নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সালেহিন মুকুল

সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে চাই

সালেহীন মুকুল

নিজেকে সংরক্ষন করার নিমিত্তে, কিছু কথা যা সব সময় বের হয় না সেসব কথাগুলোকে সংরক্ষন করা।

সালেহীন মুকুল › বিস্তারিত পোস্টঃ

গর্জে ওঠ তরুণ প্রজন্ম...

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৬

আজ সময় এসেছে গর্জে ওঠার। আজ সময় এসেছে তরুণ প্রজন্মের জেগে ওঠা। আজ সময় এসেছে সকল দুর্নীতিবাজদেরকে মাটির সাথে পিষে ফেলার। আজ সময় এসেছে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা কারী রাজাকার আল-বদরদের, আল- শামসদেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাদেরকে তাদের জায়গায় পৌছিয়ে দেয়ার। হ্যা আমি এদেশের একজন সচেতন তরুণ প্রজন্ম বলছি। আমি আজ আমার জীবনের ওপর শপথ করে বলছি রাজাকার তুমি যেই হউ না কেন যে দলের বড় নেতাই হউ না কেন তোমাকে আমরা তোমার ওই গোপন আস্তানা থেকে বের করে আনবোই । তোমাদেরকে তোমাদের কৃত কর্মের শাস্তি পেতেই হবে। সাঈদী, নিজামী,মুজাহিদ,কাদের,আজাদ সহ যেসব জামায়াত নেতারা যুদ্ধাপরাধী সকলের সঠিক বিচার চাই। যাতে কোন অপরাধী আইনের কোন ফাক-ফোকর দিয়ে বের হয়ে যেতে না পারে সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। আবার কেউ বিচারের বাইরে বাদ পড়ে যাচ্ছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখাটা খুব জরুরি। কারন আমাদের তরুণ প্রজন্মকে যাতে কোন ধোকার মধ্যে ফেলে কো রাজনৈতিকদল যাতে তাদের স্বার্থ-সিদ্ধি না করতে পারে এটা দেখা আমাদের ই দায়িত্ব। তাই আজকে আমি আরও কিছু যুদ্ধাপরাধীর তালিকা দিলাম।

ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা :

১) খন্দকার মোশাররফ হোসেন। লেবার মিনিষ্টার এবং হাসিনার বিয়াই, ৭১ সালে তার বাড়িতেই পাকবাহিনীর ক্যাম্প ছিলো। এই মোশারফের বাবা ছিলেন ফরিদপুরের শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান।.

২) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর… ১৯৭১ সালে যুদ্ধের ৯ মাস ময়মনসিংহে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (জেনারেল) ছিলেন। পাকিস্তান রক্ষার জন্য রাজাকার বাহিনী নিয়োগ কর্তা ছিলেন (বলেছেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকি বীর উত্তম)।.

৩) এইচ এন আশিকুর রহমান…… আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ ও বর্তমানে রংপুর-৫ আসনের এমপিএবং অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি.. ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে আশিকুর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসাবে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা।.

৪) সাজেদা চৌধুরী …সংসদ উপনেতা ও শেখ হাসিনার ফুফু। পাকিস্তানের গেজেট করা রাজাকার। ৭/৮/১৯৭১ তারিখের পাকিস্তান সরকারের গেজেটবদ্ধ।.

৫) ১৯৯৬ এর কেবিনেটে জামালপুরের নুরু রাজাকারকে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বানিয়েছিলো হাসিনা।.

৬। লিয়াকত আলী -হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি.

লিয়াকত আলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হয়েছে। হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী হচ্ছেন লাখাই কৃষ্ণপুর গ্রামের হরিদাস রায়। মামলায় ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।.

এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রোববার ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে প্রধান আসামী লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে পাক বাহিনী উপজেলার কৃষ্ণপুর, গদাইনগর ও চণ্ডিপুর গ্রামে ১২৭ জনকে হত্যা করে। আরজিতে শহীদ ৪৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।.

৭।আকবর আলীর -বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি.

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আকবর আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হয়েছে। আকবর আলী কিছুদিন আগেও আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।.

১৯৭১ সালের ১৭ মে আসামি আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেন এবং যাবার সময় আগুন দিয়ে ঘর পুড়িয়ে দেয়। প্রামাণিকের ছেলে আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী ও শান্তি কমিটির নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকায় নারী ধর্ষণ ও লুটপাটে পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।.

৮।আব্দুল হামিদ গাজী -(তথা কথিত আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা ) শ্যামনগর থানার কাশিমারি গ্রামের কানাই গাজীর পুত্র.

৯।আনোয়ার হোসেন কারিকর -বর্তমানে সাতক্ষিরা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি.

১০।আদর আলী কারিকর- (আনোয়ার হোসেন কারিগরের ভাই).

১১।আব্দুস সবুর মোল্লা -সাতক্ষিরার শ্যামনগর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী।.

১২।ছইলউদ্দীন তরফদার-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা.

১৩।আব্দুল হক তালুকদার-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা.

১৪।আব্দুস সবুর মোল্লা-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা.

১৫। রহিম পাড় -কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা.

১৬।সেলিমের বেয়াই মুসা বিন শমসের.

১৭।হাসিনার বেয়াই মোশাররফ- ফরিদপুরের শান্তি কমিটির লীডার.

১৮। আনোয়ার হোসেন- আওয়ামী লীগের সাংসদ.

১৯।মাওলানা নুরুল ইসলাম- সাবেক ধর্মমন্ত্রী.

২০। চৌধুরী পিরু মিয়া- সিলেট-৩ আসনের সাংসদ.



মুক্তি যুদ্ধের তথাকথিত ধারক বাহক দের কাছে আমার প্রশ্ন, বর্তমানে আওয়ামী ও বাম রাজনীতির এই সমস্ত রাজাকার দের বিচার আপনারা চাইবেননা কেনো ?



তথ্যসূত্রঃ- Click This Link





মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৯

নাসিফ নীরব বলেছেন: আপনি যে তালিকা দিলেন, আর যাদের বিরুদ্ধে বললেন, তার তথ্যসূত্র কোথা হতে পেলেন। প্রমাণ দেন। দুই তিন ঠিক আছে, তাই বলে সবাই। আর যে নিউজ পেপারের লিঙ্ক দিলেন ওটা জামায়েতের পেপার। আপনি হয়তো ভুলে শাহবাগ চত্তরে আজ লাক্ষো তরুন শুধু একটাই স্লোগান দিচ্ছে, রাজাকাদের ফাসি চাই। শুধু কাদের মোল্লার কথা বলা হচ্ছে না। এখানে কোন রাজনৈতিক দলের নেতারে এসে সুবিধা করা হচ্ছে না। কাউকে দুই মিনিটের বেশি কথা বলা হচ্ছে না।

আজকাল বাজারে কিছু ভদ্র বেশি ছাগু বের হচ্ছে, যারা এটা নিয়ে ইস্যু তৈরি করছে। আপনিও ওই দলে। তা কার থেকে অনুপ্রানিত হয়ে এই পথে চললেন। পাগল হওয়া সাজায়, কিন্তু ছাগু হওয়া সাজায় না।

২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:১৯

সালেহীন মুকুল বলেছেন: ওখানে কি নিয়ে শ্লোগান দেয়া হচ্ছে সেটা টেলিভিশনের খবর দেখলেই শোনা যায়। আর আমি কোন পত্রিকার লিঙ্ক দেই নাই দিছি ওই পত্রিকার পেজের নিচের একজনের কমেন্ট এর লিঙ্ক। একটু ভাল করে খেয়াল করে দেখলেই বুঝতে পারতেন। কিন্তু আমি জানি আপনি সেটা করবেন না। যাই হোক আমি যেভাবে চলছি সেভাবেই খারাপ সব কিছুর বিষয়ে লিখতেই থাকব। কারণ আমি আর দশটা অন্ধ তরুণ না। যারা নদীর স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়ে পার হতে চায় কিন্তু সাতার কাটতে চায় না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.