নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আশাবাদী ।

রাকু হাসান

সাদামাটা জীবন পছন্দ । ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও ।ভালোবাসো এ দেশ,মানুষ,প্রকৃতি কে ।

রাকু হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

মৃত্যুপুরী ঢাকায় আপনাকে অগ্রিম স্বাগতম ?

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ২:৪২



আজকের এই লেখায় জানতে পারবেন রাজধানী কেমন ভয়াবহতা নিয়ে নিত্য বসবাস করছি । আসন্ন দুর্যোগের ভয়াবহতা ,নিয়েই আজকের লেখা । ভৌগলিক অবস্থান গত কারণে ঢাকা শহর তেমন ভয়াবহ দুর্যোগের হুমকিতে না থাকলেও আছে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়ার ব্যাপক সম্ভবনা ।ইতিমধ্যে নিশ্চয় ধরে ফেলছেন কোন দুর্যোগের কথা বলতে চাচ্ছি । হুম সেটি ভূমিকম্প ।



বিশ্বে ঢাকা দ্বিতীয় বসবাসের অযোগ্য শহর । ঢাকা বিশ্বের উনিশ তম মেগা সিটি । যেখানে বাস করে 14.5 মিলিয়ন মানুষ । বিশ্বে ৫ম ঘনবসতিপূর্ণ শহর । আয়তনের তুলনায় হিসেব করলে বাংলাদেশের ঢাকা প্রথমই হবে । সপ্তদশ শতাব্দী পর থেকে এখন পর্যন্ত টাকা বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার অতি গুরুত্বপূর্ণ শহর । প্রতিবর্গ কি.মি জায়গায় বাস করে প্রায় ৪৬ হাজার মানুষ ( তথ্য-বাংলাট্রিবিউন) । ব্যবসা ,বাণিজ্য,সংস্কৃতি কিংবা অর্থনীতি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই ঢাকা মূল কেন্দ্রস্থল হিসাবে কাজ করে ।সরকারী-বেসরকারী ,দেশীয়-বিদেশী,সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ প্রায় সব কিছুই ঢাকার অহংকার । ঢাকার বিকল্প নগরী নেই । ঢাকার উপর চাপ কমাতে বা বিকল্প নগরী গড়ে তুলতে নেই কোনো পরিকল্পনাও । যদিও পূর্বাচল নগরী গড়ে তুলা হচ্ছে । অধিকাংশ বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে কোনো প্রকার আইনের তোয়াক্কা না করেই । মানা হচ্ছে না রাউজক কিংবা বাংলাদেশের বিল্ডিং নিমার্ণ আইন । অতি ভূমিকেম্পর ঝুঁকি হিসাবে রাউজক ৩৫০ ভবন চিহ্নিত করেছিল । সেগুলো এখন আগের মতই রয়েছে । ঢাকার উপর কেমন মানুষ নির্ভরশীল যা ঈদের ছুটিতে মানুষের গ্রামমুখী হওয়ার দৃশ্যগুলো লক্ষ্য করলেই যথেষ্ট । বাংলাদেশের গ্রাম আর ঢাকা নগরী এক সুতায় গাঁথা । ঢাকার সর্দি-জ্বর গ্রামর উপর প্রভাব ফেলবেই প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে । ঢাকার দুর্দিন আসলে গ্রামও রক্ষা পাবে না । হারাবে তার উন্নয়নের গতি । দুর্যোগের সময় উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য নেই উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষতাও । এসব বিপর্যয়ে কুলাবে না সরকারী বাহিনী । যেমন রানা-প্লাজাতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় হিমশীম খেতে হয়েছে । আর ঢাকার সামনে যে ভূমিকম্প অপেক্ষা করছে তা তো রীতিমত পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোথাও হয় নি । কিছু তথ্য জানা যাক পৃথিবীর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ভয়াবহ ভূমিকম্পের কথা।


১.বক্সিং ডে ভূমিকম্প/সুনামি


এই মহা প্রাকৃতিক বিপর্যয় কে সুনামি হিসাবে বিবেচনা করলেও ,এর মূল কারণ ছিল সুমাত্রায় সৃষ্ট ভূমিকম্প । ২০০৪ সালে হয় বক্সিং ডে ভূমিকম্পটি । রিকটার স্কেলে ভয়াবহতা ৯.১-৯-২ ছিল । যা কিনা ৫৫০ মিলিয়ন বার হিরোশিমায় পতিত পারমানবিক বোমা বিষ্পোরিত হওয়ার সমান । ভাবা যায় ? আমার কল্পনায় ধরে না ক্ষতির পরিমাণ কেমন হতে পারে । Boxing Day Tsunami ১৪ টি দেশজুড়ে বিরাজ মান ছিল । প্রায় হারিয়েছে ২ লাখ ৩০ থেকে ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ (প্রায়) । ইতিহাসের সর্ববৃহৎ ভূমিকম্প হয় চিলিতে (৯.৫) ১৯৬০ সালে । বক্সিং ডে’র ভূমিকম্প/টিসুমামি চেয়ে একটু বেশি । তবে ক্ষয়ক্ষতির দিক দিয়ে এটিই এখন পর্যন্ত প্রথম । ভাগ্যক্রমে প্রতিবেশি রাষ্টসমূহ ব্যাপক ক্ষতি হলেও ,আমরা বেঁচে গিয়েছিলাম দুর্যোগ থেকে । যতদূর জানতে পারলাম দু জন নিহত হয়েছিল বাংলাদেশে তখন।

মার্চ ১১,২০১১- March 11, 2011 – Japan


ভয়াবহতা ছিল ৯ । ১৫৮৯৭ হাজার মানুষ প্রাণ দেয় । দেড় লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছিল । জাপানের ৩০৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার । দেখুন ভিডিওতে । মাত্রা ছিল ৯ ।


উপরে দুটি ভূমিকম্পের উদাহারণ টানলাম । যা মানব ইতিহাসে ভয়াবহ তম ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে দুটি। কেন এসব টেনে আনলাম । বাংলাদেশের সামনে এমন ভূমিকম্প হবার জোর সম্ভবনা আছে । ইদানীং বাংলাদেশে ছোট ছোট ভূমিকম্প গুলো কি এসবের ইঙ্গিত দিচ্ছে । ছোট ছোট কাঁপুনিই বড় ভূমিকম্প হবার লক্ষণ বলে ধারণা করেন গবেষকরা । বক্সি ডে ভূমিকম্প ও জাপানের ভূমিকম্পে যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছিল ,তার থেকে কতগুন বেশি ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানী হতে পারে ধারণা করতে পারেন ? ঢাকার আশে পাশের জেলাগুলো ভূমিকম্প ঝুঁকি রয়েছে (ঢাকা,সিলেট চট্রগ্রাম)। এসবে যদি সাত মাত্রার ভূমিকম্পও যদি হয় তাহলেই বিশাল বিপর্যয় হবে । বাদই দিলাম ৮,৯ মাত্রার ভূমিকম্প । তখন ঢাকার তিন লক্ষ্য ভবনের মধ্যে ৭০ হাজার ভবন ধসে যাবে । অনেক টা নিচের ছবির মতো হতে পারে ঢাকার ভয়াবহতা । হাইতি ভূমিকম্পও ইতিহাসের অন্যতম ভূমিকম্প ।


বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের অধিকাংশ অংশ তলিয়ে যেতেও পারে । ঢাকার মাটির গঠন ও ভূমিকম্পের তথ্য-পরিসংখ্যান এগুলোই বলছে । ইন্দোনেশিয়ার পালু হচ্ছে এর বড় উদাহারণ ।

এর আরেকটি নাম রয়েছে । লিকুইফেকশন । লিকুইফেকশন এর বাংলা অর্থ মাটির তরলীকরণ । ভিডিওতে দেখুন কিভাবে ভবন ধসে যেতে পারে ।


"যখন ভূমিকম্প আঘাত হানলো, মাটি যেন ঝুরঝুরে হয়ে গেল, কাদায় পরিণত হলো। এই বিপুল কাদায় পিটোবোর হাউজিং কমপ্লেক্স যেন ডুবে গেল। আমরা অনুমান করি সেখানে কাদায় ডেবে আছে ৭৪৪ টি বাড়িঘর।"---ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

এই লিকুইফেকশন বাংলাদেশেও হয়েছিল রাঙামাটিতে ,২০০৩ সালে ।যেখানে দেখি নদীর পাড় তলিয়ে যেতে ।

হ্যাঁ,আরও আছে মৃত্যু ফাঁদ । ঢাকায় ভূমিকম্প হলে আগুন ও ,বিদ্যুৎতের স্পৃষ্ট হয়েও মরবে । ১৭৫৫ সালের লিসবনের ভূমিকম্পের কথা স্বরণ করতে পারি । তখন লিসবন (পর্তুগালের রাজধানী )ছিল জ্ঞান,স্থাপত্য,শিল্পে -সৌন্দর্যে পৃথিবীর সেরাদের সেরা । বলতে পারেন পরাশক্তি শহর । কিন্তু ভূমিকম্প নামক প্রাকৃতিক অভিশাপ লিসবনের ৩/৪ ভাগ বাড়ি ঘড় পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় নিয়ে ভূমিকম্প একমাত্র এটিই । ৬ মিনিট স্থায়ী ছিল । একবার ভাবুন ঢাকার অবস্থা কি হতে পারে ? যেখানে এত মানুষের বসবাস। মুক্ত বাতাসের নিশ্বাস নেওয়ার মতোই জায়গা নেই । কি অবস্থা হবে ? মনে করুন ,এখন ভূমিকম্প শুরু হয়ে গিয়েছে ,হালকা কাঁপুনি হচ্ছে । আপনি নিশ্চয় একটি নিরাপদ আশ্রয় খোঁজবেন ।যেখানে মাথার উপর কিছু যেন না পড়ে । এমন স্থান পাবেন কি ? দৌড়ে বের হবার সময় দেখা যাবে হয়তো কেউ আগুনে পুড়ছে ,বা আপনি নিজেও । অপস্ ,শিহরিত হচ্ছি আমি । অর্ধেকের বেশি মানুষ এভাবেই প্রাণ হারাতে পারে। আরাকান অংশে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে । মধুপুরেও ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হবার সম্ভবনা আছে । তবে ঢাকায় এটার মাত্রা হবে ৯ । ঢাকার ৩৫ ভাগ শক্ত মাটিতে নির্মাণ ভবনগুলো অপেক্ষাকৃত টেকসই ভূমিকা রাখবে ভূমিকম্পের সময় । তবে বাকী ৬৫ ভাগ নরম মাটিতে নির্মিত ভবন ব্যাপক ব্যাপক ব্যাপক ঝুঁকিতে । সুতারাং নরম মাটিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হবে । উদ্ধার অভিযানের জন্য দরকার আমাদের প্রযুক্তির পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক । ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য দরকার অনন্ত ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ,সেটার অগ্রগতিও নেই ,মাত্র ৩ হাজারের মতো এখন পর্যন্ত প্রশিক্ষণ নিয়েছে ।
স্বেচ্ছাসেবক তখন পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ । আদৌ কি থাকবে সরকারী উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান গুলো ? ক্ষতির মুখোমুখি হতেই পারে । উদ্ধার অভিযান যত দ্রুত সম্ভব পরিচালনা করা ততই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমবে । দরকার ব্যাপক প্রশিক্ষণ । দেখছি না ,প্রত্যাশা মত কোনো উদ্যোগ।

বাংলাদেশে ভূমিকম্প প্রবন এলাকা


ভূমিকম্পের ধরন :
১। ৫.৯৯ -মাঝারি
২। ৬.৯৯-তীব্র
৩। ৭.৯৯ -ভয়াবহ
৪।৭.৯৯ + -অতি ভয়াবহ

পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ সাত টেকটনিক প্লেট দিয়ে গঠিত । মাঝে মাঝে প্লেটগুলো নড়ে চলে উঠলেই কেঁপে উঠে পৃথিবী । সংশ্লিষ্ট অঞ্চল হয় ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল । বাংলাদেশে মানিকগঞ্জে (১৮৮৫),চট্রগ্রামে ১৭৬২ সালের ৭ মাত্রার উপরের ভূমিকম্পই বলে দেয় দেশের ভেতরেও শক্তিশালী ভূমিকম্প হতেই পারে ,যদিও গবেষকরা সম্ভবনা কম দেখছেন । সব কিছু তো পরিসংখ্যান,গবেষনা দিয়েও তো হয় না । এসবকে প্রকৃতি তো বৃদ্ধাঙ্গলিও দেখাতে পারে ।

বাংলাদেশে তিনটি ভূমিকম্প বলয় -

প্রথম বলয় (প্রলয়ংকারী ভূমিকম্প): বান্দরবান, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও রংপুর এই বলয়ে অবস্থিত এবং এই বলয়ে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য মাত্রা রিখটার স্কেলে ৭ ধরা হয়েছে৷ এই অঞ্চলগুলো অতি ভয়াবহ রকম ঝুঁকিতে আছে । ময়মনসিংহের উপজেলা হালুয়াঘাটে রয়েছে ভূ-চ্যুতি । যে কোনো সময়ই সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে ।
* দ্বিতীয় বলয় (বিপদজনক ভূমিকম্প): ঢাকা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, দিনাজপুর, কুমিল্লা ও রাঙ্গামাটি এতে অবস্থিত এবং এখানে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬ ধরা হয়েছে৷ তবে ৬ কে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই । ঢাকাতে ক্ষতির পরিমাণ কল্পনাতীত হবে ।
* তৃতীয় বলয় (লঘু অঞ্চল) : উপরোক্ত এলাকাগুলো ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকাগুলো যা মোটামুটি নিরাপদ সেগুলো এবলয়ে অবস্থিত৷ এসব অঞ্চলে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬ এর নিচে ধরা হয়েছে৷

গবেষনা বলছে বাংলােদেশর ভেতরে উৎপন্ন ভূমিকম্পগুলোর চেয়ে নেপাল,মিয়ানমার এবং ভারত অঞ্চলেরর ভূমিকম্পগুলো বাংলাদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে।
বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বে দুটি ভূ-চ্যুতি আছে । সিলেট,সৈয়দপুর ,মধুপরে ভূমিকম্প হবার মত চ্যুতি আছে । কেঁপে উঠলে ৬ মাত্রার ভুমিকম্প হবে বলে ধারণা করছে। বড় মাথা ব্যথ্যা হলো দেশের বাইরে সৃষ্ট ভূমিকম্প ।
দোয়া রাখবেন ঢাকা যেন কোনো সময় ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের মুখোমুখি না হয় । এটা হলেই মৃত্যপুরীতে পরিণত হতে পারে ঢাকা ।
যেসব স্থানে চ্যুতি আছে সে সব স্থানে প্রতি ১০০ বছর অন্তর বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়ে আসছে । নেপালে অবস্থিত ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেটের মাঝামাঝি । এছাড়াও হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়ে থাকে । সাথে মিয়ানমারের আরাকান । এই তিনটি স্থানের যদি ৮-৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয় তাহলে ব্যাপকভাবে অনুভূত হবে বাংলাদেশেও । তখন বাংলাদেশে এর মাত্রা হতে পারে ৭ মাত্র বা তারও বেশি । উপমহাদেশে সবেচেয় বড় ধরনের ভূমিকম্প হয় ১৯১৮ সালে । উৎপত্তি ছিল নেপালেই । যেহেতু প্রতি একশ বছর পর বড় ধরনের ভূমিকম্প হয় ,এখন থেকে যে কোনো সময়ই বড় ধরনের ভূমি কম্প হতেই পারে । আমরা ঠিক ১০০ বছর পার করলাম । এখন তো ২০১৯ চলছেই । প্রস্তুত থাকুন ।

ভূমিকম্প মোকাবেলায় কি করতে আমরা ?

একটা উদাহারণ দেই , ২০১০ সালের হাইতির ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ । প্রাণা হারিয়েছিল ৩ লক্ষাধিক মানুষ । এই বছরই চিলিতে আঘাত হানা ভূমিকম্প কেড়ে নেয় ৫৬২ জন । যা হাইতির চেয়ে শক্তিশালী ছিল । এমন কম ক্ষয়ক্ষতি হবার মূল কারণ হলো হাইতিতে বিল্ডিং কোড আইন মেনে ভবন তৈরি হয় নি । আমাদের ঢাকার মতো । অপর দিকে চিলিতে কম হবার কারণ ,সেখানে বিল্ডিং কোড মেনেই অধিকাংশ ভবন নির্মাণ হয় । রাউজকের দায়িত্ব সঠিক পালন করতেই হবে । ব্যক্তিগত ভবন নির্মাণের সময় নিজ থেকেই সচেতন হতে হবে ,অপর কে সচেতন করতে হবে ।

ভূমিকম্প প্রতিরোধে ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমাতে নিচের লিংক অনুসরণ করুন ।

ভূমিকম্পের আগে ও পরে যা করবেন এবং করবেন না ।

ভূমিকম্পের সময় করণীয়


ভূমিকম্পের কি পূর্ব কোনো সর্তক সংকেত দেওয়া যায় না ? আজকাল আগাম তো অনেক কিছুই জানিয়ে দিতে পারে বিজ্ঞান । এসব প্রশ্ন আপনার থাকতেই পারে । তবে বিজ্ঞান ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে খুব একটা এগিয়ে যায় নি । তবে মানুষেরা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের ক্লান্ত পরিশ্রম । যেমন জাপান ,চীনকেই ধরা যায় । ইতিহাসের আলোকে চীন,জাপান কে ভূমিকম্পের/ সুনামির দেশ বললে মোটেও ভুল হবে না । তার আগে আসুন গ্রিক মিথলজি থেকে ঘুরে আসি । ৩১৭ খ্রি.পূ সময় । গ্রিসের হেলিস শহর পশু-পাখির অদ্ভুদ আচরণ আরম্ভ হয়েছিল । এসব প্রাণিকুল/পক্ষীকুলের অস্বাভাবিক আচরণে বিস্মিত হয়েছিল সবাই । চোখে মুখে ভয়ের সঞ্চার চোখে পড়ার মতো ছিল । ,হাঁস,মুরগি পাখি ডিম দেওয়া বন্ধ করে দেয় ,মৌমাছিরা অন্যত্র চলে যাচ্ছিলো । কুকুর ভয়ার্ত চোখে নিস্তব্দ হয়ে থাকতো বা চিৎকার করতো । যে কেউ দেখে বললে এসব আচরণ স্বাভাবিক না । এমন আচরণ শুরু হবার কয়েকদিন পরই সেখানে ভূমিকম্প আঘাত হানে ।

এ তো গেলো অনেক আগের কথা । আধুনিক কালের কথা বলি । ১৯৭৫ সালের আগে থেকে চীন কুকুরের উপর গবেষনা চালায় । লক্ষ্য ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পাওয়া । ১৯৭৫ সালে ভূমিকম্পের আগে ,তারা বুঝতে সক্ষম হয় নিকট ভবিষ্যৎতে ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে । তাই চীনের শহর হেইচেং থেকে বিপুল সংখ্যক লোক সরিয়ে ফেলে । শহরটিতে ১ মিলিয়নের বেশি মানুষ বাস করতো । সে সময়
খুব অল্প সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারায় । যেখানে মারা যেতে পারতো ১৫০০০০ জন । খুব কম লোক প্রাণ হারিয়েছিল । ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.৫ । এই ঘটনা গবেষকদের আশার সঞ্চার করে । তবে এটি সব সময় কার্যকর ফলাফলও দেয় না । মাঝে মাঝে অনুমান মিলে যায় । অবশ্য চীন বেশ কয়েকবার সফল হয়ে ক্ষতি পরিমাণ কমাতে সক্ষম হয়েছে । এখন পর্যন্ত প্রাণীদের আচরণের উপর গবেষনা চলমান । জাপনাও এই কৌশলে সফল অনেকটা । পুরোপুরি না ।

এ বিষয়ে আরেকটু লেখার ইচ্ছা ছিল । আজ এই পর্যন্তই । ও আরও দুটি বিষয়ের তথ্য মনে পড়লো । রাশিয়াতে একবার ৯ মাত্রায় ভূ-কম্পন হয় । অলৌকিভাবে সেখানে একজনও মারা যায় নি । এটিও পৃথিবীর সেরা ৫ টি ভূ-কম্পনের একটি । কারণ হিসাবে বলা যায় ,রাশিয়া তো খুব বড় দেশ । এমন দুর্গম অঞ্চলে হয়েছে ,জন বসতি ক্ষয়ক্ষতি থেকে বেঁচে গেছে । এটা আমার ধারণা ।
পৃথিবীতে বছরে ৫০০০০০০ বার ভূমিকম্প হয় । ১০০০০০০ টি ভূমিকম্প আমরা অনুভূব করতে পারি । আর ১০০ ভূমিকম্প ক্ষতির কারণ হতে পারে ।
বাংলাদেশের বিল্ডিং নির্মাণ কোড-২০১২ ডাউনলোড করুন ।
ক্লিক করুন

আরেকটি কথা । যারা ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ নিয়ে বিস্তর পড়াশোনা করতে আগ্রহী । তারা করতে পারেন । আগামী বিশ্বে ঘন ঘন ভূমিকম্প হবার সম্ভবনা অনেক । যদি এমন কোনো পদ্ধতি আবিষ্কার করা যায় যা ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিতে পারবে ,তাহলো হৈ চৈ ফেলে দিবেন বিশ্বে । এক বিংশ শতাব্দীতে এই ক্ষেত্রে বিশাল চাকরির বাজার হবে । সারা বিশ্বেই থাকবে চাহিদা ।


তথ্যসূত্র:
বিবিসি বাংলা,প্রথমআলো,ইত্তেফাক,সচলাতয়ন.বিডিটািইম,nationalgeographic,economist.com,time.com,বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ডিডব্লিও.কম


আজকের এই পোস্টটি উৎসর্গ করলাম আমার প্রিয় কবি কে । যার কবিতার অপেক্ষা করি । মাটি ও প্রকৃতির ঘ্রান পাই । প্রকৃতির রোমান্টিকতায় মুগ্ধ না হয়ে পারি না । উনার নাম অনেক ভারী । অনেকেই ধরে ফেলছেন হয়তো কে সেই কবি । হুম সেটি আর কেউ নয় আমাদের ,আমার প্রিয় কবি মনিরা সুলতানা আপু কে ।
তোমার মতো পোলাও খাইতে পারলে ঠিকই কবিতা দিয়ে উৎসর্গটা করতে পারতাম । :P
সেই কপাল কি আছে ? B-)) সব সময়,সব সময়ের জন্য দোয়া,শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইলো তোমর প্রতি । ভালো থেকো ।

মন্তব্য ৭৬ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৭৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:২৩

আরোগ্য বলেছেন: ১ ম

আগামীকাল দিনে পড়বো। শুভ রাত্রি রাকু ভাই।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

রাকু হাসান বলেছেন:


মন্তব্যটি সকালেই দেখেছিলাম আরোগ্য ভাই । কি খাবেন কন ? : :) শুভ সন্ধ্যা । নিচে আপনার সুন্দর মন্তব্যের প্রতি উত্তর করার অপেক্ষায় ।

২| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:৫২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ডর লাগে রাকু ভাই, ঢাহায় থাহুম না আর প্লামু :(

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

রাকু হাসান বলেছেন:

ভয় হওয়াটাই স্বাভাবিক । যত সম্ভব নিরাপদ থাকার চেষ্টা করতে হবে । আল্লাহ্ ভরসা ।

৩| ১৫ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:১৩

মা.হাসান বলেছেন: পড়ার চেষ্টা করেছিলাম, এত বেশি সংখ্যক টাইপো আর ভুলে ভরা যে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা ব্যর্থ হলো।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৩২

রাকু হাসান বলেছেন:

সহব্লগারদের দৃষ্টি আর্কষণ করে , এই মন্তব্যে প্রতি উত্তর করছি । ব্যস্তার কারণে এখন । আশা করছি ক্ষমার দৃষ্টিতে থাকবেন ।
কিছু টাইপো পেয়েছি । ঠিকও করেছি । একদিনের পরিশ্রম এমনই হয় । বিষয়টা বলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । আর আপনি যদি আরও টাইপো পান যদি উল্লেখ করেন খুশি হবো । ব্যস্ততার কারণে ভালো মতো দেখার সুযোগ পাচ্ছি না । সময় নিয়ে দেখতে হবে ।

৪| ১৫ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


জাপানের ভুমিকম্প ( ১১ই মার্চ, ২০১১ সাল) নিয়ে লিখতে গিয়ে, আপনি ক্ষয়ক্ষতির উল্লেখ করতে গিয়ে লিখেছেন,
"১৫০০ হাজার মানুষ প্রাণ দেয়।" সংখ্যাটা এত বড় হওয়ার কথা নয়।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৩৪

রাকু হাসান বলেছেন:

হুম স্যার ঠিক ধরেছেন । যে মৃত্যুর সংখ্যাটা উল্লেখ করেছিলাম তা অন্য একটি ভূমিকম্পের হবে । এডিট করেছি । খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন । কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ নিবেন আমার । সুস্থ থাকুন । সালাম রইলো । শুভসকাল ্

৫| ১৫ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঢাকা শহরে পুরো বাংলাদেশের সব ধরণের শ্রেষ্টরা জমা্যেত হয়েছে; ফলে, ঢাকা শহর বিশ্বের সবচেয়ে বিশৃংখল শহর; এখানে কিছু ঘটলে, কেহ কাউকে সাহায্য করতে পারবে না, বিদেশীরা এসে সাহায্য করবে হয়তো।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০১

রাকু হাসান বলেছেন:

পরিস্থিতি এমন ভাবে সামনে আসছে । আপনার সাথে একমত ।

৬| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:০৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: যে দুর্যোগের ব্যাপারে মানুষের কিছু করার নেই, তা' নিয়ে ভাবারও কিছু নেই। ভুমিকম্প পরবর্তী করনীয় নিয়ে ভাবা উচিৎ।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

রাকু হাসান বলেছেন:

আমরা সরাসরি মোকাবেলা করতে পারবো না । এটা ঠিক । তবে ভাবার দরকার যাতে করে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানী কম হয় । হুম করণীয় নিয়ে বিস্তর ভাবা উচিত ।একমত আপনার সাথে । ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্যে ।

৭| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:৪১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ঢাকা শহর আজ থেকে 50 বছর আগে বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে গেছে। এখন উহাকে পরিত্যক্ত নগরী ঘোষনা করার সময় এসে গেছে।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

রাকু হাসান বলেছেন:

চেষ্টা করতে হবে যতটুকু পারা যায় । যদি ঘষে মেজে কিছুটাও ঠিক করা যায় ।সেটা আমাদের জন্য ভালো হবে । ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা ।

৮| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৫৫

নতুন নকিব বলেছেন:



পরিশ্রমী পোস্ট। সবটা পড়া হয়নি যদিও। পরে পড়ার চেষ্টা থাকবে।

আমার মনে হয়, পরিকল্পিত নগরীতে রূপান্তরের দীর্ঘ মেয়াদী মেগা কোনো প্রজেক্ট হাতে নেয়া গেলেই কেবল ঢাকাকে বাঁচানো সম্ভব। এর কোনো বিকল্প দেখি না। আমাদের প্রিয় রাজধানী নাগরিক সকল সুবিধাসহ বসবাসের উপযুক্ত সুন্দর এবং পরিপাটি শহরে পরিনত হোক। +++

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

রাকু হাসান বলেছেন:


আমার মনে হয়, পরিকল্পিত নগরীতে রূপান্তরের দীর্ঘ মেয়াদী মেগা কোনো প্রজেক্ট হাতে নেয়া গেলেই কেবল ঢাকাকে বাঁচানো সম্ভব। এর কোনো বিকল্প দেখি না।----সুন্দর বলেছেন । ঠিক এমনটা আমিও ভাবি ।ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে মেগা প্রকল্পের বিকল্প নেই । নকিব ভাই কে আন্তরিক ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন ।

৯| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৫৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:
এটা কেমন হলো????

31 শে মে বিকেল তিনটে তারপর আজ 15 ই জুন রাত দুটো 42 !!!!
আমি তখন গভীর নিদ্রায় স্বপ্নের দেশে।
আপাতত উপস্থিতি জানালাম নয় নম্বরে। জানিনা মন্তব্যটি প্রকাশ করতে গিয়ে আবার দু একজন এসে পড়বে কিনা।
সময় নিয়ে আবার আসছি।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

রাকু হাসান বলেছেন:

ভালো লাগলো তুমি এতটা খেয়াল রেখেছ। কি আর করা । রাতটাই যেন কিছু একটা লেখার উপযুক্ত সময় ।আসো,ফ্রি হয়ে । অপেক্ষায় । সে পর্যন্ত ভালো থেকো । আনন্দে থাক ।

১০| ১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:০৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: পললাম। যতাযতো কত্তিপক্কের দিষ্টি আকশশন কচ্ছি। :(


দেশের মানুষ কিছু কমাও দরকার।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

রাকু হাসান বলেছেন:

দৃষ্টিদূরের কথা । ব্লক মেরে রেখে দিছে । অনেক দিন পর আমার ব্লগে পাঠের প্রতিক্রিয়ার ,প্রতিক্রিয়া পেলাম । শুভেচ্ছা নিবেন ।

১১| ১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:২১

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার পোষ্ট পড়ে মনে আরও বেশি ভয় ঢুকে গেল।

১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

রাকু হাসান বলেছেন:


স্রষ্টা আামদের রক্ষা করুক ।

১২| ১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:১২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সত্য কি মিথ্যা জানিনা, কোথায় যেন পড়েছিলাম।
কোন এক বিদেশী এথিয়েস্ট ঢাকা থেকে ফেরত গিয়ে ইশ্বরে পরিপূর্ণ বিশ্বাসী হয়ে গেল। তার যুক্তি ছিল এমন, ঢাকাকে কোন মানুষ চালাচ্ছে না, সম্ভবও না। একমাত্র ইশ্বরের পক্ষেই এটা সম্ভব। কাজেই ইশ্বর অবশ্যই আছেন। :)

গতপরশু ডেইলি স্টারে একটা পুরানো রিপোর্ট পড়ছিলাম। তখনই ভেবেছিলাম এটা নিয়ে লিখবো। আপনি কষ্ট করে লিখে ফেলেছেন, তাই আর প্রয়োজন মনে করছি না। ঢাকায় ছোটখাটো দূর্যোগে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়, বড় মাপের একটা ভূমিকম্প হলে কি হবে তার চিন্তা করাও অনেকদূরের কথা। এ'অবস্থা থেকে কোন সরকার রক্ষা করবে না, তাদের সে সময়ও নাই। তারা ব্যস্ত আছে স্যাটেলাইট ওড়ানোতে। আল্লাহ-ই রক্ষাকর্তা। তাই এখন থেকেই আল্লাহ আল্লাহ করেন সবাই।

ঢাকায় একটা বড়মাপের ভূমিকম্প হবে। হবেই। কবে? সেটাই এখন বিলিয়ন ডলার প্রশ্ন।

ডেইলি স্টারের লিঙ্কটা দিলাম। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন।view this link

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:০৭

রাকু হাসান বলেছেন:

এমন বক্তব্য করা অস্বাভাবিক কিছু না । মাঝে মাঝে অবাক আমিও হই । এত সব সমস্যার মাঝেও আমরা টিকে । সেটা স্রষ্টার অর্শীবাদ ছাড়া কিছুই নয় । আপনার মতো ব্লগার এসব বিষয় নিয়ে লিখলে ব্যক্তিগতভাবে খুশিই হতাম । সুন্দর করে তুলে ধরতে পারতাম । জীবন রক্ষাকারী প্রকল্প নিক । আগে তো জীবন ,তারপর উন্নয়ন । এত দিনের পরিশ্রম,অর্থ সব ধসে যাবে যদি না আমরা ঢাকাকে ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে পারি । লিসবনের মতো অবস্থা হতে সময় নেবে না ।

ঢাকায় একটা বড়মাপের ভূমিকম্প হবে। হবেই। কবে? সেটাই এখন বিলিয়ন ডলার প্রশ্ন। ----হ্যাঁ । দ্বিমত করার সুযোগ নেই ।
ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনটা দারুণ তথ্য সমৃদ্ধ । ভালো করেছেন শেয়ার করে । আমি অবশ্য আগেই পড়েছিলাম ।
বিজ্ঞতার সাথে মন্তব্য করেছেন । কৃতজ্ঞতা জানবেন ভাইয়া । শুভরাত্রি ।

১৩| ১৫ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
প্রাকৃতিক দুর্যোগকে এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যা হওয়ার হবেই।
আর দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম সক্ষম একটি দেশ। এটা বার বার প্রমানীত হয়েছে।


ঢাকা এখন আর বসবাসের জন্য যোগ্য নয়। বাস্তবতা সেটা বলে না।
বসবাসের অযোগ্য হলে ঢাকার বাড়ীওয়ালারা সব ভাতে মরতো। ঢাকা সবচেয়ে আকর্ষনীয় শহর বলেই বাড়ীওয়ালারা বছর বছর ভাড়া বাড়ায়।

ঘানার ফুটবলার সনি নর্দ, কোলকাতায় ভাল অফার পেয়েও কম টাকায় ঢাকা এসেছেন।
সাক্ষাতকারে বলেছেন ঢাকা শহর আমার প্রিয়, তাই আসলাম।
ঢাকা বসবাসের অযোগ্য হলে উনি কি বলতেন 'আই লাভ ঢাকা'?

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:২২

রাকু হাসান বলেছেন:

হয়তো ভয় থেকেই সচেতনতা সৃষ্টি হয় ।
হুম বাংলাদেশ যে দুর্যোগ মোকাবেলায় কতটা সক্ষম ম্যানহোলে পড়ে যাওয়া শিশু উদ্ধারের সময় দেখেছি । হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অতি অত্যাধিক পদ্ধতিতে আগুন নেভানোর মতো জ্ঞান ,বুদ্ধি বাংলাদেশ বিশ্বের অনুসরনীয় । ছোট ঘাট আগুন নেভাতেও আমাদের ঘণ্টার ঘণ্টার সময় লাগে মাত্র । যেখানে বিশ্বে কয়েক দিনও লেগে যায় । মন্ত্রীরা কি সাধে বলে বিদেশের মন্ত্রীরা বাংলাদেশের মন্ত্রীদের কাছে পরামর্শ চায় । সুতারাং আপনার বক্তব্যের সত্যতা ব্যাপক ।

ঢাকা এখন আর বসবাসের জন্য যোগ্য নয়। বাস্তবতা সেটা বলে না।----এখানে দ্বিমত পোষণ করছি । এই বাস্তবতাগুলো আপনি বিদেশী মাধ্যমে তুলে ধরতেন বাংলাদেশের ভাবমূর্তির উন্নতি হতো । প্লিজ এই কাজটি করবেন কি ,অনুরোধ থাকবে ।

বাসের অযোগ্য হলে ঢাকার বাড়ীওয়ালারা সব ভাতে মরতো। ঢাকা সবচেয়ে আকর্ষনীয় শহর বলেই বাড়ীওয়ালারা বছর বছর ভাড়া বাড়ায়।
---- প্রধানমন্ত্রী কাল বলেছেন কর্মসংস্থান হচ্ছে বলেই ধান কাটতে লোক পাচ্ছে না । আপনার মন্তব্যের এই অংশ অনেকটা এমনই । হ্যাঁ-কর্মসংস্থান হচ্ছে ,সেটা স্বীকার অামিও করছি । প্রশ্ন অন্যখানে ।

আপনার ঢাকা নিয়ে মন্তব্যে জান তে পারলাম ,আপনার দেশপ্রেম আছে । আই লাভ ঢাকা বলার অনেক কারণ আছে । সেগুলোর মধ্যে প্রধান কারণ হতে পারে ,ঢাকার অতিথিপরায়ণতা,সহজ,সরল মানুষ । অসাম্প্রদায়িকতাও একটি কারণ হতেই পারে ।

আপনার কাছে আরও একটি অনুরোধ বাসযোগ্য ঢাকা শিরোনামে কিছু একটা লিখুন ,প্লিজ । আমাদের ধারণা পাল্টে দিন । মাঝে মাঝে অতিরিক্ত পজেটিভ চিন্তা ভাবনা ক্ষতির কারণ হতে পারে ।
ভালো থাকুন । গঠনমূলক মন্তব্যে সু স্বাগতম ।
ভালো থাকবেন

১৪| ১৫ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

রোহান খান বলেছেন: আপনার লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো। ভুমিকম্পের ব্যাপারে আমার একটা লেখা ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৫:২৮। নিচে লিংক দিলাম। পড়ে দেখে কমেন্ট করবেন - ভালো লাগবে।

"১০ নম্বর বিপদ সংকেত (সেলফি ও ভুমিকম্প আর একটি বৈশখী নস্ট মানষিকতায় পরিমিত আসমানী গজব ধেয়ে আসছে বাংলাদেশে ....)" লিংক: Click This Link

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:২৯

রাকু হাসান বলেছেন:

রোহান ভাই । আপনার পোস্ট পড়েে এসেছি । ভালো লিখছেন । আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম । আশা করছি আপনার আলোচনা-সমালোচনা আমাকে কিছু শেখাবে । শুভকামনা রইলো আপনার প্রতি ।

১৫| ১৫ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

নীলপরি বলেছেন: অনেকদিন বাদে পোষ্ট দিলেন । তথ্যমূলক ও পরিশ্রমী পোষ্ট । অনেক কিছু জানলাম ।
++
শুভকামনা

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৩১

রাকু হাসান বলেছেন:

নীল আপু । আশা করছি ভালো আছেন । হুম অনেক দিন পর । ব্যস্ততায় লেখা হয় না । যেহেতু অনেক দিন পর পর দেওয়া তাই পরিশ্রমী পোস্টই করতে মন চাইলো । প্লাসে কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি । কিছু জানতে পারলেন সে জন্য স্বার্থকতা দেখছি আমার । ধন্যবাদ পাশে রাখার জন্য ।

১৬| ১৫ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


১ম ছবিটা কিসের?

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৩৪

রাকু হাসান বলেছেন:

অনুমান করেছিলাম ছবিটি নিয়ে কেউ হয়তো প্রশ্ন রাখবে । আপনিই রাখলেন । ছবিটি পোস্টে রুপক অর্থে ব্যবহার করেছি । ভিনদেশের েএকটি কবরস্থান । প্রাণহানীর আশঙ্কার কথা বুঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে । আবারও মন্তব্য রাখায় ধন্যবাদ আপনাকে । খুব বিচক্ষণ আপনার দৃষ্টি । সুস্থ্য থাকুন সব সময় ।

১৭| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

করুণাধারা বলেছেন: সবসময়ই ভূমিকম্পের আতঙ্কে থাকি। আপনার লেখাটি ভালো লাগলো, ভয়ও লাগলো।

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৩৭

রাকু হাসান বলেছেন:

আমিও । বড় েকোনো ভবনে উঠলেই ভয়টা পাই বেশি । কিন্তু এড়িয়ে চলাও যায় না । ইচ্ছা জাগে দূর গ্রামে কুড়ে ঘরে বাস করি । উপভোগ করি গ্রামের মাদকতা । কিন্তু পালাবার পথ নেই । ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্য রেখে যাবার জন্য । আপনি একটি মূল্যবান সিরিজ লিখছেন । আশা করছি পুরো সিরিজটি পড়বো ।

১৮| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

আরোগ্য বলেছেন: রাকু ভাই,
পোস্টটি পড়ার সময় দুটি কথা কয়েকবার বলতে হয়েছে " আল্লাহ না করুক , আল্লাহ মাফ করুক " ।

ভুয়া মফিজ ভাইয়ের মন্তব্য সুন্দর হয়েছে। একটা ঘটনা মনে পড়লো। চার বছর আগে একবার ফজরের আগ মুহূর্তে ভুমিকম্প হয়, সেদিন ফজরের সময় মসজিদমুসুল্লিতে ভরে যায় কিন্তু জোহরের সময় গতানুগতিক অবস্থা। বাস্তবিকই ঢাকার যে অবস্থা একমাত্র আল্লাহর অশেষ রহমতেই টিকে আছে।

সরকারি উদ্যোগের বলে কি হবে। একে তো ঢাকা দুর্বল নগরী তার উপর মেট্রোরেল, ফ্লাইওভারইত্যাদি নির্মাণ করার জন্য মাটির উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। যার ফলশ্রুতি লজিকালি ভয়াবহ হওয়ার কথা। যদি মানুষই না থাকে তবে এসব দিয়ে কার উপকার হবে? সবার আগে ঢাকাকে বাস উপযোগী করতে হবে। কিন্তু আমরা বৃহৎ স্বার্থে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে রাজি নই। জানিনা কি হবে। আল্লাহই একমাত্র ভরসা।

এমন একটি তথ্যবহুল ও পরিশ্রমিি পোস্টের জন্য আপনাকে অনেক সাধুবাদ জানাই। সদা আরোগ্য থাকুন রাকু ভাই।

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৪৩

রাকু হাসান বলেছেন:

আল্লাহ না করুক , আল্লাহ মাফ করুক " --স্রষ্টা কে স্বরণ করতেই হবে । ভূয়া মফিজ ভাই সুন্দর মন্তব্য করেছেন । বিপদে পড়লেই স্রষ্টা কে স্বরণ করি । অবশ্যই রহমত ছাড়া সম্ভব নয় ।

সরকারি উদ্যোগের বলে কি হবে। একে তো ঢাকা দুর্বল নগরী তার উপর মেট্রোরেল, ফ্লাইওভারইত্যাদি নির্মাণ করার জন্য মাটির উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। যার ফলশ্রুতি লজিকালি ভয়াবহ হওয়ার কথা। যদি মানুষই না থাকে তবে এসব দিয়ে কার উপকার হবে?
---সুচিন্তিত মতামত । । আমাদের উন্নয়ন লাগবে । তবে তা যেন গলার কাটা না হয় । েএকটি সুবিধার জন্য আরেকটি অসুবিধা যেন সৃষ্টি না হয় । সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে ।
আরেকটি কথা বলেছেন । যা বাস্তব । আমাদের জাতীয় জীবনে মেশে আছে ,সেটি হলো---আমরা বৃহৎ স্বার্থে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে রাজি নই।
ভাই বদলাতে হবে বৃহৎ স্বার্থে । জাতীয় স্বার্থ সবার আগে দেখা উচিত ।

দোয়া রাখবেন পরিশ্রমী পোস্ট যেন করতে পারি । আপনিও আরোগ্য ,মির্মল আনন্দে থাকুন । শুভরাত্রি আপনাকে । ভালো থাকুন । ও আর পরিবার কে আমার সালাম জানবেন ।

১৯| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

শায়মা বলেছেন: ভয় লাগে এসব পড়লে !:(

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৪৪

রাকু হাসান বলেছেন:

আপু সাবধানে থাকবে । তুমি তো ঢাকায় থাক । :(

২০| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

একজন অশিক্ষিত মানুষ বলেছেন: সপ্তদশ শতাব্দী পর থেকে এখন পর্যন্ত টাকা বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার অতি গুরুত্বপূর্ণ শহর ।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন শ্রদ্ধেয় কবি।
লেখাটায় অনেক কিছু উঠে এসেছে। ভালো লাগা রেখে গেলাম লাইক বক্সে।

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৪৬

রাকু হাসান বলেছেন:

বেশ কিছু দিন পর আপনাকে ব্লগে দেখলাম । ব্লগটা ছাইড়েন না যে । থাকুন । আসুন এক সাথেই থাকি । কথা হবে । লাইক ও পাঠের ভালো লাগা জানবেন । শুভকামনা চিরদিন ।

২১| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ভয়াবহ হলেই এটাই সত্য। ঢাকা একটি বৃহৎ ভূমিকম্পের হুমকির মুখে রয়েছে তেমন আশংকা করেছেন দেশের খ্যাতনামা ভূতত্তববিদ।

১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৪৭

রাকু হাসান বলেছেন:

হুম সেটাই । আসলেন কবি ক্ষুদ্র ব্লগে । পুনরায় স্বাগতম । শুভরাত্রি । শুভেচ্ছা ।

২২| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাকু হাসান,




ভূমিকম্পের কিছু ইতিহাস আর তেমন ছবি নিয়ে পরিশ্রমী লেখা। ভয়াবহতা মনে করিয়ে সচেতন হতে বলার জন্যে ধন্যবাদ।

ঢাকা তথা বাংলা দেশের জন্যে আসলে ভয়ই হয়! সামান্য আগুন নেভাতে যেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা লেগে যায় , রাস্তায় একটা দূর্ঘটনায় দুমড়ে যাওয়া ট্রাক কিম্বা একটা বাস সরিয়ে নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে যেখানে ঘন্টা তিনেকের বেশী সময় লাগে সেখানে ঢাকার এক তৃতীয়াংশও যদি ভূমিকম্পের কবলে পড়ে বিধ্বস্ত হয় তবে একযুগ লাগবে আমাদের তা পরিষ্কার করতে। তাও যদি কপাল ভালো থাকে। শুরু থেকেই এই একযুগে যে আরো কোটি সমস্যা দেখা দেবে সেগুলোর কথা না হয় না-ই বললুম।

তবে শিরোনামে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) কেন দিয়েছেন বোঝা গেলোনা।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:০৭

রাকু হাসান বলেছেন:

আসালামু আলাইকুম স্যার । আশা করছি ভালো আছেন । আপনার নতুন পোস্টের অপেক্ষায় আছি ।
আপনার মন্তব্যের মাধ্যমে পাঠক ভয়াবহতার ব্যাপারে আরও স্পষ্ট ধারণা পাবে । এগুলো ভাবলে মাথা ঠিক থাকে না । রানা প্লাজায় খুব সম্ভবত ভুল যদি না করি দু মাস সময় লেগেছিল উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করতে । ঢাকায় ভূমিকম্প হলে কয় হাজারটি রানা প্লাজার মতো ঘটনা ঘটবে !! অমূলক বলেন নি মোটেও । আল্লাহ্ না করুক । যদি এমনটা হয় ঢাকার ঘুরে দাঁড়াতে কত শতাব্দী লাগবে ! আদৌ কি পারবে ঘুড়ে দাঁড়াতে ?
শিরোনামে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেওয়া নিয়ে পাঠকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আশা করেছিলাম । আপনার মন্তব্যে স্পষ্ট হলো । প্রশ্ন বোধক চিহ্ন দিয়ে আমি বুঝাতে চেয়েছি এত সব তথ্য,প্রমাণ,সম্ভবতা থাকার পরেও ঢাকায় ভূমিকম্প আঘাত হানবে আমি নিশ্চিত নয় । মৃত্যুপুরীতে পরিণত হবে কি ,সে ব্যাপারেও আমি নিশ্চিত না । কেননা প্রকৃতি যেকোনা মিরাকেল ঘটনোর ক্ষমতা রাখতে পারে । আমাদের রক্ষা করতে স্রষ্টা বা স্রষ্টা সৃষ্ট প্রকৃতি । যে বিষয়ে আমার জ্ঞান নেই । হয়তো প্রকৃতির খেলার ব্যাপারে কারও
১০০% সঠিক ধারণা রাখার ক্ষমতা রাখে । আমারও নেই । তাই প্রশ্নবোধক চিহ্নটিই বসিয়ে দিলাম । আশা করছি আপনার প্রশ্নের কিছু হলেও জবাব পেয়েছেন ।

বরাবরের মতো গঠনমূলক ,জ্ঞানী পাঠক সুলভ মন্তব্য রেখে পোস্টকে সম্মানিত করলেন । শুভকামনা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি আপনার প্রতি । শুভরাত্রি ।

২৩| ১৫ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

এমজেডএফ বলেছেন: অনেক সময় নিয়ে ও পরিশ্রম করে বিরাট পোস্ট লিখেছেন। সেইসাথে অনেক তথ্য ও ছবির সমাহার। সচেতনামূলক তথ্যসমৃদ্ধ লেখার জন্য ধন্যবাদ।
বড় পোস্টে মূল বিষয়কে বিভিন্ন পয়েন্টের ওপর ভাগ করে শিরোনামসহ আলাদা আলাদা প্যারায় লিখলে পড়তে সুবিধা। তাছাড়া একবারে পুরো পোস্ট পড়তে না পারলেও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো পড়া যায়। আপনার এই লেখাটি নিম্নলিখিত শিরোনাম দিয়ে আলাদা আলাদা প্যারায় সাজিয়ে লিখলে আমাদের পড়তে আরো সুবিধা হতো :

১। ভূমিকা
২। ভূমিকম্পের উৎস ও কারণ
৩। ভূমিকম্পের ধরণ
৪। ইতিহাসের ভয়াবহ ভূমিকম্পসমূহ
৫। ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা
৬। বাংলাদেশ তথা ঢাকায় ভূমিকম্পের সম্ভাব্যতা
৭। ভূমিকম্পের সময় করণীয়
৮। ঢাকায় ভূমিকম্প প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
৯। ঢাকায় ভূমিকম্প পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি
১০। ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি
১১। শেষ কথা


শুভ কামনা রইলো।




১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২০

রাকু হাসান বলেছেন:

এখন পর্যন্ত যে মন্তব্যগুলো এসেছে সেগুলো থেকে শেখার দিক থেকে সব চেয়ে গঠনমূলক মন্তব্য েএটি । সামনে আসছে পোস্ট উপভোগ্য হবে ইনশাআল্লাহ্ । চেষ্টা করবো । আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ জন্ম নিয়েছে । আমার ব্লগে অনেক দিন পর আসলেন স্বাগতম । শুভেচ্ছা ও দোয়া নিবেন শ্রদ্ধেয় ।

২৪| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১৩

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ভয়াবহ এক সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন। দিন দিন যে হারে জনগন ঢাকামুখী হচ্ছে তাতে সমস্যা আরো বাড়বে,যদি সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়া হয়।

১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২২

রাকু হাসান বলেছেন:

সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিকল্প নেই । খুব তাড়াতাড়ি নিতে হবে এবং কার্যকর করতে হবে । ধন্যবাদ মন্তব্যে ।

২৫| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১৭

সজীব শাহরিয়া বলেছেন: ভয় হয় খুব। আল্লাহ সহায়

১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

রাকু হাসান বলেছেন:

আমার ব্লগে স্বাগতম আপনাকে । আমার ব্লগ আপনার যাত্রায় মুখরিত হোক । শুভকামনা জানবেন ।

২৬| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ঢাকা বসবাসের অযোগ্য শহড়। তাতে কোন সন্দেহ নাই। তবে ভুমিকম্প নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হবার কিছু নাই। কিছু ভুগোলবিদদের লেখা পড়ে জেনেছি ঢাকায় খুব বড় আকারের ভুমিকম্প হবার আশংকা তেমন একটা নাই। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থানের বিষদ ব্যখ্যা দিয়ে তারা সেসব লিখে লিখেছেন। ভুমিকম্পের চাইতেও অনেক অনেক বেশি প্রানঘাতী হচ্ছে এই দেশের অনিরাপদ সড়ক। এক ঈদে বাড়ী যেতেই এই দেশের কয়েক শ মানূশ প্রান হারায় সড়কে।

১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২৫

রাকু হাসান বলেছেন:

এবারের ঈদে প্রাণ গেছে সড়ক পথে ২৫০্ জন । গত ১০ বছরে ২৫০০০ জন । কমই তো । এদেশে মৃত্যু িএকটি যেন ডাল ভাত ব্যাপার । ভালো মন্তব্য করেছেন ।

২৭| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৪৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
রাকু ভাই ,

শিরোনাম দেখেই আতকে উঠেছি । তারপরও তো এই মৃত্যুপুরীতে মানুষ ভালোবেসে সব বাধা অতিক্রম করে যুদ্ধ করে কোন রকমে টিকে আছে।
পুরো বাংলাদেশের মানুষ সবাইতো মৌলিক চাহিদায় পরিপূর্ণ নয় । সংগ্রাম করে টিকে আছে অনেকে। আপনি ভূমিকম্প নিয়ে খুব সুন্দর একটা আর্টিকেল লিখেছেন ।
অনেক কিছু জানলাম। ভূমিকম্পের প্রটেকশন এর আশায় বসে থাকা আর কি বা করার আছে !!!
ভালো থাকুন ও ধন্যবাদ রইলো।

১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২৭

রাকু হাসান বলেছেন:
মুক্তা আপু ভালোই আছেন ! হুম আমরা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করেই টিকে আছি । স্রষ্টা আমাদের ভালো কিছু করার তাওফীক দান করুক । আপনার পাঠলব্ধ মন্তব্যে পেয়ে খুশি হয়েছি । পড়েছেন মনোযোগ দিয়ে সাথে মন্তব্যও রেখেছেন গঠনমূলক । যা একজন পাঠকের ইমেজ উন্নত করে । আপনি সেটা করছেন এখানে এবং করেও আসছেন । শুভেচ্ছা নিবেন । আমার নিরাপদে আনন্দে থাকুন আপু ।

২৮| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
রাকু ভাই ,

উৎসর্গে ভালো লাগা। আমার প্রিয় কবি রানী ও আপনার প্রতি রইলো আন্তরিক ধন্যবাদ ।

১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:২৯

রাকু হাসান বলেছেন:

আমারও খুব পছন্দের একজন কবি । ভালো লাগে উনার কবিতা । আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা আবারও মন্তব্য রেখে যাবার জন্য ।

২৯| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৫০

নীল আকাশ বলেছেন: রাকু ভাই,
যদিও বেশ পরিশ্রম করে লিখেছেন তবুও মনে হলো তাড়াহুড়ো করে লিখেছেন। বাংলা বানান ভুল আপনার লেখায় আমাকে বেশ অবাক করেছে।

বিষয়বস্তুর জন্য লেখাটা পড়ে খুব ভাল লাগল। আবার উৎর্সগ করেছে আমার খুব প্রিয় একজন আপুকে, ধন্যবাদ।

ভুমিকম্প যেকোন সময়ই হতে পারে, তবে রিখটার স্কেলের চেয়ে আমার মনে হয় ডিউরেশন বা স্থায়িত্বকাল বেশি ভয়ংকর।
ঢাকায় ৭.৫ মাত্রার একটা ভুমিকম্প ৪ বা ৫ মিনিট হলে সারা শহর কবরস্থান হয়ে যাবে!!

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল প্রিয় ভাইটার জন্য!

১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৩৩

রাকু হাসান বলেছেন:

ঠিক বলেছেন । একদিনের পরিশ্রমে বড় লেখা,লেখার জন্যই সমস্যা আসছে । কিছু টাইপো ঠিক করেছি । তাড়াহুড়ো করে লিখেছে ,তা স্বীকার করছি । আমার লেখা পড়েই বুঝে ফেলছেন । বাহ চমৎকার পাঠ ।

ঢাকায় ৭.৫ মাত্রার একটা ভুমিকম্প ৪ বা ৫ মিনিট হলে সারা শহর কবরস্থান হয়ে যাবে!!---এটাই বাস্তবতা । কিন্ত আমরা যেন ঘুমিয়েই দিন কাটিয়ে দিচ্ছি । সচেনতা বৃদ্ধি করতে হবে । সকলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন দুর্যোগ মোকাবেলায় ।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল প্রিয় ভাইটার জন্য!--এই বাক্যে আপনার আন্তরিকতা লক্ষ্য করলাম । যা প্রমাণ করে আপনার কাছে আমার মূল্যায়ন । এবং সেটি আপনার প্রতি সম্মান বৃদ্ধি করলো । ভাই আমার ভালো থাকবেন । ব্যস্ততায় আছি । এর মাঝেই পাশে থাকার চেষ্টা করবো । আপনাদের সঙ্গ উপভোগ করি । শুভসকাল ভাইয়া ।

৩০| ১৬ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:৫৬

বলেছেন: সাধুবাদ জানাই!!
অতীত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে লেখার জন্য সাধুবাদ।।।


অবেক তথ্য উপাত্ত দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করা আসলেই বৃথা আস্ফালন।।।
সবাই চায় মুনাফা।। সেটা হোক নগর উন্নয়ন বোর্ড,, আর হোক নাগরিক।।।

সুস্থ থাকার কথা কয়জনে চিন্তা করে।।।।

ভুয়া মফিজ আসলে ভুয়া না --- এটাই সত্য....
কোন এক বিদেশী এথিয়েস্ট ঢাকা থেকে ফেরত গিয়ে ইশ্বরে পরিপূর্ণ বিশ্বাসী হয়ে গেল। তার যুক্তি ছিল এমন, ঢাকাকে কোন মানুষ চালাচ্ছে না, সম্ভবও না। একমাত্র ইশ্বরের পক্ষেই এটা সম্ভব। কাজেই ইশ্বর অবশ্যই আছেন। :)


ভালোবাসা অবিরাম প্রিয় অনুজ।।। পোস্টে লাইক।।।

১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৩৮

রাকু হাসান বলেছেন:

শ্রদ্ধেয় ভাইয়া । আসসালামু আলাইকুম । তোমার সাধুবাদ গ্রহণ করলাম । তোমাদের মুখ থেকে অনুজ শব্দটি শুনলে আমার খুব ভালো লাগে । খুব কাছের মনে হয় । এভাবেই থাকতে চাই । ভূয়া মফিজ ভাইয়া সত্যিই খুব সুন্দর মন্তব্য রেখেছেন । আমরা ভোগের নেশায় মত্ত । খুব বেশি স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছি যা অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে ভয়াবহ । ভাবতে বৃহৎ স্বার্থে । শুধু সরকারের উপর ছেড়ে দিলেেই হবে না সব কিছু । নিজ থেকেও অনেক কিছু করতে পারি আমরা ,যা জনসাধারণের সীমার মধ্যে আছে ।
লাইক ও এত সুন্দর মন্তব্যে ভালোবাসা নিবে আমার । আমার শ্রদ্ধা ও সালাম নিবে আবারও । শুভ হোক সারা দিন ।

৩১| ১৬ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

নজসু বলেছেন:



সময় করে অবশ্যই আসবো।
ইনশায়াল্লাহ।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

রাকু হাসান বলেছেন:

নজসু ভাই কেমন আছেন ? কিছু লিখছেন না ? পড়েই যাচ্ছেন । আপনার পোস্টের অপেক্ষায় আছি । আসুন আপনার মন্তব্য নিয়ে সমস্যা নেই ।

৩২| ১৬ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪১

গড়ল বলেছেন: এ ধরণের দূর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের কোন প্রস্তুতিই নাই এটা খুবই দূর্ভাগ্যজনক। এর থেকে পরিত্রান পাবার একটা উপায় হতে পারে গভীরতম শক্ত মাটির স্তর যেখানে আছে সেখানে নতুন শহর গড়ে তোলা আর ঢাকায় আর নতুন কোন স্থাপনা না করা। কারণ ভুমিকম্প প্রতিরোধক স্থাপনা নির্মান প্রায় চার-পাঁচ গুনেরও বেশী ব্যায়বহুল যা আমাদের দেশের জন্য একেবারেই অসম্ভব।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২৪

রাকু হাসান বলেছেন:

আপনার মন্তব্যে দারুণ প্রস্তাব করেছেন । যা কার্যকর হতে পারে ।
গভীরতম শক্ত মাটির স্তর যেখানে আছে সেখানে নতুন শহর গড়ে তোলা আর ঢাকায় আর নতুন কোন স্থাপনা না করা। --- সহমত পোষণ করছি ।

হ্যাঁ ব্যয়বহুল তবে সরকার বাধ্য করলে একেবাড়ে অসম্ভব বলে মনে হয় না । যতই ব্যয়বহুল হোক মৃত্যু ফাঁদ এড়াতে অবশ্যই করা উচিত । কোম্পানি ,প্রতিষ্ঠানগুলো কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভবন নির্মাণ করতে পারলে এটাই পারবে । সংখ্যায় কম হলেও । আমাদের নিরাপত্তা দরকার । সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ গড়ল ভাইয়া । ভালো থাকুন ।

৩৩| ১৬ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ঢাকা নিয়ে আমি বেশকিছু লিখেছিলাম ।

ইকোনমিষ্ট রিপোর্টে যখন ঢাকাকে ২য় বসবাস অযোগ্য নগরী ঘোষনা করে তখন স্থপতি ড. ইকবাল হাবিব একটি টকশোতে কিছু কথা বলেন। মুলত সেটার আলোকেই আমার এই পোষ্টটি ছিল -

পড়ুন - view this link

সেই ইকোনমিষ্ট রিপোর্টের বিরুদ্ধে যারা গত ৭-৮ বছরজাবত ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ বিরোধী শত শত ফরমায়েসি রিপোর্ট করে গেছে।
ঢাকার মেয়র ও নগর সংস্লিষ্ট এক্সপার্টগন এই তালিকা ত্রুটিপুর্ন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বিশিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থপতি ড. ইকবাল হাবিব এই রিপোর্ট/তালিকাতে জনঘনত্ব ও জনমিতিকে বিবেচনায় না নেয়াতে সাংঘাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আর তালিকায় নাগরিকদের ডিজাষ্টার সার্ভাইভাল সক্ষমতাও বিবেচিত হয়নি।
তিনি আরো বলেন, ইকনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের মূল্যায়ন নির্ণয়কগুলো দৃষ্টিকটুভাবে ভাবে একপেশে, প্রত্যাখ্যানযোগ্য।

আফ্রিকার সংঘাতপুর্ন দেশগুলোতে যেখানে বাংলাদেশ নিরাপত্তা ও স্বাস্থসেবা দিতে শান্তিরক্ষী পাঠায় আশ্চর্যজনক ভাবে সেসব 'বোকোহারাম-জাদা নগর' কেও ঢাকার চেয়ে বেশী স্থিতিশিল, ঢাকার চেয়েও ভাল স্বাস্থসেবা দেখিয়ে ঢাকাকে ইচ্ছাকৃতভাবে কম নম্বর দেয়া হয়েছে।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

রাকু হাসান বলেছেন:

আপনার পোস্টটি পড়লাম । আখেনাটেন ভাইয়া এত সব বলেছে ,তথ্য প্রমাণ তার পরে কিছু বলার থাকে বলুন ? আমারও তেমন কিছু বলার নেই । কিছু হলেই রটে। অবাক হলাম বেশ কিছু বিষয়ে । সে কথা বাদ । তর্ক করতে চাই না । তবে এটা তো মানেন ঢাকা ভয়ঙ্কর রকম ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে । েএটিই মূল টপিক । ঢাকার অবস্থান দুই নম্বরে থাকা নিয়ে তর্ক করলে কিছুটা লাভবান হবেন । তবে ঢাকা যে কতটা বাসযোগ্য বাস্তবতার আলোকে জানি । আখেনাটেন ভাই আমাদের কথা বলে দিয়েছেন ।

শুভকামনা থাকুক । ভালো থাকুন ।

৩৪| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অসাধারণ ! এমন একটা তথ্যপূর্ণ লেখা মনে হয় আমি কখনোই লিখতে পারবো না, মাথায় ই কুলাবে না। কিন্তু তাতে কি !!! উৎসর্গ তো পেয়েছি :)
ব্লগিং করে কি পেয়েছি !!! অপূর্ব মনের অসাধারণ কিছু ব্লগারের সানিধ্য!!!
কৃতজ্ঞতা 'র তো প্রশ্নই আসে না ;) তবে ধন্যবাদ তো বাই ডিফল্ট আর ভালোবাসা অফুরান।


এবার আসি লেখায়। সচেতনতা মূলক পোস্ট যা তথ্যের সমাহারে পূর্ণ; ব্লগিং এমন ই হওয়া উচিত। আশা করছি আমাদের মত সাধারণ জনগণ এবং সরকার এর টনক নড়বে। আজকে আনিসুল হক এর একটা লেখা পড়লাম। সবাই আমাদের এই ঝুঁকি নিয়ে চিন্তিত। এখানে পড়া যাবে।
কিছু অংশ এখানে তুলে দিলামঃ ধীমান রঞ্জন মণ্ডল এমআইটিতে পোস্টডক করছেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ভূবিজ্ঞান। তাঁরা বাংলাদেশের ভূমিকম্প-শঙ্কা নিয়ে গবেষণা করেছেন। বাংলাদেশে একটি ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে কী মহাপ্রলয় ঘটে যাবে, এই নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা। একটা বড়সড় ভূমিকম্প যেকোনো মুহূর্তে বাংলাদেশকে কাঁপিয়ে দিতে পারে, এই রকম শঙ্কা তাঁরা করছেন এবং তাঁদের দুর্ভাবনার আরেকটা বিষয়: ভূমিকম্প-পরবর্তী অগ্নিকাণ্ড। তিনি জানালেন, একবার তাঁদের গবেষণার ফল জানাতে তাঁরা বাংলাদেশের তৎকালীন দুর্যোগমন্ত্রীর সঙ্গে দেখাও করেছিলেন। বেশি পাত্তা পাননি। মন্ত্রী নাকি বলেছেন, মানুষকে আতঙ্কগ্রস্ত করে কী লাভ?

ধীমান রঞ্জন মণ্ডল এখন যার ওপরে জোর দিচ্ছেন তা আতঙ্ক নয়, সাবধানতা। তিনি বলছেন, আচ্ছা, সরকার একটা সামান্য উদ্যোগ কেন নেয় না? কেন সব ভবনে অগ্নিকাণ্ডের মহড়া করার নির্দেশ দেয় না? এটার জন্য তো কোনো বাজেট লাগবে না।

কথাটা কিন্তু সরকার কানে তুলতে পারে এবং একটা ছোট্ট পদক্ষেপ নিতে পারে। সরকারের জন্য এটা হবে ছোট্ট পদক্ষেপ, কিন্তু নাগরিকদের জন্য হবে একটা প্রাণরক্ষাকারী বড় উদ্যোগ। সরকার বলবে, সব ভবনে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া করা বাধ্যতামূলক। এটা করতে হবে। করুন। সরকার নিজেদের ভবনগুলোয় মহড়া করবে। আমরা আমাদের ভবনগুলোয় করব। প্রথম আলো তার ভবনে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া করেছে, জানতে পারলাম। এটা একবার করে ছেড়ে দিলে হয় না। নিয়মিত করতে হয়। আন্তর্জাতিক, বহুজাতিক এবং বিদেশি সংস্থাগুলো কিন্তু আমাদের দেশেও তাদের অফিসে-আদালতে মহড়া নিয়মিতই করে থাকে।

এরপরের প্রসঙ্গ আমিই তুললাম। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাস্ট্রোফিজিকসের গবেষক তানভীর করিমকে যেহেতু কাছে পেয়ে গেলাম। প্রথম প্রশ্ন, ব্ল্যাকহোলে তো আলোও শোষিত হয়। তাহলে তার ছবি উঠল কী করে? নিজেই জবাব দিলাম, তার চারপাশের আলোর মধ্যে ভেতরের অন্ধকারের ছবি আসলে ছিল ওটা। কত বছর আগে ঘটেছিল ঘটনাটা? তানভীর বললেন, ৫৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে। মানে সাড়ে পাঁচ কোটি বছর আগে ঘটেছে এই ঘটনা! এই সব কল্পনা করাও আমার পক্ষে দুঃসাধ্য। সেটা বাদ দিয়ে বরং বাস্তবের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন করা যায়। আচ্ছা আচ্ছা, চাঁদ দেখা কমিটি যে যন্ত্র কিনছে, সেই ব্যাপারটা কী?

হ্যাঁ। প্রথম আলোতেই খবরটা দেখেছি। এবার ঈদের আগের রাতে চাঁদ দেখা নিয়ে বেশ বিড়ম্বনা হয়েছে। চাঁদ দেখা কমিটি ঘোষণা দিল, দেশের কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর আমার বন্ধুরা ইনবক্সে লিখতে শুরু করলেন, ‘আমরা তো চাঁদ দেখেছি।’ তখনই আমি বুঝতে পারছিলাম, ফেসবুকের যুগে এই চাঁদ দেখার খবর ঠিকই পৌঁছে যাবে চাঁদ দেখা কমিটির কাছেও। কাজেই বেশি রাতে সিদ্ধান্ত বদলের খবর আসবে। এর আগেও একবার এই রকম হয়েছিল।

প্রথম আলো লিখেছে: চাঁদ দেখতে উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্র কিনবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এবার ঈদুল ফিতরের আগে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ধর্ম মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

১৭ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

রাকু হাসান বলেছেন:


তবে ধন্যবাদ তো বাই ডিফল্ট আর ভালোবাসা অফুরান------এটাই থাক :)
দারুণ আর্টিকেল শেয়ার করলে ,আমি আগে পড়িনি । পড়ে খারাপ লাগছে । ভাবা যায় কখন একজন মন্ত্রী এমন কথা বলে ।ওদের হাতে আমরা নিরাপদ না । কোথায় প্রেরণা ,উৎসাহ দিবে । :(
এই খবর টা আমাকে কষ্ট দিলো । চাঁদ দেখার অত্যাধুনিক যন্ত্র অনেক আগেই কেনা দরকার ছিল । ডিজিটাল শুধু ইন্টারনেট সংযোগ ,ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ালেই হয়না । জেনে ভালো লাগছে ফেসবুকের কল্যাণে বাজে একটা বিভ্রান্তি থেকে জাতি রেহাই পেল ।
এ রকম আর দ্বিতীয় বার না হোক । সেই প্রত্যাশা করছি ।
ধীমান রঞ্জন মণ্ডল এখন যার ওপরে জোর দিচ্ছেন তা আতঙ্ক নয়, সাবধানতা। তিনি বলছেন, আচ্ছা, সরকার একটা সামান্য উদ্যোগ কেন নেয় না? কেন সব ভবনে অগ্নিকাণ্ডের মহড়া করার নির্দেশ দেয় না? এটার জন্য তো কোনো বাজেট লাগবে না।
----ধীমান রঞ্জনের কথাটা প্রতিটি সচেতন মানুষের । আমার কথাও এটা । সাবধানতা আর ভয় দুটি দুই জিনিস । এটা বুঝাতে হবে সাধারণদের । একটু ইচ্ছা করলেই ভালো করা যাবে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য । ভেজাল,মাদক বিরোধী অভিযানের
মতো এমন অভিযান চালানোর জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি । ভালো লাগে না ,যেন সমস্যার রাজ্যে বাস করি । তবু ভালোবাসি বাংলাদেশ কে ।

খুব চমকপ্রদ তথ্য দিলে । ভালো লাগা রইলো তথ্য সমৃদ্ধ বিষয় ভিত্তিক মন্তব্যে । ভালোবাসা থাকুন এভাবেই । বাংলাদেশের জয়ের জন্য দোয়া আবেদন জানাচ্ছি ।

৩৫| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ঢাকার সাথে আমার সম্পর্ক অনেক দিনের, আমি বড় হয়েছি ঢাকাও বড় হয়েছে, আমি বুড়ো হয়েছি ঢাকাও বুড়ো হয়েছে। সমস্যা হচ্ছে গত বিশ বছর যাবত সারা দেশে নিরব আন্দোলোন হচ্ছে “চলো চলো ঢাকা চলো” সমগ্র দেশের মানুষ ঢাকা চলে আসছে হু হু করে। মনে হচ্ছে ঢাকা আসলেই কিছু একটা হবে। ঢাকা অলিতে গলিতে ফার্মেসী, অলিতে গলিতে সুপার শপ, অলিতে গলিতে সেলুন পার্লার, অলিতে গলিতে হাউজিং ডেভেলপার, নার্সারী আর ইংলিশ মিডিয়াম (আই এ্যাম জিপিএ ফাইভ) অলিতে গলিতে হাসপাতাল ডায়গনষ্টিক সেন্টার আর বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাকায় যেই পরিমান বিশ্ববিদ্যালয় আছে আমার জানা নেই পৃথিবীর আরে কোনো দেশে এতো অল্প জায়গায় এতো এতো বিশ্ববিদ্যালয় আছে কি না?

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞাপন ছিলো তাতে ঠিকানা পুরোটা দিয়ে লেখা ছিলো অমুক ড্রাই ক্লিনারস এন্ড লন্ড্রি’র পূর্ব
পাশের বিল্ডিং। ঢাকায় কেনো এত্তো এত্তো মানুষ তার কিছুটা বোঝাতে চেয়েছি।

ঢাহা শহ্হর আইস্যা আমার আশা ফুরাইছে জাতিয় পুরুষ মহিলা ভরপুর ঢাকা। তাদের আনন্দ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুলু-লু-লু করে ছবি আপলোড চলে।

***আপনার লেখা পুরোপুরি গভেষণা নির্ভর, আমি প্রিয়তে নিয়ে রেখেছি কোনো সেমিনারে আপনার লেখা পড়বো এবং অবস্যই আপনার নাম উল্যেখ সহ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে। ভালো থাকুন।।

১৮ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

রাকু হাসান বলেছেন:


ব্লগের দুঃসময়ে যে কয়জন ব্লগারকে মিস করেছি তাঁদের মধ্যে অন্যতম ।

সমস্যা হচ্ছে গত বিশ বছর যাবত সারা দেশে নিরব আন্দোলোন হচ্ছে “চলো চলো ঢাকা চলো” সমগ্র দেশের মানুষ ঢাকা চলে আসছে হু হু করে।-ি-------ঢাকা চলো আন্দোলন টা অঘোষিতভাবেই শুরু হয়েছে । সম্পূর্ণ একমত আপনার সাথে । আমাদের দুর্ভাগ্য যে সরকারের নীতি নির্ধারকরা ভাবাতে পারেনি ,ঢাকার বিকল্প হিসাবে ।

ঢাকা অলিতে গলিতে ফার্মেসী, অলিতে গলিতে সুপার শপ, অলিতে গলিতে সেলুন পার্লার, অলিতে গলিতে হাউজিং ডেভেলপার, নার্সারী আর ইংলিশ মিডিয়াম (আই এ্যাম জিপিএ ফাইভ) অলিতে গলিতে হাসপাতাল ডায়গনষ্টিক সেন্টার আর বিশ্ববিদ্যালয়।
----------হ্যাঁ এভাবেই ছেয়ে গেছে ঢাকা । যেন কোনো নিয়ম নেই ,আইন নেই । ফাঁদ পেতে বসো ,আর লুফে নাও মুনাফাা ।
হ্যাঁ,প্রয়োজনের জন্যই তৈরি হয়েছে । তবে কতটুকু নিরাপদ তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন আছে । যা আপনার মন্তব্যে লক্ষ্য করলাম ।
আপনি যে উদাহারণটা টানলেন এমন বিজ্ঞাপনের অভাব নেই । প্রতিষ্ঠান গুলো এমন চিপা,চাপায় হচ্ছে এভাবে ঠিকানা উল্লেখ করার বিকল্প পাচ্ছে না । পৃথিবীর এত অল্প জায়গা জুড়ে এত স্কুল ,প্রতিষ্ঠান আছে কিনা সেটা আমারও জানা নেই ।
মৎস্য অধিদপ্তরের কথায় ধরুন ,এই প্রতিষ্ঠান কেন ঢাকাতে হবে ,হতে পারতো না বরিশাল,ভোলা বা অন্য কোনো জায়গাতে ?
কেউ নিছক যুক্তি দেখাতেই সকর দিকের সুবিধা বিবেচনায় ঢাকাতেই করা হয়েছে । যখন বিপর্যয় হবে তখন আমরা এক সাথে বাংলাদেশের প্রায় শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানেগুলোর অবস্থা কি হবে । এক সাথে এত ধকল সহ্য করার ক্ষমতা কোনো নগরী রাখে ?
মোট কথা,পরিকল্পনা করার মতো আমাদের সময় ছিল না । বলা যেেতে পারে পরাধীন থাকার কারণে এটা হয়ে উঠেনি । বর্তমানের হিসাবটা টানলেও দেখবেন পরিকল্পনার চেয়ে কু পরিকল্পনাই বেশি । সু পরিকল্পনার বালাই নেই । একদম হচ্ছে না যে তা কিন্তু নয় । তবে তা আশানুরুপ না একদম ।


*আপনার লেখা পুরোপুরি গভেষণা নির্ভর, আমি প্রিয়তে নিয়ে রেখেছি কোনো সেমিনারে আপনার লেখা পড়বো এবং অবস্যই আপনার নাম উল্যেখ সহ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে। ভালো থাকুন।। ---আপনি আমাকে সম্মান দিয়েছেন । এতে করে আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও বৃদ্ধি পেল। এভাবেই পাশে রাখবেন । সেই কামনাক করি । ফিরে এসেছেন স্বরুপে । থাকুন আমাদের সাথেই । শুভকামনা ও শ্রদ্ধা থাকলো।

৩৬| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৫

জুন বলেছেন: রাকু হাসান আগুন আর বিদ্যুতের সাথে নতুন করে যোগ হবে আজকাল বিল্ডিং এর বাইরে যে কাচ লাগানোর যে হিড়িক পরেছে সেই ভাঙ্গা কাচের ছিটকে আসা টুকরা ।
সুনামী প্লাবিত জাপানের সেন্ডাই ঘুরে আসার উপর একটি ছোট্ট লেখা ও ছবি দেখুন ।
সেন্ডাই, ধ্বংসস্তুপ থেকে উঠে আসা জাপানী শহর -- আমার ছেলের চোখে

২৩ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:২৮

রাকু হাসান বলেছেন:

পড়ছিলাম সেই পোস্ট । ভালো ,খারাপ দুইটাই লাগছে । কাচের টুকরার বিষয়টা আমার মাথায় আসছিলো না । আপনি উল্লেখ করলেন । মানে আরেকটি মৃত্যু ফাঁদ আবিষ্কার করলেন । প্রভু রক্ষা করো আমাদের । শুভেচ্ছা নিয়েন ;)
বাংলাদেশ সেমিতে খেলে ব্লগে মিষ্টির বন্যা বয়ে দিমু :P ,দোয়া চাই

৩৭| ২৩ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৯

আরোগ্য বলেছেন: প্রিয় রাকু ভাই,
আপনাকে একটু বিরক্ত করতে এলাম। একটা বিষয়েে সাহায্য করতে হবে।

এই পোস্টে আপনি সরাসরি একটা ইউটিউব ভিডিও দিয়েছেন। আমি এরকম বহুবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। মোবাইল ল্যাপটপ সব দিয়ে দেখেছি। যেভাবে নিয়ম সেই ভাবেই দিয়েছি কিন্তু শুধু কালো স্ক্রিন দেখা যায়। পরে না পেরে লিংক দিয়ে দেই। আপনি কিভাবে দিলেন একটু জানালে হয়তো সফল হবো। ধন্যবাদ ভাই।


সালাম জানবেন। শুধু খেলা নিয়ে ব্যস্ত হলে হবে না। তবে সেদিনের ম্যাচে আমি সন্তুষ্ট। তামিম যদি বল নষ্ট না করতো তাহলে হয়তো জিতেও যেতে পারতাম। দেখা যাক কি হয়।

২৩ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

রাকু হাসান বলেছেন:


আরে! কি বললেন ! বিরক্ত! এটা মেনে নিতে পারলাম না েএকদম আমি । সত্যিই । :( ভাই ভাইয়ের কাছে আসবে ,আমি আপনার কাছে যাব এটাই স্বাভাবিক । আরোগ্য ভাই এখানে বিরক্ত হওয়ার কিছু নেই রে। 8-|
নিচে লাল দাগকৃত স্থানে ক্লিক করুন । তারপর দুটি অপশন আসবে । একটি আপনি যে ভিডিও শেয়ার করবেন সেই ভিডিও'র লিংক ,অপরটি শিরোনাম । আপনি দেখলেই বুঝবেন । যতটুকু জানি সরাসরি ভিডিও শেয়ার শুধু ইউটিউভ থেকেই করতে পারবেন । আমি এভাবেই করেছি ভাই । চেষ্টা করুন । না,হলে প্রয়োজনে আবার বলুন ।


খেলায় আসলে বেশি আসক্ত হয়ে পড়ছি ভাই। খেলা দেখা নিয়ে বিস্তর পরিকল্পনা থাকে । দোয়া রাখবেন । হুম খেলার পাশাপশি অন্য কাজও করতে হবেই । সালামও নিবেন । আপনার সালাম গ্রহণ করলাম । ভালো থাকুন ,আরোগ্যই থাকুন । আমিও যেন আরোগ্য থাকি সেই দোয়া প্রার্থী । শুভরাত্রি ।

৩৮| ১৭ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৩:৪৭

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ঢাকা নগরীর মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। দীর্ঘ কিন্তু সময়োপযোগী পোস্টে সবকিছু খুব চমৎকারভাবে বর্ণনা দিয়েছেন। আপনার পরবর্তী পোস্টের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

১৯ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

রাকু হাসান বলেছেন:

শ্রদ্ধেয় অর্থনীতিবিদ ভাই। আপনাকে সু স্বাগতম । ব্লগে না থাকার কারণে আপনার উপস্থিতি আমি মিস করেছিলাম । প্রশংসা করার জন্য ধন্যবাদ নিবেন । ইদানীং খুব কম লিখতে পারছি, লেখার ইচ্ছা থাকলে পারছি না । আশা করছি দ্রুত নতুন পোস্ট করতে পারবো । ভালো থাকুন সব সময় আপনি । দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেন আমার ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.