| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যিকিরের ফযীলত ও এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা
আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ "আর আল্লাহর যিকির অনেক বড়।" (সূরা আনকাবুতঃ ৪৫)
তিনি আরো বলেছেনঃ "তোমরা আমার স্মরণ কর আমিও তোমাদের স্মরণ করব।" (সূরা বাকারাঃ ১৫২)
তিনি আরো বলেছেনঃ "তোমাদের প্রভুকে স্মরণ কর মনের মধ্যে দিনতার সাথে ও ভীতি সহকারে এবং উচ্চ আওয়াজের পরিবর্তে নিম্ন স্বরে সকাল-সন্ধায় (অর্থাৎ সর্বক্ষণ) আর তোমরা গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।" (সূরা আরাফঃ ২০৫)
তিনি আরো বলেছেনঃ "আর বেশি করে আল্লাহকে স্মরণ কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।" (সূরা জুমুআঃ ১০)
তিনি আরো বলেছেনঃ "নিশ্চয় মুসলমান পুরুষ, মুসলমান নারী, ঈমানদার পুরুষ, ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ, সত্যবাদী নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ, ধৈর্য্যশীল নারী, বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী, দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী, রোযা পালণকারী পুরুষ, রোযা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী পুরুষ, , যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী নারী, আল্লাহর অধিক যিকরকারী পুরুষ ও যিকরকারী নারী-তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার।" (সূরা আহযাবঃ ৩৫)
তিনি আরো বলেছেনঃ "হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে বেশি বেশি করে স্মরন কর এবং সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা কর।" (সূরা আহযাবঃ ৪১-৪২)
এই পরিচ্ছেদের সাথে সম্পর্কিত অসংখ্য আয়াত কুরআনে পাওয়া যায়।
১৪০৯. হযরত আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ এমন দু’টি বাক্য আছে, যা মুখে উচ্চারণে হালকা, পাল্লায় (ওযনে) ভারী এবং আল্লাহর কাছে প্রিয়। তা হলঃ "সুবহানাল্লাহ, ওয়াল হামদু লিল্লাহ, ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আল্লাহু আকবার বলা দুনিয়ার সব কিছু থেকে বেশি প্রিয়।” (বুখারী ও মুসলিম)
১৪১০. হযরত আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ “সুবহানাল্লাহ, ওয়াল হামদু লিল্লাহ, ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আল্লাহু আকবার” বলা আমার নিকট দুনিয়ার ঐ সমস্ত জিনিস হতে প্রিয় যার উপর সূর্য উদিত হয়, (আর্থাৎ দুনিয়ার সব কিছু থেকে)। (মুসলিম)
১৪১১. হযরত আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর - (অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া আর কোন সত্যিকার ইলাহ নেই তিনি এক। তাঁর কোন শরীক নেই, সমস্ত প্রশংসা তাঁর। তিনি সমস্ত বস্তুর উপর শক্তিশালী) বলবে, সে দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সাওয়াব লাভ করবে। আর তার নামে লেখা হবে ১০০টি নেকী এবং তার নাম থেকে ১০০টি গুনাহ মুছে ফেলা হবে। আর সে সেদিন সন্ধ্যা হওয়া পর্যন্ত শয়তানের প্ররোচনা থেকে সংরক্ষিত থাকবে এবং কিয়ামতের দিন কেউ তার অপেক্ষা ভালো আমল আনতে পারবে না, একমাত্র সেই ব্যক্তি ব্যতীত যে তার অপেক্ষা বেশি আমল করেছে। তিনি আরো বলেছেন যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি ” বলবেঃ তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনাপুঞ্জের সমতুল্য হয়। (বুখারী ও মুসলিম)
১৪১২. হযরত আবূ আইয়ুব আল আনসারী (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ১০ বার “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হাম্দু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর” বলবে, সে যেন ইসমাইল (আঃ)- এর বংশের চারটি সন্তানকে গোলামী থেকে মুক্তি দান করলো। তথ্যসূত্রঃ (বুখারী ও মুসলিম)
১৪১৩. হযরত আবু যার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ আল্লাহ্র নিকট যে কথাটি সর্বাপেক্ষা প্রিয় সেটি কি আমি তোমাকে জানাবো না? নিঃসন্দেহে আল্লাহ্র নিকট সর্বাপেক্ষা প্রিয় কথাটি হচ্ছেঃ 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।” তথ্যসূত্রঃ (মুসলিম)
১৪১৪. হযরত আবু মালিক আল আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তাহারাত বা পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। আর “আলহামদু লিল্লাহ্” বাক্যটি মীযান (দাড়িপাল্লা) ভরে দেয় এবং “সুবহান্নাল্লাহ ওয়াল হাম্দুলিল্লাহ” বাক্য দু’টি ভরে দেয় বা এদের প্রত্যেকটি ভরে দেয় আসমানসমূহ ও যমীনের মধ্যবর্তী সবটুকু।” তথ্যসূত্রঃ (মুসলিম)
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১২:০৮
সাদাফ১১১ বলেছেন: আললাহ ামাদের যিকির করার তোফিক দান করুক