| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাবা!
এমন একজন মানুষ যার চেহারাটা চোখ বন্ধ করলেই সারাটা মন জুড়ে একটা নির্ভরতার সুবাস ছড়িয়ে দেয়।
এমন একজন মানুষকে বিশাল একটা বটবৃক্ষ হিসেবে ধরে নেয়াই যায়। দৃশ্য আর অদৃশ্য ভালোবাসার সিমাহীন ডালপালা ছড়ানো এই মানুষটা অস্তিত্ব একান্ত অলস সময়ের অনেক মুহূর্তে। দিন কে দিন ক্রূর পৃথিবীটার মুখোশের আড়ালের রূপটা দেখি আর ভাবি, এসব কিছুই পরম মমতায় এই বাবাই আড়াল করে রেখেছিলেন, এমনকি এখনো যাচ্ছেন।
আচ্ছা, একবার ভাবুনতো , মাথার উপরের এই বিশাল ছায়াটা "নেই"। নেই মানে নেইই।
এমনকি এমন কোন ছায়া কোন কালে ছিলো বলেও মনে করতে পারছেন না।
পারছেন?
আমি পারি না। যেদিন পারতে হবে সেদিন হয়তো আরো অনেক কিছুই পারবো।
বাস্তবতায় “বাবা পাশে নেই” এই বোধটা অনেককে বাধ্য হয়েই মানতে হয়। তেমনি অনেকের মধ্যে দুইজন আমার খুব ক্লোজ ফ্রেন্ড। একদিন তাদের মধ্যে একজনের সাথে কোন এক যায়গায় রিকশা করে যাচ্ছিলাম। কথাপ্রসঙ্গে তার বাবা’র কথা জিগ্যেস করলাম।
বন্ধুটা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললো, “সেই ছোটবেলায় বাবা মারা গেছেন। তখন বয়স ছিলো ৩/৪ বছরের মত। স্বাভাবিক ভাবেই বাবা’র সৃতি খুব কম মনে আছে। ঘরে থাকা বাবা’র একমাত্র ছবিটাও পাওয়া যাচ্ছে না। ”
কথাগুলো শোনার পর কোন কথাই আমার মুখে আসলো না। বুঝতেই পারছিলাম না ঠিক কোন কথাটা বললে বন্ধুটা একটু হলেও শান্তি পাবে।
৩/৪ বছরের কোন সৃতি মানুষের ক্লিয়ারলি মনে থাকে বলুন? অন্তত আমার নেই।
শুধু ফিল করলাম আমার মতো আমার পাশে থাকা থাকা মানুষটারও প্রিয় মানুষদের একজন হলো, “বাবা”। আর সেই বাবাটা’র একটা ঝাপসা ছবি তার সারা অস্তিত্ব জুড়ে!
গা শিউরে উঠার মত একটা অনুভূতি!
আর ভাবতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিলো আমি পৃথিবীর সৌভাগ্যবান মানুষদের একজন!
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:২৬
নাহিদ শামস্ ইমু বলেছেন: চমৎকার লেখনী!
সত্যিই সুন্দর।
শুভকামনা রইলো...