নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কিচ্ছুটি বলার নাই.......

জটিল ভাই

ঝটট্রিল সব জটিলতা

জটিল ভাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

~~~সংশয়~~~

১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৩

♦أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشِّيْطَانِ الرَّجِيْمِ (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্'র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি)
♦بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ (পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহ্'র নামে)
♦ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ (আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)

(ছবি নেট হতে নিয়ে ইডিট করা)

আমি একটা ধারণা নিয়ে সংশয়ে আছি। সেটা হচ্ছে, “ধরি প্রথমে এই ব্লগের কোনোরূপ অস্তিত্ব ছিলোনা। তারপর জনা আপা এমন একটি ব্লগ নির্মাণের পরিকল্পনা করলেন। তারপর ফান্ড ব্যয় করলেন। আউটপুট হিসেবে এই ব্লগ সৃষ্টি হলো। তারপর ব্লগ পরিচালনায় মডারেটর নিয়োগ করলেন। ব্লগ সম্পর্কে অন্যদের ধারণা দিয়ে ব্লগে যুক্ত করে ব্লগার করা হলো। এরপর কালের বিবর্তনে ব্লগের প্রয়োজনে মডারেটর প্যানেলে ওলট-পালট হলো। অনেক ব্লগারই এলেন, জয় করলেন, আবার বিলুপ্ত হয়ে গেলেন। কিন্তু এগুলো সবই কি কল্পিত ঘটনা ব্যতীত বাস্তব কিছু? বর্তমানে আমরা যা দেখছি তা কি বাস্তবতা নয়? ব্লগ কি বা কিভাবে এসেছে এসব ইতিহাস ভন্ডামি ছাড়া কিছু? মূলত বাস্তবতা কি এটাই নয় যে, এই ব্লগের কোনো মা-বাপ নেই? Open AI নিয়ে গবেষণাকালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত হওয়া VIRUS-এর কারণে সৃষ্টি হওয়া আরসব ওয়েবসাইটের মতো করেই সামু ব্লগের সৃষ্টি। যেকেউ ইচ্ছে হলেই এই ব্লগে যুক্ত হতে পারে, আর যুক্ত হয়েই নিজেকে সেচ্ছায় কিংবা চ্যালপেলিং-এর মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্লগার হিসেবে নামে-বেনামে ঘোষণা প্রদান করতে পারে, আর এটাই নিরেট বাস্তবতা। বাদ বাকি সব ভন্ডামি আর কল্পকথা।”

আমার ধারণার সাপোর্টিং হিসেবে এই মহাবিশ্ব সম্পর্কে বিজ্ঞানের ত্বত্ত্বকে রেফারেন্স হিসেবে প্রদান করতে চাই।

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৫

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বিজ্ঞান যতটুকু জানতে পেরেছে ততটুকুই বলেছে, সামনে আরও নতুন নতুন তথ্য/তত্ব আসবে। আর বিগ ব্যাং নিদ্রিষ্ট কোন ব্যক্তির একক কোন জ্ঞান বা আইডিয়া নয়।

মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে যদি আপনার কাছে বিগ ব্যাং তত্বের চাইতে বেটার কোন তত্ব থাকলে তা আমাদের জানতে দ্বিধা করবেন না।

২| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫১

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: জনা আপা বললেন হও আর মহুর্তেই এই ব্লগটি হয়ে গেলো বিষয়টি এমন নয়, একদল ডেভোলপারদের দীর্ঘদিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই ব্লগ।

৩| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৫১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: “ধরি প্রথমে এই ব্লগের কোনোরূপ অস্তিত্ব ছিলোনা।
............................................................................
মনে করি আপনার ও কোন অস্তিত্ব ছিলনা ।
আপনার মাঝে AI ব্রেইন বসানো হয়েছে , তাহলে আপনি
অতীত বর্তমান ভবিষ্যত সর্ম্পকে কি বলতে পারেন ?
আপনার মাঝে যা দিয়ে দেয়া হয়েছে তা চর্বিত চর্বন হবে ।

৪| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১৫

আলামিন১০৪ বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার পোস্ট-

৫| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পোষ্টের কথা আর মন্ত্যব্যের কথাগুলি সকলই বেশ গুরুত্বপুর্ণ ।
ব্লগের জন্ম নিয়ে স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন সুন্দর কথা ।
জ্যাক স্মিথ এর মুল্যবান প্রশ্নটির প্রতি আমার দৃস্টি আকৃষ্ট হয়েছে ।
জানা মতে বিজ্ঞানে বিগ ব্যাং মডেলের বিকল্প কোনো তত্ত্ব এখনো
এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি, যা পর্যবেক্ষণগতভাবে বিগ ব্যাং - কে
পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করেছে। বরং বিগ ব্যাংয়ের কিছু সীমাবদ্ধতা
বা অমীমাংসিত প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিতে বেশ কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী
সম্পূরক মডেল আছে। যার মধ্যে একটি হল
চক্রাকার বা Cyclic Universe
মহাবিশ্বের একাধিক পর্যায় থাকতে পারে ,প্রসারণ, সংকোচন,
আবার নতুন প্রসারণ। অর্থাৎ আমাদের মহাবিশ্বই হয়তো
প্রথম মহাবিশ্ব নয়।।
প্রশ্নটি নিয়ে আরো বড় পরিসরে আলোচনার জন্য আমি
প্ররোচিত হয়েছি । হয়ত দু একদিনের মধ্যে এ বিষযে
আমার অনুসন্ধানের ডালি নিয়ে একটি পোস্ট দিতে পারি
ইনশাল্লাহ ।

৬| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৪০

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: @ডঃ এম এ আলী- চক্রাকার বা Cyclic Universe
মহাবিশ্বের একাধিক পর্যায় থাকতে পারে ,প্রসারণ, সংকোচন,
আবার নতুন প্রসারণ। অর্থাৎ আমাদের মহাবিশ্বই হয়তো
প্রথম মহাবিশ্ব নয়।।


মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য নিয়ে হাজার বছর ধরে কমন কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খাঁচ্ছে যা নিয়ে দুই দলই টানাটানি করছে। তবে আপনার এই ধারণাটি সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য একটি ধারণা, যদিও এটা প্রমাণ করা সম্ভব নয়, তবে বহু মানুষ উক্ত ধারণারটির সাথে একমত আমি নিজেও এমনটিই মনে করি, মহাবিশ্ব ইটারনাল বলে আমার ধারণা।
বিং ব্যাং এর পুর্বের অবস্থা কি ছিলো এটা কোন মতেই মানুষের পক্ষে বের করা সম্ভব নয়।

৭| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এতদিন পর কী ব্যাঙ ট্যাঙ নিয়ে আসছেন হুহ

কেমন আছেন

৮| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৯

বাজ ৩ বলেছেন: আমিও কিন্তু ব্যাঙ তত্ব নিয়ে সংশয়ে আছি।আমি সৃৃষ্টিকর্তার মারিফত বা পরিচয় অন্বেষিদের একজন মনে করি,সেখান থেকেও আমি ব্যাঙ তত্বকে অসম্পূর্ণ মনে করি।তবে এটা ঠিক মনে করি যে জমীনের কোনো অস্তিত্ব ছিলোনা,প্রথমে সবকিছুই একক আসমান ছিলো।এবং আসমানে কোনো স্তর বিন্যাস ও ছিলোনা।পৃথিবী এবং এর মধ্যকার জীব জন্তু সবই মহাকাশের বস্তু।মানুষও মহাকাশের বস্তু।
সৃষ্টিকর্তার পরিচয় অন্বেষিদের নিকট প্রমানিত হয়েছে যে সবকিছু, "হও" শব্দ থেকেই হয়েছে।বিগব্যাঙ বিজ্ঞানীদের ধারনা ব্যাতিত কিছুই নয়,যা কুরআনের আয়াতের সাথে আংশিক মিলেছে।
তাহলে কেন সৃষ্টিকরতা"হও"বা "কুন"শব্দটা প্রকাশ করলেন,কিন্তু এর পেছনের সাগর বা রহস্য প্রকাশ করলেন না?
বিগব্যাঙ থিউরি কি অসম্পূর্ণ?সৃষ্টিকর্তার হাত ছাড়া কি বিশ্বজগত সম্ভব?
সৃষ্টিকর্তা যদি থাকেনই,তাহলে কেন তার মূল পরিচয় নবী রসূল এবং সমস্থ মানুষ থেকে গোপন রাখলেন?
অর্থাৎ তিনি নিজের নূরকে দেখিয়ে দিলেন,তিনি আছেন তত্বজ্ঞানী নবীদের অনুসারীদের নিকট তা প্রকাশ করলেন,কিন্তু তিনি কিভাবে এলেন তা অপ্রকাশিত রাখলেন এবং কোটি কোটি বছরের আগ্রহ রেখে দিলেন।কেন??? এইসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমার ব্লগে একটি বিশ্লেষন ধর্মী পোস্ট দিবো।সকলকে পাঠের আমন্ত্রন রইলে।
" কুন"শব্দের পেছনের সাগর বা রহস্য নিয়েও বলব।সকলকে পাঠের আমন্ত্রন রইলো।

৯| ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:০২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ব্যাঙের মাহাত্ম পড়ে কৃতার্থ হলাম। একখানা জটিলতাবাদ পেলে মন্দ হতো না।

১০| ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

বাজ ৩ বলেছেন: মন্তব্যটা সকল তত্ব অন্বেষিদে প্রতি উৎসর্গ করি।কিছুদূর পাঠের পর বিরক্তিকর লাগলে না পড়ার অনুরোধ রইলো।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রসূলিহিল কারীম

ব্লগার@জটিল ভাইকে উৎসর্গ করে লেখা—

বিগব্যাং থিউরি নিয়ে কিছু কথা।

বিগব্যাং থিউরি অবিশ্বাসী কাফিরদের আবিষ্কৃত একটি ধারনা মাত্র।এর মধ্যে তাদের জন্য রয়েছে শান্তনা এবং কিঞ্চিত প্রশান্তি।অবিশ্বাসী বিজ্ঞানীরা সৃষ্টিকর্তাকে মানতে চায়না যদিও তারা সৃষ্টিকর্তার খুব নিকট দিয়ে ঘোরাঘুরি করে,কিন্তু বাহ্যিক সীমাবদ্ধ এবং দুর্বল চোখে যেহেতু সৃষ্টিকর্তাকে দেখা যায়না,আবার সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে মানুষের মতো ভাব বিনিময় ও করেননা,মানুষের মতো সুর স্বর দিয়ে কথা বলেন না।এজন্য তারা সৃষ্টিকর্তাকে মানতে পারেননা,সেদিকে তারা কোনো রাস্তা বা লাইনঘাট পায়নি।
বিগব্যাঙ তত্ব কেন অসম্পূর্ন এবং ভ্রান্ত?
১।এই তত্ব অসম্পূর্ন।কারন কেন এই দুর্ঘটনা ঘটলো,পূর্বে কেন ঘটলোনা,অথবা আরো পরে কেন এই ঘটনা ঘটেনি,এর সুনির্দিষ্ট কোনো উত্তর তাদের কাছে নেই।
২।ধরলাম মহাবিশ্ব একটি গ্যাসীয় গোলক ছিলো,সবকিছু একত্রিত ছিলো,তারপর বিষ্ফোরণ ঘটেছে,এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে পরেছে।কিন্তু প্রশ্ন হলো পদার্থের এত বৈচিত্র,নিয়ম শৃঙ্খলা,এত সৌন্দর্য এলো কোত্থেকে? তাছাড়া সেই গ্যাসীয় গোলকেরই বা রহস্য কি?
৩।সৃষ্টিকর্তা র দিকে যারা রাস্তা পায়নি,তাদের তো কিছু একটা করে খেতে হবে,এজন্য অবিশ্বাসীরা এইসমস্থ তত্বসমূহ আবিষ্কার করে এবং নিজেদেরকে শান্তনা দেয়,এভাবেই বিশ্বজগত হয়েছে
কিন্তু মারিফতে হকের অন্বেষি তত্বজ্ঞানীদের হাল অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এখন আমি মারিফত অন্বষিদের হাল অবস্তার কিঞ্চিত বিবরন দিবো,এবং বিগ ব্যাঙ থিউরির অসারতা প্রমান করিবো।

১।চেতনা এবং চিন্তার জগতে প্রবেশ।
একজন অনুসরনীয় জ্ঞানী মুসলিমের অন্তরে প্রথমে মারিফত বা সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়ার ইচ্ছা জাগ্রত হয়।উল্লেখ্য যে মুসলিম ব্যাতিত অন্য কারো মনে এই চিন্তা জাগ্রত হয়না।এজন্যই মুসলিম ব্যাতিত অন্য কেউ সৃষ্টিকর্তা আছেন এই বিষয়টা জানেনা।এবং মুসলিম ব্যাতিত অন্যকেউ সৃষ্টিকর্তাকে দেখতেও পারবেনা।
তারপর অনুসরনীয় ইমান বা বিশ্বাস থেকে সত্যিকার ইমান বা বিশ্বাসের দিকে যেতে মন চায়,এবং এর জন্য সে চেষ্টা সাধনা শুরু করে।
উল্যেখ্য যে প্রথম দিকে সকল মুসলিম ই অন্ধ অনুসারি হয়ে থাকে।তারপর বহুদূর গিয়ে চক্ষু খুলে যায়।আর কাফেররা আজনম অন্ধই থাকে।আবার সৃষ্টিকর্তার দেখানো পথে এবং সঠিক পথে সাধনা না করলে কেউই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে পেতে পারেনা।কোনো নবী রসূলগনও নয়।
তারপর একজন তত্বঅন্বেষি মুসলিম সাধক ধ্যান চিন্তা শুরু করে।তার প্রাথমিক ধ্যান চিন্তার বিষয় হলো আসমান, জমীন এবং এর মধ্যকার যাবতীয় বাহ্যিক পদার্থ যেমন জীব-জন্তু নদী পাহাড়,সমুদ্র ইত্যাদি।এই ঘাটিতেই বিগব্যাঙ থিউরির অসারতা একজন আধ্যাতিক সাধকের চোখে ধরা পরে এবং আমি এই ঘাঁটিটাই এখন বর্ণনা করব বেশিদূর এগিয়ে যাবোনা।


জীব-জন্তু :

চোখ : প্রশ্ন থাকতে পারে,মাথা,পা, হৃদপিন্ড,যকৃত বা লিভার,রক্তনালী,শীরা উপশিরা,চুল,নাক,কান,জিব,থাকতে আগে চোখ নিয়ে আলোচনা কেন? কারন চোখের মধ্যেই বিগব্যাঙ থিউরির অসারতা সবচেয়ে বেশি ধরা পরে।এজন্য চোখ নিয়ে আগে আলোচনা করি।
প্রশ্ন:যদি বিগব্যাঙ থেকেই সয়ংক্রিয়ভাবে সবকিছু হয়ে যায় তাহলে মানুষের সহ প্রানীদেের চোখগুলো কিভাবে হলো?
অবিশ্বাসীরা বলবে এসব মুমিনদের পুরোনো কথা,সবকিছুই দুর্ঘটনা বশত হয়েছে।
আমি যদি বলি চক্ষু দুর্ঘটনা বশত হতে পারেনা,সবকিছু দুর্ঘটনাবশত হয়ে গেলেও!
হ্যা আমার কথার প্রমান প্রতিটি বুদ্ধিমানেরঁ কাছে দিবালোকের মতো স্পষ্ট।

চোখের কিছু বৈশিষ্ঠ=

চক্ষু খুবই সংবেদনশীল বস্তুসমূহের একটি।আধ্যাতিক জগতে বাহ্যিক চক্ষু থাকা না থাকা সমান।কারন চক্ষুকে আত্মিক জগতে একটি ছোট বস্তু বা অন্যান্য পদার্থের মতো পদার্থ হিসেবে ধরা হয়।যদি সৃষ্টিকর্তা না থাকত তাহলে আমরা ছবিগুলোকে উল্টো দেখতাম।

কান=বিগব্যাঙ থিউরি অনুযায়ী সবকিছু হয়ে গেলে,কান হয়ে যাওয়া কি কখোনো সম্ভব ছিলো।কারন কোনো বুদ্ধিমান সৃষ্টিকর্তা ব্যাতিত বিগব্যাঙ থিউরি কিভাবে জানবে যে এখানে কান হওয়ার দরকার।এখানে ফুটো হওয়া দরকার আছে।

মুখ গহ্বর=মুখ গহ্বরও এমনি এমনি সৃষ্টি হতে পারেনা।বুদ্ধিমান সত্তা ব্যাতিত প্রকৃতি কিভাবে জানবে আর কাজ করবে।বিগ ব্যাঙ থিউরি ধারীদের নিকট এর কোনো উত্তর নেই।

হৃদপিন্ড এবং রক্ত নালী সমূহ দেখুন তো।প্রকৃতি কি পারবে এভাবে সৃষ্টি করে দিতে কোনো বুদ্ধিমান সত্তা ব্যাতিত?

পুং লিঙ্গ স্ত্রীলিঙ্গের দিকেও একটু নজর বুলিয়ে দেখতে ভুলে যাবেননা।

প্রানীজগত সংক্ষিপ্ত করলাম,এখন চলুন উদ্ভিদ জগতে ঢুকে পড়ি,দেখি ব্যাঙ থিউরি উদ্ভিদজগত সৃষ্টি করতে পারে কিনা। বুদ্ধিমান কোনো স্রষ্ঠা ব্যাতিত উদ্ভিদজগত হতে পারে কিনা আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করব—

বিভিন্ন গোত্র এবং প্রজাতির উদ্ভিদের দিকে লক্ষ করুন।
তারপর উদ্ভিদের ফুল,ফল,কাটা,পাকা ফল কাঁচা ফলের দিকে চোখ বুলান।
তারপর কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহন অক্সিজেন নির্গমন,সালোক সংশ্লেষন প্রক্রিয়া নিয়ে চিন্তা করুন।তারপর বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া।তারপর পৃথিবীর বসবাস উপযোগীতা,সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যকার সঠিক এবং উপযোগী দূরত্ব নিয়ে ভাবুন।
বিপরিত ক্রিয়া ধর্মী উদ্ভিদ,কিছু উদ্ভিদ বিষাক্ত কিছু বিষ নাশক।কিছু উদ্ভীদের ফল মিষ্টি এবং কিছু উদ্ভিদের ফল তিক্ত।আবার কিছু উদ্ভিদের ফলে কোনো রস কষ নাই,আবার কিছু উদ্ভিদ খুব রসালো।কিছু উদ্ভিদ আবার ঝাঁল।

মরিচ গাছ = কে মরিচের মধ্যে ঝাল সৃষ্টি করে দিলো।এটা কি ব্যাঙ করে দিয়েছে?

তেলাকুচা বনাম পটল= দেখুন একটা খাওয়া যায় আরেকটা খাওয়া যায়না।রহস্য কি?একটা মানুষের খাবার আরেকটা পাখীর খাবার।

তরমুজ বনাম বাঙ্গী= দেখুন একই মাটিতে হয় অথচ আকাশ জমীন পার্থক্য।স্বাদে আকৃতিতে,কালারে সবকিছুতে পার্থক্য।এটা কি ব্যাঙে করে দিয়েছে।






১১| ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫০

বাজ ৩ বলেছেন:
প্রানী জগত:
চলুন। প্রানীজগত নিয়ে আরো গভীরে যাই। এবং মন খুলে আলোচনা করি।

শুক্রানু এবং ডিম্বানু থেকে শুরু করি।
প্রানীদের শরীরে শুক্রানু এবং নারীদের ডিম্বানু এলো কোত্থেকে? শুক্রানু এবং ডিম্বানুর মিলনের ব্যবস্থা কে করে দিলো।
তারপর শুক্রানু বের হওয়ার সময় আনন্দঘন একটা অবস্তা,যাকে অর্গাজম বলে।এটা কিভাবে প্রথম হয়েছিলো।তারপর শরীরের ভীতর দিয়ে রক্তনালীগুলো প্রকৃতিকভাবে কিভাবে হয়ে গেলো কোনো সৃষ্টিকর্তা করে না দিলে।অবিশ্বাসীরা কি তবুও বলবে দুর্ঘটনা বশত এগুলো হয়ে গেছে।

তারপর আসি প্রানীদের কথাবার্তা, ভাবপ্রকাশের মাধ্যমের দিকে।এটাও কি এক বিস্ময়কর জগত নয়।

"দুচোখে যা কিছুই দেখি সবই শুধু বিস্ময়,সৌন্দর্য এবং আলো।"

পাখীর জগত:

এখন চলুন পাখীর জগতে উড়াল দেই।কে পাখীর দুইটি ডানা সৃষ্টি করে দিলো,তারপর পাখীকে খাওয়ার জন্য মুখ-গহব্বর ঠোঁট সৃষ্টি করে দিলো।কে আধ্যাতিক জগত থেকে আকৃতিটাকে কেটে নিয়ে এলো।মুক্ত আকাশে খোলা আকাশে উড়ার যোগ্যতাসম্পন্ন করে দিলো।
তারপর বিভিন্ন জাত প্রজাতির রঙ বেরঙ এর পাখীর দিকে তাকান।কে সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য এবং মিজান স্থাপন করে দিলো,যাতে বিপর্যয় না হয়।তারপর চলুন পাখীর পা জোড়ার দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকাই।পা জোড়া কি বিগব্যাঙ থিউরি অনুযায়ী হয়েছে।তারপর চলুন পাখীর ভাব প্রকাশের বিস্ময়কর কারিগরি প্রত্যাক্ষ করি।দেখুন একেক পাখীর একেকরকম কন্ঠ।সব পাখীর একইরকম কন্ঠ হলোনা কেন? হলে কি বিপর্যয় ঘটত।শুনে অবাক লাগতে পারে,যদি সব পাখীর একইরকম কন্ঠ হতো তাহলে তাদের ভাব প্রকাশে চরম বিপর্যয় হতো





আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.