নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সমকালের কবিতা ও আমার কিছু লেখা

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আমি বিশ্বের একজন অতি সহজ-সরল ও সাধারণ মানুষ

সাইফুল সাইমু০১

Assalamu Alaikum Wa Rahmatullah I am a straight

সাইফুল সাইমু০১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রণাঙ্গন - সাইফুল সাইমুম

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৩৯

যুদ্ধে যাব, বলছি আমি কত শতবার

হয়নি যাওয়া যুদ্ধে কেন বলছে বারংবার।

কিসের যুদ্ধ? কিসের শোলগান?

অবরোধে কি জাগছে অর্ণিবাণ।

অত শত বুঝি না বুঝতে চাইনা

কেন যে চাইনা? আছে কি কোন বায়না।

সমুখে টঠং টঠং শব্দ!

তারপরঃ চিৎকার! সব হল নিস্তব্দ।

বিবেকের সাথে ছুটে চললাম অবশেষে

কাউকে দেখেতে পাইনি কাঁচা রক্তে বসে।

ছিঁড়া শার্ট থেতলে থাকা দেহঅবায়ব

পরিচিত চেনা সেই আত্মা কাঁপা কলরব।

ভীতুর মুখে তেতো ঢেলে সাহসে উদ্যম

জাগিয়াছে পৌরষ তব প্রলয়ের সেই দুর্ঘম।

দিশেহারা পথের ঠিকানা ভুলে ছুটাছুটি

যতটুকু দিই দৌড় আবার সব যায় ঘুটি।

মাতাল হয়ে যায় না যাওয়া সংগ্রাম সম যুদ্ধে

নগরবাসীর জাগল সাড়া রুখতে গিয়ে ক্রদ্ধে।

যুদ্ধে এবার যাচ্ছি আমি প্রশ্ন কোন নাই

রক্তের বদলা রক্তেই নেব কেউ পাবে না ঠাঁই।

বীর হব না গাজী হব ভাবার সময় নাই

প্রতিশোধের নগ্ন আগুন জ্বলে পুড়ে ছাঁই।

লাগছে ব্যাথা কলিজাতে কে সে ছিল সাঁই

হারিয়ে গেল কি যে তখন, এখন বুঝি হায়!।

রনাঙ্গনের মাঠে কেবল বারূদ লাশের গন্ধ

লাগছে আজ ভিষণ ভালো হোক তবুও মন্দ।

সবার গায়ে ইউনিফরর্ম সেনা সৈনিক অন্যতম

কাঁদে ঝুলছে সমরস্ত্র তারা বীর বীরউত্তম।

আমি হলাম মাতাল সেনা পোষাক কেন নুন্যতম

হাসল হাসি সেনাপতি, তবুও করছে শত্র“ খতম।

ডঙ্কা দিয়ে শঙ্কা ভেঙ্গে ডাকল সেনা সমর কাজী

মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী তোমার প্রাণটা বাঁচুক আজি।

পোষাক পরে সমর সাজে ছুটার জন্য যখন রাজী

পলক সেথায় মারল ছুড়ে ধরল বুকে কৃষাণ মাঝি।

দলছুটে সব ছুটল তারা, টগ-বগিয়ে অশ্ব ত্যাজি

ঠুনকো সেই নোলক ছেঁড়া, রক্তে ঋণে রাখল বাজী।

রক্ত নেশার বুধ চেপেছে ভুলে গেছি বাঁচার পণ

রণাঙ্গণেই শহীদ লেখা লিখে নিতে করছি রণ।

দয়া-মায়ার দার ধরিতে মানে না আজ অবুঝ মন

রক্ত-রাঙ্গা শোধের দাবী ভেঙ্গে ফেলতে মরু-বন।

লাখো লোভের মোহে লাথি, চাই না নিতে তারী ধন

এক সাথে আজ লড়ছি মোরা বাঁচতে চাই না কোন জন।

তবুও মোরা নোঙ্গর ফেলব সু-নিশ্চিত নিশানা বিজয়ের

সকল ভয় কৃপণতা দুর করে দেব উদর ও হৃদয়ের।

হুঙ্কার আর ঝংকারে গাইবো গান আজকে শহীদের

আমাদের পতকা উড়বে উড়বে বিপলবী ঐ আজাদের।

কোটি কোটি জনপদ দেখবে সোনালী শাসন মসনদের

আমাদের রক্ত খঞ্জর হাসবে সেদিন, মুক্ত নব উললাসের।

সেই স্বপ্নের শপথ দিয়ে লুটিয়া পড়িল সেনাপতি ময়দানে

ত্যাজিয়া দীপ্ত ক্ষিপ্র গতিতে ছুটিলাম অনিয়ম বিধানে

প্রলয় ঝংকারের বাজিয়াছে দামামা মানছে না বাঁধা কোন বাঁধনের

কত শত্র“র শির শিরোচ্ছেদ করে শুনছি ধ্বনি আজ আযানের।

আললার পয়গাম রাখিতে জারী বুকে নিয়াছি বাণী কোরানের

আমি সেই বীর সিপাহী রণবীর ঠিকানা পেয়েছি বিপলবী বিধানের।

লা-শরীক ইললালাহ্ তাকবীরে লুটিয়া পড়েছি আমি হায়!

ঝরছে আজ রক্তের স্রোত অমৃত লাশের কাঁচা কলিজায়।

ধ্বনিত ধ্বনিত বিজয়ের মিছিল ঐ তো দেখি শোনা যায়

আলোর পৃষ্ট হতে যেন আজ অন্দকার দুরে সরে যায়।

যন্ত্রনা নয় ! কাতরতা নয়! মহাকাল বিজয়ের গন্ধ পায়

অরুন রাগের তরুন খুনে হাসল সুখ-নুপুরের শব্দ পায়।

কোটি মায়ের বক্ষ ছেড়া. রক্ত ঝরলো যাদের ধন

কেঁদে কেঁদে নিতে আসল, লাশ কাঁটা তার বেঁদন।

মাগো তুমি কাঁদছ কেন? না হয় হলাম অবুঝ খোকা

আমি আজ বীর শহীদ, কেউ বলবে না আর বোকা।

যুদ্ধে যাব বলেছি মা! স্বদেশ আমায় দেইনি ধোকা

ধর্মের জন্য প্রাণ দিয়েছি, বলনা মা আর এক রোখা।

যুদ্ধে যাব বলে বলে যুদ্ধে চলে গিয়েছি

সময় পাব বলে বলে সব সময় শেষ করেছি।

শহীদ হব বলে বলে পূর্ণ শহীদ কি হয়েছি?

দ্বীন কায়েমের কথা বলে দ্বীন কি কায়েম করেছি?।

আমি যুদ্ধে এসছি! আমি যুদ্ধে এসছি!

বিজয় শেষে পতকা তুলে রক্তে ভেজা কবিতাটি লিখেছি।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.