| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ছলনা, মিথ্যা তথ্য প্রদান বা বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে অর্থ, সম্পত্তি বা কোনো অধিকার থেকে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বঞ্চিত করলে প্রতারণার মামলা (সাধারণত দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারা অনুযায়ী) করা যায়। এছাড়া বিশ্বাসভঙ্গ (৪০৬ ধারা), চেক জালিয়াতি, বা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হলেও এই মামলা করা যায়।
প্রতারণার মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
মামলার কারণ: যখন কেউ প্রতারণা (Cheating) বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের (Criminal Breach of Trust) মতো অপরাধ সংঘটন করে। যেমন—মিথ্যা পরিচয় দিয়ে অর্থ নেওয়া, চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে সম্পদ আত্মসাৎ, বা কোনো পণ্য বা সেবা দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে তা না দেওয়া।
আইনগত ধারা: দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪১৫ ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং ৪২০ ধারায় প্রতারণা ও অসাধুভাবে সম্পত্তি হস্তকরণের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে ৪০৬ ধারা প্রযোজ্য হয়।
কোথায় মামলা করবেন:
নিকটস্থ থানা বা থানায় জিডি (General Diary) করা।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি সিআর (CR) মামলা করা।
ডিজিটাল বা অনলাইন প্রতারণার ক্ষেত্রে পুলিশের ডিজিটাল অপরাধ ইউনিটে অভিযোগ করা।
প্রয়োজনীয় প্রমাণ: প্রতারণার ঘটনার প্রমাণাদি যেমন—চুক্তিপত্র, ব্যাংক লেনদেনের স্টেটমেন্ট, মেসেজ বা কল রেকর্ড, এবং সাক্ষী।
প্রতারণার শিকার হলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
যোগাযোগ- ০১৮১৫ ৮১৯ ২৩৯
©somewhere in net ltd.