| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সালেহীন মুকুল
নিজেকে সংরক্ষন করার নিমিত্তে, কিছু কথা যা সব সময় বের হয় না সেসব কথাগুলোকে সংরক্ষন করা।
ঢাকার কেরানীগঞ্জে শিশু পরাগ মণ্ডল অপহরণের ঘটনার পরিকল্পনাকারী সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া যুবলীগের নেতা আমিনুল হক ওরফে জুয়েল মোল্লাসহ তিন আসামি জামিনে বেরিয়ে গেছেন। জামিনপ্রাপ্ত বাকি দুজন হলেন আলফাজ হোসেন ও মামুন মিয়া।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে গত ১৫ জানুয়ারি জুয়েল মোল্লা, ২৩ জানুয়ারি আলফাজ ও ৭ ফেব্রুয়ারি মামুন জামিন পান। এঁদের জামিন থেকে শুরু করে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়াসহ পুরো বিষয়টিতে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (জেলা পিপি) খোন্দকার আবদুল মান্নানও বিষয়টি জানতেন না বলে তিনি গতকাল সোমবার প্রথম আলোকে বলেছেন। তাঁর দাবি, প্রথমে এক আসামি জামিনের আবেদন করেছিলেন। তিনি এর বিরোধিতা করেছিলেন। এর পরের ঘটনা সম্পর্কে অবহিত নন তিনি।
গতকাল ঢাকা জেলার পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় (জিআরও) মামলার নথি দেখতে চাইলে বলা হয়, মামলার নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রয়েছে। এরপর খোঁজ নিলে জেলা জজ আদালত সূত্র জানায়, ১০ ফেব্রুয়ারি মামলার নথি সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন শাখায় পাঠানো হয়েছে।
আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শুনেছি ঢাকার জেলা জজ মো. আবদুল মজিদের আদালত থেকে কয়েকজন আসামি জামিন পেয়েছেন। তবে কে কে জামিন পেলেন, তা মামলার নথি না দেখে বলতে পারব না।’ তিনি বলেন, বিচারিক হাকিম আদালতে জামিন হলে, তাতে তাঁর বিরোধিতা করার সুযোগ থাকত। কিন্তু জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করার দায়িত্ব জেলা পিপির।
©somewhere in net ltd.