| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নদীর তীরে কাশের বন সেথায় ছোট্ট কুঁড়েঘর,
আমি থাকি মা-ও থাকে আর কেউ নেই আপন-পর।
ঘরের পাশে বাঁশের বন তার ওপারে সুদূর মাঠ
সেই মাঠেতে কাটে দিন সভা-সদ বিহীন রাজ্যপাট।
শান্ত শীতল নদীর জল কলকলিয়ে যায় বয়ে
কল্পলোকের গল্প গাঁথা মন আমার দেয় রাঙিয়ে।
কুহু কূজনে এই বিজনে রঙিন সূতো স্বপ্ন আঁকে
মায়ের সুখ দুঃখ গাঁথা নকশীকাঁথায় জড়িয়ে থাকে।
ফুলে ছাওয়া বনতলে জোছনা রাতে অজস্র হিম
জোনাক পোকা জ্বলে নেভে গাছ মাথালে হাজার পিদিম।
দুরে কোথাও কেউ পুঁথি পড়ে সুর নিয়ে করে খেলা
ক্লান্তিনাশিতে কান পাতি নিস্তব্ধ এই রাত্রিবেলা।
© রফিকুল ইসলাম ইসিয়াক
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪
ইসিয়াক বলেছেন: ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা রইলো।
২|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কবিতাখানি দারুন হয়েছে ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫
ইসিয়াক বলেছেন: ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা রইলো।
৩|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১
রাজীব নুর বলেছেন: সহজ সরল সুন্দর।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫
ইসিয়াক বলেছেন: ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা রইলো।
৪|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮
সামিয়া বলেছেন: খুব ভালো লাগলো
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫
ইসিয়াক বলেছেন: ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা রইলো
৫|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৭
জান্নাতুন নাঈম ইরা বলেছেন: নদীর ওই তীরে যে ঘর নীরবে কথা কয়,
মায়ের শ্বাসে গাঁথা সুখ আজো সেখানে রয়
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬
ইসিয়াক বলেছেন: ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা রইলো।
৬|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সুন্দর কবিতা , সাথে ছবিটাও খুব সুন্দর ।
কবিতাটি একান্তই নিঃশব্দ, মাটির কাছাকাছি, অথচ গভীর আবেগে ভরপুর এক গ্রামীণ-নদীমুখর জীবনের
নান্দনিক দলিল।এখানে কোনো উচ্চকণ্ঠ আর্তি নেই, নেই নাটকীয়তা আছে স্মৃতির কোমল ঢেউ,
মায়ের উপস্থিতি, প্রকৃতির নির্ভার ছায়া এবং জীবনের অব্যক্ত সুখ–দুঃখের সূক্ষ্ম বুনন।
নদীর তীর, বাঁশের বন, কাশবন, জোনাকি, গাঁথা গন্ধ এই সব চেনা উপাদান কবিতাটিকে একদিকে লোকজ
বাস্তবতায় দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করেছে, অন্যদিকে আমাদের ব্যক্তিগত স্মৃতির দরজায় নীরবে কড়া নাড়িয়েছে।
আমি থাকি মা-ও থাকে আর কেউ নেই আপন-পর এই পঙ্ক্তিতে কবিতার আবেগিক কেন্দ্র স্পষ্ট
হয়ে ওঠে। মা এখানে শুধু ব্যক্তি নন, তিনি আশ্রয়, শিকড় এবং অস্তিত্বের নিশ্চয়তা।
রাজপাটবিহীন মাঠ, রঙিন সুতোয় স্বপ্ন আঁকা, নকশীকাঁথায় সুখ–দুঃখ জড়িয়ে থাকা এসব চিত্রের মধ্য দিয়ে
ক্ষমতা বা প্রাচুর্যের বিপরীতে সাধারণ জীবনের সৌন্দর্য ও মানবিক সম্পদের মহিমা তুলে ধরেছেন। রাতের
অন্ধকারে জোনাকির আলো কিংবা দূরের পাখির পাখা পড়ার শব্দ কবিতাটিকে এক গভীর ধ্যানী আবহ দেয়,
যেখানে প্রকৃতি নিজেই ভাষা হয়ে ওঠে।
সব মিলিয়ে, এই কবিতা স্মৃতিময়তা ও সংবেদনশীলতার এক মৃদু অথচ স্থায়ী অনুরণন। এটি আমাদেরকে যেন
থামতে শেখায়, শুনতে শেখায় ,নদীর জল, মায়ের নিঃশ্বাস, আর জীবনের নীরব অথচ অর্থবহ কথোপকথন।
সুন্দর কবিতা ও ছবিটির জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪
ইসিয়াক বলেছেন: শ্রদ্ধেয় ব্লগার কৃতজ্ঞতা জানবেন।
আপনার ও অন্যান্য ব্লগারবৃন্দের নিরন্তর মন্তব্য ও সহযোগিতাই আমার লেখালেখির প্রধান অনুপ্রেরণা। কিন্তু কিছু দিন যাবত আমি চোখের সমস্যায় ভুগছি। সেজন্য আমি সেভাবে আর ব্লগে এক্টিভ নই।সঠিক সময়ে আমি আমার পোস্টের প্রতিমন্তব্যে আসতে না পারার জন্য আমি আন্তরিক দুঃখিত।
ভালো থাকবেন।
শুভকামনা রইল।
৭|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
৮|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০৫
হুমায়রা হারুন বলেছেন: ভালো হয়েছে কবিতাটি।
৯|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৭
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: ছড়া সুন্দর হয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩২
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: চমৎকার দৃশ্য একেছেন কবিতার মধ্যে ইসিয়াক ভাই। ভালো লাগলো