নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অযথা ক্যাচাল পছন্দ না, তাই তালগাছবাদীরা দূরে থাকুন

মহান পংকজ

দার্শনিক, বাস্তববাদী

মহান পংকজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

হিন্দু ধর্ম মত আর পথ ০২ ( ঈশ্বরবাদ ও আত্মা)

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৪৬

হিন্দু ধর্ম নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্টের এর প্রথম পর্ব এখানে



হিন্দু ধর্ম বুঝতে হলে প্রথমেই এর ঈশ্বরবাদ বুঝতে হবে, ঈশ্বর কয়জন, একজন নাকি তিনজন নাকি তেত্রিশ কোটি? প্রথমেই এই প্রশ্নের উত্তর জেনে হিন্দু ধর্মে প্রবেশ করতে হবে। কারণ কেউ যদি না জানে যে ঈশ্বর কয়জন ও কি তবে ভক্তি অর্চনা করবে কাকে?

আমার নির্দিষ্ট তথ্য উপাত্ত মনে থাকেনা তাই জাকির নায়েকের মত বই পৃষ্ঠা নং কথায় কথায় লিখতে পারবনা, এজন্য সহজ কথায় মূল কথাগুলো বলছি এখানে



ব্রক্ষ্ম হচ্ছে সেই ঈশ্বর যে সৃষ্টির আদি হতে অন্ত পর্যন্ত আছে এবং থাকবে সেই প্রকৃত আরাধ্য। ঈশ্বর নিরাকার কিন্তু তিনি চাইলেই যে কোন সাকার রুপ ধারণ করতে পারেন। শ্রীকৃষ্ণকে সেই পরম ব্রক্ষ্মের এক সাকার রুপ ধরা হয় এবং পরমেশ্বর মানা হয়। এখন কেউ যদি বলে শ্রীকৃষ্ণ না শিব ই আমার কাছে পরমেশ্বর তাতেও ভুল নেই কারণ তিনি যাকেই ডাকুক সেই পরেমশ্বর কেই ভজনা করছেন। এখন প্রশ্ন আসতে পারে কৃষ্ণ বড় নাকি শিব বড়। ব্রক্ষ্মবৈবর্ত পুরাণের সৃষ্টিখন্ডে ঈশ্বর শিবকে বলছেন " যে তোমার ও আমার মাঝে বিভেদ করবে তার মত পাপী আর পৃথিবীতে নেই"। মূল কথা হচ্ছে ঈশ্বর একজন তিনি নিরাকার বা সাকার, আমরা যাকেই ভক্তি বা পূজা করিনা কেন তা সেই ঈশ্বরকেই করা হয়। আমার বিভিন্ন রুপের মূর্ত্তিকে পুজা করি তা কিন্তু ঈশ্বর থেকে আলাদা মনে করে না, মূর্ত্তির মধ্য দিয়ে ঈশ্বরকেই পূজা করা হয়। আল্লাহর যেমন ৯৯ টি নাম আছে, তাই বলে কি আল্লাহ ৯৯ জন? না আল্লাহ একজন ই। তেমনি ঈশ্বরের বিভিন্ন রুপ কল্পনা করে আমরা পূজা করেলেও ঈশ্বর কিন্তু সেই একজনই। অনেকে প্রশ্ন করে ভাত সোজা করে না খেয়ে এত ঘুরিয়ে খাও কেন? গীতায় ঈশ্বর বলেছেন "যে আমাকে যেভাবে ডাকবে আমি তাকে সেভাবেই ফলদান করব"। হিন্দু ধর্ম যে কতটা উদার তার প্রমাণ এখানেই পাওয়া যায়। আমি যেভাবে, যেরুপে তাকে ডাকব তিনি সেভাবেই আসবেন তা সে ৩৩ কোটির যে কোন একটা হোক না কেন।



আত্মা ও পরমাত্মা



আমাদের দেহে যে আত্মা আছে, তা সকল ধর্মেই বিশ্বাস করে। ঈশ্বর হচ্ছেন সকল আত্মার উৎস অর্থাৎ পরমাত্মা। আর প্রতিটি জীবের শরীরে যে আত্মা আছে তা হচ্ছে জীবাত্মা। সকল ধর্ম কর্মের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জীবাত্মা পরমাত্মার সাথে লীন হওয়া অর্থাৎ পৃথিবী থেকে মুক্ত হওয়া। পুরষ্কার অথবা শাস্তির শেষ আছে, মানে ভাল কাজের জন্য স্বর্গভোগ আর খারাপ কাজের জন্য নরকভোগ এর একটা শেষ আছে। কর্ম অনুযায়ী ফল ভোগ করতে হয়, দুইটাকার ভালো করে ১০ টাকার মিষ্টি খাবেন তা হবেনা। পাকা হিসাব যতটুকু ভাল ততটুকুই মিষ্টি। কিন্তু প্রধান উদ্দেশ্য কিন্তু স্বর্গ নয় সেই পরমাত্মার সাথে বিলীন হয়ে যাওয়া, এর আর কোন শেষ নাই।

আত্মার কোন ধ্বংশ বা শেষ নাই। এটা এক দেহ হতে অন্য দেহে গমন করে মাত্র। দেহের পরিবর্তন হয়, শিশু হতে কিশোর আবার কিশোর হতে যুবক, কিন্তু আত্মার পরিবর্তন নাই। গীতা অনুযায়ী মানুষ যেমন পুরাতন জীর্ণ বস্ত্র ত্যাগ করে নতুন বস্ত্র পরিধান করে তেমনি আত্মা ও পুরাতন জীর্ন শরীর ত্যাগ করে নতুন শরীরে গমন করে। একটু আধুনিক ভাবে বলা যায়, দেহ হচ্ছে প্রোগ্রাম করা কোন যন্ত্র আর আত্মা হচ্ছে এর ব্যাটারী যখন এই দুই একত্রিত হবে তখনই যন্ত্র সচল হবে এখানে ব্যাটারী দিয়ে কথা তা যে যন্ত্র বা শরীরে সেট করা হোক না কেন, এর চালনা শক্তি থাকলেই চলে।



এই পর্ব এখানেই শেষ করছি এর পরের পর্বে ধর্মের আর একটু গভীরে প্রবেশ করার চেষ্টা করবো, গীতার প্রধান আলোচ্য বিষয় কর্ম নিয়ে বিস্তারিত একটা পোষ্ট করার ইচ্ছা আছে। ধন্যবাদ সবাইকে

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৫৬

অন্যসকাল বলেছেন: ভালো উদ্যোগ। সব ধর্মই মানুষের কল্যানের কথা বলে.. খারাপ আমরা, যারা একে বিকৃত করি

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০০

মহান পংকজ বলেছেন: সম্পূর্ণ একমত আপনার সাথে, নিজের ধর্ম মানা ভালো এবং তাকে বড় ভাবা ভালো কিন্তু অন্যের টা না শুনেই আমি বড় সেটা চরমপন্থীতা হয়ে যায়। ধন্যবাদ

২| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০১

ইমন কুমার দে বলেছেন: ভালো লাগলো। আপনার আগের পোস্ট টা ও পড়েছি। চালিয়ে যান। অনেকেই আসবে তাদের অবিশ্বাস নিয়ে। অনেক উল্টা পাল্টা কথা নিয়ে। তাতে ভীত না হয়ে যথার্থ উত্তর দিয়ে তাদের অবিশ্বাসকে ঘায়েল করবেন এই আশায় আপনার সাফল্য কামনা করি।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:১৮

মহান পংকজ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ । আমি যতটা জানি তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। যদি না জানি তবে হাসি মুখে স্বীকার করে নেব।
দুঃখিত, আপনার মন্তব্যের জবাব দিয়েছিলাম কিন্তু কেটে গেছে, তাই এবার ছোট করেই দিলাম

৩| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:০৬

মনপবন বলেছেন: চমতকার উদ্যোগ।ভুলবোঝাবুঝির অবসান হোক।অনেকেই হিন্দু ধর্ম নিয়ে না বুঝেই উল্টা পাল্টা কথা বলে।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:১৫

মহান পংকজ বলেছেন: আমরা অনেকেই জানিনা তাই কুসংস্কার ভাবি কিন্তু অনেক কিছু আছে যা জানলে গর্বে বুক ভরে যায়। ধন্যবাদ

৪| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:১৭

ওয়াহিদ০০১ বলেছেন: টাইগারদের প্রতি থাকলো নি:শর্ত সমর্থনের অঙ্গীকার

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:২৪

মহান পংকজ বলেছেন: সম্পূর্ণ সমর্থন বুকের ভিতর থেকে ও মনের ভিতর থেকে। তবে পোষ্ট অনুযায়ী মন্তব্য করলে খুশি হতাম

৫| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৫৫

জুয়েল বলেছেন: খুব ভাল লাগল। আসলে আমাদের সবারই উচিত একে অপরের ধর্ম সম্পর্কে জানা।তাহলে সমাজে এত হিংসা, হানাহানি থাকতো না। আমি মুসলমান হলেও বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে পড়াশোনা করি। ইচ্ছে আছে ইসলাম, ইসলামের মূল বানী আর ইসলাম সম্পর্কে বিভিন্ন ভুল ধারণা নিয়ে একটি ধারাবাহিক পোস্ট দেয়ার। আপনার পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২০

মহান পংকজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। আমি ও চেষ্টা করি সব ধর্মই পড়ার, তবে শুধু ই পড়ার নয় যা পড়ি তার অর্থ টা বুঝার চেষ্টা করি, সেখানেই মজা কারণ দেখা যায় সব ধর্মই সেখানে মিলে যায় অনেকাংশে। হ্যা পরবর্তী পোষ্ট আসছে লেখা চলছে।

৬| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৪

সূর্য বলেছেন: জীবাত্মা যদি পরমাত্মারই অংশ তাহলে আর তার সামান্য ভুল-ত্রুটির জন্য এত নরক যন্ত্রণা দেয়া কেন বাপু!
ফরগিভ এন্ড ফরগেট করলেই হয়। এ তো নিজেকে নিজেই শাস্তি দিচ্ছেন ঈশ্বর।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৫১

মহান পংকজ বলেছেন: হুম এমন মন্তব্যই আশা করছিলাম, যেখানে কথার বিশ্লেষন করা যায়, কারণ পোষ্ট এ সব লিখলে অনেক বড় হয়ে যায়।
প্রতিটি কাজের ই রি আ্যাকশন আছে, তেমনি ভাল এর ফল নিবেন কিন্তু খারাপ এর দায়িত্ব নিবেন না তা কি হয়? আমরা প্রতিনিয়ত সর্ব অবস্থায় কাজ করে যাচ্ছি যার ফলাফল আমাদের জন্য তৈরী হয়ে থাকছে, কিছু আমরা তাৎখনিক পাচ্ছি আবার কিছুর জন্য অনেক অপেক্ষা করতে হয়। এটা প্রকৃতির নিয়ম অনেক বিজ্ঞানী ই ধর্ম বা ঈশ্বর না মানলেও প্রকৃতির কিছু নিয়ম আছে তা মেনে নিছেন। আর এই কথাগুলো তো পদার্থ বিজ্ঞানের সুত্র তেউ পরে। তবে ধর্মের দৃষ্টিকোণে এর আর ও অনেক গভীর কথা আছে, আপনি একটু চিন্তা করুণ আর পারলে প্রশ্ন করুন আমি উত্তর দেব, কারণ এটা হচ্ছে মেডিসিন এর মত আপনি কতটা গ্রহণ করতে পারবেন তার উপর নির্ভর করবে। আর যেহেতু সিরিজ পোষ্ট তাই একবারে উচ্চতর জিনিস প্রথমেই দিচ্ছিনা তবে দেব, ইনশাল্লাহ

৭| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৩৩

সাগর চক্রবতী বলেছেন: ভালো কাজ শুরু করেছিস।চালিয়ে যা।


"গীতা অনুযায়ী মানুষ যেমন পুরাতন জীর্ণ বস্ত্র ত্যাগ করে নতুন বস্ত্র পরিধান করে তেমনি আত্মা ও পুরাতন জীর্ন শরীর ত্যাগ করে নতুন শরীরে গমন করে। একটু আধুনিক ভাবে বলা যায়, দেহ হচ্ছে প্রোগ্রাম করা কোন যন্ত্র আর আত্মা হচ্ছে এর ব্যাটারী যখন এই দুই একত্রিত হবে তখনই যন্ত্র সচল হবে এখানে ব্যাটারী দিয়ে কথা তা যে যন্ত্র বা শরীরে সেট করা হোক না কেন, এর চালনা শক্তি থাকলেই চলে।"

এটা কে এই ভাবে বললে আরও ভাল হবে মনে হয় যে--
আত্মা হলো সিম কার্ড আর শরীর হলো মোবাইল সেট।মৃত্যুর পর আত্মা শরীর পরিবর্তন করে শুধু।





২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৩৯

মহান পংকজ বলেছেন: বাহ, দারূন বলেছিস তো, আসলে কথা তো ঐ একই, তবু তোর কথাটাই বেশি সুন্দর হইছে, ধন্যবাদ তোকে

৮| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ৯:৩৭

সাগর চক্রবতী বলেছেন: সূর্য বলেছেন: জীবাত্মা যদি পরমাত্মারই অংশ তাহলে আর তার সামান্য ভুল-ত্রুটির জন্য এত নরক যন্ত্রণা দেয়া কেন বাপু!
ফরগিভ এন্ড ফরগেট করলেই হয়। এ তো নিজেকে নিজেই শাস্তি দিচ্ছেন ঈশ্বর।


সামান্য ভুল-ত্রুটির জন্য এত নরক যন্ত্রণা বিধান না থাকলে পাপাচার বেড়ে যেত।আর তা ছাড়া কর্মফল তো ভোগ করতেই হবে।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৫৮

মহান পংকজ বলেছেন: সবাই সুখ চায়, দুঃখ কেউ চায়না, আরাম চায় কিন্তু আরাম পাওয়ার জন্য যে কষ্ট করতে হয়, তা কেউ স্বীকার করতে চায়না।
তুমি বল তুমি স্বর্গের আশা ছেড়ে দিতে রাজী আছ তবে আমি তোমাকে নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করব।
এটা আমার ই কথা কোন সুরা বা স্তোত্র না। কেউ ভুল বুঝবেন না।তবে কথা সত্য

৯| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৫৭

মহান পংকজ বলেছেন: সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, আমার এই পোষ্ট টি পড়ার ও মন্তব্য করার জন্য।
তবে আমি আরও কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়ের উপর মন্তব্য আশা করেছিলাম, কারণ উপরে অনেক বিষয়ে ই হালকা করে লিখেছিলাম কারণ পোষ্টেই অতিরিক্ত আলোচনা করলে প্রবন্ধ হয়ে যায়। মন্তব্যতে বিষয়গুলো আসলে উত্তর দিতে সুবিধা হতো, সেই বিষয়গুলোও আরও পরিষ্কার হতো। যাই হোক তবুও অনেক ধন্যবাদ সবাইকে, পাশে থাকার জন্য।
আগামী পোষ্ট এ কর্ম বা কাজ সম্বন্ধে বিস্তারিত লিখার কাজ চলছে, আশা করি আগামী ২৩ তারিখে পোষ্ট করতে পারব। ধন্যবাদ সবাইকে

১০| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৪২

নষ্ট কবি বলেছেন: ভাল লাগলো........



অনেকেই অনেক কিছু বলবে

আপনি টলবেন না.....।


তাহলেই চলবে

১১| ০৫ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:১৪

জেমসবন্ড বলেছেন:
পড়লাম ...ভালো লাগলো , তবে...কথা হলো..ইসলামে স্রষ্টাকে সব কিছূর মধ্যে আছে এটা মানা হয়না । স্রষ্টা আর সৃষ্টি আলাদা । সৃষ্টিকে স্রষ্টা হিসেবে পূজা করলে স্রষ্টা অপমান করা হয় ।

ইসলাম মতে স্রষ্টার কোন আকার নেই ।

আর পথের বিষয়ে বলা যায়...কুরআনে আল্লাহ পাক বলেছেন ..অনেক পথ আছে স্রষ্টার কাছে যাওয়ার আর ইসলাম-ই হলো সহজ সরল পথ ।

...মনে কষ্ট পেলে ক্ষমা করে দিবেন ..ইসলাম সম্পর্কে বলার জন্য ।

সবার-ই উচিত তার ধর্মের মূল বা নির্যাসটাকে জানা ও তা মেনে চলা ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.