নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ডক্টর এ.বি.এম. রেজাউল করিম ফকির, অধ্যাপক, জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগআধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় e-mail: [email protected]

রেজাউল করিম ফকির

অধ্যাপক, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

রেজাউল করিম ফকির › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের মূল প্রেরণা ও শক্তি

০৮ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:১৯



বাংলাদেশের অনেকগুলো ইসলাম ধর্ম পন্থী রাজনৈতিক দল রয়েছে। এসব দলের অনেকগুলো নির্বাচন বা বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র বা শ'রীয়া শাসন কায়েম করতে সচেষ্ট। এসব দলের রয়েছে নিজস্ব রাজনৈতিক ইশতেহার। কিন্তু এসব দল আবার পরস্পর আদর্শিক দ্বন্দ্বে লিপ্ত। এসব দলের মধ্যে কোনো কোনোটি সশস্ত্র বিপ্লব সংঘটনে আগ্রহী। এসব দলের মূল রাজনৈতিক প্রেরণা ও শক্তি হলো জিহাদ। এ দলগুলো মনে করে জিহাদের মাধ্যমে শহীদ ফরমাইলে, ইহলোক ত্যাগ করে সরাসরি জান্নাতে প্রবেশ করা যায়। অপরপক্ষে, স্বাভাবিক মৃত্যু হলে ঈমানদার বান্দা হওয়া সত্ত্বেও কিয়ামত সংঘটন ও হাশর অনুষ্ঠান ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করা যাবে না। সে বিবেচনায় একজন নেককার মুমিন ও আল্লাহওয়ালা বান্দাকে বেহশত প্রাপ্তি পর্যন্ত কোটি কোটি বছর বারযাখে অবস্থান করতে হয়। কিন্তু একজন শহীদকে বারযাখের অন্তবর্তীকালীন রূহানী জীবনে অবস্থান করতে হয় না। তাই জিহাদে শহীদগণ কোনো প্রকার বিলম্ব ব্যতীত সরাসরি জান্নাতের অনন্ত সুখ লাভ করে। শহীদের এই মর্যাদা ইসলামী আন্দোলনে ব্যপৃত যুবক যুবতীর কাছে এক অনন্য প্রেরণা। সেজন্য ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব মনে করেন যে,
ইসলামী দলগুলোর আন্দোলন আপাত দৃষ্টিতে দুর্বল মনে হলেও, ইসলামী বিপ্লব শুরু হলে লক্ষ লক্ষ তৌহিদী যুবক যুবতী জিহাদের জন্য প্রস্তুত হবে। তখন দুর্বল ইসলামী দলগুলো আর দুর্বল থাকবে না। তখন বিপ্লবী ইসলামী দলগুলো ক্ষু্দ্র থেকে বৃহৎ এবং বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হিসাবে কলেবরে বৃদ্ধি হতে থাকবে।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৪১

নতুন বলেছেন: তাই জিহাদে শহীদগণ কোনো প্রকার বিলম্ব ব্যতীত সরাসরি জান্নাতের অনন্ত সুখ লাভ করে। শহীদের এই মর্যাদা ইসলামী আন্দোলনে ব্যপৃত যুবক যুবতীর কাছে এক অনন্য প্রেরণা। সেজন্য ইসলামী দলগুলোর আন্দোলন আপাত দৃষ্টিতে দুর্বল মনে হলেও, ইসলামী বিপ্লব শুরু হলে লক্ষ লক্ষ তৌহিদী যুবক যুবতী জিহাদের জন্য প্রস্তুত হবে। তখন দুর্বল ইসলামী দলগুলো আর দুর্বল থাকবে না।

বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ কার সাথে জিহাদ করবে? শহীদ হবে?

রাসুল সা: কি তার উম্মতকে শহীদ হতে উতসাহিত করেছিলেন?

২| ০৮ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৫৬

জহিরুল সরকার বলেছেন: নতুন বলেছেন: বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ কার সাথে জিহাদ করবে?

তাই তো! সবাই তো মুসলমান। আর এক মুসলমান আর এক মুসলমানকে হত্যা করলে (রক্তের বদলা ব্যতীত) কোরআন বলছে সে জাহান্নামে চিরকাল থাকবে। যদি রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের ডাক দেন তবে না সেটা হবে জিহাদ।
আওয়ামীলীগ সরকার মানুষকে জিহাদের ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা দিতে তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয় নি। তারা বিষয়টাকে লুকোতে চায়। আমি মনে করি জিহাদকে তার সত্যরুপে এক্সপোজ করতে হবে। সরাসরি ক্লাস এইট নাইনে র টেক্সট বই এ জিহাদের নীতিমালা গুলো অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। কিন্তু কে নেবে পদক্ষেপ?

৩| ০৮ ই জুলাই, ২০২১ রাত ৯:২৮

কামাল১৮ বলেছেন: এটা হলো সোনার পাথর বাটি।পৃথিবীর কোথাও নাই ইসলামিক শরীয়া শাসন সেটা কায়েম করতে হবে বাংলা দেশে।অলিক স্বপ্ন দেখাচ্ছে মূর্খ মানুষদের,তারা উদ্বুদ্ধ হয়ে রগ কেটে বেড়ায়।শরীয়া আইনের নামে পাকিস্তানে,আফগানে,ইয়েমেনে ইরাকে ,সিরিয়ায় যে হাজার হাজার লোক কে প্রতিনিয়ত মারা হয়,তারা সবাই মুসলমান।কাউকে মারছে শিয়া বলে,কাউকে মারছে অন্য মতালম্বি বলে।এক মরন খেলায় মেতে উঠছে তারা অলিক শহীদের আশায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.