নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বড্ড আলসে.. পড়াশুনা করতে করতে সময় নষ্ট করি; কিন্তু কি যে পড়ি আর কেনই বা পড়ি তার কিছুই মনে থাকে না।

সুস্ময় রায়

তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না; কোলাহল করি সারা দিনমান কারো ধ্যান ভাঙিব না।

সুস্ময় রায় › বিস্তারিত পোস্টঃ

বর্ষবরণ পদ্ধতি হিন্দুয়ানা নয় নিতান্তই বাঙালিয়ানা

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩০

পাকিস্তান সৃষ্টির পর একশ্রেণীর মানুষ বাংলা ভাষাকে হিন্দুদের ভাষা বলে বাদ দিতে চেয়েছিল। তখন ধর্মভীরু মানুষ মাত্রই সেটাকে সমর্থন করেছে। আজ বাঙালিদের সংস্কৃতি ও বর্ষবরণ কে হিন্দুদের কালচার বলে বাদ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। তাতেও সমর্থন যুগিয়ে চলছে অনেকে। মঙ্গল শোভাযাত্রা যে শুধু পহেলা বৈশাখে হয় তা নয়; এ বাদেও বাঙালিরা স্কুল কলেজ বা এলাকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঙ্গল শোভাযাত্রা পালন করে থাকি(আজকাল তো ঈদ উপলক্ষেও মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়)। এগুলো আমাদের অস্তিত্তের সাথে জড়িয়ে আছে। আপনি রথযাত্রার সাথে মঙ্গল শোভাযাত্রার মিল দেখতে পাচ্ছেন, মঙ্গল প্রদীপের সাথে মন্দিরের প্রদীপের মিল দেখতে পাচ্ছেন (সেকারনেই মূলত বর্ষবরণ পদ্ধতিতে আপনার আপত্তি) কিন্তু যে জায়গাটায় মিলটা দেখতে পাচ্ছেন না তা হল দুজনেই বাঙালি, তাই তাদের উৎসব পালনের পদ্ধতিও একই। আপনি যে সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরতে চাইছেন তার কতখানি মুসলিম সংস্কৃতি আর কতখানি সৌদি আরবের সংস্কৃতি আর যে সংস্কৃতিকে বাদ দিতে চাইছেন তার কতখানি হিন্দু সংস্কৃতি আর কতখানি বাঙালি সংস্কৃতি তার পার্থক্য আগে বুঝতে হবে। ধর্ম পালন করার অর্থ এই নয় যে একটা বিশেষ জাতিগোষ্ঠীর সবকিছু অনুকরন করতে হবে আর নববর্ষ পালনের অর্থ এই নয় যে আপনি আপনার ধর্ম হারাবেন (বেশিরভাগই ধর্ম হারানোর ভয়ে নিজের জাতিসত্তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন)। তারপরও যদি মনে হয় বর্ষবরণ পদ্ধতি হিন্দুয়ানা তাহলে বলব ভাত খাওয়া বাদ দিয়ে রুটি আর খেজুর খাওয়ার অভ্যেস করতে (সৌদি আরবের অনুকরনে) কারন হিন্দুরা সুপ্রাচীন কাল থেকে ভাত খায়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.