফেলে আসত এবং সে এটাতে অদ্ভুত আনন্দ পেত। কিন্তু সবাই জানত সে খুব ভালো ছেলে। এরকম রেয়ার কিছু বাচ্চা পাওয়া যায়, যেগুলো বড় হয়ে সিরিয়াল কিলার হয়।

৩০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১৪

অপ্‌সরা বলেছেন: আমিও জীবনে অনেক বাচ্চা দেখেছি। বিশেষ করে এই ৩/৪ বছর থেকে ৫/৬ বয়স নিয়ে আমার কর্মজীবনের বেশিভাগ সময় কেটেছে। আমিও ভেবেছিলাম কয়েকটা মার দিয়ে থেমে যাবে। কিন্তু সে মারামারির ক্ষেত্রে অক্লান্ত পরিশ্রমী। মনে হচ্ছিলো আসুরিক শক্তি ভর করেছে তার উপরে। কি ভীষন অমানবিক আর নির্দয় আচরণ এই বাচ্চার ভেতরে যা আমার সারাজীবনের অভিজ্ঞতার বাইরে।

আমি নিশ্চিৎ জানি এই বাচ্চার কেইস হিস্ট্রী নিলে খুব সহজেই বোঝা যাবে তার এই আচরনের কারণ। হতে পারে সে জন্মগত ভাবেই এমন পাশবিকতার অধিকারী। হতে পারে সে কিছু দেখে শিখেছে হতে পারে তার নিজের মস্তিস্কের গঠন চিন্তা ভাবনা আচরণ অন্যদের থেকে আলাদা। যেটাই হোক এর চিকিৎসা প্রয়োজন আর বাবামায়েরও সন্তান প্রতিপালনের যোগ্যতা অর্জন প্রয়োজন। এই বাচ্চার দিকে আমাদের নজর পড়েছে বলে আর দুইজনের দিকে আমাদের খেয়াল নেই। যে ক্রমাগত মার খেয়ে আহত হলো আর যারা ঐ সেন্টার পরিচালনা করছিলো।

ঐ মার খাওয়া বাচ্চাটা খুব ছোট আর অবুঝ। সে বুঝতেই পারছিলো না কেনো তাকে ঐ নৃশংস ভাবে মারা হচ্ছে। কয়েকবার তার চোখ গাল ঠোঁটও কামড়ে ধরা হয়েছে। খামছে ধরা হয়েছে। কি অপরিসীম কষ্ট পেয়েছে বাচ্চাটা। মনে হয় তাকে ডক্টরের কাছেই নিতে হয়েছে। ঐ পশু টাইপ বাচ্চা তাকে আচড়ে খাঁমচে, কামড়ে ক্ষত বিক্ষত করেছে।

এই অত্যাচারী বাচ্চাকে যথাযথ ট্রিটমেন্টে না আনা হলে ভবিষ্যতে অবশ্যই তার পরিবার ও সমাজ ভয়াবহ সমস্যার মধ্যে পড়বে।

৬| ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ২:১৬

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমাদের দেশে অটিজমের ভালো চিকিৎসা কেন্দ্র কোথায় আছে?

৩০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২৩

অপ্‌সরা বলেছেন: অটিজম নিয়ে আজকাল অনেক কাজ হচ্ছে। অনেক পরিবারই এ ধরনের কর্মকান্ডে নিজেদের সন্তানদের চিকিৎসা করাচ্ছেন। বিভিন্ন থেরাপী দিচ্ছেন এবং লাভবান হচ্ছেন। স্পীচ থেরাপী, অকুপেশনাল থেরাপী প্রায় বড় বড় সব হসপিটালগুলোতেই আছে।

ইনজেনিয়াস স্পেশাল স্কুল মিরপুরে অবস্থিত অটিজম ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। এই স্কুলের একজন থেরাপিস্ট ফারজানার ফোন নাম্বার আমার কাছে আছে। সে আমাদের স্কুলের এক অটিজম বাচ্চার শ্যাডো টিচার হয়ে এসেছিলো। তাদের স্কুল আমার অনেক ভালো মনে হয়েছে।

উইলিয়াম অ্যান্ড মারি টেলর স্কুল। সাভারের সিআরপি-তে অবস্থিত, যেখানে আবাসিক সুবিধাসহ বিশেষ শিশুদের পুনর্বাসন ব্যবস্থা রয়েছে। সি আর পি তে যাবার কল্যানে এই স্কুল ভিজিট করার সুযোগ হয়েছে আমার। এদের চিকিৎসা ব্যাবস্থা সব সময় আমার অনেক ভালো মনে হয়।

বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন। মিরপুর-২ এর বড়বাগে অবস্থিত। ট্রেনিং এর কারণে এই স্কুল পরিদর্শন করেছিলাম এটাও বেশ ভালো।

বিউটিফুল মাইন্ড। অটিজম এবং মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য উত্তরায় অবস্থিত বিশেষায়িত স্কুল। এখানে আধুনিক থেরাপির সুবিধা রয়েছে। আমাদের স্কুলে প্রতিটা ক্লাসে একজন অটিজম বা স্পেশাল চাইল্ড সুযোগ দেওয়া হয়। তাদের কাছে এই স্কুলের কথা শুনেছি এবং এদের রিপোর্ট দেখেছি। এটাও বেশ ভালো বলে মনে হয় আমার।


৭| ৩০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: বাচ্চারা বাসায় শিখতে চায় না।
আপনি যতই বলবেন, মোবাইল হাতে নিও না, বাচ্চা কথা শুনবে না।
আপনি বলবেন, টিভি দেখো না, বাচ্চা টিভি দেখবেই। যদি জোর করেন, তাহলে বাচ্চা রাগ করবে।

৩০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২৫

অপ্‌সরা বলেছেন: না শোনা এবং না মানাই তো আমাদের মানব জাতির কাজ! সৃষ্টির শুরু থেকেই আমাদের এই না ভাঙ্গার প্রবনতা। কাজেই ...... :P

৮| ৩০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ডে কেয়ারের মানুষগুলো কি ধরণের অবহেলা করে সেটাও সামনে এলো। ছোট্ট বাচ্চা থাকলে ৫, ১০ মিনিট পর পর দেখা উচিৎ কি করছে।

৩০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১১

অপ্‌সরা বলেছেন: সেটা তো বটেই! আমার মনে আরও প্রশ্ন জাগে তারা কি জানতো না এই বাচ্চার এ্যঙ্গার ম্যানেজমেন্ট বা মারকুটে স্বভাব আছে? তাকে অন্যভাবে নজরে রাখা উচিৎ ছিলো। আর এতক্ষন ধরে মেরেই চললো বাচ্চাটা এতবার গোলাপী বাচ্চাটা ডাকলো কাঁদলো কেউ কোনো খবরই রাখলো না।

ওদের তো ফাঁসি হওয়া উচিৎ এই অপরাধে।

আর সত্যি বলতে মনের কথা বললে সবাই রাগ করবে, বলবে এতটুকু বাচ্চা কি বোঝে কেনো এমন বলছি। আসলে ঐ বাচ্চাকে ডে কেয়ার সেন্টারে না চিড়িয়াখানায় রেখে মনুষ্যত্ব শিখানো উচিৎ। তার পর ডে কেয়ারে আনবে। X((

৯| ৩০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩২

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: আগে একটা ভিডিও দেখেছিলাম বাচ্চা কিছু খাওয়ার সময় গলায় আটকে গিয়েছিল। দুই শিক্ষিকা আলাপে মত্ত। অন্য এক বাচ্চা শিক্ষিকাকে ডাকলেও সাড়া দেননি। পরে অন্য শিক্ষিকা হাসপাতালে নিয়ে যান। বাচ্চাটি সম্ভবত মারা যায়।

আপনি এখানে যে ভিডিওটির বর্ণনা দিয়েছেন, এটা দেখে ভুক্তভোগী বাচ্চাটির জন্য মায়া লাগছিল আবার রাগ হচ্ছিল। সে কেন পাল্টা আক্রমণ করল না? পরে ভাবলাম, সে হয়তো ভদ্র ফ্যামিলির। আমার বাচ্চাটার বয়স ১০ মাস। সে যে কাউকে পায়, চুমু দেয়, আদর করে দেয়। জোরে শব্দ এমনকি হাঁচির শব্দে কান্না করে দেয়। আপনি হয়তো বিশ্বাস করবেন না, ওর মা যদি কোনো কারণে বিরক্ত হয়ে বলে, ইশান, এমন করছ কেন? আমার বাচ্চা মাথা নিচু করে বসে থাকে। কাঁদু কাঁদু চেহারা। দেখে অনুশোচনা হয় কেন বকা দিল! ভুক্তভোগী বাচ্চাটার জায়গায় নিজের বাচ্চার কথা ভেবে কান্না পেল।

ওখানে দায়িত্বরত মহিলার শাস্তি হওয়া উচিত আগে। তারপর ডে-কেয়ার কর্তৃপক্ষের। আর মা-বাবার সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। ওই মারকুটে বাচ্চাটাকে এখনই সংশোধন করা না গেলে সে বড়ো হয়ে ডাকাত হবে। ওর মা-বাবাও হয়তো একই স্বভাবের। মারামারি করে। নয়তো বাচ্চা এসব শিখবে কেন?

৩০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০

অপ্‌সরা বলেছেন: বেশিভাগ বাচ্চারাই নরম কোমল। তোমার বেবিটার মতই ভাইয়া। কারণ দেখো ঐ ৩ জনের মাঝে আর দুজন কিন্তু খুবই লক্ষী বাচ্চা। বাচ্চারা দুষ্টামী করবে এই কথা সত্য তবে এটা ছিলো এক আসুরিক অসভ্যতা।

১০| ৩০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: আপনার লেখাটি অত্যন্ত গভীর এবং বাস্তবসম্মত। দীর্ঘ বছর শিশুদের নিয়ে কাজ করার কারণে আপনি একদম ঠিক ধরেছেন, শিশুরা ভীষণ বুদ্ধিমান এবং তারা ভালো করেই জানে কার সামনে কেমন আচরণ করতে হবে। সাম্প্রতিক ডে-কেয়ার সেন্টারের সেই ভয়াবহ ভিডিওটি সত্যিই বিবেকবান প্রতিটি মানুষকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। ৩-৪ বছরের একটি শিশুর মধ্যে এমন জিঘাংসা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। আপনার অভিজ্ঞতা থেকে আপনি যে তিনটি মনস্তাত্ত্বিক কারণ ডিস্টার্বড মানসিকতা, পারিবারিক নির্যাতনের প্রতিফলন এবং রেসলিং বা গ্যাজেট আসক্তি চিহ্নিত করেছেন, তা অত্যন্ত নিখুঁত এবং যৌক্তিক।

এখানে আসল এবং সবচেয়ে বড় অপরাধী নিঃসন্দেহে ওই ডে-কেয়ার কর্তৃপক্ষ। ১১-১২ মিনিট ধরে একটা বাচ্চার ওপর এমন অমানুষিক নির্যাতন চলল, অথচ কোনো সিসিটিভি মনিটরিং বা আয়া-শিক্ষিকার উপস্থিতি ছিল না, যা স্রেফ অবহেলা নয় বরং একটি ফৌজদারি অপরাধ। এদের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, ৯ বছরের কম বয়সী শিশুদের আইনি অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হয় না। তাই ৩-৪ বছরের এই শিশুটিকে প্রাতিষ্ঠানিক সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর চেয়ে, রাষ্ট্র বা আদালতের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে বাধ্য করা উচিত একজন চাইল্ড সাইকোলজিস্ট ও থেরাপিস্টের অধীনে যেতে।

আসলে অপরাধী ওই অবুঝ শিশুটি নয়, অপরাধী তার চারপাশের পরিবেশ এবং তার অভিভাবক। ওই বাবা-মাকে কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় এনে তাদের কাউন্সেলিং করানো প্রয়োজন। "একটা মাইর খেলে আরেকটা দিয়ে আসবি" এই কুশিক্ষা দিয়ে আমরা ঘরে ঘরে যে ভবিষ্যৎ অপরাধী তৈরি করছি, তা বন্ধ করার সময় এখনই। গুড প্যারেন্টিং এখন আর কোনো বিলাসিতা নয়, এটি সময়ের দাবি। আপনার মতো অভিজ্ঞ মানুষেরা যখন ফেসবুকের সস্তা আবেগে গা না ভাসিয়ে পেছনের মনস্তত্ত্ব নিয়ে কথা বলেন, তখন সমাজ সচেতন হওয়ার আলো পায়।

৩০ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

অপ্‌সরা বলেছেন: খুব খুব ভালো একটা মন্তব্য করেছো ভাইয়া যার প্রতিটি কথা অতীব সঠিক।

তবে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, ৯ বছরের কম বয়সী শিশুদের আইনি অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হয় না। তাই ৩-৪ বছরের এই শিশুটিকে প্রাতিষ্ঠানিক সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর চেয়ে, রাষ্ট্র বা আদালতের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে বাধ্য করা উচিত একজন চাইল্ড সাইকোলজিস্ট ও থেরাপিস্টের অধীনে যেতে।

আমি জেনেছিলাম ১৮ বছরের নীচে যে কোনো বয়সী বাচ্চাকে এই সব কেন্দ্রে পাঠানো যায়। তবে নিশ্চয় সেটা ৩/৪ বছরের বাচ্চাদের জন্য না মনে হয়। তবে আমি একজনকে পেয়েছিলাম যে খুনের মত কাজটা করে ফেলেছিলো তার বয়স ছিলো সাড়ে ৭

১১| ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বিদেশে বাচ্চাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে থাকে,
বাবা/মা কেউ গাফলতি করলে শাস্তির বিধান আছে ।
সেখানের সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম করে খোঁজ খবর
নেয়, একটু ব্যাত্যয় দেখলে অভিবাবককে নোটিশ দেয়।
................................................................................
আমাদের দেশে এমন কোন সরকারী সংস্হা আছে , যারা
বাচ্চার শাররীক ও মানসিক গঠনের জন্য কাজ করে ???

৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:১২

অপ্‌সরা বলেছেন: আমাদের দেশে এখনও অনেক অনেক শিক্ষার প্রয়োজন আছে। অনেক কিছুই শিখতে হবে। শেখাতে হবে।

শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রতিবন্ধীদের স্কুল আছে।

১২| ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:১৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: অপ্‌সরা,




লিঙ্কড ভিডিওটি দেখতে পারিনি, ইউ টিউব ভিডিওটি সরিয়ে ফেলার জন্যে। তাই সে সম্পর্কে কিছু বলতে পারছিনে তবে নীচে উদ্বৃত অংশে যা বলেছেন তা ঠিক ----
"বাচ্চারা বাড়িতে এক, বাড়ির বাইরে খেলার মাঠে বা স্কুলে বা লোকচক্ষুর অন্তরালে যে আরেক তাহা অনেক বাবা, মা, নানু, দাদুরা বিশ্বাসই করতে পারেন না। সত্যিই পারেন না কারণ বাচ্চারা বড়ই বুদ্ধিমান কোন কোন টিচার বা কোন কোন বাবা মা তাদের ভুল আচরণের জন্য একশনে যাবেন তারা খুবই ভালো বুঝে আর তাই তাদেরকে খুশি রাখতে ঘাটায় না তেমন। যা কিছু করেন তাদের চক্ষুর অন্তরালেই করেন। আর তাই কিছুতেই আমাদের বিশ্বাস হয় না আমার বাচ্চা এটা করেছে বা করতে পারে!!!"

৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:০০

অপ্‌সরা বলেছেন: https://www.youtube.com/watch?v=o_y9TL0Mcac


ভাইয়া এটা পেস্ট করে দেখো। অবিশ্বাস্য মনে হয় একেবারে।

১৩| ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



পোস্টে যা ব্যাখ্যা দিয়েছো তার পর কি আর কিছু তোমার বলার আছে? আমি কি বিশেষ কিছু বলতে পারি? নাকি রেগে যাবে এমন কিছু?

সার্বিক ভাবে বিবেচনা করলে তোমার লেখা সঠিক। সমস্যা নিয়ে ভালো ব্যাখ্যা দিয়েছো।

৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:০৩

অপ্‌সরা বলেছেন: ভাইয়ু!!! রেগে যাবো কেনো??? আমি কি তুমি নাকি!!! :P
তুমি কি বলতে চাও বলো...... তবে সত্যিই আমি অবাক হয়েছি এইটুকু বয়সে একটা বাচ্চার এমন রেসলিং ফাইটিং দেখে। তাই ছোট বাচ্চা হওয়া সত্বেও সবার সব কিছু ছাপিয়ে এটাই আমার চোখে পড়েছে।

১৪| ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৭

করুণাধারা বলেছেন: অনেক চেষ্টা করেও ভিডিও পুরোটা দেখতে পারলাম না... বাচ্চার কান্না সহ্য করা গেল না!! এতটুকু একটা বাচ্চা অসহায়ভাবে মার খেতে খেতে যন্ত্রণায় চিৎকার করে কাঁদছে, অথচ একটা মানুষও দেখার নেই!!! মনে হচ্ছে পাশের ঘর থেকে কান্না শুনতে পাচ্ছে, কিন্তু কেউ দেখতে আসছে না!!!! এই ডে কেয়ার শুধু বন্ধ করা যথেষ্ট না, বরং যারা এই বাচ্চাগুলোর দায়িত্বে ছিল তাদের সবগুলোকে জেলে ঢোকানো দরকার। ‌

যে বাচ্চাটা মারছে এর বয়স চার হবেনা, বড়জোর তিন বছরের কিছু বেশি হতে পারে। এতটুকু বাচ্চা এত নির্মম হিংস্র কি করে হতে পারে!! ভাবতে ভাবতে মনে পড়ল এর চাইতেও নির্মম দুটো বাচ্চার কথা। জানিনা তুমি এই ঘটনা জানো কিনা। ১৯৯৩ সালে, ইংল্যান্ডে‌র এক কাপড়ের দোকানে এক মা কাপড় দেখছিলেন, পাশেই ছিল তার দু বছরের ছেলে। আট বছরের দুটো ছেলে স্কুল থেকে বের হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এদিক সেদিক, দোকানপাটে। এই দোকানে ঘুরতে ঘুরতে ছেলে দুটোর নজর যায় ছোট বাচ্চাটার দিকে। মা দেখবার আগেই তারা বাচ্চাটাকে কোলে করে দোকানের অন্যদিকে চলে যায় আর এক সময় দোকান থেকে বের হয়ে যায়। তারপর খুব নিষ্ঠুরভাবে বাচ্চাটাকে দুজন মিলে মেরে ফেলে, সম্ভবত ছুরি দিয়ে কিছু অঙ্গচ্ছেদও করে, তারপর একটা রেল লাইনের পাশে ফেলে দেয়। সেই সময় সিসিটিভি ছিল না তাই খুনি ধরতে কয়েকদিন লেগে যায় কিন্তু যখন ধরা পড়ে তখন সবাই স্তম্ভিত হয়ে যায় দেখে যে এত ছোট বাচ্চারা এত নিষ্ঠুর হতে পারে! পরে দেখা গেছিল দুটো বাচ্চাই ব্রোকেন ফ্যামিলির, কখনোই মায়া মমতার পরশ, কোনো রকম শিক্ষা পায়নি

এই মারপিট করা ছেলেটাকে দেখে আমার মনে হল, যদি একে এখনই নিয়ন্ত্রণ না করা যায় তাহলে ভবিষ্যতে সেই ইংল্যান্ডের বাচ্চা দুটোর মতো হবে। তোমার সাথে একমত এই বাচ্চা যতই ছোট হোক একে এখন সংশোধনাগারে পাঠানো উচিত। মা-বাবার কাছে এই বাচ্চাকে দেয়া উচিত না কারণ তাদের কোন বাচ্চার মা বাবা হবার যোগ্যতা নেই।‌ উন্নত বিশ্বে হলে এই বাচ্চাকে মা বাবার কাছে না দিয়ে ফস্টার হোমে পাঠিয়ে দেওয়া হতো।



০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:১৭

অপ্‌সরা বলেছেন: আপুনি ঐ বাচ্চার বয়স নাকি ২৩ মাস! কি আশ্চর্য্য! পুরা ভূত বা পেত্নী ভর করে মনে হয় ওর উপরে।

যাইহোক এই ঘটনা নিয়ে তো সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল। আজ একজন যা লিখেছে সেটা পড়ে আমি আরও স্তম্ভিত!

Soyada Rubina is feeling thoughtful in Dhaka.
জ্বিন নয়! শিশুর ভয়ানক রূপ দেখেছেন কখনও?…
একজন শিশুর কাছে আরেকজন শিশু কখনোই নিরাপদ নয়।
অবুঝ শিশু কিন্তু তার রাগ মারাত্মক আকার ধারণ করে। যারা দেখেনি তারা বিশ্বাসও করতে পারবে না।
কবিতায় টিপস্ :
জেনে আসছি, শিশুরা নির্মল ফুলের মতন
ফুলের মতন!যে বাবা-মা নেয় নৈতিক যতন।
যখন বয়স একবছর মানা করা তাকে শেখান
এটা ভালো ওটা মন্দ ছোট ছোট কাজ দেখান।
মারিও না, কামড়িও না ধরিও না চুল তার
ব্যাড টাচ গুড টাচ শেখান ধীরে ধীরে এবার ।
জানি, বলবেন কেউ কেউ এটা আবার বেশি হয়ে গেলো নাতো?
আমি বলবো, না। শূণ্য থেকে পাঁচবছরের মধ্যে শিশুদের মেধা তৈরি হয় আপনি নিজে জানেন তো? না জানলে প্রশিক্ষণ নিন কিভাবে কখন বাচ্চাদের মিষ্টি শাসন করবেন এবং নৈতিকতা শেখাবেন। নইলে আমার আইডিতে জয়েন থাকুন, কারণ আমি শিশুদের বিকাশে কাজ করি কোনো অফিসিয়ালী নয়, আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দীর্ঘ ২৭ বছর। সাকসেসফুলি আমি হ্যাণ্ডেলিং করছি আলহামদুলিল্লাহ।
সম্প্রতি, ফেসবুকের ঘুরে বেড়ানো সেই ভিডিও আমাকে আতঙ্কিত করেছে। শুধু আমাকে নয় পুরো বিশ্বকে হতবাক করেছে!
এটি ছিলো একটি ডে-কেয়ারের সিসি টিভি ফুটেজ।হোক তা বাংলাদেশ কিবা ভারত।
যেখানে টানা ১০ মিনিটের উপরে একটি শিশু আরেকটি শিশুকে হিট করে গেছে বিভিন্ন ভাবে। থাপ্পড়, ,ঘুঁষি ,কামড় বোতল দিয়ে হিট, উপরে চড়ে বসেছে মাথায় মাইর।
আরেকজন শিশু মাঝে থামাতে চেষ্টা করলে তাকে সেই শিশুটি আবার মারে !
শরীরের ৪৩ জায়গায় কামড়েছে!
শিশুটি কেনো এমন করেছে তার পিছনে অনেক কারণ থাকতে পারে । তার বাবা- মা কি জানতো না যে, তাদের বাচ্চা এমন এগ্রেসিভ! ভয়ংকর!
আমি একজন ভুক্তভোগি মা। এমন বয়সেই এক শিশু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলো, আজও আমার ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ের চিকিৎসা করেই যাচ্ছি! বলছি, একটু পরেই, তা কি ভয়ংকর ছিলো !!
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এতক্ষণ সময় ধরে তিনটি শিশুকে রুমে একা রাখা হল কেন ? কোন কেয়ার গিভার কেনো ওদের তত্ত্বাবধানে ছিল না? শিশুটি উচ্চস্বরে কাঁদছিলো । রুমের আশেপাশেও কেউ ছিল না যে কান্না শুনে এগিয়ে আসবে। এতটা দূরে উনাদের অবস্থান ছিল যে, আসতে আসতে ১০/১৫ মিনিট লেগে গেলো ?
আমার ধারণা এই ডে-কেয়ারের কর্মীরা কান্না শুনেছে এবং ইচ্ছে করেই আসেনি। বাচ্চারা নিশ্চয় প্রায়ই এমন কান্নাকাটি করে তাই তারা এড়িয়ে গেছে যে, এমনিতেই ওরা ঠিক হয়ে যাবে।
ব্যাপারটা যে এরকম বাড়াবাড়ি হবে তা হয়ত আশা করেনি।
নয়তো রুমের বাইরে গিয়েও যে বাচ্চাগুলো কাঁদছিল সেটা রুমের ক্যামেরায় শোনা যাচ্ছে আর এই উনারা সশরীরে সেখানে আশেপাশে উপস্থিত থেকে শুনতে পায়নি? এটা বিশ্বাস করবো?
হয়তো কান্না শুনেও ইচ্ছে করেই আসেনি কারণ পরের বাচ্চা যা খুশি হোক, আমাদের টাকা পেলেই হলো।
এই মারা-মারির ঘটনার আগে আমরা দেখতে পেয়েছি একটি শিশু কাঁদছিল। একজন মহিলা এসে সেই শিশুটিকে নিয়ে গেছে আর বাকি তিন জন শিশুকে এখানে একা ছেড়ে গেছে।ধারণা করা যাচ্ছে এই বাচ্চাগুলো আগে থেকেই ট্রীগার হয়েছিল কোনো কারণে। যার কারণে প্রথম বাচ্চাটি কাঁদছিল।
এই এখানে সিসি ক্যামেরা থাকা স্বত্তেও সেখানে ছিল না কোন লাইভ মনিরটিং। লাইভ মনিটরিং থাকলে অবশ্যই দেখতে পেতো যে একটি বাচ্চা আরেকটি বাচ্চা কে কিভাবে মারছে।
এই ঘটনা ডে কেয়ারের চরম অব্যবস্থাপনা ও অসচেতনার ফল। প্রথম হিটের পরেই যদি শিশু দুটিকে আলাদা করা হতো তবে শিশুটি এত আঘাত পেত না।
আবার যখন পরে এই রুমে দুজন মহিলা আসল, উনি ভিক্টিম শিশুটিকে কোলে পর্যন্ত নেন নি। হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেছে। এবং প্রায় ৫ মিনিট পরে ওকে একজন মহিলা কোলে নিয়েছে। যেখানে প্রথম দেখাতেই বাচ্চা টিকে জড়িয়ে ধরে কোলে তোলা উচিৎ ছিল।
এবং যে শিশুটি মারছিল তাকে এই ঘরে আবার একা ছেড়ে চলে গেছে। যেখানে তারও সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। তারও শান্ত হওয়ার এবং মানসিক সাপোর্টের প্রয়োজন ছিল।
এসব গ্রাম থেকে অবসরে থাকা মহিলাদের দিয়ে গাঁইয়া পদ্ধতিতে ও অশিক্ষিত দরিদ্র মহিলাদের টেক কেয়ারের জন্য রাখা হয়েছে বলে মনে করি।
এই বাচ্চাটি আগে থেকেই ট্রীগার্ড এবং তার আবেগ নিয়ন্ত্রণে ছিলো না। সেখানে তাকে শান্ত না করে, পাত্তা না দিয়ে একা ছেড়ে চলে যাওয়া হয়েছে। শেষে দেখতে পেলাম সে নিজেও চিৎকার করে কাঁদছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকেও কোলে নেয়নি এবং শান্ত করার জন্য এগিয়েও আসেনি। কয়েকবার শুধু মহিলাগুলো দরজা খুলে দেখছিলো। যেন ভিতরে আসলে এই বাচ্চাটি ওদেরকেও এ্যাটাক করে বসবে আর ওরা তার সাথে পেরে উঠবে না, এমন একটা ভাব। হাস্যকর!
এসব ডে-কেয়ার চলে কিভাবে? কিভাবে ডে-কেয়ারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে? আর এসব কেয়ারগিভার দের যোগ্যতা কি? যাদের বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য রাখা হয়।
আর সিসি ক্যামেরার সাথে প্রতিটা গার্ডিয়ানের ফোনে কেনো কানেক্ট থাকে না যাতে গার্ডিয়ানরা মনিটরিং কর‍তে পারে!
এসব ডে- কেয়ার সেন্টার থাকার চেয়ে না থাকায় ভালো।
এই ডে - ডেয়ার সেন্টারটি কোথায় কোন দেশে অবস্থিত তা ব্যাপার নয়। ব্যাপার হচ্ছে ঐ শিশুর জীবন - মরণ নিয়ে কথা ।
যেখানে,
শিশুরা জন্মগতভাবেই অসীম সম্ভাবনার অধিকারী। সেই সম্ভাবনার বিকাশে প্রয়োজন সঠিক পরিচর্যা, উপযুক্ত শিক্ষার পরিবেশ এবং পরিবারের আন্তরিক সহযোগিতা। এমনই এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে খাগড়াছড়ির ক্ষুদে প্রতিভা মোহাম্মদ শেহজাদ বিন খলিল। মাত্র ১৮ মাস বয়সেই তিনি অর্জন করেছেন ‘এশিয়া বুক অব রেকর্ডস’-এর মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্রাণ্ড মাস্টার’ স্বীকৃতি, যা বাংলাদেশের জন্যও এক গর্বের অর্জন।
অথচ, অনেক কমেন্টকারীকেই বলতে দেখলাম শিশুরা মাইর মানে তো বোঝে না!
যে শিশুটি মারছিলো তারা বয়স তেইশ মাস আর মাইর খেলো সে তার তিনমাসের ছোটো আর আমি উল্লেখ করলাম ১৮ মাসের শিশু মোহাম্মদ শেহজাদ বিন খলিল - এর কথা ।
প্রতিভাবান তৈরি করতে হয়। শিশুর প্রথম বোল থকেই শিক্ষা শুরু হয় আপনি মানেন বা না মানেন ।
এবার আমার নিজে মেয়ের সাথে ভয়ংকর স্মৃতি উল্লেখ করছি ।
থাকতাম জয়পুরহাট জেলায় তখন ।আমার মেয়ে তখন আড়াই বছরের বাচ্চা আর শান্তনা ছিলো চার বছরের।
আমি আজও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার " নাচোল" এর সেই শান্তনার কথা ভুলিনি । ওটা একটা ডাইনি বাচ্চা ছিলো!
ওর আড়াই বছর বয়স থেকে চার বছর পর্যন্ত দেখেছি। ওর মাইরের অত্যাচারে তার বাবাকে জেলখানার কোয়াটার থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো। সব বাচ্চাদেরকেই মেরে ফেলার টেণ্ডেন্সি ছিলো তার । আমরা তা জেনেছিলাম অনেক পরে। যখন অকারণে আমার মেয়েটিকে হ্যাঁচকা টানে টেনে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে তার একটি আঙ্গুল দেড় গিরা পর্যন্ত নামিয়ে দেয়। পরে মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করলে বলে, আমি কুরবানি দিচ্ছিলাম ওকে । বহুদিন আতঙ্কিত মেয়ে আমার ঘুমাতে পারেনি।
এটি ছিলো প্রথম ঘটনা।
দ্বিতীয় ঘটনা আবার ছয়মাস পরেই।
সেদিন পানির বিলের কথা বলছিলাম তার মাকে এবং তাদের দরজার কাছে এগিয়ে একটু ভেতরে গেছি। আমার মেয়ের হাতে একটি মেহুগুনি ফল তখন শান্তনা মেয়েটি তার কাছে চাইলে আমার মেয়ে দিতে চাইনি। মুহূর্তেই ওর গলা টিপে ধরে দরজার নিচে থাকা ছিটকিনির সাথে এমনভাবে চেপে ধরে চিল্লাচ্ছিলো আর বলছিলো শু* য়ো* রে* র বাচ্চা এবার তোকে মেরেই ফেলবো।
রক্তের ফিনকি ছুটছে, মেয়ে আমার অজ্ঞান হয়ে গেছে কিন্তু অত স্বাস্থ্যবান বাচ্চার শক্তির কাছে হেরে গেছি। এদিকে পরের বাচ্চাকে মারতেও পারছি না। তখন ওরা মা তাকে পিঠের উপর তিনটা জোরে জোরে কিল মারলে ছেড়ে দেয় কিন্তু সে সমানে কাঁপছে রাগে আর অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে ।
আমার মেয়ের মাড়ির দাঁতগুলো গালের উপর দিয়ে তখন দেখা যাচ্ছিলো। ইমারজেন্সিতে নিয়ে যেতে যেতে রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছিলো। আজও সেই জায়গা পূরণ হয়নি ।
সেই শান্তনা আজও আমাদের কাছে অভিশপ্ত। আমার মেয়ে আজও ভয় পায় তার নাজুক আঙ্গুল নিয়ে ।
কিন্তু আজও আমার আফসোস শান্তনার বাবা বাবর ও মায়ের উপর। তার মেয়ে যে অপূরণীয় ক্ষতি করলো আমার বাচ্চাটার একটা সরি পর্যন্ত বলেনি তারা কিংবা আমার মেয়েটিকে দেখতেও যায়নি অথচ আমি তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার তো দূরের কথা কিছুই বলিনি। কদিন পর বাসা ছেড়ে পালিয়েছে তারা । তারা এভাবেই হয়ত আজও পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আমার বিশ্বাস ওমন ডাইনি বাচ্চা কোথাও টিকতে পারবে না।
বাচ্চাটি বেলকুনির ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকলেও যেই যেত তাকে থুথু দিতো। দেখে অবাক হতাম, ওরা শাসন করে না মেয়েকে বা নিষেধও করে না ।
শুধু ক্যাঁত ক্যাঁত করে খাওয়ায় আর বিশাল দেহী তৈরি করেছিলো। উফ! বহুদিন পর হলেও লিখলাম …
শিশুর ভয়ংকর রূপ আমি দেখেছি ।
ওই ডে-কেয়ারের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ তা আমার বাংলাদেশে হোক বা ভারতেই ।
বাংলাদেশেও নানা অব্যবস্থাপনার কথা তো শুনেই আসছি।
শিশুকে নিজের কাছে রাখুন। স্বামীর আর্থিক সঙ্গতি ভালো থাকলে নিজেই দেখাশোনা করুন নিজ শিশুর।
মনে ীাখবেন, আপনার সন্তান আল্লাহর আমানত। আপনার সন্তান আপনার সম্মান ।
শিক্ষক, কবি ও লেখক সৈয়দা রুবীনা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১/৭/২০২৬ খ্রী.
#শিশু_নিরাপত্তা #ChildSafety #daycare
#awareness #trendingnow See less

১৫| ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:০৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমি সঠিক জানিনা এই ভিডিও কোন দেশের। খুব সম্ভব ভারতের হবে, হয়তো।

১। নিরহ বাচ্চাটিকে এই বোর্ডিংয়ে রাখা নিরাপদ না। কোনোভাবেই না।
২। শিশু গুন্ডার পারিবারিক রের্ক্ড চেক করা খুবই জরুরী। ডমেস্টিক ভাইয়োলেন্স থেকে সে ট্রেনিংপ্রাপ্ত হয়েছে।
৩। শিশু গুন্ডার পরিবারে জরুরী খোঁজ নেওয়া দরকার এই কারণে, হয়তো এখনও সময় আছে একটি হত্যা হতে একজনে হয়তো বাঁচানো সম্ভব। শিশু গুন্ডার মা হত্যা হতে পারে যে কোনোদিন, যে কোনো সময়।

০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:১৮

অপ্‌সরা বলেছেন: হ্যাঁ ভারতের।

কিন্তু শিশু ও তার স্বভাব আচরন বা মনোবৈকল্য কোনো দেশ জাতি ভেদাভেদ মানে না। যে কোনো বাচ্চাই যেন এমন না হয়ে ওঠে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫

অপ্‌সরা বলেছেন: এই ডে কেয়ারের নাম Firstcry Intellitots Preschool যা ভারতের। এই নামও ক্রাই দিয়ে ফার্স্ট ক্রাই লাস্ট ক্রাই হবার পথে।

এটি খুবই নাম করা ..... তারপরেও এই করুণ দশা...

০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

অপ্‌সরা বলেছেন: https://www.youtube.com/watch?v=LYubjRngljI

বাংলাদেশে এই নিউজ এসেছে। বাচ্চাটার সারাগাঁয়ে এবং মুখে আচড় কামড় নানা রকম ব্যথার চিহ্ন হয়েছে। ঐ বাচ্চার মা নাকি উকিল । একদম কেস করে দিয়েছে ঐ সেন্টারের বিরুদ্ধে।

আমি ভাবছিলাম ঐ নালায়েক অবুঝ বাচ্চার বিরুদ্ধেও করেছে কিনা.......

১৬| ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



তোমার পোস্টের শিরোনাম হওয়া উচিত - শিশুদের আবাসিক স্কুল কতোটা নিরাপদ? বা এমন কিছু।

আর সম্ভব হলে লেখাটি পিনপোস্ট করার ব্যবস্থা করো। বিষয়টি জরুরী জাদিদ সাহেব মনে হয় এখনও ঘুমায়নি, তাঁকে বলো লেখাটি পিনপোস্ট করে দিতে।

০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮

অপ্‌সরা বলেছেন: আচ্ছা শিরোনাম বদলে দেবো তবে অলরেডি অনেকেই জানে এই বিষয়ে। পিনপোস্ট করে লাভ নেই তেমন। এখানে তো কেউ তেমন আর আসে না! :(

১৭| ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৫২

অপ্‌সরা বলেছেন: জেনেছো??? এবার বলো এমন বাচ্চাকে আর তার মা বাবাকে কি বলার আছে?

১৮| ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:০২

ক্লোন রাফা বলেছেন: ঘটনাটা অনলাইনে দেখে । আমি রীতিমতো অসুস্থতা বোধ করেছি! এটা পুরোপুরি ঐ ডে কেয়ার সেন্টারের দ্বায়। বাচ্চাদের’কে নিরাপদ রাখার জন্য ওখানে রেখে যায় অভিভাবকরা। যতটুকু সময় সেখানে থাকবে ,দ্বায়িত্বশীল কারো উপস্থিতি অপরিহার্য।

০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৪৬

অপ্‌সরা বলেছেন: আমিও মানে আমি শুধু ওয়েট করছিলাম কখন সেই মারকুটে বাচ্চাটা থামবে! :(
এত্ত কষ্ট লেগেছে।
ঐ ডে কেয়ার আজীবনের জন্য বন্ধ করা উচিৎ।

১৯| ০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৫৬

মেহবুবা বলেছেন: পোষ্ট না পড়ে মন্তব্য করতে এলাম, শিরোনাম দেখে এবং মোবাইলে ছোট করে ছবি দেখেই সাহস শেষ। বলতো আমরা সুস্থ স্বাভাবিক সুন্দর চারিপাশের মধ্যে কেন নিজেকে দেখতে পাই না!

০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫০

অপ্‌সরা বলেছেন: ভিডিওটা ভায়োলেন্সের জন্য ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে ইউটিউব থেকে। তাহলেই বুঝো একটা দুই বছরের বাচ্চার মারামারিও ভায়োলেন্স হতে পারে এমন কথা কেউ কি কখনও ভেবেছিলো!!!!

ঐ টুকু বাচ্চার অমানবিক দীর্ঘস্থায়ী মারামারির ভয়ংকর রুপ কেউ কখনও দেখেছে কিনা জানিনা তবে ভূতের সিনেমায় দেখা যায় মানুষের উপর প্রেতাত্মা ভর করলে অমন অমানবিক পাশবিক শক্তির ভর হয় .....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.