| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা:
জমিতে কোনো মামলা বা আইনি জটিলতা আছে কি না, তা জানার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (http://www.land.gov.bd), ই-পর্চা, এবং ই-কোর্ট (ecourt.gov.bd) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জমির খতিয়ান বা মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করা যায়। এছাড়া, স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, ভূমি অফিস বা দেওয়ানী আদালতে তল্লাশি (Search) দিয়ে জমির রেকর্ড যাচাই করা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
বিস্তারিত জানার উপায়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
অনলাইন অনুসন্ধান (ই-কোর্ট ও ই-পর্চা): বাংলাদেশের ই-কোর্ট ওয়েবসাইট (ecourt.gov.bd) ব্যবহার করে মামলার ধরন, স্ট্যাটাস এবং আদেশের কপি দেখা যায়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-পর্চা (eparcha.gov.bd) সাইট থেকে খতিয়ানের বর্তমান অবস্থা যাচাই করা যায়।
সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: জমির মালিকের নাম বা দাগ নম্বর ব্যবহার করে রেজিস্ট্রি অফিস থেকে তল্লাশি দিয়ে জমির ওপর কোনো দায়বদ্ধতা (Encumbrance Certificate - EC) বা মামলা আছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
ভূমি অফিস (ইউনিয়ন/উপজেলা): স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে রেকর্ড যাচাই করলে কোনো দাগের ওপর মামলা আছে কি না সে তথ্য পাবেন। এই পদ্ধতি অনেক বেশি কাযকর।
আদালতে খোঁজ নেওয়া: জেলা জজ আদালত বা সংশ্লিষ্ট আদালতে নিয়মিত মামলা (Title Suit) চলছে কি না, তা সিভিল আদালতের রেকর্ড বা আইনজীবীর মাধ্যমে চেক করা যেতে পারে।
স্থানীয় অনুসন্ধান: জমির আশেপাশে খোঁজ নিয়ে বা পুরনো বাসিন্দাদের কাছ থেকে মামলার ইতিহাস সম্পর্কে জানা।
পরামর্শ: জমি কেনার আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই (Legal Opinion) করে নেওয়া উচিত।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
যোগাযোগ- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯
©somewhere in net ltd.