![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বাঙ্গলাদেশে সেন শাসনের স্থায়ীত্বকাল ছিলো ১০৭০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১২৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ১৫০ বছর। এই সময়ে সেন সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি সারা বাঙ্গলা জুড়ে ঘটেনি। সেন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও,, গৌড় ও বিহারে পাল সাম্রাজ্য টিকে ছিলো ৯০ বছরের অধিককাল। ময়নামতি ও বিক্রমপুরেও বৌদ্ধধর্মের অনুসারী রাজশক্তি তখনও টিকে ছিলো। কাজেই পাল সাম্রাজ্যের পতন থেকে ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে বাঙ্গলায় মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত হিন্দু ধর্মের বিস্তৃতির সময়কাল ছিলো নাতিদীর্ঘ। এ সময়ে বাঙ্গলার হিন্দু ধর্মের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো গীতগোবিন্দম নামক সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা যা আজকের বৈষ্ণব ধর্মের আকর গ্রন্থ। সে জন্য দেখা যায় যে, সারা বাঙ্গলায় সেন শাসনামল পর্যন্ত মন্দির স্থাপনের দৃষ্টান্ত কম। দিল্লীর মুসলমান শাসকগণের মতো বাঙ্গলার মুসলমান শাসকগণ হিন্দু ধর্মের প্রতি বৈরী ছিলেন না, যে কারণে বাঙ্গলার মুসলমান শাসন আমলে হিন্দু ধর্মের বিস্তৃতি ও মন্দির স্থাপনের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ-পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। সেই অনুকূল পরিবেশের সুযোগে বাঙ্গলার অনার্য সমাজ হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়। বাঙ্গলায় মুসলমান শাসন চালু থাকাকালে, কোচবিহারে এই ধর্ম রাষ্ট্র ধর্ম হিসাবে চালু করা হয়। সেজন্য বাঙ্গলাদেশের অধিকাংশ হিন্দু মন্দির মুসলমান শাসনামলের প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:২৬
রেজাউল করিম ফকির বলেছেন: এ যুগে আইএস আর তালেবান যেমন ইসলাম ধর্মের প্রতীক, আরএসএস ও শিবসেনা হলো হিন্দু ধর্মের প্রতীক। তাইতো এখন শ্রীরাম দ্বারা শ্রীচৈতন্যে প্রতিস্থাপিত হচ্ছে।
২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৮:৪৭
পাভেল করচাগিন বলেছেন: ভাল লাগলো।
এবিষয়ে আরও লিখুন প্লিজ।
৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৯:৫৪
আহলান বলেছেন: মক্কা শরীফ বিজয় এর ইতিহাস !
৪| ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ২:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: ভেরি গুড।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৩৬
কামাল১৮ বলেছেন: হিন্দুদের উচিত আইএস তালেবানদের ডেকে এনে শাসনভার দেয়া।শুখে শান্তিতে থাকতে পারবে।