| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যুদ্ধাপরাধীরা জাতির দেহে মারাত্মক ক্যান্সার।এদের এখনই বিচারের আওতায় আনা উচিত।সমস্যা আছে বলেই আমরা সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখি। হাজারো প্রতিকূলতা, সমস্যার পরও আমরা আগামীর স্বপ্ন দেখি! সে স্বপ্ন নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন!
সাঈদীর উপস্থিতিতে ওই সভা থেকেই 'মুরতাদ'কে কতলের নির্দেশ জারি করা হয়।
গাফফার খান চৌধুরী ॥ প্রথাবিরোধী লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ খুনের চক্রানত্ম করা হয় হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২ মাস আগে। ২০০৩ সালের ২০ নবেম্বর দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ঈদ সংখ্যায় হুমায়ুন আজাদের লেখা উপন্যাস 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' প্রকাশিত হয়। উপন্যাসে মৌলবাদীদের আসল চেহারা আরও উন্মোচিত হয়। বইটি রাতারাতি আলোচনায় চলে এলে মারাত্মক বিচলিত হয় জামায়াতে ইসলামী। হুমায়ুন আজাদের এ ধরনের উপন্যাস লেখার পেছনে আসল উদ্দেশ্য ও বিশেষ কোন মহলের ইন্ধন আছে কি-না তা জানতে জামায়াতে ইসলামী একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে। দলটির নায়েবে আমির দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে প্রধান করে গঠিত ও অনুসন্ধান কমিটিতে জামায়াতপন্থী বুদ্ধিজীবী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও ছাত্র শিবির নেতাকেও রাখা হয়েছিল। কমিটির দেয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই হত্যা করা হয় হুমায়ুন আজাদকে। পুরো হত্যাকান্ডের মনিটরিংয়ের দায়িত্বও পালন করেন দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী।
মামলার তদনত্মকারী সংস্থা সিআইডির এক উর্ধতন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে জনকণ্ঠকে জানান, 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' উপন্যাসটি পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় কপাল পোড়ে অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের। সিআইডি টানা এক সপ্তাহ ধরে উপন্যাসটির ব্যাপক পর্যালোচনা করেছে। এছাড়া মৃতু্যর আগে হুমায়ুন আজাদের দেয়া সাৰাতকারের বক্তব্যও নানাভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি মামলার নথিপত্র ব্যাপক পর্যালোচনা শেষে সাঈদীকে এ মামলায় তিন দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। সাঈদীকে হুমায়ুন আজাদ মারা যাওয়ার পর দেয়া বক্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ব্যাপক জেরার মুখে অবশেষে সাঈদী অনেক কিছুই স্বীকার করেছেন।
সাঈদীর বরাত দিয়ে ওই কর্মকর্তা জানান, 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' প্রকাশিত হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামী দলীয় বৈঠক করে। বৈঠকে জামায়াত সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দিতেই বইটি সুপরিকল্পিতভাবে লেখানো এবং প্রকাশ করা হয়েছে বলে শীর্ষ জামায়াত নেতারা একমত হন। এর পেছনে বিশেষ কোন মহলের হাত রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, বইটি জামায়াতের রাজনীতিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পারে। এ ব্যাপারে এখনই পদৰেপ না নিলে জামায়াতের ভবিষ্যত রাজনীতি ৰতিগ্রসত্ম হতে পারে।
সেই পদক্ষেপের অংশ হিসাবে বৈঠকে উপন্যাস লেখার কারণ ও লেখকের ইন্ধনদাতাদের খুঁজে বের করতে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান করা হয় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে। সাঈদীকে কমিটির প্রধান করার পেছনেও ছিল বিশেষ রহস্য। সাঈদী বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে বত্তৃতা করেন। ওয়াজ মাহফিলে মধুর কথার মাধ্যমে মানুষের মনে 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' বই সম্পর্কে খারাপ ধারণা জন্ম দিতেই সাঈদীকে কমিটির প্রধান করা হয়েছিল। এরপর থেকেই হুমায়ুন আজাদ সম্পর্কে বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে সাঈদী উস্কানিমূলক বক্তব্য দিতে থাকেন। কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী চার শিৰককে রাখা হয়েছিল। চার শিৰকের মধ্যে কলা অনুষদের এক শিৰককে কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছিল। এই শিৰক আত্মস্বীকৃত রাজাকার। এই শিৰকও বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা করেন। তিনি হুমায়ুন আজাদের পাশের বাসায় বসবাস করছিলেন। এই রাজাকার শিৰকের সঙ্গে অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের মানসিক দূরত্ব থাকলেও পাশাপাশি বসবাস করার কারণে সামাজিক সম্পর্ক চলনসই ছিল। জামায়াতের নির্দেশেই তিনি হুমায়ুন আজাদের সঙ্গে ভাল সম্পর্কও গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কমিটিকে সহযোগিতা করতে ছাত্র শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কয়েকজনকে রাখা হয়েছিল। কমিটিতে থাকা সদস্যদের জামায়াতে ইসলামীর তরফ থেকে 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' উপন্যাসের একটি করে কপি সরবরাহ করা হয়েছিল। উপন্যাসটি কমিটির সবাই কয়েক দফায় পাঠ করেছেন। এরপর কমিটি হুমায়ুন আজাদের ওপর তদনত্ম ও নজরদারি শুরম্ন করে। তদনত্মে এ ধরনের উপন্যাস লেখার পেছনে কোন বিশেষ মহলের ইন্ধন দেয়ার অসত্মিত্ব খুঁজে পায়নি অনুসন্ধান কমিটি। তারপরও হুমায়ুন আজাদকে মানসিকভাবে ঘায়েল করতে অনুসন্ধান কমিটি ছাত্র শিবিরের কতিপয় সদস্যকে হুমায়ুন আজাদের পেছনে লেলিয়ে দেয়। তারা হুমায়ুন আজাদ চলাফেরার সময় কাছাকাছি গিয়ে হুমায়ুন আজাদকে পাগল, মাথা খারাপ, অসভ্য, উন্মাদ টিপ্পনি ইত্যাদি কাটত। এভাবে মাসখানেক ধরে হুমায়ুন আজাদকে মানসিক নির্যাতন করে ছাত্র শিবিরের লেলিয়ে দেয়া কর্মীরা। এমন মানসিক নির্যাতনে প্রায়ই হুমায়ুন আজাদ টিচার্স লাউঞ্জ থেকে আগে আগে রিঙ্াযোগে বাসায় ফিরে যেতেন। বিনা কাজে বাইরে যেতেন না। এরপর শুরম্ন হয় টেলিফোনে হুমকি। তাতেও পিছু হটেননি হুমায়ুন আজাদ।
পরে কমিটিকে জানানো হয়, উপন্যাসটি লেখার পেছনে কারও ইন্ধন নেই। হুমায়ুন আজাদ নিজ ইচ্ছায় এ উপন্যাস লিখেছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও উপন্যাস লেখার প্রস্তুতি রয়েছে তাঁর। এমন রিপোর্টের পর এ ব্যাপারে স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজে জামায়াতে ইসলামী। পরে জামায়াত ও শীর্ষ জঙ্গী নেতাদের এক বৈঠকে হুমায়ুন আজাদকে মুরতাদ হিসাবে ঘোষণা করে তাঁকে কতল করার নির্দেশ জারি করা হয়। এরপর জঙ্গীদের এক গোপন আসত্মানায় সাঈদী ওয়াজ মাহফিলে বলেন, যে বান্দা কাফের হত্যা করে, তার জন্য বেহেসত্মের দুয়ার খোলা। আর যে মুরতাদ হত্যা করে তার জন্য তো কথাই নেই।
হুমায়ুন আজাদকে হত্যার আগে একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে শায়খ রহমান ও বাংলাভাইসহ জেএমবির শীর্ষ জঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সাঈদীর ওয়াজের পর জেএমবিতে থাকা ছাত্র শিবিরের ক্যাডারদের হুমায়ুন আজাদকে হত্যার পরিকল্পনা বাসত্মবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়। এজন্য জেএমবিতে থাকা শিবির ক্যাডার আতাউর রহমান সানির নেতৃত্বে শহীদ (ভাগ্নে শহীদ), মিজানুর রহমান শাওন, আব্দুল আউয়াল (ফাঁসিতে মৃতু্য) ও শামীমসহ কয়েকজনকে নিয়ে একটি বিশেষ কিলিং স্কোয়াড গঠন করা হয়। ওই স্কোয়াডই ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রম্নয়ারি বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে হুমায়ুন আজাদের ওপর হামলা চালায়। পরে ২২ দিন তাঁকে সিএমএইচে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তাঁকে ৪৮ দিন ব্যাঙ্ককে চিকিৎসা দেয়া হয়। সর্বশেষ একই বছর জার্মানির মিউনিখে তিনি ১২ আগস্ট রহস্যজনকভাবে মারা যান। পুরো কিলিং মিশন মনিটরিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন সাঈদী। কিলিং মিশন সফলতার সঙ্গে শেষ করতে পেরেই হুমায়ুন আজাদ মারা যাওয়ার পর সাঈদীসহ ও জেএমবির জঙ্গীরা মিষ্টি খেয়ে ও বিতরণ করে আনন্দ করেছিল। খুশিতে সাঈদী বলেছিলেন, 'এক মুরতাদ ছিল। আমরা তাঁকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছি। এদেশে সরিয়ে দিলে নানা ঝামেলা হতো। তাই বিদেশে সরিয়ে দিয়েছি।' মিষ্টি খেয়ে ওই অনুষ্ঠানে হুজিপ্রধান মুফতি হান্নানও বলেছিল, অধ্যাপক আজাদ নামে এক মুরতাদ ছিল। সে মারা গেছে। তাই আমরা মিষ্টি খেয়ে আনন্দ করছি।
তথ্য সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ
২|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৪
কিরিটি রায় বলেছেন: এইসব বালছাল ধ্যান ধারনা ছাড়..
তোগো আম্মায় যখন জামাতের সমর্থন লইয়া সরকার বানাইছিল তখন জামাতী কিটগুলঅ বুঝী তগো আম্মারেও এম্তে নাচাইত....!!!
মৌলিক বিষয় না থকলৈই এই সব বালছাল লইয়া ফালাফালি..
৩|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৪
যোগী বলেছেন: জামায়াত জঙ্গী একই সুতায় গাঁথা
এই শিরোনামে অনেক আগে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম
সেটাই আজকে প্রমানিত
৪|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৫
খালিদ আয়াতুল্লাহ বলেছেন: ইহাওকি আগাচৌ র প্লান চ্যাট!
ফালতু
৫|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৭
সালমা রহমান বলেছেন: আরো রঙ অপেক্ষা করতাছে। কিছুদিন পর টের পাইবা রঙ কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি । রঙের কারখানায় যাওয়ার প্রস্ততি নাও।
৬|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮
যোগী বলেছেন: @কিরিটি রায় করিস ইসলাম নিয়া ব্যাবসা, নিক লইছস হিন্দুর আর মুখে গালিগালাজে ফুলঝুরি ছুটাচ্ছিস।
আর কত ভন্ডামি আছে তোদের?
৭|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০০
মারিয়া আকতার বলেছেন: সালমা আপা কোন পত্রিকার এরকম আজগুবি টাইপের বানানো সংবাদ ব্লগে দিয়েন না, পরে জামাতিদের কাছে ছোট হতে হয়। দেখলেন জঙ্গি সাইদুরের সাথে জামাত নেতাদের মুখোমুখির ব্যাপারে পত্রিকাগুলোর বানানো ভুয়া খবরে জামাতিদের ব্যাপারে জনগণের ইতিবাচক ধারণা জন্ম নিল।
৮|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০১
নষ্ট কবি বলেছেন: নপুংসকের দল আজ ও সক্রিয়.........
ওরা নপুংসকের মতোই হত্যা করেছে তাকে,,,,,,,,,,,,,,,
৯|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০১
সালমা রহমান বলেছেন: এই লেখায় যদি মৌলিক বিষয় না থাকে, তবে মৌলিক বিষয় জানা থাকলে পোষ্টে দেবার আহ্বান জানাচ্ছি।
১০|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০৩
ফেরারী মন বলেছেন: এই কেউ কতা কইবিনা । বেশী কতা কৈলে কিন্তু কল্লা ফালাইয়া দিমু। দেখসোস হাতে কি?
১১|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০৮
মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন: ঘাতক দালাল মুক্ত দেশের জন্য আত্মত্যাগী ড. আজাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং এই সব আরণ্যিক নির্বোধদের শাস্তি দাবী করছি।
১২|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১৫
সালমা রহমান বলেছেন: মারিয়া আপুকে বলছি:
পত্রিকায় সব সংবাদই যদি আজগুবি হয় তবে তো জামাতী সাংবাদিক আর জামাতী সংবাদ পত্র বাদে সবই আজব। আর জামাতীদের ব্যাপারে যাদের ইতিবাচক ধারনা জন্ম নেয় তারা আসলে ইতিবাচক শব্দটির অর্থ ভাল বুঝতে পারে না। জামাতীদের জন্মই অন্যদের ছোট করার জন্য। ৭১ এ যেমন মা বোনের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে তেমনি এখন বাংগালী জাতির ইজ্জত নিয়ে টানটানী করছে। সমাজে যে সত্য কথা বলে সে সমাজের কাছ থেকে কখনোই ভাল কিছু পায় না এটাই বান্তবতা।
১৩|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১৬
গডফাদার০২ বলেছেন: আগাচৌ এর বাণী
একুশের অমর গানের রচয়িতার এই সব বালখিল্য প্রলাপ দেখলে ইদানিং করুনা ছাড়া আর কোন ভাব মনে আসেনা
১৪|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪০
গরম ভাত বলেছেন: @সালমা আফা, প্রমান পত্র সব তো আপনার হাতে। তো দেরী করতাছেন কেন? লন বিসমিল্লাহ কইরা হনুমান আজাদের লাহান সাঈদীরেও কোপান। কোপানে কোপানে দেশ ভরপুর কইরা দিবেন। সুবানাল্লাহ।
১৫|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪০
ডাঃ মাহমুদ মুন বলেছেন: rajakar der bichar hok eta e karone chai jate er [porborti obostha ta dekhte pai! mone hoy jeno amader sob somossar mule oi rajakarder! khun,sontrasi,dhorson,durniti,tenderbaji sobkisui oder karone!!!!!oder fashi hole amra sob kisu theke mukti pabo!!!!!!!!! oder fashi chai!!!!!!!!!!tarpor dekhbo amar shonar banglar shonar manush ra deshke kotota unnotite nie jay????? amra jamati der fashi chai bole mukhe fena tultesi r to khali nije der mukhe boli amra desh k valobashi. assa bolento amra desh k valobeshe desher ki upokar korsi???????? jati koto tuku upokrito hoise amader dar???????ans plz???
১৬|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩
এস এইচ খান বলেছেন:
নারীরা মায়ের জাতি। এদের সন্মান করুন। মাকে সন্মানিত করা হবে।
আপনার এ চমৎকার কথাগুলোর সাথে এই যে বললেন, রঙের কারখানায় যাওয়ার প্রস্ততি নাও। এটা কি কোন ভাবে তুলনা করা যায়? আমি আপনাকে কি কোন অন্যায় বলেছি? আপনি আমাকে হুমকি দিলেন। ভ্য় পাবার কথা, কেননা পত্রিকা ছাপিয়ে আজ একজন পোস্ট দিয়েছেন, বুড়িগংগায় কি ভাবে অপরিচিত লাশ ভাসছে। ভয় পাবারই কথা। সে যাকগে,
আপনার কিছুক্ষণ পূর্বে দেয়া একটি চমৎকার ইসলাম পুনর্জীবিত করন পোস্টে আপনারই একটা মন্তব্য:
সালমা রহমান বলেছেন: নিভৃত পথচারী আপনাকে অসংখ্য বার ধন্যবাদ তথ্য মূলক মন্তব্য করার জন্য। যারা মু্ওদদী ভন্ড ধারার ধারক বাহক সত্য, বস্তুনিষ্ঠ কিছু চোখে পড়লে এদের শরীরে চুলকানি শুরু হয়। তাই তারা আজে বাজে মন্তব্য করে মানুষের দৃষ্টি অন্য দিকে নেবার ব্যর্থ চেষ্টা করে । হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন, আউলিয়া গণ দ্বারাই আল্লাহপাক আবার ইসলামকে পুনর্জীবিত করবেন ইশাল্লাহ। ধর্ম ব্যবসায়ীদের শাস্তিও আল্লাহ নিশ্চয়ই দিবেন।
]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]
দেখে শুনেতো আপনাকে খাটি ( খাটি এ কারনে বল্লাম, খাটিরা আগে ছিলনা ইদানিং বাংলাদেশে নাজিল হইছে ) মুমিন মুসলমান বলেই মনে হয়! এতটুক সময়ের ব্যবধানে হঠাৎ করেই আবার হু. আজাদ আর জনকন্ঠের কপি পেস্ট? আচ্ছা বলুনতো, মৃত আজাদ আর জীবিত আজাদ, আজাদের এই দুই অবস্হায় জার্মানির কাছে কোনটা বেশী প্রয়োজন ছিল?
আপনার এই তথ্য শেয়ার নিয়ে ইতিমধ্যে একজন মায়ের জাতি প্রশ্ন তুলেছেন আর আমি বলব, সময় করে সুরা হুজরাতের ৬নং আয়াতটি দেখে নিবেন।
১৭|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫০
িময়াজী বলেছেন: '' মারিয়া আকতার বলেছেন: সালমা আপা কোন পত্রিকার এরকম আজগুবি টাইপের বানানো সংবাদ ব্লগে দিয়েন না, পরে জামাতিদের কাছে ছোট হতে হয়। দেখলেন জঙ্গি সাইদুরের সাথে জামাত নেতাদের মুখোমুখির ব্যাপারে পত্রিকাগুলোর বানানো ভুয়া খবরে জামাতিদের ব্যাপারে জনগণের ইতিবাচক ধারণা জন্ম নিল। ''
১৮|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫২
কাকতুয়া বলেছেন: আর কি দেখতে হইবো
আর কি শুনতে হইবো
১৯|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
কলমবাঁশ বলেছেন: কিরিটি রায় বলেছেন: এইসব বালছাল ধ্যান ধারনা ছাড়..
তোগো আম্মায় যখন জামাতের সমর্থন লইয়া সরকার বানাইছিল তখন জামাতী কিটগুলঅ বুঝী তগো আম্মারেও এম্তে নাচাইত....!!!
মৌলিক বিষয় না থকলৈই এই সব বালছাল লইয়া ফালাফালি..
২০|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
বুড়ো বলেছেন: কিরিটি রায় বলেছেন: এইসব বালছাল ধ্যান ধারনা ছাড়..
তোগো আম্মায় যখন জামাতের সমর্থন লইয়া সরকার বানাইছিল তখন জামাতী কিটগুলঅ বুঝী তগো আম্মারেও এম্তে নাচাইত....!!!
মৌলিক বিষয় না থকলৈই এই সব বালছাল লইয়া ফালাফালি..
২১|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২
তাজ উদ্দীন সুমন বলেছেন: আচ্ছা তাই না! আর যারা রাজাকারদের মাইয়্যা বিয়্যা দেই তার কি কোন সুতাই বাধা। বুকে যদি এতটুকু দেশ প্রেম , স্বাধীনতা প্রেম থাকে তাহলে যারা রাজাকার এর সাথে সম্পর্ক করে তাদের সবার মুখে থু থু দেন, তাহলে বুঝব সত্যি আপনি দেশ প্রেমিক আর যদি না পারেন তাহলে আমি বলব না আপনি নিজে নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি কি???????
২২|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২
তারেক মাসউদ বলেছেন: জামাত-শিবিরের ধ্বংস হউক।
সকল জামাত -শিবির নেতা কর্মীর ফাসি চাই।
২৩|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪
গরম ভাত বলেছেন: সালমা আফা মাতলামীর একটা সীমা আছে। এই টেকনোলজীর যুগে এই মাতলামী মানায় না। যুক্তি দিয়ে কথা বলা শিখুন। নিজেকে উদ্ধার করুন।
২৪|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭
গরম ভাত বলেছেন: তারেক মাসউদ বলেছেন: জামাত-শিবিরের ধ্বংস হউক।
সকল জামাত -শিবির নেতা কর্মীর ফাসি চাই।
ভাইজান ইয়াআ বিরাট একটা রশি চাই। ফাসি দিমু।
২৫|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭
কুয়াশা বলেছেন: হ এখন সাইদি জেলে আছে। আপনার প্রমান গুলি নিয়ে হাজির হন। লইয়ারদের ব্যপাক উপকার হবে।
২৬|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯
অতন্দ্রীলা বলেছেন: এখানে দেখি রাজাকার বান্ধব দের ছড়াছড়ি....
২৭|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৩
দিদুমিয়া বলেছেন: তুই কত বড় ছাগলরে...জনকন্ঠ কখনো রেফারেন্স হয় নাকি????
২৮|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
হোদল রাজা বলেছেন: আপনার ব্লগে দেখি জামাতি গালাগালি বেশী! গালিবাজ কতপ্রকার, তাই দেখতেছি!!
২৯|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪
শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন: সালমা বেগম দেখা যায় হুমা আজাদের অতিশয় ভক্ত, ক'দিন পর পরই হুমা আজাদ নিয়া হাজির হয়। পাকসার জমনি সাদ বাদে বর্নিত গাঙ কি আপনাকেও পুলকিত করিয়াছে !!! নাকি তার সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিয়ে রোমাঞ্চিত হন !!!
এ সংক্রান্ত আমার পোষ্ট দেখুন
Click This Link
৩০|
২১ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৪
শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন: প্রতিদিন একই প্যাচাল না পেড়ে বরং একটা কাজ করুন, পাক সার জমিন সাদ বাদ নিয়ে একটা থিসিস লিখুন, প্রথা বিরোধী'র ধ্বজাধারীরা আপনাকে একট "পিয়াজডি" ডিগ্রী দিলেও দিতে পারে।
৩১|
২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৬
পরবাসীর দেশপ্রেম বলেছেন: আগাচৌ দেখি মাগার ব্যবাক কিছু জানে......কেমতে জানে? হে ও কি আছিল নাকি কমিটি তে.....আগাচৌ কে অতি সত্বর গোয়েন্দা প্রধান পদ দেয়া হোক.....
৩২|
২২ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪২
এস এইচ খান বলেছেন:
যোগী বলেছেন: @কিরিটি রায় করিস ইসলাম নিয়া ব্যাবসা, নিক লইছস হিন্দুর আর মুখে গালিগালাজে ফুলঝুরি ছুটাচ্ছিস।
আর কত ভন্ডামি আছে তোদের?
]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]
ওহে যগাই, চালুন কয় সুইরে, তোর গোয়ায় একটা ছিঁদা
৩৩|
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭
শিব সত বলেছেন: ব্লগে জামাতিদের চিনে রাখুন।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫২
এস এইচ খান বলেছেন:
কতই রংগ জানোরে মানুষ,
কতই রংগ জানো।