| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি তখন প্রায় সারাদিনই শুয়ে শুয়ে দিন কাটাতে বাধ্য হয়েছি। হঠাৎ করে এমন অপ্রত্যাশিত থমকে যাওয়া মেনে নেওয়া তো দূরের কথা আমাকে যারা একটু আধটুও চেনে তারাও মানতে...
এখন তুমি কোথায় আছো?
কেমন আছো?
পত্র দিও ....
এখন তোমার নতুন জীবন চলছে কেমন?
পত্র দিও ....
কেমন আছে বাড়ির সবাই?
পোষা বিড়াল ময়না পাখি?
বুলবুলিটা বসতো এসে, ভোরের দিকে জানলা...
২০২৪-২০২৫ একাডেমিক ইয়ারের শেষদিনগুলোতে যখন কোনো স্টুডেন্ট আসে না তবে টিচারদের রিপোর্ট কার্ড ও অন্যান্য কাজ থাকার কারণে শুধু তারাই স্কুলে আসে। সে সময়টাতে কাজের পাশাপাশি আমাদের কিছুটা...
ছোটবেলায় আমার ছোট্ট জামাকাপড়ে ফুটিয়ে তুলতেন মা এক অদ্ভুৎ সুন্দর ডিজাইন। চিরকালের অনুসন্ধিৎসু হৃদয়ের আমি সেই ডিজাইনে হাত বুলাতাম। এক যাদুকরী মায়াস্পর্শ লেগে থাকতো সেই ডিজাইনটার গায়ে। মা বলতেন...
পেছনে ফিরে তাকালে আমি সবার প্রথমে যে ঈদটার কথা স্মরন করতে পারি সেই ঈদটায় আমি পরেছিলাম আমব্রেলা কাট নীলচে বলবল রং একটা জামা এবং জামাটা বানিয়ে দিয়েছিলেন আমার মা...
আমাদের বাড়িতে গৃহকর্মীদের মাঝে ঝগড়া বিবাদ, কৌতুক আনন্দ, লড়াই বড়াই, প্রেম বিবাহ, আত্মীয়তার বন্ধন কোনোটাই নতুন নয়। প্রায়ই তারা যেমনই বিবাদ কলহে মেতে ওঠে তেমনই দুদিন পরেই আবার...
আমি এই ব্লগে পদার্পনের প্রথম বছর থেকেই সিরিজ লিখেছি। এই সিরিজগুলো লিখতে গিয়েই আমার বেশি ইন্টারএকশন হয়েছে এই ব্লগের মানুষগুলোর সাথে। এই সব গল্পগুলো যাই লিখেছি অনেকেই আগ্রহ ভরে...
আমাদের যশোরের সেই মায়া মায়া সুশীতল ছায়াঘেরা বাড়িটাকে আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি। যেন শুনশান দুপুরবেলা ভাতঘুমের পর ঘুমাচ্ছে বাড়ির মা চাচী দাদীমা ও বাচ্চারা। অন্য ছেলেমেয়েগুলো সব স্কুল...
আজকাল আমি রোজ বিকেলে সিদ্দিকা কবিরের বই দেখে দেখে ডালপুরি, সিঙ্গাড়া, সামুচা বানাই। বাবার বাড়িতে আমি কিছুই রান্না শিখিনি, এমনকি ভাতও টিপ দিয়ে বুঝতে শিখিনি সিদ্ধ হলো নাকি হলো না...
ঢাকার বাড়িতে এসে সবচেয়ে যে জিনিসটি আমাকে মুগ্ধ করেছে তা আমার শ্বশুরমশায়ের শখের লাইব্রেরটি। তার বইপ্রীতির নমুনা তার সেই শখের লাইব্রেরী ছাপিয়েও বাড়ির অন্যান্য ঘরে ঘরে এসে ঢুকেছে।...
সেই রাতটার কথা ভাবলে আমার বড় অবাক লাগে! একজন অচেনা অজানা মানুষ যাকে চেনা জানা তো দূরের কথা এই দুচোখের সামনেও কখনও দেখিনি সেই মানুষটাই নাকি হঠাৎ মন্ত্রবলে...
গাড়ি এগিয়ে চললো। পিছে ফেলে চললাম আমার এইটুকু বয়সের সকল অতীত, আনন্দ বেদনা ভালোলাগা, ভালোবাসা এবং সকল অভিমান। এতক্ষন কান্না পায়নি আমার কিন্তু ঠিক এই সময়টাতেই আমার...
কাল ছিলো গায়ে হলুদ। আজ আমার বিয়ে। বলতে গেলে সারারাত ঘুমাইনি আমি। আমার জীবনের এই এতটুকু বয়সে যত রাত পার করেছি তার থেকে এই রাতটা একেবারেই আলাদা ছিলো।...
পরদিনও ফিরলো না খোকাভাই। সেজোচাচাও কোনো খবর নিলো কি নিলোনা কিছুতেই জেনেও উঠতে পারলাম না আমি। তবে বিয়ের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছিলো তখন। পাত্রপক্ষ আর দেরী করতে পারবেন...
এই বাড়ির সালিশ দরবার বিচার আচার যে কোনো আনন্দ অনুষ্ঠান মানে কোনো কিছুতেই কখনও আমি বড়চাচীকে সামিল হতে দেখিনি। যেমনই খোকাভাই এ বাড়ির বড় ছেলের একমাত্র সন্তান হয়েও কখনও...
©somewhere in net ltd.