নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সরওয়ার নিজামী একাধারে লেখক, আইন গবেষক, আইনজীবী, সমাজকর্মী ও সংগঠক। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পর্কিত আইন, আইনের জীবন ও দর্শন, চলচ্চিত্রে আইন, কোলাহল শেষে, বিপ্লব দেখতে আসিনি, এসেছি বিপ্লবী হতে, কিছু স্মৃতি, কিছু কথা, শূন্যলতা, চলচ্চিত্রে আইন বইয়ের লেখক।

সরওয়ার নিজামী

আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)

সরওয়ার নিজামী › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেউ আপনার বিরুদ্ধে ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করলে কী করবেন?

১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:০৭

ভূমিকা
দণ্ডবিধির ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত) ও ৫০৬ (হুমকি দেওয়া) ধারায় মামলা হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে হবে। এ দুটি ধারা সাধারণত জামিনযোগ্য, তবে ৫০৬ ধারার অপরাধ গুরুতর (মৃত্যু বা গুরুতর জখমের হুমকি) হলে জামিন জটিল হতে পারে।

করণীয় পদক্ষেপসমূহ:
আইনজীবী নিয়োগ: দ্রুত একজন ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ বা ভালো আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
জামিন গ্রহণ (Bail): ৩২৩ ধারাটি সাধারণত জামিনযোগ্য, তাই আইনজীবী মারফত আদালতের কাছে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করুন।
সিআর (CR) মামলা হলে: যদি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি মামলা (CR Case) হয়, তবে আদালত প্রথমে সমন জারি করবেন। সমন পেলে নির্ধারিত তারিখে হাজির হয়ে জামিন নিতে হবে।
জিডি হলে: থানায় জিডির কপি সংগ্রহ করুন, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণে তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করুন এবং প্রয়োজন হলে পাল্টা জিডি করুন। মিথ্যা অভিযোগ হলে আইনিভাবে তা মোকাবেলার প্রস্তুতি নিন।
তদন্তে সহযোগিতা: পুলিশ তদন্তে এলে বা ডাকলে উপযুক্ত তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে সহযোগিতা করুন।
জিডি বা পাল্টা মামলা: মামলাটি মিথ্যা হলে বা হয়রানিমূলক হলে ঘটনা প্রমাণ সাপেক্ষে থানায় জিডি (GD) করতে পারেন অথবা প্রয়োজনে পাল্টা মামলা (Counter Case) দায়ের করতে পারেন।
তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ: মামলার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা কোথায় ছিলেন বা ঘটনার সময় কী হয়েছিল, তার সাক্ষী ও প্রমাণ জোগাড় করুন।
সমঝোতা (Compromise): ৩২৩ ধারার অপরাধ সমোঝতাযোগ্য (Compoundable)। যদি দুই পক্ষের মধ্যে বোঝাপড়া সম্ভব হয়, তবে মামলার অবসান ঘটানো যেতে পারে।

সতর্কতা: মামলার শুনানির তারিখগুলোতে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হবে, অন্যথায় জামিন বাতিল হতে পারে। এছাড়া ৫০৬ ধারার অপরাধমূলক হুমকির অভিযোগ যদি গুরুতর হয় (যেমন- প্রাণনাশের হুমকি), তবে তা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে যায়। পুলিশ তদন্তে প্রতিবেদন দাখিল করলে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। সাধারণত ১০ জনের বেশি আসামী হলে গ্রাম আদালতে পাঠায় না।


লেখক: সরওয়ার নিজামী
এলএলবি (লন্ডন), এলএলএম ইন কমার্শিয়াল ল’ (লিড্স, ইউকে)
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
কর্পোরেট ম্যাটারস স্পেশাল কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.