নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নতুন কে জানার .... নব্য শতাব্দীতে নতুনভাবে টিকেথাকার লড়াই

রায়হান আলম অলস

বিবিএ (অনার্স) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

রায়হান আলম অলস › বিস্তারিত পোস্টঃ

****সূরাহ আন নাহল (আরবি: سورة النحل, Sūratu An-Nahl, "মৌমাছি"****

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:৪২

****সূরাহ আন নাহল (আরবি: سورة النحل, Sūratu An-Nahl, "মৌমাছি"****

নামকরণ এই সূরার ৬৮ আয়াতের وَأَوْحَى رَبُّكَ إِلَى النَّحْবাক্যাংশ থেকে এ নামকরণ করা হয়েছে। এও নিছক আলামত ভিত্তিক, নয়তো নাহল বা মৌমাছি এ সূরার আলোচ্য বিষয় নয়
মহান আল্লাহ তায়ালার অপরূপ সৃষ্টির মধ্যে মৌমাছি একটি। এই মৌমাছিকে নিয়ে আধুনিক বিজ্ঞান এখন যা বলছে মহান আল্লাহ তায়ালা তা ১৪০০ বছর আগেই বলে দিয়েছেন। মূলত আল কোরআনে মৌমাছিকে নিয়ে একটি সূরা আছে। এটি হল সূরা নাহল, নাহল শব্দটির অর্থ মৌমাছি। চলুন জেনে নিই পবিত্র কোরআনের সুরা নাহল এবং কর্মী মৌমাছির মধ্যে যে অপরূপ মিল রয়েছে তার কয়েকটি নমুনা।

ক. এই সূরাটির অবস্থান কোরআনের ১৬ নাম্বার স্থানে।
খ. খুব সম্প্রতি বিজ্ঞান জানিয়েছে, পুরুষ মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা ১৬! স্ত্রী মৌমাছির ৩২ । ১৬*২=৩২ ।এভাবে মিলে যেতে হবে ?
গ. আবার সুরাটিতে আয়াত আছে ১২৮ টা। ১৬*৮=১২৮।
ঘ. এই সূরার ৬৮ নং আয়াতে প্রথম নাহল বা মৌমাছি সম্বন্ধে বলা হয়েছে।
এই আয়াতটিতে ১৩টি শব্দ আছে। সূরাটির একেবারে প্রথম শব্দ থেকে গুনে গুনে এই নাহল শব্দটি পর্যন্ত শব্দ সংখ্যা ৮৮৪।তো কি হয়েছে ?
৬৮ নং আয়াতে ১৩ টা শব্দ থাকতেই পারে আর সর্বপ্রথম নাহল শব্দটিও থাকতেই পারে, এটার গুরুত্ব কিআছে!আছেবৈকি,
কারণ ১৩*৬৮=৮৮৪ হয় যে!!!
কি অস্বাভাবিক গানিতিক অবস্থান এই কোরআন মেনে চলে!!!
এই সূরার ৬৮ এবং ৬৯ নং আয়াতে বলা হয়েছে কর্মি মৌমাছির কথা।
ওখানে কর্মী মৌমাছিকে বলা হয়েছে"কুল্লিঅফাছলুক"। এই শব্দটির অর্থ স্ত্রী মৌমাছি । অর্থাৎ কোরআন কর্মী মৌমাছিদেরকে বলেছে মেয়ে মৌমাছি। "আর তোমর প্রভু নারী মৌমাছিকে বললেন, তোমাদের বাসস্থান বানাও। পাহারে, বৃক্ষে আর মানুষের গৃহে" (সূরা নাহল:৬৮)।
আগে আমরা জানতাম কর্মী মৌমাছি হল পুরুষ মৌমাছি। আজ আমরা জেনেছি কর্মী মৌমাছিদের আসলে কোন রাজা নেই আেছে রাণী আর কর্মী মৌমাছি হচ্ছে স্ত্রী মৌমাছি। কোরআন দেড় হাজার বছর আগে মৌমাছির লিঙ্গ সনাক্ত করেছিল।
“(হে নবী!) আমি তোমার ওপর (এ) কিতাব এজন্যেই নাযিল করেছি যেন তুমি তাদের সামনে সে বিষয়সমূহ সুস্পষ্ট করে পেশ করতে পারো, (যে বিষয়ের মধ্যে) তারা মতবিরোধ করেছে, বস্তুত এ (কিতাব) মতরহ হচ্ছে ঈমানদার লোকদের জন্যে হিদায়াত ও (আল্লাহ তাআলার) অনুগ্রহস্বরূপ।
আসুন আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ সমাজ ব্যবস্থার সাথে বিশ্ববাসীকে পরিচয় করিয়ে দেই, পয়িচয় করিয়ে দেই সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মের সাথে।আসুন আমরা অমুসলিমদের মন থেকে ইসলাম সম্পর্কে ভ্রান্তধারণাগুলি দূর করি, ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরি, ইসলাম প্রচার করি আর মানুষকে কল্যাণের দিক আহ্বান করি, যেমনটি আলকুরআনে আল্লাহ আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন-. "তুমি মানুষকে জ্ঞান ও সত্‍ উপদেশ দিয়ে তোমার প্রতিপালকের পথে ডাক দাও ও ওদের সাথে আলোচনা করো উত্তম পন্থায়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.