| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
(প্রসঙ্গ কথা
আমার লেখা ‘কোরআন হাদিসের আলোকে তাবিজাত শিরিক নয় কি?’ গ্রন্থের প্রতিবাদ প্রকাশিত হয়েছে সিলেটের প্রসিদ্ধ মাদ্রাসা জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর, বিয়ানীবাজার, সিলেটের ম্যাগাজিন ‘আল-হিলাল-এ। আমরা প্রথমে এই প্রতিবাদ লিপি পাঠ করবো, অতঃপর বিচার-বিশ্লেষণ করবো হাদিস, কোরআন এবং আকাবিরদের দৃষ্টিতে এই লেখার গ্রহণযোগ্যতা।-
--------------------------------------------------------------------------------
আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর মাদ্রাসার ফতোয়া
‘কোরআন হাদীসের আলোকে তাবিজাত র্শিক নয় কি?’
বই প্রসঙ্গে কিছু কথা
ইবনে তায়্যিব
গত কয়েকদিন আগে বিয়ানীবাজার গিয়েছিলাম। লাইব্রেরীর থাকে রাখা একটি বই হঠাৎ আমার নজর কাড়লো। হাতে নিয়ে দেখলাম বইটির নাম ‘কোনআন হাদীসের আলোকে তাবিজাত শিরক নয় কি?’ ঐ ছোট্ট পুস্তিকাটির লেখক সৈয়দ মবনু। প্রচন্ড আগ্রহ নিয়ে এক নিঃশ্বাসে বইটি পড়ে ফেলাম। লেখক কোরআন হাদীসের কিছু ব্যাখ্যা সাপে আয়াত ও হাদীস দ্বারা সব ধরনের তাবিজাতকে শিরক বলার অপপ্রয়াস চালিয়েছেন।
মূলত: সবধরনের তাবিজাত শিরক কি শিরক নয়, এ মতানৈক্যের বীজ সর্বপ্রথম সালাফী তথা আহলে হাদীসরাই বপন করে। সালাফীরা স্বভাবজাত উগ্রতা অনুযায়ী অন্যান্য বিষয়ের মতো তাবিজাতের ব্যাপারেও বেঁকে বসে। অত্যন্ত নির্বাকভাবে তাবিজাত শিরক বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
উক্ত বইয়ের লেখক আপন বইয়ের এক স্থান লিখেন- ‘তাবিজ সম্পর্কে ইসলামের রায় কি? তা আমরা অনেকেই জানিনা। বিশ্বের অন্যান্য ভাষায় এ সম্পর্কে বিভিন্ন বই প্রকাশিত হলেও আমাদের বাংলাদেশী আলেম সমাজ রহস্যজনক নীরবতা প্রদর্শন করে যাচ্ছেন।’ অতঃপর তাবিজাতের পারিভাষিক ব্যাখ্যা, তাবিজাত শিরক হওয়ার দলিল সবকিছু আল্লামা আলী বিন নকী আল-উলয়ানী রচিত
‘ আকীদার মানদন্ডে তাবিজাত’ বই থেকে গ্রহণ করেছেন। আল্লামা আলী বিন নকী একজন বিখ্যাত সালাফী আলিম। লেখকের প্রতি আমার যেথেষ্ট আস্থা আছে। আমি তার বিভিন্ন বিপ্লবী রচনাবলীর একজন ভক্তপাঠকও বটে। কিন্তু তাবিজাতের ব্যাপারে আমার মনে হয় লেখক বর্তমান যুগের সবচে ভয়াবহ বাতিল মতবাদ সালাফীদের চোরাবালিতে আটকা পড়ে গেছেন। সাধারণভাবে সবধরনের তাবিজাতকে শিরক বলা সালাফীদের অন্ধ অনুকরণ ছাড়া আর কিছু নয়। আমার আশ্চর্য লাগে শুধুমাত্র তাবিজাত শিরক হওয়ার পরে হাদিসগুলো ভাসলো, কিন্তু লেখকের চোখে তাবিজ বৈধ হওয়ার দলীলগুলো ভাসলনা। আলোচ্য জবাবমূলক প্রবন্ধে প্রথমে তাবিজাত বৈধ হওয়ার পরে দলীলগুলো আমি পেশ করার চেষ্টা করব। অতঃপর তার পেশকৃত দলীলগুলোর জবাব দেব ইনশাল্লাহ।
তাবিজ জায়েজ হওয়ার পক্ষে আহলুস্সুন্নাহ ওয়ালা জামাতের দলীল :
আহলুস সুন্নাহ ওয়ালা জামাতের মতে কুরআনে কারীমের আয়াত, আল্লাহর নাম, দুয়ায়ে মানকুলা ইত্যাদি দ্বারা তাবিজ দেয়া জায়েজ। তবে শর্ত হল তাবিজের মধ্যে নিজস্ব মতা আছে মনে করে তার উপর ভরসা না করা। তাছাড়া কুফুরী কালাম দ্বারা তাবিজ দেয়া বা অর্থ জানা যায়না এমন কালাম দ্বারা তাবিজ দেয়া জায়েজ নয়। (আহসানুল ফাতওয়া, খন্ড ৮, পৃঃ ২৫৫)। তাবিজ জায়েজ হওয়ার পে অসংখ্য দলীল রয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটি নিম্নে উল্লেখ করা গেল।
ইমাম আবু বাকর ইবনে আবী শাইবাহ ‘মুনান্নাফ’ গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন, আমর ইবনে শুআইব তাঁর পিতা ও তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (স.) ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যখন ঘুম অবস্থায় ঘাবড়িয়ে উঠে, সে যেন ******** দো’আটি পাঠ করে। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর তাঁর উপযুক্ত সন্তানদের তা শিক্ষা দিতেন এবং ছোটদের গলায় তা লিখে লটকিয়ে দিতেন। এই হাদীসটি ইমাম আবূদাউদ (রাহ.) তাঁর সুনানে আবূ দাউদের কিতাবু-তিব্বের **** অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন।
উপরোক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হল-তাবিজ দেয়া জায়েজ। যদি শিরক হত তাহলে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) এর মত বিখ্যাত বুযুর্গ সাহাবী তাবীজ লিখে ছোট ছোট শিশুদের গলায় লটকিয়ে দিতেন না। বিধায় কোন হাদীস পেলেই তার ব্যাখ্যা, মর্মার্থ, প্রয়োগ স্থল না বুঝে কোন কিছুর ব্যাপারে শিরকের সার্টিফিকেট লাগানো আদৌ ঠিক নয়।
ঃ ‘ইবনে আবী শাইবাহ মুজাহিদ (রাহ.) থেকে বর্ণনা করেন যে, মুজাহিদ (রাহ.) লোকদের জন্য তাবিজ লিখে তাদের গলায় লটকিয়ে দিতেন। এ মত তিনি আবু জাফর, মুহাম্মদবিন সীরিন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর এবং যাহহাক প্রমুখ থেকে লটকানো, অথবা হাতে বাঁকানো বৈধ মনে করতেন।’
উপরে যেসব তাবিয়ীর কথা বলা হলো তারা বিখ্যাত সর্বজন অনুসৃত। এসব তাবিয়ীদের থেকেও কি শিরকের কল্পনা করা যায়? না এসব দুনিয়া বিখ্যাক মুহাদ্দিস তাবিয়ীগণ লেখক কর্তৃক উদ্ধৃত হাদীসগুলো সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন?
ঃ আয়িশা (রা.) বলেন, বিপদ আসার পর যা লটকানো হয় তা তামীমা (অর্থাৎ নাজায়েজ তাবীজ) এর অন্তর্ভূক্ত নয়।
(৪) সর্বজন মান্য বিশেষত: সালাফিরা যার পদে পদে অনুসরণ করে সেই ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রাহ.) এর দৃষ্টিতেও তাবিজ-কবচ বৈধ। তিনি ফাতাওয়ায়ে ইবনে তাইমিয়ার ১৯নং খন্ডের ৬৪ নং পৃষ্ঠায় লিখেন, বিপগ্রস্থ বা অসুস্থ লোকদের জন্য কালি দ্বারা আল্লাহর কিতাব লিখে তাবিজ দেয়া এবং ধুয়ে পান করানো জায়িজ।
উক্ত আলোচনার শেষদিকে আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রাহ.) তাবিজাত বৈধ হওয়ার পক্ষে হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) এর একটি আছর পেশ করেন। ইবনে আব্বাস (রা.) কাগজের টুকরায় তাবিজ লিখে দিতেন, তা সন্তানসম্ভবা নারীদের বাহুতে বেঁধে দেয়া হত।
(৫) হানাফী মাযহাবের বিখ্যাত ফকীহ, আল্লামা শামী (রাহ.) লিখেন, নাজায়িজ তাবিজ হল ঐ সব তাবিজ যা কুরআন বহির্ভূত। (রাদ্দুল মুহতার, খন্ড ৫, পৃ: ২৩২)। অতপর তিনি আরোও লিখেন, কুরআনে কারীম দ্বারা অথবা আল্লাহর নাম দ্বারা তাবিজ লিখলে কোন অসুবিধা নেই। (রাদ্দুল মুহতার, খন্ড ৬, পৃ:৩৩৬)। তাছাড়া আল-মুজামুল ওসীত, আল-কামূসুল ওজীয, মিসবাহুল লুগাত, আল-মানার ইত্যাদি প্রামান্য আরবী অভিধাগুলোতে
শব্দের অর্থ বলা হয়েছেন মন্ত্র, ঝাড়-ফুঁক, তাবিজ। যদি
শব্দের অর্থ তাবিজ মানা যায় তাহলে তাবিজ বৈধ হওয়ার পে মারফু হাদীসের অভাব হবেনা। কারণ, অসখ্য হাদীসে আল্লাহর রাসূল বলেছেন ***** জায়েজ। আহসানুল ফাতাওয়া গ্রন্থে বলা হয়েছে, আবজাদ সংখ্যা দ্বারাও তাবিজ লিখা বৈধ। কারণ, এসব সংখ্যার নির্ধাররিত অর্থ জানা সম্ভব আছে।
আরো বহুত দলীল আছে। স্থানাভাবে উল্লেখ করা গেল না। হ্যাঁ এটাকে সকলেই স্বীকার করেন যে, তাবিজকে পেশা বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ খুব সম্মানজনক নয়। তাবিজাতের পেশা সম্মান জনক না হওয়ার দরুনই অধিকাংশ উলামায়ে কিরাম তা থেকে পরহেয করেন, এজন্য নয় যে তাবিজাত শিরক।
লেখক কর্তৃক উদ্ধৃত দলীলসমূহের জবাব ঃ
লেখক বিখ্যাত সালাফী আলিম আল্লামা উলয়ানীর অনুকরণে ইত্যাদি আয়াত দ্বারা তাবিজাতকে শিরক সাব্যস্থ করার চেষ্টা করেছেন। আসলে এসব আয়াত তাবিজ নাজায়িজ হওয়ার পে দলীল দেয়া সম্পূর্ণ হাস্যকর ও শিশুসূলভ কান্ড। যারা তাবিজ কবচকে বৈধ বলেছেন তারা তো ঢালাওভাবে তাবিজকে বৈধ বলেননি। বরং তারাও তো বলেছেন তাবিজের উপর ভরসা চলবেনা।
তাবিজের নিজস্ব কোন প্রভাব নেই। রোগ থেকে মুক্তিদানকারী একমাত্র আল্লাহ তা’আলা। তাবিজ ওসীলা মাত্র। তাবিজকে শুধুমাত্র ওসীলা হিসেবে গ্রহণ করা যদি শিরক হয় তাহলে বলতে হবে বৈধ পদ্ধতিতে চিকিৎসা গ্রহণসহ সবধরনের ওসীলা শিরক। তা ছাড়া শুধুমাত্র তাবিজ কেন আল্লাহকে বাদ দিয়ে যেকোন কিছুর উপর ভরসা করা শিরক। সুতরাং কেউ যদি আল্লাহর উপর ভরসা রেখে তাবিজ গ্রহণ করে তাহলে তা শিরক হতে যাবে কেন? এসব আয়াতের ভিত্তিতে ঢালাওভাবে সবধরনের তাবিজকে শিরক বলা কি স্থুল জ্ঞানের পরিচায়ক নয়? লেখক তাবিজাত শিরক হওয়ার পক্ষে ৫ খানা হাদীস দলীল হিসেবে পেশ করেছেন। সবগুলো হাদীসের ইজমালী জবাব হলো- আলোচ্য হাদীসসমূহে ঐসব তাবিজ কবচকে শিরক বলা হয়েছে যার মধ্যে শিরকী কালাম থাকবে। অথবা এসব হাদীস দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে, তাবিজের নিজস্ব মতা আছে বলে বিশ্বাস করা, তাবিজই একমাত্র মুক্তিদানকারী ইত্যাদি ধারণার বশীভূত হয়ে তাবিজ ব্যবহার করা শিরক। এসব হাদীসে এ ব্যাখ্যা করতে আমরা বাধ্য। কারণ, বিভিন্ন জলীলুল্ কদর সাহাবী ও তাবিয়ীকে মুশরিক বলতে হবে। সকল মুহাদ্দিসীনে কিরাম তাওয়াক্কুল বিরোধী বলে উলেখ করেছেন। সেসব হাদীসের উপযুক্ত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। লেখকের দলীর হিসেবে পেশকৃত প্রথম হাদীস
(অর্থাৎ ঝাড়ফুঁক, তাবিজাবলী এবং ডোরা সূতা বাঁধা শিরক) এর ব্যাখ্যায় বিখ্যাত ফক্বীহ ও মুহাদ্দিস আল্লামা শাওকানী (রাহ
তাঁর ‘নাইলুল আওতার’ গ্রন্থে বলেছেন।
‘তামীমা’ রাকী এবং তাওলাকে শিরক বলা হয়েছে এ কারণে যে, জাহিলী লোকেরা মনে করত এসবের মধ্যে নিজস্ব প্রভাব রয়েছে।’ বুঝা গেল আমভাবে সবধরনের তাবিজ শিরক নয়, বরং যে এ কথা বিশ্বাস করবে যে, তাবিজের নিজস্ব মতা রয়েছে, তার জন্য তাবিজ ব্যবহার করা শিরক। তাছাড়া উক্ত হাদীসের একটা শব্দের দিকে নযর দেয়ার মতো। লেখক আপন বইয়ের স্থানে স্থানে উল্লেখ করেছেন যে, তাবিজাত শিরক হলেও ঝাড়ফুঁক বৈধ। কিন্তু উপরোক্ত হাদীসে তো ঝাড়ফুঁককেও শিরক বলা হয়েছে। তাহলে ঝাড়ফুঁক বৈধ হওয়ার ক্ষেত্রে যে ব্যাখ্যা দেয়া হবে তাবিজাত বৈধ হওয়ার ক্ষেত্রেও সে ব্যাখ্যা প্রজোয্য হবে।
আসল কথা হল, যেভাবে সকল ঝাড়ফুঁক শিরক নয় সেভাবে সকল তাবীজ কবজ শিরক নয়। হ্যাঁ, কুফরী কালাম দ্বারা রচিত তাবীজ শিরক। আল্লামা মোল্লা আলী ক্বারী (রাহ.) যেসব হাদীসে তাবিজকে শিরক ও তাওয়াক্কুল বিরোধী কাজ বলে অভিহিত করা হয়েছে, সেব হাদীসের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন ‘এসব হাদিসের মধ্যে তামিমা দ্বারা মুরাদ হল জাহিলী যুগের তামীমা বা তাবিজ-কবজ। যেসব তাবিজ আল্লাহর নাম এবং আল্লাহর কালাম দ্বারা লিখিত সেসব তাবিজ আলোচ্য হাদীসের অর্ন্তভূক্ত নয়। বরং এ জাতীয় তাবীজ মুস্তাহাব ও বরকতের কারণ। (মিরক্বাত খন্ড নং ৮, পঃ নং ৩২২)
আল্লামা শামী (রাহ
বলেছেন ‘আলোচ্য হাদীসগুলোর মধ্যে যেসব তাবিজকে শিরক বলা হয়েছে, তা দ্বারা উদ্দেশ্য হল কোরআন ছাড়া অন্য কোন শিরকী কালাম দ্বারা তাবিজ লেখা। শুধুমাত্র কোন হাদীস পেয়ে গেলেই নিজের পকেট থেকে ব্যাখ্যা না করে মুহাদ্দিসীনে ক্বিরাম ও ফুক্বাহায়ে ক্বিরাম যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সে ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে হবে। নতুবা সিরাতে মুসতাক্বীম থেকে ছিটকে পড়ার সমূহ সম্ভবনা রয়েছে। লেখক যেসব হাদীসকে দলিল হিসাবে গ্রহণ করেছেন সেসবের তিনি যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুহাদ্দিসীনে কেরাম ও ফুকাহায়ে ক্বিরাম যে ব্যাখ্যা দেননি বরং তারা অন্য ব্যাখ্যা দিয়েছেন। কারণ, তারা বুঝেছিলেন যে লেখকের মত ধুম ফতোয়াবাজী করলে অনেক সাহাবায়ে কেরাম ও তাবিয়ীনে ইযামকে মুশরিক বলতে হবে। কারণ, সাহাবায়ে কেরাম ইসলাম গ্রহণের পর সব ধরণের শিরক থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত ছিলেন। আচ্ছা বলুন তো! আমরা আপনার ব্যাখ্যা মানব না মোল্লা আলী ক্বারী, ইবনে হাজার আসকালানী, ইমাম ইবনে তাইমিয়া, আল্লামা শাওকানী, আল্লামা শামী প্রমুখ বিশ্ববিখ্যাত ফকিহ ও মুহাদ্দিসগণের ব্যাখ্যা মানবো? তারা তো ঢালাওভাবে সবধরনের তাবিজকে শিরক বলেন নি বরং বলেছেন লাভ ও রোগ মুক্তির উপায়। তাছাড়া কিয়াছও তাবিজের বৈধতার পক্ষে কারণ, সকল উলামায়ে কিরাম একথার ব্যাপারে একমত যে, আয়াতে কুরআনী, দুয়ায়ে মাছুরা ইত্যাদি দ্বারা ঝাড়ফুঁক জায়িজ, তাহলে আয়াতে কুরআন বা দুয়ায়ে মাছুরা দ্বারা তাবিজ লিখে গলায় লটকালে দোষ কোথায়?
আগেই বলেছি কুরআন হাদীস দ্বারা তাবিজের বৈধতার পে অসংখ্য দলীল থাকা সত্ত্বেও তা লেখকের নজর কাড়তে সম হয়নাই। শুধুমাত্র হযরত আয়িশা (রা
এর একটি হাদীস তার নজরে পড়েছিল। যে হাদীসে নবী পত্নী আয়িশা (রা.) বলেছিলেন, ‘বালা মুসীবত আসার পর যা লটকানো হয় তা তামীমা (তথা যে সব তাবীজকে শিরক বলা হয়েছে।) সে সবের অন্তর্ভূক্ত নয়। এই হাদীসের জবাব দিতে গিয়ে লেখক সম্পূর্ণ বিষয়টাকে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছন। কারণ, তিনি উক্ত হাদীসে আয়েশার জবাব দিতে গিয়ে বলেন, হযরত আয়েশা (রা.) আত-তামাইমু দ্বারা ব্যাপকভাবে সকল তাবিজ বুঝান নি। বরং শুধু মাত্র কুরআনের আয়াতের শিরক নয়কি? বইয়ের স্থানে স্থানে ব্যাপকভাবে সবধরনের তাবিজকে শিরক বলা হয়েছে কোন ধরনের বাছ-বিচার ছাড়াই। এমনকি এক জায়গায় তিনি লিখেন ‘মাজারে গিয়ে কোন কিছু প্রার্থনা করা যেমন পাপ। তেমনি তাবিজের মাধ্যমে কিছু প্রাপ্তির আশাও পাপ’। তাই হাদীসের আয়িশার তিনি যে জবাব দিয়েছেন তা কি স্ববিরোধী হলনা। আর যদি আমরা মেনে নেই যে, লেখকের মতেও সবধরণের তাবিজ শিরক নয়, বরং কেবলমাত্র কুফরী কালাম দ্বারা লিখিত তাবিজ শিরক। তাহলে প্রশ্ন, লেখক বাঙ্গালী আলিমদেরকে এতো বিষোদগার করলেন কেন? কেন উলামায়ে কেরামের গায়ে শিরকের কালিমা লেপন করলেন? কেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় আমাদের আকাবিরকে হেয় প্রতিপন্ন করলেন? আলিম সমাজ তো ঢালাওভাবে সব ধরনের তাবিজকে বৈধ বলেন না। তবে আসলে লেখকের মূল মাকসুদ হল সব ধরনের তাবিজাতকে শিরক সাব্যস্ত করা। যা তার বইয়ের বিস্তারিত আলোচনা দ্বারা স্পষ্টরূপে ফুটে উঠেছে। আমি লেখককে অনুরোধ করব, আপনি আপনার বিবেককে জিজ্ঞেস করুন, সালাফীদের অন্ধ অনুকরণে অবৈধ ফতোয়াবাজী করে আমাদের আকাবিরদের চরিত্রে শিরকের কালিমা লেপন করা কতটুকু ঠিক হল?
----------------------------------------------------------------------------------জবাব পড়ুন পরবর্তী পোষ্টে
২|
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
খালিদ নর্থ সাউথ বলেছেন: পুরা লেখা থেকে যেটা বুঝলাম সেটা হলো, ওষুধ যেমন বৈধ তাবিজ তেমনি ভাবেই বৈধ...................সৈয়দ মবনু সাহেবের উত্তরের গ্রহণযোগ্যতা খুবই কম। কারণ, তিনি কুরআন-হাদিস এর রেফারেন্স না দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির রেফারেন্স দেয়ার চেষ্টা করেছেন............
৩|
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮
নীলু রেজা বলেছেন: মবনু স্নেহভাজনেষু
মন দিয়ে তোমার লেখাটা পড়লাম। উত্তরটা সুন্দর হয়েছে। সবচেয়ে ভালো লাগলো দরগাহ মাসজিদের ইমাম আকবর আলী রাহমাতুল্লাহ আলাইহির বক্তব্যটি। আল্লাহ তাকে মাফ করুন এবং পরকালে তার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন। আমার মতে তিনি ছিলেন সত্যিকার ওলি।
তুমি লিখেছো, হুজুর (মাওলানা আকবর আলী) আমার বক্তব্য শোনে মুচকি হাসলেন এবং বললেন-‘হযরত রাসুল (স.)এর সুন্নতে নেই। আকাবিরগণ দিতেন মূর্খ মানুষ আর বাচ্চাদেরকে। মানুষ মানে না তাই দিতে হয়।’ আর খতিব সাহেব হুজুর বললেন-‘আকাবিরগণ করেছেন সত্য, কিন্তু হাদিসে রাসুল (স.) এ এসবের কোন বৈধতা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। তবে আমরা এই বিষয়ে নিরবতা প্রদর্শন করি হযরত আকাবিরদের সম্মানার্থে।’ এই যে মুর্খ এবং শিশু - এখান থেকেই তাবিজের সুত্রপাত। শিশুদের জন্য বৈধতা দেয়ার কারণে এটা আজ একটি বড় ব্যবসার উপলক্ষ এবং যন্ত্রণার কারণ হয়ে উঠেছে।
তাবিজ এর ব্যাপারে আমার একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে। নাফে জন্ম নেয়ার পর তোমার নানা তার গলা, হাত এবং পায়ে দেয়ার জন্য তাবিজ লেখে দেন। তোমার মামার আপত্তির কারণে তোমার নানী সবগুলো তাবিজ একটি কাপড়ে বেঁধে নাফের গলায় লটকে দেন।তোমার মামা বাসায় এসে তা দেখে বিব্রত হয়ে পড়েন। তার আব্বার লেখা তাবিজ তার আম্মা ছেলের গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছেন। এ তাবিজ তিনি কি ভাবে খুলবেন এবং খুলে নিলেও এর প্রতিক্রয়া কি হবে তা বুঝতে না পেরে তিনি কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে পড়েন। অনেক ক্ষণ চিন্তার পর তোমার মামা তোমার নানী ডেকে বলেন, 'আল্লাহ সর্বশক্তিমান। তিনি কোন কাজ করতে হলে তাবিজের সাহায্য ছাড়াই করতে পারেন। আমরা এমন আল্লাহকে মানি না যিনি তাবিজ না লটকালে রহমত নাজিল করেন না।আমাদের দেখতে হবে, ঈমান আল্লাহর উপর না তাবিজের উপর?' এ কথা শোনার পর তোমার নানী নিজ হাতে তাবিজবাধা পুটলিটি নাফের গলা থেকে খুলে ফেলেন।'
ভালো থাকো।
৪|
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: খালিদ নর্থ সাউথ বলেছেন: পুরা লেখা থেকে যেটা বুঝলাম সেটা হলো, ওষুধ যেমন বৈধ তাবিজ তেমনি ভাবেই বৈধ...................সৈয়দ মবনু সাহেবের উত্তরের গ্রহণযোগ্যতা খুবই কম। কারণ, তিনি কুরআন-হাদিস এর রেফারেন্স না দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির রেফারেন্স দেয়ার চেষ্টা করেছেন............
সহমত।
২৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:১১
সৈয়দ মবনু বলেছেন: তাবিজের পক্ষে দলিল দিতে পারবেন না বন্ধু। বিরুদ্ধে দলিল আছে। আপনাদের পূর্বপুরুষ তাবিজ ব্যবসায়ীদের কে রক্ষার জন্য কুতর্কে নেমেছেন মাত্র। এটা জাহেলি যুগের অভ্যাস। আবু জেহেলরাও তাই করতো।
৫|
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৫৬
শিশির ভেজা ভোর বলেছেন: সৈয়দ মবনু ভাই একটা মজার ব্যপার হলো আপনি শিরক কি জিনিষ সে কন্সেপ্টা জানেন না।শিরক হলো কোন জিনিষ বা বস্তুকে আল্লাহর মত মনে করা।তাবিজকে কেউ কি আল্লাহ ভাবে? আরেকটা কথা রাসুল সঃ কেও তাবিজ করেছিলো কাফেররেরা তার বিপরিতে আল্লাহ কোরানের আয়াত নাজিল করে সে তাবিজ কাটার আরেকটি তাবিজ পাঠালেন।শত বছরের মুস্লিম সূফী গনের জীবিন আলোকপাত করলে দেখা যায় এরা সবাই প্রায় তাবিজ চর্চা করতেন।
২৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:২৩
সৈয়দ মবনু বলেছেন: সাহস থাকলে স্বনামে এসো, তর্ক করবো, দলিল দেবো। বেনামীদের সাথে কথা বলে লাভ নেই। যারা নিজের নাম প্রকাশ করার সাহস রাখে না তারা কখনো সত্যবাদী নয়।
৬|
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০১
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: লেখক কিছু মনে না করলে, আচ্ছা, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে যদি একটু বলতেন!
২৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:০৬
সৈয়দ মবনু বলেছেন: তোমাকে যে কোনো বিষয়ে পড়ানোর মতো যোগ্যতা অবশ্যই আছে।
৭|
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: ভাই আমাকে একটা কথা বলবেন, কুফরী কালাম জিনিসটা কি? কারা করে, কিভাবে করে??
৮|
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২৬
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: আপনার পূর্বের একটি পোষ্টে আমি যে কোরআনের আয়াত ও হাদীসসমূহ ঊল্লেখ করেছিলাম আবারও তা উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করছি-
আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآَنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ وَلَا يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إِلَّا خَسَارًا ﴿82﴾ الإسراء: ٨٢
আর আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করেছি যা রোগের সু-চিকিৎসা এবং মুমিনদের জন্য রহমত।’ {ইসরা:৮২}
সাহাবী আব্দুল্লাহ বিন আমরের ব্যক্তিগত আমল সম্পর্কে বর্ণিত আছে, তিনি নিজ ছোট বাচ্চা, যারা দোয়া মুখস্থ করতে অক্ষম, তাদেরকে অনিষ্ট থেকে রক্ষার জন্য গায়ে দোয়ার তাবিজ ঝুলিয়ে দিতেন। দোয়াটি এই:
بسم الله أعوذ بكلمات الله التامات من غضبه وعقابه وشر عباده ومن همزات الشياطين وأن يحضرون (أحمد والترمذي وأبوداود)
‘আল্লাহর নামে তাঁর পরিপূর্ণ বাণী সমূহের মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তাঁর গজব ও শাস্তি থেকে, তাঁর বান্দাদের অনিষ্টতা থেকে এবং শয়তানদের কুমন্ত্রণা ও তাদের উপস্থিতি থেকে।’ (আহমদ, তিরমিজি, আবু দাউদ)
রাসুল স. শিরক মুক্ত ঝাড়-ফুকের ব্যাপারটি অনুমতি দিয়েছেন। মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
قال اعرضوا علي رقاكم لا بأس بالرقى مالم يكن فيها شرك (رواه مسلم)
‘তোমাদের ঝাড়-ফুঁক আমার কাছে পেশ কর, ওটা শিরকের আওতাধীন না হলে তাতে কোন বাধা নেই।’ মুসলিম
তাবিজাতের ব্যাপারে বিশ্বাসটা এমন হতে হবে,
১.এতে যে আল্লাহর কালাম আছে সেটার বরকতে উপকার পেলেও পাওয়া যেতে পারে।
২.এর দ্বারা অবশ্যই উপকার পাওয়া যাবে বা তাবিজের বিশেষ ক্ষমতা আছে- এধরণের বিশ্বাস রাখা যাবে না।
৯|
২৯ শে জুন, ২০১০ রাত ১২:৩৯
নাজির বলেছেন: সৈয়দ সাবতো দেখি ছিলট থাকেন
তা ছিলট কি বাংলাদেশের কোন জায়গার নাম না বিদেশের কোন দেশের নাম
২৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:৩৯
সৈয়দ মবনু বলেছেন: ভাই সাব, ছিলট অইলো আপনাইনতর বাড়ির খান্দাত সুরমার পারো জালালর শহর।
১০|
২৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:২৯
শিশির ভেজা ভোর বলেছেন: লেখক বলেছেন: তোমাকে যে কোনো বিষয়ে পড়ানোর মতো যোগ্যতা অবশ্যই আছ..................................................
মাশাআল্লাহ অনেকদিন পর আপনার মত জ্ঞানীর সাথে কথা বলতে পেরে খানিক টা আরাম লাগছে। কিন্তু জানেন তো জ্ঞানীদের সম্রাট মুয়াল্লিমূল মালাইকা ইবলিশ কিন্তু অহংকার করেছিলো জ্ঞানের যার কারনে সে অভিসপ্ত হয়েছে। আবার আবু জাহেল হলো আবুল হিকাম,আপনি কোনটা হতে চান। এত অহংকার কিসের আপনার।
আমি তো আপনাকে সাধারন ভাবে একটা বিষয় জিজ্ঞাসা করলাম আর আপনি কি করলেন আমাকে যা তা বল্লেন।এটা কি ঠিক হলো আর আম্র পরিচয় আমি যাকে তাকে দেইনা কারন অনেকের মূত্রনালী খুবই দূর্বল। ভালো থাকবেন আল্লাহ আপনাকে অভিশপ্ত শয়তানের কূ মন্ত্রনা থকে ডুরে রাখুক।আমিন
২৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:২০
সৈয়দ মবনু বলেছেন: অহংকার নয়, অহম। তোমরা তাবিজ মুল্লাদের এই জ্ঞান থাকার কথা নয়। তাবিজ মুল্লারাই আল্লামা ইকবালকে কাফির ফতোয়া দিয়েছিলো। তাবিজ মুল্লারাই কাজী নজরুল ইসলামকে কাফির ফতোয়া দিয়েছিলো। মক্কার তাবিজ মুল্লা আবু জেহেলরাই হযরত রাসুল (স.) কে পাগল বলেছিলো (নাউযু...)। পরিচয় দিয়ে আগামী পোষ্ট করবে, নতুবা খারাপ লোকের সাথে কথা বলে আমি সময় নষ্ট করবো না। যারা নিজের পরিচয় গোপন রাখে তাদের মূত্রনালী যে খুবই দূর্বল তা আমরা ভালো করে-ই বুঝি।
১১|
২৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:০৬
শিশির ভেজা ভোর বলেছেন: আমি ভাই তাবিজ মোল্লা না তবে কাট মোল্লার শায়েস্তা করার যতেষ্ট যোগ্যতা আছে, আমি কিন্তু একবার ও আপনাকে আক্রমন করিনি।আর আমি বুঝিনা একজন মানুষ যে কোন বিষয় সর্ম্পকে কিভাবে জানা সম্ভব।একি বলে অল্প বিদ্যা ভয়ংকর। আমি জানিনা আপনার এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড কি? তবে মনে হয় আপনাকে আরো মার্জিত ভাষার অধিকারী হতে হবে।নতুবা আল্লাহ অহংকারীদের ব্যপারে তার মত দিয়ে রেখেছেন।আর ভাই আমি একবার ও বলেছি যে তাবিজ কবজ দিয়ে রোগ শারাণ সম্ভব।আমি নিজে একজন চিকিৎসক,মোটামুটি দুএকজনে আমার আসল নামে চেনে,কিন্তু আমি আপনার কথা শুনে হাজার বছরের ছুফি ট্রেডিশন কে ভুলতে পারিনা। আমি অবাক হই যখন দেখি বাবা শাহ জালালের দেশের মানুষ এত অহংকারী হয় যখন তাদের সামনে ঘুমিয়ে থাকেন একজন মহাজ্ঞানী
১২|
২৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
শিশির ভেজা ভোর বলেছেন: ভাই আপনার সমস্যা কি আমি জানিনা আপনি খামাখা এরকম করছেন আপনার এডুকেশনাল ব্যাকগ্রউন্ড কি আমি জানিনা তবে সব বিষয় পড়াতে পারবেন কিভাবে আমি জানিনা।এর চেয়ে বড় অহংকার কি হতে পারে আমি জানিনা। আর আমাকে তাবিজ মোল্লা বললেন আমি কি তাবিজ খারাপ বা ভালো এমন কিছু বলেছি,বলিনি আমি পেশায় একজন ডাক্তার আমার আসল নামে কিছু লোক আমকে চিনে কিন্তু তাই বলে আমি কখনি বলবোনা আমি সব রোগের চিকিৎসা করতে পারি এটা হয় মিথ্যা দাবি না হয় অহংকার হবে।ভাই এরক্ম ফালতু বড়াই করে নিজের সম্ভাবনাকে নষ্ট করবেন না।প্লিজ। মহাবিজ্ঞানিরা পর্যন্ত নিজেদের জানাকে কম মনে করতেন আমি আপনি আর কি? তাবিজ একটি সূফী ট্রাডিশন আপনি না করলেও আমি মানবোই।ভালো থাকবেন।করুনাময়ের সমস্ত করুনা আপনার ঊপর বর্ষিত হোক
১৩|
২৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ২:৫০
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: জনাব মবনু সাহেব, কেউ আমার বিরুদ্ধ মত পোষন করতে পারে, সেটা স্বাভাবিক, তাই বলে তার প্রতি কঠোর ও শিষ্টাচার বহির্ভূত ভাষা ব্যবহার করব -ইসলাম অন্তত সেটা শিক্ষা দেয়নি।
তোমাকে যে কোনো বিষয়ে পড়ানোর মতো যোগ্যতা অবশ্যই আছে।
-এ ধরনের মন্তব্য আপনার কাছ থেকে আশা করিনি। যেহেতু আপনি ইসলামী বিষয়ে লেখা শুরু করেছেন। আপনার এই দাম্ভিক ও অহমিকাপূর্ণ বক্তব্যের জন্য আপনার লেখার গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে বলে মনে করেন? তবে আপনাকে চ্যালেন্জ করছি- যে কোনো বিষয়ে পড়ানোর মতো যোগ্যতা আপনার অবশ্যই নেই। প্রথম সাবজেক্ট অর্থ্যাৎ 'শিষ্টাচার' বিষয়েই আপনি আপনার অযোগ্যতা সকলের সামনেই প্রমান করলেন। সামহয়্যার-ইন ব্লগে ইসলাম বিষয়ক কোন পোষ্ট দিতে চাইলে তার চামড়াটা গন্ডারের চামড়া হতে হয়- সেটা তো আপনারও জানার কথা ছিল। দাওয়াতের অন্যতম একটি শর্ত ধৈর্য, আর মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা আপনাকে এই দূর্লভ গুণে গুণান্বিত করুন -এই দোয়া করি।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৩৫
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর মাদ্রাসার ফতোয়ার সাথে একমত। তাদের দলীলগুলোই আপনার দলীলের বিপরীতে সবল মনে হয়েছে।