নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অনেকে আমাকে \'স্বপ্নবাজ সৌরভ\' নামে চেনে।

স্বপ্নবাজ সৌরভ

এমন যদি হতো , ইচ্ছে হলে আমি হতাম প্রজাপতির মতো!

স্বপ্নবাজ সৌরভ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার প্রথম \'ইন্টারন্যাশনাল\' ক্রিকেট ম্যাচ

১৯ শে মে, ২০২২ রাত ২:১৪





বেশ ছোট। প্রাইমারীতে পড়ি। তখন কেউ যদি জিজ্ঞেস করতো বড় হয়ে কি হতে চাও?
অনেক কিছুই হতে চাইতাম। বৈমানিক, নাবিক, মহাকাশচারী এর বাইরে আরেকটা নাম বলতাম সেটা হচ্ছে ইমরান খান। ক্রিকেট খেলতাম কাঠের বানানো ব্যাট দিয়ে। পরে আব্বা ইমরান খানের নাম লেখা ব্যাট কিনে দিয়েছিলেন । আমরা ওটাকে বলতাম ইমরান খান ব্যাট। সোভিয়েত বইয়ের পাশে সযত্নে আগলে রাখতাম এই ব্যাট টা। বিকেলবেলার সঙ্গী। সন্ধ্যা হয়ে গেলে, খেলা শেষে বাড়ি ফিরতাম ব্যাট ঘাড়ে করে। বীরদর্পে। কারণ ইমরান খান ব্যাট যখন আছে তখন দুই তিনটা বাউন্ডারী অনায়াসেই মেরে দিতে পাড়তাম আর সাথে একটা ওভার বাউন্ডারী।
প্রতিপক্ষ ভাবতো, ওর তো ইমরান খান ব্যাট আছে । ওতো পারবেই। আমার এই ব্যাটটা প্রতিপক্ষকে দিতাম না। কেন দেব? উল্টো চার ছয় খেয়ে ম্যাচ হারার কোন মানে হয়?
তাই অনেকেই এই ব্যাট দিয়ে ব্যাটিং করার জন্য আমি যেই দলে ভাগে পড়েছি সেই দলে আসতে চাইতো। প্রতিপক্ষকে যে একেবারেই দিতাম না তা কিন্তু না। একবার বড় ভাইয়া(চাচাতো ভাই) আমার প্রতিপক্ষ হলো। আমার ব্যাট দিয়ে সে কি মাইর। ওদের তালকানা প্লেয়ার রোকিনও দুইটা ছয় মেরে দিল। মারবে আমি শিওর ছিলাম। মারবেই তো!


বাড়ির সাথেই খেলার জায়গাতে আমাদের খেলা চলতো। বড়রা আমাদের খেলা দেখতো। সবাই ক্রিকেট ভক্ত। আমার ছোটচাচা আবার কুষ্টিয়া জেলা টিমের খেলোয়াড় ছিলেন। তার মাধ্যমেই ব্যাট ধরা শুরু। আমরা খেলি আর টিভিতে খেলা দেখি। পাকিস্তানের খেলা হলে মিস দেই না। আমাদের টিভি ছিল না। ভেড়ামারাতে টিভির সংখ্যা কম। ছোটচাচা কাঁধে নিয়ে চলে যেত প্রেসক্লাবে। সাদা কালো টিভিতে রঙিন এক প্লেয়ার কে দেখতাম! ইমরান খান।

প্রতিদিন বিকেলে আমাদের খেলা চলে। নিজেদের মধ্যেই ভাগাভাগি করে খেলি। ভাগাভাগির ব্যাপারটাও ছিল মজার। আমরা বলতাম 'বাঁটা'। দুইজন অধিনায়ক থাকতো। আর আমরা জোড়া বেঁধে অধিনায়কের সামনে দাঁড়াতাম। জোড়া বাঁধা হতো সমমানের প্লেয়ার নিয়ে। দুইজনের মান যেন সমান থাকে। এবার ক্যাপ্টেনর সামনে গিয়ে বলতাম, কাকে চাও। আকাশ না বাতাস?
কে আকাশ আর কে বাতাস সেটা দুজন মিলে ঠিক করে নেয়া হতো। এবার ক্যাপ্টেনের চাওয়ার পালা।
আমি আবার বেশিরভাগ ভাগ সময়ই ইমরান খান হতাম। পরে নিয়ম করা হলো ইমরান খান হওয়া যাবে না!

আরেকটা ব্যাপার। যদি কেউ জোড়া না পায় , তাকে আমরা বলতাম 'পেটকাটা' । সে দুইদিকেই ব্যাটিং করবে আবার দুইদিকেই ফিল্ডিং করবে। বল দুরে চলে গেলে, ঝোপের মধ্যে পড়লে, চালে বাঁধলে আনার দ্বায়িত্ব ওর। সবচেয়ে দূর্বল প্লেয়ার 'পেটকাটা'র কাতারে পড়তো। এই যেমন ধরুন রোকিন তবে সেইদিন দুইটা ছয় মারার পড় থেকে তাকে আমরা বিশেষ বিবেচনা করতাম।

আমাদের মধ্যে বিষু জোড়ে বল করতো। বেশির ভাগই চাকিং। আমরা বলতাম 'ঢেল'। মানে ঢিল ছোঁড়ার মত করে বল করতো তাই।
ওর বল এসে একদিন আমার মুখে এসে লাগলো। আমি হাউমাউ করে কেঁদে ফেললাম। বড় আপা কোথার থেকে এসে বলল, "তোর আর ইমরান খান হবার দরকার নাই।" কত বড় অপমান! এই অপমানের শোধ তুলবো ভেবেছিলাম। কিন্তু আফসোস বিষুর বোলিংই নিষিদ্ধ হয়ে গেল তারপর থেকে।

বাড়ির পাশে খেলতাম। কিন্তু আমাদের খুব ইচ্ছা হতো অন্যদের সাথে একটা ম্যাচ খেলি। টিভিতে যেমন খেলে। সবাই খেলা দেখবে। অনেক দর্শক হবে। করতালি দেবে। ছবি তুলবে। পেপারে লিখবে। লাঞ্চ ব্রেক হবে। পুরস্কার বিতরণী হবে।
আমাদের এমন আগ্রহ দেখে। আব্বা একটা ম্যাচের উদ্যোগ নিলেন। হাইস্কুল মাঠে খেলা হবে। আব্বা ঐ স্কুলের হেডমাস্টার। আমাদের পরিচিত মাঠ। আমি তখন প্রাইমারীতে পড়ি। ভেড়ামারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। সবাই বলতো বোর্ড স্কুল।আমাদের প্রতিপক্ষ হলো আরেকটা প্রাথমিক বিদ্যায়ল। বেশ জমজমাট আয়োজন। হাড্ডাহাড্ডা প্রতিপক্ষ। ডিসেম্বরের ছুটির আগের শুক্রবার ম্যাচ। মাইকিং চলল। মাইকিংয়ে বাজলো 'বাঘে সিংহে লড়াই', 'বাঘে সিংহে লড়াই'। বড় ভাইয়া আমাদের ক্যাপ্টেন। সেরা ব্যাটসম্যান। তাকে বললাম, আচ্ছা সিংহ কারা? বড় ভাইয়া উত্তর দিল, তোমার কি মনে হয়?
আমার তো ধারণা ছিল আমরাই সিংহ! কেন যে জিজ্ঞেস করতে গেলাম।

ম্যাচের আগের দিন ঘুম এলো না। লাল পলো টিশার্ট আর সাদা টাউজার আব্বা রেখে দিলেন মাথার কাছে। আমি বললাম, আর ইমরান খান ব্যাট? আব্বা বললেন, ওটাও লাগবে?
ব্যাট পাশে নিয়ে শুয়ে পড়লাম। আমাদের খড়ের চালার ঘর। সেই ঘরে একজন ইমরান খান ভীষণ টেনশন নিয়ে ঘুমাচ্ছে।

উঠে পড়লাম ভোরে। তাড়াতাড়ি তৈরি হতে হবে। আম্মা আবার খেলা উপলক্ষে ফরজের নামাজ পড়েছে। সকালের নাস্তা ডিম পরোটা সুজি।
টেনশনে আমি কিছুই খেতে পারছি না। উঠোনে জটলা। চাচাতো ভাইয়েরা সব একই স্কুলের পড়ি। একই টিমের প্লেয়ার। ভীষণ উৎকণ্ঠা।
বড়রা সবাই উৎসাহ দিচ্ছে। বড়ফুফু বুকে ফুঁ দিয়ে যাচ্ছে।
দাদা জানালায় বসে ডাকলেন, 'কুটি ভাআআই? '
জ্বী দাদা।
'কাছে আসো একটু দোয়া করি। ব্যাটটাও আনো।'
দাদা দোয়া পড়ে ফুঁ দিয়ে দিলেন। সবাইকে অবাক করে দিয়ে দাদা আমার ইমরান খান ব্যাটেও 'ঝাড়া' দিয়ে দিলেন। এরপর বাঁকিরা একে একে দাদার কাছে গেল।

হাইস্কুল চত্বরে গিয়ে দেখি টিভির মতোই অবস্থা। শুক্রবার। অনেক লোক। বাচ্চাদের এমন আয়োজন তারা আগ্রহ নিয়ে দেখতে এসেছে । ক্লাস রুমের বেঞ্চ গুলো ক্লাসের বাইরে বের করা হয়েছে। স্কুলের দুইটা বিল্ডিং। উপড় নিচে দিয়ে দুইটাতেই বসার ব্যবস্থা। আমাদের বাড়ির সবাই (দাদা দাদী, বড়ফুফু আর কাজের লোক বাদে) চলে এসেছে। অন্যরকম পরিবেশ। ঠিক যেন টিভির ম্যাচ।

টস হয়ে গেল। টসে জিতে আমরা ব্যাটিং নিলাম। ১৬ ওভারের খেলা। প্রথমেই উইকেট পতন। এরপর ওয়ানডাউনে নেমে বড়ভাইয়ার দুর্দান্ত ব্যাটিং। মেজ ভাইয়াও মোটামুটি ভালোই করলো। আমি নামলাম ৬ ওভার হাতে থাকতে। কোচ ছোটচাচা বললেন, ইমরান খানের জন্য মোক্ষম সময়।
'মোক্ষম সময়' টা আমি কাজে লাগালাম। একেতে ইমরান খান ব্যাট আর সেই সাথে দাদার 'ঝাড়া'। ১৬ বলে ৩৩! শেষ বলে চার। ছোটচাচা দৌড়ে এসে কোলে নিলো। যেন ম্যাচ জিতে গেছি।

লাঞ্চ ব্রেকে দুইদলের প্লেয়ার কে ডিম, কলা, পাউরুটি, রসগোল্লা খেতে দেয়া হয়েছিল। পরে জানতে পারলাম এই আয়োজনটা আব্বাই করেছিলো। জেনে একটুও অবাক হয়নি।
ফিল্ডিংয়ে নামার আগে মেজচাচা সবাইকে চুইংগাম কিনে দিলেন। এতে নাকি টেনশন থাকে না। আর বললেন, খালি আপিল করবি।
আমরা ভিভ রিচার্ডের মত চুইংগাম চিবোতে চিবোতে মাঠে নামলাম। কার কতো জোড়ে শব্দ হয় সেটাও দেখার বিষয়।

ম্যাচটা আমরা জিতেছিলাম অনায়াসেই। টার্গেট ১৬ ওভারে ১৩৫ রান। অনেক। আমাদের ফাস্ট বলার 'মনো ভাই' প্রথম ওভারেরই নিলো ৫ উইকেট। এরপর ম্যাচে আর কিছু থাকে না। আর স্পিনার মেজভাইয়া নিল ৩ টা। টিমের ইমরান খান বল করার সুযোগই পেল না। কত বড় অপমান!

জিতে হৈচৈ করতে করতে বাড়ি ফিরছি। আমার প্রথম 'ইন্টারন্যাশনাল' ম্যাচ খেলার আনন্দ। জেতার আনন্দ। আহ 'ইন্টারন্যাশনাল' ম্যাচ ! স্বপ্নের মত।

বাড়ি ফিরলাম। হৈ হৈ করে দাদার কাছে গেলাম। দাদা খুশি হলেন এবং বললেন--
"এইযে আজ জিতে আনন্দ করছো। খুশি হচ্ছো। কিন্তু পরে হেরে যেতো পারো, এটা মনে রাখবা। তখন আবার মন খারাপ করবা না। কারণ আবার তোমরা জিতবা। "

দাদার এই কথাটা স্পষ্ট মনে আছে আমার,কোনদিনই ভুলবোনা। কথাটাই মনে রেখেছি শুধু, কথার মানেটা না।


ছবিঃ
ম্যাচের আগে তোলা। ষ্টুডিও থেকে লোক এসেছিলো। আমাদের টিম বসে আছে। ইমরান খান ব্যাটটা আমার হাতে নেই।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে মে, ২০২২ রাত ২:৪২

গরল বলেছেন: এখনকার বাচ্চারা এইসব খেলাধুলার আনন্দ থেকে বঞ্চিত, ভাবতেই খারাপ লাগে।

১৯ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:২৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: এখনকার বাচ্চারা অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাই।

২| ১৯ শে মে, ২০২২ রাত ৩:১৪

সোনাগাজী বলেছেন:


এখন আপনার স্বাস্হ্য কেমন?

১৯ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:৩৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: স্বাস্থ্য বলতে শারীরিক অবস্থা নাকি শারীরিক গঠন বলেছেন বুঝতে পারিনি। তাই দুইটাই বলি।
বুকের সমস্যার জন্য ইকো করেছি। সমস্যা ধরা পড়েনি। ডাক্তার বলছে পুরনো ঠান্ডা জনিত বিষয়। মন্টিলুকাস্ট ট্যাবলেট চালিয়ে যেতে বলেছে। আর বেশি তেমন খারাপ লাগলে ইটিডি। আমার হাঁটলে এবং সিঁড়ি ভাঙলে সমস্যা হয়।

শারীরিক গঠনের অবস্থা ছবিতে দিলাম। পেঠটা একটু মোটা ভাবটা ছবির চেয়ে কম। খাওয়ার পড়ে তোলা ছবি। তবে দুইমাস আগেও ওজন আরো কম ছিল। শরীর আরো কমানোর চেষ্টা করছি। ধন্যবাদ আপনাকে।

৩| ১৯ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:৩৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আহা! লেখাটা পড়তে পড়তে শৈশবের দিন গুলো হারিয় গেলাম। বর্ণনা ঝকঝকে তকতকে হয়েছে।+++

১৯ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:২৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: চোখের সামনে যেটা ভাসে সেটাই লেখার চেষ্টা করি। চোখ ঝাপসা হয়ে গেলে চোখ মুছে আমার লিখি।

ভালো থাকুন ভাই। শৈশব তরতাজা হোক।

৪| ১৯ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:৫৬

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: দাদার কথাটা চমৎকার।

১৯ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:২৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: দাদার কথা খুব মনে হয়। দাদা মারা যান তখন আমি ফাইভে পড়ি।

৫| ১৯ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:৪৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: আরেকটা ব্যাপার। যদি কেউ জোড়া না পায় , তাকে আমরা বলতাম 'পেটকাটা' । সে দুইদিকেই ব্যাটিং করবে আবার দুইদিকেই ফিল্ডিং করবে।


এ্যাএ.... :-B
এই জিনিস তো আমাদের মধ্যে ছিলো না!!!

১৯ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:০৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: এলাকাভেদে নিজেদের মধ্যে অনেক নিয়ম থাকে। সেটা অনেকের সাথেই মেলে না আসলে।
আপনাদের ওই একলা প্লেয়ারের নিয়মটা কি ছিল? অনেকে বলতো "দুধভাত"।

৬| ১৯ শে মে, ২০২২ বিকাল ৩:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: ব্যাট হাতে তিনজন কে দেখা যাচ্ছে।
আপনাকে খুঁজে পাচ্ছি না।

১৯ শে মে, ২০২২ বিকাল ৩:৫৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আমার হাতে ব্যাট নেই। লেখাটা আরেকবার পড়লেই আমাকে খুজে পাবেন।
ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

৭| ১৯ শে মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৮

ইসিয়াক বলেছেন: ক্রিকেট খেলার স্মৃতিগুলো মিলে গেল। আমি অবশ্য ফুটবল সাতচাড়া আর দাড়িয়া বান্ধা খেলতে বেশি পছন্দ করতাম। আর খেলতাম কুত কুত আর ইচিং বিচিং।ছোট বেলায় আমার অনেক মেয়ে বান্ধবী ছিল কি-না । হা হা হা


# রুশ দেশের উপকথা বইটা কি এখন আর পাওয়া যায়? আমার সংগ্রহে থাকা বইটা খুঁজে পাচ্ছি না। কেউ হয়তো পড়তে নিয়েছিল আর ফেরত দেয় নি।ইদানীং বইটা আবার পড়তে ইচ্ছে করছে। অনেক স্মৃতি ফিরে পাওয়া যেত তাহলে।

১৯ শে মে, ২০২২ রাত ৯:১৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: Click This Link
ভাই এখান থেকে আপাতত পড়েন। আমি খোঁজ করছি। নীলক্ষেতে সেদিন দুইটা পেয়েছি। যদি পাই, আমি জানাবোনে।

৮| ২০ শে মে, ২০২২ রাত ১২:১৭

ক্ষুদ্র খাদেম বলেছেন: অস্থির, আর কিছু কমু না ভাইজান :#) B-) B-)

২০ শে মে, ২০২২ ভোর ৪:৪০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আর কিছু বলার দরকার নাই। বুঝে নিছি।
ধন্যবাদ ভাই। ভালো থাকবেন।

৯| ২০ শে মে, ২০২২ রাত ১২:২০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখাটা প্রথমেই মন দিয়ে পড়েছি।
আপনি বলেছেন- ইমরান খান ব্যাট টা আপনার হাতে।

কিন্তু ছবিতে তিনজনের হাতে ব্যাট। তাছাড়া ইমরান খান ব্যাট কি জিনিস সেটা আমার বুঝে আসে না।

২০ শে মে, ২০২২ ভোর ৪:৩৮

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ছবির বিষয়ে লেখা আছে, ইমরান খান ব্যাটটা আমার হাতে নেই। আর মুল লেখাতে আছে- ম্যাচের আগের দিন রাতে খুব এলো না। লাল পোলো টিশার্ট আর সাদা টাউজার আব্বা রেখে দিলেন মাথার কাছে।


ইমরান খান ব্যাট হচ্ছে ব্যাটের উপর ইমরান খানের নামের স্টিকার লাগানো। ছবিতে দেখুন, এমন স্টিকার লাগানো থাকে ব্যাটে । আমার ব্যাটে স্টিকার লাগানো ছিল 'ইমরান খান'। তাই বলতাম ইমরান খান ব্যাট। ঠিক তেমন, জিএম ব্যাট। এসএস ব্যাট।


১০| ২০ শে মে, ২০২২ ভোর ৫:৪৮

মিরোরডডল বলেছেন:




ফ্রন্ট রো, সেকেন্ড লেফট ।
সেইরকম কিউট একটা রাজপুত্র :)





২০ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:১৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আহা! তবে শৈশবের জন্য কেন কাঁদবো না!
চিনে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ আলিওনুশকা বোন।

১১| ২০ শে মে, ২০২২ সকাল ৮:৩৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: স্বপ্নবাজ সৌরভ,




স্মৃতির মাঠে যেন একটা ছক্কা-ই মারলেন!

মিরোরডডল মনে হয় ঠিকই বলেছেন ---- আমি চিনি গো চিনি তোমারে ......

২০ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:২২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: সাদা হ্যাট পড়া দুটো মানুষের কথা বলা দরকার ছিল। উনারা হাইস্কুলের টিচার। সমাদৃত। ক্রিকেট অন্তপ্রাণ। উনাদের নিয়ে গল্প আছে।

জানেন স্যার ঐদিন আমার প্রথম 'দেজা ভ্যু' হয়েছিল। আমার সমস্ত কল্পনা যেন চোখের সামনে বাস্তবিক রুপ নিয়েছিল। আমার সেই শৈশব।

১২| ২০ শে মে, ২০২২ বিকাল ৪:৪৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: খেলাধুলায় হার আর জিত থাকবেই। দুটাকেই সহজভাবে নিতে হবে।

পুরস্কার সিনেমার একটা সুন্দর গান ছিল;

'হার জিত চিরদিন থাকবেই, তবুও এগিয়ে যেতে হবে
বাধা বিঘ্ন না পেড়িয়ে বড় হয়েছে কে কবে'

২০ শে মে, ২০২২ বিকাল ৪:৫২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ঠিক তাই। দাদার কথাটা মানিনি বলে বড় হতে পারিনি।

১৩| ২০ শে মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০৮

জুন বলেছেন: কি মধুর স্মৃতিচারণ ! আশৈশব যে আপনি আবেগী ছিলেন বা আছেন তা আপনার লেখাতেই ফুটে উঠে বিশেষ করে সোভিয়েত উপকথা নীয়ে লেখালেখিতে ।
বোঝার বয়স থেকে এই ক্রিকেট খেলা নিয়ে হাজারও স্মৃতি আছে আমার দর্শক হিসেবে।
কারন আমাদের পরিবারে এই খেলাটি মিশে আছে রক্তের ভেতর স্বপ্নবাজ ।

তবে এক মা হিসেবে এক কিশোরের বুকে ব্যাট জড়িয়ে শুয়ে বসে থাকা নিয়ে আমার লেখাটি পড়ার অনুরোধ রইলো ।
এক মা এর স্মৃতিচারণ

২১ শে মে, ২০২২ রাত ১:২৭

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়লাম। যে মন্তব্য করতে চেয়েছিলাম ঠিক তেমন পারিনি। পাকিস্তানি সিএ ব্যাটটা চোখের সামনে ভাসছে। যে কিশোর ব্যাট জড়িয়ে ঘুমাই , সে ব্যাট স্পর্শ করবে, গ্রিপিং করবে কিন্তু কোন দিনই নেটে নামবে না।

আর আমার ইমরান খান ব্যাট কিংবা সোভিয়েত বই শুধুই ব্যাট কিংবা বই নয়। আমার চরম আবেগীয় শৈশবের প্রতিচ্ছবি। যেই প্রতিচ্ছবি বারবার আমার দেয়া ভেসে ওঠে।

ভাল থাকবেন জুন আপা।

১৪| ২১ শে মে, ২০২২ বিকাল ৫:২৮

মেহবুবা বলেছেন: এটা যেন ঠিক কোন্ বছরের আর্ন্তজাতিক ম্যাচ

২১ শে মে, ২০২২ বিকাল ৫:৪২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ইমরান খান তখনো বিশ্বকাপ পায়নি ।

১৫| ২১ শে মে, ২০২২ বিকাল ৫:৩১

মেহবুবা বলেছেন: অনেক আগের ছবি তো তাই বিখ্যাত সব খেলোয়াড় কে চিনতে পারছি না☹️
যতই মজা করি না কেন, সে সময়ের অভিভাবকদের আচার আচরণ এবং ভাবনা কতই না মান সম্পন্ন ছিল!

০৪ ঠা জুন, ২০২২ দুপুর ১:০০

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: এখনকার বাবা মা কি সন্তানদের ঈদের চাঁদ দেখায় ?
পেটকাটি চাঁদিয়াল ঘুড়ি বানিয়ে দেয় ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.