নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গাড়ি এগিয়ে চললো। পিছে ফেলে চললাম আমার এইটুকু বয়সের সকল অতীত, আনন্দ বেদনা ভালোলাগা, ভালোবাসা এবং সকল অভিমান। এতক্ষন কান্না পায়নি আমার কিন্তু ঠিক এই সময়টাতেই আমার বুকের ভেতরটা মুচড়ে উঠলো। ডুকরে উঠলাম আমি। ঠিক তখনই অনুভব করলাম আমার ডান হাতটি শক্ত মুঠোয় চেপে ধরে আছে কেউ একজন। সে আর কেউ নয়, সেই আমার স্বামী। আমার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের নতুন নায়ক।
পেছনের সিটে আরও একজন ছিলো আমার ছোট ননদ আর গাড়িটা চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো আমার এক খালাত দেবর। তখনও তাদের কাউকেই আমি চিনিনা। চেনার চেষ্টাও করছিলাম না। সামনের সিটে বসেছিলেন বড় দুলাভাই। নানারকম হাস্যরসে মেতে উঠেছিলো তারা। কিন্তু সেসব কিছুই আমার কানে ঢুকছিলো না। আমি আমার এই কিছু্ক্ষন আগে ছেড়ে আসা জীবন, সামনের পথ, এক গাদা নতুন সব মানুষ ঘিরে থাকা সব কিছু মিলিয়ে খুব অন্যমনস্ক হয়ে পড়ছিলাম বার বার।
সেদিন সন্ধ্যায় আমাকে আমার আসল শ্বশুরবাড়িতে আনা হলো না। বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া হলো সেই ডিসি সাহেবের বাংলোয়। ডিসি সাহেবের মোটাসোটা বৌটা নিজেই হাত ধরে নামালেন আমাকে গাড়ি থেকে। হাসিখুশি মহিলাটা নিজের আনন্দে নিজেই উদ্ভাষিত ছিলেন।
- এই আসো আসো বউকে নামাতে হবে। এ্যাই মেজু। তোমার ছেলের বউ। বউকে ধরো ধরো। এই নীপা ভাবীকে ধর সবাই..... ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি কলকাকলীতে উচ্ছল তরুনীর মত মেতে উঠলেন তিনি। ডিসি সাহেবের বাংলোটা আমাদের বাড়ির মত অত বড় চৌহদ্দী না হলেও সেটাও বেশ সুবিশালই ছিলো। কিন্তু ঐ অত টুকুন সময়ে আমার যেটা পার্থক্য লাগলো আমাদের বাগানের ফলফুলের গাছগুলি নিজের আনন্দে বেড়ে ওঠা এবং একটু এলোমেলো আর এই বাগানের গাছগুলি সুপরিকল্পিত যতনে কেটে ছেটে আটোসাটো বাঁধনে যেন বাড়িয়ে তোলা। লম্বা লাল সুর্কীর রাস্তার উপরে গাড়ি থেমেছিলো সেখান থেকে নামিয়ে আমাকে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে সিড়িতে উঠানো হলো। দুপাশে দাঁড়িয়ে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ফুলের পাপড়ি ছড়াচ্ছিলো। আমাদের বাড়ি থেকে ১০মিনিটের রাস্তা। তখনও সন্ধ্যা পেরোয়নি। রাত নেমে আসেনি। সেই ঘোর ঘোর সন্ধ্যায় এক আশ্চর্য্য ঘোরের মাঝ দিয়েই সেই লাল সুরকির রাস্তার দুপাশে ঝাউগাছের সারির পেরিয়ে হেটে গিয়ে লাল রঙ্গের পুরান আমলের ব্রিটিশ স্ট্রাকচারের এক গৃহে গৃহপ্রবেশ হলো আমার।
গৃহ প্রবেশের ঠিক আগে, গৃহদ্বারে আবার আরেক অনুষ্ঠানের সূচনা হলো। মিষ্টি খাওয়া, শরবৎ খাওয়া। আমার বমি পাচ্ছিলো। এখনকার দিনে বউরা বলে দেয় এত মিষ্টি খেতে পারবে না কিন্তু সে সময় কণেদের বমি পেলেও মিষ্টি খেতেই হত এবং মিষ্টি খেয়েও বমি করা চলবে না এই ছিলো এক অগ্নিপরীক্ষা। এরপর আরও এক অগ্নি নহে আস্ত আগ্নেয়গিরি পরীক্ষাই দিতে হলো আমাকে। মিষ্টি শরবৎ ইত্যাদি খাওয়া শেষে ভীড়ের মধ্য থেকে কেউ একজন রোল তুললো, জামাই কোলে নাও বউকে। কোলে নিয়ে ঘরে নিয়ে চলো। আমার তো সে কথা শুনে পিলে চমকে উঠলো। কোলে নেবে! কি সর্বনাশ! ভাবনার মাঝেই আমি উপলদ্ধি করলাম আমি শূন্যে। আমার নতুন জামাই আমাকে পাঁজাকোলা করে তুলে নিয়ে বীরদর্পে সামনে এগিয়ে চলেছে আর সবাই হাত তালি দিচ্ছিলো। আমি আড়স্ঠ হয়ে রইলাম। কিন্তু নতুন জামাই এর যেন কোনোই ভাবান্তর ছিলো না। সে ছিলো সাবলীল ও সাচ্ছন্দ্য। সে কোলে করে এনে এসে নামালো এক সুসজ্জিত ড্রইং রুমে।
ডিসি সাহেবের বিদেশী কেতায় সুসজ্জিত এলাহী সেই ড্রইং রুমে একজন সাদা শাড়ি পরা বৃদ্ধা মহিলা হুইল চেয়ারে বসে ছিলেন। ডিসি সাহেবের শশব্যস্ত বউ মানে আমার মামীশ্বাশুড়ি উনার সামনে আমাকে নিয়ে গিয়ে বললেন ইনি নানীশ্বাশুড়ি হন তোমার সালাম করো। আমি পা ছুঁয়ে সালাম করতেই উনি আমাকে হাত ধরে পাশের চেয়ারে বসালেন। তারপর আমার হাতখানা টেনে নিয়েবহাতে দিলেন এক আশ্চর্য্য জিনিস। মালা নয় বালা নয় এমনকি আংটি দুল কিছুই নয় গোলাকার একটি সোনার চাকতি। বললেন,
- এই আকবরী মোহরখানা আমার বাবা দিয়েছিলেন আমাকে। আমি তোমাকে দিলাম। যত্ন করে রেখো।
আমি হ্যাঁ না কিছুই বললাম না। সেই মোহরখানা হাতে নিয়ে ঐ অমন অচেনা অজানা সন্ধ্যাতেও আমার মনে পড়ে গেলো ছেলেবেলার প্রিয় হাসির গল্প গোপাল ভাঁড়ের কথা। ( কেনো মনে পড়লো চুয়াত্তরভাইয়ার জন্য এটা ধাঁধা রেখে দিলাম)
যদিও সেটি আমার নিজের শ্বশুরবাড়ি ছিলো না। কিন্তু সেই রাতে ঐ বাড়িতেই বাসর ঘর সাজানো হলো। আমাকে এনে বসানো হলো সেই ঘরের ফুল ছড়ানো বিছানার উপর। ঠিক সিনেমার মত করেই স্ট্যান্ডবেডের চারধার থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিলো ফুলের মালার লহর। আজকাল কত রকম রঙ্গে ও ঢঙ্গে বিয়ের বেড সাজানো হয় তখন সেসব তেমন ছিলো না বললেই চলে। ডিসি সাহেবের পাইক আর্দালীরাই মনে হয় সেসব সাজিয়েছিলো। তবুও সিনেমার মত সাজানো সেই সুন্দর বাসর সজ্জাখানা দেখে আমি মুগ্ধ হলাম।
সাারাদিনের ক্লান্তি আর সারারাত্রী জাগরণে আমার সারা শরীর ভেঙ্গে আসছিলো। তবুও কোথাও এক রত্তি শান্তি ছিলো না। চারপাশে এক গাদা মানুষ। ভাবী, খালা, চাচী, মামী, ফুপু ননদ নানা বয়সী মেয়েদের কলহাস্য রসিকতায় মুখরিত সেই পরিবেশে মুক ও বধির আমার তখন ভাঙ্গচুর দশা। আমি একটু শান্তিতে ঘুমানোর পথ খুঁজছিলাম। সারাজীবন উপন্যাস বা সিনেমায় দেখেছি বাসরঘরের শুনশান পরিবেশ আর সেখানে নায়ক নায়িকা ছাড়া কেউ থাকেনা। নায়িকা হাঁটুতে মুখ রেখে নায়কের জন্য অপেক্ষা করে তারপর নায়ক আসে। আর এ কোন বাসর ঘরে এলাম যেখানে থই থই মানুষ। একটু শান্তিতে মুখ ফেরানোরও উপায় রইলো না?
কিছুক্ষনের মধ্যেই মুখ তুলে চাইলেন খোদা। ডিসি সাহেবের সদাব্যস্ত বউটা কই থেকে হই হই করে এসে ঘর থেকে সকল জনতা হটিয়ে দিলেন। তারপর আমার কাছে এসে বললেন, সবে সন্ধ্যা। কিছুক্ষন পরেই রাতের খাবার দেওয়া হবে। আমার বড় মেয়ে আসছে তোমার স্যুটকেস থেকে কাপড় বের করে পরিয়ে দেবে। শুধু এই ভারী কাতানটা বদলে একটা আরামদায়ক শাড়ী পরিয়ে দিক। গয়না খোলার দরকার নেই। খোঁপাটাও বাঁধা থাকুক। তোমার বর এসে দেখুক।
ডিসি সাহেবের বউ এর এত ক্ষনের কথা শুনে আমার মনে যে শান্তির উদয় হয়েছিলো আবার তার এই কথা শুনে সেই শান্তি উবে গেলো।আমার মাথায় বাঁজ ভেঙ্গে পড়লো। বলে কি! এমনিতেই খোঁপার উপর এক গাঁদা স্প্রে করে দেওয়ায় আমার মাথা কুট কুট করছিলো। কখন চুল খুলে শান্তি করে আঁচড়াবো তানা উনি বলেন খোঁপা বাঁধা থাকুক! আমার তখন ডাক ছেড়ে কাঁদতে ইচ্ছে করছিলো। তবুও মুখে তালা দিয়ে বসে রইলাম। কারণ সেটাই ছিলো নিয়ম। নতুন বউদের হই হই করে কথা বলতে নেই তাতে লোক বেহায়া বলে।
কিছুপরে সেখানে এলো এক অপূর্ব সুন্দর কলাপাতা রং শাড়ি পরা এক অপূর্ব সুন্দর মেয়ে। মেয়েটাকে দেখে আমার মনে হল হঠাৎ যেন এক সবুজ পরী পাখা ছেড়ে এসে নামলো আমাদের এই ঘরে। তাকে দেখে আমার মামীশ্বাশুড়ী ডিসি সাহেবের বউটা বলে উঠলো,
- এই যে আমার মেয়ে। এই যে নে নে ভাবীকে সাহায্য কর শিঘ্রী..... ওর স্যুটকেস থেকে একটা সূতী শাড়ি বের করে ওরে পরায় দে।
সেই পরীর মত মেয়েটা আমার স্যুটকেস খুলে শাড়ী পছন্দ করতে লাগলো। ডিসি সাহেবের বউ তলার দিক থেকে টেনে বের করলো একটা জরীপাড় লাল সূতী শাড়ি । বললেন এটা ঠিক আছে এটা পরায় দে।
ডিসি সাহেবের বউ বের হয়ে যেতেই মেয়েটা শাড়ি হাতে আমার কাছে এসে বসলো। বললো,
- কি ভাবী। কেমনে মজা? তার চোখে কৌতুক ছিলো। এমনিতেই এত সুন্দর একটা মেয়েকে দেখে আমি প্রায় বাক্যহরা আর তার উপরে কি বলছে এ? আমি অবাক হয়ে বললাম,
- কিসের মজা?
মেয়েটা হাসতে হাসতে মরে গেলো। বললো,
- আমি ভেবেই পাইনা মানুষ এত ঝামেলা করে বিয়ে করে কেনো? তোমাকে দেখে আমার ভীষন মায়া হচ্ছে। চলো শাড়ি চেঞ্জ করে তোমার গহনা খোঁপা সব খুলে দিচ্ছি। তুমি আরাম করে বসো। আমি ভয়ে ভয়ে বললাম,
- সবাই বকে যদি? তোমার মা?
- মানে? বকবে কেনো?
- উনি বললেন না খোঁপা খোলার দরকার নেই?
সে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়লো। বললো,
- বকলে বলবা তোমার বাদশাহ অর্ডার দিয়েছে। জবরজং হয়ে বসে থাকতে হবে না। চলো চলো হাত মুখ ধুয়ে শান্তি করে বসো।
আমি হাফ ছেড়ে বাঁচালম। মেয়েটা মনে হয় সত্যিই পরী ছিলো। শুধু পরী না ভালো পরী। আমাকে অমন বিপদ থেকে রক্ষা করলো।
আগের পর্ব
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০৬
অপ্সরা বলেছেন: এ পর্ব শুধুই ১০ থেকে ১৫ মিনিটের যাত্রাপথের গল্পকথা।
বাসর রাত নিয়ে লিখবো ভেবেও বাদ দিয়ে দিলাম হা হা
২| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০১
পবিত্র হোসাইন বলেছেন: বৌ বাড়িতে নিয়ে আসার পর কোনো কূটনী মহিলা পাওয়া গেলো না। আফসুস
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৪
অপ্সরা বলেছেন: কুটনী মহিলা ছাড়া কি বিয়ে বাড়ি হয়!
তবে সেসবের সন্ধান পেয়েছিলো নীরু তার পরের কয়েকদিনে....
তখনই অবশ্য তার অগোচরেই শুরু হয়ে গিয়েছিলো কুটনীদের কার্য্যকলাপ।
কিন্তু সে সব লেখা কি ঠিক হবে?
আমি তো শুধু নীরুর জীবনের প্রেমের উপাখ্যানটুকুই লিখতে চেয়েছিলাম.....
৩| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০৩
মিরোরডডল বলেছেন:
আমার বমি পাচ্ছিলো।
বমি পাবারই কথা, এতো বিরক্ত ভালো লাগে!
এই ফরমালিটিজগুলোকে রীতিমতো অত্যাচার মনে হচ্ছে ।
এ কোন বাসর ঘরে এলাম যেখানে থই থই মানুষ।
সত্যি বিভীষিকাময় বাসর আপু ।
আমারতো শ্বাসরুদ্ধকর মনে হচ্ছে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৬
অপ্সরা বলেছেন: একদম...... যেন মেয়েটা বলির পাঠা.......
তার ইচ্ছা অনিচ্ছা ভালো মন্দ লাগার কোনো দামই নেই।
৪| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০৯
মিরোরডডল বলেছেন:
আমি ভেবেই পাইনা মানুষ এত ঝামেলা করে বিয়ে করে কেনো? তোমাকে দেখে আমার ভীষন মায়া হচ্ছে।
আমারও মায়া হচ্ছে । এখানে আনন্দ কোথায় আর ভালো লাগাইবা কোথায় !!!!!!!
শুধুই পরাধীনতা আর অন্যের হাতের পুতুল হয়ে বসে থাকা, যা বলছে সেটাই করতে হচ্ছে যদিও প্রচণ্ড বিরক্তকর ।
What a torture!!!
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৭
অপ্সরা বলেছেন: একদম টর্চারের উপর টর্চার......
তবে এই টর্চারের অত্যাচারে নীরুর খোকাভাইকে মনেই পড়লো না .....
৫| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩৪
মিরোরডডল বলেছেন:
জীবন নিয়ে যেখানে টানাটানি
সেখানে খোকাতো লালপানি
বেঁচে থাকার জন্য প্লেইন ওয়াটার দরকার ।
বিলাসিতার জন্য লালপানি । কাজেই তখন খোকাকে মনে না পড়াটাই স্বাভাবিক ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩৭
অপ্সরা বলেছেন: হা হা তখন নীরুর নিজেরই জীবন নিয়ে টানাটানি... হা হা তাই খোকা লালপানি!!!!!
হাসতে হাসতে মরলাম মিররমনি!!!
যাইহোক এই সিরিজের পরিসমাপ্তি হতে বেশি দিন আর বাকী নেই।
খুব খুব ব্যস্ততার মাঝ দিয়ে যাচ্ছি।
আরও খুব খুব খুব ব্যস্ততা আসছে...
৬| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪৩
মিরোরডডল বলেছেন:
ঠিক আছে আপু, থাকো তাহলে ।
এঞ্জয় মন্তব্য প্রতিমন্তব্য ।
শুভরাত্রি ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪৬
অপ্সরা বলেছেন: আমিও ঘুমায় যাবো নাকি ভাবছি।
তবে এখনও অনেক কাজ আছে।
আর পরের পর্বও আধা লেখা। শেষ করতে হবে না?
৭| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৮
স্প্যানকড বলেছেন: শহরে তবু কিছুটা বাঁচে ইজ্জত কিন্তু গ্রামে ভয়াবহ । খুলে বলছি আমার এক আত্মীয় বাসর ঘরে যাবে তখন তার বন্ধুরা বলছে, টিনের ফুটাফাটা বন্ধ করে নিছ। এরপর প্রতিটা ঘর একদম গা ঘেঁষে। আর এখন তো স্মার্ট মোবাইলের যুগ আল্লাহ ই ভালো জানে কি যে হয় ! মনে কিছু নিবেন ইহা কিন্তু সত্য। ভালো থাকবেন খুব।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩৩
অপ্সরা বলেছেন: স্মার্ট মোবাইলের যুগে আবার কি হবে!!!
বুঝলাম না পাগলু ভাইয়ু!
৮| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:১১
একলব্য২১ বলেছেন: মাহেন্দ্রক্ষণে পড়বো মানে আরামসে পড়বো। এখন ব্যস্ত। লেখা নজরে পড়েছে সেটা জানান দিয়ে গেলাম।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:১৬
অপ্সরা বলেছেন: গুড গুড নজরে পড়েছে ভালো কথা।
এই পর্ব বড়ই ক্ষুদ্র!
শুধু গ্যাপ হয়ে যাচ্ছে বলে তাড়াতাড়ি দিয়ে দিলাম।
যদি ভুলে যাও নীরুর যে বিয়ে তাই মনে করাই দেওয়া আর কি ....
৯| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:২৫
একলব্য২১ বলেছেন: এই পর্ব বড়ই ক্ষুদ্র!
পর্ব ছোট বড় কোন ইস্যু না। তোমার লেখা ধ্যানস্থ (অখণ্ড মনোযোগ) অবস্থায় পড়তে চাই।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩০
অপ্সরা বলেছেন: হা হা ওকে তুমি ধ্যনস্থ হয়ে আসো আমি তাড়াতাড়ি পরের পর্ব শেষ করি ঘুমায় যাবার আগে।
১০| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: গোপাল ভাঁড়ের কৌতুকগুলি নতুন করে পড়া শুরু করেছি। উত্তর খুঁজে পেলে নিরুপমাকে জানাবো।
এই পর্বটা শ্বশুরবাড়ির আনুষ্ঠানিকতার বর্ণনায় পরিপূর্ণ। একেক অঞ্চলে একেক রকম রীতি। তবে নিরুপমাকে ঐ পরীর মতো মেয়েটা অনেক বড় উপকার করেছে এটা বুঝতে পাড়ছি।
১৭ তম পর্বে থাকবে বাসর রাতের গল্প। ১৮ তম পর্বে থাকবে নিরুপমার মধুচন্দ্রিমার গল্প। ১৯ তম পর্বে নিরুপমার ছেলের জন্মদিনের গল্প। ২০ তম পর্বে থাকবে নাতির বিয়ের গল্প।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪৮
অপ্সরা বলেছেন: হা হা হা একদম ঠিক।
বাসররাতের গল্প লিখবো না লিখবোনা ভেবেও ভাবলাম না এটা না লিখলে জামাই বাবাজীকে তো পরিচয় করানোই হবে না।
১৮ তম পর্বেও মধুচন্দ্রিমা লিখবো। একদম ঠিক ঠিক তবে ১৯ আর ২০ একদম হয়নি। গোল্লা পেয়েছো।
আর গোপালভাঁড়ের গল্প ভুলে গেছো!!!!!!!!
হায় হায় ভেবেছিলাম তুমি পারবে। কিন্তু ভুল ভেবেছিলাম।
১১| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫২
নেওয়াজ আলি বলেছেন: এক আত্মীয় মেয়ের বিয়ের দাওয়াত খেয়ে এসেই বগ্লেও বিয়ের গল্প পড়লাম প্রথম আজ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫৪
অপ্সরা বলেছেন: হা হা বিয়ের সিজন আসছে শিঘ্রীই।
ভাইয়া তোমার শরীর কেমন এখন?
১২| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:০২
একলব্য২১ বলেছেন: আমি তাড়াতাড়ি পরের পর্ব শেষ করি ঘুমায় যাবার আগে।
এইটা তো ব্ল্যাকমেইল মার্কা কথা বললা। ঘুমাইতে যাইবা। ব্যস! কাজ বাদ দিয়া তোমার লেখা পড়া শুরু করলাম। আচ্ছা তোমার সাথে তোমার বাবা বাড়ী থেকে ছোট কেহ সঙ্গে আসেনি।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:২২
অপ্সরা বলেছেন: হা হা না ঘুমাইনি এখনও।
কিন্তু ঘুমে পড়ে যাচ্ছি সত্যি সত্যি!!!!
ঐ আমার সাথে মানে কি!! নীরুর সাথে ছোট কেউ আসেনি হবে তো প্রশ্ন টা।
আচ্ছা দাঁড়াও এর উত্তর পরের পর্বে আছে-
আগেই সেটা একটু প্রিভিউ করে দেই-
সাধারনত ঐ সব দিনে বিয়ের কনের সাথে বাবার বাড়ির কাউকে না কাউকে দিয়ে দেওয়া হত। কনের নতুন বাড়িতে কিছু বলতে সমস্যা হলে সেই দায়িত্ব পালনের ভার থাকে তার উপরেই। কিন্তু আমার সঙ্গে কাউকেই দিয়ে দেওয়া হয়নি। ১০ মিনিটের রাস্তা বলে সন্ধ্যার পর ন,চাচা আর ত চাচার ছেলেরা মানে পিচ্চি পিচ্চি দুটি ভাই এসে দেখে গেলো। ওদেরকে দেখে আমার বুকের ভেতরটা কি রকম যে মুচড়ে উঠেছিলো সে কথা আমি বলে বুঝাতেই পারবো না কখনও। তারাও রাতে রইলো না। চলে গেলো। বলে গেলো সকালেই রুনি, মীরা আপাারা এসে দেখে যাবে আমাকে। দরকার হলে সারাদিনই কাটিয়ে যাবে আমার সাথে। কালকের দিন কাটিয়ে পরদিন বাবার বাড়িতে ফিরনী নিয়ে যাওয়া হবে আমাদেরকে নতুন বর আর বউকে। তাই মাঝে তো কালকের দিনটাই।
১৩| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:১৮
একলব্য২১ বলেছেন: একদম টর্চারের উপর টর্চার......
কয়দিন আগেই তো তোমার এক আত্মীয়র বিয়েতে নিজেরা কি করেছ। এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে।
view this link
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:২৩
অপ্সরা বলেছেন: কি করেছি?? নাচা গানা করেছি!!
এসব কি টর্চার হলো?
১৪| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩২
মনিরা সুলতানা বলেছেন: এত ছোট্ট ?
যাইহোক ঝামেলা ছাড়াই বিয়ে হয়ে গেলো, তার মানে এই মেয়ে তেমন ডাকসাইটে সুন্দরী না। নিদেন পক্ষে খোকাভাই বাংলা খেয়ে কিছুক্ষণ সেই সুইপারের মত হুজ্জৎ করতে পারত।
বুঝতে পারছি না এই বউ পাগলা কে নিয়ে নীরু কি করবে, এমনিতেই বয়সের এত পার্থক্য! দেখা যাক ১৭/১৮/১৯ ......
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩৬
অপ্সরা বলেছেন: হা হা ঝামেলা করবে কে ? খোকাভাই!!!
সে তো নিরুদিষ্ট!!!
বয়সের পার্থক্য হলেই নাকি মানুষ বউ পাগলা হয়।
১৫| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩৬
একলব্য২১ বলেছেন: নাচা গানা করেছি!!
একদম অস্থির অবস্থা! কয়দিন হল্লা করছো আগে এইটা কও। এই তো মওকা! কনের কি বারোটা বাজাইয়া দিছ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩৮
অপ্সরা বলেছেন: আরে না!
ইনি ছিলেন এ কালের কণে।
এক্কেরে নো পাত্তা দিয়ে উড়ায় দিয়েছে আমাদেরকে।
একটা মিষ্টিও খাওয়ানো যায়নি তাকে জোর করে।
জোর জারির বান্দ নহে তিনি
১৬| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪২
মনিরা সুলতানা বলেছেন: হ্যাঁ নিরুদ্দেশ থেকে ফিরে ই তো করবেন ঝামেলা। আসলে বয়স বেশি হলে অপেক্ষা করতে করতে লজ্জাশরমের মাথা খেয়ে ফেলে যে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪৫
অপ্সরা বলেছেন: হা হা খোকাভাই তো ভীতুর ডিম্ব ছিলো।
আর জামাইবাবা ছিলো বউ পাগলা।
হ্যাঁ আসলেই লজ্জা শরমের বালাই না করে বউ পাগলামী করে বাড়ির সকলের চক্ষুশূল হয়।
১৭| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪৩
একলব্য২১ বলেছেন: কেও কি জানে বাংলা আর চুল্লুর মধ্যে পার্থক্য কি।
০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪৬
অপ্সরা বলেছেন: বাংলা আর চুল্লু মনে হয় দেশি মদ।
চুল্লু মনে হয় বাঁশের মধ্যে ভাঁত পঁচিয়ে বানায়।
১৮| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:১৪
একলব্য২১ বলেছেন: ওকে শায়মা আপু, ছোট হলেও আজকের পর্বের জন্য অনেক ধন্যবাদ। তোমার লেখার পড়া আমার কাছে অনেক আনন্দের। বিশ্রাম নাও। গুডনাইট।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৫০
অপ্সরা বলেছেন: আমি জানি তুমিই এই লেখার এক ও দুইমাত্র আসল পাঠক। আরেকজন মিররমনি।
আজকে বসেছি ১৭ লিখতে। নিজের নামে লিখতে গিয়ে আমি ইতস্তত বোধ করি মানে চেনা আইডি দিয়ে। নতুন আইডি হলে মনের কথা গলগলিয়ে লিখে দিতাম হা হা .....
১৯| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:০৪
সোহানী বলেছেন: এই চুলের স্প্রে কই পাইলো । তখনকার সময় কি স্প্রে ছিল??? আমার যতদূর মনে পড়ে তখন নকল খোঁপা পাওয়া যেত। তা চুলের ভীতর ঢুঁকিয়ে বড় খোঁপা বেঁধে দিতো।................
উপরে অনেকই কুটনীর উপস্থিতি কামনা করছে । আগের দিনে বিয়ে বাড়িতে এমন চরিত্র মাস্ট
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৫৬
অপ্সরা বলেছেন: তখনকার সময় মানে আজ থেকে ২০/২২ বছর আগের কথা। শুধু স্প্রে না বিউটিপারলারও ছিলো। তৃপ্তি বিউটি পারলার। কিন্তু সে সময় নীরুরা বিউটি পারলার যাওয়া ভালো কাজ মনে করতো না।
নীরুদের বাড়িতে অবশ্য তারও আগে থেকে বিদেশী বউ এর কল্যানে এক বিশালাকার সবুজ কালার হেয়ার স্প্রের ডিব্বা ছিলো।
বড় খোঁপা ঢুকিয়ে বিউটি পারলারেও খোঁপা বেঁধে দিতে দেখেছি আমার এক খালার বিয়েতে।
কুটনীর উপস্থিতি বিয়ে বাড়িতে থাকেই তবে কনের বাড়ির কুটনী থেকেও যে বরের বাড়ির কুটনী কত ভয়ংকর তাহা নীরু জানে....
কিন্তু সে সব লিখে কি প্রেমাখ্যান নত্ত কববো বলো!!!!
২০| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:২৬
জুল ভার্ন বলেছেন: যথারীতি ভালো লাগা অফুরান।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:৫৩
অপ্সরা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া।
২১| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৩২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: মনিরা আপু আর আমার দাবি তো মানলেন না। এত করে বলা সত্ত্বেও বিয়ে দিয়ে দিলেন আরেকজনের সঙ্গে। এখন তো যা হবার তাই হবে। হানিমুনের পরে নিরুপমার মন বদলাতে পারে। তবে আপনি মনে হয় অন্য কিছু দেখাবেন।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৪৯
অপ্সরা বলেছেন: আমি কি করবো!! আমি কি বিয়ে দিলাম? বিয়ে তো দিলো নীরুর মা। আমি কি নীরুর মা নাকি!!!
এখন কি হবে তাও কি আমি জানি??
যা হবার তাই হবে সেই কথাটাই মানি।
নিরুপমার মন কি শুধুই নিরুপমারই মন?
বাংলাদেশের কত কত কোমলমতী বালিকা তরুণীর মন
২২| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৩৭
ঢাবিয়ান বলেছেন: সেকালের বিয়ে বাড়ির প্রানবন্ত বর্ননা ।কনের যেমনই লাগুক, চারপাশের মানুষের আনন্দের সীমা পরিসীমা ছিল না। পরিবারে কারো বিয়ে হচ্ছে শুনলেই আনন্দের নেচে উঠত মন। কয়েকদিন ব্যপী শুধু আনন্দ আর আনন্দ সেই সাথে দারুন সব খানাপিনা।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৫১
অপ্সরা বলেছেন: কিন্তু মেয়েটার মানে কণের মনের এবং শরীরের কি অবস্থা তাহা কেহই বুঝতো না ঘন্টার পর ঘন্টা ভূত সাজিয়ে বসায় রাখতো। সালাম করাতো .......
এখন অবশ্য অবলা নারীরা সবলা হয়েছে এই সব ঢং ঢাং না মেনে নিজেরাই ঢং করতে পারে।
২৩| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৫৬
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কোমল মতি বালিকারা এই সব বাদাইম্মাদের প্রেমে কেন পড়ে? অনেক ক্ষেত্রে মায়েদের সিদ্ধান্ত ঠিক আছে। খোকাভাইয়ের সাথে বিয়ে দিলে দুইজনে একসাথে নেশা করতো।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:০৭
অপ্সরা বলেছেন: আরে তো কি ঐ বুড়া ধুড়ার প্রেমে পড়বে নাকি!!!!!!!!!!!
নীরুর বয়স ১৮ সে কেমনে প্রেমে পড়বে ৩০ বছরের ডক্টর সাহেবের।
তারে ধরে বিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তো প্রেমে পড়ার চান্সই পেলো না।
খোকাভায়ের সাথে বিয়ে তো দূরের কথা যেন দেখাই না করতে পারে তার তো শত চেষ্টা করেছেনই মা জননী।
কিন্তু কি লাভ হলো তাতে??
পারলো???
শুধু পারলো ধরে বেঁধে বিয়ে দিয়ে দিতে....
২৪| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৩৯
গেঁয়ো ভূত বলেছেন: আপু! এ পর্বে শ্বশুরালয়ের (যদিও এটা মামা শশুরের ডিসি বাংলো) চলৎছবি, যার পর নাই জীবন্ত হয়ে এসেছে। নিরুর মানস্পটের ছবিটা এত নিখুঁত ভাবে আঁকা হয়েছে যে, মনে হয় স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলেও এতটা পুরস্কার ভাবে দেখতে পেতাম না! গল্পে ক্রমশই লেখনী শাণিত হচ্ছে আর আমার মুগ্ধতার সীমাও বেড়ে যাচ্ছে। আর হ্যা, এত হৈ চৈ এর ভিড়ে খোকা ভাই এর কথা মনের কোনায় এক মূহর্তের জন্যও আসতে পারলো না ??
তবে, আজকের পর্বের ধৈর্ঘ একদম পারফেক্ট। তীব্র ক্ষুধার সময় খাবারের পরিমান একটু কম হলে যেমন টা হয় ঠিক তেমনি।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৫৪
অপ্সরা বলেছেন: সেটাই ভাইয়া।
এত ছোট করে আমি লিখি না । মানে বেশি কথা বলা অভ্যাস তো তাই যেমন বকবক তেমনই লেখলেখ হয়ে যায় তাই আবার আমার মেমোরী অসাধারণ জীবনে যা কিছু এই দু চোখে দেখলাম মনে পড়ে যায়। তাই এত বড় হয়ে যায় লেখা।
তবুও সময় নেই জীবনে
তবুও যদি ভুলে যাও তাই একটু লিখেই দিয়ে দিলাম আর কি।
২৫| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৪১
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: প্রেম করার অধিকার একটা মানবাধিকারের মত। আসলে আপনার কথা মতো নিরুপমাকে জলদি বিয়ে না দিয়ে দ্বিতীয়বার প্রেম করার আরেকটু চান্স দেয়া উচিত ছিল পরিবারের। যেন সে একটা ভালো পাত্র খুঁজে নিতে পারে। সেটাও যে আরেকটা খোকাভাই হতো না তার নিশ্চয়তা কি ছিল। মা মেয়েকে হাড়েহাড়ে চেনে এই কারণে ঐ ঝুকি নিতে চাননি। মেয়ে তো নাচুনে বুড়ি, প্রথমবার এক মাদকাসক্তের পাল্লায় পড়েছে পরের বার হয়তো কোন প্লে-বয়ের পাল্লায় পড়তো। এটা মা বুঝেছিল। এই বয়সের মেয়েরা এই ধরণের ভুল করে থাকে। বর্তমানে আরও বেশী করে থাকে।
আপনার কথায় মনে হচ্ছে প্রেম করে ভুল সিদ্ধান্ত নিলেও কোন সমস্যা নাই। সেই ক্ষেত্রে নিরুপমাই তার জীবনের পরবর্তী সমস্যার জন্য দায়ী থাকতো। বাবা মাকে আর দোষ দিতে পারতো না। আর খোকা ভাইয়ের যে অবস্থা বিপদে নিরুপমা অবশ্যই পড়তো।
৩০ বছরের বয়স্ক পাত্র ভালো নাকি ২২ বছরের একটা মাদকাসক্ত ভালো? স্বয়ংবরা হতে গিয়ে একটা মাদকাসক্ত ছেলের পাল্লায় পড়েছে। মায়ের কথা শুনলে এই কষ্ট এখন হত না। খোকাভাই তো ভুল পাত্র ছিল নিরুপমার জন্য। এই দায় কি মায়ের না নিরুপমার?
মনে করেন খোকাভাই বিয়ে করতে রাজি ছিল। নিরুপমাও কি এই মাদকাসক্ত ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি হতো। হয়তো হতো। কিন্তু এই সিদ্ধান্তটা তার জীবনের জন্য একটা অনেক বড় ঝুকি হত। জীবন নিয়ে জুয়া খেলা হত। এখন ডাক্তার সাহেবের বয়সটা অনেক বড় সমস্যা হিসাবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু খোকা ভাইয়ের সাথে বিয়েটা কি আরও বড় সমস্যা হত না। অবশ্য চাইলে অভিভাবকরা এই বয়স্ক ডাক্তারের বদলে কম বয়সী আরেকটা পাত্র খুঁজতে পারতো। নিরুপমার মন থেকে খোকা ভাইয়ের ভুত না নামলে সে কখনও সুখী হতে পারবে না। খোকা ভাইয়ের ভুত মাথায় ঢোকার দায় কি পরিবারের বা মায়ের? পরিবারকে তো দোষ দেয়ার কোন কারণ দেখছি না। একটা দোষ তারা করেছে সেটা হল নিরুপমার সম্মতি ছাড়া বিয়ে দেয়া। অভিভাবকদের উচিত ছিল নিরুপমার সম্মতি নিয়ে বিয়ে দেয়া।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:০৩
অপ্সরা বলেছেন: আল্লাহ বাঁচাও আমারে!!!!!!!
ভাবছি ভাইয়া তোমার মেয়ে নিরুপমা হলে তার কি অবস্থা হত!
একটা দোষ তারা করেছে সেটা হল নিরুপমার সম্মতি ছাড়া বিয়ে দেয়া। অভিভাবকদের উচিত ছিল নিরুপমার সম্মতি নিয়ে বিয়ে দেয়া।
একটা না দুইটা দোষ তারা করেছে। আরেকটা দোষ খোকাভাইকে ঐ বাড়িতে নিয়ে এসে অবহেলা করা । তারা ভালোবাসলে একটু তো নিরুপমার এত তার উপরে মায়া মমতা জন্মাতো না। সব দোষ ঐ বাড়ির লোকজনের।
(আপনার কথায় মনে হচ্ছে প্রেম করে ভুল সিদ্ধান্ত নিলেও কোন সমস্যা নাই। সেই ক্ষেত্রে নিরুপমাই তার জীবনের পরবর্তী সমস্যার জন্য দায়ী থাকতো। বাবা মাকে আর দোষ দিতে পারতো না। আর খোকা ভাইয়ের যে অবস্থা বিপদে নিরুপমা অবশ্যই পড়তো।)
একদম ঠিক ঠিক ঠিক!!!
ঈগলের বাচ্চাকে যদি মা ধাক্কা মেরে বের করে দিয়ে উড়াতে শেখাতে পারে তাইলে নিরুপমাকে শিখতে দিলে দোষ কি? পড়লে পড়তো। নিরুপমা কি ভয় পাই!!! ঐ যে একটা হিন্দি গানা আছে না প্রেমে পড়লে ভয় পাওয়া চলিবেক লাই ..... ঠিক তেমন
নিরুপমার সাথে বিয়ে হলে খোকাভাই নিশ্চয়ই মাদকাসক্ত হতই না। সে তো মনের দুস্কেই বনে গেলো।
বুঝা গেলো তুমিও নিরুপমার মায়ের দলে এই কারনেই লেখা হয়েছে যুগে যুগে লায়লী মজনু শিরি ফরহাদ রোমিও জুলিয়েট..... কি আর করা !!
তাই তো মনের সান্তনা দেবদাস- বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না দূরেও ঠেলিয়া দেয়!!!
খোকাভায়ের ভূত মাথায় ঢোকা পরিবারের দোষ তার মায়ের দোষ। তারা কেনো অমন অবহেলা করলো খোকাভাইকে??
তাই তো নিরুকেই তাকে একটু ভালোবাসতে হলো আর ভালোবাসতে গিয়ে এক্কেরে দুস্কের সাগরেও ফেলে দিতে হলো।
২৬| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:০৯
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন:
শ্বশুরবাড়ি গিয়ে নিরুপমার এখন এই গান গাওয়া উচিত।
পরে আরও মন্তব্য করবো।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:২৪
অপ্সরা বলেছেন: হা হা ঠিক ঠিক শুধু গান!!!
নাচতেও পারে।
সে আবার কত্থকের ছাত্রী।
আরও মন্তব্য করলে কেউ কেউ আবার গুনতে পারে....
সাবধাকে করো ভাইয়ু!!!!!!!
২৭| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:১৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন:
অথবা এই গান।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:২৫
অপ্সরা বলেছেন: হা হা ঠিক ঠিক গানগুলো নিরুপমাকে দিয়ে আসি ......
২৮| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:১৪
পেঁংকু বঁগ বলেছেন:
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:১৯
অপ্সরা বলেছেন: বোবা বক..... এখনও তোমার বাক্য ফুটে নাই!!!
২৯| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:২৮
শেরজা তপন বলেছেন: এতক্ষণে সুস্থির হয়ে বসে পড়লাম। ভেবেছিলাম আগের মতোই বেশ বড়সড় পর্ব হবে কিন্তু পড়তে পড়তেই হুট করে শেষ হয়ে গেল! এত অল্প লিখেছেন কেন?
নিরুপমার বরটা বেশ ভালো মানুষ মনে হচ্ছে- দেখা যাক
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৩
অপ্সরা বলেছেন: ভাইয়া জীবন হঠাৎ পাগলা বিজি হয়ে গেছে। তাই লেখার টাইম পাচ্ছিলাম না। তবুও যদি অনেকখানি গ্যাপে কেউ ভুলে যায় নিরুপমাকে তাই আধা আধা লেখাই দিয়ে দিলাম।
তোমার তো মনে হচ্ছে অনেক টাইম। প্রকৃতি এলিয়েন চুল নাই গরু মহিষ সব নিয়ে পড়েছো ......
বিবর নামে একখানা বই দেখেছিলাম মায়ের আলমারীতে। সেই বই এর প্রচ্ছদ দেখেই জীবনেও ভয়ে ধরিনি। আজ দেখলাম বিবর নিয়ে কি যেন লিখেছো। ভালো করে মন দিয়ে পড়তে হবে।
৩০| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:১২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি জেনে শুনে আমার মেয়েকে কখনও কোন মাদকাসক্তের সাথে বিয়ে দিতে রাজি হব না। কোন অভিভাবক যদি রাজি হয় তাহলে তারা আসলে মেয়ের ভালো চায় না।
নিরুপমার ভালোবাসায় খাদ ছিল। তা না হলে সে কেন খোকাভাইকে ভুল পথ থেকে ফেরাতে পারলো না।
নিরুপমার প্রেমকে আসলে ছোট প্রেম বলা যেতে পারে। বড় প্রেম হলে সে লাইলি, মজনু, শীড়ি, ফরহাদ, রোমিও, জুলিয়েটের মত আত্মহত্যা করতো তবু বিয়েতে রাজি হত না। মায়ের এক ঝাড়িতেই সুরসুর করে বিয়ের পিড়িতে বসে পড়েছে। খুবই দুঃখজনক।
খোকাভাইকে অবহেলা করতো বলে কি নিরুপমাকে তার সাথে প্রেম করতে হবে সান্ত্বনা দেয়ার জন্য। রাস্তা ঘাটে এতিম, মিসকিন দেখলেই সমবেদনার জন্য প্রেম নিবেদন করতে হবে নাকি। তার বোন হয়েও তো সমবেদনা দেয়া যেত। ছাদে গিয়ে ঘুড়ির নাটাই ধরে টানাটানি করার জন্য একটা অসিলা দরকার তাই এই সব সমবেদনা নাটক।
মনিরা আপুর ভয়ে ভালো মতো আপনার লেখার সমালোচনাও করতে পাড়ছি না। তা না হলে আরও বড় করে লিখলাম।
গোফরান ভাই শুধু জামাত, শিবির, কাঠমোল্লা আর ছাগুদের অপছন্দ করেন। ওনার প্রায় সব পোস্টে জামাত, শিবির, ছাগু, কাঠমোল্লা শব্দগুলি থাকে। এদের ছাড়া বাকিদের পছন্দ করেন। তাই আমার মন্তব্য নিয়ে কিছু বলবেন না।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৮
অপ্সরা বলেছেন: খোকাভাই মাদকাসক্ত সেটা ঐ বাড়ির কেউই জানতো না। ইভেন তুমিও কিন্তু এখনও জানোনা। কুটনী মার্কা বোন রুনি এসে বলেছে নীরুর কানে কানে কারণ খোকাভাই নিরুদিষ্ট।
কাজেই রাজী হবার না হবার কিছুই নেই এখনও!
(নিরুপমার প্রেমকে আসলে ছোট প্রেম বলা যেতে পারে। বড় প্রেম হলে সে লাইলি, মজনু, শীড়ি, ফরহাদ, রোমিও, জুলিয়েটের মত আত্মহত্যা করতো তবু বিয়েতে রাজি হত না। মায়ের এক ঝাড়িতেই সুরসুর করে বিয়ের পিড়িতে বসে পড়েছে। খুবই দুঃখজনক।)
বিয়েতে রাজী না হয়ে কি করবে! খোকাভাইই তো পালিয়ে গেলো সুড়সুড়!! মায়ের কাছে যে রাজী না হবার জন্য এত মাইর খেলো সেটা কি ভুলে গেলে!!!!!!!
(খোকাভাইকে অবহেলা করতো বলে কি নিরুপমাকে তার সাথে প্রেম করতে হবে সান্ত্বনা দেয়ার জন্য। রাস্তা ঘাটে এতিম, মিসকিন দেখলেই সমবেদনার জন্য প্রেম নিবেদন করতে হবে নাকি। তার বোন হয়েও তো সমবেদনা দেয়া যেত। ছাদে গিয়ে ঘুড়ির নাটাই ধরে টানাটানি করার জন্য একটা অসিলা দরকার তাই এই সব সমবেদনা নাটক।)
আরে প্রেম হয়ে গেলে কি করবে!!! তোমার প্রেম কেনো হয়েছিলো বলোতো! দেখি তার উসিলা কি?
৩১| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:১৩
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কত্থক নাচ দেখেই তো খোকা ভাইয়ের মাথা খারাপ হয়েছে। এখন সে মজনু হয়ে গেছে। তবে নিরুপমাকে বলবেন কত্থক না বরং বাসর রাতে ডাক্তার সাহেবের সাথে যেন বল ডান্স করে। দেখবেন খোকাভাইয়ের ভুত পরের দিন সকাল হওয়ার আগেই মাথা থেকে নেমে যাবে। আর ডাক্তার সাহেবও একটু রোমান্টিক হবেন আশা করা যায়।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৯
অপ্সরা বলেছেন: হা হা বল ড্যান্স!!!!!!!!
নীরু তো সেটা শেখেনি.......
আর কত্থক তার হাসব্যান্ডকে নাচতে বললে মনে হয় পরদিন সে কোমর ভেঙ্গে হসপিটাল থাকবে।
৩২| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:১৯
রাজীব নুর বলেছেন: ঢাকা থেকে বের হলেই- ফাঁকা রাস্তায় গাড়ি যেভাব চলে খুব জোরে। শা শা করে। আপনার এই ধারাবাহিকও শা শা করে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রথম থেকেই সাথে আছি। সহজ সরল ভাবে লিখে গেছেন। কোনো ভান বা ভনিতা নেই।
এই পর্বে মন্তব্যের উত্তর গুলো সুন্দর হয়েছে।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩০
অপ্সরা বলেছেন: থ্যাংক ইউ!!
এত প্রশংসার জন্য!
বেশি প্রশংসা আবার আমার সহ্য হয় না.....
৩৩| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৩১
মেহবুবা বলেছেন: মনে হচ্ছে নিজে উপস্থিত আছি, সব দেখতে পাচ্ছি চোখের সামনে।
তোমার তুলনা কেবল তুমি; লেখার জন্য ধারনা করতে হয় অথবা থাকতে হয়, উপলব্ধি ছাড়া কি এমন করে লেখা যায়!!!
এই ধারাবাহিকের খোকা ভাইয়ের বঞ্চনা মেনে নেবার তথ্য উপাত্ত আছে বটে, তবে কি জানো কোন কোন খোকা ভাইয়ের না জীবনে এমনই হারিয়ে ফেলবার ঘটনা ঘটে, তার রেশ চলতেই থাকে!
যেখানে যত খোকা ভাই এবং খুকু আপা আছে ভাল থাকুক তারা, কত অপ্রাপ্তি লেখা তাক বাতাসের গায়ে।
তোমার এই ধারাবাহিক এর ১৩ তে মন্তব্যের জবাব
"অক্টোবর, ২০২২ রাত ৯:১৭৩
লেখক বলেছেন: ভাইয়া একসময় যখন আমি স্কুলে পড়ি সেভেন এইটে মনে হয় তখনই শরৎচন্দ্রের লেখা পড়ে ভাবতাম মেয়েদের এত দুঃখ কষ্ট বেদনার কথা ঐ লোক একজন ছেলে মানুষ হয়ে জানলো কি করে!
রবিঠাকুরের গান শুনে ভাবতাম কেমন করে লেখে এসব!
যদিও আমি আসলে লেখা নিয়ে কখনও রাইটার হতে চাইনি কিন্তু আমার লিখতে অনেক ভালোলাগে। কত কিছু দেখে গেলো এ দুচোখ লেখা হলো না। গতবছর আমাদের লিও ডালমেশিয়ান ডগটা যখন মারা গেলো। যেই লিও এতটুকু শব্দ হলে লাফ দিয়ে ওঠে সেই লিও মুখ থুবড়ে দু পা ছড়িয়ে পড়ে ছিলো। শত ডাকেও আর উঠলো না এই বেদনা কি রকম বেদনা বা বুকের ভেতর মুচড়ে ওঠা কষ্ট তা কি আমি কখনও লিখতে পারবো?
কত কিছু দেখে গেলো এই দুচোখ, লেখা হলো না। লিখে কি হবে জানিনা তবুো লিখতে ইচ্ছে করে। সময় নেই জীবনে।
তবুও তোমরা কেউকেউ পড়ো তাই ভালো লাগে। অনেক হাসি আমি অনেক কাঁদিও। নিজের লেখার সবচেয়ে বড় ফ্যান আসলে আমি নিজেই।
ভাইয়া লেখাগুলো আসলে মনে হয় আমার নিজের ডায়েরীর লেখা তাই সামু ডায়েরী কখনও বন্ধ হয়ে গেলে আমার অনেক কষ্ট হবে।"....
মনে দাগ কেটেছে।৷
ভাল থেকো।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩৪
অপ্সরা বলেছেন: (মেহবুবা বলেছেন: মনে হচ্ছে নিজে উপস্থিত আছি, সব দেখতে পাচ্ছি চোখের সামনে।
তোমার তুলনা কেবল তুমি; লেখার জন্য ধারনা করতে হয় অথবা থাকতে হয়, উপলব্ধি ছাড়া কি এমন করে লেখা যায়!!! )
থ্যাংক ইউ আপুনি!!!!!!!!! জানিনা কেমন করে লেখা যায়। কিন্তু বিশ্বাস করো আমি যখন লেখায় মন দিয়ে বসি কই থেকে যে কই চলে যাই নিজেই অবাক হয়ে যাই মাঝে মাঝে। একটুও থামিনা। লিখে লিখে যাই। পরে বসে বসে কাট ছাট করি। এ আমার নিজের সাথে নিজের খেলা। একি খেলা আপন মনে।
খোকা কিংবা খুকু আপুরা আসলে ভালো থাকে না। মনের গোপন কুঠুরীতে তালা বদ্ধ থাকে এক একটি ইতিহাসের বই। মানে তালা বদ্ধ রাখে।
হুম ১৩ এর ঐ কমেন্ট পড়ে লিওকে আবারও মনে পড়ে গেলো। চোখের পাতা ভিজে গেলো আপুনি!
৩৪| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৩
একলব্য২১ বলেছেন: শায়মা হকের অমনিবাস (লেখা সংগ্রহ) যদি বের হত। তবে কেমন হত তুমি বল তো।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৬
অপ্সরা বলেছেন: অনেক ভালো হত ! অনেক অনেক ভালো!!! কিন্তু কে কে কিনতো সেই বই! গিফট দিতে দিতে বই বানানোর ডাবল খরচ হত!
৩৫| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:০৪
একলব্য২১ বলেছেন: প্রচ্ছদ দেখে প্রথমে একটু ধোঁকা লেগেছিল। মনে করেছিলাম হিন্দি ছবি যোধা আকবরের যোধাবাই ঐশ্বর্য রাই বচ্চন।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:১৪
অপ্সরা বলেছেন: না ইহা একখানা ব্রাইডাল ড্রইং এক বিখ্যাত ইন্ডিয়ান শিল্পীর অঙ্কন!
৩৬| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫৪
একলব্য২১ বলেছেন: তোমার এই গল্প বা উপন্যাসকে অন্য কোন পত্রিকায় সাহিত্য পাতায় বা অন্য কোন ওয়েব পোর্টালে ছাপানো যায় না। লেখকের লেখা যত পাঠক পড়বে ততই তো লেখকের লেখার সার্থকতা। তাই নয় কি।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:০১
অপ্সরা বলেছেন: যায়। কিন্তু বিরক্ত হয়ে যাই আমি। অনুমোদন হেন তেন করে ২ পর্বের পর ৩ পর্ব নাই ৪ পর্ব পাবলিশ হয়। এসব কারণে বিরক্ত লাগে।
৩৭| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:২০
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: খোকা ভাই মাদকাসক্ত না হোক এটাই চাই। আপনি গল্প বলছেন আপনিই পারেন তাকে মাদক থেকে দূরে রাখতে। তার মাদকাসক্ত হওয়ার গল্পটা যেন মিথ্যা হয় এটাই কামনা করছি। তার গৃহ ত্যাগের ঘটনা যেন অন্য কোন কারণে হয় এটাই আশা করি। একমাত্র আপনিই সেটা করতে পারেন। খোকা ভাইকে নায়ক হিসাবে দেখতে চাই। কাপুরুষ হিসাবে নয়।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩১
অপ্সরা বলেছেন: খোকাভাই তো নায়কই। ঘর ছেড়ে পালাক আর যাই করুক। সেই তো নায়কই রহিবেক। আর কারো নাই হোক নিরুর জীবনে খোকাভাই ই নায়ক!
৩৮| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:২২
মনিরা সুলতানা বলেছেন: আরেয়ে নেহি নেহি আমি তো খোকা ভাই কে এক্কেবেরে নোলাইক। বিয়ে হইছে ভালো হইছে। বাউন্ডুলে রা প্রেম করবে আর প্রেমিকার সেবা করবে, হুদাই বিয়ে করবে কেনো!
সাড়ে ভাই নিজেকে খোকা ভাই ভেবে নিয়ে নীরুর বিয়ে তে আপত্তি করেছিলেন ,আমি সহমর্মিতা জানিয়েছি কেবল।
একলব্য তো বাংলা আর চুল্লুর পার্থক্য জানাইলো না ?
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩৪
অপ্সরা বলেছেন: নো!!!!!!!!!!!! খোকাভাইকে ইয়েসলাইক করো!!!!!!!!!!!
খোকাভাই কি করবে নিরুকে নিয়ে পালালে তো ধরা খাবেই। তাই নিজেই পালাইসেন আর কি।
সাড়ে ভাইয়াজান এখনও বললো না তাহারা কেমনে বিবাহ করেছিলেন...... বীর সাহসী খোকাভাই হয়ে পালিয়ে নাকি ভালোমানুষ হয়ে চোখ বুজে কবুল কবুল করে।
চুল্লু হলো চোলাই। আর বাংলা হলো বাংলা ভাই
৩৯| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪২
শ্রাবণধারা বলেছেন: বিয়ের এই বর্ননাগুলো পড়তে পড়তে আমার আন্না কারেনিনার কস্টা আর কিটির বিয়ের ঘটনাটা মনে পড়লো। পাশ্চাত্য জমিদারী বিয়ের এমন অপুর্ব বর্ননা আগে পরে আর কখনও পরিনি। সেই বর্ননাটা ছিল কস্টার জবানীতে। কিটির জবানীতে লেখা হলে হয়তো তোমার এই লেখার সাথে কিছু মিলে যেত।
আর মনে পড়ছে অপরাজিত উপন্যাসে খুলনার স্বরূপকাটি গ্রামে অপু আর অপর্নার বিয়ে। সেই বিয়েটা নিরুর বিয়েবাড়ির কাছাকাছি কোথাও হয়ে থাকবে ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫১
অপ্সরা বলেছেন: সব বিয়েগুলোই মনে হয় আসলে একই রকম।
এই তো সেদিনও বিয়েগুলো একই রকম ছিলো।
মাত্র কিছুদিন হলো বিয়েগুলো বদলে গেছে।
বিয়ের অনুষ্ঠান মালা চলে এক মাস ধরে। বাসা বাড়িতে আর কোনো বিয়ে হয় না। হয় কম্যুইনিটি সেনটারে। হিন্দী গান দিয়ে হয় হলুদের ডান্স। আর বিয়ের দিন বর কণে স্টেজে থাকে না থাকে স্টেজের তলায় সামনে পিছে পাশে আর ছবি আর ছবি ক্যামেরাম্যান ছাড়া যেন আর কোথাও কেউ নেই। হা হা হা
আনা ক্যরেনিনা আর অপরাজিতা দুইটাই আমার পড়া। কিন্তু নীরুর বিয়ে তো নীরুরই বিয়ে যদিও সেটা খুলনারই কাছাকাছি যশোরে হচ্ছিলো।
৪০| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪৩
মনিরা সুলতানা বলেছেন: কেমনে ইয়েস লাইক করি বলো ?
বাংলা সিনেমায় হইলে এতদিনে মায়ের দোয়া বুকে ঝুলিয়ে দৌড়ে এসে সালাম করে ফাস্ট কেলাসের সার্টিফিকেট দেখাত। বড়চাচি চোখের পানি মুছে বলত - আজ যদি তোর বাবা বেঁচে থাকতেন
সেসব না করে উনি গিয়ে সস্তায় মাদকের আশ্রয় নিলেন ! আহা হিন্দি সিনেমে হলে নীরুকে হাঙর মুখো বালা ( বানান ঠিক আছে তো চুয়াত্তর ? সেদিন মোবাইল থেকে মন্তব্য করতে যেয়ে আপনার কাজ বাড়ায়ে দিছিলাম। কতগুলো বানানের ভুল বের করতে হইছে)
বড়চাচি বিয়ের আগেই নীরুকে দিয়ে খোকা ভাই এর জন্য বুক করে রাখতে পারতেন।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৪
অপ্সরা বলেছেন: তারপর তো ঐ একই কথা.... দেহ পাবি মন পাবি না হা হা হা হা হা হা
যাইহোক হিন্দী হলেও শুধু ঐ সবে ধন নীলমনি হাঙ্গরমুখী বালার জন্য নীরুর কি খোকাভাইকে বিয়ে করা ঠিক হত?
নাকি হীরা মনি মুক্তার সেটের পর সেট পাাবার জন্য ঐ ডক্টরকেই বিয়ে করা ঠিক হত?
৪১| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৫
একলব্য২১ বলেছেন: মনিরা আপু,
আমি সত্যিই জানতাম না বাংলা আর চুল্লুর মধ্যে পার্থক্য। শায়মা আপু বদান্যতা জানলাম কিছুটা। বাংলা মদই বা কি দিয়ে হয় আমি জানি না।
তবে একবার গলা পর্যন্ত স্কচ খাওয়া খুব খায়েশ আছে। যুতসই মওকা পাচ্ছি না।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:০৩
অপ্সরা বলেছেন: বাংলা আর চুল্লু মানে চোলাই মনে হয় একই জিনিস।
তবে ভাত পঁচিয়ে বানায় তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
মওকা লাগবে কেনো ? চলে যাও স্কচ বারে..... তারপর মাতাল হয়ে আবার হসপিটালের যেও না।
কিন্তু মানুষ কেনো যে জেনে শুনে জ্ঞান হারাতে চায় এটাই আমি বুঝলাম না....
৪২| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৮
মনিরা সুলতানা বলেছেন: খোকা ভাই যেভাবে বদ নেশায় পড়ছে , কোনমতেই বিয়ে করা উচিত ছিল না।
মুরুব্বী রা যা ভাবেন অভিজ্ঞতা থেকে সঠিক ডিশিসন নেন।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:০৫
অপ্সরা বলেছেন: খোকাভাই বদ নেশায় পড়েছে কেউই তো সেটা জানতো না। বিয়ে দিত না কারণ তারা অবহেলিত ও আশ্রিত ছিলো।
মুরুব্বীরা ভাবেন বটে তবে তারা নির্দয়।
তারা শুধু মুরুব্বীই
কখনও মনে পড়ে না তাদের নিজেদের অতীত......
৪৩| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:১৪
একলব্য২১ বলেছেন: "অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায় ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়"... ছবি বিশ্বাস। উওম সুচিত্রার "পথে হল দেরি" থেকে উক্তি।
শায়মা আপু নীরু যদি খোকা ভাইকে বিয়ে করতো আর এই উক্তির মত পরিবেশ তৈরি হত। তবে নীরু সেই বয়সে আসলেই তাই ভাবতো।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:২২
অপ্সরা বলেছেন: ভাবলে ভাবতো!
তবুও নিজের কাছে আজীবন দুঃখে কাটাতো না......
৪৪| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:২৮
একলব্য২১ বলেছেন: খোকা ভাই কি এখন নেশামুক্ত মানুষ।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৩৭
অপ্সরা বলেছেন:
খোকাভাই তো এখন নিরুদিষ্ট! কি করে বলবো!!!
৪৫| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৫৬
একলব্য২১ বলেছেন: শায়মা আপু
ভাল থাকো। গুড নাইট।
FEELINGS!!
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৫৮
অপ্সরা বলেছেন: হা হা লাগ কসসো????
শুনো আর মাত্র কয়েকটা পর্ব তারপরেই সব জেনে যাবে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:০২
অপ্সরা বলেছেন: খোকাভায়ের জন্য পারফেক্ট গান!
কিন্তু খোকাভাই এই গান শুনবে না......
৪৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:১৫
একলব্য২১ বলেছেন: লাগ কসসো????
শায়মা আপু
একদম না। তুমি তো কয়েকদিনের মধ্যে শেষ পর্ব লিখেই খালাস। আমরা যারা এই গল্পের নীরুর সাথে হাসি আনন্দে কষ্টে মিশে গিয়েছিলাম। তার কি হবে। রিক্ত হয়ে যাব না। একাকীত্ব গ্রাস করবে না।
বোকা মেয়ে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৩৪
অপ্সরা বলেছেন: আবার আসবো।
নীরুর ছেলে মেয়ে নাতি পুতি নিয়ে হা হা
নয়তো নীরুর কোনো দূরের বা কাছের পিরু, বিরু, শিরু নিয়ে ....
তোমাদেরকে কিছু হতেই দেবো না ...... হা হা
মাঝে মাঝে আমি একটা সিনেমা দেখি...... অনেক অনেক পুরানো সিনেমা....
সিনেমার নাম সদমা......কেনো দেখি জানিনা ..... হঠাৎ এখন দেখছি.....
৪৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৪২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার পোস্টে বানান ভুল পেলাম। অসুবিধা নাই, মোবাইল থেকে লিখলে ভুল হতে পারে বৈকি।
০৫ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৫৭
অপ্সরা বলেছেন: মোবাইল থেকে লিখিনা জীবনেও।
হয় ভুল করেই ভুল হয়েছে নয় মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে না ঠিক করতে তাই হয়েছে।
কোন কোন বানান ভুল বলো দেখি।
৪৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪৭
খায়রুল আহসান বলেছেন: এ পর্বটা ছোট বটে, তবে অন্যান্য পর্বের তুলনায় এতে হৃদয় স্পর্শ করার মত কথার কমতি নেই। আপনি লিখে চলুন আপনার ইচ্ছে এবং সুবিধেমত। ছোট বড় নিয়ে ভাবার কোন প্রয়োজন নেই।
বর্ণনাগুলো (সবগুলোই) বরাবরের ন্যায় উজ্জ্বল, নিখুঁত ও প্রাণবন্ত হয়েছে। বিশেষ করে 'ডিসির বউ' এর কার্যকলাপ এর বর্ণনাগুলো। গল্পের শেষের দিকে অপূর্ব সুন্দরী সেই সবুজ পরী এর আবির্ভাবে নববধূ নিরুপমার সাথে সাথে পাঠকেরাও যেন কিছুটা স্বস্তি পেল!
"মুরুব্বীরা ভাবেন বটে তবে তারা নির্দয়"--
অনেক সময়ই কথাটা সত্যি হয়!
বিশেষ করে নিরুপমা তো এরকমটি ভাবতেই পারে!
মেহবুবা এর মন্তব্যটা ভালো লেগেছে।
ফীলিংস গানের লিঙ্কটার জন্য একলব্য২১ কে ধন্যবাদ।
০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৫৪
অপ্সরা বলেছেন: হ্যাঁ ছোট বড় নিয়ে ভাবিনি আমি।
চিলেকোঠার প্রেম ছোট করে লিখতাম বলে সবাই বকা ঝকা দিত!
তাই একটু বললাম আর কি।
আসলে ভাইয়া ডিসির বউ সবুজ পরী এসব নিয়ে লিখতে গেলে বেশি ভাবতে হয় না এসব তো আমাদের চিরচেনা দেখা দৃশ্যাবলী।
হুম মুরুব্বীরা ভুলে যান তারাও একদিন নিরুপমা ছিলেন কিংবা খোকাভাই।
মেহবুবা আপুনি হলো এই পৃথিবীর সবচেয়ে জেন্টেল লেডি।
ফিলিংস গান শুনিয়ে আমাকে কাঁদালো রাত দুপুরে সেদিন একলব্য ভাইয়ু!
৪৯| ১০ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:১৮
অঙ্গনা বলেছেন: গার্লস লাইফটাই এমনসব অপরিচিত আনওয়ান্টেড অভিজ্ঞতায় ভরা।
১১ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৩৭
অপ্সরা বলেছেন: হুম ঠিক ঠিক !
তাই তো তারা লেখিকা হলেও হয়ে যেতে পারে।
নিজের ডায়েরীতেও হলেও নো প্রবলেমো!
৫০| ১২ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩১
আখেনাটেন বলেছেন: হুম.......বুঝলুম খোকার ব্যথা......দিন দুনিয়া বদলে গেছে......
১২ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪২
অপ্সরা বলেছেন: এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই!
৫১| ১৯ শে মার্চ, ২০২৩ রাত ৮:০১
মুদ্দাকির বলেছেন: ভালো হইসে বমি করেন নাই, নইলে সারাজীবন শুনতে হতো যে বিয়ের দিন বমি করেছেন.........।
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৩ রাত ৯:০৮
অপ্সরা বলেছেন: হা হা শুনলেই কি কিছু যায় আসে!!!
©somewhere in net ltd.
১| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৫৩
নীল-দর্পণ বলেছেন: বউ বরন করে নিতে শ্বাশুড়ীর কোন ব্যস্ততা দেখা গেল না তার ওপর ভ্রুকুঁচকানো দেখে মন কেমন কেমন করছে।
এখন দেখি আরেক টেশন হচ্ছে কী অপেক্ষা করছে নীরুর জন্যে তা ভেবে।
এই পর্বটা খুব দ্রুত একদম ফুশশ্ করে শেষ হয়ে গেল!