নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Oh Allah Plz Save Bangladesh

সৈয়দ মবনু

সৈয়দ মবনু

সৈয়দ মবনু, থাকি ছিলট

সৈয়দ মবনু › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে সব কারণে রোজা রাখা হারাম এবং মাকরূহ

১৫ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:৫০

যে কারণে রোজা রাখা হারাম



দুই ঈদের দিন এবং কোরবানীর ঈদের পরের তিন দিন মোট এই পাঁচ দিনে রোজা রাখা হারাম। মহিলাদের হায়েয (মাসিক রক্তয়) নেফাযের (সন্তান গর্ভপাত কালিন রক্তয়) সময় রোজা রাখা হারাম।

রোজা ফরজ হওয়ার শর্ত

১. মুসলমান হওয়া

২. পাগল না হওয়া

৩. বালেগ হওয়া।



যে কারণে রোজা রাখা মাকরূহ



মহরম মাসে শুধু দশ তারিখে রোজা রাখা মাকরূহ। মহানবি (স.) নিষেধ করেছেন শুধু দশ তারিখে রোজা রাখতে। কারণ ইহুদিরা মহরমের দশ তারিখে রোজা রেখে থাকে। মহানবি (স.) বলেছেন-তোমরা ৯ তারিখেও রোজা রাখ। যদি কেউ ৯ তারিখে রোজা রাখতে ভুলে যান তবে তিনি ১০ তারিখের সাথে ১১ তারিখ রোজা রেখে ইহুদিদের সাথে ব্যবধান করতে পারেন। শুধু মহরমের দশ তারিখে রোজা রাখলে মাকরূহ হয়ে যাবে।

শুক্রবারে রোজা রাখা মাকরূহ। হযরত আবু হোরায়রা(রা.) থেকে বর্ণিত হযরত নবি করিম(স.) বলেছেন যে, তোমরা কেউ শুধু শুক্রবারে রোজা রাখবে না, তার পূর্বে এবং পরে রোজা রাখা ব্যতীত।(মোত্তাফাকুন আলাইহে)। অন্য একটি হাদিসে হযরত আবু হোরায়রা(রা.) থেকে বর্ণিত হযরত মহানবি(স.) বলেছেন যে, রাতসমূহের মধ্যে শুধু জুম্মার রাতকে নামাজের জন্য ধার্য্য করবে না এবং দিনসমূহের মধ্যে শুধু জুম্মার দিনকে রোজার জন্য ধার্য্য করবে না, যদি তা তোমাদের রোজা রাখার তারিখে না পড়ে।( মুসলিম শরিফ)।

ইয়াওমুশ শকের দিনে রোজা রাখা মাকরূহ। বিস্তারিত আলোচনা সামনে আসবে।

(চলবে)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.