নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপ্‌সরা

যেখানে ঘর বাঁধবো আমি, আসে আসুক বান, তুমি যদি ভাসাও মোরে, চাইনে পরিত্রাণ!!

অপ্‌সরা › বিস্তারিত পোস্টঃ

সে কোন বনের হরিণ ছিলো আমার মনে-১৯

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৫



আজকাল আমি রোজ বিকেলে সিদ্দিকা কবিরের বই দেখে দেখে ডালপুরি, সিঙ্গাড়া, সামুচা বানাই। বাবার বাড়িতে আমি কিছুই রান্না শিখিনি, এমনকি ভাতও টিপ দিয়ে বুঝতে শিখিনি সিদ্ধ হলো নাকি হলো না এই নিয়ে আমার শ্বাশুড়ি তার বোন, মানে আমার খালাশ্বাশুড়ি, মামী শ্বাশুড়ি এবং তার এক দঙ্গল ক্লাবের বন্ধুদেরকে শুনিয়ে শুনিয়ে অনেক কিছুই বলেন। আমি এ সবে কিছুই মনে করি না। আরে সত্যিই তো পারি না আমি এসব রান্না-বান্না। শুধু আমার শ্বাশুড়ি আম্মা এটাই জানে না আমি চাইলে মানুষের মাথার মুড়িঘন্টও বানিয়ে ফেলতে পারবো। ভাগ্যিস জানেন না।

যাইহোক বাসায় এতগুলো কাজের মানুষ থাকতেও আমার শ্বাশুড়িআম্মা বলে দিয়েছেন যে তার ছেলে অফিস থেকে ফিরলে যে বিকেলের নাস্তাটা দিতে হয় এখন থেকে সেটাই দিতে হবে আমাকে। কোনো কাজের লোক জন আর সেসব দেবে না। কখনই কোনো কাজেই অনুৎসাহ নেই আমার। কাজেই আমিও খুলে বসলাম সিদ্দিকা কবির। কিন্তু আমি তো তেলের ক্যানটাই তুলে ধরে তেল ঢালতে পারিনা। বই এ তো লেখা নেই তেল কেমনে ঢালে কাজেই প্রথমদিনই সিঙ্গাড়া ভাঁজতে গিয়ে দুড়মুড় করে ঢেলে ফেললাম ৫ লিটার তেলের ক্যানের আধা ক্যান তেল। হায় হায় কি করবো এখন! পানি পড়ে গেলে কাপড়ে শুষে নেয় এই বদমাইশ তেল তো কোনোভাবেই শুষে নেওয়া তো দূরের কথা আমার শ্বাশুড়ির কিচেনের সুসজ্জিত মার্বেল পাথরের টপটার উপর যতই মুছি ততই লেপটে যায়। এমন সময় কমলা ও বাড়ির হেড বাবুর্চি আমাকে বাঁচিয়ে দিলো। ফিসফিস করে এসে বললো,
-ভাবী সরেন। আমি মুছে দিচ্ছি।

খুব ছোট থেকেই সকল কাজেই উৎসাহী আমি মেতে উঠলাম ৫ লিটার তেলের ক্যান থেকে ঠিক কোন কায়দায় তেল ঢাললে তেল গড়িয়ে পড়ে না, ঠিক কোনভাবে ফ্রাইপ্যানের হ্যান্ডেলটা ধরলে হাতে তাপ লাগে না, কি করে গরম তেলে আস্তে করে মাছ ছাড়তে হয় ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। মনে হত আমার শ্বাশুড়ি রান্না-বান্নাকে জীবনের সবচাইতে কঠিন কাজটাই মনে করেন তাই তিনি জীবনেও কিচেনে আসতেন না আর শিক্ষা দিতে গেলে প্রথমেই এই শিক্ষাটাই মেয়েদেরকে দেওয়া উচিৎ মনে করেন তাই তিনি আমাকে এই শিক্ষা দিচ্ছেন তবে নিজের মেয়েকে অশিক্ষিত রেখে।

কয়েকদিনের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় হয়ে উঠলাম আমি একজন ঝানু রাঁধুনী। তাই একটা দুটো নাস্তা থেকে ঝুড়ি ঝুড়ি ভুরি ভুরি নাস্তা বানাতে শুরু করলাম। প্রথম দিন দুদ্দাড় তেল ফেলেছিলাম না জেনে। এখন আধা ক্যান তেল শেষ করি এক বিকালে। আমার সেই দ্রুত শিক্ষন আর তেল পেঁয়াজ ময়দা ঘি চিনির খরচান দেখে আমার শ্বাশুড়ি আম্মার তো চক্ষু স্থির। হা হা হা তিনি তখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি।

যাইহোক তার চক্ষুর যা ইচ্ছা তাই হোক কিন্তু আমার এই রন্ধন পটিয়সী বিদ্যায় আমার শ্বশুর আর তার ছেলে মহা মুগ্ধ হয়ে উঠলো। আমি রোজ বিকেলে যখন সাজিয়ে গুছিয়ে আমার পতিদেবকে খানা পরিবেশন করি আর তার সাথে সারাদিনের নানা মানুষের নানা কর্মকান্ডের গল্প শুনাই সে তখন মন্ত্রমুগ্ধের মত আমার দিকে চেয়ে বসে থাকে। আমার পতিসেবা নাকি নতুন জীবনের নানা উদ্যোগ উদ্দম আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াতো নাকি যে কোনো কিছুতেই ইতিবাচক আমি বাঁচার অনুপ্রেরনা খুঁজে নিতাম জানিনা আমি। শুধু জানি আমার প্রতি আমার পতিদেবের মন্ত্রমুগ্ধ আচরণ আর কেউ না বুঝলেও আমার শ্বাশুড়ি আম্মা ঠিকই বুঝতেন এবং যার পরনাই বিরক্ত হতেন।

আমাকে শুনিয়ে শুনিয়ে ফোনে বা সামনেই উনার আত্মীয় স্বজন, কাজের লোকজনদেরকে বলতেন। আজকালকার মেয়েরা বিয়ে হয়েই স্বামীকে ভেড়া বানিয়ে ফেলে। আর ছেলেরাও তেমন বিয়ে করেই হয়ে যান সব বউ ভেড়ুয়া। কাজের লোকজনও সায় দিত।
-হ ঠিক কইছেন খালাম্মা। আমাদের যুগে এইসব আছিলো না। আমার শ্বাশুড়ি তো বাড়ির হগ্গলের খাওনের পর খাওন দিত আমারে। হগ্গলের খাওনের পর আমার পাতে থাকতো মুরগীর সালুনের গলা কিংবা ডানার আড্ডি। তবুও আমি মাইঝরাইত পর্যন্ত তার পাওত তেল মালিশ কইরে দিতাম।

আমার শ্বাশুড়ির মুখে প্রছন্ন এক হাসি ফুটে উঠতো। সেই হাসিটাকে ভয় পেতাম আমি। অমন ক্রুঢ় হাসি আমি কখনও কাউকে হাসতে দেখিনি। কিন্তু কি আর করা? আমাদের ঐ একান্নবর্তী বাড়িতেও শাসন বারণে থেকে অভ্যস্ত হয়েছিলাম আমরা। মানিয়ে নেওয়াই জীবনের মূল মন্ত্রনা এমনই শিখেছিলাম আমরা। তাই মানিয়ে নিতাম। মনে হত আমার আনন্দ আমার সুখ শান্তি, আমার হাসিমুখ এটাই আমার শ্বাশুড়ির ভালো লাগতো না। উনার সংসারে আরেক জনের আগমন ব্যপারটা উনি ঠিকঠাক মানতে পারতেন না বোধ হয়।

প্রায়ই ফোন করতো মা। জানতে চাইতো কেমন আছি। রুনি পিন্টু সবাই ফোন করতো। সবাই জানতো আমি খুব ভালো আছি। আনন্দে আছি আমি। সবার কথা জানতে চাইলেও আমি কখনই খোকাভায়ের কথা জানতে চাইতাম না। এমনকি বড় চাচীর কথাও জানতে চাইতাম না। ওরাও কখনও ভুলেও বড়চাচী বা খোকাভায়ের নাম মুখে আনতো না। আমি নতুন এই জীবনের নানা নিয়মে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলাম বেশ। আমার শ্বশুরমশাই, ভ্রু কুঁচকানো শ্বাশুড়ি আম্মা, আহলাদী পুতুলখেলা ননদিনী এই ছোট্ট সংসারে খুব সহজেই মানিয়ে নিয়েছিলাম আমি সেই একান্নবর্তী এক গাদা লোকজনের হাঁট বাজারের মত বাড়ি ছেড়ে এসেও।

আজকালকার ছোট ছোট নাটকের যেমন এপিসোড থাকে তেমনই প্রতিদিনই আমার জীবনের নাটকেও ঘটছিলো নানান এপিসোড। সেদিন আমার শ্বাশুড়ির জন্মদিনে এক তোড়া ফুল নিয়ে এলেন তার বান্ধবী রুষা। রুমা নামে আমার কাজিন আছে রুনি নামেও আছে কিন্তু রুষা নামটি আমি পড়েছি শুধুই মাধুকরী উপন্যাসে। এই মহিলাটিও ঠিক আমার কল্পনার রুষা বৌদির মতই আলট্রা মর্ডাণ। উপন্যাসের রুষা বৌদিও অমন আলট্রা মর্ডাণই ছিলো। তাই বলে সে স্মোক করতো কিনা আমার মনে নেই। আমার শ্বাশুড়ির এই আলট্রা মর্ডাণ বান্ধবী রুষা কথায় কথায় শুধু সিগারেটের রিং ছাড়ে। এই ব্যপারটা আমার খুবই অবাক লাগে। ধোঁয়া দিয়ে রিং বানানো ? হায় হায় এটা তো প্রাকটিস করতেই হবে আমাকে। সেই প্রাকটিস করার কথা পরে বলেওছিলাম আমার পতিকে। উনি তো শুনে প্রথমে চক্ষু ছানাবড়া করে তাকিয়ে রইলেন আমার দিকে আর তারপর এই ইচ্ছের কারণ জেনে হাসতে হাসতে অজ্ঞান হন আর কি।

যাইহোক বলছিলাম আমার শ্বাশুড়ির বান্ধবী রুষা আর তার ফুলের কথা। ফুলগুলো নিয়ে আমার শ্বাশুড়ি বললেন, যাও এগুলো ঐ বড় ফুলদানীটার মধ্যে পানি ভরে সাজিয়ে রাখো। আমিও জে আজ্ঞা বলে সেই ফুলদানী আর ফুল নিয়ে বাথরুমের বেসিনে পানি ভরতে গেলাম। ওম্মা হঠাৎ তাকিয়ে দেখি পানিগুলো তলিয়ে যাচ্ছে আর ফুলদানীটার তলা খুলে আমার হাতে। এখন উপায়! আমার শ্বাশুড়ির ভ্রু তো আজ শুধু কুচকেই থাকবে তা না, আরও যে কি যে হবে আল্লাহই জানে। কোনো কূল কিনারা না পেয়ে তাড়াতাড়ি ফোন দিলাম আমার পতিকে। কান্না কান্না গলায় অনুনয় করে বললাম,

-জানো! সর্বনাশ হয়েছে! শিঘ্রী আসো বাসায়! আমাকে বাঁচাও। আমার পতি দেবতা তো আমার এই কান্না কান্না গলা শুনে আৎকে উঠলেন। বললেন,
- কি হয়েছে নিরুপমা? বলো আমাকে।
আমি আরও কান্না কান্না গলায় ফিসফিস করে বললাম সর্বনাশ হয়েছে! শিঘ্রী আসো। আর আসার সময় একটা স্যুপারগ্লু এনো সাথে করে। আমাকে বাঁচাও প্লিজ!!
আমার পতি দেবতা মনে হয় আকাশ থেকে পাতালে পড়েছিলেন। আমার বাঁচা মরার সাথে স্যুপারগ্লু এর কি সম্পর্ক এটা মনে হয় ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলেন না তিনি। যাইহোক আমাকে তাড়াতাড়ি আশস্ত করলেন তিনি। বললেন খুব তাড়াতাড়ি আসছেন তিনি। আর এদিকে আমার শ্বাশুড়ির হাকডাক শুরু হয়ে গেছে ততক্ষনে।
- কি হল নীরু? কি করো এতক্ষন বাথরুমে?
আমার তড়িৎ উত্তর-
- গোসল করি আম্মা।
আর একটু পরে আবার উনি দরজা ধাক্কিয়ে জানতে চান,
- কি হলো গোসল করতে এত সময় লাগে? বের হও বাসায় লোকজন। আমার উত্তর,
- বাথরুম ধুই আম্মা।
আমার শ্বাশুড়ি মনে হয় বিস্মিত হয়ে কথাই বলতে ভুলে গেছিলেন।

যাইহোক কিছুক্ষনের মধ্যেই আমার পতিদেবতা এসে হাজির। তিনি দরজা ধাক্কাতে আমি নিশ্চিৎ হয়েই দরজা খুলেই তড়িঘড়ি তাকে হাত ধরে টেনে ভেতরে আনলাম। আর তারপর আমার কান্না কান্না চোখ আর বেসিনে পড়ে থাকা দু'টুকরো ফুলদানী আর ফুল দেখেই বুঝে নিলেন উনি। হো হো করে হেসে উঠতে গেছিলেন। তার আগেই আমি তার মুখ চেপে ধরলাম। বললাম,
- আমাকে বাঁচাও। তোমার মা আমাকে আর আস্ত রাখবেন না আজ।

সেই কথা শুনে আমার পতিদেবতা নিশব্দে ফুলদানীর টুকরো দুটি মুছে স্যুপারগ্লু লাগিয়ে কিছুক্ষন চেপে ধরে রইলেন। তারপর পানি ভরে চেক করে তাতে ফুলগুলো ভরে বেসিনের সেল্ফে রাখলেন। তারপর আমার চোখ মুছিয়ে দিলেন। আমার কৃত অত বড় অপরাধের শাস্তি থেকে আমাকে বাঁচিয়ে দেওয়ায় কৃতজ্ঞতায় আমি জড়িয়ে ধরলাম তাকে। প্রায় সাথে সাথেই দরজায় করাঘাত আবার শ্বাশুড়ি আম্মার।
- নীরু তাড়াতাড়ি বের হও। সবাই এসে গেছে।
আমি হাসিমুখে হাতে ফুলদানী নিয়ে বেরিয়ে আসলাম।
উনি কিছুটা বিস্মিত ও বিরক্ত হয়ে বললেন,
- কি গোসল করলে চুল ভেজাওনি? আর কেমন আক্কেল তোমার বাড়িতে এক গাদা মেহমান আর তোমার বাথরুম ধোয়া লাগে!
বকবক করতে করতে চলে গেলেন উনি আর আমি অনেক কষ্টে মুখ টিপে হাসি সামলালাম। :)


আগের পর্ব

ডেঙ্গুজ্বরে সাবধানতা

মন্তব্য ১১০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (১১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: গল্প খুব ভালো লাগলো। এরকম গল্প আগে কখনও পড়িনি।

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫০

অপ্‌সরা বলেছেন: থ্যাংক ইউ ভাইয়া! :)

২| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: শাশুড়ি তো বাংলা সিনেমার চেয়েও কুটনি মনে হচ্ছে। :)

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:০৬

অপ্‌সরা বলেছেন: তিনি এক আজব চরিত্র। বাংলা সিনেমাও ফেইল।

৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:১৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ডাক্তার সাহেবকে তো ভালোই মনে হচ্ছে। নিরুপমাও ভালোই আছে মনে হচ্ছে। খোকা ভাইও ভালো আছে মনে হয়। সব ঠিক মত চলছে।

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩১

অপ্‌সরা বলেছেন: হ্যাঁ সবাই ভালোই থাকে একটা সময় এই স্বার্থপর দুনিয়ায় কেহ কারো নয়। সবাই সবার মতই। :(

৪| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:১৮

মিরোরডডল বলেছেন:




আপুর গল্পগুলোতে শ্বশুর খুব ভালো হয়, ছেলের বউকে আদর করে ।
কিন্তু শাশুড়ি একটু কঠিন ।

আমি ভেবেছিলাম এই গল্পের প্রেক্ষাপট অনেক আগের যখন মোবাইল ছিলো না কিন্তু এখন মনে হচ্ছে মোবাইল ছিলো,
বাথরুম থেকে ফোন করছে হাজব্যান্ডকে B:-)


২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩২

অপ্‌সরা বলেছেন: না মোবাইল ছিলো না।

একটা জিনিস বলতে ভুল হয়েছে।
সেটা ছিলো কর্ডলেস ফোন।

৫| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:২৬

মিরোরডডল বলেছেন:




এই সিরিজের শুরু দিকের লেখাগুলোর সাথে আজকের লেখার মিল নেই ।
কোথায় যেন সুর কেটে গেছে ।
আগের তুলনায় এই লেখাটা খুব ছোট, তাড়াহুড়ো করে লেখা ।




২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩৬

অপ্‌সরা বলেছেন: হ্যাঁ এটা নীরুর জীবনের নতুন অধ্যায়।

সেই লেখাগুলোর সাথে নীরুর মিল না হওয়া জীবনের শুরু। নীরু বদলাচ্ছে।

সূরও কাটবেই কারণ এখন নীরু গাইছে অন্য সূরে।

সেই জীবন ছিলো তাল লয় নৃত্য গীতে তালের রাজা ত্রিতাল.....

আর এখন চলছে ঝাঁপতাল...... পাঁচ মাত্রা

ধি ধি না ধি না..... :)



হা হা একটা জিনিস দেখে হাসছি।
আগের তুলনায় এই লেখাটা খুব ছোট, তাড়াহুড়ো করে লেখা । :P


কি করবো ১০ দিন হয়ে যাচ্ছিলো তো!! :(

৬| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: প্রথম দিকের পর্বে মোবাইলের যুগ বলেছিলেন।

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩৯

অপ্‌সরা বলেছেন: মোবাইল কেবল এসেছিলো বলেছিলাম মনে হয়। তবে কর্ডলেসও ছিলো। যেইযুগই হোক না কেনো সব ক্লিয়ার করে দেওয়া হবে ২১ পর্বে। :)

৭| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৩৭

মিরোরডডল বলেছেন:

নেক্সট পর্বে শেষ হবে ?

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪২

অপ্‌সরা বলেছেন: হ্যাঁ কালকেও হতে পারে। কারণ আমার সামনে অনেক কাজ। লেখা মাথা থেকে ফেলে দিতে হবে। লেখা মাথায় নিয়ে ঘুরলে অর্ধেক জীবন, অর্ধেক ভাবনা চিন্তা থাকে লেখার মধ্যে। :)


তবে একটা আশ্চর্য্য জিনিস দেখাতে পারি।
আবার ম্যাজিক।

নিরুপমাকে নিয়ে যাই আবার বাবার বাড়িতে আবার দেখবে তুমি ত্রিতালেই ফিরে গেছো।

৮| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪২

মিরোরডডল বলেছেন:




সেটাই অবাক হলাম ।
দশ দিন সময় নিয়ে এই তাড়াহুড়ো লেখা কেনো #:-S

যাইহোক, লাস্ট পর্ব সময় নিয়ে মন দিয়ে লিখবে :)


২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪৩

অপ্‌সরা বলেছেন: আরে ১০দিন সময় নেইনি তো।

আজকেই লিখেছি বিকালবেলা তারপর গিটারের স্কুলে চলে গেলাম।

এই ১০ দিন তো আমি ফিচার লিখছিলাম। :(

৯| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪৫

মিরোরডডল বলেছেন:

ওহ আচ্ছা, তাইতো !

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫০

অপ্‌সরা বলেছেন: হা হা তাইতো।
তুমি কেমন আছো মিররমনি?

আমার কিছুদিন আগে খুব রাগ লেগেছিলো।

একদম এমন X((

১০| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৪৭

একলব্য২১ বলেছেন: ওয়াও! নতুন লেখা ছাপছে। একটু পরে পড়বো। গান শুনেছি।

view this link

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫২

অপ্‌সরা বলেছেন: আজকের লেখা নিয়ে অভিযোগ আছে।

নীলুমনি আমাদের নীল দর্পণও বলেছে সূর ছেড়া। মিররমনিও বলেছে তাল হারা। :)

১১| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৩

মিরোরডডল বলেছেন:




আমার কিছুদিন আগে খুব রাগ লেগেছিলো।

কি নিয়ে রাগ ?
কার ওপর?

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৯

অপ্‌সরা বলেছেন: আমার একজন প্রিয় মানুষের উপর!

১২| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৬

একলব্য২১ বলেছেন: একটু পর আরামসে পড়বো। তোমার লেখা আমি হড়বড় করে পড়তে চাই না। সেটা তুমি ভালো করেই জানো হোক না তা যত ছোট পর্ব। অসঙ্গতি থাকলে নিশ্চয়ই জানাবো। এখন গান শুনছি।

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:০০

অপ্‌সরা বলেছেন: সব সময় আমি অনেক মন দিয়ে লিখি। অন্তত এক সপ্তাহ আগে লিখে রোজ রোজ পড়ি আর এডিট করি।

আজকের লেখা আমি জাস্ট বিকালে লিখেছিলাম ৪ টায়। ৫টায় বের হয়েছি আর ফিরে এসে ফোনের পর ফোন। তারপর পোস্ট করে দিলাম।

১৩| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:০৩

মিরোরডডল বলেছেন:




প্রিয় মানুষটি কি করেছে ?
কেনো রাগ হয়েছিলো?



২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:১২

অপ্‌সরা বলেছেন: অন্যায় করেছে।
এই ব্লগেই। :(

জানো এই ব্লগে আমি দেখেছি কত প্রিয় থেকে অপ্রিয় হয়ে যাওয়া মানুষেরা। :(

এই নিয়ে একদিন একটা ব্লগ লিখবো ভাবছি।

১৪| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:০৪

শেরজা তপন বলেছেন: আমি আগেই আঁচ করেছিলাম এই শাশুড়ি দজ্জাল হবে
অবশ্য শাশুড়িরা একটু আধটু দজ্জাল না হলে মানায় না :) নিরুপমাও একদিন এমন হবে দোয়া রইল

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:১৪

অপ্‌সরা বলেছেন: হা হা নিরুপমার মেয়ে হলে ভালো শ্বাশুড়ি হবে। ছেলে হলেই দজ্জাল শ্বাশুড়ি হবে। এমনই হয় ভাইয়া।

১৫| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:০৮

একলব্য২১ বলেছেন: তোমার লেখা পড়ার প্রথম ও প্রধান কারণই হচ্ছে তোমার কোয়ালিটি অফ লেখা। একটি পরেই পড়বো। আর আমার মতামত জানাবো।

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:১৫

অপ্‌সরা বলেছেন: এই লেখায় কোয়ালিটি একটু কম হতে পারে। কারণ নিরু এখন সুখে আছে।

আমি দুঃখ দিতে পারি বেশি ভালো। :)

১৬| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:১৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কার উপর রাগ করেছিলেন?

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:২২

অপ্‌সরা বলেছেন: তোমার উপর। কেনো সেটাও তুমি জানো। কারণ তুমি বুদ্ধিমান।

১৭| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:২৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমার কোন কথায় রাগ করেছিলেন? কারণটা আমার কাছে পরিষ্কার না। দয়া করে বললে ভালো হত। খোলা মনে বলেন।

এই গল্প সংক্রান্ত নাকি অন্য পোস্ট সংক্রান্ত?

২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৩২

অপ্‌সরা বলেছেন: না বলবো না।

আমার গল্প নিয়ে যে যাই বলুক আমি মজা পাই। কাজেই গল্প নিয়ে আমার ককখনও কোথাও কোনো সমস্যা নেই।

আমার গল্প পোস্ট আমার বিষয়ক কিছুই না। কিন্তু এই ব্লগ পরিবারটাও আমাদের আরেক পরিবার।


যাইহোক আমি সেই কারণটা বলবো না কারণ খাল কেটে কুমীর আনার ইচ্ছা আমার নেই।




১৮| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৪৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি তো ভেবেছিলাম এই গল্প সংক্রান্ত। কিন্তু আপনি বলছেন অন্য বিষয়ে। আপনি তো আমাকে বিপদে ফেলে দিলেন। আমার ইভ টিজিং সংক্রান্ত পোস্টে কি? যে পোস্টটা কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দিয়েছে। আমি তো বুঝতে পাড়ছি না কি আপত্তিকর কথা বললাম আপনাকে। ঐ পোস্টে তো পোস্ট সংক্রান্ত কথা বলেছিলাম। ঐ পোস্টের কোন কথা খারাপ লেগেছে আপনার কাছে?

আপনার সাথে ইদানিং আর কোন পোস্টে কথা হয়েছে বলে তো আমার মনে পড়ে না।

আপনাকে অনুরোধ করবো ব্যাপারটা পরিষ্কার করার জন্য। ভুল বোঝাবুঝির অবসান হওয়া প্রয়োজন। আপনাকে সরাসরি কিছু বলেছি নাকি পরোক্ষভাবে কিছু বলেছি?

আপনি এই গল্পের আগের পোস্টে বললেন আমি এখন বেশী সিরিয়াস হয়ে গেছি। আপনি অল্প অল্প বুঝতে পাড়ছেন। আমি তো ভাবলাম আপনি আপনার গল্পের বিষয়ে আমার মন্তব্য নিয়ে কথা বলছেন। দয়া করে ব্যাপারটা নিয়ে একটু খোলামেলা কথা বলেন। আমার অনুমান ভুল মনে হচ্ছে। আমি খুব উদ্বিগ্ন এই বিষয়টা নিয়ে। আমি যে কোন কড়া কথা শুনতে তৈরি আছি আপনার কাছ থেকে।

২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:০৭

অপ্‌সরা বলেছেন: আমাকে বলোনি ভাইয়া। কাউকেই বলোনি। কিন্তু......

যাইহোক এই মাত্র খবর পেলাম নুরুভাইয়া মারা গেছেন। গত ২৯শে অক্টোবর মারা গেছেন আমাদের নুরু ভাইয়া।
আমরা সবাই চলে যাবো কিন্তু কিছুদিনের দুনিয়ায় কতই না ঝগড়া ঝাঁটি মারামারি করি।

১৯| ২৫ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৫৫

একলব্য২১ বলেছেন: তোমার লেখা বড় বৈশিষ্ট্য হল শুরুটা দারুণভাবে শুরু কর আর শেষটাও, আর প্রায় গোটা পর্বটাই সচরাচর আঁটোসাটো টান টান লেখা থাকে। এই পর্বের বাঁধনিটা একটু হালকা ছিল। অতটা জমজমাটভাবে পেশ করা হয়নি। অনেকটাই casual ছিল।

নীরুর জীবনে পরিবর্তন এসেছে, আসাটাই স্বাভাবিক। আর তা সেই ভাবেই চিত্রায়িত হয়েছে। স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা নির্ভরতা সুখ গলে গলে পড়ছে। সব ঠিকই আছে। আফটার অল নীরু অল্প বয়সী নতুন বউ। :)

২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১:০৫

অপ্‌সরা বলেছেন: ভাইয়া এই লেখাটা দিয়ে একটু গোয়েন্দাগিরি করতে গিয়েছিলাম। নুরুভাইয়ার খবর পাওয়া যায় কিনা খুঁজতে। ভাইয়ার পেইজে গিয়ে কিছুই পেলাম না। ফ্রেন্ড লিস্টে একটা মেয়ের ছবি দেখে বুঝে গেলাম এটাই ভাইয়ার মেয়ে হবে। কিন্তু মেয়েটার আইডি লক করা তারপ গেলাম তার ড্রেসের পেইজে। ওদের সেলগার্লকে জিগাসা করলাম উনি জানালেন প্রথমে। তবুও নিশ্চিৎ হতে নাফিসাকে বলতে বললাম। নাফিসা উনার মেয়ে। তারপর যা জানলাম কষ্টে বুকটা ফেটে গেলো ভাইয়া। আমি নুরুভাইয়ার ছড়াকে তিড়িং বিড়িং ছড়া বলতাম। নাফিসা জানালো নুরুভাইয়া নাকি রাগী ছিলেন কিনতু সেটা রাগ না তাকে কেউ ভুল বুঝলে উনি অভিমান করতেন।

আসলে আমরা সবাই তো ভালো থাকতে চাই......

২০| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:১৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন। নুরু ভাইয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। আমরা এত দিন পরে জানলাম। উনি তো বেশ সুস্থই ছিলেন কয়েক মাস আগেও। বড় ভালো মানুষ ছিলেন।

যাই হোক। আপনি কোন কারণে আমার উপর রাগ করেছেন। কিন্তু এখন কারণটা বলবেন না। আমিও তো বুঝতে পাড়ছি না কারণটা কি। ব্যাপারটা ব্লগ পরিবার সংক্রান্ত হলে সেটাও আমাকে ব্যাখ্যা করে বলা উচিত। কারণ আমি কোন ক্লু পাচ্ছি না। আপনি পরিষ্কার করে না বললে কিন্তু আমার প্রতি অন্যায় করছেন। আমি যে কোন কঠিন সমালোচনার জন্য তৈরি। কারণ না বললে আমি আত্মপক্ষ সমর্থন কিভাবে করবো। অন্য ব্লগাররা আমাকে দোষী মনে করবে। তাই দয়া করে ব্যাপারটা নিয়ে বিস্তারিত লিখুন।

২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১:০৮

অপ্‌সরা বলেছেন: না থাক ভাইয়া। এমনিতেই মন খারাপ হয়ে গেছে নুরুভাইয়ার কথা জেনে। উনার মেয়ের সাথে অনেক কথা হলো। জানাচ্ছি সবই একটু পরে।

আত্মপক্ষ সমর্থন করতে হবে না। আমি জানি তুমি নির্বিবাদী। বিবাদে জড়াতে চাও না। যাইহোক রাগ করি আর যাই করি জানি তোমাকে। কাজেই দোষী মনে করতে হবে না।


সবাই ভালো থাকি। হাসিখুশি থাকি।

২১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:১৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এই মাত্র খবর পেলাম নুরুভাইয়া মারা গেছেন। গত ২৯শে অক্টোবর মারা গেছেন আমাদের নুরু ভাইয়া।

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। খুব কষ্টকর দুঃসংবাদ। আচমকা বুকে একটা ধাক্কা দিল খবরটা। কত আগে মারা গেছেন নুরু ভাই, জানলাম আজ। এভাবে আমরাও একদিন ব্লগারদের অলক্ষে, অজ্ঞাতসারে নীরবে সরে যাব, কেউ কেউ হয়ত জানবে, যাদের জানার কথা তাদের অনেকেই হয়ত জানতে পারবেন না।

আল্লাহ নুরু ভাইকে বেহেশ্‌ত নসিব করুন। ব্লগ মাতিয়ে রেখেছিলেন বহুদিন। আমরা যেন এই গুণী ব্লগারের কথা ভুলে না যাই।

২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১:০৯

অপ্‌সরা বলেছেন: প্রায় এক মাস হতে চলেছে। আর আজ জানতে পেলাম। তাও ছুটি ছিলো আজ তাই গোয়েন্দাগিরি করে বের করলাম ভাইয়ার মেয়ের পেইজটা আর মেয়েকে। নইলে হয়ত কখনই জানা হত না।

আমরাও একদিন চলে যাবো ভাইয়া।

ক্ষনিকের এই দুনিয়ায় কত কিছুই না করে চলি....

২২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ২:২২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: শাশুড়ি আমাদের বাড়ির পাশের তোন্নার মার মত। সামনে দিয়ে মাছিও উড়তে পারে না। হা হা।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:১৪

অপ্‌সরা বলেছেন: হ্যাঁ এই শ্বাশুড়িও এমনই ছিলো।

২৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:০১

জুল ভার্ন বলেছেন: গল্পগুলো যখন লেখকের জীবনের গল্প হয় তখন সেই গল্পে কিছু কিছু পাঠকদেরও জীবনমূখীতা ফুঁটে ওঠে- যা পাঠকদের বাড়তি পাওনা।

চমতকার গল্পের জন্য প্লাস।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:১৮

অপ্‌সরা বলেছেন: হা হা এটাও কি তবে আমার জীবনেরই গল্প মনে হচ্ছে ভাইয়া?

২৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।
ওনার মৃ্ত্যু একআমার কাছে একটা কঠিন দুঃসংবাদ ।
অনেকদিন ধরেই ব্লগে অনুপস্থিত নুরু ভাই।
অনেক ভালো মানুষ ছিলেন নুরু ভাই। আল্লাহ, রসূল, কোরান হাদিস উপর ছিল তার অসীম ভক্তি, বিশ্বাস ও আস্থা। উনি ছিলেন বংগবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ পক্ষের মানুষ।
আমার কঠিন কমেন্টেও তাকে কখনো উত্তেজিত হতে দেখা যায় নি এবং অনেক সহজ ও ভদ্র ভাষায় সেগুলোর উত্তর দিতেন। তাকে কখনো আগ্রাসি বা অশ্লীল ভাষা বা গালাগালি করতে দেখা যায় নি।
উনি মারা যাবেন জানলে ওনার কাছে মাফ চেয়ে নিতাম। আল্লাহ ওনাকে বেহেস্তে নসিব করুক।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৩

অপ্‌সরা বলেছেন: নুরুভাইয়ার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

২৫| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: লিখুন। লিখতে থাকুন।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৩

অপ্‌সরা বলেছেন: লিখছি।

২৬| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:০২

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: এত সুখের মাঝেও দূর্বাসা ঠাকুরের (খোকা ভাইয়ের) কথা মনে আসে, হায়রে মন, পোড়া মন।
" সুখে থাকলে তোরে ভূতে কিলায়" - ইডা হাচা কথা।

শাশুড়ি গুলা সব (বেশিরভাগই) রিনা খানই হয় এ হাচা কথা । তা ধনী-গরিব, কুড়েঘর কিংবা রাজপ্রাসাদ, মূর্খ কিংবা শিক্ষীত যাই হোক।

আহা " মাধুকরী" - বেচারা পৃথু, অত্যাধুনিক রুষা (আমার মতে একজন নারীর রুষা হয়ে উঠার পেছনে তার পতির ভূমিকাও কম নয় )। কোথা থেকে কোথায় নিয়ে আসলেন বনি । আবার একবার ৩/৪ দিনের জন্য কামে লাগাইয়ে দিলেন :(( ,না হলে যে মনে সুখ আইব না।

স্বামী-স্ত্রী'র মাঝের সম্পর্কটা এমন খোলামেলা ও ডর-ভয়হীন হওয়াই উচিত । যেখানে সুখে কিংবা অসুখে প্রথমে তাকেই মনে আসবে এবং নির্ভয়ে যে কোন কিছু শেয়ার করা যাবে একে-অন্যের মাঝে। তার সাথে সাথে সহানুভূতি ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে কোন ছাড়াই । তাহলেই স্বামী-স্ত্রী'র মাঝের সম্পর্কটা হয়ে মধুর ।

আর তা না হলে হয়ে উঠবে বেদনা বিধুর।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৬

অপ্‌সরা বলেছেন: ৩/৪ দিন কি কাজ!!!

মাধুকরী পড়বে আবার??

২৭| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বংগকুলের শাশুড়িদের মান রেখেছেন উনি ! মারহাবা !
সকল কাজের কাজী নিরুর বুদ্ধি দেখে তো আমি বুদ্ধু হয়ে গেলাম, বিপদে কেমন মাথা ঠাণ্ডা রেখে কল করে দমকল বাহিনী ডেকে আনল।

@সাড়ে চুয়াত্তর আমি নিজেও এমন গল্প আগে পড়ি নাই ;)

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৭

অপ্‌সরা বলেছেন: হাহা নীরু দমকল বাহিনী ডাকে???

২৮| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৫৫

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: বনের হরিণ খাঁচায় আটক পড়ছে, ভালো হৈছে। বিশতম পর্বে হরিণী কি আবার চঞ্চলা হয়ে উঠবে? জানতে অপেক্ষায় রইলাম...

সকালে মনটা নুরু ভাই এর মৃত্যু সংবাদে যার পর নাই মনটা বিষণ্ণতায় ভরে ছিল যার রেশ হয়তো আরো বেশ কিছুদিন রয়ে যাবে যদিও উনার সাথে আমার খুব একটা ইন্টারঅ্যাকশন হয়নি, কিন্তু কিছু কিছু ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়না।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৬

অপ্‌সরা বলেছেন: হ্যাঁ এই লেখা লেখার পর পরই আমি জানতে পারি নুরুভায়ের মৃত্যুর খবর। :(

২৯| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:০৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
গৃহিনী হয়ে উঠার গল্প।
প্রায়ই ফোন করতো মা। জানতে চাইতো কেমন আছি। রুনি পিন্টু সবাই ফোন করতো।
আপনাদের গ্রামের বাড়িতে ফোন ছিলো সেটিতো আএ কোনো পর্বে পড়েছি বলে মনে পরছে না।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৮

অপ্‌সরা বলেছেন: গ্রামের বাড়ি না। যশোরের বাড়ি। আর যশোর গ্রাম না।

৩০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:১৭

একলব্য২১ বলেছেন: অমন ক্রুঢ় হাসি আমি কখনও কাউকে হাসতে দেখেনি।

ভীষণ ভয় পেয়ে যাওয়ার মত কথা । উনি এত eccentric কেন। কারণটা কি। ছেলে বেহাত হয়ে যেতে পারে বলে। না অন্য কোন কারণ নিহিত আছে। নাকি প্রায় সব শাশুড়িমারাই এমন হয়।

ভুলে যেও না বউমা দ্বারাও প্রচুর শাশুড়িমারা চরম অত্যাচারিত হয়।

২৯ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:০২

অপ্‌সরা বলেছেন: প্রায় শ্বাশুড়িমায়েরাই এমন। কিন্তু প্রায় ছেলের বৌমারা এমন না আসলে। কিছু ছেলের বৌ অমন আর কি তবে তাদেরকে অমন করে ফেলা হয়।

ইট মারলে পাটকেল খেতে হয় এ কথা অনেকেই ভুলে যায়। :)

৩১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪৫

একলব্য২১ বলেছেন: শায়মা আপু, কিতা খবর। কেমন আছে। শেষ পর্ব লিখতেছো। ভাল ভাল। আরামসে লিখ। কতটুকু এগোল। এমনভাবে লিখ যাকে বলে হিলা কে রাখ দে না। গুগল বলছে এর অর্থ মারহাবা (मुहावरा)। আমার চৌদ্দ গুষ্টি হিন্দি উর্দু জানে না। গজল গান এত ভাল লেগে গেল যে এর অর্থ না জানা পর্যন্ত শান্তি পেতাম না। তারপর ঐ আর কি কিছু শিখার চেষ্টা করলাম। তারপর যা হয় এই শিখি এই ছাড়ি। মাঝে মাঝে ফাজলামি করে তোমাদের সাথে লিখি।

যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে

মানে সামুতে। :P

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫১

অপ্‌সরা বলেছেন: হুম লিখছি মন দিয়েই লিখতে চাচ্ছি কিন্তু সারাদিন পর যখন বাসায় ফিরি বাকী সব কাজ গুছিয়ে লিখতে বসলেই টুপ করে ঘুমে পড়ে যাই ভাবি আবার কালকে লিখবো। পরদিন আবার সেইম ঘটনা। এমন করে একটু তাল গোল পেঁকে যাচ্ছে।

তবে হ্যাঁ যেভাবেই হোক শেষ করে দেবো এই সিরিজ। নইলে দূরে কোথায় দূরে দূরে আমার মন বেড়ায় গো ঘুরে হয়ে থাকে। :(


হুম আমাদের সকলেরই পায়ের চিহ্ন বিলিন হয়ে যাবে........

চুকিয়ে দেবো লেখা দেনা বন্ধ হবে আনাগোনা এই ঘাটে ........

তবুও তুমি রবে হৃদয়ে মম .....

৩২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৭

একলব্য২১ বলেছেন: ও স্যরি মারহাবা না মুহাবরা (मुहावरा) মানে প্রবাদ বা Proverb.

মানুষের মন আকাশের মত একেক সময় একেক রকম। আজ সকালে ভীষণ মন খারাপ ছিল। এখন আবার ভাল। তাই তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করলো। লেখা নিয়ে কথা বলাটা বাহানা।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:১১

অপ্‌সরা বলেছেন: এই পুচ্চিটা কি আমাদের ক্ষুদে?

এমনই গুল্লু মুল্লু! কপালে আবার টিপও দিয়েছে। হা হা


যাইহোক মন খারাপ হয় যখন বিশেষ করে মানুষ একা থাকে। তুমি তো কদিন পরেই বাংলাদেশে আসবে। এখন এত মন খারাপ কেনো?


নো মন খারাপ। যা কিছু মানুষের জীবনে হয় সেসবই তো হবে আমাদের জীবনে তাই না??


কাজেই নো চিন্তা ডু ফূর্তি! :)

৩৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:১৫

একলব্য২১ বলেছেন: হুম। এটিই আমার ক্ষুদে বাবা।

সব ফাইনাল। টিকিট ভিসা এভরিথিং। এক মাস ভারত ঘুরবো। :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:১৮

অপ্‌সরা বলেছেন: তুমি তারমানে ভারতেই থাকো।

এতদিনে বুঝলাম।

আমি ভেবেছিলাম অস্ট্রেলিয়া।


সবাই আসছে? ক্ষুদেও???

ভেরী গুড!! :)


ক্ষুদের আর ভাই বোন নেই?

৩৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২১

একলব্য২১ বলেছেন: ক্ল্যালকুলেশন ইজ গুড বাট ওভার ক্ল্যালকুলেশন ইন ব্যাড। হা হা হা।

আমি এলরেডি ঢাকাতে এখন। :)

না ক্ষুদের আর ভাই বোন নেই।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩০

অপ্‌সরা বলেছেন: আরে!!!!!!!!!!

শিঘ্রী আসো আমার বাসায়!!!!!!!!!!!!


আসো আসো আসো ভাইয়ু!!!!!!!!!!!

তোমার দাওয়াৎ আমার ছাঁদ বাগানে। :)

৩৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২৪

একলব্য২১ বলেছেন: আমি মা আর ক্ষুদে এই তিনজন। :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩১

অপ্‌সরা বলেছেন: হায় ক্ষুদের মা বাবা বাদ!!!!!!! কেনো !!!

হা হা ক্ষুদে কাঁদবে নাতো মাকে ছাড়া ?

৩৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩০

একলব্য২১ বলেছেন: টাইপো ইজ ব্যাড

বলবো একদিন বলবো। আপাতত একটু suspense থাকুক। :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩২

অপ্‌সরা বলেছেন: কবে???


কবে বলবা????

৩৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩৩

একলব্য২১ বলেছেন: হাতে মাত্র দুচার দিন। এর মধ্যে বেরিয়ে যাব।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৪০

অপ্‌সরা বলেছেন: অজুহাত অজুনাক অজুমুখ দেখাচ্ছো তাই না????

৩৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩৪

একলব্য২১ বলেছেন: কবে বলবা????

মরার আগে। :P

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৪৭

অপ্‌সরা বলেছেন: ঐ বান্দর ভাইয়ু!! X((


থাক বলার দরকার নেই। মরারও দরকার নেই। :(

৩৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩৯

একলব্য২১ বলেছেন: ক্ষুদে কাঁদবে নাতো মাকে ছাড়া

ওর বাবা মা পরে জয়েন করবে। না। একদম না। ক্ষুদে তার দাদির বাঁধুক। ক্ষুদে ওর দাদির সাথেই থাকে বেশী আর তার সাথেই ঘুমায়। চাচারও নেওটা।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৫০

অপ্‌সরা বলেছেন: হুম সেটাই মনে হচ্ছিলো!!


ভেরী গুড! ঘুরো আর তারপর জীবনের প্রথম পোস্ট দাও।

ভারত ভ্রমন পোস্ট!! :)

৪০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৫৫

একলব্য২১ বলেছেন: ভারত ভ্রমন পোস্ট!!

পোস্ট আমি। হা হা হা। আর মানুষ পাইলা না, শায়মা আপু। দু একটা ছবি তোমার পোস্টে শেয়ার করবো নে। :)

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৫৯

অপ্‌সরা বলেছেন: না তোমার ছবি দেবার দরকার নেই। ক্ষুদের ছবিও দিতে হবে না। শুধু যেখানে যেখানে যাবে সে সব ছবি নিয়েই ভ্রমন পোস্ট। :)

৪১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:০৩

একলব্য২১ বলেছেন: ওকে শায়মা আপু, তোমার লেখার মনোযোগ নষ্ট করলাম। তোমরা আছ বলেই তো সামুতে লগ ইন করি। আরামসে লিখ আর খুব খুব ভাল থাকো।

শুধু যেখানে যেখানে যাবে সে সব ছবি নিয়েই ভ্রমন পোস্ট।


লেখালেখা আমার আসে না। :| যখন মন থেকে সাড়া পাব। তখন লিখবো।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:০৭

অপ্‌সরা বলেছেন: এত এত মন্তব্য করো এত এত আপু আপু করো আর একটাও লেখা না লিখলে ব্লগ পরিসংখ্যান দেখাবে কি ? :P

হা হা

না আমার লেখায় মনোযোগ আসে যখন আসেই যায় যখন যায়......

রিপোর্ট কার্ড রাইটিং , কাল স্পোর্টস আমার সবচেয়ে বিরক্তির ইভেন্ট, তারপর আছে ১৬ই ডিসেম্বরের প্রোগ্রাম, পিঠা মেলা এনুয়াল শো .. আমার অবস্থা কেরোসিন। :(

৪২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:০৬

একলব্য২১ বলেছেন: বাই দ্যা ওয়ে আমার ভারত অনেক আগেই ঘোরা। মুম্বাই, দিল্লি, আগ্রা, সাউথ ইন্ডিয়া, দার্জিলিং অনেক অনেক স্টেট। লেখার ক্ষমতা আমার নেই।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:০৮

অপ্‌সরা বলেছেন: আছে আছে আছে!!


সুপ্ত প্রতিভার খবর জানিনা আমরা।

আমাদের জীবনের মালটিপল ইনটেলিজেন্সগুলা আমরা নিজেরাই উদ্দীপিত করি না। :(

৪৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:১১

একলব্য২১ বলেছেন: একটাও লেখা না লিখলে ব্লগ পরিসংখ্যান দেখাবে কি ?

মরার আগে একটা পোস্ট দিব। তবে সেটা হবে সাময়িক!! :D

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫১

অপ্‌সরা বলেছেন: ঐ নুরু ভায়ের মৃত্যু থেকে কি এই শিক্ষাই নিলে তবে। শুধু মরা আর মরা!!!!!!!!!!!! X((

৪৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:২৪

একলব্য২১ বলেছেন: তোমার ছাদ কৃষি দেখতে আসবো। তবে আমি একা না। আমার সাথে আমার আরও দুইজন থাকবে। ওকে। একজন হল ক্ষুদে আর একজন হল শাইখ সিরাজ। ঠিক আছে। :)

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৩০

অপ্‌সরা বলেছেন: সত্যি!!!!!!!!!!!!!!

শাইখ সিরাজকে খবর দেবে কে?

যাইহোক আজ শেষ পর্ব আনছি!!!!!!!!!!


কোনো মতে লিখে শেষ করতেই হলো। ফাইনাল রিভিশন দিচ্ছি কারণ অনেক কাজ আমার এর পর .....

৪৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৫৬

একলব্য২১ বলেছেন: আজ শেষ পর্ব আনছি

ওকে।

শাইখ সিরাজকে আমি খবর দিব।

আর একটা কথা তোমাকে অনেক আপু আপু ডাকা হয়েছে। এই শব্দের অতি ব্যাবহারে তুমি বিরক্ত। এখন থেকে বিদেশীদের মত তোমাকে নাম ধরে ডাকবো। ঠিক আছে শায়মা।

আর একটা কথা ক্ষুদে কিন্তু তোমাকে খুব ভাল করে চিনে। সে আমাকে এখন বলছে তার আঁকা আর্টগুলো যেন তোমার সাথে শেয়ার করি। ওর ইচ্ছাকে সম্মান করলাম। ক্ষুদে এও জানে আমার শায়মা আপু স্যরি শায়মা ভাল আর্ট করতে জানে। :)

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:২৯

অপ্‌সরা বলেছেন: হা হা হা পিচ্চি তোমাকে কি ভূতে ধরেছে???

গমগমে গলায় বলছো শায়মা।


হা হা হা সত্যি হাসছি আমি।
দেখো আপু খালা মামী চাচী ফুপু শায়মা যা খুশি তাই ডাকতে পারো। আমি কিন্তু রাগ করি না।


আর ক্ষুদের এই ছবি দেখে আর মুক্তোর মত লেখা দেখে আমি এখন অজ্ঞান আছি।


ক্ষুদেকে শিঘ্রী এক বালতি পানি আনতে বলো আমার মাথায় ঢালতে হবে।

৪৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৫৬

একলব্য২১ বলেছেন:

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:৩৯

অপ্‌সরা বলেছেন: আমি মুগ্ধ মুগ্ধ এবং মুগ্ধ!!! :):) :)

৪৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৫৭

একলব্য২১ বলেছেন:

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:৩৯

অপ্‌সরা বলেছেন: সবগুলো ছবি আমাকে পাঠায় দাও!!!!!!!!!! :)

৪৮| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৭

একলব্য২১ বলেছেন: মরহুম নুরু ভাইকে নিয়ে তোমার পোস্ট পড়ে আমার ভীষণ মন খারাপ। মন খারাপ এই জন্য একজন মানুষ অচিকিৎসার দুর্বিষহ কষ্ট করে মারা গেলেন। ঘুণাক্ষরেও কাউকে জানতে দিলেন না তার অসহায়ত্বটা। আরও ভীষণ মন খারাপ লাগছে উনার একটা লেখায় আমার একটা কমেন্ট চরম অশোভন ছিল। কদাচিৎই আমি অন্য কারো পোস্ট কমেন্ট করি। যাও বা করলাম উনাকে এইভাবে। মতভেদ থাকতে পারে, থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সমালোচনারও একটা শালীনতা আছে, শিষ্টাচার আছে। আমি সীমা লঙ্ঘন করেছিলাম। অনুশোচনায় আমার শির নুয়ে ছিল। আমার ভাবিত মন বারবার বলছে এই মৃত্যু থেকে কিছু শিক্ষা আমায় নিতে হবে।

ক্ষুদে আমার ঘরে ঢুকে আমাকে দেখেই বললো। চাচু কি হয়েছে। এত মন খারাপ কেন।

আমার বন্ধু মারা গেছে। মনিটরে নুরু ভাইয়ের ছবি।

ও তাই তোমার মন খারাপ।

হুম।

দাদুটা কোন দেশে থাকে।

ঢাকায় বাংলাদেশে।

দেখলাম ক্ষুদেরও মন খারাপ হয়ে গেল।

ক্ষুদেকে নিয়ে আমার আদিখ্যেতার শেষ নেই। এর লাগাম টানতে হবে।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩৮

অপ্‌সরা বলেছেন: হুম।

আমরা মরে গেলে আর নুরুভাইয়া বেঁচে থাকলেও ভাইয়ার কিন্তু একই অনুভূতি হত। কারণটা ভেবে দেখো।


বেঁচে থাকলে অনেক কিছুই উপলদ্ধ হয় কিন্তু মরে যাবার পরে যেটা যারা বেঁচে থাকে তাদের হয় সেটা আগে হয় না আমাদের। :(

৪৯| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২০

একলব্য২১ বলেছেন:

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২৩

অপ্‌সরা বলেছেন: বাহ বাহ !!! :)

ক্ষুদে কি কোনো বাংলা কবিতা জানে?

যেটা ১৬ই ডিসেম্বরে আবৃতি করা যায়?

৫০| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২১

একলব্য২১ বলেছেন:

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩০

অপ্‌সরা বলেছেন: নাইস নাইস নাইস!!!

৫১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২৭

একলব্য২১ বলেছেন:

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৩১

অপ্‌সরা বলেছেন: ভেরী ওয়েলডান !!! :)

৫২| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:২৯

একলব্য২১ বলেছেন: উওরে ক্ষুদে আমাকে বললো সে সেরকম কোন কবিতা জানে না।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৪৬

অপ্‌সরা বলেছেন: ক্ষুদের ঠিকানা দাও

আমার কবিতার বই পাঠিয়ে দেই।

এই ১৬ই ডিসেম্বরে আমার ক্লাসের বাচ্চারা পড়ছে আমার লেখা


বাংলাদেশে বাস করি আমরা বাংলাদেশী
বাংলা মোদের জাতীয় ভাষা আমরা বাংলা ভাষী।
শাপলা শালুক ঝিলের জলে ঝিলমিলিয়ে দোলে
জানো নাকি শাপলা ফুলকে জাতীয় ফুল বলে
বলে যদি কেউ তোমাকে জাতীয় ফল চেনো?
কাঁঠাল মোদের জাতীয় ফল সেই কথা কি জানো?
জাতীয় মাছ ইলিশ কোনো সন্দেহ নেই তাতে
যুগে যুগে আমরা বাঁচি দুধে মাছে ভাতে।
জাতীয় পাখি দোয়েল সেতো সবাই জানে ভাই
রোজ সকালে মিষ্টি সূরে গান শুনিয়ে যায়।
জাতীয় পশু তাহার মত একটিও নেই আর।
সব চাইতে সেরা সে যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার
এমন দেশের মতন দেশ আর পাবে নাকো তুমি
সকল দেশের সেরা সে যে মোদের জন্মভূমি!

৫৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৫০

একলব্য২১ বলেছেন: ওয়ারী ঢাকা।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৯:০২

অপ্‌সরা বলেছেন: ওকে এই ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবো ভাইয়ু!!! :)

৫৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৯:১৩

একলব্য২১ বলেছেন: আমার ছোট বেলায় ওয়ারীর বেশ কিছু বাড়ীর গেইটে বুগেনভেলিয়া গাছ লাগানো থাকত। এখন আর কারো বাড়ীতে দেখি না। আস্ত বাড়ী তো আর নেইই। তবে বলধা গার্ডেনটা এখনো পরিপাটি আছে। সকাল ৮/৯ পর অনেক অল্প বয়সের ছেলেমেয়েরা কাউন্টার থেকে ১০/১৫ টাকার টিকিট কেটে জোড়া জোড়ায় বসে......... :`>

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৫৮

অপ্‌সরা বলেছেন: আমাদের এই নতুন বাসায় বোগেনভেলিয়া লাগানো হয়েছে। কত দিনে দশ তলায় ওঠে সে জানিনা।

৫৫| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:০০

একলব্য২১ বলেছেন: এত এত মন্তব্য করো এত এত আপু আপু করো

গুডমর্নিং শায়মা। :)

কবিতাটা তো দারুণ লিখেছ। অনায়াসেই পাঠ্য পুস্তকে সামিল করা যায়।

ক্ষুদে তোমার মজা করে লেখা পড়ে মিষ্টি একটা হাসি দিল।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:১৭

অপ্‌সরা বলেছেন: হা হা ওকে ওকে বুড়ামানুষ ভাইয়া.....

শোনো এই কবিতাটাও আমার ছোটদের জন্য লেখা বইটাতে আছে।

আমার ক্লাসে একটা বেবি আছে এত্ত বুড়ামানুষের মত কথা বলে। আমি বললাম আজমিনা বুড়ামানুষ কাম টু মি। সে এসে বলে মিস আমি এটা লাইক করছি না। আমি বললাম কি লাইক করছো না? সে বলে এই যে যেটা বলছো মানে বুড়ামানুষ বলাটা।

তুমিও আমার বুড়ামানুষ ভাইয়া হয়ে গেছো হা হা হা

আমি অবশ্য আজীবন ছোট থাকতেই চাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.