| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী হত্যা, শিকার, বা পাচার বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ। বাঘ বা হাতি হত্যার ক্ষেত্রে ২-৭ বছরের কারাদণ্ড (সর্বোচ্চ ১২ বছর পুনরাবৃত্তিতে) এবং ১-১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। বিপন্ন প্রাণী হত্যা এখন জামিন অযোগ্য অপরাধ। এছাড়া অন্য বন্যপ্রাণী ও পাখির জন্য শাস্তির ভিন্ন বিধান রয়েছে।
আইন ও শাস্তির বিস্তারিত:
সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী (বাঘ/হাতি) হত্যা: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ২০১২ এর ধারা ৩৬ অনুযায়ী, বাঘ বা হাতি হত্যা করলে সর্বনিম্ন ২ বছর এবং সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
বিপন্ন প্রাণী হত্যা (নতুন অধ্যাদেশ ২০২৫): ২৫০টি বিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী হত্যা, শিকার বা আটক করা এখন জামিন অযোগ্য অপরাধ।
পাখি বা পরিযায়ী পাখি হত্যা: ধারা ৩৮ অনুযায়ী, পাখি হত্যা বা দেহের অংশ সংগ্রহ/কেনাবেচা করলে ১ বছরের জেল বা ১ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
অভয়ারণ্যে অপরাধ: সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে প্রবেশ বা অপরাধ করলে ২ থেকে ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা:
অনুমোদন ছাড়া বন্যপ্রাণী পোষা বা অংশ রাখা: ধারা ৩৯ অনুযায়ী ১ বছরের জেল বা অর্থদণ্ড।
অপরাধের পুনরাবৃত্তি: একই অপরাধ পুনরায় করলে শাস্তির মাত্রা দ্বিগুণ হতে পারে।
উপসংহার
বন্যপ্রাণী হত্যা শুধু অপরাধই নয়, পরিবেশের জন্য হুমকি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ইউনিট অপরাধ দমনে কাজ করে।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

©somewhere in net ltd.