![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
♦أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشِّيْطَانِ الرَّجِيْمِ (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্'র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি)
♦بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ (পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহ্'র নামে)
♦ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ (আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)
(ছবি নেট হতে)
আজকের উল্লেখযোগ্য দু'টি ঘটনায় মনে হচ্ছে শাপে বর হবার আশংকা। প্রথমত, ভারতে বসে আজ ৬ মাসের মাথায়ও কথায় কোনো শোক বা পাপবোধ নেই। বরং বরাবরের মতোই অহংকার, ক্ষমতালোভ, মিথ্যাচারসহ সকল চারিত্রিক গুণ বিদ্যমান। মনে হচ্ছে যেনো এই ৬ মাস অবকাশ যাপনে ছিলো।
অপরদিকে এর প্রতিক্রিয়ায় যে ভাংচুর হলো তা হয়তো শাপে বরই হবে। কেননা, এই দেশে ক্ষমতা পেলেই যে দুর্নীতি আর দুর্বৃত্তপরায়নতা দলগগুলোর মাঝে দেখা যায়, অতীত ইতিহাস বলেনা এই চক্র হতে দেশ মুক্তি পাবে। ফলে এখন ক্ষমতায় যেই যাকনা কেনো, দুর্নীতি আর দুর্বৃত্তির কারণে সময়ের ফেরে ক্ষমতার পালা বদলে আবার হয়তো স্বৈরাচারেরাই মসনদে উপবিষ্ট হবে যেভাবে হয়েছে বারবার। আর তখন হয়তো পিতার স্মৃতির নাম করে এইসব বিল্ডিং ভাঙ্গা একটু সমস্যাই হতো। সেইসাথে খরচারও বিষয় ছিলো। কিন্তু বর্তমানে তা বিনে পয়সায় সম্পন্ন হচ্ছে, আর তখন ক্ষমতায় এলে এই ভাংচুরের জের ধরে হয়তো বুর্জ খলিফার চাইতেও সুউচ্চ ভবন তারা সেসব স্থানে তৈরী করবে যার ভিত গেঁথে দিলো তাদেরই পরাশক্তিি!
তাই, এসব ভাংচুরের চাইতে বেশি দরকার ছিলো স্বৈরাচার যেইহোক, তার ভিত এমনভাবে নষ্ট করা যাতে ভয়ে আগামীতে কেউ স্বৈরাচার হবার দুঃস্বপ্নও না দেখতে পারে!!!
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৫২
জটিল ভাই বলেছেন:
ভাংচুর কখনোই মঙ্গল বয়ে আনে না। এসব বরং বিষবৃক্ষ রোপন করে। তাই উত্তম হচ্ছে বিষ নষ্ট করা যেনো ভবিষ্যতে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা না থাকে।
জটিলবাদ প্রিয় ভাই।
২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ভোর ৬:৫১
কাঁউটাল বলেছেন:
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৫৩
জটিল ভাই বলেছেন:
ctrl+c, ctrl+v
৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ভোর ৬:৫৮
কাঁউটাল বলেছেন:
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৫৩
জটিল ভাই বলেছেন:
ctrl+c, ctrl+v
৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ৭:০৪
কাঁউটাল বলেছেন: বিপ্লবের পর প্রতীকী স্থাপনা ভাঙার ঘটনা ইতিহাসে বারবার দেখা গেছে। ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পুরনো শাসনব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে থাকা স্থাপনা, মূর্তি বা স্মৃতিচিহ্ন ভাঙা অনেক সময় একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। এর পেছনে রাজনৈতিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নানা কারণ থাকতে পারে।
বিভিন্ন যুগে প্রতীকী স্থাপনা ধ্বংসের উদাহরণ
১. ফরাসি বিপ্লব (1789-1799)
ফরাসি বিপ্লবের সময় জনগণ রাজতন্ত্রের প্রতীকগুলোর ওপর আক্রমণ চালায়। ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গ ধ্বংস করা হয়, যা রাজতন্ত্রের দমননীতির প্রতীক ছিল। এছাড়া বিভিন্ন চার্চ ও রাজকীয় চিহ্নিত স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়।
২. রুশ বিপ্লব (1917)
সোভিয়েত বিপ্লবের পর জার শাসনের প্রতীক বহু স্থাপনা ও রাজপরিবারের স্মৃতিস্তম্ভ ধ্বংস করা হয়। লেনিন ও স্তালিনের আমলে বিভিন্ন ধরণের সামন্ততান্ত্রিক ও ধর্মীয় স্থাপনা নিষিদ্ধ বা পরিবর্তিত হয়।
৩. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নাৎসি জার্মানির প্রতীক ধ্বংস
হিটলারের পতনের পর জার্মানিতে নাৎসি প্রতীক ও স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলা হয়। বার্লিনে নাৎসি পার্টির সদর দফতর ধ্বংস করা হয়, এবং স্বস্তিকা চিহ্ন নিষিদ্ধ করা হয়।
৪. সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর লেনিন ও স্তালিনের মূর্তি অপসারণ
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর রাশিয়া ও অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোতে লেনিন, স্তালিন ও কমিউনিস্ট প্রতীকসমূহ ভেঙে ফেলা বা সরিয়ে দেওয়া হয়।
কেন প্রতীকী স্থাপনা ধ্বংস করা হয়?
১. পুরনো শাসনের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ – জনগণ মনে করে এই স্থাপনাগুলো তাদের দুঃসময়ের প্রতীক।
2. নতুন শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতীক – নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলতে চায়।
3. ঐতিহাসিক পুনর্মূল্যায়ন – সমাজ বদলে গেলে অতীতের নেতাদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়।
4. প্রতীকী বিজয় ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব – জনগণ মনে করে, স্থাপনা ভাঙলে তাদের দুঃসহ অতীতও মুছে যাবে।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৫৩
জটিল ভাই বলেছেন:
ctrl+c, ctrl+v
৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:১৭
জুল ভার্ন বলেছেন: গতকাল যা হয়েছে সেটা ৩৬ জুলাই বিপ্লবের সময়ই হওয়া উচিত ছিল।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৫৪
জটিল ভাই বলেছেন:
অনেককিছুই উচিৎ ছিলো ভাই। কিন্তু কিছুই ঠিকভাবে হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না
জটিলবাদ
৬| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৩৮
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: যুদ্ধ নয় শান্তি চাই
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৫৫
জটিল ভাই বলেছেন:
সবাই শান্তি চাই। কিন্তু দেবেটা কে?
জটিলবাদ আভী
৭| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৩৯
রাসেল বলেছেন: জনগণের মনোযোগ উন্নয়ন, অপরাধীর শাস্তি বাদ দিয়ে কামড়াকাড়িতে আকর্ষণ করার একটি মাধ্যম। নিষ্পাপ চোর বাটপাররা এমন ১টা ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি ভাঙলে ১০০ টা বানাতে পারবে। দুঃখজনক
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১০:৫৭
জটিল ভাই বলেছেন:
জটিলবাদ প্রিয় ভাই। জনগণের চিন্তা কেউ করেনা। আর জনগণইতো জনগণের চিন্তা করেনা! আমরা সবাই অন্ধ আর ধান্দাবাজ হয়ে গেছি
৮| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১১:৩৪
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: এখানে বহুতল ভবন নির্মান করে সেনা অফিসারদের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দিতে হবে।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ সকাল ১১:৪৬
জটিল ভাই বলেছেন:
সে ভাই যেটাই করা হোক, স্বৈরাচারদের আগমন প্রতিহত না হলে এসব চলতেই থাকবে। মনে হয় না এ জাতির এসব হতে কোনো মুক্তি আছে
জটিলবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ভোর ৬:৪৪
এ পথের পথিক বলেছেন: তাই, এসব ভাংচুরের চাইতে বেশি দরকার ছিলো স্বৈরাচার যেইহোক, তার ভিত এমনভাবে নষ্ট করা যাতে ভয়ে আগামীতে কেউ স্বৈরাচার হবার দুঃস্বপ্নও না দেখতে পারে!!! - ভাল বলেছেন ।
তবে আমার মনে হয় দুটোরই দরকার আছে ।