| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বুলি বলে শুনতে পাই, রূপ কেমন তা দেখি নাই, ভীষম ঘোর দেখি।। পোষা পাখি চিনলাম না, এ লজ্জা তো যাবে না, উপায় কী করি, আমি উপায় কী করি।।
আমরা সবাই এই একটা ক্ষেত্রে একই রকম।
জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, একটা মার্শাল আর্ট রপ্ত করতে পারলে মন্দ হত না। ক্লাসমাস্তানটা যখন কোন কারণ ছাড়াই ক্লাস টুতে থাকার সময় আমাদের কারো নাক ফাটিয়ে দিত, আমরা নিজেকে ব্রুস লি'র জায়গায় কল্পনা করেছিই করেছি। অথবা ছোটবোনটাকে কেউ যখন টিজ করে, বা নিজের সম্ভাব্য গার্লফ্রেন্ডকে যখন কেউ আপন করে নেয় বা অনেক কষ্টে টিউশনির টাকা জমিয়ে কেনা আইফোনটা যখন মাত্র দুজন নেশাখোর ছিনতাইকারী একটা নেইলকাটার দেখিয়ে আপন করে নেয়... ইস, যদি একটা মার্শাল আর্ট রপ্ত থাকত! কী আর এমন কঠিন?
এরপরই যে ভাবনা মাথায় আসে তা হল, কোন্ মার্শাল আর্ট?
এবং সবাই যে সিদ্ধান্তে উপনীত হই, অফকোর্স, সেরা মার্শাল আর্ট (ওই মুহূর্তে বাইরের চোখের পিকচার টিউব বন্ধ, ভিতরের চোখ দেখছে, ছিপছিপে আমি'কে। যে কিনা কুয়াইইইক খুন! জাতীয় কোন একটা শব্দ করে নানা ভাল ভাল মার্শাল আর্ট জানা ডজনখানেক ব্যাডগাইজকে কোমর দুলিয়ে অকল্পমুভ নিয়ে ছিন্নভিন্ন করে দিল। তারপর বক্র একটা দৃষ্টি। তারপর খুলে গেল চোখ। ছিপছিপে আমি নেই, সামনে চলতে থাকা।)
সারা দুনিয়া খিচুড়ির কম্বিনেশনের বিষয়ে একমত হতে পারে না, আর সেরা মার্শাল আর্টের বিষয়ে কী করে হবে? তাই লিস্টটা আমার, কিন্তু সেরা নির্বাচনে লজিক্যাল ডিড্যাকশন তো থাকবেই। আর অনেক চমক আছে, সুনিশ্চিত চমক।
সহব্লগাররা মতামত জানালে জানাটা আরো সমৃদ্ধ হবে।
তাবত দুনিয়ার সেরা একুশ মার্শাল আর্টের কারণসহ লিস্টিঙে স্বাগতম!
সত্যিকার স্ট্রিটফাইটিঙে পথেঘাটে কুম্তাকুম্তিতে মার্শাল আর্টের মধ্যে কোনগুলো কোন অবস্থানে সবচে বেশি কাজে দিবে সেই লিস্টি।
প্রথম পর্বে থাকছে একুশ থেকে পনেরোর ফিরিস্তি।
২১.
জুডো
এই গেলরে!
এখনি ব্লগের জুডোকা'র দল প্যাচে ফেলে বারোটা বাজাবেন।
এত বিখ্যাত আর্ট, সারা পৃথিবীতে এত বেশি প্রচলিত, এত বেশি কার্যকর- তা কিনা লিস্টের শেষে এসে পড়ল?
হ্যা, জুডোতেও ব্যাডগাইজ কুপোকাত করা যায়। জুডোতে সবচে বড় যে সুবিধা তা হল, ম্যান টু ম্যান ফাইটে প্রতিপক্ষকে আহত না করেও যতক্ষণ খুশি লক করে রাখা যায়। আর একবার কোন জুডোকার তলায় পড়লে বোঝা যায়,
সখী মাইনকাচিপা কাহারে কয়!
তোমরা যে বল, চেপে ধরাধরি, চাপাচাপি কারে কয়?
হ্যা, জুডোর মত অসাধারণ এবং কার্যকর আর্ট লিস্টের নিচে আসার কারণ মাত্র দুটা। প্রথমত, জুডো কোন স্ট্যান্ডিঙ আর্ট নয়। গ্রাউন্ড বেইজড আর্ট। ফলে, এখানে ম্যানলি ভাবটা খুবই করুণ। আর ম্যানলি ভাব যদি নাই থাকত, যদি শুধু যাত্রার জন্য মোটরসাইকেল, তাহলে আর হাল্ক কেন? আদ্যিকালের 'মশা' বা বর্তমানের ওয়ালটন মোটরসাইকেলেই তো কাজ চলে।
দ্বিতীয়ত, জুডো এখন পুরোপুরি স্পোর্টস মার্শাল আর্ট। সত্যিকার কনফ্রন্টশনে জুডো একজনের জন্য ভাল, বড়জোর তিনজনকে কাহিনী করা সম্ভব, কিন্তু ব্রুস লী হওয়া, কক্ষনো নয়!
তবে একখানা কথা না বলে পারলুম না দাদা। কানো জিগোরো জাপানি বসকে সালাম। জুডোর আছাড়, বলিহারি, বলিহারি!
২০.
তাইকোয়ান্দো
এই দো'টা শুধু শুধু কি নব্বইয়ের দশকের শুরুতে সারা পৃথিবীর সবচে বেশি প্র্যাক্টিস করা মার্শাল আর্ট ছিল?
সব ধরনের এলিমেন্ট বেশ স্যাটিসফেক্টরি লেভেলে পাবেন এখানে। স্ট্যান্ডিঙ মার্শাল আর্টের কিকগুলো এখানে বেশ বিস্তারিত এবং বেদনাদায়ক। জুডোর প্যাচ আছে, সেইসাথে লক ও ক্ষিপ্রতার সমন্বয় আর্টটাকে করেছে অনেক ম্যানলি। দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় খেলা এই তাইকোয়োন সৃষ্টি হয় কোরিয়া থেকেই। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীতে ব্যাপক চর্চা চলে এটার। হাপকিদো তো লা জওয়াব দো। হাপকিদো কে আরো দ্রুতিময় করা হয়েছে এখানে।
অনেক অনেক আগে, কোরিয়ায় হোয়ারাঙ রা ছিল সাঙ্ঘাতিক যোদ্ধা। ধারণা করা হত, হোয়ারাঙ রা জাতযোদ্ধা। এদের যুদ্ধকৌশল এবং খালিহাতে লড়াই' র অনেককিছু যুক্ত হয়েছে তাইকোয়ান্দোতে।
তবে, এই হোয়ারাঙদের মূল বিদ্যার সাথে ছিল তীর, তলোয়ার। আর তীর-তলোয়ার ছাড়া আসলে তায়কোয়ান্দোর মজা আসবে না, তবে বর্তমান তায়কোয়ান্দো খুব সুন্দর একটা ব্যালান্সড ফর্মুলায় থাকে।
কী, ভাঙবেন নাকি দু চারটা কঙক্রিট স্ল্যাব?
১৯.
এসক্রিমা
ওডেস্ক নিয়ে অনেক সাবধানতা আছে আমাদের মধ্যে। একটা সাবধানতা নেই।
যারা ওডেস্কে ফিলিপিনোদের গালাগালি করেন, একটু সাবধানে করবেন। ওরা কিন্তু শুধু ইংরেজি ভাল জানে, কাজে সিনসিয়ার এবং সস্তায় কাজ করে তা নয়। ওরা এসক্রিমা ডেভেলপ করেছে।
হ্যা। এই ডেডলি মার্শাল আর্টটা লিস্টের অনেক উপরে আসতে পারত।
কিন্তু কে আর হাতে একটা ডান্ডা নিয়ে চব্বিশ ঘন্টা ঘুরে বেড়ায়?
দুটা স্টিক থাকলে আর এসক্রিমার মাস্টারের সামনে দাঁড়াতে হবে না।
এখনতো আর আগেকার দিনের মত ফিলিপিন্সের পথেঘাটে তলোয়ার নিয়ে চলাফেরা হয় না, তাই এসক্রিমার এক্সট্রিম ভার্শনটাও কার্যত অকার্যকর।
আরনিস বলুন বা কালি- এই দুটা আসলে এসক্রিমার প্রতিশব্দ। পশ্চিমা বিশ্বে কালি নামটা জনপ্রিয়। ফিলিপাইন-অ্যামেরিকান যুদ্ধের সময় পিনপিনোরা আচ্ছামত এসক্রিমো-ডলা দিয়েছিল। অনেক হারামি অ্যামেরিকান মরেছিল তখন এসক্রিমো গেরিলাদের হাতে।
মূলত স্টিক, ছুরি, ড্যাগার বা অসি নিয়েই কাজ। তবে একেবারে খালিহাতে আত্মরক্ষা যে করা যায় না এটায়, তাও নয়। শত্রুকে নিরস্ত্র করতেও এই বিদ্যার জুড়ি মেলা ভার। এসক্রিমা ডেভেলপমেন্টে যুক্ত আছে প্রাচীণ স্পেন ও ফরাসি আত্মরক্ষাশাস্ত্র সেইসাথে তলোয়ারযুদ্ধ।
কিন্তু টেল য়ু, এই জিনিস শিখলে আর কথা নেই।
১৮.
সাম্বো
ইফ য়ু্ স্মেল... দ্য রক, ইজ কোকেইন!
দ্য রক হতে ইচ্ছা করেছিল কখনো? বা ট্রিপল এইচ?
সমস্যা মাত্র একটা, ঠিক গ্রামার নেই রেসলিঙে। তাই রেসলিঙবিদ, যিনি শুধু রেসলিঙ জানেন, কুপোকাত হবেন মার্শাল আর্ট ওয়ালার হাতে। আবার, জুডো বা তাইকোয়ান্দোর মত মাটিতে আছড়াআছড়ি ও জড়িয়ে ধরে আমি-তুমিগিরি ভাল লাগে না, কিন্তু জুডোর আছাড় ও প্যাচপোচ ভাল লাগে?
যদি একটু কুস্তি চাই, সেইসাথে কুস্তিগীরের মত মস্ত শরীর আর দু একটা লক, সেইসাথে চরম মার্শাল আর্টের গ্রামার- আপনাকেই খুঁজছে সাম্বো।
যদিও রাশিয়ান শব্দে সাম্বো মানে খালিহাতে আত্মরক্ষা মানে চাইনিজ শব্দে কারা-তে, কিন্তু কারাতে এক জিন্স, সাম্বো আরেক।
সমাজতন্ত্রী রেড আর্মিতে সাম্বো ছিল বেসিক মার্শাল আর্ট।
সেই কানো জিগোরোর কাছ থেকে জুডো শিখে তার সাথে রেসলিঙ ও মার্শাল আর্টের অন্যান্য বিদ্যা ঝাঁকিয়ে যে বস্তু ভিক্তর স্পিরিদোনোভ আর ভাসিলি ওস্চেপকভ তৈরি করলেন তারই নাম সাম্বো।
স্পোর্টস সাম্বো শিখবেন? দুধভাত, দুধভাত। দু হাজার চারে তৈরি ফ্রিস্টাইল সাম্বো একটু ভাল। কিন্তু কাজের জিনিস হল কম্ব্যাট সাম্বো।
১৭.
বক্সিঙ
ফ্লাইঙ লাইক আ বাটারফ্লাই,
বিটিঙ লাইক আ বি,
ওয়েলকাম ওয়েলকাম মোহাম্মদ আলী!
এটাকে সামান্য মনে করার কোন কারণ নেই।
বড় বড় মার্শাল আর্ট ওয়ালারা বক্সারের সামনে পড়লে আর কোথাও যাবার পথ পান না। নিজের মুখে কয়টা দাঁত ছিল, তা হাতে নিয়ে গুণে দেখার রেয়ার সুযোগটা ঘটেই যায়। শুধু একটা সোলেমানি আপারকাট খেতে হবে।
একজন বক্সার যদি রেবিট পাঞ্চ করে ঘাড়ের নিচে বা মাথার পিছনে, অথবা সামান্য ছুঁয়ে দেয় কিডনি, স্পটডেড। জ্যাব বা হুকও কিন্তু ঘুষি হিসাবে খারাপ নয়। মাঝে মাঝে সামনাসামনি সোজা ঘুষি বা জ্যাবগুলো নন-বক্সারদের ঘাড় ভেঙে দিতে পারে।
এগুলোর সাথে তুলনা করলে ক্রস বা ক্রস কাউন্টার, শর্ট স্ট্রেইট পাঞ্চকে আমরা বলতে পারি শত্রু অকার্যকর করে তব্দা লাগানোর হাতিয়ার।
১৬.
কিকবক্সিঙ
হু। ওয়েস্টার্ন কিকবক্সিঙ।
ষাটের দশকে পূর্ণতা পায় জাপানি কিকবক্সিঙ, সত্তরে আমেরিকান। কিন্তু মারকাট কিকবক্সিঙ? ... উহু, এই পর্বে সেই আসলটার কথা হবে না।
কিকবক্সিঙ দারুণ এক হাইব্রিড মার্শাল আর্ট। চমৎকার গতি পুরো আর্টটায়। বিশেষ করে একশো আশি ডিগ্রি মোড়ের তো কোন তুলনা নেই। আর ছিপছিপে শরীরে পাথরের মত গুটি পাকানো অমিত শক্তিধর পেশীগুলোর কথা নাই বা বললাম। ও পেশী তৈরি হয়েছে কিকবক্সারের কিক খেয়ে বেমালুম হজম করে ফেলার উদ্দেশে।
বক্সিঙ থেকে পিছিয়ে আছে শুধু একটা কারণে। হাতে ওই পরিমাণ শক্তি ধরে না যে পরিমাণ বক্সারের ধরে। আর এগিয়ে আছে বহুগুণ। সত্যিকার ফাইটিঙ এরিনায় শুধু দু হাত দিয়ে কাজ সারা যায় না। সাথে সাথে পা-ও দরকার হয়। তাই কিকবক্সিঙয়ের গতি ও ডাইমেনশন অসাধারণ। এই লড়াকু বাস্তব জীবনে প্রত্যেক প্রতিপক্ষকে মাত্র একটা করে কিক অথবা পাঞ্চ করলেই হল, বাকী অবহেলা ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের ডাক্তার সারবেন।
আর কিকবক্সারের পা?
চিনিতে পারিনাই প্রভু তাইতে করি নমো নমো। ও প্রভু ক্ষমো ক্ষমো আমারে ক্ষমো ক্ষমো।
১৫.
নিনযুতসু
শব্দটার মধ্যেই নিনজা নিনজা গন্ধ না?
ঠিক তাই।
এই হল চির রহস্যময় নিনজাবিদ্যা। পারলে এটাকেই একনম্বুরি করে দেই আরকী!
নিনজাবিদ্যা মাত্র পনের নাম্বারে?
হু। কারণ, নিনজুতসু নামে যা শিখবেন, তা হল স্পোর্টস। আসল নিনজাবিদ্যা হারিয়ে গেছে জাপানের অগম্য অলিগলিতে।
মূলত নিনজা খুব ডিফিকাল্ট একটা শিক্ষাক্রম। এজন্য আবাসিক শিক্ষা চাই, সেইসাথে অসম্ভব অবাস্তব রকমের ট্রেনিঙ ও সহ্যক্ষমতা অর্জন। যা এই যুগে কেউ শখ করে নিতে চাইবে না।
এটা আসলেই অদৃশ্যের শিক্ষা।
নিনজারা আসবে, খুন করবে এবং চলেও যাবে, তাদের দেখা যাবে না, এই হল নিনযুতসুর মূল সুর।
প্রথমে আসে এক্সটেন্সিভ শারীরিক ট্রেনিঙ। খুব বেশি দীর্ঘায়িত। সেটা পূর্ণ হলে ওয়েপন্স যুক্ত হয়। নিনজা থেকেই এসেছে আধুনিক স্পেশাল ফোর্সেস এর ধারণা। কম্যান্ডো তো নিনজারাই ছিল হাজারো বছর ধরে।
এখন আর আপনি একজন নিনজা হয়ে সাথে বো-হিয়া বা আগুন তীর পিঠে করে চলাচল করতে পারবেন না। পারবেন না নিনজাতো তলোয়ার নিয়ে চলতে এমনকি স্বাভাবিক সামুরাই তরবারি কাতানা রাখতে। বাজোজুতসু বা প্রাচীণ জাপানি পিস্তল নিয়ে ঘুরতে গেলেও নিশ্চই জেরার মুখে পড়তে হবে। একই অবস্থা ফুকিয়া'র ও। হ্যা, এই ডার্টগানটা সাথে রাখতে পারেন, কিন্তু কেউ চেক করলে অবস্থাটা কী হবে?
শুরিকেন, তেকাগি-শুকো, নোগো-তে - এইসব থ্রোয়িং উইপন যদি সাথে রাখতে নাই পারি, তো নিনজাবিদ্যার অ্যাপ্লিকেশন হল কী করে?
এখন মূলত তাইজুতসু বা খালি হাতে নিনজাগিরি শেখানো হয়।
অথচ সবচে সেরা যেটা, সেই শিনোবি-ইরি বা অদৃশ্য আগমনবিদ্যা, এসে চোহো বা ইন্টেলিজেন্সবিদ্যা, নিজেকে অদৃশ্যও অনেকের মধ্যে খুজে বের করতে না দেয়ার হেনসুজুতসু বিদ্যা, নানা ধরনের ছুড়েমারার অস্ত্র চালাতে শেখার শুরিকেনজুতসু শেখার পর লাঠি দিয়ে কাত করার বোজুতসু এবং আসল নিনজা সোর্ডফাইটের কেনজুতসু যদি নাই শিখি এবং এগুলা নিয়ে ঘোরাফেরা যদি নাই করি, তো কীসের ছাই নিনজুতসু?
এহেন নিনজাবিদ্যা যুতসুই হল না।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:১৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: ধন্যবাদ।
হ্যা, সবার ছেলেবেলার ওই সময়টার কথা মিলবেই।
সোতোকান তো অসাধারণ দো।
ছাড়লেন কেন? বাংলাদেশে অহরহ শেখা যায় ভাল মানের সোতোকান।
২|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:১৮
সাইকোপ্যাথ্ বলেছেন: ভাল্লাগছে....খুবই ভাল্লাগছে..।চালায়া যান।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:২৬
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: খুবই ভাল্লাগছে শুনে আমারো খুব ভাল্লাগছে ভাই।
হ্যা, আর দুটা পর্ব আসবে।
ধন্যবাদ।
৩|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:২৪
বিশ্বপ্রেমিক বলেছেন: আমার ছাড়ার কারণ পড়াশুনা আর প্র্যাক্টিসের অভাব। শহরে প্র্যাক্টিসের জন্য জায়গা সেরকম পাওয়া মুশকিল, আর বাসার মধ্যে প্র্যাক্টিস করাও যায় না। তার উপর আবার প্রাইভেটের সময়ের সাথে টাইম মেলে না। আর যেরকম ডেডিকেশন দরকার এইসব মার্শাল আর্ট রপ্তের জন্য ঐরকম ডেডিকেশন ফ্যামিলি সাপোর্ট ছাড়া ধরে রাখা মুশকিল। ঐদিক দিয়ে বলতে গেলে আমার ফ্যামিলিও অতটা সাপোর্ট করত না, কারণ একটাই- পড়াশুনা। আর আমিও সবকিছুর সাথে তাল মেলাতে যেয়ে আগ্রহটা ধরে রাখতে পারি নি।
ঢাকাতে এসব শেখার কোন ব্যাবস্থার কথা বলতে পারেন কি? কোথায় কোথায় শেখায়- খরচ কেমন? যদি শেখা যায় তাহলে ব্যায়ামের পরিবর্তে মার্শাল আর্ট আমার ফার্ষ্ট চয়েস। ![]()
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৩২
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: অবশ্যই ব্যায়ামের বদলে ফার্স্ট চয়েস আসবে মার্শাল আর্ট।
শুধু নির্বিষ ব্যায়াম করে লাভ নেই কোন।
ডেডিকেশন- এই একটা জিনিস খুব বেশি দরকার। নাহলে মার্শাল আর্টে কিসুই করা যায় না। অনেককে দেখেছি তিন বছর চর্চা করে তেমন কিছু করতে পারেনি আবার অনেকে দুমাস পরপর বেল্ট পাল্টে গেছে দারুণভাবে।
ঢাকায় ... আপনি কি গ্রিনরোড-পান্থপথ-কলাবাগানের আশপাশে কম সময়ের মধ্যে যেতে পারেন?
অসাম একটা মার্শাল আর্ট সাজেস্ট করতে পারতাম তাহলে।
৪|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৩১
চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: আহারে ছোটবেলায় টিভিতে দেইখা কতো প্র্যাকটিশ করছি ![]()
চমৎকার পোস্ট।+++
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৩৩
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: ধন্যবাদ চেয়ারম্যানসাব।
ইনুইস্যায় হেইযে আমার গডিবাডি নিয়া গেলগা, আমি চেরম্যানসাবরে কত কইলাম, তা আপ্নে তো কোন সাড়াশব্দ দেননা!
৫|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৩৭
বিশ্বপ্রেমিক বলেছেন: আমি কলাবাগানেই আছি। জলদি জানান কোথায় গেলে শিখতে পারব।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৫১
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: এটা কিন্তু কারাতের সোতোকান জাতীয় কিছু নয়। কিন্তু আপনার অভিজ্ঞতা আছে, গেলেই ধরতে পারবেন কতটা অ্যাডভান্সড আর্ট।
৪৪, কলাবাগান, প্রথম লেইন (ঢাকা টাওয়ারের বিপরীত গলি দিয়ে), বু্ত্থান মার্শাল আর্ট।
সাইনবোর্ড দেখতে পাবেন সেখানে।
আমার এক বন্ধু ইন্সট্রাক্টর।
৬|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৫৪
বিশ্বপ্রেমিক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। ঈদের পরে যাব ইনশাআল্লাহ।
:#>
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:০৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন:
ঈদ মুবারক।
৭|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৩৩
সবুজ ভীমরুল বলেছেন: +++++ দারুন পোস্ট।
অনেকে বক্সিংকে হেলা ফেলা করে। কিন্তু একজন পেশাদার বক্সারের সত্যিকারের জ্যাব যেকোন মার্শাল আর্টিস্টকে কুপোকাত করতে যথেষ্ট। ডিসকভারি চ্যানেলে একবার দেখিয়েছিল, একজন বক্সারের ঘুষির ওজন একজন কারাতেকার ঘুষি থেকে অনেক শক্তিশালী।
এসক্রিমা টা ডেঞ্জারাস লাগসে!!
আচ্ছা আপনি এগুলোর মধ্যে কোন বিদ্যায় পারদর্শি??
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৪২
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: বক্সারের ঘুষির কথা আর বলবেন না। থিওরিটিক্যালি একবার খেয়েছিলাম, এখনো মাথা ঘুরছে...
এসক্রিমা আসলেই ভয়ানক।
এগুলোর মধ্যে কোনটাতেই পারদর্শী না তো ভাই।
তবে... উম্...
লিস্টের এক, দুই ও তিন নাম্বারে যে তিনটা আর্টের নাম আসবে,
ওই তিনটা মিলিয়ে একটা নতুন মার্শাল আর্ট শুরুর প্রচন্ড ইচ্ছা আছে।
৮|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৪
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: শিখা ফালাইসি ! ওয়িইইইইই ইয়াআআআআ ইয়ুউউউউউউউউউ এইবার কারো সাথে লাগলেই পোল্টি দিতে পারুম !
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৬
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: আম্রাতো চার বছর বয়সেই পল্টি মারতাম...
থ্যাঙ্কস ভাই।
৯|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১২
ভাবগুরু বলেছেন: দারুন!!! চালিয়ে যান
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:১৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: থ্যাঙ্কইউ গুরু।
ঠিক কোন বিষয়ে শিষ্য বানাবেন আমাকে?
১০|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৫২
ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: নিনজা দের নিয়ে যেইসব কথা বলা হয় সেগুলো ম্যাক্সিমাম ই বানানো মনে হয় আমার কাছে। এদের দক্ষতা নিয়ে কোন দ্বিমত নেই কিন্তু এদের নিয়ে চলা মিথ বিশ্বাস করি না। সামুরাই বা নিনজাদের নিয়ে জাপান কখনই ইনভিন্সিবল ফোর্স ছিলনা। চীনের অনেক যুদ্ধে পরাজয় কিন্তু মার্শাল আর্ট নিয়ে এইসব বাড়াবাড়ি ভ্রান্ত প্রমাণ করে।
আমার খুব অবাক লাগে তেমন মার্শাল আর্টে পারদর্শী বা হয়েও গ্রীক, রোমান, পারসিয়ান, এরাবিয়ান, মঙ্গোলীয়ান, ইংরেজ, ফরাসি, স্পেনিশ, পর্তুগীজ, তুর্কিরা সামরিক জাতি হিসেবে এত সফল হল কিভাবে? অথচ চীন, জাপান, কোরিয়ানদের সামরিক দিক দিয়ে গর্ব করার ইতিহাস নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাপানি সাকসেস মূলত টেকনোলজীর বদৌলতে। আর সামুরাই দের সাথে জাপানি সম্রাটের যুদ্ধেও সামুরাইদের ইনভিন্সিবল হবার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না। কিন্তু তারপর ও এতসব প্রশংসার কি আলাদা কোন ব্যখ্যা আছে আপনার কাছে?
আমি জিজুৎসু জানে এমন একজনকে চিনি, মনে হয় না দশ বারো জনের সাথে পেরে আসবে যদি ঐ দশ বারো জন যদি সতর্ক হয়েই তাকে আক্রমণ করে। ছোটবেলায় এক মার্শাল আর্টিস্টকে কোবাইছিল শুনছিলাম , তার মার্শাল আর্ট কিন্তু এক্ষেত্রে কোন সাহায্যে আসেনাই অথচ যারা কোবাইছিল তারা কিন্তু মার্শ্যাল আর্ট জানতনা।
আমার কাছে মনে হয় অস্ত্রের উপর আর কোন আর্ট নাই মারামারিতে জিতার জন্য। মার্শাল আর্ট শ্রেফ তার সার্ভাইভাল স্কিল বাড়িয়ে দেয়। এর বেশী কিছু তার পক্ষে সম্ভব নয়।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৪১
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: না ভাই, ওটাতে একমত হতে পারব না।
একজন মানুষের পক্ষে কতটা কী করা সম্ভব, তা কিন্তু কখনো মানুষ বলতে পারে না।
আর ট্রেনিঙ হল অসম্ভবকে সম্ভব করার হাতিয়ার।
নিনজাদের যে বিদ্যাগুলো আছে, আমার দৃষ্টিতে প্রতিটাই অ্যাপ্লিকেবল। যেমন, গন্ধ শুঁকতে জানা, অন্ধকারে নি:শব্দে চলাফেরা, একেবারে নিম্নমাত্রার শব্দে শত্রু ডিটেকশন, অস্ত্র ছোড়ার পারফেকশন এবং আর সবকিছু।
এমন অনেক বিষয় আগের পৃথিবীতে ছিল, যা বর্তমানে আমরা মনে করি অসম্ভব। কিন্তু বিজ্ঞানের অগ্রগতি মানুষের অভ্যাসগত অসম্ভবকে সম্ভব করার বিষয়টাকে ইদানিং স্বীকার করে নিচ্ছে। যেমন, প্রাচীণ ইনকা সাম্রাজ্যে সংবাদবাহক বা স্কাউটদের পরপর তিনদিন সত্তর মাইল না থেমে দৌড়ানো। এটাকে আগে মিথ মনে করা হত। এখন আর মিথ মনে করা হয় না, কারণ, মাত্র বছরখানেক আগে টেকনিকটা আমাদের অধূনা বিজ্ঞান ধরতে পেরেছে।
টেকনিক আর কিছুই নয়, মনকে এমনভাবে প্রস্তুত করা যেন তা শরীরের তরলপ্রবাহমাত্রাকে ও তরলসৃষ্টিমাত্রাকে নিয়ন্ন্রণ করতে পারে।
এই নিয়ে ব্যাপক পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে ওবায়েদ ভাই, শামিল হবেন কিন্তু।
আর যুদ্ধে সাফল্য বা অসাফল্য-
যুদ্ধক্ষেত্র ও স্ট্রিট কমব্যাট সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।
এজন্যইতো বলি, জিজুতসু ও জুডো কোন কামের জিনিস নয়।
কাজের জিনিস হল রিয়েল কম্ব্যাট ট্রেনিঙ।
সেই ট্রেনিঙ নিতে হলে চাই শুরু থেকেই অ-খেলোয়াড়সুলভ এনভায়রনমেন্ট।
স্পোর্টসম্যান, তা যে গোত্রের মার্শাল আর্টিস্টই হোন না কেন, কখনো কম্ব্যাট ট্রেইন্ড মানুষের মত বাস্তবে পারবে না।
১১|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:০৬
ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: তবে আপনার পোস্ট কিন্তু সুপার হইছে। একদম ডিপে যেয়ে বিষয়গুলো তুলে ধরছেন। প্লাস নেন ভাই।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:২৫
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: প্লাস নগদ নিয়ে নিলাম। (দেরি করে কোন বোকা?)
নিজের জন্যই একটু ঘাঁটাঘাঁটি করতে যেয়ে এসব বেরিয়ে এল।
থ্যাঙ্কস ভাই।
১২|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:২১
তামিম ইবনে আমান বলেছেন:
নিনযুতসু রে পচাইলেন
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৩০
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: আমি কিন্তু নিনযুতসুরে পচাই নাই।
ওবায়েদ ভাইরে ধরেন।
ওবায়েদুল আকবর ভাই কী কয় বলেন তো?
নিনযুতসুর মত বিদ্যা আর নাই, শুধু সশস্ত্র অবস্থায় চলাফেরা করা এখন অ্যাপ্লিকেবল না এটা বললাম।
১৩|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫৫
ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: ওবায়েদুল আকবর ভাই কী কয় বলেন তো?
আরে ভাই আমার নলেজ এই বিষয়ে খুবই কম। কিন্তু আপনিই বলেন নিনজা আসাসিন মুভিতে যা দেখাইছে এই টাইপের কোন কিছু কি আদতে সম্ভব? একজন মানুষ কখনো দশজনের পরিপূরক হতে পারেনা। প্রত্যেকটা দেশের মিলিটারি, পুলিশ এদের কিন্তু আনআর্মড কম্ব্যাট ট্রেনিং দেয়া হয় তারপর ও দেখেন সাহস করে জনতা যদি বেরিকেড ভাঙতে যায় তাহলে কোথায় উড়ে যায় এইসব বাহিনীর প্রতিরোধ। নিনজা মিনজারে ঐভাবে ধরলে তারাও উইড়া যাইত। সেইটাই বলতে চাইছিলাম কমেন্টে কিন্তু গুছাইয়া বলতে পারিনাই। তবে নিনজাদের সাফল্যের মূলে যে ত্রাস সৃষ্টি এটা শিকার করতেই হবে। আর এরা মানুষের অসতর্কতাটাকেই মনে হয় বেশী ইউটালাইজ করত। ঠিক একই রকমের কৌশল প্রয়োগ করত মধ্যপ্রাচ্যের হাসাসিন রা।
যাউক গা ইপম্যান দেখছেন নিশ্চয়ই। উইন চুন আর জিজুৎসু কি লিস্টে আছে আপনার?
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:১৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: মধ্যপ্রাচ্যের হাসাসিনরা তো এক ধরনের কাপুরুষ!
নেশায় আসক্ত ক্ষিপ্রগতির ছেচড়া চোর বলা চলে।
নিনজা নিয়ে যে মুভিগুলো আজকাল হয়, তাতে বাড়াবাড়ি থাকারই কথা। আমি মার্শাল আর্টের নামে যে গোজামিল দেয়া মুভি হয়, সেগুলো দেখিই না। বেহুদা সময় নষ্ট কে করতে চায়।
তবে ওইযে, আগে যে কোনকিছু ভাবতাম এভাবে, মানুষ এটা পারে না, ওটা পারে না।
এখন, ওবায়েদ ভাই, আমার সব বিশ্বাস টলে গেছে।
এখন আমি ভাবি, মানুষ যা পারে, তা জানি না। কিন্তু কী পারে না, তা জানা আমার পক্ষে কোনদিনও সম্ভব নয়। :#> :#> :#>
আর মানুষের কমন ট্রেন্ডগুলোই তো আগে বিবেচনা করে মার্শাল আর্টওয়ালারা।
মানুষ কী করলে ভয় পাবে, অ্যাট আ টাইম সবচে বেশি কয়জন মানুষ একজনকে আক্রমণ করতে পারে, এটাই তাদের ভাবার বিষয় আগে। তারা এই হিসাব করেই আর্টটা ঠিক করে।
জুজুতসু লিস্টে আছে, তবে অন্যভাবে।
আর উইনচুনও লিস্টে আছে, মজার ব্যাপার হল সেটাও অন্যভাবে।
১৪|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:০৮
ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: আপনার কমেন্ট এর উত্তর খার আগেই কমেন্ট করে বসলাম। সরি আগে দেখলে ঐ কমেন্ট করার প্রয়োজন হতনা। হ্যা এইটা ঠিক বলছেন যে আসল কাম হল কম্ব্যাট ট্রেনিং। মানুষের যখন প্রয়োজন হয় খুন করার তখন সে যে কোন চ্যাম্পিয়ন মার্শাল আর্টিস্টের চেয়ে ভয়ংকর।
আর ইপম্যান এর মধ্যে একটা জিনিস দেখবেন ডোনি ইয়েন কিন্তু যখন দশ জনের সাথে ফাইট করে তখন তার অপন্যান্ট দের সিদ্ধান্তহীনতার ফায়দা নিচ্ছিল। একসাথে কিন্তু তাকে কখনোই তারা হামলা করছিলনা। করছিল একজন বা দুইজন করে। বাস্তবেও কিন্তু তাই হয়। ছিনতাইকারিকেও যখন গণপিটুনি দেওয়া হয় তখনো কিন্তু সবাই একসাথে মারে না। যারা কাছাকাছি থাকে তারাই শুধু মারে। বাকিরা হয়ত মারতে যায়, অনেক ঠেলাঠেলি করে দুইচারটা মেরে আসে। আমার মনে হয় প্রতিটা মার্শ্যাল আর্টেই মানুষের এই দুর্বলতাটা ইউজ করা হয়।
আর একটা কথা। মুভি স্ট্যার স্টিভেন সিগ্যাল এর আইকিডো আর জুডোর মধ্যে বেসিক পার্থক্য কি? দুইটা প্রায় সেইম মনে হয়। আইকিডো ম্যান রা একটু ফাস্ট হয় এই যা।
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:২১
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: আমার মনে হয়,
স্পোর্টম্যান হওয়ার জন্য মার্শাল আর্ট শেখা এক ধরনের অপচয়।
আমাকে কিলিয়ে কাঠাল পাকাতে এল কেউ, তখন আমি কী করব, এই হল আসল মার্শাল আর্ট।
অন্যদের বিভ্রান্ত করা মার্শাল আর্টের একটা মূল বিষয়। শুধু শক্তি দিয়ে এবং আক্রমণ দিয়ে কখনো ভাল খেলোয়াড় হওয়া যায় না, ভাল লড়িয়ে হওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।
স্বয়ং মুহাম্মাদ আলী কিন্তু ছিলেন একজন দূরে দূরে থাকা এবং হঠাত আক্রমণ করা পাঞ্চার। ফলে বক্সিঙে তিনি সর্বকালজয়ী।
এই জিনিসটা আমার এক ফ্রেন্ড বলে। কক্ষনো তোমাকে মারার সুযোগ তিনজনের বেশি পাবে না। ফলে, তুমি কাত করবে মাত্র তিন চারজনকে অ্যাট আ টাইম, এর বেশি না। এরপর আবার তিন চারজন স্পেস পাবে। তাদের কাত করো।
জুডো তো জুডোই। আইকিদোকে সালাম, সালাম। এমনধারা মার্শাল আর্ট পৃথিবীতে আর কখনো তৈরি হয়নি, কখনো তৈরি হবার নয়...
আমি আইকিদোর অন্ধভক্ত।
ওতে কী যে মধু আছে, গ্রামারটা একবার দেখলে বুঝবেন। কারো সাথেই কোন মিল নেই মূল গ্রামারে। বিস্তারিত লিখব সেটার রাঙ্ক এলে।
১৫|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪১
আপেল বেচুম বলেছেন: সুন্দর জিনিস নিয়ে লিখেছেন। আমার একটাই দেখার আগ্রহ যে কিউকুশন কারাটে, ক্রাভ মাগা এবং মোই থুই-কে আপনি কী সিরিয়াল দেন ?
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:২৭
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
কিন্তু আপনি আপেল বেচে আর কী করবেন?
মার্শাল আর্টই বেচা শুরু করেন না...
এই লিস্টি তো আপনার করার কথা ছিল ভাই
। সরাসরি আসল জিনিস নিয়ে টানাটানি শুরু করেছেন।
তবে, আপনার জন্যও অন্তত একটা চমক জমা করে রেখেছি আশা করি।
১৬|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৯
চাচু বলেছেন: সুন্দর পোস্ট ভাই , প্লাস অবিরাম ।
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৩
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
ভাই বলব না চাচু তা নিয়ে এখনো মহাচিন্তিত।
১৭|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৬
চাচু বলেছেন: call me চাচু bro. ha haaaa
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২০
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: তাহলে আমি ব্রো হলাম ক্যাম্নে?
যাক, আপনি ব্রো ডাকেন, আমি চাচু ডেকে যাই...
(সামু আমাকে জেনারেল করতে পারল, আর আপনি কিনা এখোনো সিন্ডিকেটের জেনারেল সেক্রেটারির পদটা দিলেন না...)
১৮|
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:২৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: মার্শাল আর্টের প্রতি আমার মোহ ছোটবেলা থেকেই। বার্মিজ এক ইনস্ট্রাকটরের তত্ত্বাবধানে কিছুকাল কারাতে অনুশীলনও করেছিলাম।
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ ভোর ৫:৩৫
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: ও মাই গড!
(মনে যা এসেছিল মন্তব্য দেখে, মুখে তাই বলে দিলাম)
সিম্পলি সেলিব্রিটি ব্লগার ফিউশন ফাইভ মন্তব্য করেছেন, আমি আপনার অনুসন্ধানী ও ব্লগ-আন্দোলন লেখার সোজাসাপ্টা গ্রাহক ভাই।
অসংখ্য ধন্যবাদ আমার ব্লগে আসায় ও মন্তব্য করায়।
হ্যা, বার্মিজরাতো এম্নিতেই ভাল মার্শাল আর্ট জানে। মঙ্গোলয়েডরা আগে থেকেই এমন পারিবারিক পরিবেশে বড় হয়ে অভ্যস্ত।
১৯|
৩১ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০২
শামির শাকির বলেছেন: মন্তব্য দেয়ার জন্য লগিন করলাম। সরাসরি প্রিয়তে। আমি মার্শাল আর্ট নিয়ে খুউবি ইন্টারেস্টেড কিন্তু সরাসরি কোনটাই শেখা হয় নাই
নেটে সার্চ করে বাংলাদেশের মার্শাল আর্ট ইন্সটিটিউট গুলা পাওয়া যায় না। খালি লোকাল বাসের পিছনে ড্রাগন মার্কা পোস্টার ছাড়া। দেশের মধ্যে বুত্থান মার্শাল আর্ট এর কিছু ভিডিও দেখছি।
৩১ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: রাইট চয়েস!
সুপার্ব চয়েস।
বুত্থান আপনাকে হতাশ করবে না।
(কিন্তু আমি বুত্থান ওয়ালা হবারচে আমার রাঙ্কিঙে ১-৩ মিশিয়ে নতুন একটা রেসিপি তৈরি করতে আগ্রহী ... হয়ত আরো অন্তত বছর চারেকের মামলা!)
২০|
৩১ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৩২
শামির শাকির বলেছেন: ম্যাক ইউরি কে দেখে আমি মুগ্ধ। চেতনার সাথে ব্যাক্তি যখন এক হয়ে যায়, তখনই চেতনার বিকাশ হয়। চিন্তা করা যায় না যে মার্শাল আর্ট এর বীজ এই বাংলা থেকেই ছড়াইছে। ভার্মা কেলাই টেকনিকটা দেখছেন? এইটা তো মেড ইন বাংলা।
১-১৫ র্যাংক কবে ছাড়বেন?
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: বাকি রাঙ্কগুলো সাজানোর জন্য নেট লাইন দরকার। আমিতো মোবাইল-ব্লুটুথ দিয়ে কোনমতে চালাচ্ছি গত সপ্তাখানেক ধরে। তাই ছবি আপলোড করতে পারছি না। রাঙ্ক রেডি আছে।
শুধু তখনি বিষ্ফোরণ হয়, যখন ব্যক্তির সাথে চেতনা একাকার হয়ে যায়।
ভার্মা কালাইয়ের কথা আর বলবেন না।
ম্যাক ইউরি তো সত্যিকার গ্র্যান্ডমাস্টার। সেই আদ্যিকালের মত।
২১|
৩১ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৩৪
শামির শাকির বলেছেন: আরেকটা জিনিস। দেশে মার্শাল আর্ট এর উপর নেটে কোন রিসোর্স থাকলে শেয়ার কইরেন। খুবই উপকৃত হব
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৫
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: আমার এক বোজম ফ্রেন্ড বুত্থানের ব্ল্যাকবেল্ট। শাখা পরিচালক।
ওর সাথে যোগাযোগ করে জানাব আপনাকে।
২২|
৩১ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:১২
অচিন.... বলেছেন: চমৎকার
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৬
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই অচিন...
এক সেন্সে মানুষ মাত্রই অচিন, না?
২৩|
৩১ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩৫
স্ক্রুড্রাইভার বলেছেন: তাইয়াকোয়ান্দো এত পরে কেন?? বরই দুঃখ পেলাম।
দারুণ পোষ্ট।
সরাসরি প্রিয়তে, তাড়াতাড়ি পরের পর্ব দিন।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৭
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: সামনের রাঙ্কে যে আর্টগুলো আসবে, সেগুলো এত অবভিয়াস যে, তাইকোয়ানদোর মত অকল্পনীয় ভাল একটা মার্শাল আর্টকে না পেরে নিচে স্থান দিতে হল।
আসলেই আর্টটা অসাম।
রেগুলার নেটলাইন নিয়েই পোস্টগুলো দিয়ে দিবে।
২৪|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০১
ইয়ার শরীফ বলেছেন: ভালো লাগলো ভাই
বুথান এ খরচপাতি কেমন ??
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪৫
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: স্ট্যান্ডার্ড খরচপাতি হওয়ার কথা ভাই। কত আর হবে? হয়ত শ পাঁচেক বা এমন কিছু।
২৫|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:২৫
কাল্পনিক বলেছেন: শুধু উইকেন্ডে সময় দিয়ে কি এগুনো সম্ভব? আপনার ফ্রেন্ডের নাম্বারটা পেতে পারি? এখানে না দিতে চাইলে মেইল করতে পারেন <[email protected]> এই ঠিকানায়।
ধন্যবাদ!
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২১
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: আমি নাম্বারটা দিচ্ছি ভাই।
না, সারা সপ্তাহ প্র্যাক্টিস চলে।
(সপ্তাহে তিন-চারদিন বা আরো বেশি)
২৬|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:২৬
কাল্পনিক বলেছেন: [email protected]
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২২
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন:
ওর নাম্বারটা জিগ্যেস করে এখানে দিচ্ছি অথবা না দিতে বললে মেইল করছি দ্রুত।
২৭|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৪
শামির শাকির বলেছেন: পরের কিসতি কৈ? বিসতারিত জানালেন না তো
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০৯
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: পরের কিস্তি... ভাই আমি একটু পারিবারিক কারণেই দূরে সরেছি ব্লগ থেকে। শুরু করলে অবশ্যই পরেরগুলো দিব। আসলে লজ্জিত লাগছে এটা শেষ করিনি দেখে।
২৮|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৬
স্ক্রুড্রাইভার বলেছেন: ভাই তারাতারি পরের পর্ব দেন, যে সব এর নাম দিলেন, এদের উপরে কে আছে তা জানতে দেরি আর সহ্য হচ্ছে না.........
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৭
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: ভাই খাড়ান। এখনি শুরু করছি! কালকের মধ্যে দিব পরের পর্ব।
২৯|
২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২০
উদাস যুবক বলেছেন: ভাই মার্শাল আর্ট আমার প্যাশন। আমি শারীরিক ভাবে খুব একটা শক্তিশালী না, ফিটনেস ও নেই। কিন্তু ডেডিকেশনের কোনও অভাব নেই। আপনার কিছু সাজেশন আমার দরকার। উইং চুন বাংলাদেশে কোথায় শেখা যায় বলতে পারেন??আপনার রেসিপি ফাইনালি প্রিপেয়ার হলে আমি হব আপনার প্রথম ছাত্র ইনশাল্লাহ।
৩০|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:১৮
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: এস এম জুবায়ের, ৪৪ কলাবাগান, প্রথম লেইন, ঢাকা-১২০৫.
ব্ল্যাক বেল্ট ফার্স্ট ডিগ্রি, ইন্সট্রাক্টর, বু্ত্থান মার্শাল আর্ট (গ্রিনরোড ব্র্যাঞ্চ)
০১৭১৭ ৭৯ ৫৭ ৩৭
(আমার বজম দোস্ত। বুত্থান মার্শাল আর্ট এই পৃথিবীর সবচে সেরা পাঁচ আর্টের একটা। এর গ্র্যান্ড মাস্টার বাঙালি ও বাংলাদেশি মানুষ ড. ম্যাক ইউরিকে এখন নিয়মিত ডিসকভারিতে সুপার হিউম্যান প্রোগ্রামে দেখানো হচ্ছে। বর্তমানে স্ট্যান্ডিং মার্শাল আর্টে আমি অবশ্যই বুত্থানের ফ্যান।)
ভাই, আমি পণ করেই ব্লগ থেকে দূরে আছি। প্রচন্ড লজ্জিত লাগছে পোস্ট না করায়। রীতিমত খারাপ লাগছে। কিন্তু কিছু করার নেই।
না, কমেন্ট ব্যান এখনো বন্ধ হয়নি।
৩১|
১৪ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:৪৬
শের শায়রী বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। আর কি বলব আপনার পোষ্ট নিয়ে।
ভাল থাকুন ভাই
৩২|
১৪ ই এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ২:১১
রিজভী খান রাজ বলেছেন: র্যাঙ্ক ১-১৫ এর জন্য আর কত অপেক্ষা করাবেন?
:/ :/
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:১১
বিশ্বপ্রেমিক বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে। পোষ্টের শুরুর দিকের কথার সাথে পুরা মিলে গেল। ক্লাস সিক্সে থাকতে মাস ছয়েক ছোতোকান শিখছিলাম। পরে ইন্টারে আবারো মাস ছয়েক, ঐ পর্যন্তই। আর এইসব শিখতে যে পরিমান এনার্জি আর ডেডিকেশন দরকার, তা পড়াশুনার ফাঁকে বের করা মুশকিল। তাই পরে আর ইচ্ছা সত্ত্বেও চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
পরের গুলোর অপেক্ষায় থাকলাম।