| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাসেল আমার নাম
নিজের সম্বন্ধে আর কি বলব??? বললে বলবেন যে নিজের ঢোল নিজে পিটাই। তাই আর কিছহু বললাম না
একটি উচ্ছ্বল তরুণী যখন অনেক সাজুগুজু করে একটা ছেলের হাত ধরে রাস্তায় উড়ে উড়ে চলে -- তখন তাকে দেখলে কে কী মনে করেন জানিনা, আমার মনে হত অন্যকিছু। এই মেয়েটা অনেক প্রস্তুতি নিয়েই রাস্তায় বের হয়েছে, সাজুগুজু মেয়েরা অনেক সময় নিয়ে চিন্তা করে। কালার ম্যাচিং, ফিটিং এটা ওটা। এরপর রাতের বেলা একটা ছেলের হাত ধরে পার্কে হাঁটা। হয়ত বাবা-মা তখন ভাবছেন -- মেয়েটা ঢাকায় পড়াশোনা করছে। অন্তত তারা অনেক বড়ো কিছু স্বপ্ন নিয়েই তাদের পাঠান শহরে। ঢাকার মধ্যবিত্ত মেয়েরা রাত ঘরে পথে ঘুরেনা সচরাচর। পরিবারগুলো একদমই বিকিয়ে যায়নি।
বিকিয়েছে সংস্কৃতি। প্রতিটি ঘরেই স্যাটেলাইন কানেকশন। হিন্দি নায়িকারা বিকিনি, টপস পড়ে নিজেদের শরীরের বিভঙ্গকে পুরোপুরি তুলে দেয় ক্যামেরার কাছে। সারাদিন সিরিয়ালে দেখা যায় সুন্দরী প্রদর্শনক্ষম মেয়েদের মূল্য, আকর্ষন। 'সিক্সপ্যাক' শব্দটা আগে শোনা যেতনা -- এখন ছেলেরা প্যাক অর্জনের যন্ত্রণায় অস্থির থাকে। যতই জ্ঞানীগুণী আর হুজুরের পরিবার হোক, এখনকার কিশোর-কিশোরীরা এগুলো অবশ্যই অবশ্যই জানে --এগুলোই তাদের চারপাশ। তাদের এফএম রেডিও সারাদিনই প্রেমের গানে, প্রেমের আলাপে, লাভগুরুতে ভরপুর থাকে। ফ্রেন্ডসদের আড্ডাবাজির এসএমএস পড়ে শোনায়। যাদের কোন মেয়ে/ছেলে নাই "আড্ডা" মারার, "গল্প" করার, "পিকনিক" করার, "ফোনে কথা" বলার -- তারা নিজেদের অসহায় ভাবতে বাধ্য হয়। পারিবারিক জ্ঞান বাবা-মা দিয়ে রাখলে সেক্ষেত্রেও তাদের যুদ্ধ হয় কঠিন যুদ্ধ। প্রতিদিন, অনেকবার। বয়ষ্করা এসব জানেনা, বুঝতেও পারবে না ভিতরে এসব কালচার কীভাবে কাজ করে, আমরাই পারিনা ঠিকমতন! মাত্র ১০বছর আগে অমন ছিলাম তাই অনেক ব্যাকডেটেড আছি!!
একটা ছেলে তার বন্ধুদের মাঝে গিয়ে শুধু গার্লফ্রেন্ডের আলাপ শুনে -- তার কাছে মনে হতে থাকে, আমারো হয়ত থাকা উচিত ছিল। তার সামনে অকূল পাথার, নৈতিকতার সাথে যুদ্ধ। ক'দিন? শরীর আর মনের এই অমোঘ চাওয়ার সাথে ক'দিন যুদ্ধ? ১৬-১৭ তে পরিপূর্ণ বড় হয়ে যাওয়া ছেলেটি সামনে ১০ বছরের বেশি সময়ের নিরাশার দেখা খুজে পায়। বিয়ে হয় এখন ৩০ বছরে। আগে তাদেরই কেবল বিয়ে হয় -- যাদের সম্পদ বেশি। এবং তারা প্রেম করে ধনী মা-বাবার ঘাড়ে উঠেই খরচা করে বিয়ে করে। তাহলে? ১৫ বছর এই ছেলেটা প্রতিটি দিন, প্রতিবেলা যুদ্ধ করে যাবে? আর বাবা-মা কখনই তাদের হয়ে ভাবেন না। আর সম্ভাবনার সীমানা দেখতে না পাওয়ায় তাদের "স্বাভাবিকভাবেই" হতাশা আগলে ধরে।
অনেক সুশীল ইতর লোক আছে -- এমন আলোচনায় এসে টাকা ইনকামের প্রয়োজনীয়তার গল্প ফাঁদবেন। টাকা দিয়ে বিয়ে হয়না, চলার পথেও টাকার ব্যাপার যা -- তার চাইতে অনেক বেশি স্বভাব আর চরিত্র। চরিত্রহীন সন্তান বা স্বামীর টাকা দিয়ে কারো কিছুই আসে যায় না। অথচ, এই টাকার দেখা, উপার্জনক্ষমতা তখন আপনার কাছে মূল্যহীন হবে, যখন আপনার সন্তান অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে বাসায় ফিরবে। হয়ত তাকে এই শহরের চিপায় চাপায় দেখা যাবে আর ক'দিন পরেই। তখন উপার্জন ধুয়ে পানি খেতে হবে এইসব বেকুব অভিভাবকদের।
পূর্বের প্রজন্মের পাপ, অলসতা, বুদ্ধিবৃত্তিক অসারতার খেসারত আমাদের নোংরা সংস্কৃতি। সেই অভিভাবকরা আবার সংস্কৃতির উত্তাপের কড়াইতে পরের প্রজন্মকে ভেজে ভেজে লবণ ছিটিয়ে দেন তাদের কথার বুলিতে। অভিভাবকরা তো তাদের উপযুক্ত শিক্ষা পাবেই -- তারা কোনদিনই শান্তি পাবেন না অন্তরে -- এইটা আমি হলফ করে বলতে পারি। বেকুবদের শান্তি পাবার অধিকার নেই।
একটা ছেলে ভার্সিটি লাইফে ক্লাস করে ফিরে পরের দিন ল্যাব/কুইজ না থাকলে কি করে বাসায়/হলে? তার আশেপাশের সবই তার পশুত্বকে জাগিয়ে তোলার জিনিসপত্র। টিভি চ্যানেল, মুভি, নাটক, গান, পত্রিকা, টেলিভিশনের অ্যাড -- সে যদি শুধুই যুদ্ধ করে। ঘরে শিক্ষা না থাকলে ফোনে মেয়েদের কাছে পৌছাতে চায়। রোমান্স আজকাল পথে ঘাটেই থাকে। ভ্যাসলিনের কোমলতা বুঝাইতে টপস পরা মেয়েদের বিলবোর্ডে দেখা যায়। নারীর উন্মুক্ত বগল প্রদর্শনী থাকে ডিওডোরেন্টের অ্যাডে -- ধানমন্ডীর মূল রাস্তায়। বছরের পর বছর 'ভালোবাসার টানে, পাশে আনে' -- বিলবোর্ডে ছেলের বুকে একটা মেয়ে মাথা রেখে হেলান দিয়ে থাকে বিশাল মাঠের ঘাসে। আর এসব থেকে বছরের পর পছর একটা ছেলে যুদ্ধ করতে থাকবে -- তাকে অভিভাবকরা সন্নাসী মনে করে, নাকি নপুংসক মনে করে -- কে জানে? নীতিকথায় শরীর ভিজে? ক'দিন থিওরি বুঝিয়ে সামলাবেন এইসব?
যেই সমাজে বিয়ে কঠিন হয়, সেই সমাজে ব্যভিচার সস্তা হয়ে যায়।
আমার এই লেখা কেউ পড়ুক না পড়ুক। আমি জানি এই ভয়াবহতা কত বেশি। একটা মানুষ কল্পনাও করতে পারবে না এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের হাল। যারা সংকীর্ণমনা নির্বোধ ইতর, তারাই কেবল এই কথার প্রতিবাদ করবে -- চিন্তিত না হয়ে। কেননা, আপনি/আপনার সন্তান হয়ত সাময়িকভাবে মুক্ত (আমি বিশ্বাস করিনা, কেননা পদস্খলনে কয়েক মূহুর্ত লাগে), কিন্তু তারা যাদের সাথে চলে -- অথবা এই সমাজেরই আরো অনেক ছেলেমেয়ে সম্পূর্ণ অন্যরকম হয়ে চলেছে। নীতির কথা তাদের কাছে হাস্যকর। তারা আপনাদের ভেজে খাবে। আপনাদের চিন্তার অসারতার কারণেই তা হবে, হবেই। আমি হলফ করে বলতে পারি।
একটা ছেলে পাশ করে চাকরি করলেও হয়না। তাকে অনেএএএক টাকা ইনকাম করতে হবে। এই ছেলের সম্ভাব্য বউ ততদিনে কলেজ ভার্সিটিতে ডজনখানেক রোমিওর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে বসে থাকে। এরপর ৩০বছর, ৩২ বছরে সবাই ছেলেটিকে বিয়ে দিতে অস্থির হবে -- তখন তার চরিত্র কেমন আছে কে জানে, মেয়েটারটাও কে জানে। বিয়ের পবিত্র আবেগ বহু আগেই তাদের হারিয়ে ক্ষয়ে যায় -- তা যে কেউ বুঝে। শারীরিক-মানসিক এই চাওয়া পূরণে তারা যে আগেই কোথাও সাময়িক ঢুঁ মারেনি তাইবা কে জানে?
মুর্খ অভিভাবকদের চোখে পড়েনা এখনকার ডিভোর্স রেট? চোখে পড়েনা সবখানে অশ্লীলতা দেখে? তার সন্তানটি কী ভাবছে মনে করেন তারা? বিয়ের বয়সটা ছাত্র জীবনে রাখলে কী সমস্যা হবে? দায়িত্ববোধ যার কখনই ছিলনা, তার কখনই হবেনা। ছেলের ও মেয়ের বাবা মা আরো কিছুদিন (বিয়ের পরেও) ভরণপোষনের দায়িত্ব নিলে কি সমস্যা? তাদের কি সন্তানের চরিত্রের চাইতে লোকে কি বলবে --সেটাই বড় বিষয়? এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা অনেক অল্পতেই শারীরিক ব্যাপারগুলো ভালো করে বুঝে ফেলে। দায়িত্ববোধের শিক্ষা দিয়ে সপাত্রে/সপাত্রীতে হস্তান্তর করে দিতে না পারলে ভুক্তভোগী পরিবারের হর্তাকর্তারাই হবে -- হচ্ছে হরদম।
অথচ এসব ভাবার কেউ যেন নাই। একদিন পারিবারিক বন্ধনগুলো সব ধ্বংস হবে -- তখন হয়ত টের পাবে। প্রতিটি পরিবারের অবস্থা সঙ্গীন। প্রতিটি ছেলেমেয়েরই নৈতিক অবস্থা ভয়াবহ। এখানে এগিয়ে আসার কেউ নাই। আফসোস। সজ্ঞানে বিগত ৫-৭ বছর ধরে এসব দেখতে দেখতে আজকে প্রথম লেখলাম। না লিখে পারলামনা। এই চিন্তাগুলা প্রতিদিনই আমাকে আতঙ্কগ্রস্ত করে।
যারা সবকিছুকে এড়িয়ে চলতে পারে -- তারা এই লেখাকেও এড়াবে। আমি এই চিন্তাগুলোর বাস্তবতা খুব ভালো করে দেখছি। শত শত সমসাময়িক ছেলেমেয়েকে উদাহরণ হিসেবে জানি। হাজারখানেক ছেলেমেয়ের সার্কেলের ও কালচারাল ট্রেণ্ড জানি। অভিভাবকরা পদক্ষেপ না নিলে একটা ধ্বংস অবধারিত। যেহেতু সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে ঠেকানোর উপায় নেই -- পরিবারকে ঠেক দেয়াই এখনকার প্রথম কর্তব্য হওয়া উচিত। তাই বলছি, বিপদে যাবার আগে, সমাজকে ধ্বংস হতে দেবার আগে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে, নৈতিক শিক্ষা বলীয়ান করে সন্তানদের বিয়েকে এগিয়ে নিয়ে আসুন। ৩০-৩২ বয়েসে ছেলেদের, ২৫-৩০ বয়সে মেয়েদের বিয়ে না নিয়ে তাকে যথাক্রমে ২২-২৫ এবং ১৮-২২ বছরে নামিয়ে আনলে সামগ্রিক ক্ষতি নেই। অন্যথা? সাধু সাবধান!!
২|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৪৭
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: সামর্থ্য থাকলে সঠিক বয়সে বিয়ে করা উচিত। সঠিক বয়সে বিয়ে জীবনকে মধুর করে তোলে।
৩|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৫
আজিজ বাংলাদেশী বলেছেন: শামীম ভাই ঠিক কথা বলেছেন কিন্তু বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করলে এই সিন্ধান্তে আসা যায় না।
৪|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৫
রাফা বলেছেন: তারপর, বিয়ের পরের জিবনটা কি ঠিক থাকবে?এটা কোন সমাধান মনে করিনা।
৫|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১২
শরতের আকাশ বলেছেন: আফসোস আমার বাবা মা ব্লগ পরে না । ব্লগ পরলে আপনার লেখাটা পরতে পারত ।
৬|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩৪
বাবা কুতুবুদ্দিন বাঙালি বলেছেন: বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত। তবে লেখাটির মুল বক্তব্যগুলো আরেকটু গুছিয়ে সংক্ষেপে এডিট করে প্রকাশ করলে সবার বুঝতে আরো সুবিধা হতো।
৭|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৭
ভিটামিন এ বলেছেন: 
৮|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৯
ভিটামিন এ বলেছেন: সরি
আগের কমেন্টটা মুছে দেবেন। 
৯|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৫৪
লালমিয়াভাই বলেছেন: চমৎকার লেখা দিয়েছেন। আমার বয়স ৩০ শেষ হচ্ছে, বাবা নেই, বড় ভাই নেই। ৫ জনের সংসারে আমার একার রোজগার, তাও বেশি না প্রায় ২৫ এর মত। কিন্তু গত দেড় বছর ধরে মাকে বিভিন্নভাবে আকারে ইঙ্গিতে বোঝাতে চেষ্টা করলাম যে বিয়ে করা দরকার। মা কিছুই বলেন না, শেষে মাস তিনেক আগে সরাসরি বললাম এবং একটা মেয়ের ছবি দেখালাম, মা বললেন বিসিএস এর রিটেন টেস্ট এর পর দেখবেন, কিন্তু ততদিনে আমার ছোটবোন মাস্টার্স শেষ করেছে, এবার বলেন ওর বিয়ে দিয়ে আমাকে বিয়ে করাবেন, আর আমার ভালো কোন জব না হলে সংসার চলবে কিভাবে!
মনটা খুব খারাপ হলো। বলে দিলাম আগামী ৬ মাসের মধ্যে বিয়ে না করতে পারলে আমি এজীবনে আর বিয়ে করবো না। এতে কিছুটা কাজ হল, এখন মেয়ে দেখা শুরু করেছে।
আর আপনার লেখা পড়ে বলছি, আসলেই নিজেকে ভালো রাখা খুব কঠিন। এখনকার সময়ে নপুংসক না হলে তেমন কেউই ভালো থাকতে পারবেনা।
আর হ্যাঁ আমিও ভালো না আর আমি ও যে ভালো বৌ পাবো সে আশা ও আমি করিনা।
অনেক ধন্যবাদ।
১০|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০৩
নেংটি ইদুর বলেছেন: পেলাচ।
প্রিয়তে রাখলাম। যদি কুনোদিন বাপ-মা আমার ব্লগ চেক করতে গিয়ে এই পোস্ট দেখে
বিয়া করতে মঞ্চায়
১১|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১০
এেলক্সান বলেছেন: ভালোই লিখেছেন
১২|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৯
এ যুগের শ্রীকান্ত বলেছেন: হক কথা বলছেন ভাই।
১৩|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৬
শফীক রহমান বলেছেন: ভাল লাগল।
১৪|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪২
জেট টু এ বলেছেন: ঠিক বলেছেন ।
১৫|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৭
রবি কিরণ বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
১৬|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৫
লজিক মানুষ বলেছেন: আপনার সাথে আমি পুরাই সমমত। লেখাটা অসাধারন হয়েছে। পারলে আমার বাপ কে ডেকে পড়াতাম। সেই কবে থেকে বলছি, কাজ হচ্ছে না। শেষমেশ মনে হচ্ছে আমাকেও হটেলমুখি হতেহবে অথবা পরকিয়া করতে হবে।
১৭|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৮
২০১৩ বলেছেন: বিয়া কইরা কি লাভ। জিবন চললেই হল।
আসলে বিয়ে ছাড়া জিবন চলেনা যৌবন চলে যায়, কিন্তু বুড়ো কাল এ কে দেখবে? আসলে ইসলামী জিবন ই বেস্ট ।
মনে রাখা দরকার যৌবন ই শেষ নয়।
১৮|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০১
ইয়াংিক বলেছেন: right
১৯|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৪৯
মূসা আলকাজেম বলেছেন: চমৎকারভাবে আমার মনের কথাগুলো লিখে গেলেন।
আমার একটি পোষ্টের আপনার এই পোষ্টের সাথে কিছু মিল আছে, পড়ে দেখার অনুরোধ রইলো।
খালি নারী অধিকার লইয়্যা চেচাচেচি কইরা তো নারীদের বারোটা বাজাচ্ছেন। তাদের স্বামীদেরকে পরকীয়ায় জড়িয়ে যেতে বাধ্য করে, তাদের সংসার ভাঙ্গছেন, তাদেরকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছেন, স্বামী স্ত্রীকে খুনাখুনির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। আর কত মেয়ের সংসার ভাঙতে চান আপনারা। অবুঝ আবেগকে এবার থামান, সমাধানে আসেন। ভালো মন্দের মাপকাঠিতে হুমায়ূন আহমেদের ২য় বিবাহ - পর্ব ৩
২০|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৫৬
wrongbaaz বলেছেন: +++++
২১|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৭
রাজকুট বলেছেন: লেখা ভালো লেগেছে ।
২২|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:০৯
অপরিচিত অতিথি বলেছেন: লেখাটা খুব ভাল লেগেছে।
২৩|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:৪৮
আহমেদ আলিফ বলেছেন:
ছেলের ও মেয়ের বাবা মা আরো কিছুদিন (বিয়ের পরেও) ভরণপোষনের দায়িত্ব নিলে কি সমস্যা?
চমৎকার লিখেছেন ভাই !
আমার ছেলেকে এই কষ্ট থেকে মুক্তি দেবো ইনশাআল্লাহ !
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৪০
নষ্টালজিয়া বলেছেন: ভয়াবহ অবস্থা!!!