নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সরওয়ার নিজামী একাধারে লেখক, আইন গবেষক, আইনজীবী, সমাজকর্মী ও সংগঠক। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পর্কিত আইন, আইনের জীবন ও দর্শন, চলচ্চিত্রে আইন, কোলাহল শেষে, বিপ্লব দেখতে আসিনি, এসেছি বিপ্লবী হতে, কিছু স্মৃতি, কিছু কথা, শূন্যলতা, চলচ্চিত্রে আইন বইয়ের লেখক।

সরওয়ার নিজামী

আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)

সরওয়ার নিজামী › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেবোত্তর সম্পত্তি দলিল বলতে কী বুঝায়?

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০০

দেবোত্তর সম্পত্তি দলিল বলতে সেই আইনি নথিপত্রকে বোঝায় যার মাধ্যমে হিন্দু আইনানুসারে কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি কোনো দেবতার উদ্দেশ্যে বা ধর্মীয় কাজের জন্য চিরস্থায়ীভাবে দান বা উৎসর্গ করা হয়। সহজ কথায়, এটি এমন একটি দানপত্র যা কোনো ব্যক্তিকে নয়, বরং সরাসরি ঈশ্বর বা দেবতাকে মালিক মেনে সম্পন্ন করা হয়।

এই দলিলের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
মালিকানা: এই দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তির প্রকৃত মালিক হন স্বয়ং দেবতা (মূর্ত প্রতীক)। কোনো ব্যক্তি এই সম্পত্তির ব্যক্তিগত মালিক হতে পারেন না।
সেবায়েত বা ট্রাস্টি: দেবতার পক্ষে এই সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্বে যিনি থাকেন, তাকে 'সেবায়েত' বলা হয়।
হস্তান্তর অযোগ্যতা: সাধারণত দেবোত্তর সম্পত্তি বিক্রি, দান বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এটি একটি চিরস্থায়ী দান হিসেবে বিবেচিত হয়।

দলিলের প্রকার: দেবোত্তর সাধারণত দুই প্রকারের হতে পারে:
প্রকাশ্য (Public): যা সর্বসাধারণের কল্যাণে বা মন্দিরের জন্য উৎসর্গ করা হয়।
ব্যক্তিগত (Private): যা কোনো নির্দিষ্ট পরিবারের পারিবারিক বিগ্রহ বা দেবতার সেবার জন্য উৎসর্গ করা হয়।
উদ্দেশ্য: এই দলিলের মূল উদ্দেশ্য হলো দেবতার পূজা-অর্চনা, উৎসব পালন এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের খরচ মেটানো নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশে এই ধরণের সম্পত্তি সুরক্ষার জন্য দেবোত্তর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা আইন এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুসরণ করা হয়।


লেখক- সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
যোগাযোগ- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.