নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সাদামাটা মানুষ। ভালবাসার কাঙ্গাল। অল্পতেই তুষ্ট। সবাই আমাকে ঠকায়, তবুও শুরুতে সবাইকে সৎ ভাবি। ভেবেই নেই, এই মানুষটা হয়ত ঠকাবেনা। তারপরেও দিনশেষে আমি আমার মত...

অপলক

তত্ত্ব, তথ্য ও অনুভূতি ভাগাভাগি করা আমার অভিপ্রায়। কারও যদি ইচ্ছে হয় তবে যে কেউ আমার এই ব্লগের যে কোন কিছু নিজের সংগ্রহে রাখতে পারে।

অপলক › বিস্তারিত পোস্টঃ

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ঐ আকীকা বাবদ বুবু সে সময় খরচ করেছিল মাত্র ১২০৭ কোটি টাকা। ভাবতেই ভাল লাগে...



সে সময় হুমায়ূন কবির হাকীম নামের সামুর এক ভাই লিখেছিলেন, ঐ ১২০৭ কোটি বাংলা টাকা দিয়ে কি কি করা যেত:
১। মাথাপিছু ৫ লাখ টাকা করে ঋণ দিলে ২৪০০০ জন ছেলে/মেয়ের বেকারত্ব দূর করা যেত। সাথে আরও ২ জন করে কর্মচারী খাটলে মোট ৭২০০০ জন ছেলে/মেয়ের বেকারত্ব দূর করা যেত, অথবা
২। প্রতিটি দশ লাখ টাকা হিসেবে ১২০০০ নতুন হাইস্কুল অথবা প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করা যেত। তার মানে প্রতিটি থানায় ২০টি নতুন স্কুল করা যেত, অথবা
৩। প্রতিটি ১০ কোটি টাকা হিসেবে ১২০টি ছোট ব্রিজ করা যেত, অথবা
৪। সম্ভবতঃ একটি ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা যেত, অথবা
৫। প্রতিটি ১০ কোটি টাকা হিসেবে ১২০টি ছোট আকারের কুটির শিল্প-কারখানা স্থাপন করা যেত অথবা স্থাপনে সহায়তা করা যেত, অথবা
৬। প্রতিটি ১০০ কোটি টাকা হিসেবে ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা যেত।

বুবুর চান্দি এত এত গরম ছিল যে, ক্ষমতা গ্রহনের ২ বছরের মধ্যে এই অপরিপক্ক কাজটা করেছিল। পরিপক্কতার পরিচয় পেত, যদিও মন্দের ভাল হত, নাম পরিবর্তনের ঐ অবান্তর কাজে টাকা খরচ না করে নিজের নামে বা বাপের নামে বা প্রতিবন্ধি ছেলের নামে নতুন কোন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বানাত।



পুরাতন কাসুন্দি ঘেটে আর লাভ নেই। গতকাল খালবাবা নির্দেশনা দিয়েছে, বর্তমান হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করবে না তার সরকার। দেশের টাকা অপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করতে আগ্রহী নই।

এই প্রথম খালবাবাকে ধন্যবাদ দিলাম। দুদিন আগে আরও একটা ভাল কাজ হয়েছে, ঠাঁকুরগাঁয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় করার ঘোষনা এসেছে। দেশের এক কোনায় পরে থাকা এই অঞ্চলটি এবার প্রকৃত উন্নয়নের মুখ দেখবে। তবে এ মহূর্তে আমি ভারতের ডাকে সাড়া দেওয়া এবং পদ্মা ব্যারেজের সিদ্ধান্তে বিপক্ষে।


হুমায়ূন কবির হাকীম সেই পুরান পোস্টের লিঙ্ক।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: নাম পরিবর্তন বেহুদা কাজ ঠিকই। তবে বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন করতে ১২০৭ কোটি টাকা খরচ!!! :) একটু বেশি হয়ে গেল না!! :)

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

অপলক বলেছেন: সেই বেহুদা : ১২০৭ কোটি টাকা খরচ করেছিল শেখ হাসিনা X((


আমার কাছে সেটা ১ কোটি টাকা হলেও বেহুদা...

২| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

মাথা পাগলা বলেছেন: আমি জানতাম নাম পরিবর্তনে ১৬ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছিলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.