| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলোচনার বিষয়ঃ যারা প্রচলিত মাজহাব করে তারা কি মুসলিম না কাফির? আমরা প্রমাণ করব মাজহাবীরা কাফির ও মুশরিক এবং আপনি প্রমাণ করবেন যে মাজহাবীরা মুসলিম।
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস [সহীহ লি যাতিহী ও সহীহ লি গইরিহি]
৩। হাসান হাদিস [হাসান লি যাতিহী ও হাসান লি গইরিহি]
৪। সাহাবাদের আমল
শর্তাবলীঃ-
১। কোন আলেমের ফাতওয়া দলিল হিসেবে আসবে না। দলিল শুধু কোরআন, হাদিস এবং সাহাবারা।
২। কোন আলেমের বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে না।
৩। কোন তাবেয়ীর বক্তব্য বা আমল দলিল হিসেবে গ্রহণ যোগ্য হবে না।
অন্যান্যঃ
১। আপনি আমি ছাড়া কোন তৃতীয় ব্লগার মন্তব্য করতে পারবেন না। শুধু আমাদের আলোচনা দেখতে পারবেন।
২। কোন তৃতীয়পক্ষ মন্তব্য করলে সেটা ডিলেট করা হবে। আলোচনা যাতে সুন্দর মতো সামনে এগিয়ে যায় সে জন্যই এই ব্যবস্থা। কারণ আপনার আমার বক্তব্যের মধ্যে নতুন কেউ মন্তব্য করলে আলোচনার মোড় ঘুরে যাবে।
৩। যারা অজ্ঞ তারা মুসলিম হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এই আলোচনার বাহিরে থাকবে।
৪। মাজহাবীরা কাফির মুশরিক বলতে সেই মাজহাবীদের বুঝানো হয়েছে যাদের নিকট সত্য প্রকাশ করা হয়েছে কিন্তু তারা তা মানছে না। সত্য প্রকাশের পর যারা সত্য মানে না তাদেরকেই কাফির মুশরিক বলা হইছে।
আবদুস সবুর খান, আপনি চাইলে আরো কিছু মূলনীতি এ্যাড করতে পারেন।
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৮
শুধু মুসলিম বলেছেন: যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে। কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি এবং সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর। তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন এবং তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না এমন হাদিসকে "সহীহ হাদিস" বা "সহীহ লি যাতিহী হাদিস" বলা হয়। যেমন ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত রাসূল সাঃ বলেন,
নিশ্চয়ই সকল কাজের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভর করে। (বুখারী, তাওহাদী পাবলিকেশন্স হাদিস নং-১, ইসলামিক সেন্টার, হাদিস নং-১, আধুনিক প্রকাশনী, হাদিস নং-১)। এই হাদিসটি সহীহ হাদিস "সহীহ লি যাতিহী" এবং এটাই সহীহ হাদিসের সংগা।
আমি নতুন একটা দলিল এ্যাড করছি যে "হাসান হাদিস"।
আপনি যদি চান তো কিছু এ্যাড করতে পারেন। নতুবা আলোচনা শুরু করেন। অথবা আমাকে বলুন আমি শুরু করি।
২|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৩
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি সহীহ হাদীসের যে সংজ্ঞা দিয়েছেন তা আপনার নির্ধারিত দলীলের কোথা থেকে দিলেন ???
আপনি দলীল যা গ্রহন করেছেন,
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস
৩। সাহাবাদের আমল
আপনার সংজ্ঞার দলীল উপস্থাপন করুন।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৩
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনি হাদিস গ্রহণ বর্জনের মূলনীতি জানেন? যদি না জানেন তো শিখে আসেন নতুবা আপনার থেকে ভাল যারা জানে তাদের ডাকেন। একটু পরে বললেন কোরআন যে দলিল তার প্রমাণ কি? এগুলা খেজুরা আলাপ। ফাও পেচাল পারার টাইম নাই।
সাহাবাদের আমল যেই সমস্ত দলিলর ভিত্তিতে নেওয়া হইছে।
১। সূরা তাওবা-১০০ > আর যারা সর্বপ্রথম হিজরতকারী ও আনছারদের মাঝে পুরাতন, এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছে ইহসানের সাথে, আল্লাহ সে সমস্ত লোকদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। আর তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত প্রস্রবণসমূহ। সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। এটাই হল মহান কৃতকার্যতা।
=> উপরোক্ত আয়াতে মুহাজির আনসার সাহাবাদের ইহসানের সাথে খাটিভাবে তাদের অনুসরণের কথা বলা হইছে। তাই তারা দলিল হিসেবে আসবে।
২। তিরমিজীতে > রাসুলে কারীম(সাঃ) বলেছেন অতিশীঘ্র আমার উম্মত তেহাত্তর(৭৩) ফের্কায় বিভক্ত হয়ে পড়বে। তন্মধ্যে মাত্র একটি দলই মুক্তিপ্রাপ্ত এবং জান্নাতী হবে। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেনঃ সেই মুক্তিপ্রাপ্ত সৌভাগ্যশালী দলটি কারা এবং এত বড় সৌভাগ্য লাভের ভিত্তি কোন নীতি বা আদর্শের উপর ? উত্তরে নবী(সাঃ) বললেন, যে নীতি,তরীকা ও আদর্শের উপর আমি এবং আমার সাহাবায়ে কেরাম আছেন।(তিরমিজী শরীফ,ইবনে মাজা,মুসনাদে আহমদ,আল-মুসতাদরাক)
=> লক্ষ করুণ, এই হাদিসে রাসূল সাঃ ও সাহাবাদের মধ্যে মুক্তিপ্রাপ্তও ও জান্নাতী দলের কথা বলা হইছে। এই হাদিসে তাবেয়ীদের টানা হয় নাই। কাজেই সাহাবাদের আমল দলিল কিন্তু তাবেয়ীদের আমল দলিল না।
তাবেয়ীরা বক্তব্য ও আমল দলিল হিসেবে আসবে না। সাহাবাদের আমল ও বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে।
৩|
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০০
আবদুস সবুর খান বলেছেন: এবং একটি প্রশ্ন ...
আপনার কাছে গ্রহনযোগ্য হাদীসগ্রন্থ কোনগুলো এবং গ্রহনযোগ্য আলেম কারা ???
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:২১
শুধু মুসলিম বলেছেন: যখন বলেছি যে সহীহ হাদিস দলিল হিসেবে আসবে তখন সকল হাদিস গ্রন্থের সকল সহীহ হাদিসই "সহীহ হাদিস" ক্যাটাগরিতে চলে আসে।
রাসুল সাঃ ও সাহাবা ব্যতিত আলেমদের ফাতওয়া বা আমল দলিল হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। অতএব গ্রহণযোগ্য আলেম কারা এই প্রশ্ন করাও অমূলক। যদি গ্রহণযোগ্য আলেম বলি বিন বাজ, উসাইমিনকে তখন বললেন তারা ওহাবী, যদি বলি দেওবন্দের মাহমুদুল হাসান সাহেব, নুরুল ইসলাম ওলীপুরী তখন বললেন এরা হানাফী, যদি বলি দেওয়ানবাগী, কুতুববাগী তখন বলবেন এরা তো ভ্রান্ত। মূলত এই প্রশ্নটাই অমুলক ও অপ্রাসঙ্গিক।
প্রথমত আপনি আমাকে বলেন, মাজহাব কয় টা? মাজহাব অর্থ কি?
৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৫
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনার সাহার্যাথ্যে মাজহাব শব্দের দুটি অর্থ তুলে ধরছি।
মাজহাবীরা বলে থাকে মাজহাব মানে "মতামত"। এটা তাদের একটা ধোকাবাজী। মাজহাব শব্দের আভিধানিক অর্থ মতামত। কিন্তু মাজহাবীরা কখনোই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। কারণ তারা যদি মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করত, তবে কখনোই বলত না যে মাজহাব বা মতামত ৪ টা। পূর্ববতী ইমাম কি চারজন? অসংখ্য ইমাম রয়েছেন। যেমন ঃ-
১। ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ,
২। ইমাম আবু হানিফা,
৩। ইমাম শাফেয়ী,
৪। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল,
৫। ইমাম জুহুরী,
৬। ইমাম ইবনুল কাইয়ুম,
৭। ইমাম শওকানী,
৮। ইমাম আওযায়ী,
৯। ইমাম আবু দাউদ,
১০। ইমাম নাসাই,
১১। ইমাম ইবনে কাসির,
১২। ইমাম ইবনে জারীর,
১৩। ইমাম শওকানী
১৪। ইমাম আয যাহাবী
১৫। ইমাম মালেক প্রমুখ।
আল্লাহ তাদের সবাইকে শান্তিতে রাখুন।
=>>>> মাজহাবীরা মাজহাব শব্দের অর্থ যদি "মতামত" গ্রহণ করত তবে কখনোই বলত না যে মাজহাব ৪ টা। বরং তারা বলত অসংখ্য মাজহাব/মতামত আছে। কারণ উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ প্রত্যেকেই ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়ে গেছেন।
কারো মতামত মানা আর তার নামে মাজহাব বানানো এক বিষয় না। আমরা সবাইর মতামত মানি। যার মতামত আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর সাথে মিলে তার মতামত আমরা মানি।
মূলত মাজহাবী আলেমরা ও মাজহাবী আলেমদের পুজারী কিছু ব্যক্তি "মুসলিম" দের ধোকা দেওয়ার জন্যই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করেছে। তারা কখনোই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। মাজহাবের আরেকটি অর্থ "দল"। তারা মাজহাবকে "দল" অর্থে ব্যবহার করে যে ইসলামে ৪টি দল আছে। যেকোন একটাতে যাওয়া ওয়াজিব, কেউ বলে নফল, কেউ বলে মুস্তাহাব।
আপনার নিকট প্রশ্ন-
১) আপনি মাজহাবকে কি অর্থে ব্যবহার করেন?
২) যদি মতামত অর্থে হয় তো মাজহাব কয় টা? ৪টি নাকি অসংখ্য?
৩) নাকি আপনি মাজহাবকে দলগত অর্থে ব্যবহার করেন? এবং বলেন যে ইসলামে ৪টি দল আছে। যেকোন একটিতে প্রবেশ করা ওয়াজিব বা নফল বা মুস্তাহাব?
আপনার উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম।
৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১৮
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আমার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে নতুন করে প্রশ্ন করছেন। মজা লাগল ...
আপনি যে কথা না বুঝেই কমেন্ট করতে অভ্যস্ত তার জলন্ত প্রমান
এই পোষ্টের Click This Link
১৫ নং কমেন্টে এখনও বিদ্যমান
এবং জবাব দেয়ার কারনে নিচের ভুলের জন্য অনুশোচনা না এসে উল্টো যিনি (নামের কী দরকার) আপনার ভুল ধরিয়ে দিলেন (ঐ পোষ্টের ১৭ নং কমেন্টে) তার বিরুদ্ধে বিদ্ধেষমূলক পোষ্টও প্রসব করে দিলেন !!! Click This Link
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:১২
শুধু মুসলিম বলেছেন: এই মাজহাব ভিত্তিক বাহাস এ করা অপ্রাসঙ্গিক বিষয় টেনে আনায় আমার মন্তব্য দেওয়া মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।
৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:২৩
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আবারো বলছি প্রশ্ন বুঝে তারপর উত্তর দিন। অযথা লিখালিখি করে নিচের অজ্ঞতা নতুন করে পাঠকদের সামনে পুনরায় তুলে ধরবেন না আশা করি।
আমার প্রশ্নের জবাব,
আপনি দলীল যা গ্রহন করেছেন,
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস
৩। সাহাবাদের আমল
আপনার উল্লেখিত শর্তাবলীঃ-
১। কোন আলেমের ফাতওয়া দলিল হিসেবে আসবে না। দলিল শুধু কোরআন, হাদিস এবং সাহাবারা।
২। কোন আলেমের বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে না।
৩। কোন তাবেয়ীর বক্তব্য বা আমল দলিল হিসেবে গ্রহণ যোগ্য হবে না
আপনি সহীহ হাদীসের যে সংজ্ঞা দিয়েছেন তা উপরোক্ত কোন দলীল থেকে তা দলীলসহ উল্লেখ করুন এবং আপনার উল্লেখিত শর্তাবলী লক্ষ্য রাখবেন।
আবারো বলছি আমি আপনার কাছে সংজ্ঞা নয়, সংজ্ঞাটি কোন দলীল থেকে সংগ্রহ করেছেন
(আর বার বার আপনি পোষ্ট এডিট করে এটা ওটা যোগ করে কি আমার সাথে মশকরা করছেন নাকি ???)
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৩
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনাকে জিজ্ঞেস করলাম
১) মাজহাবের অর্থ কি? বলতে পারলেন না।
২) বললাম মাজহাব কয়টি সেই উত্তরও দিতে পারলেন না।
৩) আপনি মাজহাবকে কি অর্থে ব্যবহার করেন?
৪) যদি মতামত অর্থে হয় তো মাজহাব কয় টা? ৪টি নাকি অসংখ্য?
৫) নাকি আপনি মাজহাবকে দলগত অর্থে ব্যবহার করেন? এবং বলেন যে ইসলামে ৪টি দল আছে। যেকোন একটিতে প্রবেশ করা ওয়াজিব বা নফল বা মুস্তাহাব?
একটাও উত্তর দিতে পারেন নাই। আবার প্যাচানি শুরু করছেন।
সহীহ হাদিসের সংঙ্গা আমরা কোরআন থেকেই দিতে সক্ষম। তবে সেই সংঙ্গা ও ব্যাখ্যা প্রয়োজন আহলে কোরআন অনুসারীদের যারা শুধু কোরআন মানে হাদিস মানে না।
আপনি কি হাদিস অস্বীকারকারী আহলে কোরআন গ্রুপের? না, তাহলে এই অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নাই।
আপনি যদি আহলে কোরআন হতেন তখন সহীহ হাদিস কোরআন থেকে প্রমাণ করতাম। কিন্তু আপনি তো হাদিস মানেন। এখন নতুন করে প্যাচাল শুরু করছেন যে সহীহ হাদিস কোরআন থেকে প্রমাণ করতে বলতেছেন। কোরআন থেকে হাদিস প্রমাণ করলে তখন আবার বললেন কোরআন যে দলিল তার "দলিল" কি? এগুলোই হানাফীদের অভ্যাস।
কোরআন ও সহীহ হাদিস ইসলামের দলিল। এটা সবাই জানে। এমন কী পীরের মুরিদও। সাহাবাদের আমল যে দলিল এটা হানাফী পুজারীরা অনেকেই জানে না। তাই সাহাবাদের আমল দলিল সংক্রান্ত কোরআনের আয়াত ও হাদিস তুলে ধরেছি।
সহীহ হাদিস যে দলিল তার সংঙ্গা আপনাদের পীর আব্দুল মালেক সাহেবের থেকে শিখে আসেন। যদি উনিও না জানে তখন আমাদের কাছে আইসেন শিখায়া দিব। আর বুঝেছি যে মাজহাব বিষয়ক আলোচনা করার মতো যোগ্যতা আপনার নাই। তো আর কি করবেন। আবু হানিফার কবর পুজা করেন। আপনাদের পীর আব্দুল মালেকের সাথে যেদিন বাহাস হবে সেদিনের বাহাস রেকর্ড করে শিখে নিয়েন। আর সহীহ হাদিস কেমনে দলিল তার জন্য আমাদের নতুন বইয়ের অপেক্ষায় থাকেন।
আপনাদের পীর সাহেব থেকে সহীহ হাদিস কিভাবে ওহী সেটা শিখে আবার নতুন করে বাহাস এ আইসেন মাজহাবকে টিকানোর জন্য।
এটা কোরআন দিয়ে হাদিস প্রমাণের বাহাস নয়। এখানে আলোচনার বিষয় মাজহাব।
৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩১
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনার ৪ নং কমেন্টের কারনে আরো কিছু প্রশ্ন সামনে আসল ...
আপনি বলেছেন,
মাজহাবীরা বলে থাকে মাজহাব মানে "মতামত"।
এখানে আপনি মাজহাবী বলতে কাদের বুঝাচ্ছেন (কোন ব্যক্তিবর্গ) ???
এবং মাযহাবের যে অর্থ আপনি দিলেন তার সূত্র উল্লেখ করুন।
আপনি বলেছেন,
মাজহাব শব্দের আভিধানিক অর্থ মতামত।
সূত্র উল্লেখ করুন।
আপনি বলেছেন,
যার মতামত আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর সাথে মিলে তার মতামত আমরা মানি।
আবার বলেছেন,
উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ প্রত্যেকেই ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়ে গেছেন।
এই বিভিন্ন মতামত কি আল্লাহ ও তার রাসূল সা. থেকে মিল ব্যতীত অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহর খিয়ানত করে দেয়া হয়েছে ???
যদি দেয়া হয়ে থাকে তবে উনারা কিভাবে ওনাদের সহীহ ইমাম হিসেবে মেনে নিলেন ???
আরো অনেক প্রশ্ন আসছে, কিন্তু আপাতত এগুলোর জবাব দিন। পরে বাকীগুলো করব।
আশা করি মূল আলোচনা রেখে আবোল তাবোল আলোচনা শুরু করবেন না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৭
শুধু মুসলিম বলেছেন: মাজহাবী মানেও জানেন না? মাজহাব শব্দেও অর্থও জানেন না? আপনে আবার কিসের বাহাস করবেন।
মাজহাব মানে মতামত, বিশ্বাস, ধর্ম, আদর্শ, পন্থা, মতবাদ, উৎস। (মিসবাহুল লুগাত, থানবী লাইব্রেরী-২৬২ পৃষ্ঠা)। এবং একই অর্থ রয়েছে আল মু'জামুল ওযাফীতে যেটা রিয়াদ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত।
এবার ৪ নং কমেন্টের উত্তর দিয়া নেন। ভাল হয় আপনার থেকেও বেশী জানা কাউরে পারলে আপনার জায়গায় বসায়া দেন।
৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০৭
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আমার এই প্রশ্নের জবাব না দিয়া তেনা পেচাইতেছেন কেন ???
আপনি সহীহ হাদীসের যে সংজ্ঞা দিয়েছেন তা উপরোক্ত কোন দলীল থেকে তা দলীলসহ উল্লেখ করুন এবং আপনার উল্লেখিত শর্তাবলী লক্ষ্য রাখবেন।
আপনার উল্লেখিত শতাবলীর প্রথম শর্ত ...
১। কোন আলেমের ফাতওয়া দলিল হিসেবে আসবে না।
বাদে কি আপনি আমার প্রশ্নের জবাব দিতে সক্ষম ...
আবারো বলছি,
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস
৩। সাহাবাদের আমল
এই তিনটি দলীল থেকে সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা দলীলসহ উল্লেখ করুন।
যদি জবাব দেয়ার যোগ্যতা না থাকে তবে যিনি জবাব তাকে আপনার জায়গায় বসাইয়া দেন ...
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৪০
শুধু মুসলিম বলেছেন: হা হা। এক পিচ্চি বাচ্চা এক বয়স্ক লোক বকা দিয়ে বলল "এ্যাই দুষ্ট"। তখন বাচ্চাটা একটু সময় বিরতী দিয়ে বয়স্ক লোকটিকে বলল "আপনি দুষ্ট"।
আমি আপনাকে বললাম আপনার জ্ঞান না থাকলে যে জানে তাকে বসাতে। ঠিক একই কথা ওই বাচ্চার মতো আমাকেই ফিরিয়ে দিলেন। সত্যি করে বলেন তো আপনার বয়স কত? আমার তো ধারণা ১৫ 'র বেশী হইব না। মজারে মজা।
৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০৯
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি বললেন,
মাজহাব মানে মতামত, বিশ্বাস, ধর্ম, আদর্শ, পন্থা, মতবাদ, উৎস। (মিসবাহুল লুগাত, থানবী লাইব্রেরী-২৬২ পৃষ্ঠা)। এবং একই অর্থ রয়েছে আল মু'জামুল ওযাফীতে যেটা রিয়াদ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত।
তাহলে উপরে কেন শুধু মতামত উল্লেখ করলেন ???
কেন এই জালিয়তী ???
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৯
শুধু মুসলিম বলেছেন: তাহলে ধর্ম উল্লেখ করলে ভালো হতো তাই না? মাজহাব মানে তো ধর্মও। আমাদের মাজহাব বা ধর্মের নাম ইসলাম এবং আমাদের মাজহাবের বা ধর্মের ইমামের নাম মুহাম্মদ সাঃ। আপনাদের মাজহাবের বা ধর্মের নাম হানাফী। আপনাদের মাজহাবের বা ধর্মের ইমামের নাম আবু হানিফা।
আমাদের মুসলিমদের ধর্ম আর আপনাদের হানাফীদের ধর্ম এক নয়। আপনাদের ধর্ম আপনাদের। আমাদের ধর্ম আমাদের।
দ্বীন অর্থ ধর্ম, দিবস, জীবন ব্যবস্থা। কবরে জিজ্ঞেস করা হবে তোমার দ্বীন কি? তখন কি আমরা বলব আমাদের দিন ২১শে ফেব্রুয়ারী? একটি শব্দ বিষয় ভেদে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
আপনি কোন ক্লাসে পড়েন? জালিয়াতি বানান টাও তো পারেন না। কোন পড়ালেখা নিয়ে আমি কনফিউজড।
১০|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:১২
আবদুস সবুর খান বলেছেন: ৭ নং কমেন্টের জবাবগুলো পাইনি।
আপনি মাযহাব নিয়ে কি আলোচনা করবেন, আলোচনার আগেই তো পেচিয়ে গেছেন !!!
গলাবাজি না করে যদি উত্তর জানা না থাকে তবে যিনি জানেন তাকে আপনার জায়গায় বসিয়ে দিন. . .
আর যদি আপনার জায়গায় বসানোর মত কেহ না থাকে তবে গলাবাজি চালিয়ে যান, পাঠকরা কিছুটা বিনোদন পাবে . . .
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৪
শুধু মুসলিম বলেছেন: প্রথমে হাদিসের সঙ্গা দিছি।
২ নং কমেন্টে বলেছি> লেখক বলেছেন: আপনি হাদিস গ্রহণ বর্জনের মূলনীতি জানেন? যদি না জানেন তো শিখে আসেন নতুবা আপনার থেকে ভাল যারা জানে তাদের ডাকেন। একটু পরে বললেন কোরআন যে দলিল তার প্রমাণ কি?
৬ নং কমেন্টে বলেছি> এটা কোরআন দিয়ে হাদিস প্রমাণের বাহাস নয়। এখানে আলোচনার বিষয় মাজহাব।
অতএব বারবার বলার পরও আপনার মাথায় ঢুকে না।
আপনার প্যাচানির কিছু নমুনা দেখিয়ে দেই যা আপনি করতে চাচ্ছেন এবং আমি করতে দিতেছি না। এবং এজন্যই আপনি স্বাচ্ছন্দ্য পাচ্ছেন না।
=> সহীহ হাদিস প্রমাণ করতে বলবেন কোরআন থেকে। ধরেন কোরআনের সূরা নিসার-১১৩ দ্বারা, যিকর সংক্রান্ত আয়াত দ্বারা এবং বাকারার আয়াত গোপন সংক্রান্ত আয়াত দ্বারা আপনার নিকট হাদিস প্রমাণ করলাম।
=> এরপর আপনি বললেন, কোরআন দিয়া কোরআন প্রমাণ করতে?
=> তারপর বলবেন, কোরআন যে সংকলিত হইছে সহীহ ভাবে তার প্রমাণ কি?
=> তারপর বলবেন, হাদিস যে সহীহ তার দলিল কি?
=> উসুলুল হাদিস দিয়েও প্রমাণ করলে বলবেন মানি না।
মূলত মাজহাবী কাফির মুশরিকরা এই থিউরীগুলো অবলম্বন করে থাকে যখন দেখে তাদের মাজহাবী প্যাচে তারা নিজেরাই পড়ে গেছে। যেমন ভাবে আমি ৪ নং কমেন্টে আটকাইছি।
আবারও আমার টেকনিক অবলম্বন কইরা " যিনি জানেন তাকে আপনার জায়গায় বসিয়ে দিন" মূলক কথা। হায়রে পোলাপাইন রে।
মজা লাগে আহলে হাদিসদের সাথে কথা বলতে। মাজহাবীগুলায় তো দলিল দিতে পারে না। কিন্তু আহলে হাদিসগুলায় দলিল দেয়। কিন্তু টিকে না। দুটোই পয়সার দুই দিকের মতোই।
১১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০১
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দিছি কিন্তু এখনও আমার ৪ নং কমেন্টের করা ৩টা প্রশ্নের উত্তর দেন নাই। যাক লাগবে না। আরো পড়াশুনা করেন। তারপরে আইসেন।
১২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩২
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আহারে কাকু একটা ১৫ বছরের (আপনার ভাষায়) ছেলের প্রশ্নের জবাবও দিতে পারেন না। গলাবাজি আর কতকাল ???
পারবেন কেমনে ...
আমার প্রশ্ন,
আপনি সহীহ হাদীসের যে সংজ্ঞা দিয়েছেন তা উপরোক্ত কোন দলীল থেকে তা দলীলসহ উল্লেখ করুন এবং আপনার উল্লেখিত শর্তাবলী লক্ষ্য রাখবেন।
আপনার উল্লেখিত শতাবলীর প্রথম শর্ত ...
১। কোন আলেমের ফাতওয়া দলিল হিসেবে আসবে না।
বাদে কি আপনি আমার প্রশ্নের জবাব দিতে সক্ষম ...
আবারো বলছি,
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস
৩। সাহাবাদের আমল
এই তিনটি দলীল থেকে সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা দলীলসহ উল্লেখ করুন।
...............................................................
সহীহ হাদীস শব্দটি কুরআন বা সহীহ হাদীস বা সাহাবাদের আমলের কোথাও উল্লেখ হয়নি।
সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা বা বিশেষন পরবর্তীতে আলেমরা বের করেছেন অর্থাৎ তা আলেমদের ফতোয়া
যা কিনা আপনি আপনার শর্তাবলী প্রথমেই নিষিদ্ধ করেছেন !!!
দলীলে না পারলে গলাবাজিই করতে হয়, যা আপনার কমেন্ট দেখলে আলাদাভাবে বুঝতে হয় না ...
........................................
আমার উপরের কথা মিথ্যা তা তথ্যপ্রমানসহ উপস্থাপন করুন।
অথবা আবার গলাবাজি শুরু করুন ...
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২০
শুধু মুসলিম বলেছেন: বাবু সোনা এক মন্তব্য বার বার পোষ্ট দেয় না লক্ষী সোনা। যাও তোমাদের আব্বু আব্দুল মালেক এর থেকে সহীহ হাদিস শিখে আস। নতুবা তোমাদের আব্বু কে নিয়ে আস।
১৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৫
আবদুস সবুর খান বলেছেন: ...........................................................................
৭ নং কমেন্টের শুধু এই প্রশ্নটার জবাব দিলেন। বাকীগুলো জবাব জানা নাই কাকু !!!
মাজহাব শব্দের আভিধানিক অর্থ মতামত।
সূত্র উল্লেখ করুন।
............................................................
এই প্রশ্নের জবাবগুলোও পাই নাই। মনে হয় গলাবাজির কারনে দেখতে পাননি ...
আপনার ৪ নং কমেন্টের কারনে আরো কিছু প্রশ্ন সামনে আসল ...
আপনি বলেছেন,
মাজহাবীরা বলে থাকে মাজহাব মানে "মতামত"।
এখানে আপনি মাজহাবী বলতে কাদের বুঝাচ্ছেন (কোন ব্যক্তিবর্গ) ???
আপনি বলেছেন,
যার মতামত আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর সাথে মিলে তার মতামত আমরা মানি।
আবার বলেছেন,
উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ প্রত্যেকেই ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়ে গেছেন।
এই বিভিন্ন মতামত কি আল্লাহ ও তার রাসূল সা. থেকে মিল ব্যতীত অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহর খিয়ানত করে দেয়া হয়েছে ???
যদি দেয়া হয়ে থাকে তবে উনারা কিভাবে ওনাদের সহীহ ইমাম হিসেবে মেনে নিলেন ???
আরো অনেক প্রশ্ন আসছে, কিন্তু আপাতত এগুলোর জবাব দিন। পরে বাকীগুলো করব।
আশা করি মূল আলোচনা রেখে আবোল তাবোল আলোচনা শুরু করবেন না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৪
শুধু মুসলিম বলেছেন: খোকামনি, তোমার সবগুলোর উত্তর আমি দিব আর তুমি বসে বসে আঙ্গুল চুসবে তা তো হবে না। তোমার মতো লক্ষী সোনাদের মতলব আমি জানি। তুমি মাজহাবী কি জিনিস সেটাই বুঝনা আবার ব্লগীং কর। তুমি আগে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে নাও।
১) মাজহাবের অর্থ কি?
২) মাজহাব কয়টি?
৩) আপনি মাজহাবকে কি অর্থে ব্যবহার করেন?
৪) যদি "মতামত" অর্থে হয় তো মাজহাব কয় টা? ৪টি নাকি অসংখ্য?
বাবু তুমি যেয়ে বাচ্চাদের সাথে খেলাধুলা কর।
১৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৫
আবদুস সবুর খান বলেছেন: শুধু মুসলিম,
আপনার জ্ঞানের প্রকৃত পরিচয় এখন পাঠকদের সামনে প্রকাশিত। আপনার পূর্বের এবং বর্তমান আলোচনার দ্বারা আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা শুধু আমার নয় আশা করি পাঠককূলও অনুধাবন করতে পারবেন।
শেষ প্রশ্ন ...
তা কাকু বলবেন কি আপনার আসল নিক কোনটি ???
শুভ জািহদ
নাকি
Abdullah Arif Muslim
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৭
শুধু মুসলিম বলেছেন: বাবু, দুজন ব্যক্তির আক্বিদা এক হলেই কি উভয় মিলে একজন হয়ে যায়?
শুভ জাহিদ চা খায়, আমিও চা খাই। এতে কি আমরা দুজন এক হয়ে গেলাম?
তোমার বয়স তো ১৫র নীচে মনে হইতেছে।
Abdullah Arif Muslim এর জ্ঞানের ১টা ছোট্ট অংশও তো আমি না। আর শুভ জাহিদ মাশআল্লাহ। সেলিম জাহাঙ্গীরের সাথে তার বাহাসটা দেইখেন। ফাটায়া ফালাইছে। আল্লাহ তাকে আরও জ্ঞান দান করুন। কিন্তু তোমাদের কি হবে সেটাই ভেবে পাচ্ছি না।
আমি বলছি আলেমদের ফাতওয়া """দলিল"" হিসেবে গ্রহণ করা হবে না।
বাবু তুমি দলিল বুঝ?
আমি জানি আলোচনা শুরুর একটু পরেই তুমি বলবা যে
ইমাম যাহাবী বলেচেন মাজহাব হক্ব >> অমুক হুজুর বলেছেন মাজহাব হক >>গোলাপশাহ মাজারের খাদেম বলেছেন ৪ মাজহাব হক>> আমাদের বড় বড় বুজুর্গ বলেছেন মাজহাব হক >? তাবলীগের মুরুব্বী বলেছেন মাজহাব হক>> ।
তাই ফাস্টেই তোমারে আটকাইয়া দিছি যে কোন আলেমের বক্তব্য ""দলিল"" হিসেবে দিতে পারবা না।
তুমি দলিল শব্দটাই বুঝ নাই। এমনে বিজ্ঞ আলেমগণ হাদিস যাচাই বাছাই করেছেন। অনেকে অনেক মন্তব্য দিয়েছেন। অনেক ইমাম ইজতিহাদ করেছেন এবং সত্য তুলে ধরেছেন। এগুলো এক জিনিস আর দলিল হিসেবে তাদের উপস্থাপন ভিন্ন জিনিস। এগুলো তোমার মাথায় ধরবে না।
যেমন কেউ যদি বলে ইমাম মালেক ১টি হাদিসকে তাহক্বীক করেছেন এবং হাদিসটি যঈফ হিসেবে তুলে ধরেছেন যথাযথ যইফ হওয়ার কারণ সহকারে। এক্ষেত্রে তার হাদিস সম্পর্কিত বক্তব্যটি যথাযথ কারণ থাকার জন্য গ্রহণ করা যাবে। এখানে ইমাম মালেককে দলিল হিসেবে তুলে ধরা হয় নি।
অনেক হানাফীকে জিজ্ঞেস করি মাজহাব কেন কর? উত্তর দেয় মোল্লা আলী কারি হানাফী ছিলেন তাই আমিও হানাফী। অমুক হুজুর এই মাজহাব করতেন, তমুক হুজুর এই মাজহাব করতেন ইত্যাদি।
আলেমদের ফাতওয়া এবং দলিল হিসেবে ফাতওয়া উপস্থাপন করা ভিন্ন জিনিস।
তোমাকে এই জ্ঞানগুলা দিলাম। জানি না তোমার ছোট্ট মাথায় ধরবে কি না? আর বড় হও। তখন বুঝতে পারবা।
১৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৬
আবদুস সবুর খান বলেছেন: শুধু মুসলিম,
আপনার জ্ঞানের প্রকৃত পরিচয় এখন পাঠকদের সামনে প্রকাশিত। আপনার পূর্বের এবং বর্তমান আলোচনার দ্বারা আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা শুধু আমার নয় আশা করি পাঠককূলও অনুধাবন করতে পারবেন।
শেষ প্রশ্ন ...
তা কাকু বলবেন কি আপনার আসল নিক কোনটি ???
শুভ জািহদ
নাকি
Abdullah Arif Muslim
নাকি তিনটাই একই ব্যাক্তির নিক ?
১৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২০
আবদুস সবুর খান বলেছেন: কাকু গলাবাজি তো অনেক করলেন কিন্তু প্রশ্নগুলো জবাব ঠিকই এড়িয়ে গেলেন !!!
কাকু আলোচনার আমন্ত্রন জানাইলেন আপনি
তারপর আপনার পোষ্ট ও মন্তব্য থেকেই প্রশ্ন করেছি ...
তাতেই হ-য-ব-র-ল অবস্থা ...
কাকুর গলাবাজি জিন্দাবাদ . . .
কাকু বললা,
তাই ফাস্টেই তোমারে আটকাইয়া দিছি যে কোন আলেমের বক্তব্য ""দলিল"" হিসেবে দিতে পারবা না।
তা কাকু যে নিজেই আইটকা গেছ তা কি বুঝতে আর পাঠকদের বাকি আছে . . .
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩১
শুধু মুসলিম বলেছেন: বাবু তুমি তো আমার একটা উত্তরও দিলা না। যতগুলা প্রশ্ন করছ তার সবগুলা তো আমার লেখারই কপি পেস্ট। তুমি আমার লেখার কপি পেষ্ট মারতেছ, আমি যা বলি সেটা আবার আমাকে বল। আসলে তোমার মধ্যে প্রতিভা আছে। নিজের প্রতিভাকে বিকশিত করার চেষ্টা কর। নিজে থেকে কিছু বানানির চেষ্টা কর। কি আর করবা তোমার বাপদাদারা তো আবু হানিফার পুজারী। সারা জীবন খালি হুজুরদের পুজা কইরা গেছ।
তোমরা হানাফীরা হুজুর এর বক্তব্য দিয়া কোরআন হাদিস বুঝছ। কিন্তু কোরআন ও হাদিস দিয়াই হুজুরদের বুঝা উচিত ছিল।
আমন্ত্রণ জানাইলাম যে তুমিই ব্লগে হানাফীদের প্রতিনিধিত্ব করতেছ দেইখা। কিন্তু তোমার জ্ঞানের যে অবস্থা তাতে তো হানাফীরা হতাশ। বাপদাদাদের পুজা ছাইড়া কোরআন হাদিস শিখ। তোমারে আমন্ত্রণ জানাইলাম কথা কইবা বইলা। একটা প্রশ্নেরও তো উত্তর দিতে পারলা না। উল্টা পরীক্ষা ছিল বাংলা, তুমি ইংলিশ নিয়া ফালাফালি শুরু কইরা দিলা। আসলেই হানাফীরা হতাশ।
সামান্য মাজহাব অর্থও জান না। আবার ব্লগে ফাল পাড়। তোমাদের হানাফী বাপদাদারা আমার করা ৪ নং কমেন্টের উত্তর জীবনেও দিতে পারব না। তোমাদের মুফতী জুবায়ের সহ কোন পীরই দিতে পারে নাই। আর তুমি তো কালকের পোলা।
১৭|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১০
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আলু পটলের সাথে আলাপ কইরা ফাউ টাইম পাস করার পর্যাপ্ত সময় হাতে নাই ...
যে কিনা আলোচনার আমন্ত্রন জানাইয়া আবার একটাও প্রশ্নের জবাব দিতে পারে না সে আবার আসছে জ্ঞান দিতে . . .
বিনোদন আর বিনোদন . . .
১৮|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩০
আবদুস সবুর খান বলেছেন: কাকু তোমাকে করা একটা প্রশ্নেরও কোন জবাব দিতে পারলা না। এখন তোমার প্রশ্নের জবাবগুলো বুঝে নাও . . .
১) মাজহাবের অর্থ কি?
=>
মাজহাব মানে মতামত, বিশ্বাস, ধর্ম, আদর্শ, পন্থা, মতবাদ, উৎস।
মিসবাহুল লুগাত (থানবী লাইব্রেরী-২৬২ পৃষ্ঠা)
=====================================
বি.দ্র: এখানে আরো একটি প্রশ্ন ক্লিয়ার হওয়া প্রয়োজন মাযহাব কাকে বলে ?
=>
প্রথমে একটি হাদীস দেখি,
عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- « إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ فَأَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ فَأَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ
হযরত আমর বিন আস রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-“যখন কোন বিশেষজ্ঞ হুকুম দেয়, আর তাতে সে ইজতিহাদ করে তারপর সেটা সঠিক হয়, তাহলে তার জন্য রয়েছে দু’টি সওয়াব। আর যদি ইজতিহাদ করে ভুল করে তাহলে তার জন্য রয়েছে একটি সওয়াব।
{সহীহ বুখারী, হাদিস নং-৬৯১৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৩৫৭৬, সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৪৫৮৪}
মুজতাহিদ হল কুরআন সুন্নাহ, সাহাবাদের ফাতওয়া, কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঐক্যমত্বে এবং যুক্তির নিরিখে কুরআন সুন্নাহ থেকে মাসআলা বেরকারী গবেষক দলের নাম। যারা নিষ্ঠার সাথে বিভিন্ন মূলনীতি নির্ধারণ করে কুরআন সুন্নাহর বাহ্যিক বিপরীতমুখী মাসআলার মাঝে সামাঞ্জস্যতা এনেছেন। কুরআন সুন্নাহর একাধিক অর্থবোধক শব্দের নির্ধারিত পালনীয় অর্থকে নির্ধারিত করে দিয়েছেন। নতুন উদ্ভূত মাসআলার শরয়ী মূলনীতির আলোকে সমাধান বরে করেছেন। সেই সাথে নতুন নতুন মাসআলার কোন মূলনীতির আলোকে হুকুম আরোপিত হবে যার বিধান সরাসরি কুরআন সুন্নাহে বর্ণিত নেই, সেই মূলনীতিও নির্ধারিত করেছেন। মূলত সেই গবেষক দলের নাম হল মুজতাহিদ। আর তাদের উদ্ভাবিত মূলনীতির আলোকে বের হওয়া মাসআলার নাম মাযহাব।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪০
শুধু মুসলিম বলেছেন: ২৭ নং এ ডিটেইলস্ উত্তর দিছি।
"মূলনীতির আলোকে বের হওয়া মাসআলার নাম মাযহাব।"
বর্তমানে টেস্টটিউব বেবী গ্রহণ জায়েজ কিনা তা ইজতিহাদ করে বের করা হয়েছে। এখন যে ইজতিহাদ করছে তার নামে কি একটা মাজহাব চালু করে ফেলব?
সাহাবারাও তো বিভিন্ন মাসআলা তুলে ধরেছেন যেমন আবু বকর রাঃ এর আমলে যারা যাকাত অস্বীকার করেছিল তাদের বিরুদ্ধে আবু বকর রাঃ এর মাসআলা ছিল যে যুদ্ধ হবে। তাহলে আবু বকর রাঃ এর নামে কেন মাজহাব চালু হল না? রাসুল সাঃ এর পরে অসংখ্য নতুন নতুন মাসআলা বের হয়েছে সাহাবাদের আমলে। তারা কেউই তো নিজেদের নামে মাজহাব বানান নি? তাহলে এখন কেন বানানি হল?
১৯|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩২
আবদুস সবুর খান বলেছেন: ২) মাজহাব কয়টি?
=> উপরোক্ত সংজ্ঞা থেকে বুঝা যায় যে, কুরআন সুন্নাহ, সাহাবাদের ফাতওয়া, কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঐক্যমত্বে এবং যুক্তির নিরিখে কুরআন সুন্নাহ থেকে মাসআলা বেরকারী গবেষকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। তদ্রুপ মাযহাবও কম নয়।
কিন্তু পরবর্তীতে চার মাযহাবের উসূল অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে মাসয়ালা বের করার মূলনীতিগুলো সংরক্ষিত না থাকার কারনে বাকীগুলো বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং এই চার মাযহাব অনুসরনের ব্যাপারে উম্মতের ইজমা হয়ে গেছে।
প্রথমে একটি কুরআনের আয়াত দেখি . . .
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা “উলুল আমর” তাদের। (সুরা নিসা : ৫৯)
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে এটা বর্ণিত আছে, (তাফসিরে-ই-ইবনে জারীর ও তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুয়াইন) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (উলুল আমর) দ্বারা বোধশক্তি সম্পন্ন ও ধার্মিক ব্যক্তিদেরকে বুঝানূ হয়েছে। অর্থাৎ আলেমগন। বাহ্যিক কথা তো এটাই মনে হচ্ছে, তবে প্রকৃত জ্ঞান আল্লাহ পাকেরই র্য়েছে।এ শব্দতি সাধারন, এর ভাবার্থ "আমির" ও "আলেম" উভয়ই হতে পারে, যেমন পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। [তাফসির ইবনে কাসির]
এবং একটি হাদীস দেখি . . .
“ নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার উম্মতকে কোন ধরণের ভ্রষ্টতায় ‘ইজমা’ বা ঐক্যবদ্ধ করবেন না। আল্লাহর কুদরতী হাত মুসলমানদের জামাআতের উপর। যারা মুসলমানদের পথের বিপরীত রাস্তা গ্রহণ করবে তারা বিচিত্রভাবে দোযখে যাবে। ”
( তিরমিযীঃ পৃ – ৪/৪০৫, হাঃ ২১৬৭; মুস্তাদরাকে হাকিমঃ পৃ – ১/১১৬, হাঃ ৩৯৭
বুখারী ও মুসলিম শরীফসহ অসংখ্য হাদীসগ্রন্থে হযরত আব্বাস (রঃ) সহ ১৭ জন সাহাবী (রঃ) থেকে সমার্থবোধক শব্দে বর্ণিত।)
এবার উম্মতের এজমা হওয়ার ব্যাপারে কিছু মুসলিম মনিষীর উক্তি দেখি . . .
{তখন ওহী নাজিল বন্ধ ছিল। তবুও তখনকার সময়ের বিষয়ে কুরআনের আয়াত দেখতে চাইলে আপনার কিছুই করার নাই
তখন হুজুর স. দুনিয়াতে ছিলেন না। তাই হাদীস চাইলে কিছুই করার নাই
তখন কোন সাহাবা দুনিয়াতে ছিলেন না। তাই ওনাদের আমল চাইলে কিছুই করার নাই}
ইমাম নববী (রহঃ) (মৃঃ ৬৭৬ হিঃ) ‘রাওযাতুত তালেবীন’ নামক গ্রন্থে লিখেনঃ
“উলামাগণ বলেন, ইজতিহাদে মুতলাক ইমাম চতুষ্টয় পর্যন্ত খতম হয়ে গেছে। তাই তাঁরা ইমাম চতুষ্টয়ের কোন একজনের ‘তাক্বলীদ’ মুসলিম উম্মাহর জন্য ওয়াজিব সাব্যস্ত করে দিয়েছেন। ইমামুল হারামাইন জুয়াইনী (মক্কা-মদীনা শরীফের ইমাম সাহেব – রহঃ, মৃঃ ৪৭৮ হিঃ) মায্হাব চতুষ্টয়ের তাক্বলীদ ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে ‘ইজ্মা’ উল্লেখ করেছেন। ”
( নুরুল হিদায়া হতে সংকলিত, পৃ – ১০; দেখুনঃ ফয়যুল কাদীরঃ পৃ – ১/২১০; শরহুল মুহায্যাব, নববীঃ পৃ – ১/৯১, আদাবুল মুস্তাফতী অধ্যায় )
..................................................................
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহঃ) (মৃঃ ৭২৮ হিঃ) লিখেছেনঃ
“ মুসলিম উম্মাহর ‘ইজ্মা’ উপেক্ষা করে মায্হাব চতুষ্টয়ের বিপরীতে কোন মায্হাব রচনা বা গ্রহণ বৈধ হবে না। ”
( ফাত্ওয়া-ইবনে তাইমিয়্যাঃ পৃ – ২/৪৪৬ )
............................................................................
আল্লামা ইমাম ইবনে হাজার মক্কী (রহঃ) (মৃঃ ৯৭৩ হিঃ) তাঁর স্বীয় প্রসিদ্ধ কিতাব ‘ফাত্হুল মুবীন’ এ লিখেনঃ
“ আমাদের যুগের বিশেষজ্ঞদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবু হানীফা, শাফেয়ী, মালেক ও আহমদ বিন হাম্বল – এ চার ইমাম ব্যতীত অন্য কারও তাক্বলীদ (অনুসরণ) জায়িয নয়। ”
( ফাত্হুল মুবীনঃ পৃ – ১৯৬ )
........................................................................................
মুহাম্মদ ইব্নে আব্দুল ওহ্হাব নজদী (রহঃ) এর মায্হাবঃ
লা-মায্হাবীরা দাবী করে থাকে যে, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওহহাব নজদীও লা-মায্হাবী ছিলেন। কিন্তু তিনি একজন হাম্বলী মায্হাবের অনুসারী ছিলেন এবং তিনি নিজেই স্বীয় মায্হাব সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে বলেছেন।
-দেখুনঃ আল-হাদিয়াতুস্ সুন্নাহঃ পৃ – ৯৯
সাথে সাথে চার মায্হাবের যে কোন একটির ত্বাকলীদ করা যাবে এবং এই চার মায্হাব ছাড়া অন্য কোন মায্হাবের অনুসরণ করা যাবে না বলেও তিনি মত প্রকাশ করেছেন।
-তারীখু নাজদ-আলূসীঃ পৃ – ৫৪-৫৬; ছিয়ানাতুল্ ইনসানঃ পৃ – ৪৭১১
.......................................................................
শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ দেহলভী (রহঃ) (মৃঃ ১১৭৬ হিঃ), লা-মায্হাবীদের কাছেও যিনি গ্রহণযোগ্য, তাঁর সুপ্রসিদ্ধ কিতাব হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগায় লিখেনঃ
“ সু-বিন্যস্ত গ্রন্থবদ্ধ এ চার মায্হাবের উপর সকল ইমামগণের ‘ইজ্মা’ তথা ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ”
(হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগাঃ পৃ – ১/১২৩ )
........................................................................
৩) আপনি মাজহাবকে কি অর্থে ব্যবহার করেন?
=> 18 নং কমেন্ট দেখুন।
===================================
৪) যদি "মতামত" অর্থে হয় তো মাজহাব কয় টা? ৪টি নাকি অসংখ্য?
=> 18 নং কমেন্ট দেখুন।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩০
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনাকে বলছিলাম আলেমদের বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে না। কিন্তু তারপরেও প্রসব করে দিয়েছেন। কারণ এটা ছাড়া আপনাদের কোন দলিল নাই। কোন "দলিল" না পাইলে নিরব থাকেন। আলেমপুজা করেন তা ব্লগে জানানোর তো কোন দরকার নাই।
শর্তাবলীঃ
২। কোন আলেমের বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে না।
আপনি দলিল হিসেবে নিয়া আসলেন-
-----------------------------------------------------------------
ইমাম নববী (রহঃ) (মৃঃ ৬৭৬ হিঃ) ‘রাওযাতুত তালেবীন’
নুরুল হিদায়া হতে সংকলিত, ফয়যুল কাদীর; শরহুল মুহায্যাব, নববীঃ , আদাবুল মুস্তাফতী অধ্যায়, শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহঃ), ফাত্হুল মুবীন।
-----------------------------------------------------------------
এই পৃথিবীতে আপনাদের মাজহাবীদের পক্ষে কোন দলিল নাই। ইহুদীরা আলেমদের পুজা করত। একই ভাবে আপনারা মাজহাবীরাও করেন। এটাই তার প্রমাণ।
উপরোক্ত বইগুলোর একটাও ইসলামের দলিল না। ইসলামের দলিল হলো কোরআন, সহীহ হাদিস, সাহাবাদের আমল। রাসূল সাঃ ও সাহাবাদের আক্বিদার পর থাকলেই ৭৩ কাতার এর মধ্যের জান্নাতি ১ কাতারে থাকতে পারবেন।
আমরা আপনাকে ডাকছি রাসূল সাঃ ও সাহাবাদের আমলের উপর। আর আপনি আমাদের ডাকছেন আলেমদের মতামতের উপর।
২০|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৩
আবদুস সবুর খান বলেছেন: যদি নুন্যমত লজ্জা নামক বস্তুটি থাকে তবে পরবর্তীতে আমার পূর্বে করা প্রশ্নগুলোর জবাব দিয়ে পরবর্তী প্রশ্ন বা কমেন্ট করবেন আশা করি।
আর আপনি যদি নিজেকে নিলজ্জ বলে সকলের কাছে পরিচিত করতে চান সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার . . .
২১|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৭
আবদুস সবুর খান বলেছেন: => উপরোক্ত সংজ্ঞা থেকে বুঝা যায় যে, কুরআন সুন্নাহ, সাহাবাদের ফাতওয়া, কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঐক্যমত্বে এবং যুক্তির নিরিখে কুরআন সুন্নাহ থেকে মাসআলা বেরকারী গবেষকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। তদ্রুপ মাযহাবও কম নয়।
হবে-
=> উপরোক্ত সংজ্ঞা থেকে বুঝা যায় যে, কুরআন সুন্নাহ, সাহাবাদের ফাতওয়া, কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঐক্যমত্বে এবং যুক্তির নিরিখে কুরআন সুন্নাহ থেকে মাসআলা বেরকারী গবেষকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। যার কারনে মাযহাবের সংখ্যাও কম নয়।
========================================
কিন্তু পরবর্তীতে চার মাযহাবের উসূল অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে মাসয়ালা বের করার মূলনীতিগুলো সংরক্ষিত না থাকার কারনে বাকীগুলো বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং এই চার মাযহাব অনুসরনের ব্যাপারে উম্মতের ইজমা হয়ে গেছে
হবে-
কিন্তু পরবর্তীতে চার মাযহাবের উসূল অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে মাসয়ালা বের করার মূলনীতিগুলো বাদে বাকী মাযহাবগুলোর উসূল সংরক্ষিত না থাকার কারনে বাকীগুলো বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং এই চার মাযহাব অনুসরনের ব্যাপারে উম্মতের ইজমা হয়ে গেছে।
===========================================
২২|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৮
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনার প্রথম প্রশ্নঃ আপনি সহীহ হাদিসের সংগার দলিল চেয়েছিলেন যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে। কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি এবং সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর। তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন এবং তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না এমন হাদিসকে "সহীহ হাদিস" বা "সহীহ লি যাতিহী হাদিস" বলা হয়।
উপরোক্ত হাদিদের সংগাটি সঠিক কি না তার দলিল আসার পূর্বে দেখতে হবে উপরোক্ত সংগাতে কি কি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
১) যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে।
২) কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি
৩) সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর।
৪) তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন
৫) তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না।
এই সহীহ হাদিসের সংগাটি গ্রহন করা হইছে কোরআনে সূরা হুজরাতের ১২ নং আয়াত থেকে।
....তোমরা ধারণা থেকে দূরে থাক।-সূরা হুজরাত-১২
হাদিসের সনদে বিচ্ছিনতা থাকলে হাদিসটি সন্দেহযুক্ত হয়, রাবী বাদ পড়লে হাদিসটি সন্দেহ যুক্ত হয়, রাবী অবিশ্বস্ত হলে হাদিস সন্দেহযুক্ত হয়। মোটকথা হাদিস সহীহ হতে হলে কোরআনের উপরোক্ত আয়াত অনুযায়ী হাদিসটি সন্দেহমুক্ত হতে হবে।
অতএব, এই সহিহ হাদিস সংক্রান্ত এই সংগাটি কোরআন থেকেই নেওয়া হইছে। আপনাদের মতো কোন আলেমের মুখের থেকে দলিল ছাড়া গ্রহণ করা হয় নাই।
বিঃদ্রঃ আপনাকে জিজ্ঞেস করছিলাম "আপনি হাদিস গ্রহণ বর্জনের মূলনীতি জানেন কি না?
উত্তর দেন নাই।
=============================================
আপনার ২য় প্রশ্নঃ আমাকে বলেছিলেন, আপনার কাছে গ্রহনযোগ্য হাদীসগ্রন্থ কোনগুলো এবং গ্রহনযোগ্য আলেম কারা ???
আমি উত্তর দিয়েছি,
রাসুল সাঃ ও সাহাবা ব্যতিত আলেমদের ফাতওয়া বা আমল দলিল হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। অতএব গ্রহণযোগ্য আলেম কারা এই প্রশ্ন করাও অমূলক। যদি গ্রহণযোগ্য আলেম বলি বিন বাজ, উসাইমিনকে তখন বললেন তারা ওহাবী, যদি বলি দেওবন্দের মাহমুদুল হাসান সাহেব, নুরুল ইসলাম ওলীপুরী তখন বললেন এরা হানাফী, যদি বলি দেওয়ানবাগী, কুতুববাগী তখন বলবেন এরা তো ভ্রান্ত। মূলত এই প্রশ্নটাই অমুলক ও অপ্রাসঙ্গিক।
প্রথমত আপনি আমাকে বলেন, মাজহাব কয় টা? মাজহাব অর্থ কি?
বিঃদ্রঃ এখানেও আমার করা শেষের ২টা প্রশ্নের উত্তর দেন নাই।
=============================================
আপনার ৩য় বক্তব্যঃ আপনি বলেছিলেন, সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা বা বিশেষন পরবর্তীতে আলেমরা বের করেছেন অর্থাৎ তা আলেমদের ফতোয়া যা কিনা আপনি আপনার শর্তাবলী প্রথমেই নিষিদ্ধ করেছেন !!!
=> সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা কথা। আমি সহীহ হাদিসের সংগার দলিল দিতে গিয়ে নিয়ে এসেছি সূরা হুজরাতের ১২ নং আয়াত। কিন্তু আপনি আলেমদেরই দলিল হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যেমন অমুক আলেম ওই মাজহাবের ছিলেন, তমুক আলেম ওই মাজহাবের ছিলেন। এখানে অমুক আলেম তমুক আলেম বলে তাদের দলিল হিসেবে চালাচ্ছেন যা আমি প্রথমেই মুলনীতিতে বাতিল করেছি
২। কোন আলেমের বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে না।
আলেম তার ফাতওয়াতে যেই দলিল উল্লেখ করেছেন সেটা দলিল হিসেবে আসবে কিন্তু তিনি কোন মাজহাবের ছিলেন সেটা দলিল না। আমি বার বার উল্লেখ করেছি যে "দলিল" হিসেবে আসবে না। "দলিল" বুঝার ক্ষমতা যে আপনার ছিল না তা আবারও প্রমাণ করছেন এবং অনেক হুজুর আলেমদের নাম দলিল হিসেবে তুলে ধরেছেন বেক্কেলের মতো।
=============================================
আপনি ৪র্থ প্রশ্ন করলেনঃ আপনি মাজহাবী বলতে কাদের বুঝাচ্ছেন (কোন ব্যক্তিবর্গ) ???
=> মাজহাবী বলতে সেই সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে বুঝাচ্ছি যারা নিজেদের হানাফী, শাফেয়ী, হাম্বলী, মালেকী, আহলে হাদিস বলে পরিচয় দেয়। যারা ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম আহমাদ, ইমাম মালেক দের যারা পুজা করে সেই সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে বুঝাচ্ছি। বর্তমানে আহলে হাদিসও একটা মাজহাব। তাই তারাও এই মাজহাবী সংগার বাহিরে যাবে না।
২৩|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২১
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনি আরো প্রশ্ন করলেন
ইমামদের বিভিন্ন মতামত কি আল্লাহ ও তার রাসূল সা. থেকে মিল ব্যতীত অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহর খিয়ানত করে দেয়া হয়েছে ??? যদি দেয়া হয়ে থাকে তবে উনারা কিভাবে ওনাদের সহীহ ইমাম হিসেবে মেনে নিলেন ???
=> এগুলো হলো ফাও প্যাচাল। অপ্রাসঙ্গিক। উত্তর দেওয়ার কোন প্রয়োজন নাই। তারপরও উত্তর দিচ্ছি।
আপনি বললেন পূর্ববর্তী ইমামরা কি আল্লাহ ও তার রাসূল সা. থেকে মিল ব্যতীত মতামত দিয়েছেন। না সকলেই মিল রেখে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কারো কারো ইজতিহাদ ভূল ছিল, কারো টা শুদ্ধ। আবু হানিফার ইজতিহাদ যেমন কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভূল তেমনি শাফেয়ীর ইজতিহাদও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভূল।
উনার কিভাবে উনাদের ইমাম নিযুক্ত করলেন? এটাও একটা ফালতু প্রশ্ন। উনারা কেমনে কি করলেন সেটার দায়িত্ব কি আপনাকে দেওয়া হইছে। আপনারা পূববর্তী আলেমদের রব মানেন বলেই আপনাদের কোন রব কি করছে সেটা নিয়ে লাফালাফি করেন। এজন্যই ""আলেমদের আমল"" দলিলের বাহিরে রেখিছি। কিন্তু তারপরও আপনি অমুক ইমাম তমুক মাজহাবে ছিলেন, তমুক ইমাম অমুক মাজহাবে ছিলেন বলে মাজহাবকে জায়েজ বানানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।
২৪|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৩৭
শুধু মুসলিম বলেছেন: ৪ নং কমেন্টে বলেছিলাম-
মাজহাবীরা বলে থাকে মাজহাব মানে "মতামত"। এটা তাদের একটা ধোকাবাজী। মাজহাব শব্দের আভিধানিক অর্থ মতামত। কিন্তু মাজহাবীরা কখনোই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। কারণ তারা যদি মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করত, তবে কখনোই বলত না যে মাজহাব বা মতামত ৪ টা। পূর্ববতী ইমাম কি চারজন? অসংখ্য ইমাম রয়েছেন।
যেমন ঃ-
১। ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ,
২। ইমাম আবু হানিফা,
৩। ইমাম শাফেয়ী,
৪। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল,
৫। ইমাম জুহুরী,
৬। ইমাম ইবনুল কাইয়ুম,
৭। ইমাম শওকানী,
৮। ইমাম আওযায়ী,
৯। ইমাম আবু দাউদ,
১০। ইমাম নাসাই,
১১। ইমাম ইবনে কাসির,
১২। ইমাম ইবনে জারীর,
১৩। ইমাম শওকানী
১৪। ইমাম আয যাহাবী
১৫। ইমাম মালেক প্রমুখ।
আল্লাহ তাদের সবাইকে শান্তিতে রাখুন।
=>>>> মাজহাবীরা মাজহাব শব্দের অর্থ যদি "মতামত" গ্রহণ করত তবে কখনোই বলত না যে মাজহাব ৪ টা। বরং তারা বলত অসংখ্য মাজহাব/মতামত আছে। কারণ উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ প্রত্যেকেই ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়ে গেছেন।
কারো মতামত মানা আর তার নামে মাজহাব বানানো এক বিষয় না। আমরা সবাইর মতামত মানি। যার মতামত আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর সাথে মিলে তার মতামত আমরা মানি।
মূলত মাজহাবী আলেমরা ও মাজহাবী আলেমদের পুজারী কিছু ব্যক্তি "মুসলিম" দের ধোকা দেওয়ার জন্যই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করেছে। তারা কখনোই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। মাজহাবের আরেকটি অর্থ "দল"। তারা মাজহাবকে "দল" অর্থে ব্যবহার করে যে ইসলামে ৪টি দল আছে। যেকোন একটাতে যাওয়া ওয়াজিব, কেউ বলে নফল, কেউ বলে মুস্তাহাব।
আপনার নিকট প্রশ্ন করেছিলাম-
১) মাজহাবের অর্থ কি?
২) মাজহাব কয়টি?
৩) আপনি মাজহাবকে কি অর্থে ব্যবহার করেন?
৪) যদি "মতামত" অর্থে হয় তো মাজহাব কয় টা? ৪টি নাকি অসংখ্য?
এবার আপনি উত্তর দিয়েছেন
১) মাজহাব মানে মতামত, বিশ্বাস, ধর্ম, আদর্শ, পন্থা, মতবাদ, উৎস।
মিসবাহুল লুগাত (থানবী লাইব্রেরী-২৬২ পৃষ্ঠা)
আমি উপরে প্রমাণ করেছি মাজহাবীরা মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। তারা মুসলিমদের ধোকা দেওয়ার জন্যই মাজহাব এর অর্থ জিজ্ঞেস করলে বলে মতামত। তারা মাজহাব এর অর্থ মতামত বলে অন্য সকল ইমামের মাজহাব তথা মতামতকে বাতিল করে ফেলেছে।
এই মাজহাবীরা মাজহাবকে ধর্ম অর্থে ব্যবহার করে। তারা ধর্ম ইসলামকে ৪ টা ভাবে ভাগ করছে হানাফী ধর্ম, শাফেয়ী ধর্ম, হাম্বলী ধর্ম, মালেকী ধর্ম। দ্বীনকে টুকরো টুকরো করেছে এই মাজহাবীরা ।
২৫|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৮
শুধু মুসলিম বলেছেন: আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল-
২) মাজহাব কয়টি?
আপনি উত্তর দিছেন-=> কুরআন সুন্নাহ, সাহাবাদের ফাতওয়া, কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঐক্যমত্বে এবং যুক্তির নিরিখে কুরআন সুন্নাহ থেকে মাসআলা বেরকারী গবেষকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। তদ্রুপ মাযহাবও কম নয়।
এখানে আপনি আমার সাথে একমত হইছেন যে অসংখ্য মাজহাব তথা মতামত রয়েছে। কিন্তু তারপরে লাগাইলেন প্যাচ।
আপনার নিচের কমেন্টটি দেখুন-
==.>>কিন্তু পরবর্তীতে চার মাযহাবের উসূল অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে মাসয়ালা বের করার মূলনীতিগুলো সংরক্ষিত না থাকার কারনে বাকীগুলো বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং এই চার মাযহাব অনুসরনের ব্যাপারে উম্মতের ইজমা হয়ে গেছে।
আমি অনেক ইমামের নাম উল্লেখ করেছি। তাদের সবার লেখা বইগুলো এখনও বিদ্যমান। সেই বইগুলোতে বিভিন্ন ইসলামিক বিষয়ে তাদের মাজহাব/মতামত রয়েছে। আপনি পূববর্তী ইমামদের মাজহাব/মতামত বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলে পূর্ববতী ইমামদের সকল বইকে বাতিল করে দিলেন এবং তাদের উপর মিথ্যারোপ করলেন। আপনে ৪ মাজহাব পাইলেন কই। মাজহাব তো অসংখ্য আমিও বললাম, আপনিও বললেন। আবার টান দিয়া "৪ মাজহাবের উসুল" এ ঢুকলেন।
এটাই হলো হানাফী মাজহাবীদের আসল চেহারা। তারা মাজহাবকে ধর্ম অর্থে ব্যবহার করে। তাদের মতে ইসলামে ৪ টা মাজহাব/ধর্ম আছে। যেকোন একটায় যাওয়া ওয়াজিব।
আবার একটা ফালতু কথা বললেন যে, ইজমা হয়ে গেছে? বলেন ইজমা কবে হইছে? কারা কারা ছিল এই ইজমায়? কবে হইছে তারিখ বলেন?
আলেমপুজা বাদ দিয়া আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর দিকে ফিরে আসেন। মুসলিমদের ভাগ করা বন্ধ করেন।
২৬|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৮
শুধু মুসলিম বলেছেন: সবশেষে বুদ্ধিমানের মতো কিছু দলিল দিলেন যা দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যা। একটি কোরআনের আয়াত দিলেন।
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা “উলুল আমর” তাদের। (সুরা নিসা : ৫৯)
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে এটা বর্ণিত আছে, (তাফসিরে-ই-ইবনে জারীর ও তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুয়াইন) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (উলুল আমর) দ্বারা বোধশক্তি সম্পন্ন ও ধার্মিক ব্যক্তিদেরকে বুঝানূ হয়েছে। অর্থাৎ আলেমগন। বাহ্যিক কথা তো এটাই মনে হচ্ছে, তবে প্রকৃত জ্ঞান আল্লাহ পাকেরই র্য়েছে।এ শব্দতি সাধারন, এর ভাবার্থ "আমির" ও "আলেম" উভয়ই হতে পারে, যেমন পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। [তাফসির ইবনে কাসির]
=> কোন আলেমের মতামত মানা আর তার নামে মাজহাব বানানো কি এক জিনিস? কারো মতামত মানাতেই যদি মাজহাব তৈরী হয় তো রাসূল সাঃ এর সাহাবাদের নামে কেন মাজহাব তৈরী হলো না। মাজহাবে আলী, মাজহাবে মুয়াবিয়া ইত্যাদি নামে কেন মাজহাব তৈরী হল না। মূলত এগুলো মাজহাবীদের ফাইজলামী। আপনি আয়াতের অর্ধেক দিয়া মাজহাব প্রমাণের চেষ্টা চালাইছেন। এই আয়াত যদি নামে নামে মাজহাব তৈরী করতে বলে তবে সাহাবারা নিজেদের নামে মাজহাব না তৈরী করে কি গুনাহের কাজ করেছেন? (নাউজুবিল্লাহ)। রাসুল সাঃ এর সাহাবারা যারা জান্নাতের গ্যারান্টি প্রাপ্ত তাদের নামে মাজহাব হলো না, আর যাদের কোন জান্নাতের গ্যারান্টিই নাই তাদের নামে মাজহাব তৈরী হয়ে গেল। রাসূল সাঃ এর সাহাবারা কোরআনে মাজহাবের দলিল পেলেন না, আর মাজহাবের মুরিদরা মাজহাবের দলিল পেয়ে গেছে।
আর উপরোক্ত আয়াতটি যদি পুরোটা দেখি তো সেখানে দেখবো -
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে মতবিরোধে লিপ্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।
এই আয়াতে আল্লাহ বলছেন মতবিরোধ থাকবে না। আজ মাজহাবীদের মধ্যে অসংখ্য মতবিরোধ রয়েছে। এই আয়াতটি মতবিরোধ বাদ দিয়ে কোরআন ও সহীহ হাদিসের দিকেই আসতে বলা হইছে।
এই আয়াতটি দিয়ে কোনভাবেই মাজহাব প্রমাণিত হয় না বরং নামে নামে মাজহাব তৈরী না করতেই বলা হইছে।
২৭|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৩
শুধু মুসলিম বলেছেন: ২য় একটি দলিল দেওয়ার চেষ্টা করলেন ১৮ নং কমেন্টে। মাজহাবকে জায়েজ করতে এটি আপনার ২য় দলিল।
------------------------------------------------------------------
বি.দ্র: এখানে আরো একটি প্রশ্ন ক্লিয়ার হওয়া প্রয়োজন মাযহাব কাকে বলে ?
প্রথমে একটি হাদীস দেখি,
عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- « إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ فَأَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ فَأَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ
হযরত আমর বিন আস রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-“যখন কোন বিশেষজ্ঞ হুকুম দেয়, আর তাতে সে ইজতিহাদ করে তারপর সেটা সঠিক হয়, তাহলে তার জন্য রয়েছে দু’টি সওয়াব। আর যদি ইজতিহাদ করে ভুল করে তাহলে তার জন্য রয়েছে একটি সওয়াব।
{সহীহ বুখারী, হাদিস নং-৬৯১৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৩৫৭৬, সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৪৫৮৪}
মুজতাহিদ হল কুরআন সুন্নাহ, সাহাবাদের ফাতওয়া, কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঐক্যমত্বে এবং যুক্তির নিরিখে কুরআন সুন্নাহ থেকে মাসআলা বেরকারী গবেষক দলের নাম। যারা নিষ্ঠার সাথে বিভিন্ন মূলনীতি নির্ধারণ করে কুরআন সুন্নাহর বাহ্যিক বিপরীতমুখী মাসআলার মাঝে সামাঞ্জস্যতা এনেছেন। কুরআন সুন্নাহর একাধিক অর্থবোধক শব্দের নির্ধারিত পালনীয় অর্থকে নির্ধারিত করে দিয়েছেন। নতুন উদ্ভূত মাসআলার শরয়ী মূলনীতির আলোকে সমাধান বরে করেছেন। সেই সাথে নতুন নতুন মাসআলার কোন মূলনীতির আলোকে হুকুম আরোপিত হবে যার বিধান সরাসরি কুরআন সুন্নাহে বর্ণিত নেই, সেই মূলনীতিও নির্ধারিত করেছেন। মূলত সেই গবেষক দলের নাম হল মুজতাহিদ। আর তাদের উদ্ভাবিত মূলনীতির আলোকে বের হওয়া মাসআলার নাম """"মাযহাব"""।
------------------------------------------------------------------
=> উপরোক্ত হাদিসটি বলছে যে মুজতাহিদ ইজতিহাদ করার কারণে সওয়াব পেয়ে যাবেন। হাদিসটি দিয়ে মাজহাব প্রমাণ হয় না। দুনিয়াতে কিয়ামত পর্যন্ত অসংখ্য মুজতাহিদ আসবেন। তারা সবাই সত্য সম্পর্কে গবেষনা করবেন। নতুন নতুন তথ্য তুলে ধরবেন।
মাসআলা বের করার নাম মাজহাব। এরকম নিবোর্ধের মতো কথা বলতে কি মুখে বাজে না? এখনও অনেক মুজতাহিদ অনেক কিছু গবেষনা করেন। যেমন জিহাদের ময়দানে আত্মঘাতি হামলা জায়েজ নাকি হারাম? মাসআলা বের করার নাম যদি মাজহাব হয় তাহলে দুনিয়াতে তো কোটি কোটি মাজহাব থাকার কথা। এমন ফালতু লজিক দিতে গেলে যে নূ্ন্যতম জ্ঞান থাকা দরকার সেটাও আপনার নাই। অতএব হুজুর পুজা, আলেম পুজা আজই বাদ দেন। গোড়ামী ছাড়েন।
আমরা আশ্চর্য্য হই যখন শুনি যে মাসআলা বের করার নাম নাকি মাজহাব। কত বড় জাহেল হলে একজন মানুষ এমন কথা বলতে পারে? আল্লাহ হেদায়েত না দিলে এই মাজহাবীদের কেউ হেদায়েত দেওয়ার নাই।
২৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৩
শুধু মুসলিম বলেছেন: ১ম প্রমাণ ঃ মাজহাবীরা মুশরিক
সূরা রূম-৩১-৩২> মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত হয়ো না যারা নিজেদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং দলে দলে ভাগ হয়েছে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ দল নিয়ে উল্লসিত।
উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ ২ শ্রেণীর লোকদের মুশরিক বলেছেন।
১। যারা দ্বীনকে বিভক্ত করে
২। বিভক্তির ফায়সালা মেনে নিয়ে অতঃপর দলে দলে ভাগ হয়।
কোন সাধারণ মানুষ দ্বীনকে ভাগ করে না। বরং আলেমরাই দ্বীনকে ভাগ করে থাকে। খারেজীরা ইসলামকে ভাগে বিশ্বাসী নয়। তারা বলে তারা হক্ব আর সব বাতিল। কিন্তু এই মাজহাবীরা আলেমরা দ্বীনকে ভাগ করে। তারা বলে ইসলামে ৪ টা মাজহাব আছে। ৪টাই হক্ব। যেকোন একটায় প্রবেশ করতেই হবে।
তাদের মতে যদি কেউ হানাফী হয় তার অজুর ফরজ ৪টি। আবার যদি জানতে পারে যে সে হানাফী নয় শাফেয়ী। তখন বলে তোমার অজুর ফরজ ৬টি। মানুষকে ভাগ করার এই নীতি খারেজী জাহমিয়ারা করে নাই। করেছে একমাত্র মাজহাবী আলেমরা।
সুতরাং মুসলিমদের বিভক্ত করার দায়ে মাজহাবীরা আলেমগণ মুশরিক।
এই মাজহাবী আলেমগণ এর মুরিদ কিছু ছাত্র এবং অনুসারীরাও মুশরিক। কারণ তারা তাদের আলেমদের ফাতওয়া মেনে দলে দলে বিভক্ত হয়েছে। বরং এখন তারাই মুসলিমদের বিভক্ত করার জন্য সর্বত্র চেষ্টা চালাচ্ছে।
উপরোক্ত আয়াত দ্বারা আমি প্রমাণ করলাম যে মাজহাবী আলেমগণ ও মাজহাব যারা করে অর্থ্যাৎ হানাফী, শাফেয়ী, হাম্বলী, মালেকী এরা সবাই মুশরিক।
এদের মুশরিক না ভাবলে আল্লাহর উপরোক্ত আয়াত অস্বীকার করা হবে। তবে যারা অজ্ঞ মাজহাবী তারা মুসলিম। কারণ তারা জানেই না। তারা অজ্ঞতার মাসআলাতে পড়বে। কিন্তু যাদের সামনে সত্য তুলে ধরার পরও মাজহাবে অটল থাকে তারাই মুশরিক।
অতএব আমি মাত্র ১টি দলিল দিয়ে প্রমাণ করলাম যে মাজহাবী আলেমগণ মুশরিক দ্বীনকে বিভক্ত করার জন্য এবং মাজহাবী আলেমদের ফাতওয়া মেনে যারা দলে দলে ভাগ হয়েছে তারাও মুশরিক সূরা রূমের ৩১-৩২ নং আয়াত অনুযাযী।
এবার আপনি প্রমাণ করেন যে মাজহাবীরা মুসলিম। আমি মুশরিক প্রমাণ করেছি আপনি মুসলিম প্রমাণ করেন।
২৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:১০
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনার আলাদাভাবে করা কমেন্টগুলো ডিলেট করে কমেন্টের জবাবের ঘরে কমেন্ট করুন।
তারপর পরবর্তী ধাপে যাচ্ছি . . .
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৭
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনার এবং আমার করা একটাও কমেন্ট ডিলেট করা হবে না। আলোচনা যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে। আমি মুশরিক প্রমাণ করেছি আপনি মুসলিম প্রমাণ করেন? এখন আপনার মুসলিম প্রমাণ করার পালা। যদি না পারেন তবে যেনে রাখেন আপনার বড় বড় শায়খরা/পীররাও পারে নাই। আর ইন শা আল্লাহ আপনিও পারবেন না।
৩০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৪
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি যা কমেন্ট করার করেছেন। এখন আমাদের আলোচনার বিচার পাঠকই করবেন।
Click This Link
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪১
শুধু মুসলিম বলেছেন: আমাদের আলোচনা তো শেষ হয় নাই। নিজে নিজে আলোচনার ইতি টানলেন কিভাবে? পাঠক কি বিচার করবে? আপনি যতটুক জানেন পাঠক তো তার খুবই সামান্য জানে। আসলে আপনি পাবলিক সাপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করতেছেন কিছু জিনিস তুলে ধরে। যেমন
=> আমি বলেছি খাওয়ারিজ রা ইসলামে ভাগে বিশ্বাসী নই। একথা সত্য। তাদের মতে তারা সত্য আর সব বাতিল। কিন্তু হানাফীরা ভাগে বিশ্বাসী। তাদের মতে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়লে ঈমান পূর্ণ হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত ৪টি গ্রুপের অর্থ্যাৎ হানাফী, শাফেয়ী, হাম্বলী, মালেকী যে কোন এক গ্রুপে প্রবেশ না করে।
=> ২২ নং কমেন্টে উত্তর দেওয়ার পরও মিথ্যা কথা বলে জনগণের সাপোর্ট পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
=> আমি বলেছি, আমরা আপনাকে ডাকছি রাসূল সাঃ ও সাহাবাদের আমলের উপর। আর আপনি আমাদের ডাকছেন আলেমদের মতামতের উপর। এই ব্যাপারে সম্মানীত ব্লগারদের কি মত ? ? ? এখানেও সাধারণ মানুষদের বোকা বানিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করেছেন।
=> তারপর বলেছেন, "আমি কি আমার কথার সপক্ষে দলীল উপস্থাপন করিনি ? ? ?"
আপনি আপনার কথার স্বপক্ষে দলিল উপস্থাপন করেছেন কোরআন থেকে এবং হাদিস থেকে। দুটোরই উত্তর দিয়েছি এবং খন্ডন করে দিয়েছি। অপর দিকে মানা করা স্বত্ত্বেও যারা "দলিল" নয় এমন কিছু আলেমের বই এর বক্তব্য তুলে ধরে পাঠকদের মন যোগানির চেষ্টা করছেন।
তবে আপনি সফল হন নাই। মাত্র একজন ব্লগার বুলবুল আহমেদ আপনার বক্তব্যে সাড়া দিয়েছে এবং উনি সালাফীদেরও সূরা রুমের ৩১-৩২ নং আয়াতের আওতায় এনেছেন। আমি উক্ত ব্লগার এর সাথে একমত যে অবশ্যই আহলে হাদিস, সালাফীরাও এই আয়াতের আওতায় আসবে। আমার উক্ত আয়াত দেওয়াতে আপনার জ্ঞান না খুললেও বুলবুল আহমেদ ভাইয়ের জ্ঞান খুলেছে।
তবে আপনাকে একটা কথা বলি, পাবলিক সাপোর্ট বাদ দিয়ে আল্লাহর সাপোর্ট পাওয়ার জন্য দ্বীন শিখেন। কারণ আমাদের জীবন মরণ সব আল্লাহর জন্য। আমাদের যাবতীয় ইবাদাত একমাত্র আল্লাহর জন্য। তাই জ্ঞান খাটান। কি বলছেন ভেবে দেখুন। মানুষকে প্রতারিত করে, ধোকা দিয়ে বিভক্ত করবেন না। ধন্যবাদ।
৩১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪৩
শুধু মুসলিম বলেছেন: আমি ২৮ নং কমেন্টে মাজহাবীদের মুশরিক প্রমাণ করেছি। এবার আপনি মুসলিম প্রমাণ করেন?
৩২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪১
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি আমার বেশিভাগ প্রশ্নেরই জবাব দেননি। শুধু আবোল তাবোল বকাবকি করেছেন।
আবার মাযহাব নিয়ে আমার কমেন্ট তুড়ি মেরেই উড়িয়ে দিয়ে তালগাছটা নিজের কাছে রাখার চেষ্টা করলেন আর কি লিখলেন আল্লাহই ভাল বলতে পারবেন।
এবং উপরে যেসব ব্যক্তির উক্তি দিলাম সরাসরি বলূন উনারা মাযহাবের পক্ষে বলার কারনে মুশরিক (আপনার মতে) হয়েছেন কিনা ???
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪২
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনার সবগুলো প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়া হইছে। আপনাকে বলা হইছে মাজহাবীদের মুসলিম প্রমাণ করতে "দলিল সহকারে"।
৩৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৩
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আর হ্যা মাযাহাব মানার কারনে উনারা মুশরিক হয়েছেন কিনা তাও জানাবেন।
ইমাম বুখারী রহ. শাফেয়ী মাঝহাবে অনুসারী ছিলেন।
(শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলভী রহ., “আল-ইনসাফ”, পৃষ্ঠা : ৬৭
আল্লামা তাজউদ্দীন সুবকী, “তবক্বাতুশ শাফেয়ীয়ার”, পৃষ্ঠা : ২/২
গাইরে মুকাল্লিদ আলেম নবাব ছিদ্দিক্ব হাসান খান, “আবজাদুল উলুম”, পৃষ্ঠা : ৮১০)
ইমাম মুসলিম শাফেয়ী মাঝহাবে অনুসারী ছিলেন।
(গাইরে মুকাল্লিদ আলেম নবাব ছিদ্দিক্ব হাসান খান, “আল হিত্তার”, পৃষ্ঠা : ১৮৬)
ইমাম তিরমিযী সম্বন্ধে শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দেহে দেহলভী “আল-ইনসাফের” ৭৯ পৃষ্ঠায় মুজতাহিদ তবে হাম্বলী মাযহাবের প্রতি আকৃষ্ট এবং এক পর্যায়ে হানাফী বলেও উল্লেখ করেছেন।
ইমাম নাসাঈ
এবং ইমাম আবু দাউদ রহ. হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।
(আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী রহ. “ফয়জুল বারী”-এর ১/৫৮ পৃষ্ঠায় ইবনে তাইমিয়্যার উদ্বৃত্তি দিয়ে উল্লেখ করেছেন।
গাইরে মুকাল্লিদ আলেম নবাব ছিদ্দিক্ব হাসান খান, “আবজাদুল উলুম”, পৃষ্ঠা : ৮১০)
ইমাম ইবনে মাজাহকে আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী “ফয়জুল বারী”-এর ১/৫৮ পৃষ্ঠায় শাফেয়ী বলে উল্লেখ করেছেন।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২২
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনি আমার উত্তর এখনো দেন নাই। আপনাকে বলেছি মাজহাবীদের মুসলিম বলার পক্ষে দলিল দিতে এখনো দিতে পারেন নাই।
শর্তাবলীঃ-
২। কোন আলেমের বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে না।
তারপরেও আপনি আলেমের বক্তব্য "দলিল" হিসেবে টানছেন। কেন? আপনি তো নিয়মই মানতেছেন না। এটা প্রমাণ করে আপনার উদ্দেশ্য খারাপ। আপনি সত্য গ্রহণও করতে চান না। আবার মানতেও চান না।
তারপরেও আমি আপনার উত্তর দিচ্ছি কারণ হানাফীরা কখনোই দলিল দিতে পারে নাই। আর আপনি যে পারবেন না ইনশা আল্লাহ সেটা শুরুতেই বুঝেছি।
আপনি শর্ত লঙ্ঘন করে যে সমস্ত আলেম এর নাম নিয়ে এসেছেন তারা হলেন,
১। শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলভী রহ
২। আলেম নবাব ছিদ্দিক্ব হাসান খান
৩। আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী রহ
৪। ইমাম নববী রহ
৫। মুহাম্মদ ইব্নে আব্দুল ওহ্হাব নজদী
৬। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহঃ) ইত্যাদি ইত্যাদি।
আপনি বারবার বলেছি আলেমদের বক্তব্য ""শারীয়াহর দলিল"" হিসেবে আসবে না। আলেমদের বক্তব্য বা আমল ইসলামিক শারীয়াহর দলিল না। ইসলামে আলেমদের মতামত থাকবে। কিন্তু যখন "দলিল" হিসেবে উপস্থাপন হবে না। ইসলামের দলিল কোরআন হাদিস ও সাহাবারা। আপনার আলেমপুজা থেকেই এই আক্বিদা চলে এসেছে।
যেমন- এক আলেম বলল যে, মুর্তিপুজা জায়েজ অন্য আলেম বলল যে জায়েজ না। আপনি যদি আলেমদের বক্তব্য দলিল হিসেবে গ্রহণ করেন তবে দুজনই হক। কিন্তু আল্লাহ বলেছেন,
অনুসরণ কর যা তোমাদের রবের পক্ষ থেকে নাজিল হয়েছে। সূরা আরাফ-৭/৩
রবের পক্ষ থেকে নাজিল হয়েছে কোরআন ও হাদিস। অতএব এ দুটো দলিল এবং সূরা তাওবার -১০০ নং আয়াত অনুযায়ী সাহাবারা দলিল।
যাই হোক এবার নিয়মের বাইরে হওয়া স্বত্ত্বেও আপনার উত্তর দিচ্ছি। কারণ যেহেতু উত্তর জানি তাই উত্তর দেওয়া আবশ্যক।
===========================================
আপনার প্রশ্ন মাজহাবীরা যদি মুশরিক হয় তো ইমাম আবু হানিফা রহ., ইমাম বুখারী রহ., ইমাম মুসলিম রহ. ইবনে মাজাহ রহ., ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ রহ. উনারা মুশরিক কি না?
আমি মাজহাবীদের মুশরিক বলেছি আম তথা ব্যাপক অর্থে। আপনি আম বিষয়কে খাস হিসেবে লাগাচ্ছেন। এই ফাতওয়া যখন কোন একক ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করতে যাবেন তখন অজ্ঞতার মাসআলা (যদি অজ্ঞতার মাসআলা আপনার জানা থাকে) আসবে। তখন দেখতে হবে-
=> যাকে মাজহাবী বলা হচ্ছে সে আসলেই মাজহাবী কি না?
=> মাজহাবের অনুসারী ব্যক্তি কোন দলিলের উপর ভিত্তি করে নিজেকে মাজহাবীদের অন্তর্ভূক্ত করেছে।
=> তার পক্ষে কি কোন দলিল আছে?
=> দলিল থাকলে সেটা শক্ত দলিল কি না?
=> আরও দেখতে হবে তার নিকট কি কেউ সত্য প্রকাশ করেছে কি না?
=> তার ভূল ভাঙ্গায়া দিয়েছে কি না?
=> নাকি সে এটি সওয়াবের নিয়তে করে থাকে?
আপনার বুঝার জন্য আরো ব্যাখ্যা করছি, যেমন পীরের পায়ে সিজদা কারীরা মুশরিক। এটা ব্যাপক অর্থে বলা হয়। কিন্তু যখনই এটা কোন একক ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করতে যাবেন তখন দেখতে হবে তার এই সিজদা করার পক্ষে কোন দলিল আছে কি না? দলিল থাকলে তাকে কেউ সেটা ভাঙ্গিয়ে দিয়েছে কি না?
আপনার আরও বুঝার জন্য বলছি, জ্ঞান অর্জন করুন- কিছু সংখ্যক পীর আছে যারা মুসলিমদের থেকে সিজদা আদায় করে থাকে। তারা মুরিদদের সিজদা করতে বলে ইসলামিক দলিল দিয়ে। তারা বলে, আদম আঃ এর জ্ঞান বেশী হওয়ার কারণে ফেরেশতারা সিজদা করেছিল উনাকে। এই দুনিয়াতে মুরিদের থেকে পীরের জ্ঞান বেশী তাই পীরকে সম্মানের সিজদা করা জায়েজ। এমন ব্যক্তিকে আমরা মুশরিক বা কাফির বলি না। কারণ এরা অজ্ঞ।
=> এক্ষেত্রে আমরা পীরের পায়ে সিজদা কারীর নিকট সত্য প্রকাশ করি এভাবে যে, জ্ঞান বেশী হওয়ার জন্য কেউ যদি সম্মানের সিজদা পেত তবে সেটা হতেন রাসূল সাঃ নিজে। কিন্তু তিনি কি সাহাবাদের থেকে সম্মানের সিজদা নিয়েছেন? নেন নি। সুতরাং এই যুক্তি দিয়ে আমরা পীরের পায়ে সিজদাকারী মুরিদদের সত্যের দিকে ডাকি।
আমরা দ্বিতীয় আরেকটা দলিল দেই যেটা আছে সুনান আবু দাউদ এ। সুনান আবু দাউদ, ৩য় খন্ড, ২১৩৭ নং হাদিস। এখানে রয়েছে এক সাহাবা রাসূল সাঃ কে বললেন, যে অন্যান্য দেশের রাজারা সাধারণ মানুষ থেকে সিজদা নেয়। তারা তো দুনিয়াতে সম্মানিত কিন্তু পরকালে অসম্মানিত। কিন্তু হে মুহাম্মদ সাঃ, আপনি তো দুনিয়াতে ও আখিরাতে উভয় জগতে সম্মানিত। তবে কেন আমরা আপনাকে সিজদা করব না? উত্তরে রাসূল সাঃ বললেন, সিজদা একমাত্র আল্লাহরই প্রাপ্য।
তো কোন একক ব্যক্তির উপর "কাফির" ফাতওয়া ফেলার আগে দেখতে হবে সেই ":একক ব্যক্তির" নিকট সত্য প্রকাশ করা হয়েছে কি না। তানা হলে যাকে কাফির বলা হয়েছে সে যদি কাফির না হয়, তবে যে কাফির বলেছে সে নিজেই কাফির হয়ে যাবে।
আর মুসমিল আক্বিদা হলো এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ব্যাপারে ভাল ধারণা রাখবে। আমরা উপরোক্ত আলেমদের ব্যাপারে ভাল ধারণাই রাখি। আমরা তাদের মুসলিম মনে করি।
অতএব, যদি জ্ঞান খাটিয়ে থাকেন তো আশা করি বুঝবেন যে, কাফির আমভাবে বলা যায়। তবে কোন ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করতে গেলে কিছু শর্ত রয়েছে। অজ্ঞতার মাসআলা রয়েছে। কাফির তো তাদেরও বলি যাদের কাছে সত্য প্রকাশ করা হয় অতঃপর মানে না। জানি না আপনি মানবেন কি না। তবে আল্লাহ হেদায়েত দিলেই মানবেন।
===========================================
আর আপনি আবারও নিয়ম ভেঙ্গে ছেন যে, আমি শুরুতেই বলেছি,
অন্যান্যঃ
৩। যারা অজ্ঞ তারা মুসলিম হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এই আলোচনার বাহিরে থাকবে।
৪। মাজহাবীরা কাফির মুশরিক বলতে সেই মাজহাবীদের বুঝানো হয়েছে যাদের নিকট সত্য প্রকাশ করা হয়েছে কিন্তু তারা তা মানছে না। সত্য প্রকাশের পর যারা সত্য মানে না তাদেরকেই কাফির মুশরিক বলা হইছে।
আশা করি নেক্সট এ মন্তব্য করার সময় নিয়মাবলী পড়ে নিবেন কারণ ১ নং কমেন্টে আপনিই নিয়ম মানবেন বলে স্বীকারুক্তি দিয়েছেন।
নেক্সট এ যদি আবারও আলেমদের ফাতওয়া বা মন্তব্য দেন বা তাদের আমল তুলে ধরেন, তবে সেটা নিয়ম ভাঙ্গার কারণে ডিলেট করা হবে।
আমি ২৮ নং কমেন্টে মাজহাবীদের মুশরিক প্রমাণ করেছি। এবার আপনি মুসলিম প্রমাণ করেন?
৩৪|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০৬
আবদুস সবুর খান বলেছেন: একটা প্রশ্নেরও কোন সোজা উত্তর দিলেন না, খালি কিছু কথা পেচাইলেন।
যদি এর পরবর্তীতে কোন প্রশ্নের সোজা উত্তর দেন তবে দয়া করে আমাকে জানাবেন, আর যদি এভাবে ইনিয়ে বিনিয়ে নিজের মত প্রতিষ্ঠা করতে তৎপর হন তবে আপনি চলতে থাকুন।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৩
শুধু মুসলিম বলেছেন: ফাইজলামির সীমা থাকা দরকার। আপনার সবগুলো প্রশ্নেরই উত্তর দিছি। তারপরও মিথ্যা বলছেণ কেন? আসলে হানাফী মাজহাবের/ধর্মের প্রতিষ্ঠাই মিথ্যার উপর। আপনি মিথ্যা বলবেন সেটাই তো স্বাভাবিক। আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর তো দিলেন ই না। সর্বশেষ একটা প্রশ্ন করলাম সেটারও উত্তর দিতে পারলেন না। লাস্ট প্রশ্ন করছেন, কিছু আলেম যেমন ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিমকে কাফির মনে করি কি না? আমি সেটারও উত্তর দিছি ৩৪ নং কমেন্টে। তারপরেও মিথ্যা বলতেছেন। এত মিথ্যা বলতে কি লজ্জা লাগে না।
এজন্যই আমরা মাজহাবীদের কাফির ও মুশরিক বলি। কারণ তাদের না আছে কোন দলিল। আপনারা পুরো হানাফী মাজহাবটাই মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত। আপনি আমার নিচের প্রশ্নের উত্তর দেন। যদি না পারেন তবে আর কখনো আমার ব্লগে ঢুকবেন না। ধারে কাছেও আসবেন না। নিচের প্রশ্নের উত্তর না দিলে আপনার পরবর্তী কমেন্টেগুলো একটাও গ্রহণ করা হবে না। আপনার ফাইজলামীর ফলাফল এটি। আমার প্রশ্নের উত্তর ছাড়া অন্য যে কোন মন্তব্য ডিলেট করা হবে। ২৮ নং কমেন্টের পর থেকে শুধু ধৈর্য ধরে থেকেছি। সময় দিয়েছি আপনাকে। আর সময় দেওয়া যায় না।
আমি ২৮ নং কমেন্টে মাজহাবীদের মুশরিক প্রমাণ করেছি। এবার আপনি মুসলিম প্রমাণ করেন?
৩৫|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৩
মোঃ খালেদুর রহমান খালেদ বলেছেন: শুধু মুসলিম আপনি বলেছেন আপনার উত্তর দিতে না পারলে আবদুস সরুব খান যেন আপনার ব্লগের ধারে কাছেও না আছে। আবদুস সরুর খান এর নিরবতাই প্রমাণ করে যে তার উত্তর দেওয়ার সামর্থ্য নাই। সুতরাং এটা নির্ধিদায় বলা যায় সত্য আপনার পক্ষে। আর শুরু থেকেই আপনাকে চেয়েছে প্রশ্ন বানে জর্জরিত করতে। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ আপনি তাকে সে সুযোগ দেন নি। আপনি ২৮ নং এ মাত্র একটি প্রশ্ন করেছেন যার উত্তর মনে হয় কখনো দিতে পারবে না। দেখি হানাফীদের কান্ডারী আবদুস সবুর খান সামনে কখনো দলিল আনতে পারে কি না। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন এই সুন্দর আলোচনার জন্য যার মাধ্যমে আমরা মাজহাব সম্পর্কিত সত্য জানতে পারলাম। আমীন।
৩৬|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:১৩
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: আপনি বলেছেনঃ
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস [সহীহ লি যাতিহী ও সহীহ লি গইরিহি]
৩। হাসান হাদিস [হাসান লি যাতিহী ও হাসান লি গইরিহি]
৪। সাহাবাদের আমল
প্রথমেই আপনি আমার একটা কথার জবাব দেন, সকল ইমামগন (চার প্রধান মাযহাবের ইমাম ছাড়া বাকীরাও) কি তাদের ফিকহে দলিল হিসেবে এর বাইরের কিছু ব্যবহার করেছেন?
আপনার পোস্টে/মন্তব্যে আলেমদের প্রতি আপনার সীমাহীন অবজ্ঞা প্রকাশ পেয়েছে। এ যাবত কাল থেকে যত হাদিস সংকলনকারী ইমাম ছিলেন, দ্বীনের ফিকহ সঙ্কলনকারী ইমামগণ কি আলেম ছিলেন না? তারা কি তাদের মনগড়া ফিকহ আমাদের জন্য উপস্থাপন করে গেছেন? আজকে আপনি যেসব রেফারেন্স নিয়ে আসছেন, সেগুলো কি কোন আলেমের অবদান নয়?
সূরা রুমের আয়াত ৩১-৩২ এর অপব্যাখ্যা দিয়ে আপনি প্রসিদ্ধ ইমামদের ফিকহ বা মাযহাব অনুসরণকারী মুসলমানদের কাফির/মুশরিক বলে গেলেন। নীচে ঐ দুই আয়াতের ইবনে কাসীর এর তফসির দিয়ে দিলাম।
সকল ইমামগণ তাদের ফিকহের মাধ্যমে একে অপরের মতামতকে অস্বীকার করেন নি। এটা বলেননি, যে আমার ফিকহ যে অনুসরন করছে না সে কাফির/মুশরিক। বরং তাদের যার কাছে যেটা বেশী গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে সেটাকেই তার ফিকহে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এবং মুসলিমদের উপর স্বাধীনতা আছে যে কোন গ্রহণযোগ্য ফিকহ কে অনুসরণ করার। প্রসংগতঃ চার প্রধান মাযহাবের গ্রহণযোগ্যতার উপর আলেমদের মতৈক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনি হয়ত এখনই বলে বসবেন, “"এতো আলেম পূজা কেন? আলেম আবার কারা?”"
সেই হাদিসটি ভুলে যাবেন না, "“আলেমগণ আম্বিয়াদের উত্তরসূরী"”
(আবু দাউদ, তিরমীযী, ইবনে মাযা)।
আর আম্বিয়াগণ কোন ধন সম্পদ আলেমগণের জন্য রেখে যান না, যেটা রেখে যান সেটা হল দ্বীনি জ্ঞান।
মুসলমানের জীবন যে মূলনীতির অধীনে পরিচালিত হবে তা কুরআন মজীদের নিম্নোক্ত আয়াতে উল্লেখিত হয়েছেঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ أَطِيعُواْ اللّهَ وَأَطِيعُواْ الرَّسُولَ وَأُوْلِي الأَمْرِ مِنكُمْ فَإِن تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللّهِ وَالرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلاً
‘"হে মুমিনগণ ! আনুগত্য করন আল্লাহর, আনুগত্য কর রাসূলের এবং তাদের, যারা তোমাদের মধ্যে দায়িত্বশীল। কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটলে তা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসূলের নিকট যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর। এটাই উত্তম এবং পরিণামে প্রকৃষ্টতর।‘" (সূরা নিসাঃ ৫৯)
এই আয়াতের তাফসীরে ইমাম রাযী (রহঃ) লেখেন, “"আলিমগণ বলেছে যে, ‘শরীয়তের ভিত্তি চারটিঃ কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস। উপরের আয়াত থেকে তা প্রমাণিত হয়। কেননা, أَطِيعُواْ اللّهَ وَأَطِيعُواْ الرَّسُولَ বলে কুরআন ও সুন্নাহ্র আনুগত্যকে বোঝানো হয়েছে। وَأُوْلِي الأَمْرِ مِنكُمْ থেকে জানা গেল যে ইজমা শরীয়তের দলীল। আর فَإِن تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللّهِ وَالرَّسُولِ এ অংশ থেকে কিয়াসের প্রামাণ্যতা বোঝা গেল।" (রাযী, তাফসীরে কাবীর খন্ড ১০, পৃষ্ঠা ১৪৩ - ১৪৭)
আল্লামা ইবনে খালদুন বলেন, "“আলিমগণ এ বিষয়ে একমত যে, শরীয়তের দলীল মৌলিকভাবে এ চারটিই। কেউ কেউ ইজমা ও কিয়াস সম্পর্কে ভিন্নমত পোষন করলেও তা একটি বিচ্ছিন্ন মত ছাড়া আর কিছুই নয়।“" (ইবনে খালদুন, আল-মুকাদ্দিমা, পৃষ্ঠা ৪০৩, দারুল বয়ান)
গায়রে মুকাল্লিদদের মাঝে '‘শাইখুল ইসলাম'’ উপাধীপ্রাপ্ত আলিম মাওলানা ছানাউল্লাহ অমৃতসরী ‘'ব্যক্তি-তাকলীদ’' শিরোনামের অধীনে লেখেন, "‘অধিকাংশের মতে দ্বীনের মূলনীতি চারটিঃ কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস। কুরআন-হাদীস বোঝার জন্য লুগাত, নাহব, সরফ, মাআনী, বয়ান, উসূলে ফিকহ ইত্যাদি বিষয়ের শাস্ত্রীয় জ্ঞান অপরিহার্য। এই শাস্ত্রীয় জ্ঞানের সাহায্যেও যে বিষয়গুলোর সমাধান সরাসরি কুরআন-হাদীস থেকে আহরণ করা সম্ভব হবে না সে বিষয়গুলোতে ‘ইজমায়ে উম্মত’ অনুসরণীয় হবে। আর ‘ইজমা’তেও যে মাসআলার সমাধান মিলবে না তাতে কোনো মুজতাহিদের কিয়াস (উসূলে ফিকহের শর্তাবলি মোতাবেক) আমলযোগ্য হবে।‘ "(ছানাউল্লাহ অমৃতসরী, আহলে হাদীস কা মাযহাব, পৃষ্ঠা ৫৪)
কোন ইমামই তাদের মনগড়া কিছু আমাদের জন্য উপস্থাপন করে যান নি। তারা উসূলে ফিকহ অনুসরণ করেই মুসলমানদের জন্য মাসআলা মাসায়েল/বিধানগুলো সংকলন করে দিয়ে গেছেন। প্রত্যেক ইমামই আলেম ছিলেন, প্রত্যেক হাদীসগ্রন্থ সংকলনকারীই আলেম ছিলেন। আলেমদের সম্মান করতে শিখুন। আপনাদের মাযহাবের আরো যারা আমার পরিচিত আছেন, তাদের অনেকের মধ্যেই আলেমদের অসম্মান করার প্রবণতা দেখেছি, যেটা খুব দুঃখজনক। কেন ভুলে যাচ্ছেন, যেসব জ্ঞান আজকে আপনি এই পোস্টে ফলাচ্ছেন, সেটাও এই আলেমদের উছিলাতেই। যুগে যুগে তারা তাদের জীবনের অনেক সময় ব্যয় করে আমাদের জন্য সব কিছু এত সহজলভ্য করে দিয়ে গেছেন। তাদের সম্মান করুন।
পরিশেষে পৃথিবীতে বহুল প্রচলিত হানাফী ফিকহের ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর ফিকহ সংকলনের নীতিমালা সংক্রান্ত তার নিজের বয়ানঃ
‘"মাসআলার সমাধানের জন্য আমি সর্বপ্রথম কিতাবুল্লাহর শরণাপন্ন হই। সেখানে পাওয়া না গেলে রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর সুন্নাহ এবং তার থেকে বর্ণিত সহীহ হাদীসসমূহ থেকে গ্রহণ করি, যেগুলো নির্ভরযোগ্য রাবীদের মাধ্যমে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। এখানেও না পেলে সাহাবায়ে কেরামের সিদ্ধান্তের শরণাপন্ন হই এবং তাদের সিদ্ধান্তের বাইরে নতুন মত সৃষ্টি করি না। মাসআলার সমাধান এখানেও না পেলে ইজতিহাদের মাধ্যমে সমাধানে পৌছে থাকি।‘" (ইবনু আবদিল বার, আল-ইনতিকা, মাকতাবূআতিল ইসলামিয়া, হলব, পৃষ্ঠা ২৬৪-– ২৬৫)
৩৭|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৪৯
শুধু মুসলিম বলেছেন: মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: আপনি বলেছেনঃ
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস [সহীহ লি যাতিহী ও সহীহ লি গইরিহি]
৩। হাসান হাদিস [হাসান লি যাতিহী ও হাসান লি গইরিহি]
৪। সাহাবাদের আমল
প্রথমেই আপনি আমার একটা কথার জবাব দেন, সকল ইমামগন (চার প্রধান মাযহাবের ইমাম ছাড়া বাকীরাও) কি তাদের ফিকহে দলিল হিসেবে এর বাইরের কিছু ব্যবহার করেছেন?
=> আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমেই আপনি আমার সাথে একমত পোষণ করেছেন। পূর্ববতী ইমামগণ দলিল হিসেবে যা গ্রহণ করেছিলেন তা আমিও গ্রহণ করেছি। না ভাই উনারা এর বাইরে যান নি। কিন্তু সবার ইজতিহাদ যে সঠিক হয়েছে এমনটিও নয়। ইজতিহাদ ভূল হবে এটাই স্বাভাবিক যা রাসূল সাঃ এর হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তবে ভূল ইজতিহাদ এর কারণে তারা সওয়াব পেয়ে যাবনে।
-------------------------------------------------------------------------
আপনি বলেছেন,
আপনার পোস্টে/মন্তব্যে আলেমদের প্রতি আপনার সীমাহীন অবজ্ঞা প্রকাশ পেয়েছে।
=> আমি কোথায পূর্ববতী আলেমদের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করেছি তার প্রমাণ দেখান। আমি শুধু এতটুকুই বলছি যে উনাদের মতামত "দলিল" হিসেবে আসবে না। আলেমদের মতামত ইসলামীক শারীয়াহর দলিল নয়। পীরের দরগার আলেমগণ এর মতে পীরের পায়ে সিজদা দেওযা জায়েজ। আবার অন্য আলেমদের মতে পীরের পায়ে সিজদা দেওয়া শিরক। যদি আলেমদের মতামত "দলিল" হয় তবে দুই আলেমই হক্ব যেটা অসম্ভব। আমি আলেমদের বক্তব্য দলিল হিসেবে নেই নি এটাতে যদি আপনি কষ্ট পেয়ে থাকেন তো আমার কিছূ করার নাই।
-------------------------------------------------------------------------
আপনি বলেছেন,
এ যাবত কাল থেকে যত হাদিস সংকলনকারী ইমাম ছিলেন, দ্বীনের ফিকহ সঙ্কলনকারী ইমামগণ কি আলেম ছিলেন না? এ যাবত কাল থেকে যত হাদিস সংকলনকারী ইমাম ছিলেন, দ্বীনের ফিকহ সঙ্কলনকারী ইমামগণ কি আলেম ছিলেন না? তারা কি তাদের মনগড়া ফিকহ আমাদের জন্য উপস্থাপন করে গেছেন? আজকে আপনি যেসব রেফারেন্স নিয়ে আসছেন, সেগুলো কি কোন আলেমের অবদান নয়?
=> অবশ্যই তারা আলেম ছিলেন। আমি কোথায় বলেছি যে, উনারা আলেম নন, এমন একটা বক্তব্যও আপনি দেখাতে পারবেন না ইনশাল্লাহ। তারা কখনোই মনগড়া ফিকহ আমাদের জন্য উপস্থাপন করে যান নি। তারা সত্যই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আর আপনি দেখান আমি কোথায় পূর্ববর্তী আলেমদের অবদানকে অস্বীকার করেছি? একজন মুসলিম অন্য মুসেলিমের ব্যাপারে ভাল ধারণা রাখবে। কিন্তু আপনি আমার ব্যাপারে খারাপ ধারণা রাখছেন এবং সেই খারাপ ধারণা থেকেই এই বক্তব্যগুলো তুলে ধরেছেন যা অনুচিত ও অপ্রত্যাশিত।
-------------------------------------------------------------------------
আপনি বলেছেন, আমি নাকি সূরা রুমের ৩১-৩২ নং আয়াতের অপব্যাখ্যা করেছি। এটা আপনার মিথ্যাচার। আমি মোটেও অপব্যাখ্যা করিনি।![]()
উপরের কাল দাগ দেওয়া অংশগুলো দেখেন। ইমাম ইবনে কাসীর রহ. এর মতে দ্বীনকে বিভক্তকারীরা হলো ইয়াহুদী, খ্রিষ্টান, মুর্তিপূজকরা। ইমাম ইবনে কাসীর রহ. এ কথাতেই উনার তাফসীর শেষ করেন নি। বরং তিনি আরো বলেছেন """এই উম্মতের মধ্যেও বিভিন্ন দল তৈরী হয়েছে।"""
আপনার নিকট প্রশ্ন, উম্মাতে মুহাম্মদীর পূর্বে যারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল তারা যদি মুশরিক হয়, ঠিক একই কারণে যদি এই উম্মতও বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়, তারা কি মুশরিক হবে না? অবশ্যই হবে। আবারও লক্ষ করেন, আমাদের নবী সাঃ এর পূর্বে যারা দ্বীনকে বিভক্ত করেছিল এবং দলে দলে ভাগ হয়েছিল তারা মুশরিক। ঠিক একই কাজ যদি এই উম্মতও করে তারাও মুশরিক হবে।
পরিশেষে ইমাম ইবনে কাসীর রহ. মুক্তিপ্রাপ্ত দল এর উদাহরণ টেনেছেন। মুক্তিপ্রাপ্ত দলের ব্যাপারে রাসূল সাঃ বলেছেন, তারা হলো আমি এবং আমার সাহাবারা যার উপর রয়েছি।
এখানে তাবেয়ী, আলেম উলামাদের টানা হয় নি। শুধুমাত্র রাসূল সাঃ ও সাহাবাদের দৃষ্টান্ত হিসেবে টানা হয়েছে।
এবার আরও গভীর ভাবে লক্ষ করেন, আমিও আপনাদের টেনেছি কোরআন হাদিস, রাসূল সাঃ ও সাহাবাদের দিকে অর্থ্যাত মুক্তিপ্রাপ্ত দলের দিকে। কিন্তু আপনারা মানতেছেন না।
আরও বেশ কিছূ বিষয়ের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করলাম না। যদি চান তো সেগুলোরও উত্তর দিব। আর যদি আমাকে আহলে হাদিস, সালাফী বলে কোন গ্রুপে ফেলে সত্য অস্বীকার করতে চান তো বলব, যে রাসূল সাঃ কেও জাদুকর, পাগল বলে সত্য অস্বীকার করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আপনি যেই ট্যাগই লাগান না কেন সত্য প্রচারে আমি পিছপা হবনা। ইনশাল্লাহ। আমাদের ইমামের নাম মুহাম্মদ সাঃ এবং আমাদের মাজহাবের নাম ইসলাম। মন চাইলে মানেন না চাইলে নাই। ধন্যবাদ।
৩৮|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪৫
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আগে একটারও সরাসরি জবাব না দিয়ে পেচিয়েছেন। এবার কি সরাসরি জবাব দিবেন ???
আপনি বলেছেন,
আপনার নিকট প্রশ্ন, উম্মাতে মুহাম্মদীর পূর্বে যারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল তারা যদি মুশরিক হয়, ঠিক একই কারণে যদি এই উম্মতও বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়, তারা কি মুশরিক হবে না? অবশ্যই হবে।
এখানে বিবাদমান দুই দলকে কেন মুসলমান হিসেবে আখ্যায়িত করলেন হুজুর স. ???
কেন বেশি ইসলাম সম্পর্কে জানেন ???
আপনি
নাকি
হুজুর স. ??
আশা করি সরাসরি জবাব দিবেন। আর যদি অতীতের মত পেচাতেই থাকেন তবে পেচাতেই থাকুন।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৮
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনারে বলছি ২৮ নং কমেন্টে করা মাজহাবীদের মুসলিম প্রমাণ করতে। ৩৫ নং কমেন্টের জবাবে বলছি যে আপনি ২৮ নং কমেন্টের পর থেকেই খালি প্যাচাইতেছেন। ২৮ নং কমেন্টে উত্তর ছাড়া আর কোন কমেন্ট গ্রহণ করব না। কিন্তু তার পরেও নির্লজ্জের মতো উত্তর না দিয়া কমেন্ট করতেছেন।
এই কমেন্টটা গ্রহণ করলাম শুধুমাত্র একটা কারণেই যে আপনি বহুত কষ্টে একটা হাদিস তুলে আনছেন। শুধুমাত্র হাদিসটার কারণেই এই কমেন্ট গ্রহণ করলাম।
--------------এটি আপনার ৩য় দলিলঃ--------------
=> উত্তর ঃ এখানে আপনি একটি হাদিস উল্লেখ করলেন। জানতে চাইলেন, বিবাদমান দুটি দলকে কেন রাসূল সাঃ মুসলিম বললেন?
দুটি দল বিবাদ করে বিভক্ত হয়ে গেলে কাফির হয়ে যায়, এই থিউরী আপনি কই পাইলেন? অথবা আমি কি কোথায় বলছি যে ""বিবাদ করে দুটি দল বিভক্ত হয়ে গেলে কাফির হয়""? ইনশা আল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত এমনটি দেখাতে পারবেন না।
=> দুটি দল ঝগড়া করে আলাদা হওয়া এবং নামে নামে মাজহাব তৈরী করা কি এক জিনিস? আশ্চর্য্য।
=> আলী রাঃ ও মুয়াবিয়া রাঃ ঝগড়া করে আলাদা হয়েছিলেন। তাদের নামে কি আলাদা মাজহাব তৈরী করা হইছিল? হয় নাই।
সাহাবাদের বিবাদ দ্বীনকে ভাগ করে নাই। কিন্তু আপনাদের মাজহাবী আলেমরা দ্বীনকে ভাগ করেছে। তাদের মতে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করলেও ঈমাণ পূর্ণ হয় না যতক্ষণ পর্যন্ত ৪ দলের ১টায় বিভক্ত না হয়। আপনাদের মাজহাবী আলেমরা ইসলামকে ৪ টুকরা বানাইছেন।
মূলত তারাই দ্বীনকে ৪টা দলে বিভক্ত করছে এবং আপনারা সেই দলে দলে বিভক্ত হওয়া যাওয়া ব্যক্তি বর্গ।
এজন্যই আল্লাহ বলেছেন
সূরা রুম-৩০/৩১-৩২> মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত হয়ো না যারা দ্বীনকে বিভক্ত করে এবং দলে দলে বিভক্ত হয়, প্রত্যেকে নিজ নিজ দল নিয়ে উল্লসিত।
কারা দ্বীনকে ভাগ করেছে? উত্তর ঃ এই মাজহাবী আলেমরা। তারা ৪ টুকরা করছে।
কারা বিভক্ত হইছে? উত্তরঃ এই মাজহাবী আলেমদের ফতোয়া মেনে যারা দলে দলে প্রবেশ করছে।
মুশরিক কারা? যারা দ্বীনকে ভাগ করছে অর্থ্যাৎ (১) মাজহাবী আলেমরা এবং (২) ফতোয়া মেনে বিভক্ত হওয়া ব্যক্তিরা।
সুতরাং মুসলিম হতে হলে মাজহাবী বিভক্তি ছেড়ে মুসলিম হতে হবে। কোরআন ও সহীহ হাদিস এর অনুসরণ করতে হবে। হেদায়েত আল্লাহ হাতে। আমার দাওয়াত দেওয়ার কাজ। দাওয়া দিছি।
৩৯|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৪
এম এম হোসাইন বলেছেন: আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি দলীল যা গ্রহন করেছেন,
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস
৩। সাহাবাদের আমল
আপনার উপরোক্ত দলীল থেকে সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা দিন এবং শর্তাবলী আপনারটাই রাখলাম।
ভাই শুধু মুসলিম,
আপনি কি উপরোক্ত দলীল থেকে সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা দিয়েছেন?
আমার যতটুকু বুঝে আসে আপনি উপরোক্ত দলীল থেকে সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা দিতে পারেন নি/দেন নি।
যদি না দিয়ে থাকেন/ না দিতে পারেন তাহলে আর ফাও আলোচনা চালালেন কেন বুঝলাম না।
যাই হোক, আমি সাধারন মানুষ। ছোট মুখে বড় কথা বলার জন্য ক্ষমা চাই।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে মাফ করুক এবং এই দুনিয়াতে থাকতেই জান্নাতের পাথেয় সংগ্রহ করার তাওফিক দিন।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০৫
শুধু মুসলিম বলেছেন: কোন তৃতীয়পক্ষের মন্তব্য করা নিষেধ ছিল। যেহেতু আবদুস সবুর খান এখনও দলিল দিয়ে মাজহাবীদের মুসলিম প্রমাণ করতে পারে নাই। তাই মোটামুটি ধরে নিচ্ছি যে সে আর কোন দলিল দিতে পারবে না। তবে সামনে দিলে ইনশাল্লাহ উত্তর দিব।
আপনি প্রশ্ন করলেন যে, আমি সহীহ হাদিস এর যে সংঙাটা তা দলিল দিয়ে প্রমাণ করতে পারি নি। আপনি আমার পুরো পোষ্ট এবং কমেন্ট পড়েন নি।
আমি সহীহ হাদিস এর সংঙা দিয়েছি ১ নং কমেন্টে। লক্ষ করুনঃ
===========================================
যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে। কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি এবং সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর। তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন এবং তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না এমন হাদিসকে "সহীহ হাদিস" বা "সহীহ লি যাতিহী হাদিস" বলা হয়। যেমন ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত রাসূল সাঃ বলেন,
নিশ্চয়ই সকল কাজের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভর করে। (বুখারী, তাওহাদী পাবলিকেশন্স হাদিস নং-১, ইসলামিক সেন্টার, হাদিস নং-১, আধুনিক প্রকাশনী, হাদিস নং-১)। এই হাদিসটি সহীহ হাদিস "সহীহ লি যাতিহী" এবং এটাই সহীহ হাদিসের সংগা।
===========================================
এবার আপনারা বললেন যে সহীহ হাদিস এর সংঙা দলিল থেকে দিতে অর্থ্যাৎ কোরআন বা হাদিস থেকে দিতে।
এ কথা বলার উদ্দেশ্য হলো যে আপনারা ভাবছিলেন যে আমি আলেমদের নাম দিব। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আমরা মুসলিমরা আলেমদের পুজা করি না। আমরা কোরআন থেকেই সহীহ হাদিস এর সংঙা বের করে দিয়েছি। কিন্তু আপনার চোখে পড়ে নি। আপনি ২২ নং কমেন্টটি লক্ষ করেন নি। সেখানে আমার সহীহ হাদিস এর সংঙা দেওয়ার পর কোরআনেও দালিল দ্বারাও তা প্রমাণ করেছি। নিচের জবাবটি লক্ষ করুনঃ
===========================================
শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনার প্রথম প্রশ্নঃ আপনি সহীহ হাদিসের সংগার দলিল চেয়েছিলেন যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে। কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি এবং সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর। তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন এবং তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না এমন হাদিসকে "সহীহ হাদিস" বা "সহীহ লি যাতিহী হাদিস" বলা হয়।
উপরোক্ত হাদিদের সংগাটি সঠিক কি না তার দলিল আসার পূর্বে দেখতে হবে উপরোক্ত সংগাতে কি কি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
১) যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে।
২) কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি
৩) সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর।
৪) তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন
৫) তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না।
এই সহীহ হাদিসের সংগাটি গ্রহন করা হইছে কোরআনে সূরা হুজরাতের ১২ নং আয়াত থেকে।
....তোমরা ধারণা থেকে দূরে থাক।-সূরা হুজরাত-১২
হাদিসের সনদে বিচ্ছিনতা থাকলে হাদিসটি সন্দেহযুক্ত হয়, রাবী বাদ পড়লে হাদিসটি সন্দেহ যুক্ত হয়, রাবী অবিশ্বস্ত হলে হাদিস সন্দেহযুক্ত হয়। মোটকথা হাদিস সহীহ হতে হলে কোরআনের উপরোক্ত আয়াত অনুযায়ী হাদিসটি সন্দেহমুক্ত হতে হবে।
অতএব, এই সহিহ হাদিস সংক্রান্ত এই সংগাটি কোরআন থেকেই নেওয়া হইছে। আপনাদের মতো কোন আলেমের মুখের থেকে দলিল ছাড়া গ্রহণ করা হয় নাই।
===========================================
সুতরাং যদি বিচার মানি তালগাছ আমার টাইপের হয়ে থাকেন তো আবদুস সবুর খানের সাথে যান। আর যদি সত্য মানতে চান, কোরআন ও হাদিস অনুসরণ করতে চান তো কুরআন ও হাদিস এর দিকেই আসুন। ধন্যবাদ।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০৯
শুধু মুসলিম বলেছেন: ===> আপনাকে ও আবদুস সবুর খানকে বলছিঃ
যদি সহীহ হাদিস এর এই ব্যাখ্যা না মানেন তো বলেন কোনটা সঠিক ব্যাখ্যা। অবশ্যই কুরআন ও হাদিস থেকে বলতে হবে। হাদিসের বইয়ের ভূমিকা বা আলেম এর বক্তব্য দিলে চলবে না। ইনশাআল্লাহ আর কোন ব্যাখ্যা আনতে পারবেন না। যদি ব্যাখ্যা থাকে তো দেন।
৪০|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৯
এম এম হোসাইন বলেছেন: ভাইয়া মনে কিছু নিবেন না। আমি আলেম না , সাধারন পাব্লিক, সো আমার ভুল হয়ে পারে।
আপনি সহীহ হাদিস দিয়েছেন এই ভাবেঃ
যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে। কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি এবং সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর। তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন এবং তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না এমন হাদিসকে "সহীহ হাদিস" বা "সহীহ লি যাতিহী হাদিস" বলা হয়।
এর রেফারেন্স হিসেবে দিলেন ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত হাদিসঃ
''নিশ্চয়ই সকল কাজের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভর করে।''
এরপর বললেন যে, এই হাদিসটি সহীহ হাদিস "সহীহ লি যাতিহী" এবং এটাই সহীহ হাদিসের সংগা।
ভাইয়া, আমার প্রশ্ন তো এখানেই। এই হাদিসের ব্যাখ্যা হিসেবে আপনি সংগা দিবেন কেন? আমি হাদিসের ব্যাখ্যা শুনতে চাচ্ছি না। সরাসরি উপরোক্ত দলীল থেকে সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা চাচ্ছি।
আশা করি বুঝাতে পেরেছি।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৪৪
শুধু মুসলিম বলেছেন: প্রথমতঃ আপনি প্রথম কমেন্টে বললেন আমি ফাও প্যাচাল পারছি আর এই কমেন্টে শুরু করছে "ভাইয়া" শব্দ দ্বারা। আপনি আলেম না তাহলে ভূল ধরতে আসছেন কেন? যে বিষয়ে ভূল ধরবেন সে বিষয়ে অবশ্যই আপনার ইলম থাকতে হবে। এখন তো ফাইজলামী আপনি করতেছেন।
দ্বিতীয়তঃ আমি সহীহ হাদিস এর সংগা দিলাম। শাস্ত্রীয় সংগা। তারপর উদাহরণ দিলাম "যেমন" শব্দ দ্বারা। আমি উদাহরণ দিছি।
সবশেষে বলেছি, //এই হাদিসটি সহীহ হাদিস "সহীহ লি যাতিহী" এবং এটাই সহীহ হাদিসের সংগা////। এখানে "এই হাদিসটি" শব্দ দিয়ে হাদিসটিকে বুঝিয়েছি এবং "এটাই" দিয়ে (সংগা + উদাহরণ) কে বুঝিয়েছি। আশা করি এবার বুঝছেন। না বুঝলে প্রশ্ন করবেন।
৪১|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩১
এম এম হোসাইন বলেছেন: কারেনশোন:
আপনি সহীহ হাদিস দিয়েছেন এই ভাবেঃ
হবে আপনি সহীহ হাদিসের সংগা দিয়েছেন এই ভাবেঃ
৪২|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৪১
এম এম হোসাইন বলেছেন: আমি আসলে সরাসরি (কোন প্রকার ব্যাখ্যা বিশ্লসন ছারাই) কুরআন বা হাদিস থেকে সহীহ হাদিসের সংগা জানতে চাচ্ছিলাম।
কারন আমি মনে করি যদি সরাসরি (কোন প্রকার ব্যাখ্যা বিশ্লেসন ছারাই) কুরআন বা হাদিসে সহীহ হাদিসের সংগা না থাকে তাহলে সহীহ হাদিসের সংগা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ আলেমগন। এর ফলে বিশেষজ্ঞ আলেমগনের মতামতও আমাদের জন্য দলিল হবে। এতে আপনার ১নং শর্ত বাদ যাবে।
আশা করি বুঝাতে পেরেছি।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫২
শুধু মুসলিম বলেছেন: বিশেষজ্ঞ আলেমগণ এর দিকেই আমাকে টেনেছিল আবদুস সবুর খান। কিন্তু আমি তাকে টানছি কোরআন ও সহীহ হাদিস এর দিকে।
আপনি যেই বিশেষজ্ঞ আলেমগণ এর কথা বললেন, তারাও এই দলিল থেকে হাদিসের ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন। আপনারা আলেমদের বক্তব্য মুখস্থ করে ফেলতে পারেন, কিন্তু আলেমরা কোন দলিল থেকে সেটি গ্রহণ করেছে সেই দলিল মুখস্থ করতে পারেন না।
আলেমদের কাছে তো ওহী নাজিল হয় না। তাই দেখতে হবে তারা কোন দলিল থেকে কোন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আপনানে বুঝানোর জন্য জাস্ট একটা উদাহরণ দিচ্ছি যদিও এমন উদাহরণ আমরা দেই না। ইমাম আবু হানিফা রহ. এর বক্তব্য হচ্ছে, কারো পক্ষে হারাম হবে আমার পক্ষ থেকে কোন কথা বলা যতক্ষণ না জানে আমার বক্তব্যটি আমি কোন দলিল থেকে গ্রহণ করেছি।
আলহামদুলিল্লাহ, ইমাম আবু হানিফা সহ অন্যান্য ইমামরা যেই মূলনীতি গ্রহণ করেছি, আপনারা সেই মূলনীতি বাদ দিয়ে আলেম পুজা শুরু করেছেন। আলেমদের বক্তব্যকে কোরআন ও সহীহ হাদিস এর সাথে দলিল হিসেবে দাড় করিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞ আলেমগণের মতামত থেকে আমরা দলিলটি গ্রহণ করব। উনারা দলিল ছাড়া কথা বলেছেন খুব কমই। সুতরাং উনাদের মতামত/ফাতওয়া থেকে দলিলটি সংগ্রহ করুন।
আমার শর্তগুলো আগের মতোই থাকবে। বরং আলেমপুজা বাদ যাবে।
৪৩|
২৩ শে জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:২৯
বিবর্ন সভ্যতা বলেছেন: যদিও বছর খানেক পরে লেখাটি আমার চোখে পড়ল, আমি মাজহাব অনুসারিদের একটা সহজ প্রশ্ন করতে চাই। সেটা হল, আপনারা একটা কথা তো সবাই মানবেন যে, প্রথমত আমাদের অনুসরন করা উচিত নবী (সঃ) এবং তার সাহাবিদের জিবন প্রনালী।
এখন আপনারা বলেন, উনারা কোন মাজহাবের অনুসারি ছিলেন? যদি বলতে পারেন তবে, আমরা ও সেটাই অনুসরন করব কোন প্রকার সন্দেহ ছাড়াই।
৪৪|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:০৭
তাজ উদ্দীন বাবুল বলেছেন: #শুধু মুসলিম বলেছেন-
///মাযাহাবীরা কাফির ও মুশরিক///
#আব্দুস সবুর খান বলেছেন-
//////মাযাহাব মানার কারনে উনারা মুশরিক হয়েছেন কিনা তাও জানাবেন।
ইমাম বুখারী রহ. শাফেয়ী মাঝহাবে অনুসারী ছিলেন।
(শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলভী রহ., “আল-ইনসাফ”, পৃষ্ঠা : ৬৭
আল্লামা তাজউদ্দীন সুবকী, “তবক্বাতুশ শাফেয়ীয়ার”, পৃষ্ঠা : ২/২
গাইরে মুকাল্লিদ আলেম নবাব ছিদ্দিক্ব হাসান খান, “আবজাদুল উলুম”, পৃষ্ঠা : ৮১০)
ইমাম মুসলিম শাফেয়ী মাঝহাবে অনুসারী ছিলেন।
(গাইরে মুকাল্লিদ আলেম নবাব ছিদ্দিক্ব হাসান খান, “আল হিত্তার”, পৃষ্ঠা : ১৮৬)
ইমাম তিরমিযী সম্বন্ধে শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দেহে দেহলভী “আল-ইনসাফের” ৭৯ পৃষ্ঠায় মুজতাহিদ তবে হাম্বলী মাযহাবের প্রতি আকৃষ্ট এবং এক পর্যায়ে হানাফী বলেও উল্লেখ করেছেন।
ইমাম নাসাঈ
এবং ইমাম আবু দাউদ রহ. হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।
(আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী রহ. “ফয়জুল বারী”-এর ১/৫৮ পৃষ্ঠায় ইবনে তাইমিয়্যার উদ্বৃত্তি দিয়ে উল্লেখ করেছেন।
গাইরে মুকাল্লিদ আলেম নবাব ছিদ্দিক্ব হাসান খান, “আবজাদুল উলুম”, পৃষ্ঠা : ৮১০)
ইমাম ইবনে মাজাহকে আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী “ফয়জুল বারী”-এর ১/৫৮ পৃষ্ঠায় শাফেয়ী বলে উল্লেখ করেছেন।/////
#শুধু মুসলিম ভাইয়ের কোনো জবাব নাই। লা জাওয়াব।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৫৯
আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি দলীল যা গ্রহন করেছেন,
দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস
৩। সাহাবাদের আমল
আপনার উপরোক্ত দলীল থেকে সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা দিন এবং শর্তাবলী আপনারটাই রাখলাম।