| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
জমি ভুলবশত বা অনাবাদি থাকার কারণে খাস খতিয়ানভুক্ত হলে, জমির মালিকানা প্রমাণের দলিলপত্রসহ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড অফিসে রেকর্ড সংশোধনের (Correction of Record) মামলা করতে হবে। সিএস/এসএ খতিয়ান, দলিলের কপি, এবং দখলের প্রমাণসহ দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নিলে জমি ফেরত পাওয়া সম্ভব।
জমি খাস হয়ে গেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:
দলিলপত্র সংগ্রহ: আপনার জমির মূল দলিল, পুরনো সিএস/এসএ/আরএস খতিয়ান, সর্বশেষ দাখিলা (খাজনার রসিদ), এবং ওয়ারিশন সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সংগ্রহ করুন।
ডকুমেন্টেশন: জমিতে আপনার নিয়মিত দখল রয়েছে—এমন প্রমাণ (যেমন: ঘরবাড়ি, বাঁশঝাড়, বা ফসলের ছবি) এবং আশেপাশের প্রতিবেশীদের সাক্ষ্য বা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত রাখুন।
রেকর্ড সংশোধনের আবেদন: এসিল্যান্ড (AC Land) অফিসে 'বিএস বা আরএস রেকর্ডে খাস খতিয়ান সংশোধন' চেয়ে আবেদন করুন।
মামলা দায়ের: যদি রেকর্ড সংশোধন বা প্রশাসনিক আবেদনে কাজ না হয়, তবে দেওয়ানী আদালতে (Title Suit) মামলা করে খাস খতিয়ান বা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করতে হবে।
লিজের জন্য আবেদন (বিকল্প): যদি জমিটি সত্যিই সরকারি খাস জমি হয় এবং আপনি দীর্ঘদিন ভোগদখল করে থাকেন, তবে লিজ বা বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করতে পারেন।
কেন জমি খাস হয়?
জমি দীর্ঘদিন অনাবাদি বা পতিত ফেলে রাখলে।
সর্বশেষ জরিপের সময় (BS/RS) মালিক অনুপস্থিত থাকলে বা ভুল তথ্য দিলে।
ওয়ারিশরা জমি নিজেদের নামে নামজারি বা খাজনা না দিলে।
দ্রষ্টব্য: জমি খাস হওয়ার বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি, অন্যথায় আইনি জটিলতা বাড়তে পারে।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

©somewhere in net ltd.