নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ধুর!

বিকট

হাসান মাহবুব

আমার অপদার্থতাকে মাহাত্ম্য ভেবোনা...

হাসান মাহবুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

অভ্যাগত সরিসৃপেরা

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:২৯



চলতি মাসের বেতন পাওয়ার পর খলিল একটা দুঃসাহসী কাজ করে ফেললো। ব্যাপারটাকে আদতে দুঃসাহসী বলা যায় না হয়তো, তবে খলিলের সাহস বরাবরই কম, সে অর্থে দুঃসাহসী বলা যেতেই পারে। কাজটা করার পর প্রথমদিকে একটু ইতস্তত বোধ করলেও পরবর্তীতে ট্যাবু ভাঙার আনন্দে তার ভীতি এবং সংকোচ উবে যায়। কাগজে মোড়ানো লালচে পানীয়ের বোতলটা ব্যাগে রাখার পর সে পানশালায় জমায়েত মানুষদের দিকে সসংকোচে তাকিয়েছিলো। এই বুঝি মুরুব্বীগোছের কেউ তার কাঁধে হাত রেখে কানটা মুচড়ে দিয়ে তিরস্কার করে! মদ খেলে নাকি চল্লিশ দিনের ইবাদত নষ্ট হয়ে যায়। ইবাদত-বন্দেগীতে অবশ্য তার খুব একটা মন নেই। তারপরেও শৈশবের শৃঙ্খল আর শাসন ভাঙা খলিলের মতো ফ্যাকাশে চামড়ার, আত্মবিশ্বাসের অভাবে খানিকটা কুঁজো হয়ে হাঁটা যুবকের জন্যে একটু বেশিই ছিলো। তার সাথে থাকা বন্ধুটি, যে নাকি চোখ বন্ধ করে গন্ধ শুকেই বলে দিতে পারে কোনটা কোন ব্র‌্যান্ডের মদ, সে মদ্যপান পরবর্তী সুখময় অবস্থার কথা, জাগতিক যন্ত্রণা আর বেদনা থেকে অব্যাহতি লাভের কথা রসিয়ে রসিয়ে বললে খলিলের সংকোচ অনেকটাই কেটে যায়। অবশ্য ব্যাপারটা এমন না যে খলিল খুব যন্ত্রণাকাতর জীবন কাটাচ্ছে। যে চাকুরিটা করে তা দিয়ে তার মোটামুটি ভালোই চলে যায়। দেশে টাকা পাঠাতে হয় না। বাবা-মা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে বেঁচে আছেন এখনও বহাল তবিয়তে। একমাত্র বড় বোনটারও ভালো বিয়ে হয়েছে। প্রেমিকা সংক্রান্ত কোন দহন বা আক্ষেপ নেই। তারপরেও বন্ধুর কথায় প্ররোচিত হয়ে সে সপ্তাহান্তের জন্যে এক রাতের বিলাসিতা করেই ফেলবে ঠিক করলো। আধা বোতল ব্র্যান্ডি, কী বা হবে এতে! আধা বোতল মানে ৩৭৫ মিলিলিটার। তবে জসিমের মতে, এটা হেসেই উড়িয়ে দেবার মতো ব্যাপার। সে নাকি এক লিটার হান্ড্রেড পাইপারস নিমিষেই গিলতে পারে। এ কথার পর খলিলের আরো কোন দ্বিধা রইলো না। মদ্যপানের ইচ্ছার চেয়ে সেও যে একজন শক্ত পুরুষ মানুষ সেটা প্রমাণের জন্যেই সে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠলো। যাবার সময় জসিমের হাত ধরে শক্ত একটা ঝাঁকুনি দিয়ে তার শক্তি কার্যক্রমের উদ্বোধন করলো।



রাত এগারোটার সময় ৩৭৫ মিলিলিটারের বোতলটাকে কোমল পানীয় দিয়ে ৫০০ মিলিতে পরিণত করলো সে। জসিমের পরামর্শ অনুযায়ী, কোন কিছু না মিশিয়ে খেলে লিভারেরও ক্ষতি, বমি করে ভাসিয়ে নেশারও দূর্গতি হবার সম্ভাবনা। আধা বোতল খাওয়ার পর তার একটু মাথা ঝিমঝিম করলো বটে, তবে সে যেমনটা শুনেছে জসিমের কাছে তেমন কিছুই হলো না। কোথায় সে আনন্দরথ? কোথায় পলকা শরীরে আকাশ উড্ডয়ন? নিজেকে প্রবল পুরুষ ভাবতে ভাবতে সে চুমুকের পর চুমুক দিতে লাগলো দ্রুতগতিতে। নেশা হয়নি তাতে কী হয়েছে, আধা বোতল ব্র‌্যান্ডিতে যে তার কিছুই হয় না এটাকেই বড় অর্জন ভেবে নিয়ে সে শেষ চুমুক দিয়ে ঘুমুতে গেলো।



সকালে উঠে বাথরুমে যাবার সময় সে খেয়াল করলো, শরীরে তেমন বল পাচ্ছে না। ব্যথায় মাথাটা ছিড়ে যাবার উপক্রম হয়েছে। আচ্ছা, এটাকেই তাহলে হ্যাংওভার বলে। ও কিছু না, আরো খানিকক্ষণ ঘুমিয়ে কড়া করে এক কাপ চা খেয়ে নিলেই হবে। তবে প্রস্রাবের বেগ চেপেছে প্রচন্ড। বাথরুমে একবার না গেলেই না! এ কী! বাথরুমের ছিটকিনিটা ভাঙা কেন? গতরাতে সে এমন কিছু করেছে বলে মনে করতে পারে না। অবশ্য বাইরের ছিটকিনি থাকা বা না থাকা একই কথা। দরজাটা চাপিয়ে রাখলে বেশ এঁটে যায়। জলত্যাগ করে এসে ঘুমুতে গিয়ে সে লক্ষ্য করলো, লেপ-তোষক কেমন যেন ভেজা ভেজা। তাতে প্রস্রাবের কটূ গন্ধ। গতকাল রাতে বোতল শেষ করবার পর অনেকক্ষণ ধরে উবু হয়ে বসেছিলো বিছানার ওপরে এটুকু তার মনে আছে। তার মানে কী...ধ্যাৎ! কোথা থেকে কী হলো! আধা বোতল ব্র‌্যান্ডি খেয়েই সে দরজা ভেঙেছে, বিছানায় মুত্রত্যাগ করেছে, শেষতক আর শক্ত পুরুষ থাকা হলো না তার। সে সরোষে মেঝেতে তোবড়ানো বোতলটার দিকে তাকিয়ে রইলো। বোতলটার ওপর এমন নির্যাতন চালালো কখন! ব্যাপার বিশেষ সুবিধার ঠেকছে না। নির্ঘাৎ ব্ল্যাকআউট হয়েছিলো তার। তাড়াতাড়ি ফোনটা হাতে নিয়ে কললিস্ট চেক করতে গিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো সে। নাহ, গতকাল রাতে সে কাউকে ফোন করে নি। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আবারো ঘুমুতে যায় খলিল মুত্রগন্ধময় লেপ জড়িয়ে নিয়ে।



দুপুরে ঘুম থেকে উঠে কিছুটা ধাতস্থ হলো খলিল। নিজের দূর্বলতাকে মেনে নিয়ে কঠিন প্রতিজ্ঞা করলো, আর জীবনে মদ স্পর্শ করবে না। ব্র‌্যান্ডির বোতলটা ফেলে দিয়ে আসলো ময়লার স্তূপে। এখন মিস্ত্রী ডেকে বাথরুমের দরজাটা ঠিক করাতে হবে। লেপের কভার পাল্টিয়ে রোদে শুকোতে দিতে হবে নিজেকেই। শীতকাল এখনও বাকি আছে অনেকখানি। মুত্রগন্ধময় লেপ আর তোষক শীতের ওমশোষক হিসেবে কাজ করবে। বিরক্তির সাথে কভারটা খুলে লেপটা ছাদে শুকোতে দিয়ে আসলো সে।



বিকেলের দিকে পাড়ার চায়ের দোকানে দেখা হয়ে গেলো জসিমের সাথে। জসিম গতকাল রাতে এক লিটার ভদকা পান করেছে। তাকে দেখে অবশ্য বুঝবার জো নেই। দিব্যি খোশমেজাজে ভোঁসভোঁস করে সিগারেট টেনে গতকাল রাতের অভিজ্ঞতা বয়ান করছে। খলিলকে দেখে তার জোশ বেড়ে গেলো।

-আরে কী খবর খলিইল্যা! কালকে রাতে কেমন টানলি। চেহারা দেইখাতো মনে হইতাছে তুই মদ খাস নাই, মদই তোরে খাইছে হাহাহা!

খুনসুটিপ্রিয় বন্ধুবর্গ সোৎসাহে যোগ দিল এই হাস্যকর্মে। তখন সাঁঝ ঘনিয়ে আসছে। লেপটা ছাদ থেকে তুলে নিয়ে আসতে হবে। তাই খলিলের সেখানে বেশি সময় ব্যয় করার অবকাশ ছিলো না। সে পাংশু মুখ করে এক কাপ চা খেয়ে চলে এলো সেখান থেকে।

-আরে যাস কই! মদ তোরে কেমনে খাইলো কইয়া যা! কোনদিক দিয়া খাইলো? হালায় ফুটতাসে! কইলাম মদ খাইস না, সবাইরে দিয়া সবকিছু হয় না। আবালটা কথা শুনলে তো!



যদিও জসিমের পীড়িাপীড়িতেই সে মদ্যপান করেছে, তারপরেও তার এহেন উপদেশমূলক মিথ্যাচারে সে বাগড়া না দিয়েই ছুটলো। এবং সবাইকে আরো একবার বিপুল আমোদিত করে হড়হড়িয়ে বমি করলো।





লেপের কভার খোলা সহজ, তবে সেটায় আবার লেপটাকে সাঁটানো বেজায় কঠিন কাজ। এই কোণা ঠিক থাকে তো ওই কোণায় একগুচ্ছ তুলো জমে থাকে, সেই কোণা ঠিক থাকলো তো অন্য কোণায় লেপজট। মহা বিতিকিচ্ছিরি এক ব্যাপার। বাহির থেকে ঠাসাঠাসি করে এ কার্য সমাধা করা দুরূহ, তাই খলিল লেপের কভার উঁচু করে তার ভেতরে মাথা গলিয়ে লেপের প্রান্তগুলো ঠিক করার চেষ্টা শুরু করলো। এটাও কম ঝঞ্ঝার না! লেপের কভারের ভেতর মাথা প্রবিষ্ট করে তার এক ভৌতিক অনুভূতি হলো। মনে হতে লাগলো যে এটা একটা বিশাল অজগরের হা, এবং সে ক্রমশই সেখানে ঢুকে যাচ্ছে। ভয়ানক এক অনুভূতি। একলা থাকার এই এক জ্বালা, যখন তখন অদ্ভুতুরে ভয় ঘিরে ধরে। তবে আজকে যেমনটা হচ্ছে তা অন্যদিনের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রভাববিস্তারী। সাপ ভারী ভয় পায় খলিল। সত্যি সত্যি যদি একটা অজগর সাপ তাকে গিলতে চেষ্টা করে এভাবে! বেদম ভয়ে লেপের কভার থেকে মাথা এবং হাত বের করলো সে। নাহ, কিচ্ছু হয় নি। নিজেকে বোঝালো। হ্যাঁ, হতে পারে তার ঘরটা এলোমেলো এবং নোংরা, এতে বড়জোর এডিস মশা বা বড় কেঁচো বাসা বাঁধতে পারে। অজগর সাপের তো প্রশ্নই ওঠে না। ওসব চিন্তা মাথা থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে অবশেষে সে লেপটা ঠিকঠাক মতো কভারের ভেতর ঢোকাতে পারলো। বেশ পরিশ্রম গেছে তার। শরীর ঘামে ভিজে জবজব করছে। হাতে ব্যথা। তবে আজকে ঘুমটা হবে জম্পেশ। এখনই হাই উঠছে।



রাতে খেয়ে বিছানায় যাবার সাথে সাথেই তার চোখে ঘুমের পিপীলিকাদের আনাগোনা করার কথা। কিন্তু একটা অদ্ভুত অস্বস্তিতে তার ঘুম আসছে না কোনভাবেই। ঘুমের পিঁপড়াদের কুড়মুড় করে খেয়ে নিচ্ছে পিঁপড়াখাদক প্রাণী। কোলবালিশটাকে মনে হচ্ছে জীবন্ত। নড়ছে ওটা। বেডসুইচটা অন করার সাহস হচ্ছে না। কী না কী দেখে! কোলবালিশটা ক্রমশ তার গা ঘেঁসে আসছে। শীতল স্পর্শে শিউরে উঠলো খলিল। লুকোনোর জায়গা দরকার। লুকোনোর জায়গা দরকার একটা! কিন্তু কোথায় লুকোবে সে? ভয়ে তার স্বাভাবিক চিন্তাচেতনা লোপ পেলো। সে লেপের কভারটা খুলে সেখানেই সেঁধোনোর চেষ্টা করলো। যদিও সে ছোটখাট, পলকা অবয়বের মানুষ, কিন্তু তাই বলে তার পুরো শরীরটাই লেপের কভারের ভেতর ঢুকে যাবে তা তো হয় না! সেই অসম্ভব ব্যাপারটাই ঘটলো। লেপের কভারের ভেতর প্রস্রাবের বিকট দুর্গন্ধ। সেই সাথে একটা ভেজা ভেজা স্পর্শ। লেপটা কি ঠিকমতো রোদে দেয়া হয় নি? লোভাতুর চেরা জিভ দিয়ে কে যেন তার শরীর চেটে দেয়। খলিল চোখ বন্ধ করে নিজেকে প্রবোধ দেয়ার চেষ্টা করে, এসব কিছুই হচ্ছে না, এসবই এ্যালকোহলের প্রভাব অথবা তার শারিরীক দূর্বলতা। তাতে বিশেষ লাভ হয় না কিছু। হঠাৎ করে লেপ অথবা অজগর সাপটা তাকে উগড়ে দেয় ঘরের সুইচবোর্ডের কাছে। কে যেন হিসহিসিয়ে বলছে, জ্বালো আলো জ্বালো! খলিল মন্ত্রমুগ্ধের মতো লাইটের সুইচে হাত দিলো, এবং দেখলো লেপটার কভারের নকশা পাল্টে গেছে। তাতে অগজর সাপের পৃষ্ঠদেশের কারুকাজ। লেপের জমিন ধরে একটা শীতল প্রাণ এধার থেকে ওধার ছুটছে যেন। খুব আস্তে ওটা নড়ছে, সম্মোহনী চোখে তাকাচ্ছে খলিলের দিকে। লেপসর্পের চোখের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ করেই খলিলের সমস্ত ভয় কেটে গেলো। হঠাৎ করেই তার অজগরটাকে বড় দুঃখী এবং তার মতই একাকী মনে হলো। বেচারা অজগরটা! আর কোথাও জায়গা না পেয়ে তার লেপের কভারের ভেতর জায়গা করে নিয়ে সেটাকে আত্মীকরণ করে ফেলেছে! এখন ঐ বস্তুটাকে লেপ নাকি অজগর কোনটা বলবে তা নিয়ে সংশয়ে পড়ে গেলো খলিল। লেপসর্প নামটা বেশ! লেপসর্প তাকে আহবান করছে কাছে আসার জন্যে। এখানকার পরিবেশের সাথে সে বেশ মানিয়ে নিয়েছে এতক্ষণে। এখন আর অস্বস্তিকর শীতল ভেজা ভাবটা নেই। উপরন্তু তার থেকে ওম বিকিরিত হচ্ছে। খলিলের ঘুম পাচ্ছে ভীষণ। সে লেপসর্পের ভেতর ঢুকে পড়লো।



রবিবার। সকাল আটটা। কাজে যেতে হবে। আগের রাতে ঘুমটা ভীষণ ভালো হয়েছে তার। লেপসর্পের সাথে ঘুমে-স্বপ্নে-তন্দ্রায় কথা হয়েছে বিভিন্ন বিষয়ে। এটাকে অবশ্য ঠিক কথোপকথন বলা যায় না। সাপ তো আর কথা বলতে পারে না! তার মৃদু হিসহিস আর খলিলের নাক ডাকার ঐকতানে রচিত হয়েছে তাদের নতুন সম্পর্কের প্রথম অধ্যায়। তারা জানে, একে অপরকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তারা জেনে গেছে, ভয়াল সরিসৃপ আর ছাপোষা মানুষের সামঞ্জস্য। তারা এখন একে অপরের আশ্রয়।



অন্যদিনের চেয়ে আজ তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরলো খলিল। বেচারা লেপসর্প একা একা কীভাবে আছে না আছে, কে জানে! জসিম অবশ্য অন্যদিনের মতোই তাকে আড্ডার আহবান জানিয়েছিলো। সে কোনমতে কাটিয়ে চলে এসেছে।



"তারপর লেপসর্প! কী খবর তোমার? কোথা থেকে উদয় হয়েছো, কেন আমার এখানেই আশ্রয় গড়েছো এসব জিজ্ঞেস করে তোমাকে বিব্রত করবো না। তোমাকে আমার প্রয়োজন ছিলো ভীষণ। এই যে একা থাকা, এই যে একঘেয়ে চাকুরি, এই যে পলকা দেহ, এই যে খিস্তিবাজ স্বাস্থ্যবান বন্ধুরা, এদের ভীড়ে নিজেকে অনাহুত মনে হয়। সেদিন জসিমের কথামতো মদ কিনে ভালোই হয়েছে। মদ খেয়ে ব্ল্যাকআউট হয়ে বিছানা ভেজালাম, তারপর লেপের কাভার পাল্টাতে গিয়ে সেই অজগরনুভূতি। প্রথমদিকে খুব ভয় পেয়েছিলাম জানো! পাওয়াটাই অবশ্য স্বাভাবিক। তারপর রাতে শোবার সময়...উফ আর মনে করতে চাই না। খুব চমকে দিয়েছিলে সেবার। তবে লেপের ওপর নিজেকে প্রতিস্থাপিত করে দারুণ একটা কাজ করেছো বটে! কী সুন্দর নকশাদার তোমার চামড়া! শীতঘুমের মৌসুমটা এখানেই কাটিয়ে দাও। খাবার দাবার যথেষ্ট আছে তো পেটে! ব্যাস!"



শীত বেড়ে চলেছে ক্রমশ। এত শীত এই নগরে আর কোনদিন পড়ে নি। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কাঁপতে কাঁপতে দু প্রস্থ জামা কাপড় শরীরে চাপিয়েও যখন শীত কমলো না, খলিল সিদ্ধান্ত নিলো লেপসর্পকে গায়ে দিয়েই অফিসে যাবে। হঠাৎ করে দেখে ভারী সুন্দর কাজ করা একটা চাদর মনে হতে পারে। বেশ তো! ফ্যাশনও রক্ষা হবে, আবার শীত থেকেও নিষ্কৃতি মিলবে। তবে লেপসর্পের এই প্রস্তাব মোটেও মনঃপুত হলো না। সে শরীর কিলবিলিয়ে, হিসহিসিয়ে, বিকটা হা করে প্রতিবাদ জানাতে লাগলো।



"বলি তোমার সমস্যাটা কী! মানুষ ভয় পাও? আরে ওখানে কে বসে আছে তোমাকে কাটার জন্যে! মানুষেরই বরং তোমাকে ভয় পাওয়া উচিত। কী বললে? ব্যাপারটা ভয়ঘটিত না? একা থাকতে চাও? তাও না? তাহলে কী! লজ্জা লাগে? রাখো তোমার লজ্জা!" গজগজ করতে করতে খলিল লেপসর্পটিকে শরীরে চাপিয়ে রওনা হয়।



এরকম অদ্ভুত এবং ভয়ানক পোষাক পরে অফিসে যাত্রা করার পেছনে শুধুমাত্র শীত নিবারণই তার আসল উদ্দেশ্য ছিলো না। সে সবাইকে দেখিয়ে দিতে চায়, অজগর সাপকে স্কন্ধে নিয়ে পুরুষোত্তম হতে পেরেছে। জসিমকে আজ দেখিয়ে দেবে কার কত শ্যাটার জোর! এহ! এক লিটার মদ খেতে পারে বলে খুব অহমিকা দেখায় ছোকড়াটা। আজকে আমিও দেখাবো তোমায় বাছাধন! আমার লেপসর্প তোমাকে, তোমাদেরকে, যাবতীয় টিপ্পনিকে এক গ্রাসে খেয়ে ফেলবে। তখন দেখা যাবে কে কেমন পুরুষ।



অফিসে ঢোকার মুখে যথারীতি তাকে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হলো। এর জন্যে অবশ্য সে প্রস্তুতই ছিলো। তবে তার ভাবনার সাথে উদ্ভূত পরিস্থিতির বেজায় ফাড়াক। সে ভেবেছিলো সবাই শশব্যস্ত হয়ে তার পথ ছেড়ে দেবে, আতঙ্কে ছুটোছুটি করবে তেমন কিছুই হলো না। বরং সবাই তাকে দেখে মুখ টিপে হাসতে লাগলো। যথারীতি ফাজলামো করে বসলো জসিম,

"কি দোস্ত, জামদানী শাড়ি কিনা দিছে কেডা? তোমার বয়ফ্রেন্ড নাকি? যাই কউ, জিনিসটা ভালা হইছে। তোমারে মানাইছে হেব্বি"।

ব্যাপারটা যে ফাজলামোর পর্যায়ে যাবে খলিল ভাবতেও পারে নি। পারবেই বা কী করে, বাহিরে আসার সাথে সাথে লেপসর্প কুঁকড়ে মুকড়ে সংকুচিত হয়ে, মাথা এবং জিহবা ভেতরে লুকিয়ে রেখে কখন যে একটা বাহারী চাদরের আকৃতি ধারণ করেছে, তা সে বুঝতেই পারে নি। সুতরাং খলিলের সারাদিনটা কাটলো সহকর্মীদের টিটকারি, মিচকে হাসি আর কথার ছুরিতে আহত হয়ে বাসায় গিয়ে লেপসর্পকে খুব এক হাত দেখে নেবার পরিকল্পনা করতে করতে। বাসায় ফেরার পথে জসিম তার পথ আটকালো।

-জামদানি দোস্ত, হবে নাকি আইজকা?

-কী হবে?

-আরে আজকে সপ্তাহের শেষদিন। একটু মৌজমাস্তি না করলে কি চলে! চলো এক বোতল ব্র‌্যান্ডি নিয়া বসি।

-নাহ, টাকা নাই হাতে।

-আরে টাকা নিবা আমার কাছ থিকা। ধারও না, গিফ্ট দিমু তোমারে যাও। সেইদিন আসলে ব্র‌্যান্ডি খায়া তোমার যুৎ হয় নাই। ব্র‌্যান্ড চেঞ্জ করা লাগবো। হুইস্কি খাও আইজকা।

যদিও মদ্যপানের জন্যে কোনরকম তাড়না সে অনুভব করছিলো না, তারপরেও সে এক বোতল হুইস্কি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে সে মাতাল হয়ে লেপসর্পের আজকের আচরণের জন্যে শাস্তি দিতে পারে। কোন কথা না বলে সে গটগট করে পানশালার উদ্দেশ্যে রওনা হলো, এবং পুরো এক বোতল হুইস্কি নিয়ে ঘরে ফিরলো।





হুইস্কি জিনিসটা ভালোই। ব্র‌্যান্ডির চেয়ে হালকা। খেলে পরে মনটা ফুরফুরে হয়ে যায়। সবাইকে ভালোবাসতে ইচ্ছে করে, সবাইকে ক্ষমা করে দিতে মন চায়। তবে তাই বলে লেপসর্পটাকে সে আজকের আচরণের জন্যে ক্ষমা করতে পারবে না। ভীতু হারামীটার জন্যে তাকে আজ সারাদিন "জামদানী দোস্ত" শুনতে হয়েছে। নামটা মনে হয় পার্মানেন্ট হয়ে যাবে!



"কী হে সর্প! সেদিন আমার মাতলামির সুযোগে হুট করে এসে গিয়েছিলে, ভয় দেখিয়েছিলে, আবার নির্ভরতার আশ্বাসও দিয়েছিলে। কিন্তু শেষমেষ হলো কী! আমি একটা লাফিং স্টক হলাম সবার কাছে। এখন তো খুব তড়পাচ্ছো, তখন সবাইকে একটু ভয় দেখিয়ে দিলে কী হতো! সবাই আমাকে কতো তোয়াজ করতো! সেদিন আমি অনিচ্ছাকৃতভাবে লেপ-তোষকের ওপর প্রস্রাব করেছিলাম, আজ সেটা সানন্দে, নিজ ইচ্ছাতেই করবো। "



রেগেমেগে প্যান্টের জিপার খুলে সে দেখে সেখানে তার শিশ্নের বদলে একটা অজগরের বাচ্চা ঘুমিয়ে আছে। লেপসর্প তার বাচ্চাকে কাছে নেয়ার জন্যে লেপ থেকে নিজেকে বিযুক্ত করে তেড়ে আসছে। খলিল হুইস্কির বোতলটার দিকে তাকালো। অর্ধেকের অর্ধেকও শেষ হয় নি, সুতরাং নেশার ঘোরে এসবকিছু দেখার প্রশ্নই ওঠে না। শিশ্নের জায়গায় অজগর! খারাপ না জিনিসটা। অজগরটা তাকে একটা ভালো জিনিস উপহার দিয়েছে! খলিল অজগরটাকে মাফ করে দিলো। কিন্তু অজগরটা আজ ক্ষেপে আছে কোন কারণে। তার চোখে চোখ রেখে খলিল পড়ে নেয়ার চেষ্টা করলো সর্পকথা,



"ভয়, প্রয়োজনীয়। ভয় পেতে থাকো। ভয় পাও আমাকে। কিন্তু কাউকে সে ভয়ের কথা বলো না। সবারই আছে নিজের ব্যক্তিগত ভয়। তাকে শ্রদ্ধা করো। আমাকে শ্রদ্ধা করো। মানুষ ভয়শীল। মানুষ ভঙ্গুর। মানুষ বিকৃত। বেঁচে থাকতে হলে আমাকে পাশবালিস না ভেবে যকৃৎ ভাবো। পোষা ভয়ঙ্কর প্রাণী ভেবে গর্বিত না হয়ে আতঙ্কিত হও। মানুষ, বিশেষ করে একা মানুষ ধ্বংসবাদী। ধ্বংসের পথে যতো তুমি অগ্রসর হবে তত পাশে পাবে হিংস্র সহচর, আমার মতো। তাকে তুমি ভয় পাবে, সে তোমার দুঃস্বপ্নের দোসর হবে, একসাথে মরণপাত্রে চুমুক দিবে, তোমাকে শক্তিশালী ভাবাবে, কিন্তু জাগতিক কোন কাজে তোমার সহায় হবে না। অন্যের কাছে হাসির পাত্র হয়েই থাকবে। যার যার ভয়াস্ত্র তার তার আঁধারসহায়।"





সকালে ঘুম থেকে উঠে খলিল খেয়াল করে, সে আবারও বিছানা ভিজিয়েছে মদ খেয়ে। লেপটা নেড়ে দিতে হবে রোদ্দুরে। প্যান্টের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে তার অজগরশিশ্নটা চেপে ধরে সে দেখে তা কুঁচকে মুচকে এক লজ্জাজনক খর্বাকৃতি ধারণ করে আছে। অজগর সাপে কোন বিষ নেই, সে ভাবে। তার দরকার কোবরা, কিং কোবরা! যা ফণা তুলবে, ছোবল দেবে।



পরের সপ্তাহে বেতনের প্রায় অর্ধেক টাকা খরচ করে সে দুই বোতল বিদেশী মদ কেনে।



মন্তব্য ১৪৪ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (১৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৩২

বৃষ্টিধারা বলেছেন: ভালো লাগা বাটন টিপে বসে আছি,চাক্কা ঘুরে .....কেবল ই.... :(

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪১

হাসান মাহবুব বলেছেন: ঐটা গেছে গা।

২| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৩৫

শরৎ চৌধুরী বলেছেন: ভয়সরীসৃপ পালকযুগল খসখসেঘষঘষে চ্যাটচ্যাটে কাঁদায় থক থক থক।

ঐ বোতল লইয়া আয়, বোতল বোতল, বোতলে বান্ধুম সাপ। হিস হিস হিস।

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪২

হাসান মাহবুব বলেছেন: চাইনিজরা বোতলে সাপ পুরে মদ খায় বলে শুনসি। আজিব এক জাতি।

৩| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৩৭

ঢাকাবাসী বলেছেন: চমৎকার লেখা, খুব ভাল লাগল।

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪২

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৪| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪১

ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
অ্যাহহ !!

চোখে ঘুম পিঁপড়েদের আনাগোনা - চমৎকার ||

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস মুন।

৫| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪৩

শাকিল ১৭০৫ বলেছেন: ভয়, প্রয়োজনীয়। ভয় পেতে থাকো। ভয় পাও আমাকে। কিন্তু কাউকে সে ভয়ের কথা বলো না। সবারই আছে নিজের ব্যক্তিগত ভয়। তাকে শ্রদ্ধা করো। আমাকে শ্রদ্ধা করো। মানুষ ভয়শীল। মানুষ ভঙ্গুর। মানুষ বিকৃত। বেঁচে থাকতে হলে আমাকে পাশবালিস না ভেবে যকৃৎ ভাবো। পোষা ভয়ঙ্কর প্রাণী ভেবে গর্বিত না হয়ে আতঙ্কিত হও। মানুষ, বিশেষ করে একা মানুষ ধ্বংসবাদী। ধ্বংসের পথে যতো তুমি অগ্রসর হবে তত পাশে পাবে হিংস্র সহচর, আমার মতো। তাকে তুমি ভয় পাবে, সে তোমার দুঃস্বপ্নের দোসর হবে, একসাথে মরণপাত্রে চুমুক দিবে, তোমাকে শক্তিশালী ভাবাবে, কিন্তু জাগতিক কোন কাজে তোমার সহায় হবে না। অন্যের কাছে হাসির পাত্র হয়েই থাকবে। যার যার ভয়াস্ত্র তার তার আঁধারসহায়।"

এক্কেরে মাথার উপ্রে দিয়া গেছে রে ভাই

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৫৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমরা যারা জীবনের কাছে মার খেয়ে নেশা বা ধ্বংসপ্রবণ কিছুর দ্বারস্থ হয়ে উজ্জীবিত হই, তারা বুঝতে পারি না ধ্বংসটা কোথায় হচ্ছে, কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। এক অদ্ভুত ভয় আমাদের গ্রাস করে। সেই ভয়কে শক্তি হিসেবে নিয়ে অন্যদেরও আমরা ভয়ার্ত করতে চেষ্টা করে হাস্যপ্রদ হই। তারপর আবার সেই আঁধারেই নিমজ্জন...

৬| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪৯

মুদ্‌দাকির বলেছেন: ভয়ানক!!! দুঃখজনক !!! আর সত্যি মনে হচ্ছিল !!! দারুন

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৫৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুদদাকির। শুভকামনা।

৭| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:০১

স্বপ্নচারী গ্রানমা বলেছেন:
তার সাথে থাকা বন্ধুটি, যে নাকি চোখ বন্ধ করে গন্ধ শুকেই
বলে দিতে পারে কোনটা কোন ব্র‌্যান্ডের মদ,


যাতে সে মাতাল হয়ে লেপসর্পের আজকের আচরণের জন্যে শাস্তি দিতে পারে।

ভালো লাগলো আপনার লেপসর্পের গল্প...!

ন্যাকেট ওয়েপন নামে একটা ইংলিশ মুভি দেখেছিলাম,
যেখানে স্পেশাল ট্রেইন্ড মেয়েগুলি একটু চেখেই বলে দিতে পারে
সেটা কোন ব্রান্ডের এমনকি কত সালে তৈরীকৃত মদ...!!

ভালো থাকুন ।

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:১৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে। শুভকামনা।

৮| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:২৭

শিশিরের বিন্দু বলেছেন: :)

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:৩০

হাসান মাহবুব বলেছেন: :-/

৯| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:৩০

ডট কম ০০৯ বলেছেন: আমি ভয় পাইছি!! হামা ভাই। :(

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:৩১

হাসান মাহবুব বলেছেন: B-)

১০| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:৩০

আমি সাদমান সাদিক বলেছেন: ভালো লাগা রইল ।।

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:৩১

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

১১| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:১৪

ক্লান্ত তীর্থ বলেছেন: জীবনে একবার চেখে দেখার ইচ্ছা ছিল!


নাহ,কোনদিনও না রে ভাই! :(

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৪১

হাসান মাহবুব বলেছেন: ভালো সিদ্ধান্ত।

১২| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:১৮

অদৃশ্য বলেছেন:






খুবই মজা পেয়েছি লিখাটি পড়ে হাসান ভাই... মানুষের আগ্রহের শেষ নেই... তবে নেশার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠলে তার তার রক্ষা নেই...

অবশ্য ভয়ংকর নেশাগ্রস্থ কয়েকজনকে কঠোরভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে দেখেছি... আর আমার দেখা অনেককেই অনেকদিন আগে থেকে এখন অবধি স্বপ্ন/ঘোরের রাজ্যে বসবাস করতে দেখছি...

শুভকামনা...

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৪২

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অদৃশ্য। শুভকামনা।

১৩| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২১

এহসান সাবির বলেছেন: ''মানুষ, বিশেষ করে একা মানুষ ধ্বংসবাদী। ধ্বংসের পথে যতো তুমি অগ্রসর হবে তত পাশে পাবে হিংস্র সহচর, আমার মতো। তাকে তুমি ভয় পাবে, সে তোমার দুঃস্বপ্নের দোসর হবে, একসাথে মরণপাত্রে চুমুক দিবে, তোমাকে শক্তিশালী ভাবাবে, কিন্তু জাগতিক কোন কাজে তোমার সহায় হবে না। অন্যের কাছে হাসির পাত্র হয়েই থাকবে। যার যার ভয়াস্ত্র তার তার আঁধারসহায়।"

চমৎকার হামা ভাই।

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৪২

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এহসান সাবির।

১৪| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২৫

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: সত্যি সত্যিই দারুন হয়েছে আপনার লেখাটি।













ধন্যবাদ।

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৪২

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৫| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৩৩

সুমন কর বলেছেন: এমন হয় নাকি !!! তাহলে তো আর খাওয়া যাচ্ছে না !! ভয় পাইলুম!! :(( :((

অনেক সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন। লেপসর্প, জামদানী দোস্ত, অজগর, কোবরা সব সব ভাল লাগল। আপনার মূল কথা মনে হয় এই প্যার‌্যাতে:

ভয়, প্রয়োজনীয়। ভয় পেতে থাকো। ভয় পাও আমাকে। কিন্তু কাউকে সে ভয়ের কথা বলো না। সবারই আছে নিজের ব্যক্তিগত ভয়। তাকে শ্রদ্ধা করো। আমাকে শ্রদ্ধা করো। মানুষ ভয়শীল। মানুষ ভঙ্গুর। মানুষ বিকৃত। বেঁচে থাকতে হলে আমাকে পাশবালিস না ভেবে যকৃৎ ভাবো। পোষা ভয়ঙ্কর প্রাণী ভেবে গর্বিত না হয়ে আতঙ্কিত হও। মানুষ, বিশেষ করে একা মানুষ ধ্বংসবাদী। ধ্বংসের পথে যতো তুমি অগ্রসর হবে তত পাশে পাবে হিংস্র সহচর, আমার মতো। তাকে তুমি ভয় পাবে, সে তোমার দুঃস্বপ্নের দোসর হবে, একসাথে মরণপাত্রে চুমুক দিবে, তোমাকে শক্তিশালী ভাবাবে, কিন্তু জাগতিক কোন কাজে তোমার সহায় হবে না। অন্যের কাছে হাসির পাত্র হয়েই থাকবে। যার যার ভয়াস্ত্র তার তার আঁধারসহায়।"

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৪৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন। ঐটুকু না বললে লেখাটায় অস্পষ্টতা থেকে যেতো।

১৬| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৩৬

নিশাত তাসনিম বলেছেন: ++

পীড়িাপীড়িতেই টাইপিং মিস্টেক হৈসে।

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৪৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ। দেখছি টাইপিং মিসটেকগুলো।

১৭| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:১৫

ফয়সাল হুদা বলেছেন: ++

ভবিষ্যতে জাতিকে কোবরা-শিশ্নের আতঙ্ক অনূভব করতে হবে বৈকি ......

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:১৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: এ ধারা চলতে থাকলে সাপ দুই পক্ষকেই খাবে। ধন্যবাদ ফয়সাল!

১৮| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:৪১

আদনান শাহ্‌িরয়ার বলেছেন: কাল থেকেই মনে হচ্ছিলো , আপনি গল্প দিবেন, তাই আপনার ব্লগে ঘোরাঘুরি করছিলাম, গল্প পেয়ে খুশি হলাম । : :P

গল্পটা কি হাসান ভাই এর স্টাইলে ইশপের গল্প বলবো কিনা বুঝছি না । আপনি হয়তো অন্তর্গত ভয়ের কথা বলতে চেয়েছেন, বলতে চেয়েছেন, যারা দুর্বল মানুষ তারা পরনির্ভরশীল হয়ে বাঁচতে যেয়ে প্রতি মুহূর্তে আরও বেশি করে পরনির্ভরশীল হয়ে যায়, আরও একটু করে মরে যায় ভিতরে, কিন্তু খালি চোখে দেখলে মনে হয়, আপনি মদ্যপানের কুফল বলছেন । তাই ইশপের কথা মনে পড়ে গেলো । :P

বর্ণনার দিক দিয়ে আপনি সবসময়ে সাবলিল । জসিমের পাল্লায় পড়া, মদ্যপানের পরের অনুভূতি কিংবা "খলিল সিদ্ধান্ত নিলো লেপসর্পকে গায়ে দিয়েই অফিসে যাবে। হঠাৎ করে দেখে ভারী সুন্দর কাজ করা একটা চাদর মনে হতে পারে। বেশ তো! ফ্যাশনও রক্ষা হবে, আবার শীত থেকেও নিষ্কৃতি মিলবে" এসব বাক্যে খলিলের দুর্বল মানসিকতার পাশাপাশি একটা সূক্ষ্ম রসের জন্ম দেয় । আর ভয়ঙ্কর সব বর্ণনার জায়গায় তো আপনি মাস্টার, কিছু বলার নেই ।

তবে শব্দের কারুকাজ অনেক কম এই গল্পে, নেই জোরালো কোনও টুইস্ট । প্লেইন বর্ণনার স্বাদ পেয়েছি কিন্তু ওই দুটোও মিস করেছি ।


অফটপিক, স্বপ্ন ব্যাধি ভ্রমে , গল্প যদি শুনতে চাও আমার কাছে আসো বা ব্লেডটা দাও নিহিলা, থাকতে পারতো । :(

শুভেচ্ছা, হাসান ভাই, ভালো থাকবেন । :) :)

০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:৪৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকিউ আদনান। গল্পটাকে সাদা চোখে দেখলে মদ্যপানের কুফল হিসেবে পড়া যায়। আর গভীর পাঠে আনুষঙ্গিক আরো কিছু বিষয় উঠে আসে।
বইটাতে লেখা দেয়ার পরে নিহিলা লেখা হয়েছে। তাই ঐটা রাখা সম্ভব হয় নি। আমার ব্যক্তিগত আক্ষেপ "গল্প যদি শুনতে চাও" না দিতে পারা।

শুভদুপুর।

১৯| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:৫৮

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: এলকোহলের শিক্ষাঃ

"ভয়, প্রয়োজনীয়। ভয় পেতে থাকো। ভয় পাও আমাকে। কিন্তু কাউকে সে ভয়ের কথা বলো না। সবারই আছে নিজের ব্যক্তিগত ভয়। তাকে শ্রদ্ধা করো। আমাকে শ্রদ্ধা করো। মানুষ ভয়শীল। মানুষ ভঙ্গুর। মানুষ বিকৃত। বেঁচে থাকতে হলে আমাকে পাশবালিস না ভেবে যকৃৎ ভাবো। পোষা ভয়ঙ্কর প্রাণী ভেবে গর্বিত না হয়ে আতঙ্কিত হও। মানুষ, বিশেষ করে একা মানুষ ধ্বংসবাদী। ধ্বংসের পথে যতো তুমি অগ্রসর হবে তত পাশে পাবে হিংস্র সহচর, আমার মতো। তাকে তুমি ভয় পাবে, সে তোমার দুঃস্বপ্নের দোসর হবে, একসাথে মরণপাত্রে চুমুক দিবে, তোমাকে শক্তিশালী ভাবাবে, কিন্তু জাগতিক কোন কাজে তোমার সহায় হবে না। অন্যের কাছে হাসির পাত্র হয়েই থাকবে। যার যার ভয়াস্ত্র তার তার আঁধারসহায়।"


যাই পোষ্টের বাইরে গিয়ে প্লাস দিয়ে আসি !

০২ রা মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:০০

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস অভি।

২০| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:১৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: বৃত্তেবন্দী জীবন, বৃত্তের ভেতর আমি আর ভয়! ব্যার্থতা থেকে তাহলে মুক্তির উপায় কি??

০২ রা মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:১৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: নিজের তৈরি আঁধারবৃত্তে ক্ষণিকের জন্যে বাদশাহ বনে যাওয়া!

২১| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৪

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: লেপসর্পের ব্যাপারটা আকর্ষণীয় লাগলো। মদ্যপান একবার শুরু করলে যে তা ক্রমাগত চলতেই থাকে লেখাটি পড়ে তাই মনে হলো।

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: হ্যাঁ সেটাই। ধন্যবাদ।

২২| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৩

উজবুক ইশতি বলেছেন: নেশা আসলেই খুব ভয়ানক। জীবনে অনেক কে নষ্ট হতে দেখেছি নেশার কারণে। লেপ সর্প জিনিসটারে আসলেইয় ভয় পেয়ছি
ভালো লাগলো
ধন্যবাদ

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৩| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৮

আহমেদ আলাউদ্দিন বলেছেন:
ঘোরপাঠ!
মোবাইল থেকে এরচেয়ে বড় কমেন্ট করতে পারি নাই বলে দুঃখিত!

গোলাপী তরলে ডুবতে চাই!!

০২ রা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: গুলাপী তরল আবার কিতা?

২৪| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ৮:৪৬

আহমেদ আলাউদ্দিন বলেছেন:
গোলাপ জাম বানায় যে রস দিয়া! হেইডা আর কী! B-))

০২ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ৯:৪৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ;)

২৫| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ৯:৫৯

নীল ভোমরা বলেছেন:
হাসান মাহবুব..... শুরুটা চমৎকার! শেষটা পর্যন্ত পড়ার সময় পেলাম না ...... জরুরী প্রয়োজনে উঠতে হচ্ছে। কাল পুরোটা পড়ে কমেন্ট করবো! ভাল থাকুন!‍

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১:৩৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভরাত্রি।

২৬| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১০:১৮

অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:
নেশাদ্রব্য ভয়ানক হইলেও ইহার প্রতি আকর্ষন থাকিয়া যায়। আমি সে জন্যই বোধ হয় ভালো লেখা পড়বার আকর্ষন রুখতে পারিনা।
নেশাদ্রব্য নিয়া নাড়াচাড়া করিবার ফুরসত নাই তাহা হইলে কয়েকটা ব্র্যান্ড চেনা হইয়া যাইত।
কয়েকটা জায়গায় দারুন শব্দ কথা দিয়াছেন।

অনেক অনেক ভালোলাগা।

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১:৩৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ সকাল।

২৭| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১০:২৫

মামুন রশিদ বলেছেন: আধ বোতল ব্রান্ডি গিলেই পুরো অজগরনুভুতি!!


শেষটা বেশি বাস্তবিক লেগেছে । আসক্তি ধীরে ধীরে বিষমুখী হয়ে উঠে ।

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১:৩৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ মামুন ভাই।

২৮| ০২ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১১:১৪

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


ক্লাসিক একটা লেখা হামা ভাই। +++++

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১:৩৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: বলেন কী!

২৯| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১২:২৭

আশিক মাসুম বলেছেন: হাসান ভাই অনেকদিন পর আপনার একটা লিখা প্রলাম


ভাললাগা নিরন্তন :)

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১:৩৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুভরাত্রি।

৩০| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১২:৪৩

সাদরিল বলেছেন: লেপসর্প শব্দটি কিসের রূপক ঠিক বুঝলাম না।মদ খাওয়ার ফলাফল নিয়ে গল্পটির বাইরের দিককার ইঙ্গিত বুঝতে পেরেছি কিন্তু ভেতরে আরো কিছু ছিলো যা ধরতে পারি নি।যদিও বরাবরের মতোই আপনার লেখনীতে মুগ্ধ হতে হয়েছে

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ১:৩৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: কোনকিছুর রূপক না। জাস্ট একটা নাম।

আরো ছিলো হীনমন্যতার বোধ, একাকীত্ব, একঘেয়ে জীবন ইত্যাদি।

৩১| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ ভোর ৪:৩০

আফ্রি আয়েশা বলেছেন:
//বিশেষ করে একা মানুষ ধ্বংসবাদী। ধ্বংসের পথে যতো তুমি অগ্রসর হবে তত পাশে পাবে হিংস্র সহচর// - কথা গুলি ফিল করতে পেরেছি ।
পুরোপুরি একা থাকার কিছু মজাও আছে . . . নিজের সাথে লড়াই খুব জমে . . .
গল্পটা অসম্ভব ভালো লেগেছে :)

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ ভোর ৬:৩৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আয়েশা। শুভসকাল।

৩২| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ ভোর ৬:৩৩

আমিই মিসিরআলি বলেছেন: অষ্টম প্লাস হামা ভাই

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ ভোর ৬:৩৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: পিলাস এবং গুলাবের জন্যে ধইন্যা!

৩৩| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ৮:৪৪

কয়েস সামী বলেছেন: ভাইজান! গল্পটা দুর্দান্ত হইসে। প্রথম দিকে তো বেশ হাসছি পড়তে পড়তে। আপনের মতো করে লেখতে চাই!

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:০৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩৪| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৫৩

আরিফ রুবেল বলেছেন: একাকিত্ব থেকে হতাশা, বিষন্নতা, সেখান থেকে কৌতুহল আর তারপর আসক্তি আর পুরো ব্যাপারটার সাথে সর্পের যোগাযোগ। ভালোই গল্পটা :)

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:০৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ! শুভদুপুর।

৩৫| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৫

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
সুন্দর শিরোনাম আর আকর্ষণীয় ‘প্রথম বাক্যে’ সুন্দর একটি গল্প পড়লাম।
থিম ও প্লট বিস্তারে আপনার দক্ষতা আছে বলতে হবে।


//লেপের কভার খোলা সহজ, তবে সেটায় আবার লেপটাকে সাঁটানো বেজায় কঠিন কাজ।//

-বান্ধাইয়া ঝুলাইয়া রাখার মতো কথা! আরেকটা আমি বলি:
“মশারির ভেতর ঘুমানো সহজ, তবে সেটা ঝুলানো বেজায় কঠিন কাজ।” ;)


অনেক শুভেচ্ছা জানবেন, গল্পকার হাসান মাহবুব :)

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আসলে গল্পটার থিম মাথায় এসেছে লেপের কভার লাগাতে গিয়েই! অনেক কঠিন একটা কাজ!

৩৬| ০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ৯:২০

আজ আমি কোথাও যাবো না বলেছেন: আপনার গল্প পড়ে তো এক্সপিরিয়েন্স করতে ইচ্ছা হচ্ছে :!> :#>


আমার ভিতর লুকিয়ে থাকা ভয়টা কি নিয়ে সেটা জানতে ইচ্ছা হচ্ছে।

গল্পে ভালোলাগা রেখে গেলাম।।

০৩ রা মার্চ, ২০১৪ রাত ৯:৩৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুধুমাত্র এক্সপেরিয়েন্সে জন্যে নিতে পারেন। ডিপেন্ডেন্সি না এলেই হলো!

থ্যাংকস মহুয়া।

৩৭| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৫২

মারুফ মুকতাদীর বলেছেন: শেষে এসে পুরো গল্পের মর্মোদ্ধারে সক্ষম হলাম।

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:২০

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ পাঠের জন্যে মারুফ। শুভকামনা।

৩৮| ০৫ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১২:০৯

রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: ভালো লাগলো++++++++

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২১

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ তনিমা।

৩৯| ০৫ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ৩:২০

শান্তির দেবদূত বলেছেন: যদিও সিম্বোলিক, তবুও আজ রাতে কম্বল গায়ে দিয়ে ঘুমাতে একটু ভয় ভয়ই লাগছে, আমার এক্সট্রিম স্নেক ফোবিয়া আছে।

মদ্যপান থেকে যেভাবে লেপসর্পে টার্ণ নিল গল্প! অসাধারন! শুভেচ্ছা।

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২২

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। শুভদুপুর।

৪০| ০৫ ই মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:২৭

অচিন্ত্য বলেছেন: +++++++++++++++
দারুন !!!!!!!!!!!!!!!!
মিশেল ফুকো'র 'রিপ্রেজেন্টেশন' বইখানির কথা মনে পড়ল। রিপ্রেজেন্টেশনের যে সমস্যার কথা তিনি লিখেছেন, আপনার গল্পখানিতে যেন তাই ফুটে উঠল। রিপ্রেজেন্টেশনের একটি বড় সমস্যা হল, মিশেল ফুকোর মতে, তা যাকে প্রটেস্ট করতে চায় তাকেই প্রমোট করে বসে। নাইস ওয়ার্ক

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই মিশেল ফুকো লোকটার নাম এত শুনছি, কিন্তু তার কোন বই পড়া হৈলো না। শরমের ব্যাপার।

৪১| ০৫ ই মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৪

রাসেলহাসান বলেছেন: বেশ ভয়াবহ!!

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: শুনে খুশি হলাম। অনেক ধন্যবাদ!

৪২| ০৫ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ৯:১২

নীল ভোমরা বলেছেন: পৌরুষ দেখাবার জন্য নয়....অনিয়মিত আড্ডার অনুসঙ্গ হিসেবে পঁচিশ বছর ধরেই কঠিন পানীয়-কে সঙ্গী হিসেবেই রেখেছি! কই...কখনও গল্পের খলিল-এর মত ফিলিংস হয়নিতো!...বেচারা খলিল!

লেখাটা সুন্দর! তবে কঠিন পানীয় পান করলেই সর্পশিশ্ন ছোবল দিতে উদ্যত হবে.....এমনটাও মনে হয় ঠিক না! কে ড্রিংস-কে কিভাবে নিচ্ছে ... সেটাও বিচার্য!.....বেচারা খলিল! সরীসৃপকুল দূরে থাক..... ড্রিংস-টাকেই এনজয় করে যেতে চাই....শুধু ড্রিংকস!!

শুভকামনা!

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: না তেমনটা মনে করি না। যারা দূর্বল, একাকী, হীনমন্য, অসফল, তাদের শেষ আশ্রয় খোঁজা এবং তার পরিণতি-এইতো।

শুভকামনা।

৪৩| ০৫ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১১:৪১

নীরব 009 বলেছেন: ভাই অনেকদিন পর আপনার গল্প পড়লাম। খুব ভাল লাগলো। অনুভূতিগুলো নিজের মত করে বুঝে নিলাম। চমৎকার... :)




ভাই, জানা আপু লাইক বাটনটা ঠিক করে না কেন? সেই কবে থেকে এই সমস্যা!!!! :(

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ নীরব।

ঐটার আশা ছাইড়া দাও।

৪৪| ০৬ ই মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৪৯

সাজিদ উল হক আবির বলেছেন: গল্পের স্টাইলটা ভাল লেগেছে, পড়তে গিয়ে ক্লান্তি আসেনি।
সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে ( সচেতন বা অবচেতনভাবে) গুরুত্তপূর্ণ কিছু জিনিস তুলে এনেছেন ব্যাপারটা ভাল লাগলো।

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:২৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সাজিদ। শুভকামনা।

৪৫| ০৬ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:১৫

রিয়াদ( শেষ রাতের আঁধার ) বলেছেন: অন্যরকম কিছু। :)

ভাল লাগা রইল

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:৩০

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ রিয়াদ।

৪৬| ০৬ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:২৮

পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আপনার সব গল্পই পড়ি চুপচাপ। বলার বেশী কিছু থাকে না।

ভালো লাগলো, সুপার্ব হইছে এইসব ক্লিশে হয়ে গেছে আপনার গল্পের ক্ষেত্রে।

এই গল্পটা পড়ে আলাদা আরাম পাইলাম। এই চিন্তাধারা পরিচিত আমার। মোস্ট কমফোর্টেবল জোনে থেকে পড়া গেলো।

ব্ল্যাংক ফেইস ফিরে আসছে আপনার লেখায়, এটা ভালো লাগছে। এইটা বলতে চাইছিলাম।

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:৩০

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকু পাপ্পু নামের ছেলেডি।

৪৭| ০৬ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১০:৫২

মোঃ ইসহাক খান বলেছেন: কিছু কিছু জায়গায় শব্দচয়ন পাঠককে ভাবাবে, আরও গভীরে নিয়ে যাবে। বিহ্বল করে দেয়ার মত বুনট।

শুভেচ্ছা।

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১০:৫৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভরাত্রি।

৪৮| ০৭ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:২০

রহমান সংশয় বলেছেন: যা ধরেছি নিস্তারে
তাই হয়েছে বিস্তারে

ভালো হয়েছে হামা ভাই

০৭ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১১:১৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: চমৎকার বলেছেন। ধন্যবাদ।

৪৯| ০৭ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১১:৪৪

আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
এই গল্প অনেকদিন পর ব্লগ গল্প পাঠে তৃপ্তি দিলো।

০৮ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:০৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ দূর্জয়। শুভেচ্ছা।

৫০| ০৮ ই মার্চ, ২০১৪ সকাল ৮:১৯

লিন্‌কিন পার্ক বলেছেন:

সাপরে আমি প্রচন্ডরকম ভয় পাই !! তবুও এই জিনিসে এক চুমুক দেওয়ার আশা রাখি ....হক মওলা ! /:)


০৮ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:০৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: কও কী! :-/

৫১| ০৮ ই মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৩১

সুলতানা সাদিয়া বলেছেন: জীবনের অন্ধকার দিকগুলো আপনি বেশ নিপুণভাবে তুলে আনেন। ভয়ংকর। উপরের ছবিটা। দেখেই কেমন খারাপ লাগছে। সাপের ছবি। কেমন গা গুলোচ্ছে। ভয়ংকর।

০৮ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:০৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ সাদিয়া। ছবিটা এখন আগের পেইজে চলে গেছে। :#)

৫২| ০৮ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:৪৩

রুপ।ই বলেছেন: চমৎকার । নেশার জগতে আস্তে আস্তে ডুবে যাওয়া ।

০৮ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ রুপাই।

৫৩| ০৮ ই মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩৬

কালীদাস বলেছেন: পয়লা এক্সপেরিয়েন্সটা মজা লাগছে, সেকেন্ড পার্টটায় কিছুটা জটিল ভাষা ইউজ করছেন :| তারপরও সব মিলায়া নতুন কিছুর টাচ পাইলাম আপনের এই লেখাটায় :)

ভাগ্নি/ভাতিজি কেমন আছে? বার্থডেতে উইশ করতে পারি নাই, বাইরে ছিলাম :|

০৯ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:১৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকু। মিতিনের বার্থডে তো দুই মাস আগেই চইলা গেছে! ভালো আছে সে।

৫৪| ০৮ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১১:৫২

আমিজমিদার বলেছেন: নিশা লাগিল রে....

০৯ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:১৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: লাগুক নিশা।

৫৫| ০৯ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১:১৮

টুম্পা মনি বলেছেন: ওয়াও!!!!! অসাধারণ প্লট!!!!!

০৯ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১২:১৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস টুম্পা।

৫৬| ১০ ই মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৩১

হানিফ রাশেদীন বলেছেন: ভালো লাগা রইলো।

১০ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৫৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন।

৫৭| ১০ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৫:৪২

ইখতামিন বলেছেন:
অসাধারণ লেখা আপনার.. আমি না বললেও.. :)
গল্পের ভাবনা সম্পূর্ণ অপরিচিত লাগলেও "রঙানুপাতিক" এর সাথে কিছু একটা মিল পেলাম..

অদ্ভুতুড়ে সেই অজগরানুভূতি কি এইরকম হয়?

শুভ বিকাল

১০ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ৮:৫৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: হ্যাঁ, রঙানুপাতিক এর সাথে কিছুটা মিল আছে বর্ণনা আর হোম হরর সিগমেন্টে।

অনেক ধন্যবাদ।

৫৮| ১০ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ৮:৩৪

উদাস কিশোর বলেছেন: এক কথায় অসাধারন ।
সময় করে গল্প পড়া সার্থক

১০ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ৮:৫৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভরাত্রি।

৫৯| ১২ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:১৮

নাসরীন খান বলেছেন: ভালো লাগা থাকল।

১২ ই মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ নাসরীন।

৬০| ১৩ ই মার্চ, ২০১৪ ভোর ৪:৪৩

অন্তরন্তর বলেছেন:

একাকীত্ব আসলেই ভয়ানক নেতিবাচক প্রভাব
ফেলে মানুষের মনে। তা থেকে মাদকাসক্তি বেশ কমন।
ভিন্ন একটা গল্প পড়লাম। মুগ্ধ পাঠ।
শুভ কামনা।

১৩ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৫২

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভদুপুর।

৬১| ১৫ ই মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:৫২

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: একে কি উপদেশমূলক গল্প বলব? নাকি স্যাটায়ার বলব? যাই হোক, উপমার সাথে সাথে ক্রমশঃ খলিলের অন্ধকারে ডুব উপভোগ করেছি পুরোদমে।

শুভেচ্ছা রইল, প্রিয় লেখক।

১৬ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১২:৪৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: গল্পে শিক্ষামূলক ব্যাপার থাকতে পারে, তবে তা যেন কখনই উপদেশের মতো না শোনায় এই চেষ্টা থাকে আমার।

ধন্যবাদ প্রোফেসর।

৬২| ১৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ১:৫৫

চুক্কা বাঙ্গী বলেছেন: ভাল লাগলো ব্রাদার।

১৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:০৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: থেংকু জুন্নুন। আইজকা সকালে নাস্তায় বাঙ্গী আছিলো। খাই নাই।

৬৩| ১৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:৩০

চুক্কা বাঙ্গী বলেছেন: =p~ =p~
না খায়া ভাল করসেন। এখন বাঙ্গীর সিজন না। চুক্কা হওয়ার চান্স আছে।

১৬ ই মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:৩৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমি জীবনেও খাই না এডি।

৬৪| ২২ শে মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০০

মোসতাকিম রাহী বলেছেন: তোমার লেখা কাগজে পড়ব, এই ইচ্ছেটা অনেকদিনের। এবার দেশ থেকে ফেরার ক'দিন আগে 'শব্দঘর' এর ২য় সংখ্যা হাতে নিয়ে সূচিতে চোখ বুলিয়ে চমকে উঠলাম! আমাদের হামা!

দ্রুত পড়লাম, তারপর ধীরে পড়লাম,বেশ ঋদ্ধ একটা গল্প।

ব্লগ এর পাশাপাশি সাহিত্যপত্রিকা এবং জাতীয় দৈনিকগুলোতেও নিয়মিত হও। দোয়া।

২২ শে মার্চ, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাহী ভাই। উৎসাহিত বোধ করছি। ভালো থাকবেন।

৬৫| ২৮ শে মার্চ, ২০১৪ সকাল ১১:৩৩

বন্ধু তুহিন প্রাঙ্গনেমোর বলেছেন: অভ্যাগত সরিসৃপেরা...............গল্পটা পড়েছি.. শুনিয়েছি পড়ে হাউসমেট দের...ব্যাপক আরাম পাইছি হাসান ভাই...

২৮ শে মার্চ, ২০১৪ দুপুর ২:০৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ তুহিন।

৬৬| ২৮ শে মার্চ, ২০১৪ রাত ৮:১০

কালীদাস বলেছেন: অনেকদিন হইল আপনার নতুন লেখা নাই দেখা যায় :|

২৮ শে মার্চ, ২০১৪ রাত ৮:৫৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: নাই নাই নাই...হাহাকার।

৬৭| ৩০ শে মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৩:০৮

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: "ভয়, প্রয়োজনীয়। ভয় পেতে থাকো। ভয় পাও আমাকে। কিন্তু কাউকে সে ভয়ের কথা বলো না। সবারই আছে নিজের ব্যক্তিগত ভয়। তাকে শ্রদ্ধা করো। আমাকে শ্রদ্ধা করো। মানুষ ভয়শীল। মানুষ ভঙ্গুর। মানুষ বিকৃত। বেঁচে থাকতে হলে আমাকে পাশবালিস না ভেবে যকৃৎ ভাবো। পোষা ভয়ঙ্কর প্রাণী ভেবে গর্বিত না হয়ে আতঙ্কিত হও। মানুষ, বিশেষ করে একা মানুষ ধ্বংসবাদী। ধ্বংসের পথে যতো তুমি অগ্রসর হবে তত পাশে পাবে হিংস্র সহচর, আমার মতো। তাকে তুমি ভয় পাবে, সে তোমার দুঃস্বপ্নের দোসর হবে, একসাথে মরণপাত্রে চুমুক দিবে, তোমাকে শক্তিশালী ভাবাবে, কিন্তু জাগতিক কোন কাজে তোমার সহায় হবে না। অন্যের কাছে হাসির পাত্র হয়েই থাকবে। যার যার ভয়াস্ত্র তার তার আঁধারসহায়।"


সারবস্তু এখানেই চলে এসেছে - মূল ভাবটার কিছু কিছু অবশ্য বর্ণনা থেকেও
থেকেও আঁচ করা যায় ।

জম্পেশ একটা গল্প পড়লাম । বরাবরের মতই ভাল লাগা ।

ভাল থাকুন প্রিয় হাসান ভাই । শুভেচ্ছা ।

৩০ শে মার্চ, ২০১৪ বিকাল ৫:০৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ মাহমুদ। শুভবিকেল।

৬৮| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৩:৩৭

বৃত্তে বন্দী বলেছেন: এক রাশ ভাললাগা

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৮:৪৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভসকাল।

৬৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:৫৮

ৎঁৎঁৎঁ বলেছেন: আমার এক বন্ধুর কাছে শুনেছিলাম সে সাপে ভেজানো ওয়াইন খেয়ে ব্যাপক মজা পেয়েছিল, অনেক দেশেই এইটা জনপ্রিয় পানীয়! :P

এখানে মদ আমি শুধুই দ্রাক্ষারস অর্থ করলাম না, যদি রূপক অর্থে ধরি, যেটা মদ এই গল্পে করেছে, সেইটা আরো অনেক কিছু দিয়েই হয়, আরো অনেক নির্দোষ বস্তু দিয়ে অনেক বাজে ভাবেও হয়, তো রূপক ধরলে গল্পের বিস্তৃতিটা কিন্তু ব্যাপক হয়, মজা বাড়ে! শয্যা ভাসিয়ে, লেপের মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে যে ভয় থেকে আমরা পালাতে চাই, যে মদ খেয়ে হোক আর উদাসীনতার জাল বুনে হোক, সে শক্তিমান হোক আর দূর্বল হোক, সেই বিধ্বংসী অসহায় ভয়, সবার শিশ্ন কেই কোনো না কোনো সময় কোবরা ভাবতে হয় বা ভেবে বাঁচতে চায়! এক সময় চলে আসে অভ্যস্ততা! মানুষের অভিযোজনের কী আর সীমা আছে!

ভালো থাকুন হামা ভাই!

১০ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: এমন মন্তব্যে লেখা পূর্ণতা পায়। লেখক তৃপ্ত হয়।

শুভেচ্ছা ইফতি।

৭০| ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:২০

আদম_ বলেছেন: সুন্দর। মদের নেশার মতো একটা ঘোর আছে লেখাটায়.......।

১৯ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৫:০৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা।

৭১| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৪১

জাহাঙ্গীর.আলম বলেছেন: নিজের ভিতর নিজসত্ত্বাকে জানা আর একাকিত্বের রূপান্তরের চরম বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় গল্পে ৷ মূল চরিত্র কিন্তু নিঃসঙ্গ নয় কারণ পরিবার, বন্ধু, উপার্জনস্থল সবাই তার আছে তবু কোথায় যেন ভয়মিশ্রিত চিরধরা ভাষাহীন ভোতা অনুভব দেখা যায় যা সঙ্গী সর্পলেপের রূপকের বর্ণনাশৈলীতে ৷ গল্পের ডায়মেনশন, পারস্পেকটিভ প্রকাশভঙ্গি পাঠককে চরমে পৌছে দেয় ৷ ট্রান্সফরমগুলো অসাধারণভাবে পর্যায়ক্রমে এনেছেন এটি গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ৷ মূল চরিত্র মাঝে মাঝে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণেও বারে বারে অন্তঃর্মূখীতার আবরণে গুটিয়ে যায় বা হারিয়ে যায় ৷ আন্তদ্বন্দবাদের একটি উৎকর্ষধর্মী উপভোগ্য গল্প পাঠ হল ৷


ভাল থাকবেন ৷

২০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১১:০৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বিদগ্ধ পাঠের জন্যে।

শুভরাত্রি।

৭২| ১৯ শে জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৪৫

মেঘলা মানুষ বলেছেন: বর্ণনার গুনে কেমন করে যেন আমাকে আপনি লেপের কভারের ভেতর ঢুকিয়ে ফেললেন। একসময় কাজটা করেছি বলেই নিজেকে লেপের কভার লাগাতে ব্যস্ত অবস্থায় দেখতে পাচ্ছিলাম।

সরীসৃপ পছন্দ করি না -একেবারেই!

ভালো থাকুন, শুভেচ্ছা :)

১৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:১০

হাসান মাহবুব বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.