নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

http://rumansblog.wordpress.com

বল বীর- বল উন্নত মম শির, শির নেহারি' আমারি নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রির।

চাটিকিয়াং রুমান

লেখকের পূর্ব অনুমতি ব্যতীত কোন পোষ্ট বা পোষ্টের অংশ কপি করা অবৈধ বলে গণ্য হবে।

চাটিকিয়াং রুমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

পৃথিবীর প্রথম সভ্যতা

০২ রা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:১৩





যাযাবর শিকারি ও ফলমূল সংগ্রহকারী মানুষ যখন চাষাবাদ করতে শেখে এবং যুদ্ধবদ্ধ হয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে তখন থেকেই মানবজাতির সভ্যতার যাত্রা। যেখানে জমি উর্বর ও ফসল ফলে পর্যাপ্ত এবং উদ্ধৃত ফসল দিয়ে অনুৎপাদনকারী প্রশাসন ও কারিগর শ্রেণীকে পোষণ করা যায় সেখানেই মানুষ বসবাস শুরু করে। সম্ভবত দুই নদীর মধ্যবর্তী উর্বর এলাকায় মানুষের প্রথম সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। প্রাচীন মেসোপোটেমিয়া অর্থাৎ আজকের ইরাকের দজলা ও ফোরাতের মধ্যবর্তী এলাকায় গড়ে উঠে প্রথম সভ্যতা। গ্রিক ভাষায় মেসোপোটেমিয়া শব্দের অর্থ হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী।



খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ বছর আগে এই এলাকায় সুমেররা প্রথম বসতি স্থাপন করে। কৃষি অর্থনীতির উপর ভিত্তি করে তারা একটি সত্যিকার নগরী গড়ে তোলায় অনুমান করা যায় যে তারা শ্রমবিভাগ জানত। উরুক ও লাগাশ ছাড়াও তারা অনেকগুলো নগরী প্রতিষ্ঠা করেছিল। এসব শহরে ছিল সুন্দর সুন্দর দালানকোঠা, জনসাধারণের জন্য পানি ও পয়ঃনিস্কাশনের ব্যবস্থা। সুমেরীয়রাই প্রথম লেখার পদ্ধতি আবিস্কার করে। খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩১০০ বছর আগে থেকে তারা কাদামাটির টালির উপর তথ্য লিপিবদ্ধ করা শিখেছিল। তাদের এই লিপি কিউনিফর্ম বা কীলকলিপি হিসিবে পরিচিত। এই লিপিতে লেখা হাজার হাজার টালি খুঁজে পাওয়া গেছে। সমাধিতেও তারা রেখে দিত নানা ধরণের মূল্যবান সামগ্রী। এগুলো দেখে তাদের ঐশ্বর্য, রুচিশীলতা ও কারিগরি দক্ষতা অনুমান করা যায়।



প্রাচীন মেসোপোটেমিয়া সভ্যতার প্রধান নগরী "উরুক":





"উরুক" বর্তমান দক্ষিণ ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর পূর্ব পাশে অবস্থিত। "উরুক" হলো পৃথিবীর সর্বপ্রথম শহর যেটি প্রথমে মেসোপোটেমিয়া পরবর্তীতে ব্যাবিলন সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত হয়। এই শহরে প্রায় ৫০,০০০ মানুষ বাস করতো। "লাগাশ" বর্তমান দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকে এবং প্রাচীন উরুকের পূর্ব পাশে অবস্থিত। এছাড়া এই লাগাশ নগরী ইউফ্রেটিস নদী ও তিগ্রিস নদীর মিলনস্থলের উত্তর-পশ্চিম কিনারায় অবস্থিত।



খ্রিস্টপূর্ব ২৩০০ সালে আরব থেকে আগত সেমীয়রা ধীরে ধীরে মেসোপোটেমিয়ার সুমের সভ্যতা ধবংস করে দেয়। তারা পরে গড়ে তোলে আসিরিয়া ও ব্যাবিলনিয়া সাম্রাজ্য।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:২৬

এস এম শাহাদাত হোসেন বলেছেন: এসব তথ্য জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

০২ রা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:২৯

চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২| ০২ রা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:২৯

মুন্ডুহীন বলেছেন: হুম, জানলাম...

০২ রা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:৩০

চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: হুম, জানাতে পেরে ধন্য হলাম।

৩| ০২ রা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:৩০

এক রাশ তরঙ্গ বলেছেন: এস এম শাহাদাত হোসেন বলেছেন: এসব তথ্য জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

০২ রা মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:৩৯

চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪| ০৩ রা মার্চ, ২০১১ রাত ১২:০৭

আরিশ ময়ুখ বলেছেন: ধন্যবাদ,তথ্যমূলক পোস্ট টির জন্য

০৩ রা মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০১

চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ জনাব।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.