| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইমু আনোয়ার
ধুলোমাখা পথে হাঁটতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া বালকের গুনগুন সুরে বিমোহিত বোহেমিয়ান......
The Fountain (2006) : মরিতে চাহিনা আমি এ সুন্দর ভুবনে ।
১৯৯৯ এ অ্যান্ডি ও ল্যারি ওয়াচোস্কির বানানো সাইমুলটেনাস রিয়েলিটির মাথা আউলানো এক মুভি The Matrix দেখেছিলেন ড্যারেন অ্যারোনফস্কি । ঐ মুভি দেখেই তার মাথায় ঢোকে দ্য ফাউন্টেন এর আইডিয়া । বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর ক্ষেত্রটাকে লাগামছাড়া করে দিয়ে এর পেছনে ছোটার প্ল্যান করেছিলেন অ্যারোনফস্কি । মহাজাগতিক ক্ষমতা দখলের যুদ্ধের পরিবর্তে প্রেম-ভালবাসাকেই সবকিছুর সামনে এনে দেখানোর দুঃসাহসিক চেষ্টা । যা একপাশ থেকে নীরবে কিছুটা সময় বলে গেছে " এই রক্তমাংসের অবয়বে অনন্তকাল বেঁচে থাকতে চাই, সখা তোমার বাহুডোরে । "
"পাগলামি আর অন্তর্দ্বন্দের সৌন্দর্য্য খুঁজতে হলে অ্যারোনফস্কি বা কুবরিকের কাছেই যেতে হবে ।" শূণ্য আরণ্যকদার এই মন্তব্যটা ভীষণ সফিসটিকেটেড লেগেছিল আমার কাছে । পাগলামিই বটে, অ্যারোনফস্কির পাই, রিকুয়েম ফর আ ড্রিম, রেসলার, ব্ল্যাক সোয়ান দেখা হলেও দ্য ফাউন্টেন দেখতে পারছিলামনা বহুদিন ধরে । প্রথম ৩০-৩৫ মিনিট পরে আর দেখার ইচ্ছে হয়না । যেমনটা হয়েছিল পাই এর বেলায় । আমার পছন্দের একজন অ্যাক্টর হিউ জ্যাকম্যান এই মুভির কাস্ট তারপরও মুভিটা শেষ করার মত মনের ভেতর থেকে যথেষ্ট আগ্রহ আসেনি । ৯৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই সিনেমা অনেক ভুগিয়েছে এবং ভোগাচ্ছে আমাকে । কিন্তু পরিশেষে আংশিক তৃপ্তি আর অনেক প্রশ্ন নিয়েই শেষ করেছি মুভিটা ।
টম একজন নিউরোলজীস্ট । প্রাচীন আমেরিকায় অভিযান চালিয়ে পাওয়া 'ট্রি অভ লাইফ' এর উপাদান নিয়ে মস্তিষ্ক বিকৃতির প্রতিষেধক আবিষ্কারের গবেষণায় লিপ্ত । রাতদিন গবেষণায় মগ্ন হয়ে থাকার কারণ তার প্রিয়তমা স্ত্রী ইজির ব্রেন টিউমার । হাসপাতালে ভর্তি ইজি স্পেনের রাণী ইসাবেলা ও তার একজন কনকুইস্টেডর (বিজেতা যোদ্ধা) টমাসকে নিয়ে লিখে ফেলে এক গল্প যেখানে টমাস তার রাণীর নির্দেশে ছুটে চলেছে অমরত্ব লাভের পবিত্র বৃক্ষের সন্ধানে । গল্পের শেষ অধ্যায়ের পাতাগুলো ধবধবে সাদা । ইজি টমকে গল্পটা শেষ করতে অনুরোধ করে । আর টম প্রিয়তমার কথা রাখতে তার কল্পনা শক্তির মিশ্রণ ঘটিয়ে মৃতপ্রায় এক নক্ষত্রের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ধ্যানরত এক মহাকাশচারীর ভূমিকায় সমাপ্তি টানে তিনটি ভিন্ন সময়ের ।
রূপকথার অতীত, কংক্রিট বর্তমান ও কল্পনাকে ছাড়িয়ে যাওয়া ভবিষ্যত প্রতিটা প্লটে প্রায় পাঁচশ বছর করে ব্যবধান থাকা এই তিন সময়কালকে একসুতোয় বাঁধা চাট্টিখানি ব্যাপার নয় । অমর প্রেম আর ভালোবাসা দিয়েই কেবল সম্ভব এটা ।
যে দেখেছে পাতার পর পাতা লিখে ফেলতে পারবে সে এই মুভি নিয়ে । কারণ একজোড়া চোখই খালি এই মুভি দর্শনেন্দ্রিয়ে আঘাত করবেনা । সিক্সথ সেন্স চরমভাবে মোচড় খাবে সিনেমা শেষ করার পর । স্বয়ং অ্যারোনফস্কি দ্য ফাউন্টেনকে রুবিকস কিউবের সাথে তুলনা করেছেন । মানে রুবিকস কিউব অনেকভাবেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে (যদি) আপনি মেলাতে পারেন কিন্তু রেজাল্ট শেষে হবে একটাই ।
উপলব্ধি করার ক্ষমতার দিক দিয়ে দ্য ফাউন্টেনকে পানির পিপাসার সাথে তুলনা করা যায় । পানি খেলেন তো তৃষ্ণা মিটল । পিপাসা লাগলে পানির ঠান্ডা তরল স্বাদটা অনুভব করতে পানি খেতেই হবে । তাই পাগলামি আর অন্তর্দন্দ্বের এই মুভি একবার দেখেই এর ভেতরকার সবটুকু আত্মস্থ করা প্রায় অসম্ভব । " It's all done except the last chapter. I want you to help me. Finish it." নিজের মনের এই কথাগুলো অ্যারোনফস্কি ইজির মুখ দিয়ে বলিয়েছেন । মানে প্রত্যেক দর্শককেই এটা শেষ করার আহবান জানিয়েছেন পাগলা ডিরেক্টর ।
অ্যারোনফস্কি ইতিহাস, ধর্ম, বিজ্ঞান এবং ফ্যান্টাসির অপূর্ব মিশেল ঘটিয়েছেন দ্য ফাউন্টেনে । মানুষ অমর হতে চায় । প্রিয় মানুষটিকে পাশে নিয়ে বাঁচতে চায় শত শত বছর । কিন্তু মৃত্যু নামক শীতল জড় পদার্থ থেকে মুক্তি মেলেনা তাই ভালোবাসার সমাপ্তিও ঘটে ঐখানেই । ইজির লেখা গল্পে রাণী ইসাবেলা তার অনুগত সেনাপতি টমাসকে ফাউন্টেন অভ ইয়ুথ এর খোঁজে পাঠায় যাতে অ্যাডাম আর ঈভ এর মত দুজনে অনন্তকাল দুজনকে ভালবাসতে পারে । নিউরোলজীস্ট টম গবেষণায় বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াটাকে থামানোর চেষ্টায় থাকে যাতে এভারগ্রীণ এভারলাস্ট হওয়া যায় । কিন্তু স্পেস ট্রাভেলার এর কাছে এসে ধন্ধে পড়ে যাবেন দর্শক । তার লক্ষ্যও একটাই অমর হওয়া । কিন্তু সেই পথটা ব্যাতিক্রম । সে মরে অমর হতে চায় । কারণ মৃত্যুর পর জগতটার সীমা নেই, অনন্ত বিস্তৃতি সে জীবনের এমনটাই বিশ্বাস করে সে । সেখানেই পাবে তার আরাধ্য মনের মানুষকে তাই যত দ্রুত সম্ভব পৌঁছানোর জন্য রীতিমত সাধনা করে সে । এদিক থেকে Mortality বিষয়টার অপূর্ব একটা ব্যাখ্যাও এই দ্য ফাউন্টেন ।
দ্য ফাউন্টেন এমন একটা সিনেমা যার ব্যাখ্যা প্রতিটি মানুষ তার নিজস্ব দর্শন থেকে নিজের মত করে দিতে পারবেন । মুভির নামটা কেন "The Fountain" হল ? এই প্রশ্নের দুটো উত্তর আমি দিতে পারি । ইজির লেখা গল্পটার নাম ছিল দ্য ফাউন্টেন । আরেকটা আমার চিন্তা ধারা থেকে দিতে পারি সেটা হল, Fountain হল ঝর্ণা বা ফোয়ারা । মানুষের জীবন হল এই ঝর্ণা বা ফোয়ারার মত যেখানে একসময় পানি উপর থেকে নিচে নামে আবার নিচে থেকে উপরে ওঠে । এক কথায় সার্কেল অভ লাইফ ।
কথাবার্তা হয়ত আধ্যাত্মিক হয়ে যাচ্ছে । অস্বাভাবিক কিছু নয় । মুভিটাই আধ্যাত্মিক । খাঁটি ভালবাসা পাবার আকুলতায় অতৃপ্ত বোহেমিয়ান মনটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে বাধ্য এই মুভি দেখে । তবে দ্য ফাউন্টেন এর সবচেয়ে মূল ব্যাপার মনে হয় মৃত্যু এর যৌক্তিকতা বা অযৌক্তিকতা ।
এবার মুভিটার দিকে তাকানো যাক । লাইটিং এই মুভির অন্যতম একটি আকর্ষণীয় দিক । কালচে সোনালী আভায় মোড়ানো এই মুভির তিন চতুর্থাংশ । ব্যাটম্যান বিগিনসে অনেকটা এইরকম লাইটিংই দেখেছিলাম । একটা ডার্ক মুভির পারফেকশন অনেকটাই এনে দেয় এই সোডিয়াম লাইটের আলোর মত লাইটিং । যেখানে একটা জিনিসের সত্যিকার রং আপনার কাছে ধরা দিতে চাইবেনা ।
তিনটা প্লটের যোগসূত্র রাখতে ফ্ল্যাশব্যাক রয়েছে অনেক কিন্তু খুব একটা ছন্দোবদ্ধভাবে ওগুলো না দেখিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে উপস্থাপন করেছেন পরিচালক । একটা পাজল খেলার মত ব্যাপার যেন এই মুভিটা । যার যেমন বোঝার ইচ্ছা সে তেমন করে বুঝে নিক এই মুভিকে ।
ডিরেক্টরের প্রসঙ্গে একটা কথাই বলার আছে । দর্শককে নিয়ে খেলতে ভালোবাসেন হাতেগোণা যে কয়জন পরিচালক তার মধ্যে ড্যারেন অ্যারোনফস্কি একজন । তার মগজের সাথে পাল্লা দেয়া খুব সহজ নয় ।
ঐ পাগলামির সৌন্দর্য্য আর অসাধারণ দার্শনিক গভীরতার এই মুভির তিন পার্টিশনেরই মূল রোলগুলোয় কাজ করেছেন হিউ জ্যাকম্যান ও র্যাচেল ওয়েইসজ । দুজনেই পুরো মুভিটার অবিচ্ছেদ্য অংশ তবে হিউ জ্যাকম্যান তার দারুণ পারফর্মেন্স দিয়ে মুভিটার বেশিরভাগটাই রহস্যময় করে রেখেছিলেন । প্রথমে এক্স মেন পরে The Prestige দিয়ে মনের ভেতর জায়গা করে নেওয়া এই লোকটাকে নিয়ে বলার বেশি কিছু ছিলনা আমার । হিউ যে জটিল প্লটে একাই তিন তিনটা রোলে অসাধারণ কাজ করলেন তাতে তার ক্রেডিট আরো বাড়ল আমার কাছে । Les Miserable দেখার পর আরো বাড়বে আশা রাখি । আর বলতে হয় র্যাচেল ওয়েইসজ এর নিটোল সৌন্দর্য্যের কথা । The Constant Gardener দেখার আগ পর্যন্ত তাকে এতটা ভাল লাগত না তবে এখন পারফর্মেন্স আর লুকিং এর বিচারে আমার প্রিয় দশজন অভিনেত্রীর লিস্টে আছেন তিনি ।
এই মুভির মিউজিশিয়ান পাই ও রিকুয়েম ফর আ ড্রিম এর ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর করা ক্লিন্ট মানসেল এর কাজটাও কম গুরুত্বপূর্ণ ছিলনা । এমন সুস্থিত ভিজুয়াল ইফেক্ট আর মগজের বেয়ারিং স্লো করে দেয়ার মুভিতে কিরকম মিউজিক মেশাতে হবে সেটা ভালই অনুধাবন করেছেন তিনি । ফলশ্রুতিতে কাহিনীর সাথে এগিয়ে মুভি শেষ করার মত স্পিরিট পাওয়া যাবে । কমফোর্টেবল মিউজিক ।
আমাদের পূর্ণদের্ঘ্য বাংলা ছায়াছবির অনেক গানই মুখে মুখে ফেরে এখনও । অনেক বছর আগে দেখেছিলাম ইলিয়াস কাঞ্চন আর দিতির 'চরম আঘাত' । সেই সিনেমার "
ভালবাসা যত বড় জীবন তত বড় নয়
তোমায় নিয়ে হাজার বছর বাঁচতে বড় ইচ্ছে হয়"
এই গানটার কথা কেন যেন মনে পড়ল দ্য ফাউন্টেন দেখার পর ।
অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এই তিন মহাকালকে এক সুতোয় বাঁধা দ্য ফাউন্টেন মানব মানবীর রহস্যময় প্রেম ও তার মরণশীল সত্ত্বার এক অপূর্ব বিশ্লেষণ । সব স্থবির করে দেয়া মৃত্যুকে উদ্দেশ্য করে লেখা গোলক ধাঁধার মত ভালোবাসার একটি কবিতা বলা যায় এই সিনেমাকে যার পূর্ণ অর্থ বুঝতে হলে অনেকবার দেখতে হবে The Fountain.
আরো জানতে চাইলে
(পূর্বে ফেসবুকের সিনেমাখোর গ্রুপে প্রকাশিত)
১৬ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:১০
ইমু আনোয়ার বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই । দেখে জানাবেন কেমন লাগল ।
২|
১৬ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:৫৬
হাসান মাহবুব বলেছেন: আমার অসম্ভব প্রিয় একটা ছবি। নাইস রিভিউ।
১৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:২৪
ইমু আনোয়ার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।
৩|
১৬ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:৩০
আহমেদ আলাউদ্দিন বলেছেন:
নাইস রিভিউ।
মুভিটা দেখবো।
১৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:২৫
ইমু আনোয়ার বলেছেন: দেখে ফেলুন তাড়াতাড়ি । আর দেখে জানাবেন কেমন লাগল । অ্যারোনফস্কির মাস্টার পিস ।
৪|
১৮ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:০৮
একটু স্বপ্ন বলেছেন:
সিনেমায় আমার আগ্রহ সাধারণ মানের, তবুও আসা হলো দুটো কারণে, ১. আপনি ঘুরে এসেছেন আমার ঘর (মন্তব্যের সুযোগ নেই বলে করতে পারেননি), ২. আপনার প্রোফাইলের কথাগুলো
ভাল হোক। ![]()
১৯ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১:৩৩
ইমু আনোয়ার বলেছেন: শুভকামনার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
৫|
১৯ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:৩২
নস্টালজিক বলেছেন: অদ্ভুত একটা ছবি! ড্যারেন অ্যারোনফস্কি বস!
চমৎকার লিখসেন রিভিউ। পাঠে আনন্দ পেলাম!
শুভেচ্ছা নিরন্তর!
২০ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১:২৬
ইমু আনোয়ার বলেছেন: সিনেমাটা কিছুটা অদ্ভুতই । পড়ে ভাল লেগেছে জেনে খুব খুশি হলাম । অনেক ধন্যবাদ ।
৬|
২০ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:৪৩
মাক্স বলেছেন: এখনো দেখি নাই মুভিটা। সময় করে দেখব অবশ্যই!
২১ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১:২১
ইমু আনোয়ার বলেছেন: একটু সময় বের করে দেখে ফেলুন তাড়াতাড়ি । কারণ এই মুভি একবার দেখলে আরো কয়েকবার দেখতে হবে ।
৭|
২১ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:৪৭
সপ্নাতুর আহসান বলেছেন: চমৎকার রিভিউ। এখনো দেখি নাই মুভিটা। সময় করে দেখব।
ব্লগে স্বাগতম।
২১ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:৪৩
ইমু আনোয়ার বলেছেন: পুরো মুভিটাই একটা ভিজ্যুয়াল পোয়েট্রি । দেখে ফেলুন । মুগ্ধ ও তড়িতাহত হবেন অবশ্যই । ধন্যবাদ ।
৮|
২১ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:১৯
আরজু পনি বলেছেন:
সিনেমাখোর রিপনকে শুভ ব্লগিং
২২ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:৪০
ইমু আনোয়ার বলেছেন: শুভ কামনার জন্য অনেকনেক ধন্যবাদ ।
৯|
২২ শে মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:০৭
এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
মুভিটা দেখব।
স্বাগতম।
২২ শে মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:০১
ইমু আনোয়ার বলেছেন: সময় করে অবশ্যই দেখবেন । ধন্যবাদ ।
১০|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:৪৬
স্বপ্নবাজ বাউন্ডুলে বলেছেন: দারুন একটা মুভি।
অ্যারোনফস্কির প্রতিটা মুভি অসাধারন।
এই মুভিটা শেষ করার পর আমার প্রথম যে কথাটা মনে হয়েছে সেটা হচ্ছে "মৃত্যুতেই অমরত্ব"!
রিভিউ অনেক ভালো লাগলো।
++++++
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:৫৩
ইমু আনোয়ার বলেছেন: "মৃত্যুতেই অমরত্ব" এই দু'টো শব্দ দিয়েই কি সুন্দরভাবে মুভিটার একটা ব্যাখ্যা দিলেন ! অ্যারোনফস্কি আসলেই একজন বস পরিচালক । রিভিউ পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:৪৮
ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
চমৎকার রিভিউ। মুভিটা দেখার ইচ্ছা রৈলো ||